Author: desk

  • বিরামপুরে ইউএনওর বিদায় ও এসিল্যান্ডের বরণ সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত

    বিরামপুরে ইউএনওর বিদায় ও এসিল্যান্ডের বরণ সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত

    জাকিরুল ইসলাম, বিরামপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি:

    দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পরিমল কুমার সরকারকে বদলিজনিত বিদায়ী সংবর্ধনা ও উপজেলার নবাগত সহকারী কমিশনার (ভূমি-এসিল্যান্ড) মুরাদ হোসেনকে বরণ সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার রাত ৯ টায় পৌর শহরের চাংপাই চাইনিজ রেস্টুরেন্ট এন্ড ফাস্ট ফুডে বিরামপুর প্রেসক্লাবের আয়োজনে এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন বিরামপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি মোরশেদ মানিক। এসময় বিদায়ী ইউএনও পরিমল কুমার সরকার ও নবাগত এসিল্যান্ড মুরাদ হোসেনকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও ক্রেস্ট প্রদান করেন বিরামপুর প্রেসক্লাবের সকল সদস্যবৃন্দ।

    প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি ফরিদ হোসেনের সঞ্চালনায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, বিদায়ী ইউএনও পরিমল কুমার সরকার, নবাগত এসিল্যান্ড মুরাদ হোসেন, প্রবীণ আইনজীবী অ্যাডভোকেট মওলা বক্স, ওসি সুমন কুমার মহন্ত, নবাবগঞ্জ থানার ওসি ফেরদৌস ওয়াহিদ, সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) অদ্বৈত অপু, একাডেমিক সুপারভাইজার আব্দুস সালাম, এসআই এরশাদ মিঞা, প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি মোবারক আলী, সিনিয়র সাংবাদিক ডা: নুরুল হক প্রমুখ।

    এসময় প্রেসক্লাব সদস্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সাংবাদিক জালাল উদ্দিন রুমি, আবু তাহের, মাহমুদুল হক মানিক, মাহবুবুর রহমান, এম আই তামিম, নূরে আলম সিদ্দিকী নূূর, জাকিরুল ইসলাম, রিপন মানিক চৌধুরী, আব্দুল কাফি, জাহিনুর ইসলাম, একলাছুর রহমান, মিজানুর রহমান, নূর মোহাম্মদ প্রমুখ।

    জাকিরুল ইসলাম জাকির
    বিরামপুর, দিনাজপুর।

  • পঞ্চগড়ে বৃষ্টির জন্য ইস্তিসকার নামাজ আদায়

    পঞ্চগড়ে বৃষ্টির জন্য ইস্তিসকার নামাজ আদায়

    মুহম্মদ তরিকুল ইসলাম,তেতুলিয়া প্রতিনিধিঃ তীব্র দাবদাহ থেকে রক্ষা পেতে বৃষ্টির জন্য ইস্তিস্কার নামাজ আদায় করা হয়েছে। শুক্রবার (৯ জুন) সকাল ৯টার দিকে শহরের কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে প্রায় তিন শতাধিক মুসল্লি এই ইস্তিসকার নামাজ আদায় করেন। নামাজে ইমামতি করেন কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের খতিব মুফতি আ ন ম আব্দুল করিম।

    নামাজ শেষে বিশেষ খুতবার পর বৃষ্টির জন্য কেঁদে কেঁদে মোনাজাত করা হয়। এতে পৌর এলাকার বিভিন্ন মসজিদের মুসল্লিরা অংশ নেন।

    ঁজানা যায়, বৃহস্পতিবার রাতে কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও সাবেক পৌর মেয়র তৌহিদুল ইসলাম ইস্তিসকার নামাজের আহ্বান জানান।

    পবিত্র কোরআন ও হাদিস শরীফের উদ্ধৃতি দিয়ে খতিব মুফতি আ ন ম আব্দুল করিম বলেন, বৃষ্টির জন্য রসুলুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইস্তিসকার নামাজ আদায় করেছিলেন। সেই নামাজের প্রার্থনা কবুল হয়ে অঝোর ধারায় বৃষ্টি নেমেছিল। চলমান দাবদাহ থেকে রক্ষার জন্য আমরাও নামাজের আয়োজন করি।

    মুহম্মদ তরিকুল ইসলাম।

  • নড়াইলে ডিবি পুলিশের অভিযানে ইয়াবাসহ গ্রেফতার ১

    নড়াইলে ডিবি পুলিশের অভিযানে ইয়াবাসহ গ্রেফতার ১

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল থেকে: নড়াইলে ডিবি পুলিশের অভিযানে ইয়াবাসহ গ্রেফতার একজন। নড়াইলে ৫৫ পিস ইয়াবাসহ আসিফ মল্লিক হাসিব (৩১) নামের এক যুবককে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশ। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল থেকে জানান, বৃহস্পতিবার (৮ জুন) রাতে নড়াগাতী থানাধীন পহরডাঙ্গা ইউনিয়নের পাখিমারা গ্রাম থেকে তাকে আটক করা হয়। গ্রেফতার আসিফ অত্র গ্রামের আক্তার মল্লিকের ছেলে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ডিবি পুলিশ পরিদর্শক জনাব সাজেদুল ইসলাম এর তত্ত্বাবধানে এসআই (নিঃ) অপু মিত্র সঙ্গীয় ফোর্সসহ অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করে। এ সময় তার নিকট থেকে ৫৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট জব্দ করা হয়। এ সংক্রান্তে নড়াগাতী থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা রুজু করা হয়েছে। নড়াইল জেলা পুলিশ সুপার নির্দেশনায় মাদকমুক্ত নড়াইল গড়ার লক্ষ্যে জেলা পুলিশ আন্তরিকভাবে কাজ করছে।

  • নড়াইলে অভিভাবকের এলোপাতাড়ি  মারপিটে গুরুতর আহত শিক্ষক

    নড়াইলে অভিভাবকের এলোপাতাড়ি মারপিটে গুরুতর আহত শিক্ষক

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল থেকে :
    নড়াইলের লোহাগড়ার বড়দিয়া বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে অর্ধবার্ষিক পরীক্ষা চলাকালে ওই বিদ্যালয়ের বিজ্ঞান বিষয়ের শিক্ষক সাইফুল ইসলামকে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে গুরুতর আহত করেছে এক ছাত্রীর বাবাসহ পরিবারের লোকজন। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল থেকে জানান, গত বুধবার (৭ জুন) অর্ধবার্ষিক পরীক্ষা চলাকালীন এ ঘটনা ঘটে। তবে বিষয়টি জানাজানি হয় বৃহস্পতিবার। অভিভাবকের মারপিটে গুরুতর আহত শিক্ষক সাইফুলকে গোপালগঞ্জ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ভুক্তভোগী শিক্ষকের বাড়ি নড়াইলের কালিয়া উপজেলার যোগানিয়া গ্রামে।
    ভুক্তভোগী শিক্ষক সাইফুল ইসলাম অভিযোগ করেন, অর্ধবার্ষিক পরীক্ষা চলাকালে বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী শ্রেয়া অপ্সরা তার বান্ধবীর খাতা দেখে পরীক্ষা দিচ্ছিল। বিষয়টি নজরে আসার পর অপ্সরাকে উঠিয়ে অন্যত্র বসতে দিই। এ ঘটনা জানাজানির পর অপ্সরার বাবা সুফিয়ান শেখ ও দাদা আয়ন উদ্দীন শেখসহ ৪ থেকে ৫জন বিদ্যালয়ে এসে কিছু বুঝে উঠার আগেই আমাকে কিল-ঘুষি, লাথিসহ পেটানো শুরু করেন। প্রাণ ভয়ে দৌঁড়ে প্রধান শিক্ষকের অফিসে আশ্রয় নিলেও সেখানে গিয়ে তারা আমাকে মেরে গুরুতর আহত করেন।
    শিক্ষার্থীর দাদা অভিযুক্ত আয়ন উদ্দীন শেখ শিক্ষককে পেটানোর কথা অস্বীকার করে বলেন, শিক্ষক সাইফুল ইসলাম আমার নাতি অপ্সরাকে মানসিক ভাবে হয়রানি করেছেন।
    বড়দিয়া বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক কামরুজ্জামান বলেন, স্থানীয় ভাবে মিমাংসার কথা হচ্ছে। তবে ঘটনার দিন সিসিটিভির ফুটেজ দেখাতে অনীহা প্রকাশ করেন তিনি।
    লোহাগড়া উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুল হামিদ ভূঁইয়া বলেন, শিক্ষককে মারপিটের ঘটনা শোনার পর আমি খোঁজখবর নিয়েছি। ভুক্তভোগী শিক্ষককে সব ধরণের সহযোগিতা করা হবে।
    লোহাগড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) নাসির উদ্দিন বলেন, ভুক্তভোগী মামলা দিলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

  • পঞ্চগড়ে বৃষ্টির জন্য ইসতিসকার নামাজ আদায়,কেঁদে করলেন মুসল্লীরা মুনাজাত

    পঞ্চগড়ে বৃষ্টির জন্য ইসতিসকার নামাজ আদায়,কেঁদে করলেন মুসল্লীরা মুনাজাত

    মো; বাবুল হোসেন পঞ্চগড় প্রতিনিধি:
    পঞ্চগড়ে গত এক মাসেও দেখা মেলেনি বৃষ্টির। খরাতাপ থেকে মুক্তি ও বৃষ্টিপাত হওয়ার জম্য উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ে বৃষ্টির জন্য ইসতিসকার নামাজ আদায় করেছেন মুসুল্লিরা।

    আজ শুক্রবার (০৯ জুন) সকাল ৯৯টার দিকে পঞ্চগড় কেন্দ্রীয় ইদগাহ ময়দানে পঞ্চগড় কেন্দ্রীয় মসজিদের পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি ও সাবেক পৌর মেয়র তৌহিদুল ইসলাম এই নামাজের আয়োজন করেন।

    এসময় পঞ্চগড় কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের খতিব মুফতি আ ন ম আব্দুল করিমের ইমামতিত্বে ইসতিসকার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়।

    এ সময় পঞ্চগড় বাজার জামে মসজিদের পেশ ইমাম ওমর ফারুক, হাফেজ মীর মোর্শেদ তুহিন এবং স্থানীয় ওলামায়ে কেরাম সহ প্রায় জেলা শহরের বিভিন্ন এলাকার তিন শতাধিক মুসুল্লি এই নামাজে অংশ নেন।

    নামাজ শেষে বিশেষ খোতবার পর বৃষ্টির জন্য কেঁদে কেঁদে মুনাজাত করা হয়। তীব্র তাপদাহে এই বৈশাখে জনজীবনে দূর্ভোগ নেমে আসে পঞ্চগড়ে। রোদের তীব্রতায় গরমে অতিষ্ঠ হয় জেলার মানুষজন। বৃস্টির আশায় এই ইসতিসকার নামাজের আয়োজন করা হয় ।

    পঞ্চগড় কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের খতিব মুফতি আ ন ম আব্দুল করিম বলেন, মহান আল্লাহর কাছে আমরা দুহাত তুলে কেঁদে কেঁদে মোনাজাত করেছি। মহান মালিকের কাছে এই খরতাপ ও তীব্র গরমের হাত থেকে রেহাই পেতে বৃষ্টি প্রার্থনা করেছি। নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ আমাদের কথা শুনবেন।
    Show quoted text

  • পঞ্চগড়ে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২

    পঞ্চগড়ে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২

    মোঃ বাবুল হোসেন পঞ্চগড়: পঞ্চগড়ে সড়ক দুর্ঘটনায় দুই মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হয়েছেন। শুক্রবার (৯ জুন) রাতে তেঁতুলিয়া-পঞ্চগড় মহাসড়কের সাড়ে নয় মাইল এলাকা এ দুর্ঘটনা ঘটে।

    নিহতরা হলেন শেখ ফরিদ (২৪) ও শরীফুল ইসলাম। নিহত ফরিদ জেলার তেঁতুলিয়া উপজেলার শালবাহান ইউনিয়নের হাগুড়াগছ গ্রামের আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে ও শরীফুল ইসলাম একই এলাকার জনাব আলীর ছেলে। সম্পর্কে তারা মামা ভাগিনা বলে জানা গেছে।

    পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, শুক্রবার রাত ৯টার দিকে সাড়ে নয় মাইল এলাকায় সড়কে মোটরসাইকেল আরোহীদের রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখতে পান স্থানীয়রা। পরে তারা হাইওয়ে পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে দুজনের মরদেহ উদ্ধার করেন। এ সময় দুজনের মাথার মগজ বিচ্ছিন্ন অবস্থা দেখা যায়। পুলিশের ধারণা, দুর্ঘটনাটি ট্রাকের সাথে ঘটতে পারে। নিহতরা পঞ্চগড় থেকে তেঁতুলিয়া শালবাহানে বাড়ি ফিরছিলেন বলে জানা যায়।

    তেঁতুলিয়া হাইওয়ে থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) ফরহাদ আলম সড়ক দুর্ঘটনায় দুই মোটরসাইকেল আরোহীর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, দুজনের মৃত্যু ঘটনাস্থলেই হয়েছে। তারা পঞ্চগড় থেকে মোটরসাইকেলে বাড়ি ফেরার পথে জেলার সাড়ে নয় মাইল এলাকায় পৌছালে দূর্ঘটনাটি ঘটে। সম্ভবত ট্রাকের সঙ্গে সংঘর্ষে এ দুর্ঘটনা ঘটেছে।

  • রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে মহান নেতা বিরসা মুন্ডার ১২৩ তম আত্মত্যাগ দিবস উদযাপিত

    রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে মহান নেতা বিরসা মুন্ডার ১২৩ তম আত্মত্যাগ দিবস উদযাপিত

    রাজশাহী থেকে মোঃ হায়দার আলী।।রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে রক্ষাগোলা সমন্বয় কমিটির আয়োজনে ও সিসিবিভিও’র সহায়তায় মহান বিরসা মুন্ডার ১২৩তম আত্মত্যাগ দিবস পালিত হয়েছে। আজকের এই দিনে অবিভক্ত পরাধীন ভারতবর্ষে সাম্রজ্যবাদী বৃটিশ শাসকদের অন্যায় শাসন ও শোষণের বিরুদ্ধে ন্যায্য স্বাধীনতার আন্দোলন করতে করতে মহান নেতা বিরসা মুন্ডা অত্মত্যাগ করে স্বাধীনতা সংগ্রামের মাইলইস্টন রচনা করেন।

    মহান এই দিবসটিকে স্মরণ করে আজ ৯ জুন ২০২৩ রোজ শুক্রবার মহান বিরসা মুন্ডার ১২৩ তম আত্মত্যাগ দিবস উপলক্ষ্যে রক্ষাগোলা সমন্বয় কমিটির আয়োজনে ও উদ্যোগে কর্মসূচিটিতে সহয়তা করে সিসিবিভিও-রাজশাহী ও ব্রেড ফর দ্যা ওয়ার্ল্ড জার্মানী। এই কর্মসূচীর আওতায় রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার কাকনহাট ও রাজাবাড়ীহাটে দিবস পালিত হয় ।

    এতে ৫০টি রক্ষাগোলা সংগঠনের কয়েক শতাধিক নেতা-নেত্রী ও সদস্য অংশগ্রহণ করেন। দিবসটি উপলক্ষ্যে র‌্যালী শেষে শহীদ মিনারে পুস্প স্তবক অর্পণ ও সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করা হয়। রাজাবাড়ীহাটের সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন রক্ষাগোলা সমন্বয় কমিটির সভাপতি সরল এক্কা এবং কাকনহাটের সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন সুরশুনিপাড়া রক্ষাগোলা সংগঠনের মাঞ্জি হাড়াম সিষ্টি বারে। এছাড়াও উক্ত কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন কাকনহাট পৌরসভার প্যানেল মেয়র মো: আল মামুন, রক্ষাগোলা সমন্বয় কমিটির সদস্য সচিব মো: আরিফ, দেওপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বেলাল উদ্দীন সোহেল, গোদাগাড়ী উপজেলা পারগানা পরিষদের সভাপতি বাবুলাল মুর্মূ, রাজাবাড়ীহাট উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো: মতিয়ার রহমান, গোদাগাড়ী উপজেলা হিন্দু, বৌদ্ধ, খৃষ্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি কৃষ্ণ কুমার সরকার, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী শিক্ষক ভবেস সরেন, এডভোকেট মামুনর রশিদ, সিসিবিভিও’র সিনিয়র হিসাবরক্ষক এএইচএম তারিক, উর্ধতন মাঠ কর্মকর্তা নিরাবুল ইসলাম, পরিবীক্ষণ ও তথ্য প্রযুক্তি কর্মকর্তা মো: শাহাবুদ্দিন শিহাব, মাঠ কর্মকর্তা সৌমিক ডুমরী, নারী উন্নয়ন কর্মকর্তা সবিতা রানী হেম্ব্রমসহ সংস্থার সকল সংগঠকগণ।

    মোঃ হায়দার আলী
    রাজশাহী।

  • ঝিনাইদহের মহেশপুরে শত শত মা বক পাখিকে হত্যা, খাবার না পেয়ে অনাহারে বাচ্চা পাখির মৃত্যু, প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ

    ঝিনাইদহের মহেশপুরে শত শত মা বক পাখিকে হত্যা, খাবার না পেয়ে অনাহারে বাচ্চা পাখির মৃত্যু, প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ

    শহিদুল ইসলাম,

    মহেশপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধিঃ
    রাষ্টীয় আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুল দেখিয়ে শত শত মা বক পাখিকে হত্যা করেছে পাখি শিকারিরা । বাসায় রয়েছে ৪/৫টি ছোট ছোট ছানা। মা আর পৃথিবীতে নেই। বাচ্চাগুলোকে কে আহার যোগাবে ? এ ভাবে অনাহারে থাকতে থাকতে বক পাখির বাচ্চাগুলো মারা গেছে। এই হৃদয়বিদারক ঘটনাটি ঘটেছে ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার কৃষ্ণচন্দ্রপুর গ্রামে।

    গ্রামবাসি শহিদুল ইসলাম অভিযোগ করেছেন, ফতেপুর ইউনিয়নের কৃষ্ণচন্দ্রপুর গ্রামের মৃত মিজানুর রহমান মাষ্টারের ছেলে সুমন গত ৪/৫ মাস যাবত এলাকায় বিভিন্ন স্থানে ইয়ারগান দিয়ে পাখি শিকার করে যাচ্ছেন। তার লোভাতুর দৃষ্টি পরে কৃষ্ণচন্দ্রপুর গ্রামের ঘন একটি বাঁশ বাগানে। ওই বাঁশ বাগানে শতাধীক বক পাখির বাসা ছিল। প্রতিটি বাসায় রয়েছে বাচ্চা। অভিযোগ উঠেছে গত ৪ জুন ইয়ারগান নিয়ে ১০/১২টি মা বক হত্যা করে সুমন।

    তথ্য নিয়ে জানা গেছে, কৃষ্ণচন্দ্রপুর গ্রামের ফকিরচাঁদ মন্ডল, উরফান আলী ও আতেহার মন্ডলের বাঁশঝাড় থেকে বেশ কয়েকটি মা বককে গুলি করে হত্যা করে সুমন। মা বকগুলোকে হত্যা করার পর খাবার না পেয়ে অনাহারে মৃতবরণ করেছে ছানাগুলো। এমন অমানবিক ঘটনা নিয়ে এলাকার তোলপাড় শুরু হলেও পাখি শিকারী সুমন এখনো রয়েছে বহাল তবিয়তে।

    সরজমিনে দেখা গছে, নিরাপদ স্থান হওয়ায় ফতেপুর ইউনিয়নের কৃষ্ণচন্দ্রপর গ্রামে ফকিরচাঁদ মন্ডলের বাড়ির পাশে একটি ঘন বাঁশ বাগানে দীর্ঘ ১৫/২০ বছর ধরে শতাধীক বক পাখি বাসা বেঁধে বাচ্চা ফুটিয়ে থাকে। এখনো ওই বাঁশ বাগানে বহু বাসা রয়েছে। প্রতিবেশিরা নিষেধ করা সত্তেও পাখি শিকারী সুমন মা বকগুলোকে নির্বিচারে হত্যা করে রসনা বিলাস সাধন করেছে।
    তথ্য নিয়ে জানা গেছে, পাখি ও অন্যান্য বন্যপ্রাণী সংরক্ষণের লক্ষ্যে এয়ারগান ব্যবহার ও বহন নিষিদ্ধ করেছে সরকার। ২০২১ সালের ১৪ ডিসেম্বর পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে পরবর্তী নির্দেশ না আসা পর্যন্ত এই নিষেধাজ্ঞা চলবে। রাষ্ট্রপতির আদেশের কথা উল্লেখ করে মঙ্গলবার জারি করা এই প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ‘‘দেশের জীববৈচিত্র, পাখি ও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন-২০১২ এর ৪৯ ধারার প্রদত্ত ক্ষমতা বলে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এয়ারগান ব্যবহার বা বহন নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এদিকে ২০০৫ সালে দেশে সকল প্রকার পাখি শিকার নিষিদ্ধ করে সরকার প্রজ্ঞাপন জারী করে। ১৯৭৪ সালে বন্য প্রাণী রক্ষা আইন ও ২০১২ সালে বন্যপ্রাণী সংরক্ষন ও নিরাপত্তা আইনে দন্ডের বিধান রয়েছে। আইনে বলা হয়েছে পাখিনিধনের সর্বোচ্চ শাস্তি এক বছরের জেল অথবা এক লাখ টাকার দন্ড বা উভয় দন্ডে দন্ডিত করা। একই অপরাধ আবার করলে শাস্তি ও আর্থিক জরিমানা দ্বিগুনের বিধান রয়েছে। এই আইন করার পর থেকে দেশের কোথাও পাখি শিকার করতে দেখা না গেলেও মহেশপুরের কৃষ্ণচন্দ্রপুর গ্রামের মৃত মিজানুর রহমান মাষ্টারের ছেলে সুমন সরকারের এই আইনকে থোড়াই কেয়ার করে একের পর এক পাখি শিকার করে যাচ্ছে। তার এই ভোজন বিলাসিতার শিকার হচ্ছে বাসায় থাকা বাচ্চা পাখিগুলো।
    বিষয়টি নিয়ে বৃহস্পতিবার মহেশপুর উপজেলা বন কর্মকর্তা সফিকুল ইসলাম জানান,খবরটি জানার পর উর্ধতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনায় বন বিভাগের পক্ষ থেকে স্বরজমিন তদন্ত করা হয়েছে । তবে দায়ী ব্যক্তির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহন করবো। উল্লেখ্য প্রধান বন কর্মকর্তার হট লাইনে এ বিষয়ে স্থানীয় একজন গনমাধ্যমকর্মী তথ্য প্রমানসহ বুধবার রাতে একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন।

  • আগৈলঝাড়ায় বাটরা বাজার থেকে রামানন্দের আঁক পর্যন্ত সড়ক নির্মাণ কাজের শুভ উদ্বোধন

    আগৈলঝাড়ায় বাটরা বাজার থেকে রামানন্দের আঁক পর্যন্ত সড়ক নির্মাণ কাজের শুভ উদ্বোধন

    বি এম মনির হোসেনঃ-

    বরিশাল জেলার আগৈলঝাড়া উপজেলার রাজিহার ইউনিয়নের বাটরা বাজার থেকে রামানন্দের আঁক পর্যন্ত প্রায় দুই কিলোমিটার পাকা সড়ক ও দুইটি ব্রিজের নির্মাণ কাজের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে।
    ৯ই জুন শুক্রবার সকাল দশটায় বাটরা বাজারে এক অনাড়ম্বর সমাবেশে দোয়া এবং মোনাজাতের মধ্য দিয়ে এ কাজের শুভ উদ্বোধন করা হয়।এ সময় উপস্থিত ছিলেন আগৈলঝাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সুনীল কুমার বাড়ৈ, সাধারণ সম্পাদক আবু সালেহ্ মোঃ লিটন সেরনিয়াবাত, আগৈলঝাড়া উপজেলা পরিষদ ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ রফিকুল ইসলাম, মলিনা রানী রায়,
    আওয়ামী লীগ সহ-সভাপতি ও ১নং রাজিহার ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ ইলিয়াস তালুকদার, উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মোঃ ফরহাদ হোসেন তালুকদার, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ সাইদুল সরদার, রাজিহার ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মুরাদ হোসেন শিকদার, স্থানীয় ইউপি সদস্য, আওয়ামী লীগের অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গসহ সর্বস্তরের জনগণ।

  • ঢাবি ভর্তি পরীক্ষায় সি-ইউনিটের প্রথম স্থান অধিকার করেছে গোপালগঞ্জের জিলহাজ শেখ

    ঢাবি ভর্তি পরীক্ষায় সি-ইউনিটের প্রথম স্থান অধিকার করেছে গোপালগঞ্জের জিলহাজ শেখ

    স্টাফ রিপোর্টার গোপালগঞ্জ : মনোযোগ দিয়ে লেখাপড়া করলে মফস্বলে থেকেও প্রথম হয়ে বড় বড় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হওয়া যায় তার উজ্বল দৃস্টান্ত মো: জিলহাজ শেখ। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি পরীক্ষায় সি-ইউনিটের মানবিক বিভাগে প্রথম স্থান অধিকার করেছে গোপালগঞ্জের শিক্ষার্থী জিলহাজ। ভর্তি পরীক্ষার নৈর্ব্যক্তিক ও লিখিত ১০০ নম্বরের মধ্যে সে পেয়েছে ৭৯.২৫ নম্বর। তার এই কৃতিত্বে পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সহপাঠিদের মধ্যে বইছে আনন্দের বন্যা। আগামীতে অ্যাডমিন ক্যাডার হয়ে দেশের জন্য কাজ করতে চান জিলহাজ।

    আজ শুক্রবার দুপুরে গোপালগঞ্জ শহরতলীর পুরাতন মানিকদাহের বাড়ীতে গিয়ে দেখা ও জানাগেছে, মানিকদাহ গ্রামের ব্যবসায়ী শহর আলী শেখ ও গৃহীনি শিরীন আক্তারের ছেলে মো: জিলহাজ শেখ। ৩ ভাই ও ১ বোনের মধ্যে জিলহাজ ৩য় ও ভাইদের মধ্যে দ্বিতীয়। ছোটবেলা থেকেই লেখাপড়ায় তার ছিল গভীর আগ্রহ।

    পুরাতন মানিকদাহ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রাইমারী পড়া শেষ করে ৬ষ্ঠ শ্রেণীতে ভর্তি হয় জেলা শহরের ঐতিহ্যবাহী এস এম মডেল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে। সেখান থেকে ৪.৮৩ পয়েন্ট নিয়ে এসএসসি পাশ করে। পরে উচ্চ শিক্ষার জন্য শহরের হাজী লাল মিয়া সিটি কলেজে ভর্তি হন জিলহাজ। এ কলেজের মানবিক শাখা থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে জিপিএ-৫ পেয়ে কৃর্তিত্বের সাথে উত্তীর্ন্ন হন।

    এরপর বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি জন্য গোপালগঞ্জ শহরের অপটিমাম বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি কোচিং সেন্টারে ভর্তি হন। সেখানের বিভিন্ন গাইড লাইন নিয়ে চলে প্রস্তুতি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সি ইউনিটের মানবিক বিভাগের ভর্তি পরীক্ষার অংশগ্রহণ করে জিলহাজ শেখ। সেখানে ৭৯.২৫ নম্বর পেয়ে মেধা তালিকায় প্রথম স্থান অধিকার করে। এছাড়া এসএসসি, এইসএসি ও খর্তি পরীক্ষার নাম্বার মিলে অর্জন করেন ৯৮.৯১ পয়েন্ট। যা দেশের মধ্যে সর্বোচ্চ।

    জিলহাজের এ কৃতিত্বে পুরো পরিবারে চলছে আনন্দের বন্যা। নিজের ইচ্ছামত বিষয় নিয়ে পড়শোনা করে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার পাশিপাশি মানুষের মত মানুষ হবে দেশের জন্য কাজ করবে প্রত্যাশা পরিবারের সদস্যদের। তার এই সাফল্যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান লাল মিয়া সিটি কলেজ, অপটিমাম কোচিং সেন্টার, সহপাঠি ও প্রতিবেশীরা আনন্দিত। প্রতিটি ক্লাসে তার উপস্থিতি, অধ্যবসায় ছিল চোখে পড়ার মত। প্রথম স্থান পাওয়ায় অপটিমাম কোচিং সেন্টারের পক্ষ থেকে দেয়া হয় সংবর্ধনা।

    আল্লাহতালা, মা-বাবা, ভাই-বোন ও শিক্ষকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে প্রথম স্থান পাওয়া শিক্ষার্থী মো: জিলহাজ শেখ বলেন, পরিবারের সবার আমার প্রতি আস্থা ছিল, যা আমাকে শক্তি হিসাবে কাজে দিয়েছে। এই শক্তিই কাজে লাগিয়ে আমি ভাল ফলাফল করেছি। কলেজে উঠেই আমার স্বপ্ন ছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করবো। সেজন্য আমি কলেজ থেকে প্রস্তুতি নেয়া শুরু করি। তবে এসএসসিতে ৪.৮৩ পেয়ে আপসেট ছিলাম। এরপরই ভালভাবে পড়াশোনা করি। সেখান থেকে এইচএসসিতে জিপিএ-৫ পাই। এরপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির প্রস্তুতির জন্য গোপালগঞ্জের স্থানীয় কোচিং সেন্টার অপটিমাম বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি কোচিং সেন্টারে ভর্তি হই। সেখান থেকে আমাকে সকল ধরেনর সহযোগীতা করে। তবে আমি কখনো ঘন্টা হিসাবে পড়াশোনা করিনি। রুটিন হিসাবে প্রতিদিনের পড়াশোনা শেষ করেছি। আমার ইচ্ছা লেখাপড়া শেষে অ্যাডমিন ক্যাডার হবো। সেখান থেকে দেশের জন্য কাজ করতে চাই।

    জুনিয়রদের ঢাকা না যাওয়ার আহবান জানিয়ে মো: জিলহাজ শেখ আরো বলেন, যারা মেধাবী তাদের মধ্যে একটি ভূল ধারনা রয়েছে ঢাকায় গিয়ে কোচিং করতে হবে এটা ঠিক নয়। মফস্বল শহর থেকে ঢাকায় গিয়ে সেখানকার পরিবেশের সাথে মানিয়ে নিতে অন্তত ৪ মাস সময় লাগে। এতে প্রস্তুতি নেয়া যায় না। কোচিং করতে ঢাকায় গিয়ে সময় নষ্ট না করে স্থানীয় কোচিং সেন্টারের মাধ্যমে প্রস্তুতি নিলে ভাল ফলাফল করা সম্ভব।

    সহপাঠি আরাফাত রহমান তমাল বলেন, মো: জিলহাজ শেখ আমার সহপাঠি। একই সাথে ভর্তি পরীক্ষা দিয়েছি। ও প্রথম হয়েছে। এতে আমার প্রচন্ড ভাল লাগছে। আশাকরি ও ভাল অবস্থানে গিয়ে দেশ ও দশের জন্য কাজ করবে।

    অপটিমাম বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি কোচিং সেন্টারে শিক্ষক আরিফুল ইসলাম জাইহিন ও আবির হোসেন বলেন, মো: জিলহাজ শেখ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির জন্য আমাদের অপটিমাম বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি কোচিং সেন্টারে ভর্তি হন। ওর পড়াশোনা, পরীক্ষার ফলাফল দেখে আমরা ধরে নিয়েছিলম ও ভাল কিছু করবে। ভর্তি পরীক্ষায় প্রথম হয়ে সে আমাদের ও আমাদের প্রতিষ্ঠানের সুনাম বয়ে এনেছে।

    অপটিমাম বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি কোচিং সেন্টারে পরিচালক মো: সাব্বির রহমান বলেন, মো: জিলহাজ শেখ প্রথম হয়ে আমাদের গর্বিত করেছে। আমরা আশায় ছিলাম ও ভাল রেজাল্ট করে। সে আমাদের আস্থার প্রতিদান দিয়েছে। এজন্য আমরা তাকে সংবর্ধনা দিয়েছি। আশা করি মফস্বলের শিক্ষার্থীরা ঢাকায় না ছুটে স্থায়ীয় কোচিং সেন্টারের উপর ভরসা রাখবে।

    মো: জিলহাজ শেখের বড় ভাই মিনহাজ শেখ বলেন, আমি আমার ছোট ভেইকে সব সময় পড়ালেখায় সাহায্য করেছি। কিভাবে পড়তে হবে, কি কি বিষয় দেখতে হবে। তার এই রেজাল্টে আমরা খুবই খুশি। আশা করি সেখান থেকে ভাল করে পড়ালেখা শেষ করে দেশের জন্য কাজ করবে।

    মো: জিলহাজ শেখের মা শিরীন আক্তার বলেন, ছেলের রেজান্টে আমি প্রচন্ড খুশি। পড়ালেখার জন্য ওকে কখনে বকা দিতে হয়নি। পড়ালেখা সে নিজের ইচ্ছা মত করেছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়ে সে তার পড়ালেখা আগের মতই চালিয়ে যাবে। পড়াশোনা শেষ করে মানুষের মত মানুষ হয়ে ফিরে আসবে।

    মো: জিলহাজ শেখের বাবা শহর আলী শেখ বলেন, ছোট বেলা থেকে পড়ালেখার প্রতি জিলহাজের আগ্রহ ছিল। কখনো ধমক দিয়ে ওকে পড়তে বসাতে হয়নি। আমার ছেলের রেজান্টে আমি খুব খুশি। এখন উচ্চ শিক্ষা শেষ করে পছন্দ মত পেশা বেছে নিয়ে সবার জন্য কাজ করবে এমনটাই আশা করছি।

    হাজী লাল মিয়া সিটি কলেজের অধ্যক্ষ পলাশ কুমার বিশ্বাস বলেন, নিয়ম ও নৈতিকতার মাধ্যমে লেখাপড়া করলে সাফল্য পাওয়া সম্ভব তার উজ্জ্বল দৃস্টান্ত মো: জিলহাজ শেখ। কলেজর পড়ার সময় ওর মেধা, ইচ্ছা শক্তি ছিল প্রবল। আমরা শিক্ষকরা ওকে সব সময় গাইড করেছি। পরীক্ষায় সে ভাল ফলাফল করেছে। ওর এই ফলাফলে আমরা শিক্ষকরা খুবই আনন্দিত। #