Author: desk

  • দোয়ারাবাজারে আদালতের রায়ে দখলদার গুড়িয়ে দেওয়ার পর ফের দখল বসতভিটা

    দোয়ারাবাজারে আদালতের রায়ে দখলদার গুড়িয়ে দেওয়ার পর ফের দখল বসতভিটা

    হারুন অর রশিদ,
    দোয়ারাবাজার (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ

    সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলা সদরে আদালতের রায়ে অবৈধ তিন দখলদারের বসত ঘর গুড়িয়ে দেওয়ার পর ফের দখলে নিয়েছে বসতভিটা। গত ৬ মে শনিবার জেলা ও দায়রাজজের নাজির কামরুজ্জামানের নেতৃত্বে উপজেলা সদরের মুরাদপুর গ্রামে সহকারী জজ আদালত দোয়ারাবাজার এর ডিক্রির প্রেক্ষিতে জেলা ও দায়রাজজের স্বত্ত মোকদ্দমার আদেশে গুড়িয়ে দেওয়া হয় অবৈধ দখলদারদের বসত ঘর। এরপর ফের দখলে নিয়ে যায় অবৈধ দখলদারেরা।

    জানা যায়, উপজেলা সদরের মুরাদপুর গ্রামের সামছুন নাহার (ফুলচেরা)২০০১ সালে রেকর্ডীয় মালিক সিতার উদ্দিনের নিকট সাফকাবলা দলিলে ৩৫ শতক ভুমি ক্রয় করেন। এর মধ্যে ৬৩২/১ দাগের ৯ শতক বসত ভিটে জবর দখল করে বাড়িঘর নির্মাণ করেন মাঝেরগাঁও গ্রামের মৃত ইন্তাজ আলীর পুত্র আঞ্জব আলী, বাদশাহ মিয়ার পুত্র হেলাল মিয়াসহ আরও কয়েকজন। মামলা দায়েরের পর বিজ্ঞ আদালত বাদী সমাছুন নাহারেরর পক্ষে ডিক্রি জারি করেন।

    সামছুন নাহার ( ফুলচেরা) বলেন, মুরাদপুর গ্রামের আঞ্জব আলী, হেলাল, ফারুম মিয়াসহ দখলদাররা আমার ভূমিতে অবৈধভাবে দখল করে আমাকে অনেক কষ্ট দিয়েছে। আমি আদালতের স্মরানাপন্ন হলে বিজ্ঞ আদালত আমার পক্ষে ডিক্রিজারি করেন। আদালত অবৈধ দখলদারদের ঘর গুড়িয়ে দিলে আবার তারা দখলে নিয়েছে। এখন ওই জায়গায় গেলে দখলদারেরা মারধর করার হুমকি ধমকি দেয়। তারা আদালতের রায় উপেক্ষা করে আমার ভিটা দখলে নিয়েছে। আমি এর প্রতিকার চাই।

  • দালাল আ্যম্বুলেন্স চালক সিন্ডিকেটের অনৈতিক দৌরাত্ম; সেবা প্রার্থীদের হয়রানি দিন দিন  বেড়ে চলছে

    দালাল আ্যম্বুলেন্স চালক সিন্ডিকেটের অনৈতিক দৌরাত্ম; সেবা প্রার্থীদের হয়রানি দিন দিন বেড়ে চলছে

    নাজিম উদ্দিন রানা :
    লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে দালালদের দৌরাত্ম্য বেড়ে গেছে। এতে প্রতিনিয়ত রোগী ও তাঁদের স্বজনেরা হয়রানি ও লাঞ্চনার শিকার হচ্ছেন। হাসপাতালের কর্মকর্তা-কর্মচারী, অ্যাম্বুলেন্স ড্রাইভার, স্থানীয় বেসরকারি ক্লিনিক মালিকেরা এই দালাল চক্র গড়ে তুলেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

    স্থানীয়দের অভিযোগ, বিএনপি সরকারের আমলে চাকরি নেয়া একটি চক্র সরকারের দুর্নাম রটাতে জিম্মি করে রেখেছে পুরো ব্যবস্থাপনাকে। তারা কারও নির্দেশও মানছে না। স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে সরকার এখানে সবকিছু পূরণ করে দিয়েছে। তবে সিন্ডিকেট সদস্যরা হাসপাতালকে দুর্নীতির আখড়ায় পরিণত করেছে। অভিযোগ করেছেন অনেকেই।
    রোগী ও স্বজনদের অভিযোগ, হাসপাতাল থেকে যে খাবার পরিবেশন করা হয় তা মুখে দেয়া যায় না। বেশির ভাগ রোগীই বাইরের হোটেল অথবা বাড়ি থেকে খাবার এনে ক্ষুধা নিবারণ করছে।
    এছাড়া পর্যাপ্ত ঔষধ বরাদ্দ থাকা সত্বেও হাসপাতাল থেকে রোগীদের সরবরাহ না দিয়ে বাইরের ফার্মেসী থেকে কেনার পরামর্শ দেয়া হয়।
    এ সুযোগে হাসপাতালের সামনের খাবার দোকান ও ফার্মেসীগুলো রোগীদের সাথে গলাকাটা ব্যাবসা করছে।

    জানা যায়, গত মাসে সদর উপজেলা উত্তর টুমচর গ্রামের শহিদ উল্যাহ পেটে ব্যাথা ও শ্বাস কষ্ট নিয়ে সদর হাসপাতালে ভর্তি হয়। হাসপাতালের সীট খালি দেখে রোগীর স্বজনরা সিটে উঠে। এর কিছুক্ষণ পরই সদর হাসপাতালের এমএলএস ক্যাসিন চাকমা এসেই রোগীকে সিট থেকে বাহিরে ফেলে দেওয়ার হুমকিসহ অশালীন আচরণ করেন। বিষয়টি গণমাধ্যমকর্মীরা জানতে চাইলে তাদের সাথে অসাধাচরণ করে ৪র্থ শ্রেণির এই কর্মচারী। একই দুর্ব্যবহার করা হয় চিকিৎসা নিতে আসা অনেকের সাথেই।

    এনিয়ে দু:খ প্রকাশ করেছেন আরএমও ডা: আনোয়ার হোসেন। কিন্তু কোন ব্যবস্থা না নেওয়ায় এধরণের ঘটনা প্রতিনিয়ত ঘটছে।

    বুধবার(১৪ জুন) সকালে সরকারী আ্যাম্বুলেন্স চালক মহিব উল্যা সেবাপ্রার্থী রোগী ও রোগীর লোকজনের সাথে একইভাবে অসদাচরনের পুনরাবৃত্তির ঘটনা ঘটায়। এদিন বিষয়টি নিয়ে হাসপাতালের সামনে দুই পক্ষের উত্তেজনাকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে আরএমও তা নিরসনে ভূমিকা না রেখে আ্যম্বুলেন্স চালক ও দালালদের উস্কানী দিয়ে সেবাপ্রার্থী রোগীর লোকজনকে আরও নাজেহাল করতে উস্কানী দেয়।
    এতে ক্ষোভ ও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

    এসব বিষয়ে জানতে চাইলে সিভিল সার্জন ডাঃ আহমেদ কবীর বলেন, রোগীদের সাথে দুর্ব্যবহার খুবই দু:খজনক। বৃহস্পতিবার হাসপাতালে অভিযুক্ত দুই কর্মচারীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হয়েছে। জড়িত থাকার প্রমাণ মিললে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • পাইকগাছায় আইসিটি ইন এডুকেশন লিটারেসি ট্রাবলস্যুটিং এন্ড মেইনটেন্যান্স বিষয়ক শিক্ষক প্রশিক্ষণের উদ্বোধন

    পাইকগাছায় আইসিটি ইন এডুকেশন লিটারেসি ট্রাবলস্যুটিং এন্ড মেইনটেন্যান্স বিষয়ক শিক্ষক প্রশিক্ষণের উদ্বোধন

    পাইকগাছা ( খুলনা ) প্রতিনিধি।।
    খুলনার পাইকগাছায় আইসিটি ইন এডুকেশন লিটারেসি ট্রাবলস্যুটিং এন্ড মেইনটেন্যান্স বিষয়ক শিক্ষক প্রশিক্ষণ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে পাইকগাছা সরকারি উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের শেখ রাসেল ডিজিট্যাল ল্যাবে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ১০ দিন ব্যাপী শিক্ষক প্রশিক্ষণ এর উদ্বোধন করেন উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ আনোয়ার ইকবাল মন্টু। ভার্চুয়ালী সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মমতাজ বেগম। স্বাগত বক্তৃতা করেন, সহকারী প্রোগ্রামার মৃদুল কান্তি দাশ। বিশেষ অতিথি ছিলেন, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার শাহজাহান আলি শেখ, প্রধান শিক্ষক রবীন্দ্রনাথ দে।
    উপস্থিত ছিলেন, সহকারী প্রধান শিক্ষক ভারপ্রাপ্ত আব্দুল ওহাব। প্রশিক্ষক ছিলেন, ইমতিয়াজ আহমেদ ও মোঃ রবিউল ইসলাম। পাইকগাছা-কয়রার সমন্বয়কারী ছিলেন, মোঃ ইজাজ আহম্মেদ। এছাড়া শেখ রাসেল ডিজিট্যাল ল্যাব প্রাপ্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রশিক্ষণ রত শিক্ষক বৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

    ইমদাদুল হক,
    পাইকগাছা,খুলনা।

  • তিন দিনেও সনাক্ত হয়নি চাল পাচারের মুলহোতা কে? পাইকগাছায় সাত বস্তা ভিজিডি’র চাল জব্দ ; চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন

    তিন দিনেও সনাক্ত হয়নি চাল পাচারের মুলহোতা কে? পাইকগাছায় সাত বস্তা ভিজিডি’র চাল জব্দ ; চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন

    পাইকগাছা ( খুলনা) প্রতিনিধি।।
    খুলনার পাইকগাছায় ভিজিডির সাত বস্তা চাল ইউনিয়ন পরিষদের গুদাম থেকে পাচারের সময় জব্দ করেছেন স্থানীয়রা। উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নির্দেশে পুলিশ জব্দকৃত ভ্যানসহ চাল ও ভ্যান চালক কে থানায় নেওয়া হলেও এখন পর্যন্ত কোন মামলা দায়ের হয়নি। ভিজিডির সংরক্ষিত জায়গা থেকে পাচার করা না হলে এ চাল আসল কোথার থেকে? কাহারও না কাহারও হাত নিশ্চিত আছে। কে কে জড়িত। দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হবে কি? এ নিয়ে এলাকায় চলছে নানা ধরনের আলোচনা-সমালোচনা। উপজেলার রাড়ুলি ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ জানান, ভিজিডির ৬২০ বস্তা চাল পরিষদের গুদামে সংরক্ষিত আছে। যা ৩১০ ব্যক্তি দুই মাসে ২ বস্তা করে চাল পাবেন। মঙ্গলবার থেকে এ চাল দেওয়া কথা। চাল পাচারের কথা অস্বীকার করেন ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ। ইউপি সদস্য সাইফুল জানান, ‘আমি এ ব্যাপারে কিছুই জানি না।’
    স্থানীয় দু’জন জনপ্রতিনিধির চাল না হলে এচাল আসলো কোথার থেকে? বা যাচ্ছিল কোথায়? এভাবে পাচার হতে থাকলে প্রধানমন্ত্রীর উপহার গরীব অসহায়দের মাঝে আদৌ পৌঁছাবে না। তারা হবে বি ত। আর অপরাধীরা বার বার এধরনের নেক্কার জনক কাজ করতে থাকবে বলে জানান সুধীজনেরা।
    স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল হাকিম গোলদার জানান, আমি নিজেই রোববার সকাল ৬ টায় ভ্যান সহ ৭ বস্তায় ২১০ কেজি চাল রাড়ুলি আরকেবিকে হরিশ্চন্দ্র ইনস্টিটিউটের পাশে রাস্তার ওপর থেকে জব্দ করি। পরে উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে অবহিত করি। ওসি মোঃ রফিকুল ইসলাম বলেন, মালিক বিহীন আমরা জব্দ করেছি। সরকারি দপ্তর থেকে এজহার বা কোন বিষয় নিয়ে আসে নাই। গরিব ভ্যান চালক কে আপাতত মুচলেকা দিয়ে ছাড়া হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মমতাজ বেগম বলেন, চাল পাচারের সংবাদ পাওয়া মাত্রই নির্দেশনা মোতাবেক পুলিশ চাল জব্দ করেছে। চালের তথ্য অনুসন্ধানে ৪ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত রিপোর্টের ভিত্তিতে ব্যবস্থা নেওয়া হবে জানান উপজেলা প্রশাসনের এ কর্মকর্তা।

  • খুলনার রেলওয়ে কিল্ডার গার্টেনে পাখি সংরক্ষণে বনবিবি’র সভা ও গাছে মাটির পাত্র স্থাপন

    খুলনার রেলওয়ে কিল্ডার গার্টেনে পাখি সংরক্ষণে বনবিবি’র সভা ও গাছে মাটির পাত্র স্থাপন

    ইমদাদুল হক,পাইকগাছা,খুলনা।।
    খুলনার প্রাণকেন্দ্রে পাখি সংরক্ষণে গণসচেতনতা বাড়ানোর লক্ষ্যে পাখি শিকার রোধে উদ্বুদ্ধকরণ সভা ও পাখির আবাসস্থল রক্ষায় গাছে মাটির পাত্র স্থাপন করা হয়েছে। পাইকগাছার পরিবেশবাদী স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন বনবিবি’র উদ্যেগে খুলনা রেলওয়ে কিল্ডারগার্টেন স্কুলে পাখি বাসার জন্য গাছে মাটির পাত্র স্থাপন ও সচেতনতামূলক সভা বনবিবি’র সভাপতি সাংবাদিক প্রকাশ ঘোষ বিধিান এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়।
    গণসচেতনতামূলক সভা ও মাটির স্থাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ স্কাউটস খুলনা রেলওয়ে অ লের আ লিক উপ -কমিশনার মো:ফজলুল বারী মল্লিক। বিশেষ অতিথি ছিলেন, সাবেক ব্যাংকার বিকাশেন্দু সরকার, সপ্তদ্বীপা সাহিত্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মাধুরী রানী সাধু। উপস্থিত ছিলেন, প নন সরকার, অসিম রায়, কওসার আলী মোড়ল, রোজী সিদ্দিকী, ঐশী আক্তার লিমা, ফারজানা আক্তার ময়না, হাসনা খাতুন সুমাইয়া, সাংবাদিক ইমদাদুল হক, পরিবেশ কর্মি কার্তিক মণ্ডল প্রমুখ।
    পাখি সহ সকল বন্যপ্রাণী শিকার, হত্যা, লালন-পালন, ক্রয়-বিক্রয় বন্য প্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন- ২০১২, অনুযায়ী দন্ডনীয় অপরাধ সম্বলিত সাধারণ মানুষকে সচেতন করতে,শিকারী ও অসাধুদের সতর্ক করতে পাখির বাসার জন্য মাটির পাত্র স্থাপন করা হয়। বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে বাংলাদেশ সরকার বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন-২০১২ পাস করেছে। এ আইনে পাখি শিকার, হত্যা, আটক ও কেনা বেচা দন্ডনীয় অপরাধ।পাখি হত্যা করলে যার সর্বোচ্চ শাস্তি ২ বছর কারাদণ্ড এবং ২ লাখ টাকা জরিমানা।
    উল্লেখ্য, পাখি বাঁচাও, প্রকৃতি বাঁচাও এ শ্লোগানকে সামনে রেখে পাখির নিরাপদ আবাসস্থল নিশ্চিতের লক্ষে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন বনবিবি উপজেলায় ২০১৬ সাল থেকে কাজ করে যাচ্ছে।পাখির অভায়রণ্য তৈরির লক্ষে পাখির সুরক্ষা, নিরাপদ আবাসস্থল নিশ্চিতের জন্য উপজেলায় বিভিন্ন ইউনিয়ানে গাছে গাছে পাখির বাসার জন্য মাটির পাত্র, ঝুড়ি, সচেতনতামূলক লিফলেট বিতারণ, উদ্বুদ্ধকরণ সভা ও বিলবোর্ড স্থাপন কার্যক্রম অব্যহত রয়েছে।

  • মাধ্যমিক শিক্ষা জাতীয়করণের দাবীতে ঝিনাইদহে শিক্ষকদের মানববন্ধন

    মাধ্যমিক শিক্ষা জাতীয়করণের দাবীতে ঝিনাইদহে শিক্ষকদের মানববন্ধন

    আতিকুর রহমান, ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    মাধ্যমিক শিক্ষা জাতীয়করণের দাবীতে ঝিনাইদহে মানববন্ধন কর্মসূচী পালিত হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে শহরের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সামনে এ কর্মসূচীর আয়োজন করে বাংলাদেশ শিক্ষা সমিতি ঝিনাইদহ জেলা শাখা। এতে ব্যানার ফেস্টুন নিয়ে সংগঠনটির কেন্দ্রীয়, জেলা ও উপজেলা শাখার নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন। ঘন্টাব্যাপী চলা এই কর্মসূচীতে সংগঠনটির কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি মহি উদ্দীন, শিক্ষক নেতা মুহাম্মদ আব্দুল মমিন, আলমগীর হোসেন, শাহানাজ পারভীন মুন্নী, অধ্যক্ষ মাসুদ করিম, ইব্রাহিম খলিল, আব্দুর রাজ্জাক, নাজমুল হাসান, নজরুল ইসলামসহ অন্যান্যরা বক্তব্য রাখেন। সেসময় বক্তারা, শিক্ষা ব্যবস্থা জাতীয়করণ, শিক্ষক-কর্মচারীদের অবসর গ্রহণের ৬ মাসের মধ্যে অবসর সুবিধা ও কল্যাণ ট্রাস্টের পাওনা পরিশোধসহ কয়েকদফা দাবী তুলে ধরেন। ২০২৩-২৪ অর্থ বছরের জাতীয় বাজেট পাশের পুর্বেই মাধ্যমিক শিক্ষা জাতীয়করণের ঘোষনা না দিলে আগামী ১১ জুলাই থেকে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে লাগাতার কর্মসূচীর পালন করা হবে বলে হুশিয়ারি দেন তারা।

    ঝিনাইদহ
    আতিকুর রহমান।

  • ঝিনাইদহে সুদ খোরের অত্যাচারে স্কুল শিক্ষক পথে বসেছে ফাঁকা চেকে এক লাখ টাকার পরিবর্তে ১১ লাখ টাকা বসিয়ে মামলা

    ঝিনাইদহে সুদ খোরের অত্যাচারে স্কুল শিক্ষক পথে বসেছে ফাঁকা চেকে এক লাখ টাকার পরিবর্তে ১১ লাখ টাকা বসিয়ে মামলা

    আতিকুর রহমান, ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    ঝিনাইদহের সুদ কারবারী আমিরুলের অত্যাচারে সর্বশান্ত হয়েছে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের এক স্কুল শিক্ষকসহ অসংখ্য ব্যবসায়ী। এক লাখ টাকা আমিরুলের নিকট থেকে গ্রহন করে প্রায় চার লাখ টাকা দিয়েও পরিশোধ হয়নি স্কুল শিক্ষক কানু গোপাল মজুমদারের সুদের টাকা। সুদ কারবারী আমিরুল ইসলাম সদর পৌরসভার উদয়পুর গ্রামের মৃত ইউসুফ মিয়ার ছেলে। তিনি দীর্ঘ দিন ধরে সুদ কারবারের সাথে জড়িত বলে অভিযোগ উঠেছে। তার অত্যাচারে ঝিনাইদহ শহরের অনেকে ব্যবসায়ী পথে বসেছে। আবার অনেকেই বাড়ি ঘর বিক্রি করে ছেড়েছেন এলাকা। ঝিনাইদহ শহরের ফজর আলী গার্লস স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক কানু গোপাল মজুমদার জানান, তিনি ব্যবসায়ীক প্রয়োজনে ২০১৭ সালে আমিরুলের নিকট থেকে কিছু দিনের জন্য এক লাখ ধার হিসেবে নেন। বিনিময়ে একটি ফাঁকা চেক গ্রহন করেন আমিরুল। টাকা পরিশোধ হলে চেকটি ফিরিয়ে দেওয়ার কথা ছিলো তার। কিন্তু পরবর্তীতে আমিরুল বলেন টাকা দিতে দেরি হলে প্রতিমাসে এক লাখ টাকায় ১০ হাজার টাকা সুদ হিসেবে দিতে হবে। মামলার ভয়ে কানু গোপাল তাকে প্রতি মাসে ১০ হাজার করে সুদ দিতে থাকেন। এভাবে ৩ বছরে ৪ লাখ টাকা দিয়েও রেহায় হয়নি। অবশেষে টাকা দিতে না পারলে ২০২০ সালে ফাঁকা চেকে ১১ লাখ টাকা বসিয়ে আদালতে মামলা করেন আমিরুল। পরবর্তীতে মামলা মিমাংসার কথা বলে বিভিন্ন সময়ে কানু গোপালের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা গ্রহন করেন। সুদ কারবারী আমিরুল প্রভাবশালী হওয়ায় তার ভয়ে কানু গোপাল বাড়িতে থাকতে পারছেন না। শুধু কানু নয় তার মত আলিফ বেকারীর মালিক, হাটের রাস্তার শরিফুল, অনির্বান প্রি-ক্যাডেটের স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক বিনয় কৃষ্ণ, কুষ্টিয়া দধি ভান্ডারের মালিকসহ অসংখ্য মানুষ সর্বশান্ত হয়ে পড়েছেন। এ ব্যপারে অভিযুক্ত আমিরুল ইসলামের সাথে মোবাইল ফোনে কথা বললে জানান, “আমি ব্যবসায়ীক কাজে টাকা দিয়েছিলাম। টাকা না পেয়ে আদালতে মামলা করেছি। মোবাইলে তো এতো কথা বলা যাবে না, সামনাসামনি এসে কথা বলবো” এই বলে ফোন কেটে দেন তিনি।

  • নওগাঁর আত্রাইয়ে বিনা মূল্যে চক্ষু চিকিৎসা ও ছানি অপারেশন ক্যাম্প

    নওগাঁর আত্রাইয়ে বিনা মূল্যে চক্ষু চিকিৎসা ও ছানি অপারেশন ক্যাম্প

    রওশন আরা শিলা,নওগাঁ জেলা প্রতিনিধিঃ-
    ভিশন কেয়ার ফাউন্ডেশন,বসুন্ধরা আই হসপিটাল এন্ড রিসার্চ ইন্সটিটিউট ঢাকা এন্ড সেভেন স্টার শপিং মল এর যৌথ উদ্যোগে নওগাঁ জেলার আত্রাই উপজেলার সুবিধা বঞ্চিত দরিদ্র মানুষদের মধ্যে দিনব্যাপী বিনা মূল্যে চক্ষু চিকিৎসা ও ছানি অপারেশন ক্যাম্প মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত হয়েছে।সেভেনস্টার আই কেয়ার সেন্টার,ভরতেঁতুলিয়া, আত্রাই,নওগাঁর আয়োজনে উপজেলা অডিটরিয়াম হল রুমে ভিশন কেয়ার ফাউন্ডেশন,বসুন্ধরা আই হসপিটাল এন্ড রিসাচ ইন্সটিটিউট ঢাকার পরিচালনায় চিকিৎসা ক্যাম্প উদ্বোধন করেন
    উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ ইকতেখারুল ইসলাম। চিকিৎসা ক্যাম্প পরিদর্শন করেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোঃ এবাদুর রহমান প্রামানিক।
    উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান শেখ হাফিজুর রহমান,
    মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মমতাজ বেগম,
    আত্রাই উপজেলা প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি সাংবাদিক কামাল উদ্দিন টগর,
    আত্রাই স্কাউট টিমের, সুজন -শ্রীজন কুমার
    প্রমূখ। ভিশন কেয়ার ফাউন্ডেশন,হাসপাতালের চক্ষু বিশেষজ্ঞ ও সার্জন ডাঃমজুমদার গোলাম রাব্বীর নেতৃত্বে দশ সদস্যদের একটি চিকিৎসক দল উপজেলার তিন শতাধীক চক্ষু রোগীকে বিনামীল্যে চিকিৎসা ও বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা ছাড়াও সর্ম্পূণ বিনামূল্যে ছানি অপারেশনের জন্য বিশ জন রোগীকে বাছাই করেন।পরে আয়োজকদের ব্যবস্থাপনায় বাছাইকৃত ছানি রোগীদের হাসপাতালের নিজস্ব পরিবহনে ভিশন কেয়ার ফাউন্ডেশন, ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হয়।#

  • বারি আম-১৪  রাজশাহী ফল গবেষণার সাফল্য

    বারি আম-১৪ রাজশাহী ফল গবেষণার সাফল্য

    মোঃ হায়দার আলী রাজশাহী থেকে।। দেশে এখন মধুমাস চলছে, বাহারি ফলের সমাহার। আম, জাম, কাঁঠাল, তালের শাঁসসহ এমন কোন ফল নেই যে এমধু মাসে পাওয়া যায় না। আমের রাজা ল্যাংড়া পাঁকতে শুরু করেছে। দেশের ফলের তালিকায় নতুন দুটি জাত যুক্ত করেছে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএআরআই) এর রাজশাহী ফল গবেষণা কেন্দ্র।

    যার একটি রঙিন আমের জাত ‘বারি আম-১৪’, যার বৈজ্ঞানিক নাম Mangifera indica। এটির উৎস সৌদি আরব। প্রয়োজনীয় গবেষণা প্রক্রিয়া অনুসরণ করে এই জাতটি বাংলাদেশে চালু করা হয়েছে।

    সর্বশেষ খবর দ্য ডেইলি স্টার বাংলার গুগল নিউজ চ্যানেলে। অন্যটি হলো স্থানীয় ফলসা ফলের জাত ‘বারি ফলসা-১’। যা Grewia asiatica নামে পরিচিত, ফলসা জাম পরিবারের অন্তর্ভুক্ত। অপ্রচলিত এই ফল দেশজুড়ে ছোট গাছে জন্মালেও এবারই প্রথম এটি দেশের একটি ফল হিসাবে স্বীকৃতি পেলো।

    জাতীয় বীজ বোর্ড ৩১ ডিসেম্বর এ দুটি ফলের জাতের নিবন্ধনের সনদ দিয়েছে। সনদ দুটি চলতি সপ্তাহের প্রথম দিকে রাজশাহীতে পৌঁছেছে বলে জানিয়েছেন গবেষণা কেন্দ্রের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. আলিম উদ্দিন।

    এই দুটি জাতের মাধ্যমে রাজশাহী ফল গবেষণা কেন্দ্র থেকে দেশের ফল ভান্ডারে মোট নয়টি জাতের ফলের সংযোজন হলো।

    ড. আলিম বলেন, দেশে এখন মোট ৩৬ প্রকারের ফলের ৯২টি জাত নিবন্ধিত আছে। ‘আমরা গর্বিত এবং আনন্দিত। আমরা বিশ্বাস করি যে এই ফলগুলি স্বাদ, পুষ্টির মান এবং বাণিজ্যিক সম্ভাবনার জন্য কৃষক এবং সবার কাছে জনপ্রিয় হবে,’ বলেন তিনি।

    ২০১০ সালে, বারির বিজ্ঞানী গোলাম মর্তুজা সৌদি আরব থেকে একটি আমের গাছের ডাল সংগ্রহ করে রাজশাহীর গবেষণা কেন্দ্রে দেন।
    কেন্দ্রের বিজ্ঞানীরা ডালের কলম করে দশটি চারা গাছ তৈরি করেন। চারা গাছগুলোর মধ্যে একটি মাত্র গাছ বাঁচানো যায়।

    ড. আলিম বলেন, সেই একটি গাছ থেকে কেন্দ্রের বিজ্ঞানীরা গত দশ বছরে মোট পাঁচটি মাতৃ গাছ তৈরি করেছেন। এগুলোই বারি আম-১৪। এই গাছগুলো প্রতি বছর জুলাইয়ের শেষে ফল দেয়। ফলগুলি পাকার সময় আকর্ষণীয় লাল খয়েরি রঙ হয়। আয়তাকার এই আমের প্রতিটির ওজন প্রায় ৫৬৯ গ্রাম। এর ৭৫ দশমিক ৩৫ শতাংশ খাওয়া যায় এবং এতে ২২ দশমিক ৮৩ শতাংশ মিষ্টতা আছে।

    এর ফলন হেক্টর প্রতি ১৪ টন হবার সম্ভাবনা আছে বলেও জানান তিনি।

    অন্যদিকে ফলসা গাছ নিয়মিত মে এবং জুন মাসে ফল দেয়। এই ছোট গোলাকার ফলগুলি প্রায় শুন্য দশমিক ৬৬ গ্রাম ওজনের হয় এবং পাকলে বেগুনি হয়। এর মিষ্টতার পরিমাণ ২৪ শতাংশ। প্রতিটি গাছে বছরে ২০ কেজি ফল ধরে। ড. আলিম উদ্দিন বলেন, ‘আমরা এখন ফলের জাতগুলোর সম্প্রসারণের কাজ করবো।’

    মোঃ হায়দার আলী
    রাজশাহী।

  • সাতক্ষীরা বঙ্গবন্ধু আন্তঃজেলা ফুটবল টুর্নামেন্টে সখিপুর খানবাহাদুর আহ্ছানউল্লাহ কলেজ চ্যাম্পিয়ন

    সাতক্ষীরা বঙ্গবন্ধু আন্তঃজেলা ফুটবল টুর্নামেন্টে সখিপুর খানবাহাদুর আহ্ছানউল্লাহ কলেজ চ্যাম্পিয়ন

    মোঃ আজিজুল ইসলাম(ইমরান)
    সাতক্ষীরায় ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা ও জাঁকজমকপূর্ণভাবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আন্তঃ কলেজ ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৩ এর সমাপনী ও পুরস্কার বিতরনী অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (১২ জুন) বিকালে সাতক্ষীরা জেলা স্টেডিয়ামে জেলা প্রশাসন ও জেলা ক্রীড়া অফিস সাতক্ষীরার আয়োজনে সাতক্ষীরা জেলা ক্রীড়া সংস্থার সভাপতি ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির এঁর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন এবং বঙ্গবন্ধু আন্তঃকলেজ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলার পুরস্কার বিতরণ করেন সাতক্ষীরা সদর-২ আসনের সংসদ সদস্য নৌ-কমান্ডো ০০০১ বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর মোস্তাক আহমেদ রবি। প্রধান অতিথির বক্তব্যে এমপি রবি বলেন, “জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর নামে খেলাটি অনুষ্ঠিত হয়েছে। সুস্থ থাকতে খেলা-ধূলার বিকল্প নেই। আমরা যুব সমাজকে যদি খেলার মধ্যে আনতে পারি তাহলে যুব সমাজ মাদক ও সন্ত্রাস মুক্ত থাকতে পারে। খেলা-ধূলায় পারে মাদক ও সন্ত্রাস মুক্ত সমাজ গঠনে সহায়ক ভূমিকা রাখতে পারে।”
    বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা ক্রীড়া সংস্থার সহ-সভাপতি ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) শেখ মঈনুল ইসলাম মঈন ও সাতক্ষীরা জেলা ক্রীড়া কর্মকর্তা মো. মাহবুবুর রহমান প্রমুখ।
    টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলায় মুখো-মুখি হয় কালিগঞ্জ ধলবাড়িয়া রতনপুর মথুরেশপুর ইউনাইটেড আইডিয়াল কলেজ বনাম সখিপুর খানবাহাদুর আহছানউল্লাহ সরকারি কলেজ। প্রথমার্ধের খেলায় কোন দলই গোলের দেখা পায়নি। দ্বিতীয়ার্ধের খেলায় পর পর সখিপুর খান বাহাদুর আহছানউল্লাহ সরকারি কলেজ দল দুটি গোল করে। ফলে কালিগঞ্জ ধলবাড়িয়া রতনপুর মথুরেশপুর ইউনাইটেড আইডিয়াল কলেজকে ২-০ গোলে পরাজিত করে সখিপুর খানবাহাদুর আহছানউল্লাহ সরকারি কলেজ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আন্তঃ কলেজ ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৩ এর চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে। অতিথিরা খেলা উপভোগ করেন এবং খেলা শেষে বিজয়ী চ্যাম্পিয়ন ও রানার্সআপ দলের মাঝে ট্রপি বিতরণ করেন। ফাইনাল খেলার সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার পেয়েছেন চ্যাম্পিয়ন সখিপুর খানবাহাদুর আহছানউল্লাহ সরকারি কলেজের শামীম, টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড় হয়েছেন চ্যাম্পিয়ন দলের রিয়াদ এবং সর্বোচ্চ গোলদাতার পুরস্কার পেয়েছেন একই দলের হাসানুজ্জামান। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আন্তঃ কলেজ ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২৩ এ মোট ১৬টি কলেজ অংশ নিয়েছিল।
    এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলা তথ্য অফিসার মো. জাহারুল ইসলাম, সাতক্ষীরা জেলা ফুটবল এসোসিয়েশনের সভাপতি শেখ নাসেরুল হক, সাতক্ষীরা জেলা ক্রীড়া সংস্থার অতিরিক্ত সাধারণ সম্পাদক মাহমুদ হাসান মুক্তি, যুগ্ম সম্পাদক মো. সাইদুর রহমান শাহীন, মীর তাজুল ইসলাম রিপন, সদর উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক জিয়াউর বিন সেলিম যাদু, জেলা ক্রীড়া সংস্থার নির্বাহী সদস্য কাজী আকতার হোসেন, ইকবাল কবির খান বাপ্পি, মহিলা সদস্য ফারহা দীবা খান সাথী, শিমুন শামস, শেখ হেদায়েতুল ইসলাম, কাজী কামরুজ্জামান, সৈয়দ জয়নুল আবেদীন জসি, জাতীয় মহিলা ফুটবল দলের খেলোয়াড় সাবিনা খাতুন, আফিদা খন্দকার, জেলা ছাত্র লীগের সহ-সভাপতি কাজী হাশিম উদ্দীন হিমেল, সাতক্ষীরা জেলা ফুটবল এসোসিয়েশনের কোষাধক্ষ্য শেখ মাসুদ আলী প্রমুখ। খেলার রেফারির দায়িত্ব পালন করেন ইমন, সহকারী রেফারি স্বপন, রাজু ও নাজমুল। এসময় জেলা ক্রীড়া সংস্থার নেতৃবৃন্দ, জেলা ফুটবল এসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দ, জেলা ক্রীড়া অফিসের কর্মকর্তাবৃন্দ, জেলার বিভিন্ন কলেজের শিক্ষক শিক্ষার্থী এবং খেলোয়াড়রা উপস্থিত ছিলেন। সমগ্র অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সাতক্ষীরা জেলা ক্রীড়া সংস্থার নির্বাহী সদস্য খন্দকার আরিফ হাসান প্রিন্স।