Author: desk

  • বাবুগঞ্জে খলিল শরিফের ২৫ তম শাহাদাত বার্ষিকী উদযাপন

    বাবুগঞ্জে খলিল শরিফের ২৫ তম শাহাদাত বার্ষিকী উদযাপন

    কে এম সোহেব জুয়েল :-বাবুগঞ্জ উপজেলা পরিষদের সাবেক ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও তৎকালীন সময়ের বাবুগঞ্জ উপজেলা কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক এস এম খলিলুর রহমান খলিল শরিফের ২৫ তম শাহাদাত বার্ষিকী অনুষ্ঠান আজ শনিবার বাদ জহর দোয়া ও মোনাজাতের মধ্যে দিয়ে বাবুগঞ্জ উপজেলা কৃষক লীগের নব- নির্বাচিত যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মো: সাখাওয়াত হোসেন খোকনের সঞ্চালনায় বাবুগঞ্জের বীরশ্রেষ্ট জাহাঙ্গীর নগর ইউনিয়নের ঠাকুরমুল্লিক গ্রামের বাশীরুল উলুম হাফেজীয়া মাদ্রাসায় অনুষ্ঠিত হয়েছে।।

    বাবুগঞ্জ উপজেলার কৃষক লীগের সদস্য ও জাহাঙ্গীর নগর ইউনিয়নের গ্রামবাংলা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি সৈয়দ আবুল কালামের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাবুগঞ্জ উপজেলার কৃষক লীগের সভাপতি মো: মফিজুর রহমান পিন্টু শিকদার।

    তিনি (পিন্টু) বলেন ১৯০৯৮ ইং সালের১৭ জুন আগরপুর আলতাফ মেমোরিয়াল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সম্মুখে কতিপয় সন্ত্রাসীদের হাতে নির্মম ভাবে নিহত হন খলিল। তারি ধারাবাহিকতায় প্রতি বছরের ন্যায় আজকে এই কর্ম সুচির আয়োজন করা হয়েছে। একই সাথে তার (খলিল) হত্যাকারীদের প্রতি নিন্দা জ্ঞাপন সহ তার বিদেহী আত্মার রুহের মাগফিরাত কামনা করেন তিনি (পিন্টু)।

    এ সময় অন্যান্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন, বাবুগঞ্জ উপজেলা কৃষক লীগের সহ -সভাপতি বীর মুক্তি যোদ্ধা আব্দুল হাকিম ভুইয়া,উপজেলা সাংগঠনিক সম্পাদক মো: জালাল উদ্দীন, উপজেলা অর্থ বিষয়ক সম্পাদক বীরমুক্তিযোদ্ধা গওহর আইয়ুব, জাহাঙ্গীর নগর ইউনিয়ন কৃষক লীগের সভাপতি ও সাবেক ইউপি সদস্য আব্দুর রব বেপারী মো : আবদুল্লাহ, মো: ডালু খান, মাছুম হাওলাদার প্রমুখ। মিলাদ ও দোয়া মোনাজাত শেষে মধ্যাহ্ন ভোজের আয়োজন ও পরিশেষে কবর জিয়ারত ও রুহের মাগফিরাতের মধ্য দিয়ে কর্ম সুচির সমাপ্তি ঘোষনা করা হয়েছে।

  • ঝালকাঠি সদরের পরমহল গ্রামে অগ্নিকাণ্ডে বিজিবি সদস্যের বসত ঘর ভস্মীভূত

    ঝালকাঠি সদরের পরমহল গ্রামে অগ্নিকাণ্ডে বিজিবি সদস্যের বসত ঘর ভস্মীভূত

    রিপোর্ট : ইমাম বিমান

    ঝালকাঠি জেলার সদর উপজেলাধীন পরমহল গ্রামে শুক্রবার দিবাগত রাতে অগ্নিকাণ্ডে মৃত মজিদ হাওলাদারের ছেলে বিজিবি সদস্য সোহাগ হাওলাদারের বসত ঘর ভস্মীভূত হয়। একই সাথে আর্থিক ভাবে ৩ লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হয় বলে জানাযায়।

    এ বিষয় একই বাড়ীর মহাসিন জানান, রাত আনুমানিক সাড়ে দশটার সময় মহাসিন তার বসত ঘরে ঘুমের প্রস্তুতি নিচ্ছেলেন। তার ঘরের জানালা খোলা থাকায় সে জানালা দিয়ে সোহাগের বসত ঘরের উত্তর-পশ্চিম পাশ থেকে আগুন দেখতে পান। এ সময় ঘর থেকে বের হয়ে মহাসিন আগুন আগুন বলে চিৎকার শুরু করলে পাশের বাড়ি থেকে লোকজন এগিয়ে আসলে সবাই মিলে আগুন নিভানোর চেষ্টা করে। একই সাথে মহাসিন এলাকাবাসীর সহযোগীতায় কাঠের ঘরের সাথে সংযুক্ত একতালা বিশিষ্ট দালানের মধ্য থেকে সোহাগের মা’কে বের করে নিয়ে আসতে সক্ষম হন। এলাকা বাসীর পক্ষ থেকে ঝালকাঠি ফায়ার সার্ভিসকে ফোন দিলে তারা ঘটনাস্থলে এসে দীর্ঘ ৩০ মিনিটের চেস্টায় আগুন নিয়ন্ত্রনে আনেন। ততক্ষনে ঘরের সবকিছু পুড়ে যায়। সোহাগ বর্তমানে জয়পুরহাট জেলায় বিজিবি’র ১৬তম ব্যাটালিয়নে কর্মরত আছেন বলেও জানান তিনি।

    এ বিষয় ঝালকাঠি ফায়ার সার্ভিসের ষ্টেশন অফিসার শফিকুল ইসলাম জানান, আগুন লাগার সংবাদ পেয়ে আমি আমার টিম নিয়ে দ্রুত ঘটনা স্থলে পৌছানোর চেষ্টা করি, কিন্তু রাস্তা একটু খারাপ থাকায় আমাদের আসতে কিছুটা বিলম্ব হয়। আমরা দীর্ঘ ৩০মিনিট সময়ের মধ্যে পুরোপুরি আগুন নিভাতে সক্ষম হই।

  • সাংবাদিক নাদিম হত্যার প্রতিবাদে জয়পুরহাটে বিক্ষোভ মিছিল মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত

    সাংবাদিক নাদিম হত্যার প্রতিবাদে জয়পুরহাটে বিক্ষোভ মিছিল মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত

    স্টাফ রিপোর্টার:- নিরেন দাস

    সংবাদ প্রকাশের জেরে জামালপুরের সাংবাদিক গোলাম রব্বানী নাদিমকে হত্যার প্রতিবাদে জয়পুরহাটে বিক্ষোভ মিছিল, মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা করেছে জেলার সাংবাদিকরা।

    শনিবার(১৭ জুন) দুপুরে বিক্ষোভ মিছিলটি বের হয়ে শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিন করে আবারও সেখানে শেষ হয়। পরে সেখানে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    এসময় বক্তব্য রাখেন, জয়পুরহাট সাংবাদিক ঐক্যজোটের সভাপতি রফিকুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক রাশেদুজ্জামান, জেলা টেলিভিশন রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি মোমেন মুনি, প্রেসক্লাব জয়পুরহাটের সভাপতি গোলাম মোস্তফা, সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম রেজা, সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি শেখর মজুমদার, বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক সোসাইটি রাজশাহী বিভাগীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও আক্কেলপুর উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক নতুন বাজার পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার সাংবাদিক নিরেন দাস,প্রথম আলোর পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি সাংবাদিক রবিউল ইসলাম,ডিবিসি নিউজ টেলিভিশনের সাংবাদিক শামীম কাদিরসহ আরও অন্যান্য সাংবাদিক নেতারা।

    এছাড়া কর্মসূচিতে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার শতাধিক সংবাদিক অংশ নেন।

    বক্তরা সাংবাদিক নাদিম হত্যার সাথে জড়িতের আইনের আওতায় এনে দ্রুত শাস্তির দাবি জানান।এমনকি কঠোর আন্দোলনের হুশিয়ারি দেন।

  • সুর ছন্দ একাডেমি রংপুর এর পরিচালক লামিয়া আক্তার এর জন্মদিন পালন

    সুর ছন্দ একাডেমি রংপুর এর পরিচালক লামিয়া আক্তার এর জন্মদিন পালন

    রংপুর থেকে বিভাগীয় প্রধান আবু নাসের সিদ্দিক তুহিন। –

    সুর ছন্দ একাডেমি রংপুর এর পরিচালক লামিয়া আক্তার এর ৩৪ তম জন্মদিন পালন।
    আজ সন্ধ্যায় সুর ছন্দ একাডেমি রংপুর কার্যালয়ে এক ঘরোয়া আয়োজনে এই গুনী শিল্পীর জন্মদিন পালন করা হয়।
    এই জন্মদিন আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন কবি-লেখক,গীতিকার সুরকার শরিফ আহমাদ, বিশিষ্ট নাট্যকার ও রেডিওর ঘোষক আমজাদ হোসেন সরকার, বিশিষ্ট সাংবাদিক ও লেখক আবু নাসের সিদ্দিক তুহিন, বিশিষ্ট মানবাধিকার কর্মী মনিরা সিরাজ সাথী, মাসুমা সুলতানা মৌসুমি, জুই সাকিরা,শাহানা বেগম, বিশিষ্ট সঙ্গিত শিল্পী শামসুজ্জামান ভানু,খাদিজাতুল কোবরা জুই,লিথি লিফান,মুনিম,মুনিফ প্রমুখ।
    উল্লেখ্য শিল্পী লামিয়া আক্তার রংপুর বিভাগের একজন পরিচিত মুখ ও বিশিষ্ট সঙ্গিত শিল্পী সে সাংস্কৃতিক জগতের উজ্জ্বল নক্ষত্র এবং সামাজিক উন্নয়ন মুলক কর্মকান্ডের সাথে যুক্ত।

  • লালমনিরহাটে মে/২৩ইং শ্রেষ্ঠ থানা,হাতীবান্ধা

    লালমনিরহাটে মে/২৩ইং শ্রেষ্ঠ থানা,হাতীবান্ধা

    মো.হাসমত উল্লাহ,লালমনিরহাট।।

    লালমনিরহাট জেলায় সার্বিক কর্ম মুল্যায়নে মে/২৩ইং শ্রেষ্ঠ থানা,হাতীবান্ধা। এরই স্বীকৃতি হিসেবে এলাকায় মাদক, জঙ্গী, জুয়া, নারী নির্যাতন, বাল্যবিবাহ, সাইবার ক্রাইম সহ প্রভৃতি অপরাধ নির্মুলে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে হাতীবান্ধা থানা পুলিশ।

    লালমনিরহাট জেলা পুলিশের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় সার্বিক কর্ম মুল্যায়নে মে/২৩ মাসের শ্রেষ্ঠ থানা হিসেবে, হাতীবান্ধা থানাকে নির্বাচিত করেন।মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন লালমনিরহাট জেলার সম্মানিত পুলিশ সুপার জনাব মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, উক্ত সম্মাননা অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন জনাব মোহাম্মদ আতিকুল হক, অতি:পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ), জনাব মোঃ আলমগীর রহমান,অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস্), জনাব মোঃ ফরহাদ ইমরুল কায়েস, সহকারী পুলিশ সুপার (বি-সার্কেল) মহোদয়সহ অন্যান্য অফিসারবৃন্দ।

    লালমনিরহাট জেলার শ্রেষ্ঠ হাতীবান্ধা থানা হওয়ায় উর্দ্ধতন সকল পুলিশ কর্মকর্তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে ওসি শাহা আলম বলেন, দেশ ও জনগণের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করতে পারায় আমি গর্বিত। শ্রেষ্ঠত্বের এই প্রাপ্তি আমার একার নয়, আমার থানার সকল পুলিশ সদস্যের। তাদের দায়িত্বশীলতায় আমি এই পুরস্কার পেয়েছি। এবং স্যারের এই ব্যাতিক্রমধর্মী উদ্যোগের জন্য আমার ও আমাদের কাজের স্পৃহা আরও তরান্বিত হবে বলে আমি আশা করি।আমার এই প্রাপ্তি আমার কাছে জীবনের শ্রেষ্ঠ অর্জন।হাতীবান্ধা থানার সকল অফিসার ও ফোর্সদের অক্লান্ত পরিশ্রম এর ফসলও এটি।আর এজন্য আমি সহস্রাধিক স্যালুট জানাই আমাদের প্রিয় স্যারদের কে ।আমার এই থানার সফলতা যেনো অব্যাহত থাকে- এটাই আমার প্রার্থনা ও কামনা। আমরা পুলিশ জনগনকে সাথে নিয়ে শ্রেনী ভেদে সবার সহযোগিতায় সফলতা অর্জন করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাচ্ছি।হাতীবান্ধা থানাকে শ্রেষ্ঠ নির্বাচিত করায় উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের নিকট হতে পুরস্কার প্রাপ্তি সময় আনন্দের, সেই সাথে দায়িত্ব বোধ ও কাজের স্পৃহা অনেক গুন বেড়ে যায়।সিনিয়র স্যারদের এমন অনুপ্রেরণা মুলক কার্যক্রম সবসময় কাজে প্রেরণা জোগায়। আমাকে সবসময় সার্বিক দিক নির্দেশনা প্রদানের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ সকলের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ এবং কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।

    সম্মানিত স্যারদের নির্দেশনা যথাযথভাবে অনুসরন করে আগামীতে আরো উন্নত পুলিশি সেবা প্রদানের মাধ্যমে জনগনের আস্থা অর্জনে হাতীবান্ধা থানা পুলিশ বদ্ধ পরিকর। সকলের নিকট দোয়া প্রার্থণা করছি আমরা যেন শতভাগ সততা, নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের সাথে আমাদের দায়িত্ব পালন করতে পারি এবং হাতীবান্ধা থানায় মাদক, জঙ্গী, জুয়া, নারী নির্যাতন, বাল্যবিবাহ, সাইবার ক্রাইম সহ প্রভৃতি অপরাধ নিয়ন্ত্রণ করে হাতীবান্ধা বাসিকে একটি মডেল থানা উপহার দিতে পারি। মহান সৃষ্টিকর্তা আমাদের সহায় হউন।

    হাসমত উল্লাহ।

  • সাংবাদিক নাদিম হত্যা প্রতিবাদে কোটালীপাড়ায় মানববন্ধন

    সাংবাদিক নাদিম হত্যা প্রতিবাদে কোটালীপাড়ায় মানববন্ধন

    স্টাফ রিপোর্টার, গোপালগঞ্জ : অনলাইন নিউজ পোর্টাল বাংলানিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের জামালপুর জেলা প্রতিনিধি ও ৭১ টেলিভিশনের বকশীগঞ্জ উপজেলা প্রতিনিধি সাংবাদিক গোলাম রাব্বানী নাদিম হত্যার প্রতিবাদে ও দোষীদের শাস্তির দাবিতে গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়েছে।

    কোটালীপাড়া উপজেলায় কর্মরত সাংবাদিববৃন্দ এ কর্মসূচী পালন করে।

    আজ শনিবার (১৭ জুন) দুপুরে উপজেলার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার চত্ত্বরে ঘন্টাব্যাপী এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে স্থানীয় সাংবাদিকবৃন্দ। এসময় সময় সাংবাদিক গোলাম রাব্বানী নাদিম হত্যার প্রতিবাদে ও দোষীদের শাস্তির দাবিতে বিভিন্ন শ্লোগান দেন তারা।

    মানববন্ধন চলাকালে সাংবাদিক মিজানুর রহমান বুলু, এইচ এম মেহেদী হাসানাত, রতন সেন কংকন, গৌরাঙ্গ লাল দাস, প্রমথ রঞ্জন সরকার, এফ এম মাহবুব সুলতান, সুমন বালা বক্তব্য রাখেন।

    বক্তারা সাগর রুনীসহ ১৯৭১ সাল থেকে এ পর্যন্ত যত সাংবাদিককে হত্যা করা হয়েছে সকল হত্যার বিচার দাবি করেন। #

  • কোটালীপাড়ায় দেশীয় মাছ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় মানববন্ধন

    কোটালীপাড়ায় দেশীয় মাছ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় মানববন্ধন

    স্টাফ রিপোর্টার, গোপালগঞ্জ : গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় খাল বিল, দেশীয় মাছ, জীববৈচিত্র্য রক্ষা ও অপরিকল্পিতভাবে মাছের ঘের কাটার প্রতিবাদে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। দেশীয় মাছ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষা কমিটি এ মানববন্ধনের আয়োজন করে।

    আজ শনিবার (১৭ জুন) দুপুরে উপজেলার পারকোনা বিলে দেশীয় মাছ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষা দাবীতে ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়। এ সময় দেশীয় মাছ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষা কমিটি সভাপতি নজরুল ইসলাম হাজরা মন্নু, সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান বুলু, কোটালীপাড়া শেখ লুৎফর রহমান আদর্শ সরকারি কলেজের সাবেক ভিপি হায়দার হাজরা, যুবলীগ নেতা মুন্সী মিরাজ, শেখ আজিজ, সাংবাদিক মাহবুব সুলতান বক্তব্য রাখেন।

    কোটালীপাড়া শেখ লুৎফর রহমান আদর্শ সরকারি কলেজের সাবেক ভিপি হায়দার হাজরা বলেন, চায়না ম্যাজিক জাল দিয়ে নির্বিচারে দেশীয় মাছ নিধন করা হচ্ছে। প্রভাবশালীদের দখলে চলে যাচ্ছে একের পর এক বিল। অপরিকল্পিত ভাবে কাটা হচ্ছে মাছের ঘের। নষ্ট হচ্ছে ফসলী জমি। ধবংস হচ্ছে দেশীয় মাছ ও জীববৈচিত্র্য। আমরা এই দেশীয় মাছ রক্ষায় প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

    দেশীয় মাছ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান বুলু বলেন, কোটালীপাড়া উপজেলার বিভিন্ন বিলে ভূমির শ্রেণি পরিবর্তন আইন না মেনে অনেকেই অপরিকল্পিত ভাবে মাছের ঘের কেটে দেশীয় মাছ ও জীববৈচিত্র্য ধবংস করছে। ভূমির শ্রেণি পরিবর্তন আইন থাকলেও প্রভাবশালী ব্যক্তিরা এই আইনের তোয়াক্কা না করে অপরিকল্পিত ভাবে কেটে যাচ্ছে একটার পর একটা মাছের ঘের। দখল করে নিচ্ছে সরকারি খাল ও জলাভূমি। এই অপরিকল্পিত ভাবে মাছের ঘের কাটার ফলে ফসলী জমি কমে যাচ্ছে। তাই আমরা এই অপরিকল্পিত ভাবে মাছের ঘের কাটা বন্ধের দাবি জানাচ্ছি।

    দেশীয় মাছ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষা কমিটির সভাপতি নজরুল ইসলাম হাজরা মন্নু বলেন, উপজেলার বিভিন্ন বিলের সরকারি খাল ও জলাভূমি দখল করে মাছের চাষ করছে। যার ফলে দেশীয় মাছ ধবংস হয়ে যাচ্ছে। আমরা এই খালগুলো দ্রæত সময়ের মধ্যে দখলমুক্ত করার দাবি জানাচ্ছি। যদি দ্রæত সময়ের মধ্যে সরকারি খাল ও জলাভূমি দখলমুক্ত না করা হয় তাহলে আমরা আমাদের সংগঠনের পক্ষ থেকে কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবে।

    উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফেরদৌস ওয়াহিদ বলেন, দেশীয় মাছ, জীববৈচিত্র্য ও ফসলী জমি রক্ষার জন্য আমরা নানা ধরণের পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি। এছাড়া ভূমির শ্রেণি পরিবর্তন আইন মেনে পরিকল্পিত ভাবে যাতে মাছে ঘের কাটা হয় সে জন্য আমরা প্রচার প্রচারণা চালাচ্ছি। যদি কেউ এই আইন না মেনে ভূমির শ্রেণি পরিবর্তন ঘটায় তাহলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। #

  • সংবাদপত্র ছাপা ও সাংবাদিকতায় চরম বাধা

    সংবাদপত্র ছাপা ও সাংবাদিকতায় চরম বাধা

    হেলাল শেখঃ প্রিন্ট প্রত্রিকা-সংবাদপত্র ছাপা ও সাংবাদিকতায় চরম বাধা দিচ্ছে বিভিন্ন মহল। অনলাইন পোর্টাল, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক ব্যবহার ও সাংবাদিকতা এখন পর্যায়ে? কাগজপত্র প্লেটের দাম অনেক বৃদ্ধি হওয়ায় প্রিন্ট পত্রিকা ছাপানো কঠিন হয়ে পড়েছে। চোর বাটপার ও খারাপ প্রকৃতির ব্যক্তির কারণে সাংবাদিকতায় চরম বাঁধা সৃষ্টি হচ্ছে, যা প্রকৃত সাংবাদিকদের জন্য লজ্জাজনক।
    কিছু অসাধু ব্যক্তির কারণে সাংবাদিকতায় চরম বাঁধা-এই বাঁধার কারণে অনেকেই মহান পেশা সাংবাদিকতা ছেড়ে অন্য পেশায় যাচ্ছেন। কিছু খারাপ প্রকৃতির ব্যক্তি সাংবাদিকের পরিচয়পত্র নিয়ে খারাপ কর্মকান্ড করছে এটা বড় সমস্যা। নিজে সংবাদ সংগ্রহ করে তা লিখে সংবাদ তৈরি করে প্রকাশ করা এতো সহজ নয়। মানুষ হিসেবে প্রতিদিন একটি করে ভালো কাজ করা যায়, তা মনের ব্যাপার, দেশের প্রকৃত সাংবাদিকরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দেশ ও জনগণের কল্যাণে কাজ করে তার বিনিময়ে কি পাচ্ছেন? প্রকৃত সাংবাদিকরা কি জনগণের প্রয়োজনে প্রিয়জন? কারো পক্ষে বা বিপক্ষে সংবাদ প্রকাশ করলেই কোনো সাংবাদিক কারো গোলাম বা চাকর হয়ে যায়না, সাংবাদিকতা পেশা এতো সহজ নয়।
    কলম সৈনিক সাংবাদিক দাবিদার নিজেদের মধ্যে যারা শক্রতা সৃষ্টি করছেন তারা বেশিরভাগই সংবাদ লিখতে পারেন না, তারা জাতির বিবেক হয় কি করে? সাংবাদিকতা একটা মহান পেশা, এই পেশাকে যারা ছোট করে দেখে সাংবাদিকদেরকে অপমান করছে তাদেরকে শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হোক। প্রকৃত সাংবাদিক ও লেখক কখনো কোনো হামলা মামলার ভয় করে না। নেতা বা মেম্বার চেয়ারম্যান, এমপি মন্ত্রী আপনারা যে পেশা থেকেই আসেন না কেন দয়া করে কেউ সাংবাদিকদের অপমান করবেন না। দেশের গণমাধমের প্রকাশক ও সম্পাদকসহ প্রকৃত সাংবাদিকরা অনেকেরই আপনাদের অনেকের প্রকৃত চরিত্র ইতিহাস জানেন যে, কে কেমন প্রকৃতির মানুষ বা কেমন অপরাধ করেছেন? কে কেমন অপরাধী?। রাজধানী ঢাকা, ধামরাই ও সাভার আশুলিয়াসহ সারাদেশেই একের পর এক প্রকৃত সাংবাদিকদের উপর নৃশংস হামলা-মামলা, হত্যার ঘটনা ঘটেছে, এসব ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন সাংবাদিক নেতাসহ সচেতন মহল।
    আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সাংবাদিক সংস্থা’র ঢাকা বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও আশুলিয়া সাংবাদিক সমন্বয় ক্লাবের সভাপতি মোঃ সাইফুল ইসলাম জয় (হেলাল শেখ) বলেন, সাংবাদিকরা ঐক্যবদ্ধ না থাকার কারণে বিভিন্ন হামলা মামলার শিকার হয়ে থাকেন। প্রকৃত সাংবাদিকদেরকে কেউ ভয় দেখাবেন না, কলমের শক্তি দিয়েই তার জবাব দেয়া হবে। আমরা সাংবাদিকরা কোনো কচু পাতার পানি নয় যে, বাতাসে পড়ে যাবো। অনেকেই ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে হামলা-মামলায় শিকার হয়ে থাকেন, ভয় করবেন না “বৃহত্তর ঐক্যই আমাদের লক্ষ্য”। সাংবাদিকদের উপর নৃশংস হামলা-মামলা, হত্যার হুমকি’র বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। বিশেষ করে নিউজ লেখতে হবে সকল সাংবাদিকদেরকে সবার সংশ্লিষ্ট মিডিয়ায় তা প্রকাশ করতে হবে। আমি বলতে চাই ভয় করলে সাংবাদিকতা করা যায় না। নতুনদেরকে সাংবাদিকতার আদর্শলিপি বইসহ বেশি বেশি বই পড়া জরুরি, প্রশিক্ষণের মাধ্যমে সাংবাদিকতার মূলধারায় এগিয়ে যেতে হবে। নিজে সচেতন হতে হবে এবং অন্যদেরকেও সচেতন করতে প্রচারণা চালিয়ে যেতে হবে। তিনি আরও বলেন, হকার বা সোর্স হয়ে কাজ করা আর সাংবাদিকতা একরকম নয়। সাংবাদিক সংগঠন এক একটা ক্লাবে দুই থেকে তিনটি গ্রুপ হয়েছে। এটা সাংবাদিকতা নয়, সাংবাদিকতা করতে কোনো সংগঠন লাগেনা, দলবাজি বা চাঁদাবাজি করতে হয় না, আমরা কেন দলবাজি করবো? সাংবাদিক কারো বাহিনী নয়, সাংবাদিকরা সাংবাদিকতাই করবেন, কারো মিছিলে স্লোগান দিয়ে মহান পেশা সাংবাদিকতাকে অসম্মান করার অধিকার কারো নেই।
    ষড়যন্ত্রকারীদের ধ্বংস নিশ্চিত। কলম সৈনিকরা কখনো কারো মিথ্যা সংবাদ লিখে প্রকাশ করে না। যারা কলম হাতে নিয়ে মিথ্যা কোনকিছু লিখে তা প্রচার করে, এটাকে অপপ্রচার বলা হয়, অপপ্রচারকারী মানুষগুলো দেশ ও জাতির শক্র। দেশের ভেতরে যারা দেশ ও জাতিকে নিয়ে ষড়যন্ত্র করছে তাদেরকে আটক করে আইনের আওতায় আনা হোক বলে দাবী জানান সাংবাদিক নেতারা। প্রকৃত সাংবাদিকদের নিয়ে একটি মহল গভীর ষড়যন্ত্র করছে। গণমাধ্যমে কাজ করতে হলে পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সাথে বন্ধুত্ব সম্পর্ক রাখতে হয় তা অনেকেই জানেন না। নতুন সাংবাদিকদের সাংবাদিকতার আদর্শলিপি বই পড়া প্রয়োজন, প্রকৃত সাংবাদিকতা করলে তা দেশ ও জাতির জন্য মঙ্গল হয়, মিথ্যাচার সবার জন্য বিপদজনক। সাংবাদিকরা ঐক্যবদ্ধ না থাকার কারণেই আজ তারা বিভিন্ন হামলা মামলার শিকার হচ্ছেন। সাংবাদিকতা একটি মহান পেশা, সাংবাদিক শব্দ সহজ হলেও এই পেশা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ, আবার সম্মানজনক। তবে অপসাংবাদিকতার কারণে বর্তমানে অনেক মানুষ সাংবাদিকদের ভালো চোখে দেখেন না। অনেক সময় সাংবাদিকদেরকে সাংঘাতিক বলে অনেকেই কিন্তু সাংঘাতিক সবাই হতে পারেন না, সাংঘাতিক হতে হলে নিজের পরিবারকে সময় না দিয়ে দেশ ও জাতির কল্যাণে কাজ করতে গিয়ে অনেকেই হাসিমুখে মৃত্যুবরণ করেন। দুর্নীতিবাজরা লক্ষ লক্ষ টাকা ও কোটি কোটি টাকা অবৈধভাবে লুটপাট করছে আর সাংবাদিকরা যখন তাদের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ করেন তখন সাংঘাতিক হয়ে যায়, চোরের মায়ের বড় গলাবাজি বন্ধ করুন।
    প্রকৃত সাংবাদিকরা না খেয়ে থাকলেও লজ্জায় কারো কাছে হাত পেতে সাহায্য নিতে পারেন না। ৩৬৫ দিনে এক বছর, জীবনে কোনদিন ছুটি নেই সাংবাদিকদের। ৩৬৪ দিন ভালো কাজ করেন আর একদিন একজনের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ করবেন এতে একটু ভুল হলেই সেই সাংবাদিক খারাপ হয়ে যায়। অপরাধীরা অপরাধ করবে তাদের বিরুদ্ধে কোনকিছু লেখা যাবেনা, ১দিন যদি তাদের বিরুদ্ধে কোনো সংবাদ প্রকাশ করছেনতো সাংঘাতিক হবেন সাংবাদিক। সাংবাদিক জাতির বিঊেশ, সেই বিবেককে গালি দিয়ে বলা হয় সাংবাদিকরা খারাপ, এটা কোন ধর্ম আর কোন বিচার ?। অনেকেই নিজেদেরকে বড় মনে করেন, নিজেদের স্বার্থের জন্য শক্রতা সৃষ্টি করেন আর একজন অন্যজনের ক্ষয়ক্ষতি করার চেষ্টায় ব্যস্ত থাকেন এটা আমাদের ভুল হচ্ছে। সবাই ঐক্যবদ্ধ ও সমন্বয় করে কাজ করার মধ্যে আনন্দ আছে, “বৃহত্তর ঐক্যই আমাদের লক্ষ্য”।
    আমাদের লেখার মধ্যেও অনেক ভুল হয়। এই জন্য সাংবাদিকদের সাংবাদিকতার আদর্শলিপি পড়া দরকার। বিশেষ করে “কলম সৈনিক অর্থাৎ সাংবাদিক দেশ ও জাতির বিবেক, ঝুঁকিপূর্ণ জেনেও সাংবাদিকরা পেশাগত দায়িত্ব পালন করেন, বিশেষ সম্মান অর্জন করার লক্ষ্যে কাজ করতে গিয়ে সম্মান অর্জন না হয়ে উল্টো বদনাম হচ্ছে আমাদের। সাংবাদিকতা করতে শুধুমাত্র মানুষের সুখ, দুঃখ, আনন্দ বেদনা, দুর্ঘটনাসহ সকল বিষয়ে জাতির কাছে তুলে ধরতে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করতে হয়। পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় সাংবাদিকদের অবশ্যই চোখ কান খোলা রেখে কাজ করতে হবে। সাংবাদিকরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পেশাগত দায়িত্ব পালন করেও কারো মনজয় করতে পারেন না কেন? ছোট একটি ভুল করলেই সাংবাদিকদের উপর হামলা, মামলা করা হয়, এমনকি হত্যার শিকার হতে হয়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সবাইকে বলা হয় সাংবাদিকদের সহযোগিতা করবেন কিন্তু তার উল্টো দেখা যায়, পুলিশ সাংবাদিক কি কখনো বন্ধু হতে পেরেছেন? কেউ কি খবর নিয়েছেন যে, সাংবাদিকরা কেমন আছেন? কোনো সহযোগিতা লাগবে কি না ?। অনেক সাংবাদিক আজকাল মানবেতর জীবনযাপন করছেন। জনগণের কল্যাণে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পেশাগত দায়িত্ব পালন করে থাকেন সাংবাদিকরা, এর বিনিময়ে কি পাচ্ছেন তারা? নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন অনেক সাংবাদিক, হয়রানিমূলক মামলার শিকার হচ্ছেন অনেকেই, যার কোনো হিসাব নেই।
    দেশে প্রায় ১৮ কোটি জনগণ, সেই তুলনায় আইনশৃঙ্খা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য ও সাংবাদিকের সংখ্যা অনেক কম, তবুও আমরা সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করছি। ধন্যবাদ জানাই তাদেরকে যারা মানুষের কল্যাণে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করছেন। “পুলিশ, সাংবাদিক” আইনজীবি ও জনপ্রতিধিগণ, এই চারটি শব্দের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ হলো “কলম সৈনিক অর্থাৎ সাংবাদিকতা”। বিশেষ করে সাংবাদিকতার আদর্শলিপি’র বেশিরভাগ শব্দ আছে যা সাংবাদিকদের জন্য জানা অতি জরুরি-যেমনঃ সংবাদের উৎসহের মত সংবাদের উপাদান কি? মানুষ এবং প্রকৃতি, মানুষের আশা-আকাঙ্খা, আনন্দ, বেদনা, সুখ-দুঃখ, সমস্যা ও সম্ভাবনাই সংবাদের মূল প্রতিপাদ্য। এর সাথে সম্পৃক্ত সকল বিষয়ই সংবাদের উপাদান। যেমনঃ কুকুর যদি মানুষকে কামড়ায় তা কোনো সংবাদ নয়, আর মানুষ যদি কুকুরকে কামড়ায় বা অপ্রত্যাশিত কিছু অপকর্ম করে তা সংবাদ হয়। নিয়মের ব্যতিক্রম ঘটনা, অন্যায় অবিচার, যা মানুষের অধিকারকে হরণ করে, এরকম অনেক বিষয়কে সংবাদ বলা যেতে পারে।
    সাংবাদিকরা সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে, এতে স্বাধীনভাবে সাংবাদিকতা করা সহজ হবে বলে অনেকেরই অভিমত। সাংবাদিককে সাংবাদিকতার আদর্শলিপি পড়তে হবে, সেই সাথে সর্বশেষ সংশোধনীসহ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন ম্যানুয়েল বই এবং ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের বইসহ বেশি বেশি বই পড়তে হবে। অনেকেই জানেন না যে, ১/ সাংবাদিক মানে জাতির বিবেক। ২/ সাংবাদিক মানে দেশ প্রেমিক। ৩/ সাংবাদিক মানে কলম সৈনিক। ৪/ সাংবাদিক মানে জাতির দর্পণ। ৫/সাংবাদিক মানে জাতির সেবক। ৬/সাংবাদিক মানে শিক্ষিত জাতি। ৭/সাংবাদিক মানে স্বাধীনভাবে কাজ করা। ৮/সাংবাদিক মানে সম্মানিত জাতি। ৯/ সাংবাদিক মানে তদন্তকারী। ১০/ সাংবাদিক মানে আইন বিষয়ে জানা। ১১/ সাংবাদিক মানে সিস্টেম পরিবর্তন করা। ১২/ সাংবাদিক মানে সকল তথ্য বিষয়ে জানা। ভয়কে জয় করে সাংবাদিকতা করার মধ্যে দেশপ্রেম আছে। সাংবাদিকরা তাদের পেশাগত দায়িত্ব পালন করেন বলেই মানুষের ঘরের সুন্দরী নারী ও অর্থ সম্পদ নিরাপদে থাকে, স্বাধীনতা ও সম্মান অর্জন করা অনেক কঠিন। সাংবাদিকরা অনেকেই জানান, বর্তমানে সাংবাদিকতা করা অনেক কঠিন কাজ। বাকিটা ইতিহাস, টাকা দিয়ে পরিচয়পত্র নিয়ে বিভিন্ন ভাবে সুবিধা নেওয়ার নাম সাংবাদিকতা নয়, সাংবাদিকতা করতে হলে নিজ হাতে নিউজ লিখে তা প্রকাশ করাই সাংবাদিকের কাজ। যাচাই বাছাই করলে শতকরা ২০-৩০ জন প্রকৃত সাংবাদিক পাওয়া যাবে। বর্তমানে কিছু কথিত সাংবাদিক হয়েছে তাদের কারণে দেশের পরিবেশটা নষ্ট হতে চলেছে। প্রকৃত সাংবাদিক ও সম্পাদকদের ভুলের কারণেই জটিলতা বাড়ছে। বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে সবকিছুই অগ্রিম বার্তা পাচ্ছেন মানুষ কিন্তু সেই ফেসবুকের মনে কোনো মায়া মমতা ও লজ্জা নাই। ধন্যবাদ জানাই যিনি এই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক তৈরি বা সৃষ্টি করেছেন, বর্তমান যুগে ফেসবুক অতি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম-এই ফেসবুক মাধ্যমকে তুলনামূলক ভাবে অনেক কিছু পেয়ে থাকি আমরা, তাই ফেসবুক ছাড়া আমাদের চলেনা। সংবাদপত্র ছাপা ও সাংবাদিকতা করা কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে আছেন সংশ্লিষ্টরা।

  • বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শের সৈনিক ও প্রকৃত ত্যাগী নেতা হওয়া এতো সহজ নয়

    বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শের সৈনিক ও প্রকৃত ত্যাগী নেতা হওয়া এতো সহজ নয়

    হেলাল শেখঃ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শের সৈনিক হওয়া এতোটা সহজ নয়। বাংলাদেশের প্রকৃত ইতিহাস জানতে হলে অনেক বেশি বই পড়তে হবে। ১৭ই মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শুভ জন্মদিন-১৫ আগস্ট মৃত্যু বার্ষিকী।
    শক্রমুক্ত হোক দেশ ও স্বাধীনতা সে আমার-স্বজন হারিয়ে পাওয়া একমাত্র স্বজন, স্বাধীনতা যুদ্ধে প্রিয় মানুষগুলোর রক্তে কেনা অমূল্য ফসল লাল সবুজের বাংলার পতাকা। একটি বাংলাদেশ তুমি জাগ্রত জনতা। বাংলাদেশের স্থপ্রতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নাম উচ্চারণ ও দেশের জন্য মরতে পারি প্রয়োজনে মহারণ, তবুও শক্রমুক্ত হোক বাংলাদেশ, এই কথাগুলো আমরা ভুলতে পারি না কারণ,যা শেখ মুজিবুর রহমান বলেছিলেন, তা এখন বিশ্বের প্রায় প্রতিটি দেশের মানুষ জানেন, তা এখন ইতিহাস।
    বিশেষ করে ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার পতাকা বুকে নিয়ে মানুষ ঐক্যে সেদিন গোটা দেশ, একটি কথা একটি আশা শক্রমুক্ত হবে বাংলাদেশ। লাখো মায়ের আহাজারি, স্বাধীনতা তোমার লাগি ঝড়ছে পাহাড় পরিমাণ রক্ত, কত অশ্রুবারি হয়েছে বাংলার বুকে। লক্ষ প্রাণের বিনিময়ে গড়লো যারা নতুন দেশ, তারা জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান, তাদের রক্তে আজ এই বাংলাদেশ স্বাধীন। আমরা পেয়েছি লাল সবুজের পতাকা। দেশ ও জাতির স্বার্থে যারা কাজ করেছেন, যারা স্বাধীনতার জন্য হাসি মুখে জীবন দিয়েছেন, তাদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাচ্ছি, আর যারা রাজনৈতিক ফায়দা নিতে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি ভাংচুর করে এবং জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুকে যারা অপমান করে আমরা তাদের বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি, বর্তমানে বাংলাদেশে নেতার অভাব নেই কিন্তু প্রকৃত ত্যাগী নেতা ও ভালো কর্মীর অভাব।
    সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে অনেকেই নেতা ও সাংবাদিক বনে গেছেন, তারা বেশিরভাগ ব্যক্তি যা পায় তাই খায়, তারা দলের কিছু শীর্ষ নেতা ও কিছু পুলিশ অফিসারের সাথে ছবি তুলে সেই ছবি দেখিয়ে ফায়দা নিচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। বঙ্গবন্ধুর ছবি ভাংচুর করে বিভিন্ন ফায়দা নিতে যারা চেষ্টা করছে, সঠিকভাবে তাদেরকে শনাক্ত করাসহ তদন্ত করে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানিয়েছেন অনেকেই। সবখানে সিন্ডিকেট করে কোটি কোটি টাকার অবৈধ কারবার করছে কিছু নেতা ও জনপ্রতিনিধি-এতে জটিলতা সৃষ্টি করেছে তারা। কিছু প্রভাবশালীরা অবৈধ কর্মকান্ড পরিচালনা করতে কিছু শীর্ষ পর্যায়ের নেতা ও ব্যক্তিদের নাম ব্যবহার করে ফায়দা লুটছে। তাদের মুখে বঙ্গবন্ধুর নাম মানায় না, বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক বা প্রকৃত কর্মী হওয়া সহজ বিষয় না। শেখ মুজিবুর রহমানসহ তাঁর পরিবারের সদস্যদের যারা হত্যা করেছে তাদের বাংলার মাটিতে কঠিন শাস্তি দাবি করেছেন বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ।
    মুক্তিযুদ্ধে আত্মদানকারী বীর শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন ও তাদের স্বপ্ন বাস্তবায়নের অঙ্গীকারের মধ্যদিয়ে জাতীয় দিবসগুলো পালন করে আসছেন জাতি। সবাইকে বাংলাদেশের ইতিহাস জানা দরকার। বাংলাদেশের নাম লেখা হতো না, লাল সবুজের পতাকা উঁড়তো না, যদি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ডাকে এই দেশ স্বাধীন না হইতো। ইতিহাস পড়–ন, দেশ ও জাতির সম্পর্কে সবকিছু জানুন, শেখ মুজিবুর রহমানের কেমন নীতি ছিলো, কেমন মানুষ ছিলেন তিনি। কোথায় প্রথম বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করা হয়েছে? ইতিহাস বলে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় এক ছাত্র সভায়, ২মার্চ ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করা হয়। বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের মহান নায়ক হিসেবে বলা হয় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী ছিলেন তাজউদ্দিন আহমেদ।
    বিশেষ করে ২৪তম বিসিএস ২০০৩ সালের ১২২ পাতায় কম্পিউটার বিসিএস প্রিলিমিনারী গাইডের সুত্র: বাংলাদেশের মোট জমির পরিমাণ ৩কোটি ৬৬ লক্ষ ৭০ হাজার একর। বাংলাদেশে মাথাপিছু আবাদী জমির পরিমাণ প্রায় ২৫ একর (২৫শতাংশ)। বাংলাদেশের মোট শ্রমশক্তির কতভাগ লোক কৃষি কাজে নিয়োজিত, তা আমরা অনেকেই জানিনা। তথ্যমতে প্রায় ৬৬ভাগ মানুষ কৃষি কাজ করেন, কিন্তু আবাদী জমিতে বাড়ি ঘর ইটভাটা ও কল কারখানা হওয়ায় এখন ফসলি জমি কমে যাচ্ছে। প্রথম কৃষি শুমারি অনুষ্ঠিত হয় ১৯৮০ সালে। এরপর ২০০২ সালে ৪র্থ কৃষি শুমারি হয় এরপর ২০২২ সালে। কৃষি জমি ও কৃষকের উন্নয়নের জন্য ২০০০ সাল পর্যন্ত মহাপরিকল্পনা নেয়া হয় কিন্তু দেশের রাস্তা-ঘাট, ব্রীজ বা সেতু নির্মাণ করছে সরকার-এতে তেমন কোনো সমস্যা হচ্ছে না, এতে যোগাযোগব্যবস্থা উন্নত হচ্ছে, শেখ মুজিবুর রহমান এর স্বপ্ন বাস্তবায়ন হচ্ছে। তথ্যমতে কয়েক বছর আগেও বাংলাদেশে জনসংখ্যা ছিলো মাত্র ৭ কোটি, যা বর্তমান ২০২২-২৩ইং সালে প্রায় ১৮ কোটির মতো। মানুষের খাদ্য বস্ত্র ও চিকিৎসা সেবা সঠিকভাবে চলেছে। বর্তমানে উন্নয়নমুখী সরকারের সফল প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা ও তার দলের নেতাকর্মীরা দেশ ও জাতির কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছেন, এরইজন্য সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ সরকার। ধন্যবাদ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা দেশরতœ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে। তিনি বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছেন। লিখতে গিয়ে থামতে মন চায় না, শেখ মুজিবুর রহমান তোমাকে আমরা ভুলিনি আর কোনদিন ভুলবো না। সারাদেশে আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, জাতীয় শ্রমিকলীগ ও শ্রমিক সংগঠনসহ আওয়ামী সহযোগী সংগঠনের সকল নেতাকর্মীসহ বাঙ্গালি জাতি জাতীয় শোক দিবস ও বিজয় দিবস পালন করে যাচ্ছেন, সবাইকে ধন্যবাদ। আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো ২১শে ফেব্রুয়ারি আমি কি তা ভুলিতে পারি। তেমনি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, আমরা আপনাকে ভুলিনি আর ভুলবো না, জয় বাংলা। সামনে জাতীয় সংসদ নির্বাচন আর এই নির্বাচনে বঙ্গবন্ধুর নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে প্রমান করুন আপনারা বঙ্গবন্ধুর সৈনিক।

  • পাইকগাছায় গ্রাম বাংলার হারিয়ে যাওয়া ঘৌড় দৌড় অনুষ্ঠিত

    পাইকগাছায় গ্রাম বাংলার হারিয়ে যাওয়া ঘৌড় দৌড় অনুষ্ঠিত

    ইমদাদুল হক,পাইকগাছা,খুলনা।।
    খুলনার পাইকগাছায় গ্রাম বাংলার হারিয়ে যাওয়া ঐতিহ্যবাহী ঘৌড় দৌড় প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
    বৃহস্পতিবার বিকালে মালত গ্রামে অবস্থিত হাজার হাজার নারী পুরুষ এ ঘৌড় দৌড় প্রতিযোগিতা উপভোগ করেন। দেশের বিভিন্ন অ ল থেকে ছয়টি ঘোড়া এ প্রতিযোগিতায় অংশ গ্রহণ করেন।
    পাইকগাছার কপিলমুনি ইউনিয়নের মালথ গ্রামবাসীর আয়োজনে স্থানীয় ইউপি সদস্য আলাউদ্দীন গাজীর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন কপিলমুনি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কওছার আলী জোয়ার্দার।
    উপস্থিত ছিলেন ইউপি সদস্য ফারুক আহম্মেদ লাকি, ছকিনা বেগম, যুবলীগনেতা ফারুক হোসেন,মৃগাঙ্গ বিশ্বাস, যুব মহিলালীগের রেবেকা খাতুন, তাতীলীগের শেখ ফরহাদুজামান, লিটন সরদার, ইমন আহম্মেদ , মোঃ মিজানুর রহমান, মোমিন সরদার, আমিনুর গাজী, সাইদ গাজী, শফি গাজী, মফিজুল ইসলাম ও আবু ইসহাক।
    ঘৌড় দৌড় প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অধিকার করেন ঢাকার নবীনগর থেকে আগত সাঈদ হোসেনের সোনার হরিণ নামক ঘোড়া। দ্বিতীয় স্থান লাভ করেন নড়াইল থেকে আগত পাভেল মরিয়ম নামক ঘোড়া এবং তৃতীয় স্থান লাভ করেন হান্নান গাজী ও ইয়াসিনের ঘোড়া।

    ইমদাদুল হক,
    পাইকগাছা,খুলনা।