Author: desk

  • নড়াইলের নীহার রঞ্জন গুপ্তের বিশাল পৈতৃকভিটা ও দৃষ্টিনন্দন বাড়িটি সংস্কারের  দাবি

    নড়াইলের নীহার রঞ্জন গুপ্তের বিশাল পৈতৃকভিটা ও দৃষ্টিনন্দন বাড়িটি সংস্কারের দাবি

    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে:
    নড়াইলের নীহার রঞ্জন গুপ্তের বিশাল পৈতৃকভিটা ও দৃষ্টিনন্দন বাড়িটি সংস্কারের দাবি। কিরীটি রায়’ চরিত্রখ্যাত স্বনামধন্য ঔপন্যাসিক ও চিকিৎসক নীহার রঞ্জন গুপ্ত ১৯১১ সালের ৬ জুন নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার ইতনা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। বাবার নাম সত্যরঞ্জন গুপ্ত ও মায়ের নাম লবঙ্গলতা দেবী। উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে জানান, নীহার রঞ্জন গুপ্ত গোয়েন্দা ও রহস্য কাহিনী লেখক হিসেবে যেমন জনপ্রিয়, তেমনি চিকিৎসক হিসেবেও স্বনামধন্য। বিখ্যাত গোয়েন্দা চরিত্র ‘কিরীটি রায়’ এর স্রষ্টা হিসেবে উপমহাদেশে স্মরণীয় হয়ে আছেন তিনি। তার পরিবার ছিল বিখ্যাত কবিরাজ বংশীয়। উইকিপিডিয়াসহ (মুক্ত বিশ্বকোষ) বিভিন্ন পাঠ্যপুস্তকে নীহার রঞ্জন সম্পর্কে এসব তথ্য পাওয়া যায়।
    নড়াইলের ইতনা গ্রামে নীহার রঞ্জন গুপ্তের আপনজন কেউ নেই। প্রায় ২০০ বছরের ঐহিত্যবাহী দৃষ্টিনন্দন সুবিশাল বাড়িটি দীর্ঘদিন ধরে ভগ্নদশায় থাকার পর ২০১৭ সালে সংস্কার করা হয়েছে।
    সুবিশাল নান্দনিক এই বাড়িটির নাম-‘আনন্দ অন্নদা কুটির’। প্রাচীন স্থাপত্যের অপূর্ব নিদর্শন এটি। দ্বিতলা বাড়িটিতে নিচতলায় সাতটি এবং উপরতলায় তিনটি কক্ষ রয়েছে। আর বাসভবনের সামনেই রয়েছে মন্দির। এছাড়া একটি পুকুরসহ গাছপালা রয়েছে।
    জনশ্রুতি রয়েছে-উপরতলার একটি কক্ষে নীহার রঞ্জনের জন্ম হয়। বাবা সত্যরঞ্জন গুপ্ত ও মা লবঙ্গলতা দেবীর ঘরে বেড়ে ওঠা সেই কিশোরই দেশ-বিদেশে স্মরণীয়-বরণীয় ব্যক্তিত্ব।
    বরেণ্য ঔপন্যাসিক নীহার রঞ্জন গুপ্তের স্মৃতি ধরে রাখার জন্য সরকারি ভাবে তেমন কোনো উদ্যোগ দেখা যায়নি। আমরা ভুলতে বসেছি নীহার রঞ্জনকে। তরুণ প্রজন্মের অনেকেই জানেন না, নীহার রঞ্জন গুপ্ত কে? তিনি কি ছিলেন? জন্ম ও মৃত্যুবার্ষিকীর সময় সরকারি উদ্যোগে এখানে কোনো অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় না।
    বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, চাকরিজীবী বাবা সত্যরঞ্জন গুপ্তের বিভিন্ন কর্মস্থলে অবস্থানকালে নীহার রঞ্জন গাইবান্ধা হাইস্কুলসহ বেশ কয়েকটি স্কুলে পড়ালেখা করেন। ১৯৩০ সালে ভারতের কোন্ননগর হাইস্কুল থেকে ম্যাট্রিকুলেশন (এসএসসি) পাস করেন। পরবর্তীতে কৃষ্ণনগর কলেজ থেকে আইএসসি পাস করে ডাক্তারি পড়ার জন্য কারমাইকেল মেডিকেল কলেজ থেকে ডাক্তারি বিদ্যায় কৃতকার্য হন। এরপর লন্ডন থেকে চর্মরোগ বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন। ছাত্রাবস্থায় তার বড় বোন বিষাক্ত পোকার কামড়ে মারা যাওয়ায় এ চিকিৎসার স্বপ্ন দেখেন এবং পরবর্তীতে সফলও হন।
    কর্মজীবন: ডাক্তারি পাস করে বেশ কিছুদিন নিজস্ব ভাবে প্রাক্টিস করেন। দ্বিতীয় মহাযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে ভারতীয় সেনাবাহিনীতে যোগ দেন এবং বিশ্বের বিভিন্ন জায়গায় স্থানান্তরিত হন। তিনি মেজর পদেও উন্নীত হন। চাকুরি সূত্রে চট্টগ্রাম, বার্মা (বর্তমান মায়ানমার), মিশর পর্যন্ত বিভিন্ন রণাঙ্গনে ঘুরে বহু বিচিত্র অভিজ্ঞতা লাভ করেন। এক সময় চাকরি ছেড়ে কলকাতায় ব্যক্তিগতভাবে ডাক্তারি শুরু করেন। অল্প সময়ের মধ্যেই চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ হিসেবে কলকাতায় বিশেষ পরিচিত হয়ে ওঠেন। ভারত বিভক্তির পর ১৯৪৭ সালে পরিবারসহ স্থায়ী ভাবে কলকাতায় বসবাস করেন।
    সাহিত্য কর্ম: নীহাররঞ্জন গুপ্তের সাহিত্যে হাতে খড়ি শৈশব থেকেই। একসময় শান্তিনিকেতনে গিয়ে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আশীর্বাদ গ্রহণসহ তার স্বাক্ষর বা অটোগ্রাফ সংগ্রহ করেন তিনি। ১৬ মতান্তরে ১৮ বছর বয়সে তার প্রথম উপন্যাস ‘রাজকুমার’ মতান্তরে ‘রাজকুমারী’ প্রকাশিত হয়। নীহার রঞ্জন গুপ্ত পেশায় চিকিৎসক হলেও মানব-মানবীর হৃদয়ের কথা তুলে ধরেছেন সুচারু ভাবে। ‘রহস্য’ উপন্যাস লেখায় ছিলেন সিদ্ধহস্ত। লন্ডনে অবস্থানকালীন সময়ে গোয়েন্দা গল্প রচনায় আগ্রহী হয়ে উঠেন তিনি। ভারতে এসে প্রথম গোয়েন্দা উপন্যাস ‘কালোভ্রমর’ রচনা করেন। এতে গোয়েন্দা চরিত্র হিসেবে ‘কিরীটি রায়’কে সংযোজন করেন, যা বাংলা গোয়েন্দা সাহিত্যে এক অনবদ্য সৃষ্টি। পরবর্তীতে ‘কিরীটি রায়’ চরিত্রটি ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করে বাঙালি পাঠকমহলে। তিনি বাংলা সাহিত্যে রহস্য কাহিনী রচনার ক্ষেত্রে অপ্রতিদ্ব›দ্বী লেখক ছিলেন। কেবলমাত্র রহস্য উপন্যাস নয়, তার সামাজিক উপন্যাসগুলোও সুখপাঠ্য। যা পাঠক হৃদয় আকৃষ্ট করে এখনো। এ পর্যন্ত অন্তত ৪৫টি উপন্যাসকে বাংলা ও হিন্দি ভাষায় চলচ্চিত্রায়ণ করা হয়েছে। এছাড়া শিশুদের উপযোগী সাহিত্য পত্রিকা ‘সবুজ সাহিত্য’ এর সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন।
    উপন্যাসের সংখ্যা: নীহার রঞ্জন গুপ্তের উপন্যাসের সংখ্যা দুইশতেরও বেশি। এর মধ্যে প্রকাশিত উপন্যাসগুলো-‘মঙ্গলসূত্র’, ‘উর্বশী সন্ধ্যা’, ‘উল্কা’, ‘বহ্নিশিখা’, ‘অজ্ঞাতবাস’, ‘অমৃত পাত্রখানি’, ‘ইস্কাবনের টেক্কা’, ‘অশান্ত ঘূর্ণি’, ‘মধুমতি থেকে ভাগীরতী’, ‘কোমল গান্ধার’, ‘অহল্যাঘুম’, ‘ঝড়’, ‘সেই মরু প্রান্তে’, ‘অপারেশন’, ‘ধূসর গোধূলী’, ‘উত্তর ফাল্গুনী’, ‘কলঙ্কিনী কঙ্কাবতী’, ‘কলোভ্রমর, ‘ছিন্নপত্র’, ‘কালোহাত’, ‘ঘুম নেই’, ‘পদাবলী কীর্তন’, ‘লালু ভুলু’, ‘কলঙ্ককথা’, ‘হাসপাতাল’, ‘কজললতা’, ‘অস্থি ভাগীরথী তীরে’, ‘কন্যাকুমারী’, ‘সূর্য তপস্যা’, ‘মায়ামৃগ’, ‘ময়ূর মহল’, ‘বাদশা’, ‘রত্রি নিশীথে’, ‘কনকপ্রদীপ’, ‘মেঘকালো’, ‘কাগজের ফুল’, ‘নিরালাপ্রহর’, ‘রাতের গাড়ী’, ‘কন্যাকেশবতী’, ‘নীলতারা’, ‘নূপুর’, ‘নিশিপদ্ম’, ‘মধুমিতা’, ‘মুখোশ’, ‘রাতের রজনী গন্ধা’ ও ‘কিশোর সাহিত্য সমগ্র’ উল্লেখযোগ্য। চিকিৎসক হিসেবে অতি কর্মচঞ্চল জীবনযাপনের মধ্যেও নীহার রঞ্জন রেখে গেছেন অসংখ্য সাহিত্য সৃষ্টি। যা আপন সত্তার ভাস্কর।
    নীহার রঞ্জনের অন্তত ৪৫টি উপন্যাস চলচ্চিত্রায়িত হয়েছে। এগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য ‘উল্কা’, ‘বহ্নিশিখা’, ‘উত্তর ফাল্গুনী’, ‘লালুভুলু’, ‘হাসপাতাল’, ‘মেঘ কালো’, ‘রাতের রজনীগন্ধা’, ‘নিশিপদ্ম’, ‘নূপুর’, ‘ছিন্নপত্র’, ‘বাদশা’, ‘কোমল গান্ধার’, ‘মায়ামৃগ’, ‘কাজললতা’, ‘কন্যাকুমারী’, ‘কলঙ্কিনী কঙ্কাবতী’ প্রভৃতি। এই চলচ্চিত্রায়িত উপন্যাসগুলো আমাদের চলচ্চিত্র জগতকে সমৃদ্ধ করেছে। তার কালজয়ী উপন্যাস ‘লালুভুলু’ পাঁচটি ভাষায় চিত্রায়িত হয়েছে। ১৯৮৩ সালে উপন্যাসটি বাংলাদেশেও চিত্রায়িত হয় এবং দর্শকদের কাছে প্রশংসা অর্জন করে।
    নীহার রঞ্জনের অনেক উপন্যাস থিয়েটারে মঞ্চস্থ হয়েছে। বিশেষ করে তার বিখ্যাত উপন্যাস ‘উল্কা’ থিয়েটারের দর্শকদের আকৃষ্ট করে। নীহার রঞ্জন গুপ্ত ১৯৮৬ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে কলকাতায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
    এদিকে ইতনা গ্রামের সন্তান কবি চিত্রশিল্পী ও গবেষক এস এম আলী আজগর রাজা বলেন, নীহার রঞ্জন গুপ্তের এক একরের বিশাল পৈতৃকভিটা ও দৃষ্টিনন্দন বাড়িটি সংস্কার এবং সংরক্ষণে প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ আরো যত্নশীল হবে-এমন প্রত্যাশা নড়াইলবাসীর। এছাড়া বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে নীহার রঞ্জন গুপ্তের স্মৃতি রক্ষার্থে পাঁচ দফা দাবি তুলে ধরা হয়েছে। এর মধ্যে নীহার রঞ্জন গুপ্তকে জাতীয় ভাবে স্বীকৃতি দেয়া, নীহার রঞ্জনের উপন্যাসসহ অন্যান্য লেখা প্রকাশ করা, স্কুল ও কলেজ পর্যায়ে সিলেবাসে অন্তর্ভূক্ত, ইতনা গ্রামে জন্ম ও মৃত্যুবার্ষিকী পালন এবং একুশে পদক প্রদান।

  • কেশবপুরে পৌর জাতীয় পার্টির দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত সভাপতি শেখ নূরুল ইসলাম রতন,সাধারণ সম্পাদক আবুবক্কার

    কেশবপুরে পৌর জাতীয় পার্টির দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত সভাপতি শেখ নূরুল ইসলাম রতন,সাধারণ সম্পাদক আবুবক্কার

    কেশবপুর প্রতিনিধিঃ কেশবপুরে পৌর জাতীয় পার্টির উদ্যোগে ১৭জুন কেশবপুর প্রেসক্লাবের হলরুমে পৌর জাতীয় পার্টির কমিটির দ্বি-বার্ষিক সম্মেলণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। কমিটির নবগঠিত সভাপতি শেখ নূরুল ইসলাম রতন, সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক মোঃ আবু বক্কার সিদ্দিক ও মোঃ নজরুল ইসলাম বিশ্বাস সাংগঠনিক সম্পাদক করে উপজেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি জি এম হাসান কমিটি ঘোষণা করেন। যা উপস্থিত সকলের কারো কোন আপত্তি না থাকায় উহা সর্ব সম্মতিক্রমে গৃহীত ও অনুমোদিত হয়। আগামী পনের দিনের মধ্যে ৭১ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করবেন।
    কেশবপুর পৌরসভার দ্বি-বার্ষিক সম্মেলণে বক্তব্য রাখেন উপজেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি জি এম হাসান, সহসভাপতি বিশ্বনাথ হালদার, মশিয়ার রহমান খান, সাধারন সম্পাদক রুহুল আমীন খান, সিনিয়র যুগ্ম সাধারন সম্পাদক ফিরোজ আহমেদ, সাংগঠনিক সম্পাদক মোসলেম উদ্দীন, দপ্তর সম্পাদক এম এ মান্নান, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক মাষ্টার ফারুক হোসেন, সাগরদাঁড়ী ইউনিয়নের আহ্বায়ক কাওছার আলী, মঙ্গলকোট ইউনিয়নের সাধারন সম্পাদক নূরুল ইসলাম, সাতবাড়িয়া ইউনিয়নের সাধারন সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম, পাজিয়ার ইউনিয়নের সাংগঠনিক সম্পাদক ইউনুস আলী গাজী সহ নবগঠিত পৌরসভা কমিটির সভাপতি শেখ নূরুল ইসলাম রতন, সাধারন সম্পাদক সাংবাদিক আবু বক্কার সিদ্দিক ও সাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল ইসলাম বিশ্বাস প্রমুখ।

    মোঃ জাকির হোসেন
    কেশবপুর,যশোর

  • লালমনিরহাটে ৪কেজি গাঁজা ও মোটরসাইকেলসহ গ্রেফতার দুই

    লালমনিরহাটে ৪কেজি গাঁজা ও মোটরসাইকেলসহ গ্রেফতার দুই

    মো.হাসমত উল্লাহ,লালমনিরহাট।।।

    লালমনিরহাট জেলার সদর থানাধীন মোগলহাট ইউনিয়নে বিশেষ অভিযান চালিয়ে ৪কেজি গাঁজা একটি মোটরসাইকেল সহ ০২জন মাদক ব্যবসায়ী কে আটক করেন ডিবি পুলিশ।

    গত ১৭ই জুন ২০২৩ইং শনিবার লালমনিরহাটের ডিবি অফিসার ইনচার্জ (ওসি)আমিরুল ইসলাম, এর নেতৃত্বে এসআই /নিজাম উদ দৌলা এবং সঙ্গীয় ফোর্সসহ বিশেষ অভিযান চালিয়ে লালমনিহাটের সদর থানাধীন মোগলহাট ইউপির কর্ণপুর গ্রামের জনৈক মো:আঙ্গুর হোসেন,পিতা মৃত নুর হক এর বসতবাড়ির উত্তর পার্শে বসতবাড়ি সংলগ্ন ছয় মাথা ঘাট থেকে বোচার মোড়গামী পাকার রাস্তার উপর হতে একটি পালসার মোটরসাইকেলে ৪কেজি মাদকদ্রব্য গাজা বহন করার সময় দুই জন মাদক ব্যবসায়ী কে আটক করেন গোয়েন্দা শাখার পুলিশ।

    আটককৃত আসামী হলেন রেজাউল করিম ওরফে জনি (৩২),পিতা- মোঃ উজির হোসেন গ্রাম রামকৃষ্ণ মিশন মোড়, কাজী মাহাবুব আলম শাকিল (৩২), পিতা কাজী শামসুল আলম, সাং- টিউনলপাড়া ০৭ নং ওয়ার্ড, লালমনির পৌরসভা, উভয় থানা ও জেলা লালমনিরহাট। এ বিষয়ে লালমনিরহাট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলার রুজুর হয়।যার নং- ২৯ ধারা ২০১৮সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ১৯/(ক)/৩৮/৪১।

    লালমনিরহাট গোয়েন্দা শাখার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) আমিরুল ইসলাম, জানান গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সদর থানাধীন মোগলহাট ইউপির কর্ণপুর গ্রামের জনৈক মো:আঙ্গুর হোসেন,এর বসতবাড়ির উত্তর পার্শে বসতবাড়ি সংলগ্ন ছয় মাথা ঘাট থেকে বোচার মোড়গামী পাকার রাস্তার উপরে বিশেষ অভিযান চালিয়ে ৪কেজি গাঁজা মোটরসাইকেল সহ ০২জন আসামি আটক করেন ডিবি পুলিশ।

    হাসমত উল্ল্যাহ।

  • ভুরুঙ্গামারীতে শংকোষ নদী খননে তদন্ত

    ভুরুঙ্গামারীতে শংকোষ নদী খননে তদন্ত

    এম এস সাগর,

    কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:

    কুড়িগ্রামের ভুরুঙ্গামারীতে বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (ইআইআর প্রকল্প) আওতায় আসন্ন বন্যা আর বৃ‌ষ্টি মৌসুমে ৬টি প্যাকেজে ১কোটি ৫৯লাখ টাকা ব্যয়ে মরা শংকোষ খাল খননের নামে অর্থ হ‌রিলুটের পায়তারা করাসহ খাস জমি ছাড়াও কৃষকের নিজ নামীয় ও ক্রয়কৃত জমি জোরপুর্বক ভয়ভীতি দেখিয়ে খনন করায় ভুক্তভোগীরা কৃষি মন্ত্রণালয়সহ বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। মরা শংকোষ খাল পুনঃ খননে অনিয়মের সংবাদ দেশ টিভি ও বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। সংবাদ ও অভিযোগের প্রেক্ষিতে কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিবের নির্দেশে বিএমডিএর রংপুর সার্কেলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী গত ১২জুন ২০২৩ তারিখের স্মারক নং-বিএমডিএ/প্রঃপঃওতঃপ্রঃ/রং:সাঃ/২০২২-২৩/১৩২২ এর তত্ত্বাবধানে সাত কর্ম দিবসের মধ্য বিএমডিএর কুড়িগ্রাম নির্বাহী প্রকৌশলীকে সরেজমিনে তদন্ত পুর্বক প্রতিবেদনের জন্য নির্দেশ প্রদান করেন। এদিকে নাগেশ্বরী বিএমডিএ জোনের সহকারী প্রকৌশলী মাহবুব আলম তার অনিয়ম ও দুর্নীতি চাপা দিতে তদন্তের বিরুদ্ধে মরিয়া হয়ে উঠেছেন এবং মাহবুব আলমের অত্যাচারে অসহায় কৃষকরা অতিষ্ঠ।

    তাজ উদ্দিন, আমিনুল ইসলাম, আব্দুল লতিফসহ একাধিক কৃষকের অভিযোগে জানা যায়, বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (ইআইআর প্রকল্প) রংপুর সাকের্লের আওতায় নাগেশ্বরী বিএমডিএ জোনের সহকারী প্রকৌশলী মাহবুব আলম ও সহকারী মেকানিক শরিফুল ইসলামের তত্ত্বাবধানে আসন্ন বন্যা আর বৃ‌ষ্টি মৌসুমে ভুরুঙ্গামারী উপজেলার চর ভূরুঙ্গামারী ইউনিয়নের মরা শংকোষ নদী পুনঃ খনন ভেল্লিকুড়ি থেকে হুচারবালা ত্রিমোহনী পর্যন্ত ৬হাজার ৯শ মিটার এলাকা মেসার্স খান ট্রেডার্স ৫টি ও মোসলেম উদ্দিন ট্রেডার্স ১টি প্যাকেজে ১কোটি ৫৯লাখ টাকা বরাদ্দে মরা শংকোষ নদী পুনঃ খনন শুরু হলেও প্রকল্পের কাজে নানা অনিয়ম ও অর্থ হ‌রিলুটের অভিযোগ। নাগেশ্বরী বিএমডিএ সহকারী প্রকৌশলী মাহবুব আলমের মাস্টার প্লানে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান ও চর ভুরুঙ্গামারী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মানিক উদ্দিনের যোগসাজশে মরা শংকোষ নদী খাল খননের নামে খাস জমি ছাড়াও শতাধিক কৃষকের নিজ নামীয় ও ক্রয়কৃত সম্পত্তি প্রায় ৬শত একর ফসলি জমিতে ভুরুঙ্গামারী উপজেলা প্রশাসন ও থানা পুলিশের ভয়ভীতি দেখিয়ে জোরপুর্বক নামমাত্র খাল খনন করে অর্থ আত্মসাত করছেন ঠিকাদার। ফসলী জমি হারিয়ে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পথে বসেছেন অনেক কৃষক। ভুক্তভোগীরা কৃষি মন্ত্রণালয়সহ বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করে। অভিযোগের প্রেক্ষিতে কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিবের নির্দেশে বিএমডিএর কুড়িগ্রাম নির্বাহী প্রকৌশলী সরেজমিনে তদন্ত করার কথা রয়েছে।

    তাজ উদ্দিন, আমিনুল ইসলাম, আব্দুল লতিফ এবং আঃ জলিল, হাসেন আলী, মজিবর রহমান, নজর আলী, সমসের আলী, মাইদুল ইসলাম, ময়নাল হকসহ অনেক কৃষক অভিযোগ করে বলেন, বর্তমানে বন্যা আর বৃ‌ষ্টি মৌসুম। শংকোষ নদী‌তে পা‌নি‌তে ভ‌রে গেছে। খাষ জমি ছাড়াও আমাদের বৈধ দুই ফসলি জমিতে খাল খনন করছে বিএমডিএর ঠিকাদা‌র। বাধাঁ প্রদান করতে গেলে নাগেশ্বরী বিএমডিএ জোনের সহকারী প্রকৌশলী মাহবুব আলমের তত্ত্বাবধানে সহকারী মেকানিক শরিফুল ইসলাম এবং চর ভুরুঙ্গামারী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মানিক উদ্দিন, সাইদুর রহমানসহ কয়েকজন নেতা উপজেলা প্রশাসন ও থানা পুলিশের ভয়ভীতি দেখিয়ে জোরপুর্বক নামমাত্র খাল খনন করে অর্থ আত্মসাত করছে। আমরা ফসলি জমি হারিয়ে পথে বসেছি। উপজেলা নির্বাহী অফিসার কে লিখিত অভিযোগ করেও প্রতিকার হয় নাই। আমরা কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিবের মহোদয়ের মাধ্যমে ন্যায় বিচার আশা করছি।

    ঠিকাদা‌র মোসলেম উদ্দিন বলেন, বিএমডিএ অফিসের নির্দেশনা দেরিতে পাওয়ায় বন্যা আর বর্ষা মৌসুমে কাজ শুরু করেছি। বিএমডিএ ও উপজেলা প্রশাসনের অনুমতি সাপেক্ষে খাল খনন করা হচ্ছে। এ বিষয়ে নাগেশ্বরী বিএমডিএর সহকারী প্রকৌশলী মাহবুব আলমের কাছ থেকে জেনে নিন।

    নাগেশ্বরী বিএমডিএর সহকারী প্রকৌশলী মোঃ মাহবুব আলম বলেন, সম্পত্তি নিজের বলে দাবি করলে কি নিজের হয়। অনলাইনে জমির কাগজপত্র যদি বাইবেল কুরআন হতো তাহলে দেশটা অনলাইনে চলতো।

    বিএমডিএর নির্বাহী প্রকৌশলী কুড়িগ্রাম মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিবের নির্দেশে বিএমডিএর রংপুর সার্কেলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী তত্ত্বাবধানে আমি সরেজমিনে তদন্ত পুর্বক অভিযোগের আলোকে প্রতিবেদন প্রেরণ করা হবে।

    কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইদুল আরীফ বলেন, বরেন্দ্র বহুমূখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের খাল খননের বিরুদ্ধে আমরা অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে সত্যত্যা পেলে খাল খনন বন্ধসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

  • পাগীযসপ পটিয়া সম্মেলন সম্পন্ন

    পাগীযসপ পটিয়া সম্মেলন সম্পন্ন

    মহিউদ্দীন চৌধুরী, ষ্টাফ রিপোর্টার:

    শুক্রবার পটিয়ায় চক্রশালা শ্রীশ্রী লোকনাথ ব্রহ্মচারী সেবাশ্রম প্রাঙ্গণে পাঞ্চজন্য গীতাপাঠক ও যন্ত্রশিল্পী সমন্বয় পরিষদ পটিয়া উপজেলা শাখার ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন-২০২৩ বিভিন্ন অনুষ্ঠানমালার মাধ্যমে অনুষ্ঠিত হয়।
    ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনের মঙ্গল প্রদীপ প্রজ্জ্বলন ও মহান আশির্বাদক ছিলেন শ্রীমৎ স্বামী অজপানন্দ ব্রহ্মচারী মহারাজ ও শ্রীমৎ স্বামী রণনাথ ব্রহ্মচারী মহারাজ, উদ্বোধক ছিলেন পাগীযসপ কেন্দ্রীয় প্রধান উপদেষ্টা শ্রী স্বদেশ চক্রবর্তী, প্রধান অতিথি ছিলেন পাগীযসপ কেন্দ্রীয় পৃষ্ঠপোষক শ্রী মৃণাল সূত্রধর, প্রধান ধর্মীয় আলোচক পাগীযসপ কেন্দ্রীয় পৃষ্ঠপোষক শ্রী বনগোপাল চৌধুরী, বিশেষ ধর্মীয় বক্তা শ্রী উত্তম চক্রবর্তী, বিশেষ অতিথি ছিলেন বাগীশিক চট্টগ্রাম দক্ষিন জেলার সহ সভাপতি শ্রী পুলক চৌধুরী, বাগীশিক পটিয়া উপজেলা সংসদের সভাপতি শ্রী দেবাশীষ ধর বাপন, উপদেষ্টা শ্রী বিকাশ ধর, সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট শ্রী সঞ্জয় দে, সমাজ কল্যান সম্পাদক শ্রী প্রদীপ বৈদ্য, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শ্রী জুয়েল চৌধুরী,
    পটিয়া উপজেলা পুজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক যদু রঞ্জন চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক শ্রী ঝুলন দত্ত, পাগীযসপ কেন্দ্রীয় কমিটির সহ সভাপতি শ্রী সুধামা দাশ সুজন, সহ-সভাপতি শ্রী টিটু চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক শ্রী ছোটন চক্রবর্তী, সাংগঠনিক সম্পাদক শ্রী সৌমেন ভট্টাচার্য, অর্থ সম্পাদক শ্রী মিশন দত্ত সপু, পণ্ডিত সুজন কান্তি আচার্য্য, সভাপতিত্ব করেন পাগীযসপ পটিয়া উপজেলার উপদেষ্টা মাষ্টার শ্রী সুমন দাশ, স্বাগত বক্তব্য রাখেন পাগীযসপ পটিয়া উপজেলার সভাপতি শ্রী শিমুল চক্রবর্তী, শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন পাগীযসপ পটিয়া উপজেলার সাধারণ সম্পাদক শ্রী অঞ্জন বিশ্বাস টাংকু, সঞ্চালনা করেন পাগীযসপ পটিয়া উপজেলার সাংগঠনিক সম্পাদক শ্রী প্রিয়তোষ সরকার রাসু। এছাড়া পাগীযসপ কেন্দ্রীয় ও বিভিন্ন উপজেলার কর্মকর্তাবৃন্দ এবং পটিয়া উপজেলার বিভিন্ন গীতাপাঠক, যন্ত্রশিল্পীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

    ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনের ২য় অধিবেশনে কেন্দ্রীয় কমিটি কর্তৃক সভাপতি শ্রী শিমুল চক্রবর্তী, সিনিয়র সহ-সভাপতি শ্রী অঞ্জন বিশ্বাস টাংকু, সাধারণ সম্পাদক শ্রী প্রিয়তোষ সরকার রাসু,
    সাংগঠনিক সম্পাদক শ্রী শোভন রায়, অর্থ সম্পাদক শ্রী বাবলু রুদ্র কে আগামী ০৩ বৎসরের জন্য পটিয়া উপজেলা শাখার ০৫ জনের আংশিক কমিটি ঘোষণা করেন।
    আগামী ১৫ দিনের মধ্যে ৪১ জন বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হবে।

  • গৌরনদীতে প্রবাসীর স্ত্রীকে গণধর্ষন অফিসার ইনচার্জের তৎপরতায় সাথে সাথে গ্রেফতার ৫

    গৌরনদীতে প্রবাসীর স্ত্রীকে গণধর্ষন অফিসার ইনচার্জের তৎপরতায় সাথে সাথে গ্রেফতার ৫

    বি এম মনির হোসেনঃ-

    বরিশালের গৌরনদী উপজেলার শরিকল গ্রামে গনধর্ষন মামলার ৫ আসামীকে সাথে সাথে গ্রেফতার করেছে গৌরনদী মডেল থানা পুলিশ। গৌরনদী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আফজাল হোসেন নতুন বাজার পত্রিকার প্রতিনিধি বি এম মনির হোসেনকে জানান গৌরনদী উপজেলার বাটাজোর ইউনিয়নের চন্দ্রহার গ্রামের এক প্রবাসির স্ত্রী (১৮) শনিবার দুপুরে একই উপজেলার শরিকল ইউনিয়নের শরিকল বাজার সংলগ্ন এক বান্ধবীর বাড়িতে বেড়াতে যায়। দুপুর ২টার দিকে বাড়ি ফেরার পথে শরিকল গ্রামের মোঃ নাসির মোল্লার ছেলে বখাটে ইয়াসিন মোল্লা (২০) তার সহযোগী একই গ্রামের জামাল হাওলাদারের ছেলে শিশির হাওলাদার (২২), শামছুল হকের ছেলে সালমান হোসেন (১৯) ও মৃত হানিফ বেপারীর ছেলে রেজাউল বেপারী (২১)সহ ৬-৭জন প্রবাসীর স্ত্রীকে জিম্মি করে মৃত হিরো মীরার ছেলে পলাশ মীরের (২০) দ্বিতল ভবনের নির্জন বাড়িতে নিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষন করে আটকে রাখে। স্থানীয়রা বিষয়টি জানতে পেরে পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ অভিযান চালিয়ে ঘটনাস্থল থেকে ভিকটিমকে ১৭জুন শনিবার বিকেল ৫টায় উদ্ধার করে। এ ঘটনায় শনিবার রাতে নির্যাতিতা বাদি হয়ে গৌরনদী মডেল থানায় একটি ধর্ষন মামলা দায়ের করেছে। পুলিশ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে পাঁচজন আসামিকে মামলা দায়েরের সাথে সাথে গ্রেফতার করে। ১৮জুন রোববার আসামীদের বরিশাল আদালতে ও ধর্ষীতাকে পরীক্ষার জন্য বরিশাল মেডিকেলে প্রেরন করা হয়েছে। গৌরনদী মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক তদন্ত মোঃ হেলাল উদ্দিন জানান শরিকল পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক মোঃ ফোরকান হোসেন হাওলাদারকে মামলাটি তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
    ওসি আফজাল হোসেন আরো জানান এ ঘটনায় ভিকটিম বাদি হয়ে ৭জনের নাম উল্লেখ করে একটি ধর্ষন মামলা দায়ের করেছে। পুলিশ সাথে সাথে ৫ জনকে গ্রেফতার করেছে। ঘটনায় জড়িত অন্যন্য আসামিদেরকে গ্রেফাতের চেষ্টা চলছে।

  • সাংবাদিক নাদিম হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবীতে হবিগঞ্জে মানববন্ধন

    সাংবাদিক নাদিম হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবীতে হবিগঞ্জে মানববন্ধন

    হবিগঞ্জ প্রতিনিধি ॥
    জামালপুরে বাংলানিউজের সাংবাদিক গোলাম রব্বানী নাদিম হত্যার ‘সঠিক তদন্ত ও সুষ্ঠু বিচার’ দাবিতে হবিগঞ্জে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার (১৮ জুন) দুপুরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে হবিগঞ্জ রিপোর্টার্স ইউনিটি এ মানববন্ধনের আয়োজন করে।

    এসময় বক্তারা বলেন, নাদিম হত্যাসহ সারা দেশে সাংবাদিক নির্যাতন এবং হত্যার ঘটনায় জড়িতদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি রাষ্ট্রকে নিশ্চিত করতে হবে। হত্যাকান্ডের মূল পরিকল্পনাকারী ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মাহমুদুল আলম বাবুসহ ১২ জন গ্রেপ্তার হলেও চেয়ারম্যানের ছেলে পলাতক রয়েছে। পলাতক খুনীকে দ্রুত গ্রেপ্তার এবং সকল আসামীর ফাঁসির আদেশ নিশ্চিতের দাবি জানান সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ।

    হবিগঞ্জ রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি এমএ হাকিমের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক এমএ আর শায়েলের পরিচালনায় এতে বক্তব্য রাখেন, হবিগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি রাসেল চৌধুরী, সাংবাদিক আব্দুল হালিম, শরীফ চৌধুরী, ফয়সল চৌধুরী, এসএম সুরুজ আলী, আনিসুজ্জামান চৌধুরী রতন, কাজল সরকার, জুয়েল চৌধুরী, সহিবুর রহমান, আব্দুল কাদির, এম সজলু, নিরঞ্জন গোস্বামী শুভ, সাইফুর রহমান তারেক ও শাহ আলম প্রমুখ।

    প্রসঙ্গত, গত ১৪ জুন রাতে বাড়ি ফেরার পথে বকশীগঞ্জের পাথাটিয়ায় পৌঁছালে অস্ত্রধারী ১০ থেকে ১২ জন দুর্বৃত্ত সাংবাদিক নাদিমকে পিটিয়ে জখম করে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। এরপর রাত ১২টায় সেখান থেকে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় ১৫ জুন সকালে তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন বিকেল পৌনে ৩টার দিকে তার মৃত্যু হয়।

    এ ঘটনায় সাংবাদিক গোলাম রব্বানী নাদিমের স্ত্রী মনিরা বেগম বাদী হয়ে ইউপি চেয়ারম্যান মাহমুদুলকে প্রধান আসামি করে ২২ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা ২৫ জনকে আসামি করে বকশীগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

    হবিগঞ্জ।

  • সাংবাদিক নাদিম হত্যার বিচারের দাবিতে ঝালকাঠিতে সাংবাদিকদের  মানববন্ধন

    সাংবাদিক নাদিম হত্যার বিচারের দাবিতে ঝালকাঠিতে সাংবাদিকদের মানববন্ধন

    ঝালকাঠি জেলা প্রতিনিধিঃ মোঃ নাঈম মল্লিক

    জামালপুরের বাংলানিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের গোলাম রাব্বানী নাদিমকে নির্মমভাবে হত্যার প্রতিবাদ ও বিচার দাবীতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। ঝালকাঠি টেলিভিশন সাংবাদিক ফোরামের কার্যালয়ের সামনের সড়কে আজ রোববার সকালে ঘন্টাব্যাপী এ মানববন্ধন কর্মসূচির আয়োজন করে।

    মানববন্ধনে বক্তব্য দেন, ঝালকাঠি টেলিভিশন সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি আজমীর হোসেন তালুকদার, সাধারণ সম্পাদক শফিউল আজম টুটুল, সিনিয়র সাংবাদিক দুলাল সাহা, এখন টেলিভিশনের রিপোর্টার আল-আমিন তালুকদার, ডিবিসি নিউজের জেলা প্রতিনিধি অলক সাহা, সাংবাদিক আতিকুর রহমান, মানিক আচার্য্য, রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি একেএম মোতালেব হোসেন ও জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার সভাপতি এমদাদুল হক স্বপন, ঝালকাঠি মিডিয়া ফোরামের সভাপতি মোঃ মনির হোসেন সহ আরো অনেকে।

    বক্তারা সারাদেশে সাংবাদিক নির্যাতন বন্ধসহ সাংবাদিক গোলাম রাব্বানীর হত্যাকারীদের দ্রুত বিচারের দাবিতে এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন।

  • বেতাগীতে প্রস্তুত দেশীয় কোরবানির পশু অনলাইনে হাঁট খোলা ও বাজার মনিটরিংয়ের এখনো নিদের্শনা পৌছেনি

    বেতাগীতে প্রস্তুত দেশীয় কোরবানির পশু অনলাইনে হাঁট খোলা ও বাজার মনিটরিংয়ের এখনো নিদের্শনা পৌছেনি

    বেতাগী (বরগুনাঁ) প্রতিনিধি
    ।আসন্ন কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে ব্যস্ত সময় পার করছেন বরগুনার বেতাগী উপজেলার খামার মালিক ও গৃহস্তরা। কোরবানির ঈদ সামনে রেখে বাজার ধরতে প্রস্তুত ৭ হাজার ২৮৬টি গবাদিপশু। এবার ঈদে পশুর ভালো দামের আশা করছেন খামার মালিক ও গৃহস্থরা। উপজেলা প্রাণীসম্পদ অফিস বলছে, খামারগুলোতে যাতে নিরাপদ পদ্ধতিতে গবাদি পশু মোটাতাজাকরণ করা হয় সেদিকে সর্বক্ষণিক নজর রাখা হচ্ছে। তবে প্রাণিসম্পদ বিভাগের উদ্যোগে এখনো অনলাইনে হাঁট খোলা এবং পশুর বাজার মনিটরিংয়ের কোন নিদের্শনা তাঁদের হাতে পৌছেনি।উপজেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয় সুত্রে জানাযায়, আসন্ন ঈদুল আযাহাকে সামনে রেখে এ উপজেলায় কোরবানিযোগ্য ৭ হাজার ২৮৬ টি পশু রয়েছে। এই পশুগুলোর মধ্যে ষাঁড় ৪ হাজার ২৬৫, বলদ ৯১৬, গাভী ৭১৩, মহিষ ১০টি, ছাগল ১ হাজার ৩৬৮ এবং ভেড়া ১৪ টি। এবারে কোরবানিতে এ উপজেলায় পশুর মোট চাহিদা হচেছ ৭ হাজার ৮৫টি। চাহিদার তুলনায় যা উদ্বৃত রয়েছে ২০১ টি পশু।এ উপজেলায় স্থায়ী হাঁটের সংখ্যা প্রধানত ৫টি। এর মধ্যে বেতাগী পৌরসভায় কচুয়া-বেতাগী ফেরী ঘাট সংলগ্ন পশুর হাঁট, বুড়ামজুমদার ইউনিয়নের কাজির হাঁট, কাজিরাবাদের চান্দখালী, কুমড়াখালী হাঁট ও সড়িষামুড়ির মায়ার হাঁট। এ ছাড়াও মোকামিয়া, ঝোপখালী সহ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অস্থায়ীভাবে কোরবানি হাঁট বসে। এসব হাঁটের প্রায় সবগুলোয় হাঁটে কোরবানিযোগ্য পশুগুলো বিক্রির জন্য তোলা হবে। ইতোমধ্যে স্থায়ীকিছু হাটে পশু বিক্রি শুরু হয়েছে। গত বছর উপজেলায় মোট প্রায় ৭ হাজার গবদিপশু কোরবানি করা হয়েছে।ইতোমধ্যেই উপজেলার বিভিন্ন হাটে কোরবানিযোগ্য পশু বিক্রিয় করার জন্য তোলা হচ্ছে। কাঙ্খিত দামে মিলে গেলে বিক্রিও করছে অনেকে। এছাড়াও হাটে বিভিন্ন জেলা থেকে আগত ব্যাপারিরাও কোরবানিযোগ্য পশু কিনে নিয়ে যাচ্ছেন। আবার বাহির থেকে বিভিন্ন ব্যাপারিরা কোরবানিযোগ্য পশু কিনে আনছেন। এদিকে গবাদিপশু মোটাতাজাকরণে ক্ষতিরক রাসায়নিক দ্রব্যাদি ব্যবহার রোধে উপজেলা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর থেকে নানা উদ্যেগ নেওয়া হয়েছে। খামারি ও পশু পালনকারী ব্যক্তিদের মধ্যে প্রশিক্ষণ ব্যবস্থার পাশাপাশি তাদের পৌঁছে দেওয়া হয়েছে সচেতনতামূলক বার্তা। সব মিলিয়ে এ বছর উপজেলায় কোরবানির পশুর কোন সষ্কট পড়বেনা। দেশীয় পশুতেই কোরবানি সম্পন্ন করতে পারবেন এমনটি আশাবাদি উপজেলাবাসীর।এ বিষয়ে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকতা (ভারপ্রাপ্ত) ডা: মো: আশরাফ হোসেন জানান, এ উপজেলায় গত বছরের চেয়ে চলতি বছর অনেক বেশি পশুর যোগান রয়েছে। যা চাহিদা তুলনায় বেশি। গবাদিপশুকে কোন প্রকার রাসায়নিক দ্রব্যাদি ব্যবহার না করে সেজন্য আমরা খামারি এবং ব্যাক্তি পর্যায়ে প্রচাারণা চালিয়েছি। প্রতি বছরের ন্যায় এ বছরও ঈদুল আযাহার হাট পুরোদমে শুরু হলে প্রতি হাটে মেডিক্যাল টিম বসানো হবে।

  • সাংবাদিক নাদিম হত্যার বিচাররের দাবীতে ঝালকাঠিতে সাংবাদিকদের মানববন্ধন

    সাংবাদিক নাদিম হত্যার বিচাররের দাবীতে ঝালকাঠিতে সাংবাদিকদের মানববন্ধন

    রিপোর্ট : ইমাম বিমান

    বাংলানিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম, মানব জমিন ও একাত্তর টেলিভিশনের জামালপুর প্রতিনিধি গোলাম রাব্বানী নাদিমকে নির্মমভাবে হত্যার বিচার দাবীতে ঝালকাঠি জেলার সকল সাংবাদিক সংগঠন মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে। ঝালকাঠি টেলিভিশন সাংবাদিক ফোরামের উদ্যোগে রবিবার সকাল ১১টায় ঝালকাঠি টেলিভিশন সাংবাদিক ফোরামের কার্যালয়ের সাম্মুখ সড়কে ঘন্টাব্যাপী এ মানববন্ধন কর্মসূচির পালন করে।

    মানববন্ধন চলাকালে ঝালকাঠি টেলিভিশন সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি আজমীর হোসেন তালুকদার, সাধারণ সম্পাদক শফিউল আজম টুটুল, প্রেসক্লাবের সাবেক সহসভাপতি ও মুক্তিযোদ্ধা যমুনা টিভির জেলা প্রতিনিধি দুলাল সাহা, ডিবিসি নিউজের জেলা প্রতিনিধি অলোক সাহা, এখন টেলিভিশনের রিপোর্টার আল-আমিন তালুকদার, রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি এ কে এম মোতালেব হোসেন ও জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার সভাপতি এমদাদুল হক স্বপন, সাংবাদিক আতিকুর রহমান, মানিক আচার্য্য ও এম এম রাজ্জাক বক্তব্য রাখেন।

    উক্ত মানববন্ধনে টেলিভিশন সাংবাদিক ফোরামের সাংগঠনকি সম্পাদক খালিদ তালুকদার, কোষাধ্যক্ষ রুহুল আমিন রুবেল, রিপোটার্স ইউনিটির সাধারন সম্পাদক এজিএম মিজানুর রহমান, মিডিয়া ফোরামের সভাপতি মনির হোসেন, সাধারন সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন, সাংবাদিক রুবেল হোসেন, সাংবাদিক উজ্জল হোসেন, গাজী গিয়াস উদ্দিন, সাংবাদিক আরিফুর রহমান রায়হান, সাংবাদিক ইমাম হোসেন বিমান সহ সর্বস্থরের সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

    এসময় বক্তারা, সাংবাদিক গোলাম রাব্বানী নাদিম হত্যার সাথে জড়িত প্রত্যক খুনীকে আইনের আওতায় এনে বিচারের মুখোমূখী করার ও স্বাধীনতার পর থেকে এ যাবত খুনের শিকার হওয়া সকল সাংবাদিকদের অবিলম্বে বিচার নিশ্চিত করতে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠন বা হাইকোর্টে বিশেষ বেঞ্চ গঠন করার দাবী জানান।