Author: desk

  • গোপালগঞ্জে জমি লিখে না দেওয়ায় বৃদ্ধ বাবা-মাকে মারধর করলো ছেলে

    গোপালগঞ্জে জমি লিখে না দেওয়ায় বৃদ্ধ বাবা-মাকে মারধর করলো ছেলে

    স্টাফ রিপোর্টার, গোপালগঞ্জ : প্রতিটি ধর্মেই রয়েছে মা-বাবাকে শ্রদ্ধা করা, সেবা যত্ন করা। মা-বাবার পায়ের নিয়ে সন্তানের বেহেস্ত। কিন্তু জমি লিখে না দেয়ায় সেই বৃদ্ধ মা-বাবাকে পিটিয়ে গুরুত্বর আহত করার অভিযোগ উঠেছে ছেলে খালেদ মোল্যার বিরুদ্ধে।

    আজ সোমবার (১৯ জুন) সকালে এমন ঘটনা ঘটেছে গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলার সাজাইল ইউনিয়নের কুসুমদিয়া গ্রামে।

    আহত বাবা-মা হলেন, কাশিয়ানী উপজেলার সাজাইল ইউনিয়নের কুসুমদিয়া গ্রামের বাবা আবু বক্কার সিদ্দিক মোল্যা (৬৫) ও মা কহিনুর বেগম (৪৮)। তারা কাশিয়ানী ১০০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

    ভূক্তভোগী আবু বক্কার সিদ্দিক মোল্যা বলেন, আমার বড় ছেলে খালেদ মোল্যা আমাকে কোনো ভরণ-পোষণ দেয় না। আমার জায়গা-জমি তাকে লিখে দেওয়ার জন্য প্রায়ই আমাকে ও আমার স্ত্রী কহিনুর বেগমকে মারধর করে। অকথ্য ভাষায় গালাগাল করে। বাড়িঘর ভাংচুর ও ঘরে রক্ষিত মালামাল ভাংচুর করে।

    আজ সোমবার সকালে ঢাকা থেকে এসে আমাদের বেধড়ক মারধর করেছে। এ সময় ঠেকাতে গিয়ে আমার মেয়ে ও মেজ পুত্রবধূও আহত হয়েছে। পরে প্রতিবেশীরা এসে আমাদের উদ্ধার করে কাশিয়ানী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেছে।

    এসব অভিযোগের বিষয়ে খালেদ হোসেনের সাথে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমি এসব কোনো কিছু করিনি। আমাকে আমার বাবা তিন বছর আগে ত্যাজ্যপুত্র করে দিয়েছে। আমি ৬টি দলিলমূলে জমি কিনেছি। আমার দলিল আটকে রেখেছে আমার বাবা। আমাকে আমার দলিলের সম্পত্তিতে যেতে দিচ্ছে না। আমি এর বিচার চাই।

    কাশিয়ানী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ফিরোজ আলম বলেন, এ ঘটনায় অভিযুক্ত ছেলে খালেদ মোল্যার বিরুদ্ধে কাশিয়ানী থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন ভূক্তভোগী বাবা আবু বক্কার সিদ্দিক মোল্যা। বিষয়টি তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা নেয়া হবে। #

  • লালমনিরহাটে ১৮ কেজি গাঁজা ও ১টি প্রাইভেটকার সহ গ্রেফতার ১

    লালমনিরহাটে ১৮ কেজি গাঁজা ও ১টি প্রাইভেটকার সহ গ্রেফতার ১

    মো.হাসমত উল্লাহ,লালমনিরহাট।।।

    লালমনিরহাট জেলার আদিতমারী থানাধীন

    নামুড়ি বাজার হতে বিশেষ অভিযান চালিয়ে ১৮কেজি গাঁজা একটি প্রাইভেট কার সহ ১জন মাদক ব্যবসায়ী কে আটক করেন ডিবি পুলিশ।

    গত ১৯জুন জুন ২০২৩ইং সমবার লালমনিরহাটের ডিবি অফিসার ইনচার্জ (ওসি)আমিরুল ইসলাম, এর নেতৃত্বে এসআই(নিঃ)/মোঃ ফেরদৌস সরকার, এএসআই(নিঃ)/ মোঃ মনোয়ার, কং-৮২/ মোঃ বেলাল হোসেন, কং-৮১/ রাশেদ ও কং-৪৭৯/ ময়েজ উদ্দিন, এবং সঙ্গীয় ফোর্সসহ বিশেষ অভিযান চালিয়ে লালমনিহাটের আদিতমারী থানাধীন নামুড়ি বাজারস্থ জনৈক নুর ইসলাম এর মাইকের দোকানের সন্মুখে থাকা লালমনিরহাট-কালীগঞ্জ গামী পাকা রাস্তার উপর হতে আসামী মোঃ আব্দুল মান্নান (৪৩) কে হাতেনাতে আটক করে উক্ত আসামীর চালিত একটি সাদা রংয়ের প্রাইভেট কারের ব্যাকডালার ভিতর হতে দুটি সাদা প্লাস্টিকের মধ্যে রক্ষিত ০৪টি পোটলায় ০৪(চার) কেজি ৫০০ গ্রাম করে মোট-১৮(আঠারো) কেজি মাদকদ্রব্য গাঁজা উদ্ধার এবং মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত একটি সাদা রংয়ের প্রভক্স প্রাইভেট আটক করেন গোয়েন্দা শাখার পুলিশ।আটককৃত আসামীর বিরুদ্ধে আদিতমারী থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলার রুজুর করা হয়।

    লালমনিরহাট গোয়েন্দা শাখার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) আমিরুল ইসলাম, জানান গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আদিতমারী থানাধীন নামুড়ি বাজার হতে বিশেষ অভিযান চালিয়ে ১৮কেজি গাঁজা একটি প্রাইভেট কার সহ ১জন মাদক ব্যবসায়ী কে আটক করেন ডিবি পুলিশ।

    হাসমত উল্ল্যাহ।

  • রাজশাহীর চারঘাটে স্যালাইনের সংকট চিকিৎসা সেবা ব্যাহত

    রাজশাহীর চারঘাটে স্যালাইনের সংকট চিকিৎসা সেবা ব্যাহত

    নিজস্ব প্রতিবেদক, চারঘাট (রাজশাহী):

    চারঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্যালাইন সংকট দেখা দেওয়ায় চিকিৎসা সেবা কিছুটা ব্যাহত হচ্ছে বলে সংস্লিষ্ট সুত্রে জানা গেছে।

    শুধু হাসপাতালে নয় ঔষধের দোকান গুলোতেও সংকট দেখা দিয়েছে বলে খোজ নিয়ে জানা গেছে।

    চারঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসকদের সাথে আলাপ করে জানা গেছে স্যালাইন ডি এ, এবং ডিএন এস পেট ব্যাথা ও পেটের পিড়ায় আক্রান্ত রোগীদের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়ে থাকে। বেশ কিছুদিন থেকে এই স্যালাইন দুটি সংকট দেখা দিয়েছে। যার কারনে পেটের পীড়ায় আক্রান্ত রোগীরদের চিকিৎসা সেবা কিছুটা ব্যাহত হচ্ছে বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন।

    এ ব্যাপারে চারঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য ও পঃপঃ কর্মকর্তা ডাঃ আশিকুর রহমান এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম হওয়ায় ডি এ, এবং ডি এন এস স্যালাইনের সংকট দেখা দিয়েছে। তবে আগামী অর্থ বছরে এ সংকট থাকবে না বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। কারন আগামী অর্থ বছরের জন্য যে চাহিদা পাঠানো হয়েছে, তা সঠিক ভাবে পেলে আর কোন সংকট থাকবে না।

    মোঃমোজাম্মেল হক
    চারঘাট রাজশাহী

  • একজন প্রতিশ্রুতিশীল ও উন্নয়নবান্ধব চেয়ারম্যান এমদাদুল হক আরমান

    একজন প্রতিশ্রুতিশীল ও উন্নয়নবান্ধব চেয়ারম্যান এমদাদুল হক আরমান

    বিশেষ প্রতিনিধি ।। প্রতিটি মানুষের স্বপ্ন থাকে,বিবেক থাকে,কর্মস্পৃহা থাকে, কিন্তু স্বপ্নের পথে পা বাড়ালেই একের পর এক আসতে থাকে প্রতিবন্ধকতা। প্রতিশ্রুতি আর কর্মস্পৃহা দেখাতে গেলে শ্রম দিতে হয়,কথা রাখলে নীতি আর বিবেক থাকতে হয়, যে ব্যক্তি কতা দিয়ে কথা রাখেন তিনি প্রতিশ্রুতিশীল,এসব করতে গেলে অনেক প্রতিবন্ধকতা থাে প্রতিবন্ধকতা ডিঙিয়ে এগিয়ে যাবেন তিনিই হবেন সফল। এমনই একজন ব্যক্তি হচ্ছেন ময়মনসিংহের সদর উপজেলার অষ্টধার ইউনিয়ন পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান এমদাদুল হক আরমান । যিনি নির্বাচিত হবার আগে মানুষকে কথা দিয়েছিলেন এলাকার উন্নয়ন করবেন,আর নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে জনগনকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করতে নিরলস ভাবে কাজ করছেন। অল্পদিনের মধ্যেই নিজেকে একজন জনপ্রিয় চেয়ারম্যান হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করছেন।
    জনগনের দায়িত্ব সঠিক ভাবে পালন
    সর্বোপরি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ডিজিটাল বাংলাদেশের ইচ্ছা বাস্তবায়নের জন্য তাঁর পরিশ্রম, সাহস, ইচ্ছাশক্তি, একাগ্রতা আর প্রতিভার মাধ্যমে উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয় সরকারের সমন্বয়ে ইউপি উন্নয়ন কর্মকান্ড সঠিক ও সুচারুভাবে বাস্তবায়ন করে যাচ্ছেন।

    দায়িত্ব গ্রহণের পর ইউনিয়নে বরাদ্দ আসা টিআর, কাবিখা, চল্লিশ দিনের কর্মসূচী, টিসিবি পণ্যের সুষ্ঠু বিতরণ, রাস্তাঘাটের উন্নয়ন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য সেবায় বিশেষ অবদান, সামাজিক উন্নয়নসহ বিভিন্ন প্রকল্পের বাস্তবায়নে দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিয়ে এলাকার হতদরিদ্র মানুষের উন্নয়নে তাঁর নিরন্তর প্রয়াস সব মহলেই প্রশংসা কুঁড়িয়েছে।তাঁর উদার রাজনৈতিক নীতির কারনে ইউনিয়নের দলমত নির্বিশেষে সকলের সহযোগিতা পাচ্ছেন। তিনি ইউনিয়নের শতবর্ষী কাঠ গোলাপ গাছের সংরক্ষণ এবং সৌন্দর্য বর্ধনের কার্যক্রম ছাড়াও প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে জনগণের সাথে দেওয়া কথা এবং কাজে মিল রাখতে ঝাপারকান্দা ওয়ার্ডের রাস্তা নির্মাণ করেছেন। ইউনিয়ন এর সবচাইতে দুর্যোগপূর্ণ এলাকা ঝাপারকান্দা।
    নদী ভাঙ্গনের ফলে এই অঞ্চলের রাস্তাঘাট বাড়িঘর বেশি অর্ধেক নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গিয়েছে।
    এখানে বাড়িঘর রাস্তাঘাট যাই দেখা যায় সবই স্থানান্তর করে নতুন স্থানে স্থাপন করা হয়েছে।
    তাই এ গ্রামের প্রতি সর্বোচ্চ দৃষ্টি রাখতে গিয়ে এ এলাকার রাস্তা সংস্কারের কাজ করেছেন।গুলজারের ঘাট থেকে টাওয়ার পর্যন্ত রাস্তা,মধুমারী ও ২নং কুষ্টিয়া ইউনিয়নের দরি-কুষ্টিয়া গ্রামের সংযোগ ১কিলোমিটার সড়ক নির্মাণ যা মধুমারী থেকে দড়ি কুষ্টিয়া এর দুরত্ব প্রায় ৮ কি:মি: কমে যাবে।এই রাস্তাটি হওয়ায় মধুমারীর জনগন সহজে বিদ্যাগঞ্জ বাজার যেতে পারবে এবং বিদ্যাগঞ্জ এর জনগণ সহজেই অষ্টধার আসতে পারবে বলে জানান এলাকাবাসী। মধুমারীর চর হতে পাশ্ববর্তী কুষ্টিয়া ইউনিয়নের দরি-কুষ্টিয়া পশ্চিম পাড়া পর্যন্ত নতুন রাস্তার কাজ উদ্বোধন করা হয়েছে।

    সুত্র জানিয়েছেন ১নং অষ্টধার ইউনিয়নকে সুন্দর এবং আধুনিক ইউনিয়ন গড়ার চেষ্টায় বর্তমান পরিষদের সকল সদস্য উৎসাহ নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন চেয়ারম্যান এমদাদুল হক আরমান। অল্প কিছুদিনের মধ্যেই নিম্নোক্ত কাজগুলো বাস্তবায়ন করা হবে যা ইতিমধ্যেই টেন্ডার হয়েছে বাকী দু একটি কাজ অতি দ্রুত টেন্ডার হবে। চেয়ারম্যানের মেধায় বর্তমান পরিষদ যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং রাস্তাঘাটের উন্নয়নকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছেন। সুত্র আরো জানান ইতিপূর্বে সাবেক চেয়ারম্যানগণ যে রাস্তাগুলো করে গেছেন সেগুলোও উন্নয়ন করা হবে এবং যে কাজগুলোতে উনারা বাধার সম্মুখীন হয়েছেন সে বাধা গুলো দূর করে সে পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়ন করতে শ্রম দিয়ে যাচ্ছেন চেয়ারম্যান এমদাদুল হক আরমান।

    ইউনিয়নের এক বাসিন্দা বলেন, এমদাদুল হক আরমান চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার আগে ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় প্রতিদিনই মাদকের আসর বসতো, কিন্তু তিনি চেয়ারম্যান হওয়ার পর থেকে এসব অপরাধ কমে গেছে।আরেক বাসিন্দা বলেন, আমাদের সুখে-দু:খে চেয়ারম্যান কে সবসময়ই সহজেই পাশে পাওয়া যায়। ইতোমধ্যে তিনি সমাজের সকল মতাদর্শের মানুষের কাছে একজন দক্ষ, পরিশ্রমী ও মেধাবী সমাজ সেবক ও নেতা হিসাবে ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেছেন।

    তিনি আরো বলেন, নির্বাচনকালীন সময়ে সাধারণ জনগনকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করে অল্পদিনেই তিনি নিজেকে কর্মীবান্ধব ও জনপ্রিয় ইউপি চেয়ারম্যান হিসেবে সব শ্রেনীর মানুষের অন্তরে স্থান করে নিয়েছেন।তিনি অষ্টধার ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পর মাত্র কিছু দিনের মাথায় তার প্রিয় ইউনিয়নকে উন্নয়নের মাস্টার প্ল্যানের আওতায় এনে ব্যাপক উন্নয়ন মূলক কর্মসূচি হাতে নিয়েছেন। দৃশ্যপট পরিবর্তন করেছেন ইউনিয়ন পরিষদের। মেধা,মনন, কর্ম প্রয়াস শ্রম ও ব্যবস্থাপনাগত দক্ষতা অর্জনের মধ্য দিয়ে তিনি নিজেকে গড়েছেন পরিশীলিতভাবে এক উজ্জ্বল অধ্যায়ে। এলাকার গরীব দুঃখী মানুষের পাশে থেকে তিনি সব সময় সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন।
    সর্বোপরি গরীব মেহনতী মানুষের প্রকৃত জনদরদী হিসেবে তিনি এলাকায় ব্যাপক পরিচিত ও জনপ্রিয়তা লাভ করেছেন সফলও হয়েছেন।

    চেয়ারম্যান এমদাদুল হক আরমান মনে করেন যাদের ভোটে তিনি জনপ্রতিনিধি হয়েছেন তারাই তার এগিয়ে যাওয়ার জন্য প্রেরণা। তাই তাদের সেবায় তিনি নিজেকে উৎসর্গ করতে চান।

  • মিথ্যা ও ভুল তথ্য প্রচার করার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

    মিথ্যা ও ভুল তথ্য প্রচার করার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

    বায়জিদ হোসেন,
    বাগেরহাট প্রতিনিধিঃ

    বাগেরহাটে মিথ্যা ও ভুল তথ্য প্রচারের তীব্র প্রতিবাদ এবং প্রচারকারী মোংলা উপজেলা আওয়ামী লীগের ধর্মবিষয়ক মাওঃ আব্দুল কাদেরের শাস্তির দাবিতে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (১৯ জুন) সকালে বাগেরহাট প্রেসক্লাবে মোংলা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মোঃ আবু তাহের হাওলাদার এই সংবাদ সম্মেলন করেন। এ সময়, সোনাইলতলা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি সরদার হুমায়ুন কবীর, আওয়ামী লীগ নেতা জসিম উদ্দিন সরদার, ফারুক সরদার, বীর মুক্তিযোদ্ধা সাহজাহান সরদার, আঃ হামিদ শেখ, আঃ সত্তার শেখ, হেমায়েত শেখ, মাহবুব মোল্লা, ইদ্রিস শেখ, সারাফ শেখ, আঃ রহমান শেখ, দিলীপ অধিকারী, মৃণাল মন্ডল, আনোয়ার গাজী, মনোয়ার শেখ, বেনজির খান, হরিবার বৈরাগী, নাজিম ফকির, যুবলীগ নেতা খবির আলী শেখ, ছাত্রলীগ নেতা বাবর গাজী।
    সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে মোংলা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ আবু তাহের হাওলাদার বলেন, গেল ১৭ জুন মাওলানা আঃ কাদের নামের এক ব্যক্তি সাংবাদিক সম্মেলনে আমি সন্ত্রাসী বাহিনী গঠন করেছি এমন কথা উল্লেখ করা হয়েছে। আসলে আমি কোন বাহিনী তৈরি করি নাই এবং আমার দ্বারা শুধু মাওলানা আঃ কাদের নয়, এলাকার কোন মানুষের কোন ক্ষতি হয় নাই। উপরন্তু মাওঃ আঃ কাদের সরকারি খাস জমি দীর্ঘদিন চাষাবাদ করে আসছে। সরকারি খাল খননের সময় উক্ত জমি ভরাট করে নেয়। কাদের মাওলানার বাড়ীর পাশের ভূমিহীন লোকজন টের পাইয়া উক্ত খাস জমিতে ঘর-বাড়ি বাধা শুরু করে। কাদের মাওলানা এসে আমার কাছে বিচার প্রার্থনা করে। আমি তাকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার শরনাপন্ন হওয়ার পরামর্শ দেই। এই কারণে কাদের আমার উপর ক্ষুব্ধ হয়। সাংবাদিক সম্মেলনে কাদের মাওলানা ঘের দখলের অভিযোগ উথাপন করেছে, যা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট।
    মোঃ আবু তাহের হাওলাদার আরও বলেন, ২০২১ সাল থেকে কাদের ও তার ভাগ্নে ঘের করে আসছে। তাছাড়া একটি মিথ্যা ওয়ারেশকামে সনদ নেবার জন্য উক্ত কাদের আমার স্ত্রী সোনাইলতলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের কাছে গেলে তা দেওয়া হয় নাই। এ কারণে কাদের ক্ষিপ্ত হয়ে মিথ্যা, কাল্পনিক ও বানোয়াট তথ্য দিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছে। এই সংবাদ সম্মেলনের নিউজ দেখে আমি বিস্মত হয়েছি। আমি এই মিথ্যা তথ্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। সেই সাথে মিথ্যা তথ্য প্রদানকারী মাওঃ আঃ কাদেরকে আইনের আওতায় আনার দাবি জানাই।

  • আইন শৃঙ্খলা ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কমিউনিটির সবাই কে এগিয়ে আসতে হবে: ওসি আঃ করিম

    আইন শৃঙ্খলা ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কমিউনিটির সবাই কে এগিয়ে আসতে হবে: ওসি আঃ করিম

    মোঃ শহিদুল ইসলাম
    বিশেষ প্রতিনিধিঃ

    চট্টগ্রাম নগরীর ইপিজেড থানাধীন দক্ষিণ হালিশহর নারিকেল তলাস্থ বিট পুলিশিং কমিটি(৭৮)এর আইনশৃংখলা বিষয়ক আলোচনা সভা আজ ১৯জুন, বিকেলে অনুষ্ঠিত হয়।
    সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে রাখেন অফিসার ইনচার্জ মোঃ আব্দুল করিম, বিশেষ অতিথি ছিলেন-সেকেন্ড অফিসার আলতাফ হোসেন।
    বিট পুলিশিং ৭৮ এর সভাপতি মোঃ হাছি মিয়ার সভাপতিত্বে ও বিট ইনচার্জ মোঃ কামাল হোসেন (এস,আই)এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন কমিউনিটির বাসিন্দা মোঃ ওমর ফারুক, ইফতেখার হোসেন জিসান,আল আমিন তাজ্ববীতুল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা মোঃ আমিন উল্লাহ,এস আই মোঃ আজিজুল হক, সাংবাদিক মু: বাবুল হোসেন বাবলা সহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।
    এসময় প্রধান অতিথি ওসি আঃ করিম বলেন, এলাকায় অপরাধ মূলক কাজ হলে অবশ্যই ফোনে বা ৯৯৯ আইন শৃঙ্খলা বাহিনী কে অবগত করা নাগরিকের অধিকারের অংশ। তেমনি খবর পাওয়া মাত্রই আমরা বিট পুলিশিং কমিটির মাধ্যমে আইনী সহায়তা ও পুলিশের সেবা পৌঁছে দিতে বাধ্য। এছাড়া বিট এলাকায় কোন অপ্রীতিকর ঘটনা ও অপরিচিত কাউকে দেখলেই তার তথ্য ও ঠিকানা জানা জরুরী। বিকেল দায়িত্বশীল ব্যক্তিবর্গ নাগরিক সেবার জন্য সামাজিক নিরাপত্তা ও ছিনতাই, ঝাপটাবাজ, জুয়ার আসর, মাদক- কিশোর গ্যাং প্রতিরোধে সবাই কে এগিয়ে আসার দৃঢ় আহ্বান করেন।
    শেষে ওসি আঃ করিম উপস্থিত সকলের মাঝে নাগরিক ফরম বিনামূল্যে বিতরণ করেন।

  • কুড়িগ্রামে গ্রামীণ ব্যাংকের উদ্যোগে সাড়ে ৫লাখ ফলজ ও বনজ গাছের চারা বিতরণ

    কুড়িগ্রামে গ্রামীণ ব্যাংকের উদ্যোগে সাড়ে ৫লাখ ফলজ ও বনজ গাছের চারা বিতরণ

    কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:

    গ্রামীণ ব্যাংক কুড়িগ্রাম যোনের উদ্দোগে কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী, ভুরুঙ্গামারী, উলিপুর, রাজারহাট ও কুড়িগ্রাম সদর এরিয়ার গ্রামীণ ব্যাংকের ৪৬টি ব্রাঞ্চের সদস্যদের মাঝে চলতি বছর মে থেকে সেপ্টেম্বর মাসে ৫০লাখ গাছের চারার মধ্যে (২০জুন) মঙ্গলবার অনুষ্ঠানিকভাবে ৫লাখ ৫০হাজার ফলজ ও বনজ গাছের চারা বিতরণ উদ্বোধন করা হয়েছে। বিতরণ কর্মসূচীর উদ্বোধন করা হয়েছে। নাগেশ্বরীর কাছারী পায়রাডাঙ্গা গ্রামে গ্রামীণ ব্যাংক কুড়িগ্রাম যোনাল অফিসের উপ-মহাব্যবস্থাপক আব্দুল হালিম সদস্যদের মাঝে গাছের চারা বিতরণ উদ্বোধন করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন কুড়িগ্রাম যোনাল অডিট অফিসের অডিট অফিসার প্রদ্যুৎ কুমার বিশ্বাস ও গ্রামীণ ব্যাংকের নাগেশ্বরী এরিয়ার এরিয়া ম্যানেজার আবু বকর সিদ্দিকী ও নাগেশ্বরী শাখার শাখা ব্যবস্থাপক নুরে আলম সিদ্দিকী প্রমুখ।

    উক্ত অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন গ্রামীণ ব্যাংক কুড়িগ্রাম যোনাল অফিসের উপ-মহাব্যবস্থাপক আব্দুল হালিম ও কুড়িগ্রাম যোনাল অডিট অফিসের অডিট অফিসার প্রদ্যুৎ কুমার বিশ্বাস। তিনি বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে নোবেল পুরষ্কার বিজয়ী প্রতিষ্ঠান গ্রামীণ ব্যাংকের কেন্দ্রীয় কর্মসূচীর অংশ হিসেবে গ্রামীণ ব্যাংক যোনাল অফিস কুড়িগ্রামের ৪৬টি ব্রাঞ্চের সদস্যদের মাঝে বিভিন্ন ফলজ ও বনজ গাছের চারা বিতরণ করা হয়েছে।

  • ঝালকাঠিতে ডিবি পুলিশের মাদকবিরোধী অভিযানে আটক ১, দেড় কেজি গাঁজা উদ্ধার

    ঝালকাঠিতে ডিবি পুলিশের মাদকবিরোধী অভিযানে আটক ১, দেড় কেজি গাঁজা উদ্ধার

    রিপোর্ট : ইমাম বিমান

    ঝালকাঠিতে জেলা পুলিশের মাদক বিরোধী অভিযানে এক মাদক ব্যবসায়ীকে দেড় কেজি গাঁজা সহ আটক করে জেলা গোয়ান্দা শাখা (ডিবি) পুলিশ।

    জেলা পুলিশ সূত্রে জানাযায়, ২০ জুন মঙ্গলবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জেলা গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) পুলিশ পরিদর্শক (নিরস্ত্র) মনিরুজ্জামান ( ওসি ডিবি ) এর নেতৃত্বে ঝালকাঠি পৌরসভাধীন কৃষ্ণকাঠি এলাকায় গোয়েন্দা শাখার একটি চৌকস দল মাদক বিরোধী অভিযান চালায়। এ সময় কৃষ্ণকাঠি তালুকদার ট্রেড এজেন্সি ফিলিং ষ্টেশন এর সম্মূখ মহাসড়কের উত্তর পাশে হইতে ১৫০০ (এক কেজি পাঁচশত) গ্রাম মাদকদ্রব্য গাজা সহ মোঃ রাকিব তালুকদার ওরফে সজল (২০) কে আটক করে।

    মোঃ রাকিব তালুকদার ওরফে সজল ঝালকাঠি জেলার বীরকাঠি গ্রামের মোঃ ছোহরাব তালুকদারের ছেলে। তার বিরুদ্ধে মাদক মামলা পক্রিয়াধীন বলে জানাযায়।

  • খুলনার কয়রায় সাংবাদিক নাদিম হত্যার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্টিত

    খুলনার কয়রায় সাংবাদিক নাদিম হত্যার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্টিত

    শেখ সাইফুল ইসলাম কবির. বিশেষ প্রতিনিধি: সাংবাদিক গােলাম রাব্বানী নাদিম হত্যার প্রতিবাদে খুলনার কয়রা উপজেলা প্রেসক্লাবের আয়ােজনে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা গত ২০ জুন বেলা ১১ টায় প্রেসক্লাবের সামনে অনুষ্টিত হয়। কয়রা উপজেলা প্রেসক্লাবের সহ সভাপতি শেখ মনিরুজ্জামান মনুর সভাপতিত্বে প্রতিবাদ সভায় বক্তব্য রাখেন সাংবাদিক সদর উদ্দিন আহমেদ, মােস্তফা শফিকুল ইসলাম, মােহাম্মদ হুমায়ুন কবির,মােঃ রিয়াসাদ আলী, ইমতিয়াজ উদ্দিন, শেখ সিরাজুূ্দ্দৌলা লিংকন, শাহাজান সিরাজ, ওবায়দুল কবির সম্রাট, তারেক লিটু, শরিফুল আলম, কামাল হােসেন, শাহিদুল ইসলাম, শেখ জাহাঙ্গীর কবির টুলু, জিয়াউর রহমান ঝন্টু, গােলাম মােস্তফা, রিয়াজুল আকবর লিংকন, শেখ জহরুল ইসলাম, আল আমিন হােসেন,সহ কয়রায় কর্মরত সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন। প্রতিবাদ সভায় নেতৃবৃন্দ সাংবাদিক গােলাম রাব্বানী নাদিমের হত্যকারীদের দৃষ্টান্তমুলক শাস্তির দাবি জানান।

  • আজ বিশ্ব শরণার্থী দিবস- স্বদেশে ফিরে মুক্ত জীবনের প্রত্যাশায় রোহিঙ্গারা

    আজ বিশ্ব শরণার্থী দিবস- স্বদেশে ফিরে মুক্ত জীবনের প্রত্যাশায় রোহিঙ্গারা

    কক্সবাজার থেকে কে এম নুর মোহাম্মদ। —

    মিয়ানমারে সেনাবাহিনীর নির্যাতনের শিকার বৃহৎ রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী এখন বাংলাদেশের আশ্রয়শিবিরগুলোতে। কক্সবাজারের উখিয়া-টেকনাফ-কুতুপালংয়ের ৩৩টি আশ্রয়শিবির এবং ভাসানচরে প্রায় ১২ লাখ রোহিঙ্গা বাস করছে।

    নিজ বাসভূমি ছেড়ে গত ছয় বছর, এমনকি অনেকে তারও বেশি সময় আগে থেকে বাংলাদেশের আশ্রয়শিবিরগুলোতে আছে। অনেকটাই খাঁচায় বন্দি জীবন তাদের। কেমন আছে বাংলাদেশের কক্সবাজারের বিভিন্ন আশ্রয়শিবির ও ভাসানচরে আশ্রিত রোহিঙ্গারা? কেমন কাটছে তাদের জীবন? আর তাদের চাওয়াই-বা কী?

    আজ বিশ্ব শরণার্থী দিবস। বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও পালিত হচ্ছে দিবসটি। এই দিনকে ঘিরে ফের নতুন করে আলোচনায় এসেছে রোহিঙ্গা সংকট। কেমন আছে রোহিঙ্গারা- সে প্রশ্নও দেখা দিয়েছে। আশ্রয়শিবিরগুলোতে বসবাসকারী রোহিঙ্গাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তাদের অধিকাংশই স্বদেশে ফিরতে চায়। দ্রুত প্রত্যাবাসন এখন তাদের একমাত্র দাবি। নিজ দেশ মিয়ানমারে ফিরে স্বাধীন জীবন উপভোগ করতে চায় তারা। বিশ্ব শরণার্থী দিবসের এই দিনে এসে রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে দীর্ঘসময় রেখে দেওয়ার চক্রান্ত করছে কিছু গোষ্ঠী বা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়- এমনটাও মনে করে অনেক রোহিঙ্গা। 

    বিশেষজ্ঞদের মতে, বিশ্বের যেকোনো দেশের তুলনায় বাংলাদেশে আশ্রিত রোহিঙ্গার সংখ্যা বেশি। যারা কক্সবাজারের উখিয়া-টেকনাফ-কুতুপালংয়ের ৩৩টি ক্যাম্প এবং ভাসানচরের আশ্রয়শিবিরে বসবাস করে। সব মিলিয়ে ১২ লাখের কাছাকাছি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রিত আছে। 

    এসব রোহিঙ্গা ‘বিশ্ব শরণার্থী দিবসে’ এসে স্বদেশে ফেরার আকুতি প্রকাশ করেছে। রোহিঙ্গারা বলেছে, ক্যাম্পের জীবন দুর্বিষহ। তারা অনেকটা একঘেয়ে ও খাঁচায় বন্দি পাখির মতো জীবন অতিবাহিত করেছে টানা ছয় বছর। এমনকি অনেকে তারও বেশি আগে থেকে। এখানে বারবার প্রত্যাবাসনের আলোচনা হলেও, তারা ফিরতে পারেনি স্বদেশ মিয়ানমারে। এর মধ্যে জাতিসংঘ খাদ্য সহায়তা কমিয়ে দেওয়ায় তাদের জীবন আরও কষ্টের হয়ে পড়েছে। এ জীবনের বিপরীতে স্বদেশে ফিরে মুক্ত জীবন চায় তারা। তার জন্য দ্রুত সময়ে প্রত্যাবাসনের উদ্যোগ নিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতা চেয়েছে তারা।

    বিশ্ব শরণার্থী দিবস নিয়ে উখিয়ার কুতুপালং লম্বাশিয়ার ১ নম্বর ক্যাম্পের রোহিঙ্গা কমিউনিটি নেতা ডা. জুবায়েরের সঙ্গে আলাপ হয়। তিনি জানান, ২০১৭ সালের ২৫ আগস্টের পর মিয়ানমার সেনাবাহিনীর নির্যাতন-নিপীড়নের মুখে পালিয়ে এসে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয় ৮ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা। এর আগে আরও ৪ লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রিত ছিল। 

    তিনি বলেন, জাতিসংঘের পক্ষ থেকে খাবারসহ বিভিন্ন সহায়তা দেওয়া হয়। কিন্তু এরই মধ্যে সহায়তা কমিয়ে দেওয়া হচ্ছে। কখন জানি বন্ধ হয়ে যায়। আশ্রয়শিবিরের জীবন খাঁচায় বন্দি জীবন। আমরা স্বদেশে ফিরতে চাই। দ্রুত প্রত্যাবাসন এখন রোহিঙ্গাদের একমাত্র দাবি। পূর্ণ নাগরিক অধিকার নিয়ে নিজ দেশ মিয়ানমারে ফিরে স্বাধীন জীবন উপভোগ করা এখন রোহিঙ্গাদের একমাত্র চাওয়া। 

    একই ক্যাম্পের মাস্টার কামাল জানিয়েছেন, মিয়ানমারের আরাকান রাজ্যে তার প্রাণ মিশে আছে। পূর্বপুরুষের স্মৃতি ওই মাটিতে। সেখানে স্বজনদের কবর, নিজস্ব চাষের জমি, গবাদি পশু, বাগানবাড়ি রয়েছে। আত্মীয়স্বজনকে নিয়ে মিলেমিশে থাকতে চেয়েছিলেন। কিন্তু সেনাবাহিনীর নির্যাতন-নিপীড়নে তারা পালিয়ে আসতে বাধ্য হয়েছেন। 

    কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি
    (কে এম নুর মোহাম্মদ)