Author: desk

  • লক্ষ্মীপুরে রাস্তা বন্ধ করে সীমানা প্রাচীর নির্মাণ,চলাচলে  দূর্ভোগে ১৫ পরিবার

    লক্ষ্মীপুরে রাস্তা বন্ধ করে সীমানা প্রাচীর নির্মাণ,চলাচলে দূর্ভোগে ১৫ পরিবার

    নাজিম উদ্দিন রানাঃ
    লক্ষ্মীপুরে দীর্ঘদিনের চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে সীমানা প্রাচীর নির্মানের অভিযোগ উঠেছে মো. রাশেদ নামে ব্যক্তির বিরুদ্ধে। এতে দূর্ভোগে পড়েছেন ১৫ পরিবারের সদস্যরা। আজ বৃহস্পতিবার (২২জুন) সকালে লক্ষ্মীপুর পৌর শহরের সমসেরাবাদ গ্রামের চন্দ্র সাগর শিল বাড়িতে এঘটনা ঘটে।পরে খবর পেয়ে শহর পুলিশ ফাঁড়ির এক কর্মকর্তা ঘটনাস্থলে পৌছে নির্মাণ কাজ বন্ধ করে দেন।
    অভিযুক্ত রাশেদ একই বাড়ির মৃত শাহজাহানের ছেলে।
    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সমসেরাবাদ গ্রামের মৃত চন্দ্র সাগর শিলের ছেলে নির্মল চন্দ্র শিলের সাথে অভিযুক্ত রাশেদের দীর্ঘদিন থেকে জমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছে। এনিয়ে থানায় অভিযোগ দেন ভুক্তভোগী নির্মল চন্দ্র শিল। আজ বৃহস্পতিবার সকালে রাশেদ পুলিশের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে জোরপূর্বক সীমানা প্রাচীর নির্মাণ কাজ শুরু করে। এতে ওই বাড়িতে বসবাসকারী ১৫টি পরিবারের বাড়ি থেকে বের হওয়ার রাস্তা বন্ধ হয়ে যায়। এতে চরম দূর্ভোগে পড়তে হয় ভুক্তভোগীদের। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে নির্মাণ কাজ বন্ধ করে চলাচল স্বাভাবিক করে।
    ভুক্তভোগী নির্মণ চন্দ্র শিল ও তার ভাই নিরঞ্জন চন্দ্র শিল অভিযোগ করে বলেন,ওই রাস্তা দিয়ে কয়েক বছর থেকে ১৫টি পরিবার চলাচল করে আসছে। রাস্তার জন্য তার কাছ থেকে ৪০০ পয়েন্ট জায়গা ১ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা মূল্যে ক্রয় করি। কিন্ত সে রাস্তার জায়গা না দিয়ে দখল করে আরসিসি ঢালাই দিয়ে দেয়াল নির্মাণ করছে।বর্তমানে যদি কোন বয়স্ক মহিলা বা পুরুষ অসুস্থ হয় তাহলে কিভাবে বাড়িতে রিকশা বা সিএনজি যোগে ডাক্তারের কাছে যাবে। তাছাড়া বাড়িতে বিদ্যুতের খুঁটিও নিতে দিচ্ছে না। এঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবী করেন তারা।

    অভিযোগ অস্বীকার করে অভিযুক্ত মো. রাশেদ বলেন, জায়গাটি ১৭ বছর আগে ক্রয় করে বসবাস করে আসতেছি। তাদের চলাচলের জন্য পাশেই জায়গা দিয়েছি। কিন্ত তারা উল্টো আমাকে পুলিশ দিয়ে হয়রানি করছে।

    এ ব্যাপারে লক্ষ্মীপুর শহর পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই মো. নাছির উদ্দিন বলেন,খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌছে নির্মাণ কাজ বন্ধ করে মানুষের চলাচল স্বাভাবিক করা হয়েছে। বিরোধটি দীর্ঘদিনের।বিষয়টি নিয়ে উভয় পক্ষকে থানায় আসতে বলা হয়েছে।

  • পুলিশ সদস্যর শাস্তির দাবিতে মামলা সহ প্রশাসনিক বিভিন্ন দপ্তরে স্ত্রীর অভিযোগ! ন্যায় বিচারের আসায় ঘুরছে দারে দারে

    পুলিশ সদস্যর শাস্তির দাবিতে মামলা সহ প্রশাসনিক বিভিন্ন দপ্তরে স্ত্রীর অভিযোগ! ন্যায় বিচারের আসায় ঘুরছে দারে দারে

    রতন দে,মাদারীপুর প্রতিনিধিঃ
    গর্ভের সন্তান নষ্ট,যৌতুকের জন্য মারধর এবং স্বামী-স্ত্রীর অন্তরঙ্গ মুহুর্তের ভিডিও গোপনে ধারন করে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল করার হুমকি ও হত্যার উর্দ্দেশে কুপিয়ে জখম এর অভিযোগে পুলিশ সদস্য আবুল খায়েরের বিরুদ্ধে মামলা সহ প্রশাসনিক বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ করেছেন স্ত্রী হেপি আক্তার।ডাসার উপজেলা প্রেসক্লাবে হাজির হয়ে অশ্রু ঝরা ও কান্নাজরিত কন্ঠে এমনটাই বললেন স্ত্রী হেপি আক্তার। ন্যায় বিচারের আসায় আজও এভাবেই ঘুরছেন মানুষের দারে দারে।ভুক্তভোগী ও বিভিন্ন দপ্তরের অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, মুন্সিগঞ্জ জেলার হোগলা কান্দি গ্রামের মোঃ আসাদ সরকারের ছেলে পুলিশ সদস্য মোঃ আবুল খায়ের(কনস্টবল)৬০১/ বিপি নং ৯৬১৫১৮২৬৮৯. বর্তমানে ডাসার থানায় কর্মরত।
    সঠিক পরিচয় গোপন রেখে পুলিশের এসআই পরিচয় বরিশাল সদরের সোবহান মিয়ার পুল পশ্চিম কাউনিয়া গ্রামের মৃত আব্দুল করিম আকনের মেয়ে মোসাঃ হেপি আক্তার এর সাথে ২০১৮ সালে মোবাইল ফোনে পরিচয় এবং প্রেমের সম্পর্ক হয়। বিয়ের প্রস্তাব দিলে মেয়ের পরিবার প্রত্যাখান করলেও ভালবাসার টানে পুলিশ সদস্য আবুল খায়ের হেপি আক্তারকে মুন্সিগঞ্জ সদর উপজেলার ৭ নং চরকেয়ার ইউনিয়নের মুন্সির হাট নামক সংলগ্ন কাজী অফিসে নিয়ে ২০/১১/২১ইং তারিখ ইসলামী শরিয়ত মোতাবেক ২ লাখ টাকা দেন মোহরানা ধার্যে বিয়ে করেন। উক্ত বিয়ে স্বাক্ষী হন আবুল খায়েরের দুই বন্ধু রোমান ও মাহফুজ। বিয়ের পর দেড় বছর সংসার জীবন ভালই চলে এবং ইতিমধ্যে হেপি আক্তার ৩ মাস ১৯ দিনের অন্তসত্তা হন। তখন হেপি যানতে পারেন তার স্বামী পুলিশের এসআই না সে পুলিশের কনস্টবল। এ নিয়ে দুজনের মধ্যে কথাকাটির এক পর্যায় আবুল খায়ের এএসআই পদে পদোন্নতির জন্য টাকা লাগবে বলে ৫ লাখ টাকা দাবি করেন। হেপি তার পরিবারকে কোনমতে বুঝিয়ে পরিবারকে দিয়ে ধারদেনার মাধ্যমে সাড়ে ৩ লাখ টাকা এনে তার স্বামীকে দেন। কিছুদিন যেতে না যেতে আবুল খায়ের হেপিকে মারধর ও নির্যাতন করে আরও ১০ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন এবং বলেন তানাহলে আমি তোকে তালাক দিব। হেপি পুনরায় যৌতুক দিয়ে অস্বীকার করলে মারধর করলে অঞ্জান হয়ে পরলে স্বামী আবুল খায়ের তাকে মুন্সিগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিয়ে স্ত্রীর সঠিক নাম গোপন রেখে অধরা নামে ভর্তি করেন। জ্ঞান আসলে হেপি তার বেডে দেখেন অধরা নামে একটি ডাক্তারের ফাইল এবং নিজেই অনুভপ করেন তার পেটে বাচ্চা নেই,কিছুটা ব্লেডিং হচ্ছে। তখন তার স্বামীর কাছে যানতে চাইলে নাম কেটে হেপিকে নিয়ে বাড়ি চলে যান। এর পরও টাকার দাবির একপর্যায় শাশুড়ি মলুদা বেগম ০৫/০৩/২৩ ইং ঘর থেকে হেপি বের করে দিয়ে ঘরে তালা লাগিয়ে দেন। পরে হেপি ঘটনার বিষয় স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান সহ এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গকে অবহিত করেন। স্বামী আবুল খায়ের পুনরায় আবার ছলচাতুরির মাধ্যমে হেপি আক্তারকে বিভিন্ন স্থানে নিয়ে মারধর করেন। এ ঘটনায় হেপি ০৯/০৩/২৩ ইং ন্যায় বিচারের পাবার আসায় পুলিশের আইজিপি সহ প্রশাসনিক একাধিক দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন এবং ২০/০৩/২৩ইং বরিশাল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে বাদি হয়ে সি আর নং ৪৮/২৩ একটি মামলা দায়ের করেন।
    অভিযোগের ভিক্তিতে পুলিশ আবুল খায়েরকে ঢাকা থেকে মাদারীপুরের ডাসার থানায় বদলি করেন এবং মাদারীপুর জেলা পুলিশ (অপারেশন) এ এসপি মনিরুল ইসলামকে তদন্তভার দেয়ার কারনে হেপিকে মাঝে মধ্যে এসপি অফিস মাদারীপুরে বার বার যাওয়া আসায় গত ২৮/০৫/২৩ ইং বরিশাল ফেরার পথে গৌরনদী খাঞ্জাপুর এলাকা নামক স্থানে পৌছালে মটোরসাইকেল যোগে পুলিশ আবুল খায়ের সহ ৩ জন হেপি আক্তারকে অটো থেকে জোর করে নামিয়ে কুপিয়ে মারাত্মক জখম সহ শরীরের কাপুড় ছিরে ফেলেন,তখন তার আত্মচিৎকারে স্থানীয় পথচারী হাচিনা সহ কয়েকজন এসে তাকে উদ্ধার করে বরিশাল সেবাচিম হাসপাতালের সার্জারি ওয়ার্ডে ভর্তি করেন। সার্জারি ওয়ার্ড থেকে ওসিসিতে ভর্তি ও প্রেরন করলে হেপি সুচিকিৎসা সহ কোন আইনি সহায়তা পান নি।
    এঘটনায় হেপি আক্তার বাদি হয়ে ৩১/০৫/২৩ ইং তারিখ বরিশাল সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন স্বামী পুলিশ সদস্য মোঃ আবুল খায়ের এ বিরুদ্ধে।
    মহামান্য আদালত মামলাটি গৌরনদী থানার পুলিশকে এফআই আর এর নির্দেশ দেন। যার জি আর নং ৬/১১৭ তারিখ ০৪/০৬/২৩ইং. আরও উল্লেখ করেন,বরিশাল সেবাচিম হাসপাতালের ওয়ান ষ্টপ ক্রাইসিস সেন্টার(ওসিসি) এ ভর্তি হয়ে তিনি পায়নি সুচিকিৎসা সহ কোর আইনি সহায়তা। এ ঘটনার অনুকুলে পুলিশ সদস্য আবুল খায়ের এর বিরুদ্ধে বরিশাল আদালতে আরও দুটি পৃথক মামলা দায়ের করেছেন। এতো কিছু হওয়ার পরও আসামী আবুল খায়েরকে গ্রেফতার করেনি বলে জানান ভুক্তভোগী হেপি আক্তার।
    ভুুক্তভোগী হেপি আক্তার বলেন, আমার অগোচরে আমার স্বামী, স্বামী-স্ত্রীর শারিরীক সম্পর্কের দৃশ্য গোপনে তার পিছন থেকে মোবাইলের মাধ্যমে ভিডিও করেন, ভিডিওতে আমাকে সম্পর্ন দেখা গেলেও আমার স্বামী আবুল খায়ের এর শুধু পিছনের বডি দেখা যায় কিন্তু তার চেহারা দেখা যায় না। সম্প্রতি সেই ভিডিও আবুল খায়ের এর বন্ধু মুন্সিগঞ্জ ডিসি অফিসের এডিসির পিএস রোমান আমার ইমু নাম্বারে সেন্ট করেন এবং আমি ভিডিওটি ডাউনলোড করার আগেই আবার ডিলেট করেন। আমি মামলা সহ সকল অভিযোগ তুলে না নিলে গোপনে ধারনকৃত স্বামী-স্ত্রীর ভিডিওর মিথ্যা অপপ্রচার চালিয়ে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম সহ ইন্টানেটে ছেরে দেয়ার হুমকি প্রদান করে আসছে। আমি আজ খুবই অসহায়,পিতা হারা,মাতা থেকেও নেই ক্যানসারে আক্রান্ত। ভাইদের সংসারে থাকতে হয়। তারা খাবার দিলে খেতে পারি,না দিলে আর খেতে পারি না।
    আমি ন্যায় বিচারের আসায় আজ মানুষের দারে দারে ঘুরছি এবং আপনাদের কাছে আসছি,ন্যায় বিচার পেতে আমাকে একটু সহায়তা করুন।
    অভিযুক্ত পুলিশ সদস্য মোঃ আবুল খায়ের অভিযোগের বিষয় জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমার উর্ধ্বতন কর্মকর্তার নির্দেশ ছাড়া কিছুই বলতে পারব না।
    মাদারীপুর জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ের এএসপি(অপারেশন) মোঃ মনিরুল ইসলাম বলেন, পুলিশ সদস্য আবুল খায়ের এর বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত চলছে।

  • শ্রেণী কক্ষেই গায়ে হলুদ হলো গোপালগঞ্জ বশেমুরবিপ্রবি’র শিক্ষার্থী সাদিয়ার

    শ্রেণী কক্ষেই গায়ে হলুদ হলো গোপালগঞ্জ বশেমুরবিপ্রবি’র শিক্ষার্থী সাদিয়ার

    স্টাফ রিপোর্টার, গোপালগঞ্জ : বিয়ের আগে গায়ে হলুদ বাঙ্গালীর ঐতিহ্যের একটি অংশ। গায়ে হলুদের অনুষ্ঠান দুই পক্ষের সম্মতিতে পারিবারিকভাবেই সম্পন্ন হয়। তবে সেটা যদি বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজ ক্লাশ রুমে হয়ে থাকে তার আনন্দ বেড়ে যায় দ্বিগুন।

    আর ব্যতিক্রমী এমন গায়ে হরুদের ঘটনা ঘটেছে গোপালগঞ্জের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে। বুধবার (২১ জুন) সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের এনিম্যাল সায়েন্স এন্ড ভেটেরিনারি মেডিসিন বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী সাদিয়া আক্তার মীমের হলুদ সন্ধ্যার আয়োজন করে তার সহপাঠীরা।

    এদিন বিকাল ৫ টা থেকেই এনিম্যাল সায়েন্স এন্ড ভেটেরিনারি মেডিসিন বিভাগের করিডরে জড়ো হতে থাকে মীমের সহপাঠীরা। একাডেমিক ভবনের ১১৫ নং রুমে নিজ ক্লাসরুমে সহপাঠীরা মুহূর্তেই তৈরি করে ফেলে গায়ে হলুদের মঞ্চ।

    চিরাচরিত গায়ে হলুদের নিয়মের মতোই প্রকৃতির আশির্বাদ বলে বিবেচিত কাঁচা হলুদ মাখিয়ে সম্পূর্ণ করা হয় সকল আনুষ্ঠানিকতা। হলুদ সন্ধ্যায় মীমের বিভাগের বন্ধু বান্ধবী, সিনিয়রসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা অংশ নেয়।

    এসময় দেখা যায় মীমের বন্ধুরা আলতো করে হলুদ লাগিয়ে দিচ্ছেন, কেউ গান গাইছেন, আবার কেউবা বিভিন্ন গানের তালে তালে নাচছেন। সব মিলিয়ে এক আনন্দঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয় মীমের ক্লাসরুমে।

    জানাগেছে, সাদিয়া আক্তার মীমের বাসা বগুড়া জেলায়। আগামী ২ জুলাই পারিবারিকভাবে জয়পুরহাট জেলার সাজেদ সাজুর সাথে বিয়ে হচ্ছে তার। মীমের বিয়ের দিনকে স্মরণীয় করে রাখতে ক্যাম্পাসে নিজ বিভাগেই গায়ে হলুদের আয়োজন করেছেন তার বন্ধুরা।

    ক্যাম্পাসে ব্যতিক্রমী এই আয়োজন নিয়ে মীমের সহপাঠীরা বলেন, আমাদের পরীক্ষায় ব্যস্ততার মধ্যেই হটাৎ এই আয়োজন। আবহাওয়া খারাপ হওয়ার জন্য আমরা ক্লাসরুমেই হলুদ সন্ধ্যার আয়োজন করেছি। ইদের ছুটিতে আমরা মীমের বিয়েতে উপস্থিত থাকতে পারবো না এজন্য মীমের প্রতি আমাদের ভালোবাসাকে স্মরণীয় করে রাখতে এই আয়োজন।

    এই আয়োজন সম্পর্কে সাদিয়া আক্তার মীম বলেন, “আমার বন্ধুরা আমার জন্য এতো সুন্দর আয়োজন করবে এটা আমি কখনোই ভাবতেই পারিনি। এই বিভাগে ভর্তি হয়েছি মাত্র তিন মাস হয়েছে, এরমধ্যেই আমার বন্ধুরা আমাকে এমন একটা সুন্দর মুহূর্ত উপহার দিল। আমি তাদের প্রতি কৃতজ্ঞ ও অনেক বেশি আনন্দিত।” #

  • কুমিল্লায় ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনালে সংবাদ সম্মেলন

    কুমিল্লায় ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনালে সংবাদ সম্মেলন

    মোঃতরিকুল ইসলাম তরুন, কুমিল্লা থেকে,

    ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনাল এর উদ্যোগে এবং মাল্টি পার্টি এডভোকেসি ফোরাম এর সভাপতি বদরুল হুদা জেনু’র সভাপতিত্বে কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন এলাকার জলাবদ্ধতা নিরসনের দাবীতে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন কুমিল্লার তরুণ নেতৃবৃন্দের মধ্যে বক্তব্য রাখেন

    সুমাইয়া বিনতে হোসাইনী
    সহ-সভাপতি, জাতীয়তাবাদী মহিলা দল কুমিল্লা মহানগর ও রাজনৈতিক ফেলো, ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনাল।

    উম্মে সালমা লিজা
    সাধারণ সম্পাদক, যুব মহিলা লীগ কুমিল্লা মহানগর ও রাজনৈতিক ফেলো, ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনাল।

    সোহানা আক্তার
    সাধারণ সম্পাদক, জাতীয় মহিলা পার্টি কুমিল্লা মহানগর ও রাজনৈতিক ফেলো, ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনাল।

    উক্ত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিক সহ বাংলাদেশের প্রধান তিনটি রাজনৈতিক দলের স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহবায়ক রেজাউল হক আঁখি এবং কুমিল্লা মহানগর কৃষক দলের সদস্য সচিব মো: ইকরাম হোসেন তাজ সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত থেকে তাদের গুরুত্বপূর্ন দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য প্রদান করেন।

  • ময়মনসিংহে অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে  এসিল্যান্ডের অভিযান

    ময়মনসিংহে অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে এসিল্যান্ডের অভিযান

    ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
    ময়মনসিংহের সদর উপজেলার খাগডহর ইউনিয়ন এলাকায় ব্রহ্মপুত্র নদ থেকে অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

    বৃহস্পতিবার (২২ জুন) দুপুরে উপজেলার খাগডহর ইউনিয়নের কিসমত এলাকায় অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে অভিযান পরিচালনা করেন সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি এসিল্যান্ড এইচ এম ইবনে মিজান।

    এসময় তিনি বালু উত্তোলনে ব্যবহৃত অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলনের ড্রেজার চালু অবস্থায় পেলে ড্রেজার মালিক দৌড়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের সহায়তায় একজনকে আটক করে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

    স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকার প্রভাবশালীদের মদদে ব্রহ্মপুত্র নদ থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে বিক্রয় করে আসছিলেন একটি কুচক্রী মহল। ফলে হুমকির মুখে পড়ে ওই এলাকার শত শত একর ফসলি জমির চাষাবাদ ও ব্রহ্মপুত্রের পাড়। তিনি আরো জানান-অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলনের ড্রেজার চালু অবস্থায় পাওয়া যায় এবং ড্রেজার পরিচালনাকারীরা মোবাইল কোর্টের টিম দেখে নদীতে ঝাঁপ দিয়ে পালানোর চেষ্টা করে তার মধ্যে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের সহায়তায় একজনকে আটক করা হয় এবং সংশ্লিষ্ট আইনে ১ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয় ও অবৈধভাবে উত্তোলিত বালু জব্দ করা হয় জব্দ কৃত বালু বিধি অনুযায়ী নিষ্পত্তি করা হবে।

    সহকারী কমিশনার ভূমি এসিল্যান্ড এইচ এম ইবনে মিজান বলেন, অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে অভিযান অব্যহত থাকবে। বালু উত্তোলনে জড়িতদের বিরুদ্ধে মামলা প্রক্রিয়াধীন।

  • ময়মনসিংহে এসআই মিনহাজ এর অভিযান ইয়াবাসহ গ্রেফতার ১

    ময়মনসিংহে এসআই মিনহাজ এর অভিযান ইয়াবাসহ গ্রেফতার ১

    স্টাফ রিপোর্টার

    ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানা পুলিশের সাব ইন্সপেক্টর এসআই মিনহাজ এর অভিযানে এক হাজার পিচ ইয়াবাসহ এক মাদক ব্যাবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়েছে । গ্রেফতারকৃত আসামীদের নাম আক্তার ফারুক(২০)।

    বুধবার (২১শে জুন) বিকাল নগরীর কেউয়াটখালী এলাকায় মাদক ক্রয় বিক্রয়ের সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে আটক করা হয়।

    কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশ জানায়, ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানার ওসি শাহ্ কামাল আকন্দের দিক নির্দেশনা মোতাবেক মাদক মুক্ত থানা এলাকা উপহার দিতে নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে এসআই মোঃ মিনহাজ উদ্দিন, এএসআই হুমায়ুন কবির, সংগীয় ফোর্স থানা এলাকার পাটগুদাম এলাকায় ডিউটি করাকালীন সময়ে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ময়মনসিংহ জেলার কেউয়াটখালী সেলিমের মোড় মাদক ক্রয় বিক্রয় হচ্ছে। এমন সংবাদের ভিত্তিতে এসআই মিনহাজ উদ্দিন অভিযান পরিচালনা করে আক্তার ফারুককে গ্রেফতার করা হয়। পরে তার নিকট থেকে এক হাজার পিচ ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

    ওসি শাহ্ কামাল আকন্দ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, দীর্ঘদিন যাবৎ অত্র থানা এলাকা সহ বিভিন্ন থানা/জেলায় মাদক বিক্রি করছে। এমন সংবাদের ভিত্তিতে এসআই মিনহাজ নেতৃত্বে ১ হাজার পিচ ইয়াবাসহ আটক করে। মাদক মামলায় জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। মাদক অভিযান অভ্যহত রয়েছে বলেও জানান।

  • সুনামগঞ্জে বন্যার আশংকা নদীর পাড়ে থাকা হাওরবাসী আতংকিত হবেন না সতর্ক থাকুন-সেলিম আহমদ

    সুনামগঞ্জে বন্যার আশংকা নদীর পাড়ে থাকা হাওরবাসী আতংকিত হবেন না সতর্ক থাকুন-সেলিম আহমদ

    কে এম শহীদুল ইসলাম সুনামগঞ্জ :

    সুনামগঞ্জে বন্যার আশংকা রয়েছে।
    নদীর পাড়ে থাকা হাওর বাসীদের আতংকিত না হয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন সুনামগঞ্জ জেলা শ্রমিক লীগের সভাপতি ও সুনামগঞ্জ ১আসনের নৌকার মনোয়ন প্রত্যাশী মো:সেলিম আহমদ।
    গত বছর সুনামগঞ্জ বাসী বন্যায় যে ক্ষতি হয়েছে তেমনিভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে ব্যাবসায়ীদের। আর সেই ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে সাধারণ মানুষেরা হিমসিম খাচ্ছেন। বছর যেতে না যেতেই আবারও পাহাড়ি ঢল ও বৃষ্টির পানিতে হাওর ও নদী পানিতে ভরপুর রয়েছে যে কোন সময় বন্যায় প্লাবিত হতে পাড়ে সুনামগঞ্জের নিম্নাঞ্চল এলাকাগুলি। আর এজন্য নদীর পাড়ে এবং নিম্নাঞ্চল এলাকার মানুষদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন সুনামগঞ্জ জেলা শ্রমিক লীগের সভাপতি সুনামগঞ্জ ১আসনের নৌকার মনোনয়ন প্রত্যাশী জননেতা মো:সেলিম আহমদ।
    সরেজমিনে হাওরাঞ্চলের নদী পথে ঘুরে মানুষদের নিম্নাঞ্চল এলাকাগুলি পরিদর্শন করেন তিনি এবং বন্যায় প্লাবিত হওয়ার আগে সাধারণ মানুষেরা যাতে আগাম বন্যার প্রস্তুতি নিতে পারেন সেজন্য সকলের প্রতি সতর্কতা অবলম্বন করার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন ।
    সেলিম আহমদ হাওরবাসীদের উদ্দেশ্যে বলেন আতংকিত হওয়ার কোন কারন নেই বর্তমান সরকার জননেত্রী শেখ হাসিনা হাওরবাসীর পাশে সব সময় রয়েছেন আছেন থাকবেন।
    পাশাপাশি আওয়ামী লীগসহ সকল অঙ্গসংগঠনের নেতা কর্মীরাও মাঠে রয়েছেন সুতরাং হতাশ হওয়ার কিছু নেই। নিম্নাঞ্চল বাসীদের সতর্ক থাকতে হবে।
    তিনি আরও বলেন আমরা জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে আমাদের প্রতিটি কর্মী মাঠে ছিলাম আছি থাকবো পাশাপাশি সকলকে এক হয়ে কাজ করার আশাবাদ ব্যক্ত করেন মো: সেলিম আহমদ। ###

  • বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালিত

    বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালিত

    ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধিঃরংপুর বিভাগের সকল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রায় ১ লক্ষ বিভিন্ন ধরনের ফলজ বনজ ঔষধি ও ফুলের চারা রোপণ করা হবে।

    বুধবার ২২ জুন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মোঃ জাকির হোসেন (এমপি) কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলার মজাইডাঙা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গাছ রোপণ করে গাছ রোপণ উৎসবের উদ্বোধন করেন।

    প্রাথমিক শিক্ষা রংপুর বিভাগীয় উপ পরিচালক মোঃ মুজাহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে বৃক্ষরোপন উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন চিলমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান, কুড়িগ্রাম জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার শহীদুল ইসলাম, চিলমারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার আবু সালেহ্ সরকার প্রমুখ।

    কুড়িগ্রামের পাঁচটি উপজেলার ১২৪০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অন্তত পাঁচটি করে গাছের চারা রোপণ করা হয়। জেলা শিক্ষা অফিসার শহিদুল ইসলাম নয়া দিগন্তকে জানান, বিদ্যালয়সহ জেলা ও উপজেলা অফিসে গাছ লাগানো হয়েছে।

    রংপুর জেলায় তিন ঘণ্টায় ১০ হাজার গাছের চারা লাগিয়েছে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগ। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয় চত্বরে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন জেলা শিক্ষা অফিসার সাহাজাহান সিদ্দিক। তিনি নয়া দিগন্তকে জানান, সাড়ে চোদ্দশ প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ প্রতিটি উপজেলা অফিসে বৃক্ষ রোপণ করা হয়েছে।

    নীলফামারী জেলা শিক্ষা অফিসার নবেজ উদ্দিন সরকার নয়া দিগন্তকে জানান, ছয়টি উপজেলার ১০৮৪টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে একযোগে বৃক্ষ রোপণ করা হয়েছে।

    নীলফামারীর ডোমার উপজেলার ১৫৮টি প্রাথমিক বিদ্যালয় চত্বরে ১ হাজারটি বিভিন্ন ধরনের গাছের চারা রোপণ করা হয়েছে। কর্মসূচির উদ্বোধন করেন উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা রকিবুল হাসান।

    ঠাকুরগাঁও জেলা প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগ তাদের বিভিন্ন কার্যালয় ও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় গুলোতে প্রায় ৭ হাজার বৃক্ষ রোপণ করেছে। ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা হাসান আতিকুর রহমান নয়া দিগন্তকে বলেন, জেলার প্রতিটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বৃক্ষ লাগানো হয়।

    পঞ্চগড়ে এক ঘণ্টায় ৫ হাজার গাছের চারা লাগিয়েছেন প্রাথমিক শিক্ষা পরিবারের সদস্যরা।

    রংপুর বিভাগীয় প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের শুদ্ধাচার পুরস্কার পদক প্রাপ্ত উপ পরিচালক মুজাহিদুল ইসলাম নয়া দিগন্তকে বলেন, যে সকল অফিসে বা বিদ্যালয়ে জায়গা নেই তারা বিদ্যালয়ের বারান্দায় টবে গাছ লাগাতে পারে। এতে পরিবেশ রক্ষার পাশাপাশি বিদ্যালয়ের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পাবে।

    গৌতম চন্দ্র বর্মন
    ঠাকুরগাঁও

  • পল্লী জীবিকায়ন প্রকল্প ৩য় পর্যায় শাক-সবজি চাষাবাদ বিষয়ক ৩ দিনের প্রশিক্ষণ সমাপ্ত

    পল্লী জীবিকায়ন প্রকল্প ৩য় পর্যায় শাক-সবজি চাষাবাদ বিষয়ক ৩ দিনের প্রশিক্ষণ সমাপ্ত

    দোয়ারাবাজার সুনামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ

    সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলা পল্লী উন্নয়ন বোর্ড ও পল্লী জীবিকায়ন প্রকল্পের আওতায় সুফলভোগীদের আয়বর্ধণ মুলক ৩ দিনের শাক-সবজি চাষাবাদ বিষয়ক প্রশিক্ষণ সমাপ্ত করা হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার উপজেলা প্রকল্প কর্মকর্তার কার্যালয়ে মঙ্গলবার ২০ জুন হতে বৃহস্পতিবার ২২জুন ২০২৩ ইং উপকারভোগী ৪০ জন সদস্যের মধ্যে এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচী অনুষ্ঠিত হয়। প্রশিক্ষণে প্রশিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা বিআরডিবি দোয়ারাবাজার, প্রকল্প পরিচালক পল্লী জীবিকায়ন ঢাকা, কৃষি কর্মকর্তা দোয়ারাবাজার, মো. শাহীনুর রহমান উপজেলা প্রকল্প কর্মকর্তা পজীপ ৩য় পর্যায় দোয়ারাবাজার সুনামগঞ্জ।

  • বিএমইউজে ফেনী জেলা কমিটি অনুমোদন সাঈদ খান সভাপতি, মাসুম বিল্লাহ সাধারণ সম্পাদক

    বিএমইউজে ফেনী জেলা কমিটি অনুমোদন সাঈদ খান সভাপতি, মাসুম বিল্লাহ সাধারণ সম্পাদক

    মোঃ শহিদুল ইসলাম
    বিশেষ প্রতিনিধিঃ

    বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএমইউজে) ফেনী জেলা শাখার কমিটি অনুমোদন দেয়া হয়েছে।
    বৃহস্পতিবার (২২ জুন ২০২৩) বিএমইউজে কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি আলহাজ্ব সোহেল আহমেদ ও সাধারণ সম্পাদক শিবলী সাদিক খান স্বাক্ষরিত দৈনিক আমার বার্তা’র জেলা প্রতিনিধি এম এ সাঈদ খানকে সভাপতি, দৈনিক মুক্ত খবর এর জেলা প্রতিনিধি মোঃ মাসুম বিল্লাহ ভূঁইয়াকে সাধারণ সম্পাদক করে ৩৫ সদস্য বিশিষ্ট বিএমইউজে কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়।
    ২১ জুন বুধবার সন্ধায় বিএমইউজে ফেনীর অস্থায়ী কার্যালয়ে এক জরুরী বৈঠকে সকলের সম্মতিক্রমে ৩৫ সদস্যের প্রস্তাবিত একটি তালিকা অনুমোদন প্রদানের জন্য কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক মহোদয় সমীপে প্রেরণ করা হয়।

    অনুমোদিত কমিটিতে অন্যান্যরা হলেন, সিনিয়র সহ সভাপতি আবুল হাসনাত তুহিন (দৈনিক জবাবদিহি), সহ সভাপতি ইসহাক চৌধুরী ( দৈনিক সন্ধাবানী ), সহ সভাপতি মোহাম্মদ ইসহাক মজুমদার (দৈনিক প্রভাত আলো), সহ সভাপতি এম এ দেওয়ানী (বার্তা বিচিত্রা), সহ সভাপতি সাহেদ চৌধুরী (দৈনিক নব চেতনা) , যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান (দৈনিক তরুন কন্ঠ), যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ওমর ফারুক ভূঁইয়া (সাপ্তাহিক ফেনীর শক্তি ), যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো: সালাহ উদ্দিন দৈনিক বাংলাদেশ সমাচার), কোষাধ্যক্ষ ওবায়দুল হক (সাপ্তাহিক জনপ্রিয়), সাংগঠনিক সম্পাদক এম এ রহমান ভূঁইয়া দুলাল (দৈনিক আজকের বসুন্ধরা), সহ সাংগঠনিক সম্পাদক নিজাম উদ্দিন পাটোয়ারী (সাপ্তাহিক উদয়), দপ্তর সম্পাদক আতিকুর রহমান রোজেন (দৈনিক দেশ সেবা), সাংস্কৃতিক সম্পাদক আলা উদ্দিন সবুজ (দৈনিক স্বদেশ বিচিত্রা), সাহিত্য সম্পাদক আবুল হাসনাত রিন্টু (দৈনিক লাখো কন্ঠ), প্রচার সম্পাদক কাজী নুরুল আলম নিলু (দৈনিক নয়া পয়গাম), মহিলা বিষয়ক সম্পাদক রাহেনা আলম মিতু (সাপ্তাহিক ফেনী সমাচার), ধর্মীয় সম্পাদক জাফর ঈমাম রতন (দৈনিক বাংলা ধারা), ক্রীড়া সম্পাদক জাকির হোসেন সাহেদ (সাপ্তাহিক ফেনীর তালাশ), সমাজ কল্যান সম্পাদক শহীদুল ইসলাম তোতা ( সাপ্তাহিক উত্তরণ)। কার্যকরী সদস্যরা হলেন, রোখসানা সিদ্দিকী (দৈনিক সমসাময়িক প্রতিদিন), খোন্দকার নিজামুল হক (আজকের সূর্যোদয়/ এস পি এন), হাসান মাহমুদ (দৈনিক আজকালের খবর), ফারুক সবুজ (দৈনিক এশিয়া বানী), মিজানুর রহমান পলাশ (বাংলাদেশ পরিক্রম), ফরহাদ চৌধুরী (দৈনিক প্রতিদিনের কাগজ), কাজী আশরাফুল ইসলাম টুটুল (দৈনিক একুশে সংবাদ), মহি উদ্দিন খোকন (দৈনিক লাল সবুজের দেশ), গিয়াস উদ্দিন মামুন (দৈনিক আলোকিত সকাল), ফয়জুল হক চৌধুরী (পাক্ষিক মসিমেলা), ইয়াসিন আরাফাত মজুমদার (সময়ের গর্জন), আবদুল কাইয়ুম নিশান (ফেয়ার বার্তা), আনোয়ার হোসেন ( দৈনিক দেশের পত্র), এ এন এম গোলাম সরওয়ার নয়ন ( সাপ্তাহিক ফেনীর স্বাস্থ্য কথা) প্রমুখ। সাংবাদিকদের স্বার্থ রক্ষায় অধিকার মর্যাদা আদায়ের দাবিতে এই সংগঠনের নেতৃবৃন্দ কাজ করে যাচ্ছে।