Author: desk

  • বেতাগীতে পুলিশ ও স্থানীয়দের অভিযানে ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন অস্ত্রসহ আটক ০১

    বেতাগীতে পুলিশ ও স্থানীয়দের অভিযানে ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন অস্ত্রসহ আটক ০১

    মোঃ খাইরুল ইসলাম মুন্না বেতাগী বরগুনা

    বরগুনার বেতাগীতে বিষখালী নদী থেকে ডাকাত সদস্য মোঃ ফারুক (৪০) কে আটক করে স্থানীয়রা। এ সময় ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন দেশিয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।

    বুধবার (২২জুন) রাত ১১ টার দিকে বিষখালী নদী বেতাগী উপজেলা ছাত্রলীগ নেতা সিফাত সিকদার এর নেতৃত্বে টলার দিয়ে দাওয়া করে তাদের আটক করেন। পরবর্তীতে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়।

    এ সময় তাদের কাছ থেকে ১ টি চাপাতি, ১টি সিকল কাটার, ১টি করাত, ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত দড়ি উদ্ধার করা হয়।

    ছাত্রলীগ নেতা সিফাত সিকদা বলেন, মাঝনদীতে জেলেরা মাছ ধরছিলেন হঠাৎ নদী থেকে একটি ট্রলার প্রচন্ড গতিতে যাচ্ছিল। জেলেদের সন্দেহ হলে তারা আমাদের খবর দেয় পরবর্তীতে পাড় থেকে আমরা খবর পেয়ে একটি ট্রলার নিয়ে তাদের ধাওয়া করি অনেক দূর ধাওয়া করার পর তারা ট্রলার থামিয়ে ৪-৫ জন ডাকাত সদস্য পালিয়ে যায়, আমরা একজনকে ধরতে সক্ষম হই।

    বেতাগী থানার অফিসার ইনচার্জ আনোয়ারা হোসেন বলেন, পুলিশ ও স্থানীয়দের যৌথ প্রচেষ্টায় দেশীয় বিভিন্ন অস্ত্রসহ একজনকে আটক করেছি। এবং ট্রলারে থাকা বাকিরা পালিয়ে যায়। তবে তাদের গ্রেপ্তার করার জন্য আমাদের কার্যক্রম এখনো অব্যাহত রয়েছে। তারা আসলেই ডাকাত দলের সদস্য কিনা সেটা তদন্ত চলছে।

    মোঃ খাইরুল ইসলাম মুন্না

  • বর্তমান সরকার মেহনতী মানুষের কাজ করে যাচ্ছেন নির্মাণ  শ্রমিকদের  চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে… সেলিম

    বর্তমান সরকার মেহনতী মানুষের কাজ করে যাচ্ছেন নির্মাণ শ্রমিকদের চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে… সেলিম

    সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি :

    সুনামগঞ্জ ইমারাত নির্মাণ কর্মী কল্যাণ সংগঠনের শ্রমিকদের মাঝে চেক বিতরণ ও আলোচনা সভা অনুষ্টিত হয়েছে।
    বৃহস্পতিবার রাত ৮টায় শহরের পৌর বিপনী ৩য় তলায় সুনামগঞ্জ ইমারাত নির্মাণ কর্মী কল্যাণ সংগঠনের স্থায়ী কার্যালয়ে সংগঠনের সভাপতি মাইনুদ্দিন খন্দকার রাসেলের সভাপতিত্বে ও সংগঠনের সদস্য নজীর হোসেনের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন সুনামগঞ্জ জেলা শ্রমিক লীগের সভাপতি ও সুনামগঞ্জ ১ আসনের নৌকার মনোনয়ন প্রত্যাশী মো: সেলিম আহমদ। অন্যান্যদের মাঝে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সহ সভাপতি মো: আতর আলী, আনোয়ার আলম,সাধারণ সম্পাদক দিলোয়ার হোসেন দোলাল প্রমূখ। এসময় সংগঠনের প্রায় শতাধীক শ্রমিক সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
    প্রধান অতিথির বক্তব্যে সেলিম আহমদ বলেন শ্রমিকদের পরিশ্রমে এবং জননেত্রী শেখ হাসিনার সঠিক নেতৃত্বে আজ বিশ্বের বুকে বাংলাদেশ উন্নয়ণের মহা সড়কে এগিয়ে যাচ্ছে। তিনি আরও বলেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা এদেশের মেহনতী মানুষের জন্য দিন রাত প্ররিশ্রম করে যাচ্ছেন। শুধু মাত্র অসহায় মেহনতী মানুষের মুখে হাসি ফুটানোর জন্য। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন পূরণে আজ তারই সুযোগ্য উত্তরসূরী জননেত্রী শেখ হাসিনা এ দেশের শ্রমিকদের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। ঠিক তেমনি করে এদেশের প্রতিটি শ্রমিকরা তারই অংশ হিসেবে দেশকে এগিয়ে নিতে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন পূরণে কাজ করে চলেছেন বিদায় বাংলাদেশ আজ বিশ্বের বুকে একটি রোল মডেল হিসেবে উন্নয়নের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। শুধু তাই নয় প্রবাসী বাংলাদেশী যে শ্রমিকরা রয়েছেন তারাও এদেশের উন্নয়ণের একটি অংশ। যার ফলে বঙ্গবন্ধু কন্যা শ্রমিকদের অধিকার প্রতিষ্টায় এদেশের মেহনতি মানুষের জন্য দেশ বিদেশে কাজ করে যাচ্ছেন। বর্তমান সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা যে ভাবে মেহনতী মানুষের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন তারই অংশ হিসেবে আমরা যারা শ্রমিক নেতারা রয়েছি আমরা ও অসহায় শ্রমিকদের জন্য কাজ করে যাচ্ছি। জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্দশনায়। তিনি আরও বলেন জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে আরও শক্তিশালী করতে সুনামগঞ্জ জেলার প্রতিটি সেক্টরের শ্রমিক সংগঠনের প্রতিটি নেতা কর্মীদের ঐক্য হয়ে কাজ করার আহ্বান এবং আশাবাদ ব্যক্ত করেন সেলিম আহমদ। পাশসপাশি ইমারাত নির্মান সংগঠনের যেকোন সমস্যায় অসহায় শ্রমিকদের পাশে থেকে কাজ করার আশ্বাস দেন সেলিম আহমদ। আলোচনা শেষে ৬৬ জন শ্রমিক সদস্যদের ৬ বছর পূর্তিতে সংগঠনের পক্ষ থেকে প্রত্যেককে চার হাজার টাকার চেক প্রধান করা হয়।##

  • পাইকগাছায় চাঁদখালী ইউপি চেয়ারম্যান ও নারী সদস্য”র  প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে পাল্টাপাল্টি  অভিযোগ

    পাইকগাছায় চাঁদখালী ইউপি চেয়ারম্যান ও নারী সদস্য”র প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ

    পাইকগাছা ( খুলনা ) প্রতিনিধি।।
    খুলনার পাইকগাছার চাঁদখালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শাহজাদা আবু ইলিয়াস ও সংরক্ষিত মহিলা সদস্য ফাতেমাতুজ জোহরা রুপা একে অপরের বিরুদ্ধে প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ করেছে।
    এনিয়ে বৃহস্পতিবার সকালে চেয়ারম্যানসহ ১২ জন সদস্য রুপার বিরুদ্ধে সাংবাদিকদের কাছে নানাবিধ অভিযোগ করেন। এসময় চেয়ারম্যান বলেন, রুপা গত ১৪ জুন প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে যে অভিযোগ করেছে সেটি আদেও সত্য নয়। তিনি আরো বলেন আমি নির্বাচিত হওয়ার পর রুপা আমার কাছে ভিজিবি, ভিজিএফ, ভিজিডি, বয়স্কভাতা, বিধবা ভাতা, গর্ভকালীন ভাতা, রেশন কার্ডসহ বিভিন্ন অনৈতিক দাবী করে আসছিল কিন্তু আমি সেগুলো প্রশ্রয় না দেয়ায় আমার এবং পরিষদের সচিবের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমুলক অভিযোগ করেছে। সে ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ডের আব্দুর রাজ্জাকের মেয়ে মরিয়ম খাতুনের নিকট থেকে তিন হাজার, চাঁদখালী গ্রামের ইয়াসির আরাফাতের স্ত্রী জলি খাতুনের নিকট থেকে সাড়ে তিন হাজার টাকা কার্ড করে দিবে বলে নেয়। কিন্তু তাদের কার্ড না দিয়ে নিজ নামে কার্ড তৈরি করে। তার কার্ডে আমার কোন অনুমোদন ছিল না। কার্ড নিজ নামে করার বিষয় জানতে পেরে আমি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে জানিয়েছি। অভিযোগে আরো প্রকাশ করেন যে, কোন সদস্যকে মুল্যায়ন নাকরে আমি এককভাবে পরিষদের সরকারী বরাদ্দ দিয়ে থাকি এটি সত্য নয়। যা নিরোপক্ষ তদন্ত করলে সত্যতা পাওয়া যাবে।
    এবিষয়ে সংরক্ষিত দুই নারী সদস্যসহ ১১জন ইউপি সদস্য চেয়ারম্যানের সাথে একমত পোষন করে বলেন, চেয়ারম্যান সকল সদস্যদের নিয়ে সরকারী কার্যক্রম পরিচালনা করেন। সংরক্ষিত নারী সদস্য রুপা যে অভিযোগ গুলো করেছেন সেগুলি মিথ্যা ও বানোয়াট।
    সংরক্ষিত মহিলা ইউপি সদস্য ফাতেমাতুজ জোহরা রুপা জানান, চেয়ারম্যান সাহেবের নামে যে অভিযোগ করা হয়েছে সেগুলো সত্য। তদন্ত করলে প্রমানিত হবে। কার্ডের বিনিময়ে টাকা গ্রহণের বিষয়টি মিথ্যা। চেয়ারম্যান প্রভাব খাটিয়ে আমার বিরুদ্ধে তাদের দিয়ে বক্তব্য তৈরি করছে।
    উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মমতাজ বেগম জানান, উভয় পক্ষের অভিযোগ পেয়েছি উদ্ধর্তন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। উভয় পক্ষকে নিয়ে বসে সমঝোতার চেষ্টা করবো।

    ইমদাদুল হক,
    পাইকগাছা,খুলনা।

  • সুজানগরে কৃষক-কৃষাণীদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ

    সুজানগরে কৃষক-কৃষাণীদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ

    এম এ আলিম রিপন,সুজানগর ঃ সুজানগর উপজেলার ১২৫০ জন ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষক-কৃষাণীর মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে। উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে বৃহস্পতিবার উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো.তরিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার মাহে আলমের স ালনায় এ বীজ ও সার বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহীনুজ্জামান শাহীন। বিশেষ অতিথি ছিলেন পৌর মেয়র রেজাউল করিম রেজা ও উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান জিয়াউর রহমান কল্লোল । স্বাগত বক্তব্য দেন উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ রাফিউল ইসলাম। অনুষ্ঠানে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মারুফ দস্তগীর ,থানা অফিসার ইনচার্জ মো.জালাল উদ্দিন, নাজিরগঞ্জ ইউপি চেয়ারম্যান মশিউর রহমান খান, সাগরকান্দি ইউপি চেয়ারম্যান শাহীন চৌধুরী, হাটখালী ইউপি চেয়ারম্যান ফিরোজ আহমেদ, রাণীনগর ইউপি চেয়ারম্যান জিএম তৌফিকুল আলম পিযুষ, তাতীবন্দ ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন মৃধা, ভায়না ইউপি চেয়ারম্যান আমিন উদ্দিন, সাতবাড়ীয়া ইউপি চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল হোসেন, মানিকহাট ইউপি চেয়ারম্যান শফিউল ইসলাম, উপজেলা কৃষকলীগের সভাপতি আব্দুস সাত্তারসহ স্থানীয় বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। সংশ্লিষ্ট সুত্রে জানা যায়, ২০২২-২৩ অর্থবছরের খরিফ-২ রোপা আমন মৌসুমে রোপা আমন ধানের (উফসী ও হাইব্রিড জাত) আবাদ ও উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও রাসায়নিক সার সহায়তা প্রদানের জন্য কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় সুজানগর পৌরসভা সহ উপজেলার ১২৫০ জন ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষক-কৃষাণীর মাঝে বিনামূল্যে এ সার ও বীজ বিতরণ করা হয়। জনপ্রতি প্রতিটি কৃষকের মাঝে কৃষক উফসী আউশ বীজ ০৫ কেজি,ডিএপি সার ১০ কেজি ও এমওপি সার ১০ কেজি এবং ৫০ জন কৃষক হাইব্রিড বীজ ০২ কেজি করে বিতরণ করা হয়।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি।

  • সুজানগরে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্টিত

    সুজানগরে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্টিত

    এম এ আলিম রিপনঃ পাবনার সুজানগরে আইন শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে বেলা ১১টায় উপজেলা পরিষদ হলরুমে এ সভা অনুষ্টিত হয়। সুজানগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো.তরিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য দেন উপজেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির উপদেষ্টা ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহীনুজ্জামান শাহীন, সুজানগর পৌরসভার মেয়র রেজাউল করিম রেজা, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান জিয়াউল হক কল্লোল, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মারুফ দস্তগীর, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) মোহাম্মদ জালাল উদ্দীন, নাজিরগঞ্জ ইউপি চেয়ারম্যান মশিউর রহমান খান, সাগরকান্দি ইউপি চেয়ারম্যান শাহীন চৌধুরী, হাটখালী ইউপি চেয়ারম্যান ফিরোজ আহমেদ, রাণীনগর ইউপি চেয়ারম্যান জিএম তৌফিকুল আলম পিযুষ, তাতীবন্দ ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন মৃধা, ভায়না ইউপি চেয়ারম্যান আমিন উদ্দিন, সাতবাড়ীয়া ইউপি চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল হোসেন, মানিকহাট ইউপি চেয়ারম্যান শফিউল ইসলাম, উপজেলা কৃষকলীগের সভাপতি আব্দুস সাত্তার প্রমুখ। সভায় বক্তারা আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রনের পাশাপাশি মাদক-জুয়া, চুরি-ডাকাতি,বাল্যবিবাহ, যৌতুক, নারী নির্যাতন, ইভটিজিং সহ আইন শৃঙ্খলা বিষয়ক বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন ও সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সভায় উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহীনুজ্জামান শাহীন ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার(ইউএনও) মো.তরিকুল ইসলাম বলেন,সরকার দেশের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিতে বদ্ধপরিকর। আসন্ন পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষ্যে যাতে কোন ধরণের অপরাধ সংগঠিত না হয়,তাই অপরাধ প্রবণতা বন্ধে ও আইনশৃঙ্খলা উন্নয়নের পাশাপাশি সকল নাগরিককে ভূমিকা রাখতে হবে। এছাড়া একইদিনে সুজানগর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহীনুজ্জামান শাহীনের সভাপতিত্বে ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার(ইউএনও) মো.তরিকুল ইসলামের স ালনায় উপজেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভাও অনুষ্ঠিত হয়।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি।

  • পাইকগাছায় অনলাইন জুয়ার ৫ সদস্য বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা

    পাইকগাছায় অনলাইন জুয়ার ৫ সদস্য বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা

    পাইকগাছা(খুলনা) প্রতিনিধি।।পাইকগাছায় (১ী ইবঃ) অনএক্স বেট অ্যাপস পরিচালনা করে জুয়া খেলার সময় ৫ জুয়াড়িকে আটক করেছে পুলিশ। বুধবার ভোররাতে জুয়াখেলা অবস্থায় তাদেরকে আটক করা হয়। তাদের নিকট থেকে ১৫ টি মোবাই উদ্ধার হয়েছে। আটক ব্যক্তিদের নামে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা হয়েছে।
    মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা শাহিনুর রহমান জানন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলা কপিলমুনি ইউনিয়নের প্রতাপ কাটি এলাকায় ওয়ানএক্স বেট নামে একটি অ্যাপস ব্যবহার করে অবৈধভাবে ই- ট্রান্সজেকশন করছে এমন সংবাদ পাই। বুধবার ভোররাতে অভিযান চালিয়ে উপজেলার নোয়াকাটি গ্রামের হোসেন মোড়লের ছেলে সিদ্দিক মোড়ল(৪৩), রুহুল কুদ্দুস ছেলে শেখ জাহিদুল ইসলাম(২৪), শহিদুল সরদারের ছেলে স্বাধীন(২০), লোকমান হাকিমের ছেলে রাফসান(২০), সবুজ সরদারের ছেলে পারভেজ সরদার (২২) কে আটক করা হয়। তারা দির্ঘদিন ধবে ভাড়া বাসা নিয়ে ওয়ানএক্সবেট সফটওয়্যার ব্যবহার করে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নাম ব্যবহার করে অনুমোদন হীন অনলাইন মোবাইল জুয়া চালিয়ে আসছে। গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তিরা অবৈধ লেনদেনের সঙ্গে জড়িত থাকার বিষয়টি স্বীকার করেছে।
    পাইকগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ রফিকুল ইসলাম জানান, অনলাইন জুয়া খেলার সময় ৫ জন আটক করা হয়। আটক ব্যক্তিরা বিভিন্ন অনলাইন জুয়া অ্যাপস ব্যবহার করে জুয়া খেলার মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে বিভিন্ন প্রলোভন দেখাতেন। প্রতারণার উদ্দেশ্যে অনলাইনে জুয়া খেলায় উদ্বুদ্ধ করে মোবাইল ব্যাংকিং ব্যবহার করে অবৈধ ই-ট্রানজেকশন এবং নগদ টাকা লেনদেনের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ টাকা অবৈধভাবে হাতিয়ে নিচ্ছিল চক্রটি। আটক ব্যক্তিদের বুধবার সকালে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।

    ইমদাদুল হক,
    পাইকগাছা,খুলনা।

  • কুরবানী ঈদকে সামনে রেখে হাতুড়ির টুং টাং শব্দে মুখর পাইকগাছার কামার পাড়া

    কুরবানী ঈদকে সামনে রেখে হাতুড়ির টুং টাং শব্দে মুখর পাইকগাছার কামার পাড়া

    ইমদাদুল হক, পাইকগাছা,খুলনা।। কোরবানি ঈদকে সামনে রেখে হাতুড়ির টুং টাং শব্দে মুখরিত হয় উটেছে পাইকগাছার কামারপাড়া। চলছে হাঁপর, পুড়ছে কয়লা, জ্বলছে লোহা। কর্মব্যস্ত সময় পার করছে কামার শিল্পীরা। সারাদিন তপ্ত লোহা ও ইস্পাত গলিয়ে চলছে, দা, চাপাতি, বটি, ছুরি তৈরির কাজ। কাঁকডাকা ভোর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত চলছে তাদের কর্মকান্ড। মূল কারিগরের সাথে একজন ভারী হাতুড়ি দিয়ে পেটাচ্ছেন আগুনরাঙ্গা লোহার দন্ড। কেউ পোড়া দা ও ছুরিতে দিচ্ছেন শান। ম্যাশিনের সাহায্যে কেউবা হাঁপর টেনে বাতাস দিচ্ছেন। দিন-রাত সমান তালে লোহার টুং-টাং শব্দ আর হাফরের ফুঁসফাঁস শব্দে মুখরিত হয়ে উঠেছে উপজেলার প্রতিটি কামারশালা। হারিয়ে যেতে বসা বাংলার প্রাচীন কামারশিল্প যেন প্রাণ ফিরে পেয়েছে।
    আর কয়েক দিন পর ঈদুল-আযহা। উপজেলা পৌর সদর, নতুন বাজার, গদাইপুর, আগড়ঘাটা, কপিলমুনি বাঁকা, চাঁদখালী, কাটিপাড়া, বোয়ালিয়ার মোড়সহ বিভিন্ন হাট বাজার এবং কামার শালায় কুরবানির ঈদকে সামনে রেখে পশু জবাইয়ের ছোরা, চাপাতি, চাকু, দা, বটি, কুড়াল সহ বিভিন্ন সরজ্ঞাম তৈরি করছে কামাররা। সারা বছর টুক-টাক কাজ থাকলেও কুরবানির ঈদের সময় কামার শিল্প মুখরিত হয়ে ওঠে।বোয়ালিয়ার মোড়ে কামারের দোকানে দুই তিনজন কারিগর কাজ করছে।তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এ সময় দোকানে পুরাতন ও নতুন ধারালো অস্ত্র বানানো ও মেরামত করার ভীড় শুরু হয়। ঈদের আগের দিন র্পযন্ত এই ব্যস্ততা থাকে। বর্তমানে আধুনিকতার ছোয়া লেগেছে কামার শিল্পে। বৈদ্যুতিক সান দিয়ে বিভিন্ন সরঞ্জাম সান দেওয়া হয় ও হাফর বা জাতা দিয়ে বাতাস দেওয়ার জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে মটর।
    উপজলার গদাইপুর গ্রামের সন্তোস কর্মকার, রঞ্জন কর্মকার, আগড়ঘাটার বিশ্ব কর্মকার জানান, কোরবানি ঈদে তারা প্রতিবছর দা, ছুরি, চাপাতিসহ কোরবানি বিভিন্ন উপকরণ তৈরি ও মেরামত করেন। বোয়ালিয়া মোড়ে অবস্থিত কামারশালার শিল্পী বিমল র্কমকার ও সুপম কর্মকার বলেন, লোহা ও কয়লার দাম বেড়ে গেছে। সাধারণ লোহা ৫০ টাকা থেকে ৭০ টাকা ও গাড়ীর পাতি ৮০ টাকা দরে প্রতি কেজি ক্রয় করতে হয়। পশু জবাই করার ছোট-বড় বিভিন্ন সরজ্ঞাম সাইজের উপর দাম নির্ভর করে। গদাইপুরের সন্তোষ কর্মকার বলেন, অর্ডার দিয়ে তৈরী করা নতুন চাপাতি তৈরীর মুজুরী ৫শ টাকা থেকে ৭শ টাকা, জবাই করা ছোরা ৩শ টাকা। আর তৈরী করা ছোট চাপাতি ৫শত টাকা, বড় চাপাতি ৭ শত থেকে ৮ শত, বড় ছোরা ৩ শত থেকে সাড়ে ৩ শতটাকা, চাকু ৫০ টাকা থেকে দেড় শত টাকা, বটি আড়াই শত থেকে ৩ শত টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
    হরি গোপাল কর্মকার জানান, এই পেশায় আমরা খুব অবহেলিত। বর্তমান দ্রব্যমূল্য বেশী হলেও সেই অনুযায়ী দাম পাই না। ফলে সংসার চালাতে খুবই কষ্ট হয়। সারা বছর তেমন কাজ না থাকায় অনেকেই বাধ্য হয়ে পৈতৃক এই পেশা পরিবর্তন করছে বলে জানান।উপজেলার বিভিন্ন কামারের দোকান ঘুরে দেখা যায়, দা, ছুরি, চাপাতি, চাকু ও বটির বেচাকেনা বেড়েছে। পৌর বাজারে পশু জবাইয়ের সরঞ্জাম কিনতে আসা ক্রেতা আবুল কালাম জানান, অন্য বছরের চেয়ে এবার ছুরি, চাকু, বটির দাম একটু বেশি। কোরবানি ঈদের কয়েক দিন বাকি। তাই আগেই পশু জবাইয়ের সরঞ্জাম কেনার জন্য এসেছি।
    লোহা ও কয়লার দাম অনেক বেড়েছে। সে তুলনায় কামার শিল্পের উৎপাদিত পণ্যের দাম বাড়েনি।কামার শিল্পীদের
    আশা, সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা পেলে এ শিল্প আবারও ঘুরে দাঁড়াতে পারবে।

  • ঈদুল আযহা উপলক্ষে কক্সবাজার জেলায়  চাল পাচ্ছে দেড় লক্ষ পরিবার

    ঈদুল আযহা উপলক্ষে কক্সবাজার জেলায় চাল পাচ্ছে দেড় লক্ষ পরিবার

    কক্সবাজার থেকে কে এম নুর মোহাম্মদ। —

    পবিত্র ঈদুল আযহায় জেলায় দেড় লাখ পরিবারকে ১০ কেজি করে চাল দেওয়া হচেছ। তবে চাল বরাদ্দ গত বছরের তুলনায় কমে যাওয়ার কারণে এ বছর প্রায় ৫০ হাজার পরিবার বাদ পড়েছে। এ কোরবানের ঈদে জেলার ৭১ ইউনিয়নে এবং ৪ পৌরসভায় ১ লাখ ৪০ হাজার ৮১৭টি পরিবারের জন্য ১৪০৮ মে.টন চাল বরাদ্দ প্রদান করা হয়েছে। জেলা ত্রাণ ও পূর্ণবাসন কর্মকর্তা মোঃ জাহাঙ্গীর আলম জানিয়েছেন ৪ পৌরসভা ও ৭১ ইউনিয়নের জন্য প্রদত্ত বরাদ্দ প্রায় সকল ইউনিয়ন পরিষদে এবং পৌরসভায় পৌছোনো হয়েছে এবং জনপ্রতিনিধিদের বিতরণের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। আগামি সপ্তাহের মধ্যে দরিদ্রদের কাছে চাল পৌছে দেয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
    জেলা ত্রান ও পূর্ণবাসণ র্কাযালয় সূত্রে জানা যায়, পবিত্র ঈদুল আযহায় দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের বিশেষ বরাদ্দের আওতায় অসহায় দুঃস্থ জনগোষ্ঠির জন্য কোরবানের ঈদ উপলক্ষ্যে ভিজিএফ কর্মসূচিতে জেলায় সাড়ে ৭ লাখ গরীব প্রান্তিক মানুষের জন্য ১ হাজার ৪শ ০৮ মে.টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে । এতে প্রতি পরিবার ১০ কেজি করে চাল পাচ্ছে। ইতোমধ্যে জেলার ৭১ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও মেম্বারদের উপকারভোগিদের তালিকা প্রস্তত করে বরাদ্দকৃত চাল বিতরণ শুরু করেছে। গত ২০ জুনের মধ্যে চাল উত্তোলনের শেষ দিন বলে বরাদ্দপত্রে উল্লেখ করা হয়।
    জেলা প্রশাসনের নির্দেশনায় উপকারভোগিদের তালিকা প্রনয়নে যে গুরুত্বপূর্ণ ১২টি বিষয় মানতে জনপ্রতিনিধিদের নির্দেশ দেওয়া হয় তাদের অন্যতম হল-দুঃস্থ ,অতিদরিদ্র, ব্যক্তি/পরিবারকে এ সহায়তা দিতে হবে, তবে বন্যায় আক্রান্তদের কিংবা অন্যান্য দূর্যোগে পতিতদের অগ্রাধিকার দিতে হবে, ৭০ শতাংশ মহিলা তালিকাভুক্ত করতে হবে, ভুমিহীন, দিনমজুর, উর্পাজনক্ষম পুরুষবিহীন পরিবার, স্বামী পরিত্যাক্ত, তালাকপ্রাপ্ত, ভিক্ষাবৃত্তির উপর নির্ভরশীল, অস্বচ্ছল মুক্তিযোদ্ধা, প্রাকৃতিক দূর্যোগে চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্থ , দুবেলা বছরের অধিকাংশ সময় যে পরিবার ভাত পায়না তাদের অগ্রাধিকার দিয়ে তালিকাভুক্ত করতে হবে।

    উপজেলা ভিত্তিক উপকারভোগির সংখ্যা এবং চাল বরাদ্দের পরিমান হলো – চকরিয়ায় ১৮ ইউনিয়নে ১৮,৩৫০ কার্ডের তথা পরিবারের জন্য ১৮৩.৫০০ মে.টন। কক্সবাজার সদরের ১০ ইউনিয়নের ১১,৬৬২ পরিবারের জন্য ১১৬.৬২০ টন। কুতুবদিয়ায় ৬ ইউনিয়নের ৬১৪৩ পরিবারের জন্য ৬১.৪৩০ মে.টন। মহেশখালীর ৮ ইউনিয়নের ১৭,৮০২ পরিবারের জন্য ১৭৮.০২ মে.টন। পেকুয়ার ৭ ইউনিয়নের ৭৭৯৫ পরিবারের জন্য ৭৭.৯৫০ মে.টন। রামুর ১১ ইউনিয়নের ১৪,৪৮৫ পরিবারের জন্য ১৪৪.৮৫০ মে.টন। টেকনাফের ৬ ইউনিয়নের ১৮,১১০ পরিবারের জন্য ১৮১.১০০ মে.টন। উখিয়ার ৫ ইউনিয়নের ২৭,৯৮৬ পরিবারের জন্য ২৭৯.৮৬০ মে.টন চাল । কক্সবাজার পৌরসভার ৪৬২১ পরিবারের জন্য ৪৬.২১০ টন, চকরিয়া পৌরসভার ৪৬২১ পরিবারের জন্য ৪৬.২১০ টন, মহেশখালী পৌরসভার ৪৬২১ পরিবারের জন্য ৪৬.২১০ টন এবং টেকনাফ পৌরসভার ৪৬২১ পরিবারের জন্য ৪৬.২১০ টন।
    ভিজিএফ এর চাল বিতরণ বিষয়ে জেলা ত্রাণ ও পূর্ণবাসন কর্মকর্তা মোঃ জাহাঙ্গির আলম জানান, জেলার ৭১ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এবং ৪ পৌরসভার মেয়র বরাবরে সব চাল পৌছানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে। উপজেলার ভিজিএফ কমিটি বৈঠক বসে বরাদ্দ বিষয়ে সিদ্বান্ত নেবেন। তালিকা তৈরীতে যেন স্বজনপ্রীতি করা না হয় সে বিষয়ে জনপ্রতিনিধিদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। আশাকরি প্রকৃত দরিদ্ররা বরাদ্দের চাল পাবে।
    অপরদিকে সদর উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা মোঃ জাকারিয়া জানান- ভিজিএফ চাল বিতরণে কোন ধরনের অনিয়ম কঠোর হস্তে দমন করা হবে। স্বজনপ্রীতি, অনিয়ম, ওজনে কম দেয়া সব বিষয়ে ট্যাগ অফিসারদের নজরদারি বাড়ানোর জন্য নির্দেশনা দিয়েছি। আগামি ৩/৪ দিনের মধ্যে সদরের সব ইউনিয়নে চাল বিনরণ শেষ হবে। আমরা মাঠে সব পরিষদকে নজরদারীতে রেখেছি। কোন অনিয়ম হলে ব্যবস্থা নেয়া হবে। কেননা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী অসহায়দের মুখে হাসি ফোটাতে মুলত ঈদের আগে এ ১০ কেজি করে সব পরিবারে চাল দিচ্ছেন।
    চাল বিতরণের প্রস্তুতি বিষয়ে ঝিলংজা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান টিপু সুলতান বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অসহায় পরিবারে ঈদের আগে হাসি ফোঁটাতে ১০ কেজি করে চাল বরাদ্দ দিয়েছেন। বরাদ্দপত্র হাতে আসা মাত্রই তালিকা প্রণয়নে স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে মেম্বারগণকে বিশেষ দৃষ্টি রাখতে নির্দেশ দিয়েছি। আগামি শনিবারের মধ্যে আশাকরি বিতরণ শেষ করতে পারব। তিনি চাহিদার তুলনায় বরাদ্দ কম হওয়ায় হতাশা প্রকাশ করে বলেন সময়েে সাথে দরিদ্র অসহায়ের চাহিদা বেড়েছে কিন্তু গত বছরের তুলনায় বরাদ্দ কমেছে। তিনি বরাদ্দ বৃদ্ধির জন্য সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানান।
    সরকার ঈদে দরিদ্রদের মুখে হাসি ফুটাতে উক্ত ভিজিএফ কর্মসূচি চালু করেছে যার সফলতা নির্ভর করছে জনপ্রতিনিধিদের সততার উপর। দরিদ্রদের চাল যেন সঠিক উপকারভোগি পায় সে বিষয়ে সকলের সহযোগিতা কামনা করেছেন সংশ্লিষ্ট প্রশাসন।

    কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি
    (কে এম নুর মোহাম্মদ)

  • মোংলায় নেতার রোষানলে ১২টি ভূমিহীন নিরীহ পরিবার, বনদস্যুর রক্ষিত টাকা আত্মসাৎ করে বানিয়েছেন আলিশান বাড়ী

    মোংলায় নেতার রোষানলে ১২টি ভূমিহীন নিরীহ পরিবার, বনদস্যুর রক্ষিত টাকা আত্মসাৎ করে বানিয়েছেন আলিশান বাড়ী

    মোংলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি
    মোংলা উপজেলা আওয়ামী লীগের এক নেতার রোষানলে পড়ে কয়েকটি ভূমিহীন পরিবার মিথ্যা মামলায় জেল খাটাসহ পালিয়ে বেড়াচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এমনকি ওই ভূমিহীনদেরকে উপজেলা প্রশাসনের দেয়া খাস জমিতে মাছ চাষ করেও তা ধরতে পারছেনা তারা। ভূমিহীনদের চাষ করা মাছ লুটসহ মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো ও মারধর করে ঘর ছাড়া করেছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক ও একটি হত্যা মামলার আসামি মাওলানা আব্দুল কাদের। এই নেতা আত্নসমর্পণ করা সুন্দরবনের এক দস্যুর রক্ষিত ৯০ লাখ টাকাও আত্নসাৎ করেছেন বলে অভিযোগ করেছেন আত্নসমর্পণ করা দস্যু গামা বাহিনীর সেকেন্ড ইন কমান্ড গোলাম রসুল ফকির। আত্নসাৎ করা সেই টাকা দিয়ে মাওলানা কাদের খুলনায় করেছেন আলীশান বাড়ী। এ অভিযোগ করেছেন গোলাম রসুল ফকিরসহ উপজেলার সোনাইলতলা এলাকার বাসিন্দারা। বৃহস্পতিবার সরেজমিনে উপজেলার সোনাইলতলা এলাকায় গেলে ভূমিহীন ১২টি পরিবারের শতাধিক নারী-পুরুষ মাওলানা আব্দুল কাদেরর বিরুদ্ধে ভীতিকর নানা অভিযোগ করেন। এক সময়ের জামায়াতের রাজনীতির সাথে যুক্ত থাকলেও ভোল পাল্টে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগে যোগ দিয়ে নানা রকম কু-কর্মে লিপ্ত হন সুবিধাবাদী এই নেতা। এ সময় সুন্দরবনের আত্নসমর্পণকারী বনদস্যু গামা বাহিনীর সেকেন্ড ইন কমান্ড গোলাম রসুল ফকির অভিযোগ করে বলেন, সে সময় দস্যুতা করে দুই দফায় ৯০ লাখ টাকা মাওলানা আব্দুল কাদেরর কাছে জমা রাখি। স্বাভাবিক জীবনে ফিরে এসে টাকা ফেরত চাইলে সে সোনাইলতলা এলাকার স্থানীয় একটি মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি শহিদুল তালুকদারকে খুন করার জন্য প্রস্তাব দেয়। এতে সে রাজি না হওয়ায় তার টাকা ফেরত দেয়নি। পরে শহিদুল তালুকদারকে ২০০৭ সালে ভাড়া করা এক খুনিকে দিয়ে হত্যা করে মাওলানা কাদের। এ হত্যাকান্ডের মূল আসামীও মাওলানা আব্দুল কাদের। এদিকে তার কাছে জমা রাখা টাকা দিয়ে গোলাম রসুলকে জমি কিনে দেওয়ার কথা বললেও দেয়নি, এমনকি ফেরত দেওয়া হয়নি সেই টাকাও। গোলাম রসুল আরও বলেন, সেই টাকা দিয়ে মাওলানা কাদের খুলনার টুটপাড়া এলাকায় ছয়তলা আলীশান বাড়ি করেছেন। এলাকায় জোরপূর্বক অন্যের জমি দখল করে চিংড়ি চাষ করে হয়ে যান কোটিপতি। দীর্ঘকাল সরকারি খাস জমি ঘিরেও করেছেন মাছের চাষ। মূলত ওই খাম জমি উপজেলা প্রশাসন ১২টি ভূমিহীন পরিবারকে মাছ চাষের অনুমতি দিলে ক্ষোভে বেপরোয়া হয়ে ওঠেন মাওলানা কাদের। তার এই ক্ষোভের রোষানলে পড়েন ওই ১২টি ভূমিহীন পরিবার।
    ভূমিহীন রিনা বেগম বলেন, সরকারের দেয়া খাস জমিতে মাছ করে আসছিলাম। কিন্তু কাদের মাওলানা রাতের আঁধারে সেই মাছ লুট করে নিয়ে যায়। আমি গরিব মানুষ, কোথায় যাব, এর বিচার চাই। আরেক ভূমিহীন জামিল ফকির বলেন, আমার আপন চাচাতো ভাই মাওলানা কাদের। দীর্ঘদিন সরকারি খাস জমি দখলে রেখে মাছ চাষ করছিলো সে। পরে ওই জমি উপজেলা প্রশাসন আমাদের ১২ভূমিহীন পরিবারকে মাছ চাষ করতে বন্দোবস্ত দেয়। সেই থেকে কাদের মাওলানা আমাদের ওপর নির্যাতন চালাচ্ছেন। আমাদের ভূমিহীন ১২টি পরিবারের নামে মিথ্যা মামলা দায়ের করেন। পরে আমরা সবাই জেল খেটে কয়দিন আগে জামিনে বেরিয়ে আসি। পাঁচ কাঠা করে জমি দিয়ে সরকার আমাদের মাছ চাষ করতে সংসার চালানোর ব্যবস্থা করেছেন। সেইভাবে আমরা চলে আসছি। কিন্তু আমাদের অপরাধ কোথায়? মাওলানা কাদের কেন আমাদের ওপর নির্যাতন ও মিথ্যা মামলায় ঢুকালেন বলেই কেঁদে ওঠেন আরেক ভূমিহীন মান্নান ফকির। মাওলানা কাদেরের নিযার্তন থেকে রেহাই পেতে ও তার বিচারের দাবীতে বুধবার দুপুরে ওই এলাকায় কাদেরের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ প্রর্দশন করেন ভুক্তভোগীরা। এদিকে মাওলানা কাদেরের হয়রানি থেকে রেহাই পাচ্ছেন না খোদ উপজেলা চেয়ারম্যান আবু তাহের হাওলাদারও। খাস জমি জবর দখল ও জাল দলিল করতে আবু তাহের হাওলাদারের স্ত্রী সংশ্লিস্ট ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ওয়ারেস কাম সার্টিফিকেট না দেয়ায় তাতে ক্ষুব্ধ হয়ে ষড়যন্ত্রমূলক সম্প্রতি উপজেলা চেয়ারম্যান আবু তাহের হাওলাদারের বিরুদ্ধে চিংড়ি ঘের দখলের অভিযোগ এনে কাল্পনিক তথ্য উপস্থাপন করে মিথ্যা সংবাদ সম্মেলন করেন।
    উপজেলা চেয়ারম্যান আবু তাহের হাওলাদার বলেন, মাওলানা কাদের নিজেই তার ঘের করে আসছেন। কখনই তার ওই ঘের দখল হয়নি। মাওলানা কাদেরের অন্যায় আবদার না রাখায় সে ক্ষিপ্ত হয়ে আমার বিরুদ্ধে তার ঘের দখলের মিথ্যা সংবাদ সম্মেলন করে। তার মিথ্যা সংবাদ সম্মেলনের প্রতিবাদে আমিও পাল্টা সংবাদ সম্মেলন করেছি। এদিকে মাওলানা কাদেরর চিংড়ি ঘেরে দায়িত্বে থাকা তার বোন মাহফুজা বেগমও বলেন, চিংড়ি ঘের কেউ দখল করেনি। প্রতিদিনই এই ঘের থেকে আমার ভাই মাছ ধরে বিক্রি করছেন বলে সাংবাদিকদের জানান তিনি।
    তবে মাওলানা কাদেরের খাস জমি জবর দখল, জাল দলিল ও ভূমিহীনদের উপর নিযার্তনের ঘটনার বিষয়ে ভুক্তভোগীদের অভিযোগের প্রেক্ষিতে স্থানীয় সংবাদকমীর্রা ঘটনাস্থলে গেলে উপজেলা চেয়ারম্যান আবু তাহের হাওলাদারের বিরুদ্ধে ঘের দখলের কোন প্রমাণ মেলেনি। স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, উপজেলা চেয়ারম্যান আবু তাহের হাওলাদার কখনও এ এলাকায়ও আসেন না। অহেতুক তার বিরুদ্ধে ঘের দখলের মিথ্যা অভিযোগ তুলে মাওলানা কাদের সংবাদ সম্মেলন করেছেন। এ প্রসঙ্গে মাওলানা আব্দুল কাদের দাবী করেন, খাস জমিতে মাছ চাষকারীরা পাশ্বতর্তী আমার ৭৫ বিঘার চিংড়ি ঘের থেকে মাছ চুরি করায় তাদের বিরুদ্ধে মামলা করি। এছাড়া সুন্দরবনের কোন দস্যুদের সাথে আমার কথনও সম্পর্ক ছিলনা, আমি যেন তেনো লোকনা। আমার টাকা দিয়ে খুলনায় বাড়ি করেছি। হত্যা মামলায় আমাকে জড়িয়ে আসামী করেছেন স্থানীয় প্রভাবশালী রাজনীতিবিদেরা।

    বায়জিদ হোসেন, মোংলা, বাগেরহাট।।

  • বানারীপাড়ায় ধর্ষণ মামলার পলাতক আসামি ইয়াছিনকে চট্টগ্রাম থেকে গ্রেফতার

    বানারীপাড়ায় ধর্ষণ মামলার পলাতক আসামি ইয়াছিনকে চট্টগ্রাম থেকে গ্রেফতার

    এস মিজানুল ইসলাম, বিশেষ সংবাদদাতা।।

    বানারীপাড়া উপজেলার সলিয়াবাকপুর ফজলুল হক মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দশম শ্রেনীর ছাত্রী ধর্ষণ মামলার পলাতক আসামি ইয়াছিন (২৩) কে যৌথ অভিযানে চট্টগ্রামের আনোয়ারা থানা এলাকা থেকে বানারীপাড়া থানার সহকারী উপ-পরিদর্শক মোঃ স্বজল খান, জাকির হোসেন, শরিফুল ইসলাম ও র‍্যাব ৭ এর যৌথ অভিযানে গ্রেফতার করা হয়।

    গত ১১ জুন সলিয়াবাকপুর ইউনিয়নের শাখারিয়া গ্রামের প্রবাসী শহিদের স্ত্রী রুবিনা আকতার ছবি(৩৮) এবং ইয়াসিনের সহায়তায় একই গ্রামের সোহাগ(২৩) ও মেহেদী(২৭) ঐ ছাত্রীকে জোড় পূর্বক একটি বসত ঘরে নিয়ে পালাক্রমে ধর্ষণ করে ভিডিও ধারণ করে।

    এ বিষয়ে বানারীপাড়া থানার ওসি এস এম মাসুদ আলম চৌধুরী জানান, আসামি ইয়াছিন কে আজ ২২ জুন বৃহস্পতিবার বরিশাল বিজ্ঞ আদালতে প্রেরন করা হয়েছে। অন্য আসামিদের র‍্যাব ও পুলিশের যৌথ অভিযানে গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত আছে । #