Author: desk

  • মি-থ্যা ধ-র্ষন মা-মলা সাজিয়ে ঘরবাড়ি ভাং-চুর ও পরিবারকে গ্রামছাড়া করার অ-ভিযোগ

    মি-থ্যা ধ-র্ষন মা-মলা সাজিয়ে ঘরবাড়ি ভাং-চুর ও পরিবারকে গ্রামছাড়া করার অ-ভিযোগ

    ঝিনাইদহ জেলা সংবাদদাতাঃ
    ঝিনাইদহের শৈলকপুা উপজেলার দেবতলা মিথ্যা ধর্ষন মামলা সাজিয়ে রিপন কাজী নামে এক যুবককে ফাঁসিয়ে তার ঘরবাড়ি ভাংচুর ও পরিবারসহ গ্রাম ছাড়ার অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার দুপুরে ঝিনাইদহ প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এমন লিখিত অভিযোগ করেন ওই গ্রামের আহাতাব কাজীর ছেলে রিপন কাজী।অভিযোগে দাবী করা হয়, ২০২৪ সালের ২৮ জুন দেবতলা গ্রামের রবিউল কাজীর বড় মেয়ে প্রেমের সম্পর্কের সুবাদে বগুড়ার শিহাব নামে এক ছেলেকে নিজ বাড়ি দেবতলা গ্রামে নিয়ে আসে। তারা বিবাহ বহির্ভুত সম্পর্ক গড়ে তুলে স্বামী স্ত্রীর মতো বসবাস করতে থাকেন।

    বিষয়টি গ্রামে জানাজানি হয়ে পড়লে স্থানীয় মসজিদের ইমাম নুরুল ইসলামসহ গ্রামের গন্যমান্য ব্যক্তিরা রবিউল কাজীর বাড়িতে গিয়ে যুবক শিহাব সম্পর্কে জানতে চান। শিহাব প্রথমে নিজেকে সেনাবাহিনীর সদস্য বলে পরিচয় দেন। এ সময় পরিচয়পত্র দেখতে চাইলে তিনি মার্কেটিংয়ে কাজ করেন বলে জানায়।শিহাব মিথ্যা তথ্য দেওয়ায় গ্রামের লোকজন ক্ষুদ্ধ হয়ে দু’জনকে বিয়ে পড়ানোর সিদ্ধন্ত নিলে ছেলেটি বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানায়। এ সময় রিপন কাজী শিহাবকে থাপ্পড় মারেন।

    রবিউল কাজীর মেয়ের প্রেমিকাকে থাপ্পড় মারার কারণে ওই পরিবারটি রিপন কাজীর উপর ক্ষুদ্ধ হয়ে প্রতিশোধ নেওয়ার হুমকী দেয়। পুর্ব শত্রুতার জের ধরে ২০২৫ সালের ৩ মার্চ রবিউল কাজীর ১১ বছর মেয়েকে দিয়ে মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমুলক ভাবে ধর্ষনকান্ড সাজিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়। এতে উত্তল হয়ে পড়ে দেবতলা গ্রাম। পরিস্থিতি সামাল দিতে সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়। এ ঘটনায় রবিউল তার সামাজিক দলকে সঙ্ঘবদ্ধ করে রিপন কাজীর বাড়ি ভাংচুর ও লুটপাট করে।এ ঘটনার পর থেকে রিপন কাজী, তার স্ত্রী ও দুই শিশু সন্তান ঘরবাড়ি ছাড়া হয়েছেন। মিথ্যা ধর্ষন মামলায় এই পরিবারটি পথে বসেছেন। তারা বাড়ি ফিরতে পারছেন না। মিথ্যা ধর্ষন মামলার বাদী রবিউল ও তার ভাতিজা শিমুল কাজী প্রতিনিয়ত হত্যার হুমকী দিচ্ছেন বলেও সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়।

    সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে রিপন কাজী জানান, ইতিমধ্যে পুলিশী তদন্তে মামলাটি মিথ্যা বলে প্রমানিত হয়েছে। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা অমিত কুমার ঘোষ ২৫ জুলাই আদালতে চুড়ান্ত রিপোর্ট প্রদান করেছেন। রিপোর্টে বলা হয় মামলাটি মিথ্যা প্রমানিত হয়েছে। এছাড়া ডাক্তারী পরীক্ষায় ধর্ষনের কোন আলামত মেলেনি বলে পরীক্ষাকারী চিকিৎসক ডাঃ সুলতানা মেফতাহুল জান্নাত গত ১৫ মার্চ তারিখে আদালতে পাঠানো এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করেন।
    মিথ্যা ধর্ষন মামলার বিষয়ে বাদী রবিউল কাজী জানান, ধর্ষন মামলাটি মিথ্যা নয়। ঘটনাটি সত্য ছিল। কিন্তু ধর্ষনের ১১দিন পর মামলা ও ১২দিন পর ডাক্তারী পরীক্ষা করায় রিপোর্টটা হয়তো পক্ষে আসেনি। তিনি বলেন, টাকা দিয়ে মেডিকেল রিপোর্ট আসামী পক্ষে নিতে পাে রন। এ বিষয়ে তিনি ডিএনএ টেষ্ট করবেন বলে জানান।

    আতিকুর রহমান
    ঝিনাইদহ।

  • দেশের উন্নয়নে প্র-তিবন্ধি,বি-ধবা,আ-দিবাসীদের এগিয়ে নিতে হবে- অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার

    দেশের উন্নয়নে প্র-তিবন্ধি,বি-ধবা,আ-দিবাসীদের এগিয়ে নিতে হবে- অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার

    রাজশাহী থেকে মোঃ হায়দার আলীঃ রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে ২০২৪-২৫ অর্থ বছরের গোদাগাড়ী উপজেলা সমাজকল্যাণ কমিটির কর্তৃক অর্থানুদান বিতরণ করা হয়েছে।
    ৩০ সেপ্টেম্বর ( মঙ্গলবার) বিকাল ৩ টায় গোদাগাড়ী উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এ বিতরণ কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

    উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফয়সাল আহমেদের সভাপতিত্বে এ অনুষ্ঠানে
    প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, যুগ্ম-সচিব,অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার, রাজশাহীর ড. চিত্রলেখা নাজনীন।বিশেষ অতিথি সহকারী কমিশনার ভূমি জনাব শামসুল ইসলাম।

    ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী শিক্ষার্থীদের ১০২ জন কে ২ হাজার করে মোট ২ লক্ষ ৪ হাজার টাকা এবং নৃ-গোষ্ঠীর পরিবারের ১১৪ জনকে ২ হাজার করে মোট ২ লক্ষ ২৮ হাজার টাকা প্রদান করা হয়। আদিবাসী সম্প্রদায়ের এ জনগোষ্ঠীদের মাঝে ৪ লক্ষ ৩২ হাজার টাকা প্রদান করা হয়েছে।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন, গোদাগাড়ী উপজেলা সমাজসেবা অফিসার আব্দুল মানিক ও আদিবাসী সম্প্রদায়ের নেতা রাজকুমার শাও প্রমূখ।

    প্রধান অতিথি যুগ্ম-সচিব,অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার ড. চিত্রলেখা নাজনীন আদিবাসীদের উৎসাহ দিয়ে বলেন, আপনারা আপনাদের বাচ্চাকে সবসময় পজিটিভ কথা বলবেন। তাদের পড়াশোনায় মনোযোগী করতে উৎসাহ দিবেন। পড়াশোনা করে তারা একসময় চাকরী করবে, উদ্যোগতা হবে। আদিবাসী বাচ্চারাও আমাদের সমাজের অংশ। একটি গোষ্ঠীকে ছাড়া উন্নত বাংলাদেশের সপ্ন দেখা যায় না। তাই উন্নয়নের অংশীদারত্বে আপনাদের এগিয়ে আসতে হবে।

    পরে উপজেলা পরিষদের পুরাতন অডিটারিয়ামে উপজেলা পরিষদের উদ্যোগে উচ্চতর এ সেলাই প্রশিক্ষকের কার্যক্রম পরিদর্শন করেন, অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার, ড. চিত্রলেখা নাজনীন
    এ প্রশিক্ষণে প্রথম ব্যাচে অংশ গ্রহন করছেন ৩৫ জন গরীব, দুস্থ্য, বিধবা, স্বামী পরিত্যক্তা, প্রতিবন্ধী, স্বচ্ছল অবস্থাশালী পরিবারের বেকার নারী, পুরুষ, যুবক, যুবতীরা।
    প্রশিক্ষণ শেষে তাদের চোখে, মুখে স্বপ্ন একটি মিনি গার্মেন্টস এর মালিক হওয়া, উদ্যোক্তা হওয়া, নিজের পরিবারের কাজগুলি করা, আশেপাশের মানুষের কাজ করে কিছু ইনকাম করে স্বচ্ছলতা ফিরিয়ে আনা, সুখে শান্তিতে বসবাস করা। গরীব, দুস্থ্য, বিধবা, স্বামী পরিত্যক্তা, ক্যানসার রোগীর কথা মনোযোগ সহকারে শুনেন। সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

    মোঃ হায়দার আলী,
    রাজশাহী।

  • কোটালীপাড়ায় বিভিন্ন পূজা মন্ডপ পরিদর্শন করেছেন জেলা প্রশাসক মুহম্মদ কামরুজ্জামান

    কোটালীপাড়ায় বিভিন্ন পূজা মন্ডপ পরিদর্শন করেছেন জেলা প্রশাসক মুহম্মদ কামরুজ্জামান

    কে এম সাইফুর রহমান,
    নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

    শারদীয় দূর্গা পূজা উপলক্ষে পূজা মন্ডপ সহ কোটালীপাড়ার বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ পরিদর্শন ও উদ্বোধন করেছেন জেলা প্রশাসক ও জেলা বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (যুগ্মসচিব) মুহম্মদ কামরুজ্জামান। সোমবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১ টায় তিনি উপজেলা কেন্দ্রিয় কালীবাড়ী দূর্গা মন্ডপ ও পাড়কোনা শ্রী শ্রী গনেশ পাগল সেবাশ্রম দূর্গা মন্ডপ পরিদর্শন শেষে ভক্তদের সাথে কুশল বিনিময় করেন। এরপর তিনি বান্ধাবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদ ও ইউনিয়ন ভূমি অফিস পরিদর্শনের লক্ষে সেখানে পৌঁছালে তাকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান ইউপি চেয়ারম্যান সহ সদস্যবৃন্দ।

    বিকালে উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয়ের বাস্তবায়নে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে তিনি উপজেলা পরিষদ সংলগ্ন পুকুরে পোনা মাছ অবমুক্তকরন কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করেন। এর আগে তিনি মডেল মসজিদ সংলগ্ন লেক পাড়ের সৌন্দর্য বর্ধন ও বসার স্থানের কাজ, কৃষি দপ্তর আয়োজিত বীজ ও সার বিতরণ এবং ঘাঘর বাজার ওয়াশব্লক কাজের উদ্বোধন করেন। এ সময় তিনি উপজেলা মডেল মসজিদ নির্মান কাজেরও খোঁজ খবর নেন।

    এসময় কোটালীপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মাসুম বিল্লাহ (অঃ দাঃ), সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ আতাউর রহমান, সিনিয়ন মৎস্য কর্মকর্তা এস এম শাহজাহান সিরাজ, অফিসার ইনচার্জ (ওসি) খন্দকার হাফিজুর রহমান, কৃষি কর্মকর্তা দোলন চন্দ্র বিশ্বাস, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা এইচ এম আনসার উদ্দিন, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি ফায়েকুজ্জামান শেখ, উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি অধ্যক্ষ কার্তিক চন্দ্র বিশ্বাস, সাধারণ সম্পাদক লীলা দাম, ইউপি চেয়ারম্যান মানিক হাওলাদার, সাবেক কাউন্সিলর সঞ্জয় মজুমদার সহ জেলা- উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী বৃন্দ ও নানা শ্রেনি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

  • কোটালীপাড়ায় ইউএনওর দেওয়া রঙিন ঘরে অসহায় সোনাবানের মুখে সুখের হাসি

    কোটালীপাড়ায় ইউএনওর দেওয়া রঙিন ঘরে অসহায় সোনাবানের মুখে সুখের হাসি

    কে এম সাইফুর রহমান নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

    কোটালীপাড়া উপজেলার নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো: মাসুম বিল্লার দেওয়া প্রয়োজনীয় আসবাবপত্রসহ রঙিন ঘর উপহার পেয়ে সুখের হাসি ফুটে উঠেছে গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ার অসহায় সোনাবান বিবির (৮০) মুখে ।

    আজ মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে খাট, তোষক, বালিশসহ প্রয়োজনীয় আসবাবপত্র, চাল, ডাল, তেল, আলু,পিয়াজসহ প্রয়োজনীয় খাদ্য সামগ্রী নিয়ে উপজেলার সিতাইকুন্ড গ্রামের কাজী বাড়িতে হাজির হলেন ইউএনও মাসুম বিল্লাহ। সোনাবানের জন এই বাড়িতেই আগে থেকেই তৈরী করা হয় একটি রঙ্গিন ঘর। ঘরের সাথেই বানানো হয় টয়েলেট ও রান্না ঘর। আসবাবপত্রসহ হতদরিদ্র সোনাবানের হাতে ইউএনও তুলে দেন রঙ্গিন এই ঘরের চাবি। আবেগে সোনাবান অঝোর ধাঁরায় কেঁদে ফেলেন। কেঁদে ফেলেন ইউএনও নিজেও।
    আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়েন উপস্থিত সকলে।

    সোনাবান বিবি সিতাইকুন্ড গ্রামের মৃত আব্দুল কাজীর স্ত্রী। জন্ম থেকেই অভাব অনাটন আর দারিদ্র্যতার সাথে বসবাস তার।
    বৃদ্ধ বয়সে এসেও মা, বাবা, স্বামী, সন্তান, ভাই, বোনহীন সোনাবান একটি ভাঙ্গা খুপড়ি ঘরে চরম মানবেতর দিন কাটাচ্ছিলেন তিনি।
    জানাগেছে, অসহায় সোনাবানের বিষয়টি নজরে আসে স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মী মনিরুজ্জামান শেখ জুয়েলের। ৬ মাস আগে তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে (ফেসবুকে) ‘‘শেষ বয়সে একটু সুখ-শান্তি চাই, কে দেবে‘‘? শিরোনামে সোনাবানকে নিয়ে একটি আবেগঘন পোস্ট দিলে এগিয়ে আসে উপজেলা প্রশাসন। তখনকার ইউএনও মো: মঈনুল হক সোনাবানের জন্য সরকারিভাবে ঘর দেওয়ার জন্য উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার অফিসের মাধ্যমে একটি প্রকল্প হাতে নেন। এরই মধ্যে ইউএনও মঈনুল হকের বদলী হয়ে যায়। অন্যদিকে জায়গার জটিলতার কারনে ঘর নির্মাণ কাজ বন্ধ থাকে। বিষয়টি ভারপ্রাপ্ত ইউএনও মো: মাসুম বিল্লাহ জানতে পেরে জায়গার সমস্যা সমাধান করে মেঝে পাকা একটির রঙ্গিন ঘর নির্মাণ করেন। একই সাথে ঘরের সাথে একটি টয়েলেট এবং রান্নাঘরও নির্মাণ করে দেন।
    আজ সোমবার দুপুরে খাট, তোষক, বালিশসহ প্রয়োজনীয় আসবাবপত্র, চাল, ডাল, তেল, আলু,পিয়াজসহ প্রয়োজনীয় খাদ্য সামগ্রীসহ উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাদের নিয়ে সোনাবানের বাড়িতে আসেন। নতুন ঘরের চাবি সোনাবানের হাতে তুলে দেন ইউএনও মো: মাসুম বিল্লাহ। সৃষ্টি হয় এক আবেগঘন পরিবেশের।

    এসময় উপজেলা নির্বাহী প্রকৌশলী শফিউল আজম, উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা আবু তাহের হেলাল, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো: আনসার আলী, সাংবাদিক মনিরুজ্জামান শেখ জুয়েল, কামরুল ইসলাম ও হাসিবুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।

    সোনাবানের প্রতিবেশী কাজী ইউনুচ জানান, অনেক দুঃখে কষ্টে তার জীবন কাটে। সরকারি কোন সহায়তা তিনি পান না। ভাঙ্গা ঘরে প্রায়ই না খেয়ে থাকতে হয়। প্রতিবেশীরা একটু সাহায্য করলে তার পেটে ভাত জুটে। অন্যথায় অনাহারে থাকতে হয়। আজ ইউএনও স্যার যা করলো তা সমাজে ইতিহাস হয়ে থাকবে। আমরা স্যারের প্রতি কৃতজ্ঞ।

    খুশিতে আত্মহারা সোনাবান কান্না জড়িত কন্ঠে বলেন, সোংবাদিক (সাংবাদিক) জুয়েল একদিন আমার ভাঙ্গা ছাপড়া ঘরের ছবি তুলে নিয়ে যায়। আমার দু:কখু শোনে। এ্যারপর টিএনও অফিসের লোক আইসকা আমার নতুন ঘর বানায় দেয়। টিএনও স্যার আমার লইগ্যা যা করলো তাতে আমি জন্মের মতন খুশি হইছি। আমি স্যারের লইগ্যা ও সেই সোংবাদিকের লইগ্যা দোয়া করি।
    উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) মো: মাসুম বিল্লাহ বলেন, একজন গণমাধ্যমকর্মীর ফেসবুকের পোষ্টের মাধ্যমে সোনাবান বিবির খবর জানতে পেরে সাবেক উপজেলা নির্বাহী অফিসার স্যার একটি ঘরের ব্যবস্থা করেন। আমরা তদারকির মাধ্যমে সেই ঘরটি নির্মাণ করে আজ হস্তান্তরের জন্য এসেছি। পাশাপাশি সোনাবান বিবির জন্য প্রয়োজনীয় আসবাবপত্র ও খাদ্যসামগ্রী দিলাম। এটি একটি মানবিক কাজ ছিল। অসহায় পরিবার বা মানুষের কষ্টে পাশে দাঁড়ানোই প্রশাসনের দায়িত্ব। আশারাখি সোনাবান বিবি এখন একটি সুস্থ সুন্দর পরিবেশে জীবনযাপন করতে পারবে। সরাকারের পাশাপাশি সমাজের সকল বিত্তবানদের প্রতি আহ্বান জানাবো সোনাবানের মতো অসহায় মানুষের পাশে যেন সকলে সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেয়। উপজেলা প্রশাসনও সবসময় সমাজের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছে।

  • বিশ্ব জলাতঙ্ক দিবস ২০২৫  জলাতঙ্ক রোগের ফ্রি ভ্যাক্সিনেশন ক্যাম্পেইন

    বিশ্ব জলাতঙ্ক দিবস ২০২৫ জলাতঙ্ক রোগের ফ্রি ভ্যাক্সিনেশন ক্যাম্পেইন

    ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ মোঃ নাঈম মল্লিক

    ঝালকাঠির নলছিটিতে বিশ্ব জলাতঙ্ক দিবস ২০২৫ উপলক্ষে পোষা কুকুর ও বিড়ালের জলাতঙ্ক রোগের ফ্রি ভ্যাক্সিনেশন ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হয়েছে।৩০ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার সকাল দশটায় উপজেলা প্রানী সম্পদ কর্মকর্তার দপ্তর ও ভেটেরেনারি হাসপাতালে এ ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হয়।
    ফ্রি ভ্যাক্সিনেশন ক্যাম্পেইনটিতে প্রায় একশো পোষা প্রাণীকে জলাতঙ্ক রোগের ভ্যাক্সিন বিনামূল্যে প্রদান করা হয়।নলছিটির বিভিন্ন এলাকা থেকে পোষা বিড়াল নিয়ে উপস্থিত হন এবং বিনামূল্যে ভ্যাক্সিন দিয়ে নেন।
    এসময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নলছিটি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লাভলী ইয়াসমীন।এসময় তিনি উপজেলা প্রানী সম্পদ কর্মকর্তার কার্যালয়ের দুগ্ধজাত পণ্যের মান যাচাই এবং পশু প্রানীর রোগ নির্নয়ে স্থাপন করা ল্যাবরেটরি পরিদর্শন করেন এবং ফ্রি ভ্যাক্সিনেশন ক্যাম্পেইন উদ্বোধন করে।

    এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রানী সম্পদ কর্মকর্তা ডা:আবু সালেহ মোহাম্মদ ইফাদ ইশতিয়াক,ভেটেরিনারি সার্জন ডা:সুব্রত সিকদার।উপজেলা বিএনপি সভাপতি এডভোকেট আনিসুর রহমান খান হেলাল সহ স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

  • খাগড়াছড়ি গুইমারায় সম্প্রতিক সং-ঘর্ষে ঘটনা প্রতিবাদে বিক্ষো-ভ মি-ছিল ও প্র-তিবাদ সমাবেশ

    খাগড়াছড়ি গুইমারায় সম্প্রতিক সং-ঘর্ষে ঘটনা প্রতিবাদে বিক্ষো-ভ মি-ছিল ও প্র-তিবাদ সমাবেশ

    থানচি (বান্দরবান) প্রতিনিধি:মথি ত্রিপুরা।

    খাগড়াছড়ি গুইমারায় সাম্প্রদায়িক হামলার বিচার কর এক ছাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের বিচারের দাবিতে চলমান শান্তিপূর্ণ অবরোধ কর্মসূচি সেটেলার বাঙালি কর্তৃক জুম্মদের উপর পরিকল্পিত সন্ত্রাসী হামলা ও ঘরবাড়ি-দোকানপাট ভাংচুর-অগ্নিসংযোগ প্রতিবাদে, বান্দরবানের থানচিতে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সকালে থানচি আদিবাসী ছাত্র ও যুব সমাজ আয়োজনে খাগড়াছড়ি গুইমারায় সাম্প্রতিক হামলার ভাঙচুর অগ্নিসংযোগ প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

    বাসস্টেশন এলাকার থেকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়ে বাজার ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ এলাকার প্রদক্ষিণ শেষে সাঙ্গু সেতু তিন মাথা প্রাঙ্গণে প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
    ছাত্রনেতা অংসিং মারমা সঞ্চালনায়, ছাত্রনেতা উথোয়াইওয়াং মারমা সভাপতিত্বে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

    অনুষ্ঠানের উপস্থিত হয়ে বক্তব্য রাখেন, মারমা স্টুডেন্ট কাউন্সিলর সাচিংপ্রু মারমা, ত্রিপুরা স্টুডেন্ট কাউন্সিলর আশাবান ত্রিপুরা, শিক্ষার্থী সাবরিনা ত্রিপুরা ঈশিতা, যুবনেতা রেইংহাই ম্রো, যুবনেতা সিংওয়াইমং মারমা, সচেতন নাগরিক মংসাইং মারমা, ছাত্রনেতা মংমে মারমা ও সচেতন নাগরিক নুমংপ্রু মারমা প্রমুখ।

    এসময় বক্তারা বলেন, খাগড়াছড়ি গুইমারায় দলবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় সাম্প্রতিক হামলার ভাঙচুর অগ্নিসংযোগ প্রতিবাদের তিব্র নিন্দা জানান। তারা বলেন, ধর্ষণকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে দ্রুত বিচার নিষ্পত্তি করতে হবে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করতে হবে।

  • পূজার নিরাপত্তায় বি-ভিন্ন স্তরের ব্যবস্থা গ্রহণ  করা হয়েছে-অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মামুন

    পূজার নিরাপত্তায় বি-ভিন্ন স্তরের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে-অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মামুন

    আরিফ রববানী ময়মনসিংহ।।
    ময়মনসিংহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস) আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেছেন, “আসন্ন দুর্গাপূজায় পুলিশের পক্ষ থেকে কয়েক স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। সাদা পোশাকের পুলিশও দায়িত্ব পালন করছে। সার্বক্ষণিক খোলা রয়েছে একটি কন্ট্রোল রুম। কন্ট্রোল রুমের নম্বর প্রতিটি মন্দির কমিটির সদস্যদের কাছে দেওয়া রয়েছে , তারা যেকোনো প্রয়োজনে পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারবেন।”

    সোমবার (২৯সেপ্টেম্বর) রাতে জেলার ফুলপুর ও তারাকান্দা উপজেলায় বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। এসময় তার সাথে ফুলপুর সার্কেল সহকারি পুলিশ সুপার (অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পদে পদোন্নতি প্রাপ্ত) মোঃ মাকসুদুর রহমান, তারাকান্দা থানার ওসি মোঃ টিপু সুলতান ও ফুলপুর থানার অফিসার ইনচার্জ উপস্থিত ছিলেন।

    এসময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস) আব্দুল্লাহ আল মামুন তার বক্তব্যে গুজব এড়াতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশিত যেকোনো ঘটনার বিষয়ে উত্তেজিত না হয়ে সত্যতা যাচাই করার জন্য সময় নেওয়া জরুরি। অনেক ঘটনাই পরে গুজব বলে প্রমাণিত হয়, তাই উত্তেজনা প্রশমনে সকলকে দায়িত্বশীল আচরণ করার পরামর্শ দেন তিনি।

    পূজামণ্ডপে আগত নারী ও পুরুষ দর্শনার্থীদের জন্য আলাদা প্রবেশ ও প্রস্থান পথ রাখার নির্দেশ দিয়ে পুলিশ সুপার পূজামণ্ডপে ব্যাগ, থলে বা পোটলা নিয়ে প্রবেশ করা থেকে বিরত থাকার অনুরোধ জানানো হয়েছে। মণ্ডপে নিরাপত্তা জোরদারে সিসি ক্যামেরা, অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র এবং গুরুত্বপূর্ণ মণ্ডপে আর্চওয়ে গেইট স্থাপনের নির্দেশনাও দেন।

    প্রতিমা বিসর্জনস্থলসহ মণ্ডপ এলাকায় পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে বিদ্যুৎ বিভ্রাটের আশঙ্কায় স্ট্যান্ডবাই জেনারেটর বা চার্জার লাইটের প্রস্তুতি রাখার পরামর্শও দেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার।

    নিরাপত্তা রক্ষায় স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগের নির্দেশ দিয়ে বলা হয়েছে, তাদের জন্য আলাদা পোশাক, দৃশ্যমান পরিচয়পত্র ও ‘স্বেচ্ছাসেবক’ লেখা আর্ম ব্যান্ড ব্যবহার বাধ্যতামূলক করতে হবে। এছাড়া পূজাকালীন আতশবাজি ও পটকা ফুটানো থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।

    বাংলাদেশ পুলিশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন পূজা উদযাপনকালে অন্যান্য ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় অনুভূতির প্রতি সর্বোচ্চ শ্রদ্ধা প্রদর্শন করতে হবে। প্রতিমা বিসর্জনের সময় নির্ধারিত শোভাযাত্রার রুট ব্যবহার করার পরামর্শও দেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার।

  • বাকৃবিতে “বাংলাদেশে খাদ্য পুষ্টি সমৃ-দ্ধকরণ বিষয়ক ধারণা বিনিময়” কর্মশালা অনুষ্ঠিত

    বাকৃবিতে “বাংলাদেশে খাদ্য পুষ্টি সমৃ-দ্ধকরণ বিষয়ক ধারণা বিনিময়” কর্মশালা অনুষ্ঠিত

    আরিফ রববানী ময়মনসিংহ।।
    বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি) এর প্রফেসর মুহাম্মদ হোসেন কেন্দ্রীয় গবেষণাগার (পিএমএইচসিএল) এবং গ্লোবাল অ্যালায়েন্স ফর ইমপ্রুভড নিউট্রিশন (জিএআইএন) এর যৌথ আয়োজনে “বাংলাদেশে খাদ্য পুষ্টি সমৃদ্ধকরণের গুরুত্ব” শীর্ষক একটি ধারণা বিনিময় কর্মশালা বাকৃবির কৃষি অনুষদীয় কনফারেন্স হলে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    মঙ্গলবার (৩০সেপ্টেম্বর)সকাল ১১.০০টায় আয়োজিত উক্ত কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া উপস্থিত সকল অংশগ্রহণকারীকে ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, বর্তমান বিশ্ব ব্যাবস্থাপনায় বাস্তবতার নিরিখে আমরা সুদুর প্রসারী লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি এবং এই এগিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে আজকের এই সচেতনতামূলক কর্মশালা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আজকে একটা জিনিস বোঝা যাচ্ছে যে, আমরা সচেতন হলেও সতর্ক নই বিধায় আমাদের মাঝে ডায়াবেটিস, পুস্টিহীনতাসহ নানাবিধ রোগ বাসা বেঁধেছে। তিনি এই গুরুত্বপূর্ণ কর্মশালা আয়োজনের জন্য ‘পিএম এইচসিএল’ এর পরিচালককে বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানান এবং একইসাথে জিএআইএন এর সংশ্লিষ্টদের ধন্যবাদ জানান। তিনি ভবিষ্যতে বাকৃবি এবং বিনা ছাড়াও অন্য প্রাসঙ্গিক প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞ ব্যাক্তিদের এধরণের কর্মসূচীতে অন্তর্ভুক্ত করতে সংশ্লিষ্টদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে , এধরণের কর্মসূচীর মাধ্যমে আমাদের দেশ সুদুর প্রসারী কাংখিত লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছতে পারবে।

    বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইন্সটিটিউট এর মহাপরিচালক ড. শরীফুল হক ভূইয়া এবং জিএআইএন এর লিড ড. আশেক মাহফুজ। পিএমএইচসিএল এর পরিচালক প্রফেসর ড. মো: আমির হোসেন এর সভাপতিত্বে স্বাগত বক্তব্য রাখেন এবং অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সহযোগী পরিচালক প্রফেসর ড. মাহমুদুল আলম। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ফুড টেকনোলজি ও গ্রামীণ শিল্প বিভাগের প্রফেসর ড. মোহাম্মদ গোলজারুল আজিজ। এছাড়াও প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন জিএআইএন এর প্রজেক্ট ম্যানেজার মো: আবুল বাসার চৌধুরী এবং জিএআইএন এর লার্জ স্কেল ফুড ফর্টিফিকেশন এন্ড ভ্যালু চেইন এর পোর্টফোলিও লিড ড. আশেক মাহফুজ। আরও বক্তব্য রাখেন প্রফেসর ড. আহমদ খায়রুল হাসান, প্রফেসর ড. মো: দেলোয়ার হোসেন, প্রফেসর ড. মো: মকবুল হোসেন, প্রফেসর ড. মোহা: কামরুল হাছান, প্রফেসর (অব:) ড. মো: বোরহান উদ্দিন, বাকৃবি ছাত্র বিষয়ক উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মো: শহীদুল হক, উচ্চ শিক্ষা ও গবেষণা কমিটির কো-অর্ডিনেটর প্রফেসর ড. মো: সামছুল আলম, মাৎস বিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মো: রফিকুল ইসলাম সরদার, ভেটেরিনারি অনুষদের ডিন ও সিন্ডিকেট সদস্য প্রফেসর ড. মো: বাহানুর রহমান। কর্মশালায় ফুড ফর্টিফিকেশন সম্পর্কিত একটি সেন্টার স্থাপনের সমীক্ষা যাচাইকরণ, বাংলাদেশের জাতীয় ফুড ফর্টিফিকেশনের অংশ হিসেবে কৌশলপত্র প্রণয়ন, খাদ্যমান নিয়ন্ত্রণ, বাজার তদাকিকরণ, দেশের চাহিদা অনুযায়ী যুগোপযোগী ফুড ফর্টিফিকেশন কর্মসূচী গ্রহণের লক্ষ্যে বিভিন্ন প্রশিক্ষণ, গবেষণার সুবিধাদি প্রণয়ন, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প উদ্যাক্তাদের মোটিভেশনের মাধ্যমে দেশের পুস্টি সমৃদ্ধ খাদ্য উৎপাদনে অগ্রগামীকরণ প্রভৃতি বিষয়ে আলোচনা করা হয়।

    উল্লেখ্য, উক্ত কর্মশালায় বাকৃবির সকল অনুষদের শিক্ষকবৃন্দ, বাকৃবির রেজিস্ট্রার কৃষিবিদ ড. মো: হেলাল উদ্দিন,ট্রেজারার প্রফেসর ড. হুমায়ুন কবির, অন্যান্য উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের বিজ্ঞানীবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।

  • রামগড়ে অ-বৈধভাবে বালু উত্তোলন”এক ব্যক্তিকে ১ বছরের কা-রাদণ্ড 

    রামগড়ে অ-বৈধভাবে বালু উত্তোলন”এক ব্যক্তিকে ১ বছরের কা-রাদণ্ড 

     এমদাদ খান রামগড় (খাগড়াছড়ি) প্রতিনিধি 

    খাগড়াছড়ির জেলার রামগড় উপজেলার ১নং   রামগড় ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ড থানাচন্দ্রপাড়া এলাকায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের মাধ্যমে কৃষি জমির উপরিভাগের মাটি, প্রাকৃতিক পরিবেশ ও জীববৈচিত্র বিনষ্টের কারণে জহির (৪৯) নামে এক ব্যক্তিকে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড সহ উত্তোলনকৃত বালু জব্দ করা হয়েছে। 

    মঙ্গলবার (৩০সেপ্টেম্বর)  দুপুরে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিষ্ট্রেট কাজী শামীম এর পরিচালিত ভ্রাম্যমান আদালতে এই জরিমানা ও সাজা দেয়া হয়।

     অবৈধভাবে ফসলি জমির উপরিভাগের মাটি ও বালু উত্তোলনের দায়ে বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০ (সংশোধিত ২০২৩) এর ধারা ৭ক এর উপধারা (গ), (ঘ) ও (ঙ) এর অপরাধে অভিযুক্তকে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান সহ উত্তোলনকৃত ৮ হাজার ১০০ ঘনফুট বালু জব্দ করে উন্মুক্ত নিলামের মাধ্যমে বিক্রি করে বিক্রিত অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা প্রদানের নির্দেশ দেয় ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট।  

    রামগড় উপজেলা নির্বাহী অফিসার কাজী শামীম জনান, অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের ফলে প্রাকৃতিক পরিবেশসহ আশেপাশের ভূমিও মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। মানুষের জীবন ও জীববৈচিত্র হুমকির মুখে পড়ছে। অবৈধ বালু উত্তোলনকারীদের বিরুদ্ধে উপজেলা প্রশাসনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

    মোহাম্মদ এমদাদ খান 
    রামগড় প্রতিনিধি।

  • শান্তিপূর্ণ পূজা উদযাপনে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করলেন নৌবাহিনীর অ-ধিনায়ক

    শান্তিপূর্ণ পূজা উদযাপনে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করলেন নৌবাহিনীর অ-ধিনায়ক

    রফিকুল ইসলাম,
    শারদীয় দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ ও আনন্দঘন পরিবেশে উদযাপন নিশ্চিত করতে সারাদেশে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে বাংলাদেশ নৌবাহিনী। দায়িত্বপ্রাপ্ত এলাকায় মোতায়েনকৃত নৌবাহিনীর কন্টিনজেন্ট নিয়মিত টহল পরিচালনার পাশাপাশি স্থানীয় প্রশাসন, পুলিশ ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয়ে নিরাপত্তা কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

    এরই অংশ হিসেবে বানৌজা শের-ই-বাংলা-এর অধিনায়ক কমডোর এম আশরাফুজ্জামান মঙ্গলবার পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালীর বাহেরচর সদর সার্বজনীন কালীবাড়ি মন্দির, কোড়ালিয়া বাজার সার্বজনীন পূজামণ্ডপ এবং পূর্ব বাহেরচর দাসবাড়ি পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন।

    পরিদর্শনকালে তিনি পূজা আয়োজক কমিটি, প্রধান পুরোহিত, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও ভক্তদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। পাশাপাশি মাঠপর্যায়ের প্রস্তুতি ও সার্বিক নিরাপত্তা কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত বাহিনীর সঙ্গে মতবিনিময় করে যৌথ নিরাপত্তা আরও জোরদারের নির্দেশনা প্রদান করেন।

    শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে নৌবাহিনী বরগুনা, ভোলা, টেকনাফ, কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, সেন্টমার্টিন, সন্দীপ, হাতিয়া, মহেশখালী, কুতুবদিয়া, খুলনা, বাগেরহাটসহ উপকূলীয় বিভিন্ন এলাকায় টহল ও নজরদারি জোরদার করেছে। সার্বক্ষণিক টহলের পাশাপাশি স্থাপন করা হয়েছে কো-অর্ডিনেশন ও মনিটরিং সেল।

    নৌবাহিনী জানিয়েছে, পূজামণ্ডপ ও গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় কঠোর নজরদারির পাশাপাশি বিশেষ অভিযানিক টিম প্রস্তুত রাখা হয়েছে। নারী ও শিশুদের নিরাপত্তায় দেওয়া হচ্ছে বিশেষ গুরুত্ব।

    বাংলাদেশ নৌবাহিনী বলেছে, শান্তিপূর্ণ, নিরাপদ ও আনন্দঘন পরিবেশে শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপন নিশ্চিত করতে এবং যেকোনো ধরনের অপতৎপরতা প্রতিহত করতে তারা সর্বদা প্রস্তুত রয়েছে।