Author: desk

  • আগৈলঝাড়ায় ঈদুল আযহা উপলক্ষে দুস্থ ও অসহায় পরিবারের মাঝে চাল বিতরণ

    আগৈলঝাড়ায় ঈদুল আযহা উপলক্ষে দুস্থ ও অসহায় পরিবারের মাঝে চাল বিতরণ

    বি এম মনির হোসেনঃ-

    বরিশাল জেলার আগৈলঝাড়া উপজেলার ৫টি ইউনিয়নে ঈদুল আযহা উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহার ১৩ হাজার ২শত ৩৫জন দুস্থ ও অসহায় পরিবারের মাঝে ১০কেজি করে চাল বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করা হয়েছে। ২৫ জুন রোববার সকালে উপজেলার ১নং রাজিহার ইউনিয়ন পরিষদে এই চাল বিতরণ করে কার্যক্রম উদ্বোধর করেন। ১নং রাজিহার ইউনিয়ন পরিষদে চেয়ারম্যান মোঃ ইলিয়াস তালুকদারের সভাপতিত্বে ঈদুল আযহা উপলক্ষে ২৫জুন রোববার রাজিহার ইউনিয়ন পরিষদে ২৭০৭জন দুস্থ ও অসহায় পরিবারের মাঝে ১০ কেজি করে চাল বিতরণ করা হয়েছে।

  • ময়মনসিংহের  নিরাপত্তায়  বিট পুলিশিং আলোচনা ও সিসি ক্যামেরা উদ্বোধন করলেন ওসি কামাল

    ময়মনসিংহের নিরাপত্তায় বিট পুলিশিং আলোচনা ও সিসি ক্যামেরা উদ্বোধন করলেন ওসি কামাল

    ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
    আসন্ন ঈদুল আযহা উপলক্ষে নগরীর আইন শৃঙ্খলা রক্ষার্থে প্রতিটি ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে বিট পুলিশিং
    সভার মাধ্যমে অপরাধ নিয়ন্ত্রণের কার্যক্রম শুরু করেছেন কোতোয়ালী মডেল থানার ওসি শাহ কামাল আকন্দ। একই দিনে তিনি নগরীকে শান্তিপুর্ণ ও অপরাধমুক্ত রাখতে নিরাপত্ত্বা জোরধারে ১২ টি সিসি ক্যামেরার কার্যক্রম উদ্বোধন করেন।

    কার্যক্রমের অংশ হিসেবে রবিবার (২৫শে জুন) বিকালে নাসিরাবাদ কলেজ মাঠে এবং ৫ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর এর কার্যালয়ে ওয়ার্ডের গন্যমান্য জনসাধারণের সহিত বিট পুলিশিং সভার মাধ্যমে ঈদে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়নে ও সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করণে সকলের সহযোগী প্রত্যাশা করেন ওসি শাহ কামাল আকন্দ । এসময় তিনি জানান-প্রতিটি মহল্লায় যাতে ঈদুল আযহা উপলক্ষে শহর থেকে গ্রামে যারা যাবেন তাদের বাসায় যাতে চুরি, বা কোব ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে লক্ষে নিরাপত্তা নিশ্চিত করনে মালিকদের করনীয় সংক্রান্তেআলোচনা করা হয়। যারা শহর ছেড়ে বাড়িতে যাবেন তারা অবশ্যই পুরো বাড়িটি সিসি ক্যামেরা আওতাভুক্ত করবেন, প্রতিবেশীদের অবগত করবেন, সার্বক্ষণিক তালাবদ্ধকৃত বাসা নজরদারি রাখার বিষয়ে এলাকার সচেতন মহলকে দায়িত্ব পালনের পরামর্শ প্রদান করা হয়। এবারের ঈদে যাতে শহরে কোন প্রকার ঘটনা না ঘটে, ঈদ পূর্ববর্তীতে নগরে যাতে কোন প্রকার অপরাধ সংঘটিত না হয় কিংবা শপিং মলে হাট বাজারে গরুর হাটে কিংবা পরিবহনে কেউ যেন অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে কিংবা প্রতারণার স্বীকার কেউ না হয় এ সকল বিষয়ে সকল সচেতন হওয়ারও আহবান জানান ওসি শাহ কামাল আকন্দ।

    উক্ত আলোচনা সভায় স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর মুক্তিযোদ্ধাগণ সহ গণ্যমান্য ব্যক্তি বর্গ উপস্থিত ছিলেন।

    এছাড়াও ওসি কোতোয়ালী ৫ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলরের উদ্যোগে জামতলা মোড়ে স্থাপিত ১২ টি সিসি ক্যামেরার কার্যক্রম উদ্বোধন করেন। এবং নগরীর গোয়ালকান্দি পূর্বপাড়া একাডেমি রোড গুলকিবাড়ি মোহাম্মদ আলী রোড পাড়া পূর্ব হেলথ অফিসার গুলি স্থাপিত ৮৫ টি সিসি ক্যামেরা পরিদর্শন করেন।

  • বেতাগীতে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে আমন বীজ ও সার বিতরণ

    বেতাগীতে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে আমন বীজ ও সার বিতরণ

    বেতাগী (বরগুনা) প্রতিনিধি:
    বরগুনার বেতাগীতে ১২০০ জন ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে আমন বীজ ও সার বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে। রোববার (২৫ জুন) সকাল এগারটায় ২০২২-২০২৩ অর্থ বছরে খরিপ-২/২০২৩-২৪ আমন মৌসুমে কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় উপজেলা পরিষদ অডিটরিয়ামে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো: ইছার সভাপতিত্বে বিতরন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মাকসুদুর রহমান ফোরকান,বিশেষ অতিথি ছিলেন, উপজেলা ভাই চেয়ারম্যান আমিরুল ইসলাম পিন্টু। এসময় উপস্থিত ছিলেন বেতাগী প্রেসক্লাবের সভাপতি সাইদুল ইসলাম মন্টু, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সমাত্বি সাহা সহ অন্যান্যরা। এসময় কৃষক প্রতি ৫ কেজি বীজ ধান এবং ১০ কেজি করে ডিএপি ও এমওপি সার বিতরণ করেন।

  • মোংলা পৌরসভায় ভিজিএফ’র চাল বিতরণ করলেন পৌর মেয়র

    মোংলা পৌরসভায় ভিজিএফ’র চাল বিতরণ করলেন পৌর মেয়র

    বায়জিদ হোসেন, মোংলা।
    মোংলা পোর্ট পৌরসভায় প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার হিসেবে দুঃস্থ মানুষের মাঝে ভিজিএফ’র ১০ কেজি করে চাল বিতরণ করা হচ্ছে। রবিবার (২৫ জুন) সকালে মোংলা পোর্ট পৌরসভার মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ আঃ রহমান পৌরসভা চত্বরে চাল বিতরণের উদ্বোধন করেন। এ সময় পৌরসভার কাউন্সিলরগন উপস্থিত ছিলেন। পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডের সকল উপকারভোগীর মাঝে আলিয়া মাদ্রাসাসহ বিভিন্ন জায়গায় ভিজিএফ’র ১০কেজি করে চাল বিতরণ করা হয়। এ সময় দায়িত্বরত ট্যাগ অফিসারসহ পৌর কাউন্সিলর এবং আওয়ামীলীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন। এ সময় মেয়র, শেখ আব্দুর রহমান বলেন, প্রতিটি মানুষ যেন সঠিক মাপে তার প্রাপ্য চাল পায় তা নিশ্চিত করা হয়েছে। তিনি বলেন, মোংলা পোর্ট পৌরসভার প্রতিটি ওয়ার্ডের দুস্থ ও অসহায়দের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার ১০ কেজি করে ভিজিএফ চাল দেয়া হয়েছে।
    বাংলাদেশের ৬৮ শতাংশ মানুষ গ্রামে বাস করে। তাদের খাদ্য ও পুষ্টির চাহিদা নিশ্চিত করতে কৃষিতে আধুনিক প্রযুক্তি ও কলাকৌশল ব্যবহৃত হচ্ছে। এছাড়া কৃষিতে ডিজিটাল পদ্ধতি ব্যবহারের কারণে কৃষি খাতে ব্যাপক উন্নয়ন সাধিত হয়েছে।
    সরকার সহায়দের পাশে দাঁড়াতে বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা, মাতৃত্বকালীন ভাতা ও শিশু ভাতা দিয়ে আসছেন। এসব সহায়তা অব্যহত রাখতে আগামী সংসদ নির্বাচনে নৌকায় ভোট দিয়ে শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করার আহ্বান জানান মোংলা পোর্ট পৌরসভার মেয়র শেখ আব্দুর রহমান।

  • বেতাগী পৌরসভায় ঈদুল আযহা উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর উপহার ভিজিএফ খাদ্যশস্য বিতরণ

    বেতাগী পৌরসভায় ঈদুল আযহা উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর উপহার ভিজিএফ খাদ্যশস্য বিতরণ

    বেতাগী বরগুনা

    পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার ঈদ উপহার হিসাবে বেতাগী পৌরসভায় ৪৬০০ পরিবারকে ভিজিএফ খাদ্যশস্য সহায়তা বিতরন।

    রবিবার (২৫ জুন) সকাল ১১ টায় পৌরসভা মিলনায়তনে ভিজিএফ খাদ্যশস্য সহায়তা বিতরন এর উদ্বোধন করেন পৌরসভার মেয়র ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ্ব এবিএম গোলাম কবির।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী মো:জসিম উদ্দীন, কাউন্সিলর ও প্যানেল মেয়র-১ এবি এম মাসুদুর রহমান, প্যানেল মেয়র -২ মোছাম্মদ শাহিনুর বেগম, প্যানেল মেয়র-৩ কামাল হোসেন পল্টু, কাউন্সিলর রোফেজা আক্তার, লুৎফুন্নেছা রীনা, গোলাম সারওয়ার খান, নাসির উদ্দিন, রমেন চন্দ্র দেবনাথ, মো: মান্নান হাওলাদার, মোঃ লুৎফার রহমান,এস, বি, এম, জিয়াউর রহমান প্রমুখ।

  • শেষ মুহুর্তে জমে উঠেছে কোরবানির পশু হট তবুও লোকসানে খামারিরা

    শেষ মুহুর্তে জমে উঠেছে কোরবানির পশু হট তবুও লোকসানে খামারিরা

    আজিজুল ইসলাম: দুয়ারে কড়া নাড়ছে মুসলিম সম্প্রদায়ের অন্যতম বৃহৎ ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদ-উল আযহা। ঈদকে সামনে রেখে ইতোমধ্যে জমে উঠেছে দেশের সর্ববৃহৎ শার্শা উপজেলার সাতমাইল কুরবানির পশুর হাট। তবে বর্তমান পেক্ষাপটে সব ধরনের পণ্যের দাম বৃদ্ধির পাশাপাশি গো খাদ্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় খরচের তুলনায় কাঙ্খিত দাম না পেয়ে চরম হতাশ হয়ে পড়েছেন খামারি ও ব্যবসায়ীরা। এদিকে বাড়তি দামে চাহিদামতো গরু কিনতে হিমশিম খাচ্ছেন ক্রেতারা।

    আর মাত্র কয়েকদিন পরেই কুরবানির ঈদ। ইতোমধ্যে দক্ষিনাঞ্চলের সর্ববৃহৎ শার্শার সাতমাইল পশুহাটটি দেশীয় গরুতে জমজমাট হয়ে উঠেছে। বিভিন্ন জাতের দেশি গরু ছাগল মহিষে বাজার পরিপূর্ণ হলেও মুখে হাসি নেই খামারি, সাধারণ ব্যবসায়ী ও ক্রেতাদের। নিত্যপণ্যের মূল্য বৃদ্ধির সাথে পাল্লা দিয়ে গো খাদ্যের দামও দ্বীগুন হওয়ায় কুরবানির পশুর দাম ডবল হাঁকাচ্ছেন ব্যবসায়ী ও খামারীরা। তবে দ্বীগুন দাম শুনে গরু কেনার সক্ষমতা হারিয়ে বাড়ি ফিরছেন কুরবানি দিতে আগ্রহ প্রকাশ করা অনেক ক্রেতা। এদিকে সাধারণ গরু বিক্রেতারা জানান দূরদূরান্ত থেকে গরু হাটে নিয়ে এসে কাঙ্খিত দাম মিলছে না। যার ফলে এবার কুরবানির হাটে লাভ তো দূরের কথা চরম লোকসান গুনতে হচ্ছে।

    ভারতীয় গরু না আসায় গতবছরের ন্যায় এবারো সাতমাইল পশু হাটে দেশীয় গরুর ব্যাপক আমদানি হয়েছে। স্থানীয় বাজারের চাহিদা মিটিয়ে এ বাজারে থেকে গরু যায় দেশের বিভিন্ন জেলা শহরে। তবে দ্রব্যমূল্যের বাড়তি চাপ কুরবানির হাটে প্রভাব ফেলায় গরু ক্রয় বিক্রয়ে খামারি সাধারণ ব্যবসায়ী ও ইজারাদার প্রতিষ্ঠানেরও বড় ধরনের লসের সম্ভাবনা রয়েছে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষ। অন্যদিকে হাটে শুশৃঙ্খল ভাবে যেন মানুষ পশু কেনাবেচা করতে পারে সে বিষয়ে সব ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে বলেও জানান উপজেলা প্রশাসন।

    ভারতীয় গরু না আসায় এবার কুরবানিতে লাভের আশা করছিলেন খামারি, সাধারণ ব্যবসায়ী, ক্রেতা-বিক্রেতা ও ইজারাদার প্রতিষ্ঠান। তবে শেষ সময় পর্যন্ত চতুর্মুখী সমস্যা কাটিয়ে অন্তত শেষ পুঁজি টুকু টিকে থাকবে এমনটাই মনে করেন ব্যবসায়ীরা।

  • ত্রিশালের বইলরে সুষ্ঠুভাবে প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার ভিজিএফ চাল পেয়ে খুশী  ভুক্তভোগীরা।

    ত্রিশালের বইলরে সুষ্ঠুভাবে প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার ভিজিএফ চাল পেয়ে খুশী ভুক্তভোগীরা।

    আরিফ রববানী ময়মনসিংহ।।
    ক্ষিধা হবে নিরুদ্দেশ-শেখ হাসিনার বাংলাদেশ এই প্রতিপাদ্য বাস্তবায়নের ময়মনসিংহ জেলার ত্রিশাল উপজেলার বইলর ইউনিয়নে পবিত্র ঈদুল আযহা-২০২৩ উপলক্ষে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহার হিসেবে বইলর ইউনিয়নের দরিদ্র ও অসহায় জনগোষ্ঠীর প্রতি পরিবারের মাঝে বরাদ্দকৃত ১০কেজি করে চাল বিতরণ করা হয়েছে।

    রবিবার (২৫শে জুন) সকালে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান খন্দকার মশিহুর রহমান শাহানশাহ এর সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনায় ইউনিয়নের ৯টি ওয়ার্ডে সর্বমোট ১৬৭৫ জন অসহায় দুঃস্থ পরিবারের মাঝে এই ভিজিএফ চাউল বিতরণ করা হয়। উক্ত ভিজিএফ কর্মসূচীর আওতায় সুষ্ঠু ভাবে ইউনিয়নের দুস্থ-অসহায় প্রত্যেক কার্ডধারীকে জনপ্রতি ১০ কেজি করে চাউল বিতরণ করেছেন চেয়ারম্যান খন্দকার মশিহুর রহমান শাহানশাহ।

    এসময় চাউল নিতে আসা সকলের উদ্দেশ্যে ইউনিয়নের চেয়ারম্যান খন্দকার মশিহুর রহমান শাহানশাহ বলেন- দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফোটানোই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার লক্ষ্য। কোনো মানুষ অভাব-অনটনে থাকুক মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তা চায় না। তাই তিনি প্রত্যেক অসহায় ও দরিদ্র মানুষদের জন্য সকল ধরনের সহযোগিতা দিয়ে আসছেন। জননেত্রী শেখ হাসিনার মানবতায় পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে ইউনিয়নের হতদরিদ্রদের মাঝে দশ কেজি চাল বিতরণ করা হচ্ছে। আশা করছি দেশরত্ন শেখ হাসিনার এই উপহার পেয়ে সকলে সুন্দরভাবে ঈদ পালন করতে পারবে ইনশাআল্লাহ।

    এসময় উপস্হিত ছিলেন ইউনিয়নের দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ অফিসার উপজেলার সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার আশীষ তরফদার,ইউপি সচিব জাহাঙ্গীর আলম সহ ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য ও স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

  • ঈদ উপলক্ষে হাসনাবাদ ইউপিতে ভিজিএফ চাল বিতরণ

    ঈদ উপলক্ষে হাসনাবাদ ইউপিতে ভিজিএফ চাল বিতরণ

    এম এস সাগর,
    কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:

    আসন্ন পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার হাসনাবাদ ইউনিয়নের অসহায় ও হতদরিদ্রদের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর উপহার ভিজিএফের চাউল বিতরণ করা হয়েছে।
    রোববার (২৫জুন) ১০টায় হাসনাবাদ ইউনিয়ন পরিষদ চত্ত্বরে ১০কেজি করে ৫হাজার ৩৪৯জন অসহায় ও হতদরিদ্রদের মাঝে ভিজিএফের চাল বিতরণ করেন চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোঃ নুরুজ্জামান সরকার ও ইউপি সদস্য-সদস্যাবৃন্দ এবং ট্রাক অফিসার নাগেশ্বরী উপজেলা বন কর্মকর্তা সাদিকুর রহমান শাহীন। অন্যানের মধ্য উপস্থিত ছিলেন হাসনাবাদ ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক হরেন্দ্র নাথ বর্মন বাবু ও ইউপি সদস্য আব্দুল্লাহ আল-মতি, ইউনিয়ন পরিষদের সকল ইউপি সদস্য এবং স্থানীয় সুধীবৃন্দ।

    হাসনাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোঃ নুরুজ্জামান সরকার বলেন, দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফোটানোই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার লক্ষ্য। কোনো মানুষ অভাব-অনটনে থাক মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তা চায় না। প্রত্যেক অসহায় ও দরিদ্র মানুষদের জন্য সকল ধরনের সহযোগিতা দিয়ে আসছেন। পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে ইউনিয়নের হতদরিদ্রদের মাঝে দশ কেজি চাল বিতরণ করা হচ্ছে। আশা করছি সকলে সুন্দরভাবে ঈদ পালন করতে পারবে ইনশাআল্লাহ।

  • যাদু কাটা নদীতে চলছে  তান্ডবলীলা লুটে নেওয়া হচ্ছে বালু ও পাথর

    যাদু কাটা নদীতে চলছে তান্ডবলীলা লুটে নেওয়া হচ্ছে বালু ও পাথর

    কে এম শহিদুল্লাহ,
    সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি:

    সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার যাদুকাটা নদীতে অবৈধ ড্রেজার-বোমা মেশিন দিয়ে ইজারার নামে সরকারী রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে লুটে নেওয়া হচ্ছে বালু ও পাথর। গত এপ্রিল মাসে তাহিরপুর উপজেলার যাদুকাটা নদীর দুটি বালু মহাল ইজারা দেওয়া হয়। যার মধ্যে রয়েছে যাদু কাটা বালি মহাল-১(এক) যার মুল্য ২০কোটি ২০লক্ষ টাকায় ইজারা খাজনা পরিশোধ করে ইজারাদার হিসেবে দখল বুঝে নেন রতন বাড়ি এবং যাদু কাটা ২নং বালু মহাল ইজারা পান খন্দকার মঞ্জুর আহমদ যার ইজারা মুল্য প্রায় ৩৪কোটি টাকা। খাজনা পরিশোধ করার বিধান থাকলেও, ২-নং বালি মহালের খাজনা এখনো পরিশোধ করা হয়নি।
    যাদু কাটা দুই এর খাজনা পরিশোধ না করেই স্থানীয় বিতর্কিত এমপির সাথে এক এবং দুইয়ের ইজারাদার মিলে সিন্ডিকেট তৈরী করে যাদু কাটা বালু মহাল-১,এবং যাদু কাটা বালু মহাল-২,এর মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থিত ইজারাবিহীন খনিজ সম্পদ উন্নয়ন ব্যুরোর বালু মিশ্রিত পাথর মহাল এবং খনিজ সম্পদের ফাজিলপুর বালি মিশ্রিত পাথর মহাল থেকে আবাধে প্রতিদিন রাতের আঁধার অবৈধভাবে ড্রেজার মেশিন দিয়ে শতশত ষ্টীল বডি বাল্কহেড নৌকা বুঝাই করে সরকারের রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে কোটি কোটি টাকার বালু ও পাথর।
    শুধু তাই নয় সরেজমিনে ঘুরে এবং স্থানীয়দের সাথে আলাপ করে খোঁজ নিয়ে জানা যায়। ফাজিলপুর বালি মিশ্রিত পাথর মহালটি সরকারের মন্ত্রী পরিষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সংরক্ষিত অবস্থায় রয়েছে। অথচ স্থানীয় এমপির সাথে সিন্ডিকেট তৈরী করে সেই রক্ষিত ফাজিলপুর বালি মিশ্রিত পাথর মহাল থেকে কোটি কোটি টাকার বালি ও পাথর লুট করে নিয়ে যাচ্ছে অবৈধ ড্রেজার বোমা মিশিন দ্বারা উত্তোলন করে দুই ইজারাদার। প্রশাসনের চোখের সামনে বর্তমান দুই ইজারাদারের সিন্ডিকেটের লোকেরা এসব তান্ডব চালিয়েছেন। রহস্যময় কারনে এসব তান্ডবলীলার কোন কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছেনা। শুধু তাই নয় নদীর তীর কেটে ড্রেজার মেশিন দিয়ে প্রতি নিয়তো প্রকাশ্যে নেওয়া হচ্ছে বালি ও পাথর, যার ফলে ইতি মধ্যেই নদী গর্ভে বিলীন হতে চলেছে শতশত নদীর তীরে থাকা অসহায় মানুষের ঘরবাড়ি, রাস্থা ঘাট ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান। অন্য দিকে ঐ সমস্ত অবৈধ বোমা ড্রেজার মেশিনের তান্ডবের কারনে ৪০টি গ্রামের প্রায় ২০হাজার শ্রমিক তাদের কর্মসংস্থান হারিয়ে বেকার হয়ে পরেছেন। যা সাবেক ইজারাদারদের বেলায় এমনটি হয়নি। শত বছর যাবৎ এই যাদু কাটা নদীতে প্রায় ৪০টি গ্রামের হাজার হাজার শ্রমিকরা বেলচা ও বালতি দিয়ে বালু,জুরি পাথর, লাকড়ি, পাহাড়ি ঢলে ভেসে আসা বাংলা কয়লা উত্তোলন করে তাদের জীবিকা নির্বাহ করেন। আর এসমস্ত শ্রমজীবী শ্রমিকদের ভাগ্যে কুড়াল মেরে যাদু কাটা বালি মিশ্রিত পাথর মহালগুলিতে মানব নামে দানব মেশিন ড্রেজার বোমা দিয়ে তান্ডব লীলা চলছে এমপিও ইজারাদারদের কার্যক্রম।
    ফলে একদিকে যেমন পরিবেশ বিনষ্ট হচ্ছে তেমনি ভাবে এসব কার্যক্রমের কারনে আগামী সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সুনামগঞ্জ ১আসনের সাধারণ মানুষের কাছে সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুুন্ন হচ্ছে।
    খোঁজ নিয়ে জানা যায় যাদু কাটা বালি মহালের ইজারা শর্ত অনুযায়ী রাতের বেলায় বালু উত্তোলনের বিধান না থাকলেও তা না মেনে রতন সিন্ডিকেট বাহিনীর লোকজন দ্বারা ড্রেজাট মেশিন চলছে রাতেই।
    জানা যায় যাদু কাটা ১/২ বালু মহালটি হচ্ছে ছড়া শ্রেণীর বালু মহাল যা মেনুয়ালী পদ্ধতিতে বালতি এবং বেলচা দিয়ে বালু উত্তোলন করার শর্ত রয়েছে। কিন্তু এখন চলছে তার উল্টো? এছাড়াও বালি ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন ২০১০ এর (খ)অনুযায়ী সূর্যদয় হতে সূর্যাস্থ পর্যন্ত বালু উত্তোলন করার বিধান রয়েছে।
    কিন্তু নতুন ইজারাদার সিন্ডিকেটের বেলায় কোন আইন কাজে আসছে না। স্থানীয় এমপির সেল্টারে সব পাল্টে গেছে? সকল শর্ত লঙ্ঘন করে সেখানে চলছে এমপির আইন পালণ করে যাদু কাটা নদীর তীর কাটার রঙ্গলীলা। এমনটি জানাগেছে নদীর পাড়ে থাকা দিন মজুর শ্রমিকদের কাছ থেকে।
    এই সিন্ডিকেট বাহিনীর ধ্বংস লীলা বন্ধের জন্য বিষটি সংসদে উপস্থাপন করেন সুনামগঞ্জ-সিলেট সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য অ্যাড. শামীমা শাহরিয়ার। তিনি এই অবৈধ ড্রেজার-বোমা মেশিন ওনদীতে চাঁদাবাজি বন্ধের দাবি জানান সংসদেও। কিন্তু কিছুতেই তাদের এই ধ্বংস লীলা বন্ধ হচ্ছে না। সরকারের রাজস্ব না দিয়ে চালিয়ে যাচ্ছে তাদের চাঁদাবাজিও নদীর পাড় কাটার মহোৎসব। বালুমহাল ইজারা নামে চাঁবাজির রাম রাজত্ব কায়েম করে রেখেছে রতন ও মঞ্জুর চক্র। তবে তাদের ইজারাটি সম্পূর্ণ রূপে নিয়ম বর্হিভূত রয়েছে।

    অবৈধ দুই ইজারাদার মিলে স্থানীয় থানা পুলিশ ও প্রশাসনের সাথে গভীর সখ্যতা গড়ের তোলেছেন। তিনি প্রতিনিয়ত তাদের সাথে বৈঠক করেন। যার ফলে স্থানীয় প্রশাসন নিরব ভূমিকা পালন করছেন এমনটির তথ্যের সন্ধান উঠে আসে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে। এসব ব্যাপারে জানতে চাইলে দায়িত্ব রত কর্মকর্তারা সাংবাদিকদের ক্যামেরায় কথা বলতে রাজিনন, এড়িয়ে যান। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ সরেজমিনে এসে পরিদর্শন করে এসমস্ত তান্ডব লীলা বন্ধ করে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করবেন এমনটা আশসবাদ ব্যক্ত করেন যাদু কাটা নদীর তীরের বসবাসরত সাধারণ মানুষেরা। ###

  • নিখোঁজ ঝিনাইদহের ফজিলা খাতুন ফিরলেন ২১ বছর পর

    নিখোঁজ ঝিনাইদহের ফজিলা খাতুন ফিরলেন ২১ বছর পর

    আতিকুর রহমান, ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    ঝিনাইদহের ফজিলা খাতুন নেছা যখন নিখোঁজ হন তখন তার বয়স মাত্র ৩০ বছর। দুই মেয়ে ফিরোজা ও পিঞ্জিরা খাতুন তখন শিশু। এই অবস্থায় স্বামী হোসেন আলী মারা গেলে ফজিলা দিশেহারা হয়ে পড়েন। সংসার নিয়ে দুঃশ্চিন্তা বড়তে থাকে ফজিলার। সংসার চালাতে হিমশিম খাওয়া ফজিলা এক পর্যায়ে মেয়েদের এতিমখানায় রেখে অন্যের বাড়িতে গৃহকর্মীর কাজ করতেন। কিন্তু এ ভাবে তিনি সময় পার করতে পারেননি। একপর্যায়ে মানসিক ভারসাম্যহীন ফজিলা নিখোঁজ হয়ে যান। এতিমখানায় থাকতে খবর পান মা হারিয়ে গিয়েছেন। অনেক খোঁজাখুঁজির পর মাকে জীবিত ফিরে পাওয়ার আশা ছেড়ে দিয়েছিলেন। এরপর কেটে যায় ২১ বছর। ফজিলা খাতুন নেছা ঝিনাইদহ সদর উপজেলার বিষখালী গ্রামের খয়বার আলী শেখ ও মোমেনা খাতুনের মেয়ে। ২১ বছর পর সেই নিখোঁজ ফজিলা শনিবার দুপুরে নিজ গ্রামে ফেরেন। গত শুক্রবার আখাউড়া-আগরতলা আন্তর্জাতিক সীমান্ত দিয়ে তাকে বাংলাদেশে পৌছে দেয়া হয়। ভারতের ত্রিপুরার আগরতলায় নিযুক্ত বাংলাদেশের সহকারী হাইকমিশনের সহযোগিতায় ফজিলার সন্ধান পান তাঁর স্বজনেরা। আগরতলায় নিযুক্ত বাংলাদেশের সহকারী হাইকমিশনার আরিফ মোহাম্মদ আখাউড়া-আগরতলা সীমান্তের শূন্যরেখায় নিখোঁজ ফজিলা খাতুনকে মেয়ে পিঞ্জিরার হাতে তুলে দেন। ২১ বছর পর মাকে কাছে পেয়ে আবেগঘন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। সঙ্গে ছিলেন পিঞ্জিরার স্বামী আবদুল হালিম শেখ ও মামাতো ভাই মো. জালাল উদ্দিন। মেয়ে পিঞ্জিরা আক্তার জানান, মানসিক ভারসাম্যহীন তার মা ২১ বছর আগে বিষয়খালীর বাড়ি থেকে নিখোঁজ হন। ঘটনাচক্রে কোনোভাবে সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতে পৌঁছে যান তিনি। দুই মেয়েসহ স্বজনেরা অনেক খোঁজাখুঁজির পরও তাঁর সন্ধান পাননি। এভাবে কেটে যায় বহু বছর। অবশেষে আগরতলায় নিযুক্ত বাংলাদেশের সহকারী হাইকমিশন ফজিলার সন্ধান পেয়ে পরিবারকে খবর দেন। পিঞ্জিরা আক্তার আরো বলেন, দুই-তিন বছর বয়সে তাঁর বাবা মারা যান। তখন তাঁদের নিয়ে মা অনেক কষ্টে জীবনযাপন করতেন। একপর্যায়ে তাঁদের ঝিনাইদহের এতিমখানায় রেখে অন্যের বাড়িতে কাজ করতেন। একপর্যায়ে মা কিছুটা মানসিক ভারসাম্যহীন হয়ে পড়েন। একদিন এতিমখানায় থাকতে খবর পান, তাঁর মা হারিয়ে গেছেন। তখন তাঁর বয়স ১২ বছর। অনেক খোঁজাখুঁজির পরও কোনো সন্ধান না পেয়ে আশা ছেড়ে দিয়েছিলেন তিনি। তিনি বলেন, ২০২২ সালের আগস্টে ঝিনাইদহ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম শাহীনের মাধ্যমে জানতে পারেন, তাঁদের মা জীবিত আছেন এবং ভারতে আছেন। ত্রিপুরায় নিযুক্ত বাংলাদেশের সহকারী হাইকমিশনার আরিফ মোহাম্মদ বলেন, দীর্ঘ ২১ বছর পর এক মাকে তাঁর সন্তানের হাতে ফিরিয়ে দিতে পেরে তাঁরা আনন্দিত। মানসিক বিকারগ্রস্ত হওয়ায় ২১ বছর আগে ঝিনাইদহ থেকে তিনি হারিয়ে যান। ত্রিপুরায় তাঁকে পাওয়া যায়। ত্রিপুরার মডার্ন সাইকিয়াট্রিক হাসপাতালে তিনি বেশ কয়েক বছর চিকিৎসাধীন ছিলেন। কিছুটা স্থিতিশীল হওয়ার পর ত্রিপুরার রাজ্য সরকার বিষয়টি তাঁদের জানায়। কিন্তু তাঁর দেওয়া তথ্য অসম্পূর্ণ থাকায় তারা তাঁর পরিবারের সন্ধান পাচ্ছিল না। তিনি শুধু গ্রামের নাম বিষয়খালীর পরিবর্তে বিষখালী বলছিলেন। প্রথমে কুষ্টিয়ার বিষখালীতে খোঁজ করা হয়, কিন্তু সেখানে খোঁজ করেও তাঁর পরিবারের তথ্য পাওয়া যায়নি। পরে ঝিনাইদহের বিষয়খালী গ্রামে খোঁজ নিয়ে তাঁর পরিবারে সন্ধান পাওয়া যায়। অবশেষে তাঁকে তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা সম্ভব হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে মহারাজপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ খুরশিদ আলম মিয়া বলেন, ২০০২ সালে বিষয়খালী পুর্বপাড়ার ফজিলা খাতুন নেছা ওরফে ফজি নিখোঁজ হন। দীর্ঘদিন পর তিনি বাড়ি ফিরে আসায় পরিবার এমনকি গ্রামের মানুষ সবাই খুশি। তিনি বলেন, ফজির নামে একটি ব্যাংক ঋন আছে। এটি পরিশোধ করা হতদরিদ্র পরিবারের পক্ষে আদৌ সম্ভব নয়।

    ঝিনাইদহ
    আতিকুর রহমান।