হেলাল শেখঃ সবাইকে পবিত্র ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সরকারি তালিকাভুক্ত ৩১ বছরের প্রকাশনা জাতীয় দৈনিক চৌকস পত্রিকার ব্যবস্থাপনা সম্পাদক ও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সাংবাদিক সংস্থা’র অর্থ সচিব, আশুলিয়া সাংবাদিক সমন্বয় ক্লাবের সহ-সভাপতি, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজ সেবক আলহাজ্ব মোঃ কলিম উদ্দিন।
ঢাকার আশুলিয়া থানাধীন আশুলিয়া ইউনিয়নের কাঠগড়া পশ্চিমপাড়া’র স্থানীয় বাসিন্দা-জাতীয় দৈনিক চৌকস পত্রিকার ব্যবস্থাপনা সম্পাদক আলহাজ্ব মোঃ কলিম উদ্দিন বলেন, ঈদ মানে আনন্দ, ঈদ মানে খুশি, সবাইকে পবিত্র ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা-“ঈদ মোবারক”। তিনি আরো বলেন, সবাই মিলেমিশে ঈদের আনন্দ উপভোগ করুন আর যারা বিত্তবান ও সামর্থবান, একাধিক গরু বা পশু কুরবানী করছেন, আপনাদের আশপাশে যারা কুরবানি দিতে পারেন না, গরীব বা মধ্যবিত্ত, তারা লজ্জায় কারো কাছে গিয়ে মাংস বা গোস্ত আনতে পারেন না কিন্তু তাদের ঘরে শিশু বা বৃদ্ধ মানুষ আছেন, তাদের জন্য আমাদের মতো যারা স্থানীয় আছেন, আমরা চেষ্টা করি তাদের ঘরে কিছু মাংস পৌঁছে দেই, এতে তারা খুশি হবে এবং আল্লাহও খুশি হবেন ইনশাআল্লাহ। আল্লাহ আমাদের সবাইকে ভালো রাখবেন, সবার প্রতি দোয়া ও শুভকামনা রইলো, সবাইকে আবারও পবিত্র ঈদের শুভেচ্ছা-“ঈদ মোবারক” ঈদ মোবারক” ঈদ মোবারক”।
Author: desk
-

সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন দৈনিক চৌকস পত্রিকার পক্ষ থেকে আলহাজ্ব মোঃ কলিম
-

সুজানগরের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে চাল বিতরণ
এম এ আলিম রিপন,সুজানগর ঃ সুজানগর উপজেলার বিভিন্ন ব্যক্তি,প্রতিষ্ঠান ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে মানবিক সহায়তা হিসাবে চাল বিতরণ করা হয়েছে। উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে মঙ্গলবার এ চাল বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি পাবনা-২ আসনের সংসদ সদস্য আহমেদ ফিরোজ কবির। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো.তরিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহীনুজ্জামান শাহীন, পৌর মেয়র রেজাউল করিম রেজা,উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান জিয়াউর রহমান কল্লোল ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মোছাঃ মর্জিনা খাতুন। এ সময় সুজানগর মহিলা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ শাহজাহান আলী, এন এ কলেজের সাবেক সহকারী অধ্যাপক আবুল হাশেম,আ.লীগ নেতা সাইদুর রহমান,রাজা হাসান, মাহমুদ্দুজ্জামান মানিক,পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি ফেরদৌস আলম ফিরোজ, উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের সভাপতি সরদার রাজু আহমেদ, উপজেলা আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবকলীগের আহ্বায়ক আমিরুল ইসলাম সহ স্থানীয় বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
এম এ আলিম রিপন
সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি। -

সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন আশুলিয়া থানা যুবলীগের সভাপতি প্রার্থী দেওয়ান রাজু
হেলাল শেখঃ দেশবাসী সবাইকে পবিত্র ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ঢাকা জেলার আশুলিয়া থানা যুবলীগের সভাপতি প্রার্থী বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজ সেবক, বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক দেওয়ান রাজু আহমেদ।
যুবলীগের আশুলিয়া থানা কমিটির সভাপতি প্রার্থী দেওয়ান রাজু আহমেদ বলেন, আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ ও আওয়ামী সহযোগী সংগঠনের সকল নেতা কর্মীসহ নেতৃবৃন্দ আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে দেশ ও জাতির কল্যাণে কাজ করবো। তিনি আরো বলেন, বছর শেষে আসছে পবিত্র ঈদুল আযহার ঈদ, সবার প্রতি সম্মান জানাচ্ছি, “পবিত্র ঈদ বয়ে আনুক সবার জীবনে অনাবিল সুখ-শান্তি। বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের পক্ষ থেকে সবাইকে জানাই পবিত্র ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা। ত্যাগের মহিমায় উদ্ভাসিত হোক সবার জীবন। ত্যাগ ও মহান আদর্শে পরিচালিত হোক সবার সারাটি জীবন। আমাদের সবার প্রিয় ভাই বন্ধু ও নিজ পরিবার নিয়ে আনন্দঘন মুহুর্তে ঈদ উদযাপন করাই ঈদের স্বার্থকতা। ঈদের দিন সবাই পরিবারকে নিয়ে সময় দিন, সকল দুঃখ, ব্যথা, বেদনা, হিংসা, বিবাদ ভুলে গিয়ে ঈদের দিনে প্রিয়জনদেরকে উপহার দিন, সবাই হাসি-খুশি থাকবেন, আবারও সবাইকে পবিত্র ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা-“ঈদ মোবারক” ঈদ মোবারক” ঈদ মোবারক”। -

সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন আওয়ামীলীগ নেতা শফিকুল ইসলাম শফিক মাদবর
হেলাল শেখঃ দেশবাসী সবাইকে পবিত্র ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ঢাকা জেলার আশুলিয়া থানার ধামসোনা ইউনিয়ন ৬নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজ সেবক, বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক মোঃ শফিকুল ইসলাম শফিক মাদবর।
আওয়ামীলীগ নেতা শফিকুল ইসলাম শফিক মাদবর বলেন, আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ ও আওয়ামী সহযোগী সংগঠনের সকল নেতা কর্মীসহ নেতৃবৃন্দ আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে দেশ ও জাতির কল্যাণে কাজ করবো। তিনি আরো বলেন, বছর শেষে আসছে পবিত্র ঈদুল আযহার ঈদ, সবার প্রতি সম্মান জানাচ্ছি, “পবিত্র ঈদ বয়ে আনুক সবার জীবনে অনাবিল সুখ-শান্তি। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে সবাইকে জানাই পবিত্র ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা। ত্যাগের মহিমায় উদ্ভাসিত হোক সবার জীবন। ত্যাগ ও মহান আদর্শে পরিচালিত হোক সবার সারাটি জীবন। আমাদের প্রিয় ভাই বন্ধু ও নিজ পরিবার নিয়ে আনন্দঘন মুহুর্তে ঈদ উদযাপন করাই ঈদের স্বার্থকতা। সকল দুঃখ, ব্যথা, বেদনা, হিংসা, বিবাদ ভুলে গিয়ে ঈদের দিনে প্রিয়জনদেরকে উপহার দিন, সবাই হাসি-খুশি থাকবেন, আবারও সবাইকে পবিত্র ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা-“ঈদ মোবারক” ঈদ মোবারক” ঈদ মোবারক”। -

সুজানগর উপজেলা পরিষদের কর্মকর্তা ও জনপ্রতিনিধিরা পেল ঈদ উপহার
এম এ আলিম রিপন,সুজানগর(পাবনা) ঃ পবিত্র ঈদ-উল-আযহার আনন্দ ভাগাভাগি করে নিতে সুজানগর উপজেলা পরিষদ, উপজেলা প্রশাসন এবং উপজেলা রাজস্ব প্রশাসনের সরকারী কর্মকর্তা-কর্মচারী ও জনপ্রতিনিধিদের মাঝে ঈদ উপহার সামগ্রী প্রদান করা হয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে মঙ্গলবার উপজেলা পরিষদ হলরুমে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মাঝে এসকল ঈদ সামগ্রী বিতরণ করা হয়। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে সরকারী কর্মকর্তা-কর্মচারী ও জনপ্রতিনিধিদের মাঝে ঈদ উপহার তুলে দেন পাবনা-২ আসনের সংসদ সদস্য আহমেদ ফিরোজ কবির। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো.তরিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহীনুজ্জামান শাহীন, পৌর মেয়র রেজাউল করিম রেজা,উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান জিয়াউর রহমান কল্লোল ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মোছাঃ মর্জিনা খাতুন। এ সময় সুজানগর মহিলা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ শাহজাহান আলী, এন এ কলেজের সাবেক সহকারী অধ্যাপক আবুল হাশেম সহ স্থানীয় বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
এম এ আলিম রিপন
সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি। -

সাংবাদিক এনামুল কে বাঁচাতে এগিয়ে আসুন
মোঃ বাবুল হোসেন পঞ্চগড়
নিরব ঘাতক জটিল রক্ত নালী ব্লক,কিডনীর জটিল সমস্যা ও ডান চোখের রেটিনার ৫টি ভ্যান ছিরা ব্যাধিতে আক্রান্ত মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন, পঞ্চগড়ের মফস্বল সাংবাদিক মোঃএনামুল হক দীর্ঘদিন থেকে নিরব ঘাতক হার্ডের জটিল রক্ত নালীতে তিনটি ব্লক,কিডনীর জটিল সমস্যা ও ডান চোখের রেটিনার ৫টি ভ্যান ছিড়ে দৃষ্টিহীনের দার প্রান্তে,মরন ব্যধিতে আক্রান্ত হয়ে দিন যাপন করছেন। তিনি শরীলে নানা রকম আরওজটিল রোগের সমস্যায় রয়েছেন। তাঁর দ্রুত একাধিক অপারেশন প্রয়োজন।জানা গেছে তার চোখ অপারেশনের জন্য মাদ্রাজের অরবিন্দু চক্ষু হাসপাতাল ও রক্তনালীতে হার্ড ব্লকের জন্য নারায়না হ্নদয়ালয় হাসপাতালে তাঁকে ভারতে চিকিৎসার পরামর্শ দিয়েছে চিকিৎসক চোখের ডাঃ নিয়াজ মোর্সেদ খান ও হার্ডের অধ্যাপক বদিউজ্জামান । এই রোগের চিকিৎসা অত্যন্ত ব্যায়বহুল। সাংবাদিক মোঃ এনামুল হক জানায়, উচ্চ রক্তচাপ, শ্বাসকষ্ট নিয়ে জরুরী বিভাগে প্রথমে পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতাল ও হাসপাতাল কতৃপক্ষ রেফাট করেন দিনাজপুর আঃ রহিম মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের icu বিভাগে ভর্তি হয় গত বছরের ১৯শে জুলাই/২২ সালে।সেখানে কার্ডিওলজিষ্ট সহকারী অধ্যাপক ডাঃ শাহারিয়ার কবীর এর চিকিৎসায় নানা রকম পরীক্ষা নিরীক্ষা করে হার্ডের ব্লক ও হার্ড ফেইলর ধরা পরে।হাসপাতাল থেকে বাড়ি আসার পর পঞ্চগড় প্রেস ক্লাবের সাংবাদিক সহকর্মি ভাইয়েরা কিছু সহযোগিতা করেছিলো। চোখে রক্ত ক্ষরনের ফলে দৃষ্টিহীন হয়ে পড়ি।
দিনাজপুর গাওসুল আযম চক্ষু হাসপাতালের ডাঃ শহিদুল ইসলাম খাঁন পরীক্ষা করে জানতে পারেন রেটিনার ৫ টি ভ্যান ছিড়ে গেছে ফলে দৃষ্টিহীন হয়ে পড়েছেন । ঐ ডাক্তার রেফার্ট করেন রেটিনা স্পেশালিষ্ট ও সার্জন ডাঃ নিয়াজ মোর্সেদ খানের কাছে। উক্ত ডাক্তার এযাবত পযর্ন্ত ১০ বার রেটিনায় সার্জারি করেছেন। এতে প্রতিটি সার্জারিতে ঔষধ সহ খরচ হয় বিশ হাজার টাকা করে।অপর দিকে গত বছরের ডিসেম্বর/২২ সালের ১৮ তারিখে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্ডিওলজি বিভাগে ভর্তি হন তিনি। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মেসকাত আহাম্মদ চৌধুরী ও সহকারী অধ্যাপক ডাঃ মাহাবুবুল আলম ভুইয়ার তত্ত্বাবধানে নানা পরীক্ষা নিরীক্ষার পর রক্তনালী ব্লকটি জটিল অবস্হানে থাকায় অপারেশন কিংবা রিং পড়ানোর ঝুকি থাকায় রোগটি চিহ্নিত করে ঔষধ পত্র দিয়ে ১২ দিন থাকার পর রিলিজ দিয়ে দেন। পড়ে অধ্যাপক কার্ডিওলজিষ্ট ডাক্তার বদিউজ্জামান তাঁকে ভারতের চেন্নাইয়ে নারায়না হ্নদয়ালয় হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়ার পরামর্শ প্রদান করেন। কিন্তু তার সেই সামর্থ্য নেই। শহরে বাবার তৈরী একটি বাড়ি ও নিজের একটি মোটরবাইক ছাড়া স্থাবর-অস্থাবর কোন সম্পত্তি নেই। বাড়িতে রয়েছে বৃদ্ধ অসুস্হ বাবা _ ছোট ভাই তার পরিবার ও তার দুই ছেলে। বড় ছেলে অনার্চ পাশ করে ঢাকায় পড়ছেন ও ছোট খাটো কাজ করছেন, ছোট ছেলে সৈয়দ পুর সরকারী কলেজে Hsc ফাষ্ট ইয়ারে পড়াশুনা করছেন।বাবা সামান্য কিছুঅবসরভাতা পান তাহা দিয়ে কোন মতে যৌথ পরিবার চলে আসছেন। আরতিনি পত্রিকার সম্মানী দিয়ে ঔষধ খাবে না সংসারে যোগান দিতেই হিশশিম খাচ্ছেন।
সাংবাদিক এনামুল হক দীর্ঘ প্রায় ২৩ বছর ধরে সাংবাদিকতা পেশায় জড়িত। তিনি ১৯৯৯ সালে সাপ্তাহিক খোজ খবর পত্রিকা দিয়ে তার পথ চলা শুরু। দৈনিক আজকের প্রত্যাশা,দৈনিক গনজাগরন,দৈনিক সচেতন,খবরের অন্তরালে,একুশের কন্ঠ,বর্তমানে দেরযুগ ধরে দৈনিক জনতা, The Bangladesh Today পঞ্চগড় জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। অবশেষে জেলা পরিষদ, শুভানুধ্যায়ী সংবাদকর্মি কয়েকজন শুভানুধ্যায়ী বন্ধু ও ছোটভাইসহ আত্বীয়স্বজনরা সহযোগিতা করেছেন। তাদের সহযোগিতায় গত ৮ই মার্চ/২৩ সালে ভারতের কলকাতার NH রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ইন্টারন্যাশনাল কার্ডিলজিক্যাল সায়েন্স ইনষ্টিটিউট ভর্তি হই।সেখানে নানা রকম পরীক্ষা করে কিডনির সমস্যা ও রক্তের সমস্যা ধরা পড়ার কারনে কোন অপারেশন ও অর্থ কম থাকার কারনে ১০দিন ভর্তি থেকে চলে আসেন। সেখানকার ডাঃ অভিজিৎ চ্যাটাজি চার মাসের সাময়িক ঔষধ দিয়ে পিপারেশন নিয়ে আসতে বলেন।কিন্তু পরীক্ষা-নিরীক্ষা আর ওষুধ কিনতেই সব শেষ। বর্তমানে চিকিৎসকের পরামর্শে তাঁকে প্রতিদিন দেশি-বিদেশি পাঁচশত টাকার ওষুধ খেতে হচ্ছে। যা তার পক্ষে অসাধ্য হয়ে উঠছে। তাই চিকিৎসার জন্য তিনি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীসহ দেশের বিত্তবানদের সহযোগিতা প্রার্থনা করেছেন।
একজন নিবেদিত প্রাণ গণমাধ্যম কর্মী হিসেবে নীতি নৈতিকতা মেনে সাংবাদিকতা করেছেন মোঃএনামুল হক সত্যের জন্য তিনি জীবন ভর লড়াই করেছেন। হার মানেন নি তিনি। তাহলে আজ জীবন যুদ্ধে তিনি হেরে যেতে বসেছেন। চোখ থাকতেও অর্থের অভাবে অন্ধ হয়ে যাচ্ছেন। প্রতিটি মুহূর্ত মৃত্যু তাকে হাতছানি দিয়ে সময়ের অপেক্ষা করছেন। জীবন বাঁচাতে সমাজের বিত্তবানদের আর্থিক সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
অর্থ পাঠানোর ঠিকানা
রকেট, বিকাশ, নগদ
01743901594 -

রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে আদা ও কাঁচা মরিচসহ পুন্যের লাগামহীন বৃদ্ধিতে ক্রেতা সাধারন মহাবিপদে
মোঃ হায়দার আলী, রাজশাহী থেকেঃ রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে আদা ও কাঁচা মরিচ ৪ শ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে, ১৮০ টাকার হলুদ বিক্রি হচ্ছে ২৩০/২৫০ টাকা কেজি, ২৮/৩০ টাকার দেশী পিয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৯০ /৯৫ টাকা, ভারতীয় পচা পেয়াজ বিক্রি হচ্ছে ২৮/৩০ টাকা কেজি ১২৫/১৩০ টাকার চিনি একলাফে ১৩৫০/১৫৫ টাকা।
একই সাথে পাল্লা দিয়ে কেজি প্রতি ২০ টাকার আলু বিক্রি হচ্ছে, ৩৫/৩৬ টাকা বেড়েছে অন্যন্য মসলা ও সবজির দাম। মাছ, মাংশের বাজারে লেগেছে আগুন সে আগুন নিভানো যাচ্ছে না। গরুর মাংশ ৬৮০/৮০০ টাকা কেজি। দেশি মুরগি ৬০০/৬৫০ টাকা কেজি, গতবার সকলে মহিশালবাড়ী বাজারে ৮০০ কেজি গরুর মাংশ, কক মুরগি ৩২০ কেজি, বয়লার মরগি ২০০/২২০কেজি বিক্রি হলেও ১ কিলোমিটার দূরে রেলওয়ে বাজারে গরুর মাংশ ৭৫০/৭৭০ টাকা কেজি, কক মুরগী ২৮০ টাকা, বয়লার মুরগী ১৮০ কেজি বিক্রি হয়েছে। দেখার যদি কেউ থাকতো তবে এমন অবস্থা হতো না। ব্যবসায়ীদের সরাসরি বক্তব্য যা দাম যাচ্ছি সে দাম পাচ্ছি কেউ সমস্যা করছে না।
অর্থনীতির ভাষায় বাজার নিয়ন্ত্রণ বলে একটি কথা থাকলেও রহস্যজনক কারণে সেটা গোদাগাড়ীতে সেটা নেই বললেই চলে। দোকানে দ্রব্যের মূল্য তালিকা ঝুলিয়ো রাখার নিয়ম থাকলেও সেটা মানা হচ্ছে না দোকান গুলিতে। মঙ্গবার (২৭ মে ) গোদাগাড়ী পৌরসভার মহিশালবাড়ী, রেলওয়ে বাজার, গোদাগাড়ী, কাঁকনহাট, প্রেমতলী, রাজাবাড়ি, হাটপাড়া, বাসুদেবপুর প্রভূতি বাজারে সবজির বাজারে গিয়ে দেখা যায় প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ৩০০/৩২০ টাকা কেজি দরে। অথচ এক-দু’দিন আগেও কাঁচা মরিচ খুচরা বাজারে বিক্রি হয়েছে ২০০টাকা থেকে ২২০ টাকা কেজি দরে। এছাড়াও একদিনের ব্যবধানে প্রতি কেজি আলুর দাম বৃদ্ধি পেয়েছে ১০ টাকা।
৫০/৬০ টাকার করলা বিক্রি হচ্ছে ৮০/৮৫ টাকা কেজি, ১৫/২৯ ডাটা শাক ৩০/৩৫ টাকা, ডাটা শাক ৩৫/৫০ টাকা কেজি দরে। মিষ্টি কুমড়া ৭০/৮০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। একই সাথে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে অন্যান্য সবজির দাম। মহিশালবাড়ী বাজারের সবজির খুচরা বিক্রেতারা আব্দুল কুদ্দুস বলছেন, পাইকারী বাজারে আমদানী কম ও মূল্য বেশি হওয়ায় তারা বেশি দামে বিক্রি করছেন। এবার শেষ দিকে বৃষ্টি বেশী হওয়ায় শাঁক সবজির ব্যপক ক্ষতি হয়েছে।
সবজির পাইকারী বাজারে গিয়ে দেখা যায় সেখানে চাহিদার তুলনায় আলু পিয়াজসহ সবজির আমদানী অনেক কম। পাইকারী বিক্রেতারা বলছেন অতিরিক্ত বৃষ্টিপাতের কারনে কাঁচা মরিচসহ করলা বেগুনসহ সবজির গাছ মরে গেছে, একারনে বাজারে সবজির আমদানী কমে গেছে, দামও বৃদ্ধি পেয়েছে।
এক শ্রেনীর অসাধু মজুদদার রাজশাহীর আশপাশের কোল্ডষ্টোরেজে প্রচুর পরিমানে আলু মজুদ রাখলেও, সেই আলু বাজারে ছাড়ছেনা, যার ফলে দিন দিন আলুর মূল্য বৃদ্ধি পেতে শুরু করেছে। এদিকে হঠাৎ সবজিসহ নিত্য প্রয়োজনীয় খাদ্যদ্রব্যের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায়, বিপাকে পড়েছে খেটে খাওয়া নিম্ন আয়ের মানুষ। তাঁরা বলছেন সারা দিনে যে আয় হয়, তা দিয়ে তারা পরিবারের চাহিদা অনুযায়ী খাদ্য যোগাড় করতে পারছেনা। এতে সংসার পরিচালনা করা কঠিন হয়ে পড়েছে তাদের। ঈদের বাজার করবো কি করে।
এই বিষয়ে গোদাগাড়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার সঞ্জয় কুমার মাহন্তের সাথে মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে তিনি রিসিভ করেন নি। তাই বক্তব্য পাওয়া সম্ভাব হয় নি।
দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রনে ও সিন্ডিকেট ভাঙতে বানিজ্য মন্ত্রী ব্যর্থ হওয়ায় সংসদে বানিজ্য মন্ত্রীর পদত্যাগ চেয়েছেন কয়েকজন সংসদ সদস্য এতে দারুন খুশি ক্রেতা সাধারন।সচেতন মহল মনে করেন, শীঘ্রই অসাধু ব্যবস্যায়ী ও মজুদদারদের বিরুচ্ছে অভিযান চালানো হলে, আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হলে এবং একই সাথে সবজির পাইকারী ও খুচরা বিক্রেতারা যাতে ভোক্তাদের ক্রয় মূল্য ও বিক্রয় মুল্য নিশ্চিত করে সেই বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হলে দ্রুত বাজার সহজে নিয়ন্ত্রন হবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন ।
মোঃ হায়দার আলী
রাজশাহী। -

গোদাগাড়ীতে প্রবাসীর স্ত্রীকে প্রাণ নাশের হুমকি দিয়ে জমি দখলের অভিযোগ
নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী।। রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে এক প্রবাসীর স্ত্রীর জমি জোর পূর্বক দখল ও প্রাণ নাশের হুমকির অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় প্রবাসীর স্ত্রী রেবিনা খাতুন নিজের নিরাপত্তা চেয়ে গত ৮ জুন গোদাগাড়ী মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী করেছেন।
জানা গেছে, গোদাগাড়ী উপজেলার জয়রামপুর গ্রামের প্রবাসী আব্দুল করিম সোহেল দীর্ঘদিন থেকে প্রবাসে থাকেন। তার স্ত্রী রেবিনা খাতুন বাবার বাড়ী কাপাসিয়াপাড়ায় বসবাস করে। রেবিনার স্বামী দানসূত্রে তার নামে ৬ কাটা জমি পেয়ে ভোগ দখল করে আসছিলো। রেবিনার স্বামী প্রবাসে থাকার সুযোগে তাকে বিভিন্ন ভাবে প্রাণ নাশের হুমকি দিয়ে জমি দখলে নেওয়ার হুমকি দিয়ে আসছিলো।
গত ২০ মে রেবিনার দুই দেবর শাহীন উদ্দিন ও সেলিম আহমেদ ও তার স্ত্রী মাহফুজা খাতুন জমিতে গিয়ে জমির বর্গচাষিকে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে জমি দখলে দেয়। রেবিনা খাতুন জমি দখলের কারণ জানতে চাইলে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ শুরু করে। তাদের জমির কাগজপত্রাদি নিয়ে বসতে বললে প্রাণ নাশ করিবে বলে হুমকি ও ভয়ভীতি দেখায়।
এই জমি নিয়েই রাজশাহীর আদালতে তাদের বিরুদ্ধে ৭৬২পি/২০২২মামলা চলমান আছে এবং ১৪৪ ধারা জারি করে আদালত।
এই অবস্থায় দুবাই প্রবাসী আব্দুল করিম সোহেল বিদেশে থাকায় স্ত্রী রেবিনা খাতুন একাকি ভয়ে বাড়ীতে বসবাস করছে। অপরদিকে আব্দুল করিম সোহেলও প্রবাসে থেকে চিন্তিত হয়ে পড়েয়ে। এই বিষয়ে অভিযুক্ত শাহিন উদ্দিনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, জমি নিয়ে তাদের সাথে আমার কোন বিরোধ নেই কেনো আমার নামে থানায় জিডি করেছে তাও বলতে পারবো না। আমার বড় ভায়ের সাথে জমি নিয়ে ঝামেলা চলছে।
সেলিম উদ্দিনের সাথে যোগাযোগ করা বলে তিনি বলেন, জমি নিয়ে কাউকে মারধর বা প্রাণ নাশের ঘটনা ঘটেনি। এলাকাবাসী সবাই জানে, এটা সম্পন্ন মিথ্যা। আব্দুল করিম সোহেল ২০০৯ সালে আমার কাছে জমি বিক্রি করে দিয়েছে। পরে ওই জমি পুনরায় তার স্ত্রী রেবিনা খাতুনকে দলিল করে দিয়েছে। করেছে। এসব বিষয়নিয়ে ঈদের পর থানায় বসার কথা রয়েছে। সেখানে যার কাগজ সে জমি নিবে এতে আমার কোন আপত্তি নেই।
প্রাণ নাশের হুমকি বিষয়ে গোদাগাড়ী মডেল থানার এসআই আব্দুল হাই বলেন, তাদের জমিনিয়ে মামলা চলমান আছে। তাদের ঈদপর কাগজপত্রাদি নিয়ে বসতে বলেছি তাহলে হয়তো একটা মিমাংসা হয়ে যেতো। প্রাণ নাশের বিষয়ে বলেন, আমি তদন্ত করতে গিয়ে স্বাক্ষীরা প্রাণ নাশের বিষয়টি বলেছে। ভয়ভীতি দেখাইছে এমন একটি প্রসিকিউশন আদালতে দিয়েছি বলে জানান।
মোঃ হায়দার আলী
রাজশাহী। -

ঝিনাইদহে চার বছরের শিশু কন্যা মায়ের সঙ্গে কারাগারে
আতিকুর রহমান, ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
ঝিনাইদহে চার বছরের এক শিশুকে মায়ের সঙ্গে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। শিশুটির কান্না থামাতে না পেরে বিজ্ঞ বিচারক মায়ের সঙ্গে শিশুটিকে কারাগারে থাকার আদেশ দেন। ঘটনাটি ঘটেছে সোমবার বিকালে ঝিনাইদহ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে। পুলিশ ও এলাকাবাসি সুত্রে জানা গেছে, ২০২২ সালের ৭ সেপ্টম্বর ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার ছোট ভাটপাড়া গ্রামে জেসমিন (২৮) নামে এক গৃহবধু পাশবিক নির্যাতনের শিকার হয় বলে অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় স্থানীয় চেয়ারম্যান ওহিদুজ্জামান ওদু ওই বছরের ৮ সেপ্টম্বর গ্রাম্য বিচার বসিয়ে কথিত ধর্ষক নায়েব আলীকে দুই লাখ টাকা জরিমানা করেন। টাকা না দিলে ধর্ষকের স্ত্রী, ভাবী, বোন ও মেয়েকে লোক দিয়ে পাল্টা ধর্ষণের হুমকি দেন চেয়ারম্যান। সে সময় এমন একটি ভিডিও ফেসবুকে ভাইরাল হয় এবং এ নিয়ে প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ায় খবর প্রকাশিত হলে জেলাব্যাপী টক অব দি টাউনে পরিণত হয়। এদিকে কথিত ধর্ষক নায়েব আলী হতদরিদ্র হওয়ায় শালিস বিচারের দুই লাখ টাকা দিতে না পেরে পালিয়ে বেড়াতে থাকে। এ ভাবে এক সপ্তাহ পার হয়ে গেলে চেয়ারম্যানের পীড়াপীড়িতে ওই বছরের ১৫ সেপ্টম্বর কালীগঞ্জ থানায় একটি ধর্ষন মামলা করেন গৃহবধু জেসমিন। মামলা রেকর্ডের পর পুলিশ জেসমিনকে ডাক্তারী পরীক্ষার জন্য ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে পাঠায়। বিরম্বে করা ডাক্তারী পরীক্ষায় ধর্ষনের আলামত না পাওয়ায় নায়েব আলীর বিরুদ্ধে দায়ের করা ধর্ষন মামলার চুড়ান্ত প্রতিবেদন দেয় পুলিশ। পুলিশের প্রতিবেদন পেয়ে চলতি বচরের ৩ এপ্রিল আদালতে ধর্ষন মামলাটি খারিজ হয়ে যায়। মামলা থেকে অব্যাহতি পেয়ে নায়েব আলী গত ১৭ এপ্রিল ঝিনাইদহ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মিথ্যা ধর্ষন মামলার বাদী জেসমিন আক্তার ও তাঁর স্বামী মিন্টু মিয়ার বিরুদ্ধে পাল্টা মামলা করেন। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে করা মামলাটিতে ওই দিনই গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত। পরোয়ানা পেয়ে পুলিশ ১১ জুন জেসমিনের স্বামী মিন্টুকে গ্রেফতার করে। গত সোমবার (২৬ জুন) শিশুটির মা জেসমিন আক্তারও আদালতে আত্মসমর্পন করে জামিনের আবেদন করেন। আদালত জামিন নামঞ্জুর করে তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। মাকে কারাগারে নিয়ে যাওয়ার সময় চার বছরের শিশু সন্তান কাঁদতে থাকেন। এ সময় তার ফুফু কবিতা খাতুন জোর করে শিশুটিকে বাড়ি নিয়ে যেতে চাইলে চিৎকার চেচামেচি করতে থাকে। এক পর্যায়ে ফুফু কবিতা খাতুন শিশুটিকে কোলে নিয়ে আইনজীবীর কক্ষে নিয়ে যান। আদালতের আদেশে মায়ের কোলেই তুলে দেয়া হয় শিশুটিকে। বর্তমানে শিশুটি মায়ের সঙ্গেই কারাগারে আছে। জেসমিন আক্তারের আইনজীবী খন্দকার লিয়াকত জানান, আসামি দম্পত্তির দুটি শিশু সন্তান রয়েছে। বড় ছেলে বয়স ছয় বছর। আর ছোট মেয়েটির বয়স ৪ বছর। ছেলেটি তার নানার বাড়িতে আছে। মেয়ে তার মায়ের সঙ্গে এসেছিল। মাকে কারাগারে নেওয়ার সময় মেয়েটি কান্নাকাটি করছিল। তার ফুফু শান্ত করার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন। এ ছাড়া বাড়িতে এই ছোট্ট শিশুটিকে দেখভাল করার মতো কেউ নেই। এ ছাড়া শিশুটির বাবাও কারাগারে রয়েছেন। তাই আদালতে মায়ের সঙ্গে শিশুটিকে কারাগারে রাখার আবেদন করা হলে আদালত আবেদন মঞ্জুর করে মায়ের সঙ্গে শিশুটিকে কারাগারে রাখার অনুমতি দিয়েছেন। শিশুটির ফুফু কবিতা খাতুন জানান, ভাবির করা মামলাটি খারিজের পর তার ভাই ও ভাবির নামে যে পাল্টা মামলা হয়েছে সেটা তাঁদের জানা ছিল না। বাদীপক্ষের আইনজীবী ইশারত হোসেন বলেন, আসামি জেসমিন আক্তার ও তাঁর স্বামী মিন্টু মিয়া নায়েব আলীর বিরুদ্ধে মিথ্যা ধর্ষন মামলা করে তাঁকে চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্থ করেছেন। যে কারণে মিথ্যা মামলার বিচার চেয়ে এই মামলা করেছেন। ঝিনাইদহ আদালতের পিপি ইসমাইল হোসেন জানান, কারাগারে মায়ের সঙ্গেই থাকবে শিশুটি। আইনে এভাবে রাখার নিয়ম আছে।ঝিনাইদহ
আতিকুর রহমান -

মধুপুরে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের বহিষ্কার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন
আঃ হামিদ মধুপুর টাঙ্গাইল প্রতিনিধিঃ
প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর অনুষ্ঠানে বাধা প্রদান, নেতাকর্মীদের উপর হামলা, দলীয় নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের ও সংগঠনের বিরুদ্ধে নেতিবাচক মন্তব্যের কারণে মধুপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ছরোয়ার আলম খান আবুর বহিষ্কার দাবি করেছেন সংগঠনের নেতাকর্মীরা। সোমবার বিকেলে উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের সহ-সভাপতি মো. ইয়াকুব আলীসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ এই দাবি জানান।
সংবাদ সম্মেলনে উপজেলা আওয়ামী লীগের ৪জন সহ-সভাপতি, ২জন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, সাংগঠনিক সম্পাদক, মধুপুর পৌরসভার মেয়র ও মধুপুর পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি সিদ্দিক হোসেন খানসহ উপজেলা আওয়ামী লীগ, কৃষকলীগ, ছাত্রলীগ, যুবলীগ, শ্রমিকলীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য গত ২৩ জুন শুক্রবার মধুপুরে আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপ আলাদাভাবে প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর কর্মসুচি পালন করে। মেয়র সিদ্দিক হোসেন খান ও আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ইয়াকুব আলীর নেতৃত্বাধীন গ্রুপের নেতাকর্মীরা বাসস্ট্যান্ডের সমাবেশে যোগদানের সময় থানা মোড়ে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ছরোয়ার আলম খান আবু’র নেতাকর্মীদের হাতে হামলার শিকার হন। এতে বেশ কয়েকজন আহত হলে উভয় পক্ষের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া, ভাঙ্গচুরের ঘটনা ঘটে। এই ঘটনার জের ধরেই সোমবার সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা তার বহিষ্কারের দাবি তোলেন।