Author: desk

  • স্বেচ্ছাধীন তহবিল থেকে অনুদান দিলেন এমপি মজাহারুল

    স্বেচ্ছাধীন তহবিল থেকে অনুদান দিলেন এমপি মজাহারুল

    মোহাম্মদ বাবুল হোসেন পঞ্চগড় ঃ
    ঈদুল আযহা উপলক্ষে পঞ্চগড়-১ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহসভাপতি মজাহারুল হক প্রধান তার স্বেচ্ছাধীন তহবিল হতে ১৬৭ পরিবারকে একত্রে ৫ লাখ টাকা অনুদান দিয়েছেন। বুধবার( ২৮ জুন) দুপুরে পঞ্চগড় সদর উপজেলা পরিষদের হলরুমে আনুষ্ঠানিকভাবে নিজে উপস্থিত থেকে এ অর্থ বিতরণ করেন তিনি। সুবিধাভোগীরা তেঁতুলিয়া, আটোয়ারী ও পঞ্চগড় সদর উপজেলার বাসিন্দা।

    সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাসুদুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- পঞ্চগড় সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আমিরুল ইসলাম, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান কাজী আল তারেক।

  • গোদাগাড়ীতে এমপির নাম ভাঙ্গিয়ে ইউপি চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে কোটি টাকার জমি দখলের অভিযোগ

    গোদাগাড়ীতে এমপির নাম ভাঙ্গিয়ে ইউপি চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে কোটি টাকার জমি দখলের অভিযোগ

    নিজস্ব প্রতিবেদক : রাজশাহীর গোদাগাড়ীর পাকড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জালাল উদ্দিন ও তাঁর ভুমিদস্যু সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে কোটি টাকা মুল্যের ৮ বিঘা জমি দখলের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ বিষয়ে ভুক্তভোগী গোদাগাড়ী পৌর এলাকার মাদারপুর মহল্লার মো: নওশাদ আলী মঙ্গলবার সকালে গোদাগাড়ী থানায় একটি অভিযোগ দিয়েছেন। অভিযোগ পেয়ে গোদাগাড়ী মডেল থানার ওসি কামরুল ইসলাম অধীনস্ত কাঁকনহাট পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জকে তদন্ত সাপেক্ষে সংশ্লিষ্ট দখলদারদের বিরুদ্ধে আইনী ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছেন।

    এদিকে, এলাকাবাসীর অভিযোগ, জালাল চেয়ারম্যান এলাকার এমপি ওমর ফারুক চৌধুরীর নির্দেশে ওই জমি দখল নিয়ে সড়ক করবেন বলে ঘোষণা দিয়ে লোকজন নিয়ে গিয়েছিলেন। তিনটি ট্রাক্টর চালিয়ে জমিগুলির আইল ভেঙ্গে তছনছ করে দিয়েছেন। এই জমি আবাদযোগ্য করতে কয়েক লাখ টাকা খরচ হবে।

    লিখিত অভিযোগে নওশাদ আলী বলেন, উপজেলার পাকড়ি ইউপি চেয়ারম্যান জালাল উদ্দিন ও তার নিয়ন্ত্রাধীন একটি শক্তিশারী ভুমিদস্যু সিন্ডিকেট রয়েছে। সম্প্রতি তাঁর ছেলে আলমগীর হোসেন ও কণ্যা আয়েশা খাতুনের নামের ১০৮ নং বাশৈল মৌজার ১২৯ ও ৫৯ নং আরএস খতিয়ানভুক্ত ২২২, ২৭৯ ও ২৯৪ নং দাগের ২ দশমিক ৬৭ একর জমি ক্রয় করেন। জমিগুলির বাজার দাম প্রায় কোটি টাকা। বৈধ কাগজপত্র যাচাই শেষে জমিগুলির মুল মালিকদের কাছ থেকে রেজিষ্ট্রি করে যথারীতি খারিজ সম্পন্ন করে খাজনা পরিশোধ করেছেন। চাষাবাদের সুবিধার্থে সম্প্রতি তিনি জমিগুলির আইল সংস্কার করেন কয়েক লাখ টাকা খরচ করে। আমন আবাদের জন্য আমিরুল ইসলাম নামের একজনকে বর্গা দেওয়া হয়েছিল। আমিরুল জমিগুলিতে আমন রোপনের জন্য প্রস্তুতি করছিলেন।

    এদিকে গত ২৬ জুন সকালে পাকড়ি ইউপি চেয়ারম্যান, জালাল উদ্দিন, ৮ নং ইউপি সদস্য দুলাল উদ্দিন, ইকবাল হোসেন , ডলার আলী, পিয়ারুল, বায়েজিদ বোস্তামি, মিজানুর রহমান, মানিক আলী, এনামুল হক, মোর্শেদ আলী, কামরুল, পলাশ উদ্দিন, সেলিম রেজা, আসলাম আলী, এনারুল, ইব্রাহিম হোসেনসহ ২০/২৫ জনের একটি দল তিনখানা ট্রাক্টর নিয়ে জমিতে যায়। তারা নওশাদ আলীর ছেলে ও মেয়ের জমির আইল ভেঙ্গে তছনছ করে দেন। নওশাদ আলী ও তার বর্গাদারসহ কয়েকজন লোক তাদেরকে বাধা দিতে গেলে জালাল চেয়ারম্যান সরাসরি প্রাণনাশের হুমকি প্রদান করেন। শেষাবধি প্রাণ রক্ষার্থে নওশাদ আলী ও তার সহযোগীরা ঘটনাস্থল ত্যাগ করতে বাধ্য হন।

    অভিযোগে আরও জানা যায়, জালাল চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে জমি দখলের সময় জমির মুল মালিক ও বিক্রেতারাও ঘটনাস্থলে গিয়ে কেন তাদের বিক্রয় করা এই জমি দখল নেওয়া হচ্ছে বলে জানতে চান। এ সময় জালাল চেয়ারম্যান তাদেরকে বলেন, এটা আমার এলাকা। এখানে বাহিরের কোন লোক জমি কিনে চাষাবাদ করতে পারবে না। আমি ওই জমির ওপর দিয়ে একটি রাস্তা বানাব। এমপি সাহেব আমাকে নির্দেশ দিয়েছেন। যদিও রাজশাহী-১ আসনের সংসদ সদস্য ওমর ফারুক চৌধুরী কারো জমি দখলের বিষয়ে তিনি কিছুই জানেন না এবং কাউকে জমি দখল করতেও বলেননি বলে জানিয়েছেন। এ বিষয়ে কেউ তাকে কিছু বলেননি।

    জমির মালিক আলমগীর হোসেন ও আয়েশা খাতুনের বর্গাদার আমিরুল ইসলাম অভিযোগে বলেন, জমি দখলে আমি বাধা দিতে গেলে জালাল চেয়ারম্যান আমাকে বলেন, আমি এমপির লোক। আমি যা বলব সেটাই হবে। এই জমি আমি পুরোটাই দখলে নিয়ে বড় করে সড়ক বানিয়ে দেব। পাশর্^বর্তী জয়রামপুর স্কুলের জন্য একটি খেলার মাঠ বানিয়ে দেব। আমাকে অস্ত্র নিয়ে তাড়া করলে প্রাণ ভয়ে পালিয়ে আসি।

    এলাকার লোকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, জালাল আগে পাকড়ি ইউপির মেম্বার ছিলেন। গত নির্বাচনে আওয়ামী লীগের টিকিটে সে চেয়ারম্যান হয়েছেন। এলাকার বাহিরের লোকজন জমি কিনলে সে সেখানে নানাবিধ জটিলতা সৃষ্টি করে টাকা পয়সা আদায়ের চেষ্টা করেন। জমি দখলের জন্য জালাল চেয়ারম্যানের একটি ভুমিদস্যু সিন্ডিকেট আছে।

    অভিযোগ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে পাকড়ি ইউপি চেয়ারম্যান জালাল উদ্দিন বলেন, ব্রিটিশ আমলের নকশাতে জমিগুলির ওপর দিয়ে একটি ডহর বা রাস্তা আছে। কিন্তু হাল বা আরএস সেটেলমেন্টে তা নেই। এলাকার লোকজন জমির ওপর দিয়ে একটি রাস্তা করার জন্য আমার কাছে অনুরোধ করেছিলেন। সে কারণে আমি সেদিন ঘটনাস্থলে গিয়েছিলাম। জমি দখলের স্বপক্ষে ভুমি আইনে স্বীকৃত বৈধ কোন কাগজপত্র আপনার কাছে কিনা জানতে চাইলে জালাল স্বীকার করেন তার কাছে কোন বৈধ কাগজপত্র নাই।

    হায়দার আলী,
    নিজস্ব প্রতিবেদক
    রাজশাহী।

  • পানছড়িতে হাসপাতাল সড়ক নির্মাণের আড়াই বছরেও কাজের বিল পাইনি ঠিকাদার

    পানছড়িতে হাসপাতাল সড়ক নির্মাণের আড়াই বছরেও কাজের বিল পাইনি ঠিকাদার

    খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি।

    পানছড়ি থেকে লোগাং সড়কে যাওয়ার পথে হাসপাতাল রোডের জনগুরুত্বপূর্ণ সড়কটিতে ভাঙ্গা ও গর্ত থাকায় এবং এর ফলে দুর্ঘটনায় পড়ে এক পথচারি মারাত্মক ভাবে আঘাত পায়।পরবর্তীতে সেই রোগীকে খাগড়াছড়ি রেফার করা হয়।তারপর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মকর্তা ডা.অনুতোষ চাকমার অনুরোধে সড়কটি দ্রুত নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করেন উপজেলা প্রশাসন।পানছড়ি উপজেলার স্থানীয় ঠিকাদার উত্তম দে’কে নিজ অর্থে কাজটি করার জন্য বলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুবাইয়া আফরোজ। সেই সময় ২০২১-২০২২ এ এমপি মহোদয় এর বরাদ্দকৃত অর্থ থেকে এই টাকা সমণ্বয় করে দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছিলেন তিনি।

    আরসিসি ঢালায় এর মাধ্যমে সেই অর্ধ সম্পন্ন কাজ শেষ হওয়ার আড়াই বছরেও এখনো বিল পরিশোধ না করায় প্রশাসনের এমন উদাসীনতা ও অবহেলার জন্য দুঃখপ্রকাশ করেন ঠিকাদার উত্তম দে।

    ঠিকাদার উত্তম দে জানান, ২০২১-২০২২ অর্থ বছরের প্রায় চার মাস পূর্বে হাসপাতাল সড়কে মার্চ মাসে একজন পথচারী দুর্ঘটনার কবলে পড়ে মারাত্মক ভাবে আহত হয় এবং তাকে খাগড়াছড়ি রেফার করা হয়। তারপর পানছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মকর্তা ডা.অনুতোষ চাকমা এই সড়কটি দ্রুত নির্মাণ এর জন্য উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে অনুরোধ জানান।তারপর আমাকে কাজটি করার জন্য বলেন নির্বাহী অফিসার রুবাইয়া আফরোজ মহোদয়।সেই সময় ডা. অনুতোষ চাকমা ও সাবেক ইঞ্জিনিয়ার অরুণ দাশ মহোদয়ও আমাকে অনুরোধ করেছিলেন।আমি এই গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের অনুরোধে হাসপাতালের সড়কটি নির্মাণ করি নিজ অর্থে । কিন্তু দুঃখের বিষয় কাজটি করার ৩ মাসের মাথায় আমার বিলটি দেওয়ার কথা ছিলো।সেই সময় বিল না পাওয়ায় আমি বাকি অর্ধেক কাজ আর করিনি।আজ আড়াই বছর হয়ে গেল আজও আমাকে আমার অর্ধসম্পন্ন কাজের ৬ লক্ষ ৬৮ হাজার টাকার বিলটি পরিশোধ করলো না।অথচ বিভিন্ন স্থানে এমপি মহোদয় এর বরাদ্দকৃত অর্থ গুলো থেকে ভুয়া প্রকল্প করে বিভিন্ন এলাকায় অপ্রয়োজনীয় কাজ করা হচ্ছে।যা জনসাধারণের জন্য তেমন গুরুত্বপূর্ণ না।

    স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডির) পানছড়ি উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ আব্দুল খালেক বলেন:এই কাজটির বিষয়ে আমি শুনেছি।কাজটি এমপি মহোদয় এর বরাদ্দকৃত অর্থে সম্পন্ন হওয়ার কথা থাকলেও অর্ধেক পর্যন্ত করে বাকীটা আর হয়নি।এবং বিল না পাওয়ার বিষয়টি আমি জানিনা। এটা ইউএনও মহোদয় জানেন।

    পানছড়ি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মকর্তা ডা.অনুতোষ চাকমা জানান:জনসাধারণের কথা চিন্তা করে টেন্ডার ছাড়াই হাসপাতাল সড়কের কাজটি বিশিষ্ট ঠিকাদার উত্তম বাবুকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল এবং এমপি মহোদয় এর বরাদ্দকৃত অর্থ থেকে এই টাকা সমণ্বয় করার কথা ছিলো।কাজটি অর্ধেক হয়ে আর বাকি অর্ধেকটা আর শেষ হয়নি।এর পরবর্তীতে আমি আর জানিনা।নতুন করে কাজটি বরাদ্দ হওয়ার কথা শুনেছি। কবে শুরু হবে এটা জানিনা।

    পানছড়ি উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুবাইয়া আফরোজ এর অফিসিয়াল নম্বরে এই বিষয়ে জানতে বেশ কয়েকবার কল দেওয়া হলে কল রিসিভ না হওয়ায় বক্তব্য পাওয়া যায় নি।

  • নলডাঙ্গায় অভয়াশ্রমে মাছ শিকার উৎসবের সময় গভীর রাতে মোবাইল কোর্ট

    নলডাঙ্গায় অভয়াশ্রমে মাছ শিকার উৎসবের সময় গভীর রাতে মোবাইল কোর্ট

    এ,কে,এম,খোরশেদ আলম
    নাটোর জেলা প্রতিনিধি

    মোবাইল কোর্ট পরিচালনায় ছিলেন রোজিনা আক্তার উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা নলডাঙ্গা নাটোর।

    নাটোর জেলার নলডাঙ্গা উপজেলায় ২৭জুন রাত ১০ টা হতে হালতি বিল মৎস্য অভয়াশ্রমে (ট্যাংকি) অভিযান পরিচালনা করা হয়। বিলে পানি আসা শুরু হওয়ার সাথে সাথে কিছু অসাধু মানুষ অভয়াশ্রমের মাছ শিকারের উৎসবে নেমেছে। আজ অভিযান পরিচালনা করে রাত ১১. ৩০ ঘটিকার সময় চারজনকে মাছসহ ( মা বোয়াল) হাতে নাতে বিলের মধ্য হতে ধরা হয়। মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে ধৃত আসামীদেরকে ২৪ ( চব্বিশ) ঘন্টার বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়। একদিন পরেই পবিত্র ঈদুল আযহা। ত্যাগের মহান বহিঃপ্রকাশ হওয়ার কথা অথচ সামান্য কিছু মাছের লোভে রাত জেগে অবৈধ কাজে গ্রামের সাধারণ মানুষ লিপ্ত হচ্ছে যা খুবই দু:খজনক। শুধুমাত্র ঈদের বিষয়টি বিবেচনা করে নামমাত্র শাস্তি প্রদান করা হলো। প্রকৃতপক্ষে শাস্তি দেয়া মোবাইল কোর্টের উদ্দেশ্য নয়, সচেতন করাই মুখ্য। আল্লাহ তায়ালা আমাদেরকে সঠিক বিষয় বোঝার তৌফিক দান করুন।
    গ্রেপ্তারকৃতরা হলঃ (১) জনি ( পিপরুল), (২) রিপন মাঝি( পিপরুল), (৩) আইয়ুব আলী( পাটুল), (৪) মুকুল (পিপরুল)।

    জব্দকৃত মাছগুলো রাতেই দুর্লভপুর মাদ্রাসা ও ইয়াতিমখানায় বিতরণ করা হয়।

    এ,কে,এম,খোরশেদ আলম
    নাটোর।

  • ঈদ-উল আযহার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী কাজী ফয়েজ

    ঈদ-উল আযহার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী কাজী ফয়েজ

    দোয়ারাবাজার প্রতিনিধিঃ

    ঈদ মানে আনন্দ, ঈদ মানে খুঁশি,দেশবাসী ও বিশ্বের সকল মুসলমানদের পবিত্র ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন, আগামী উপজেলা পরিষদের সম্ভাব্য ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী, দোয়ারাবাজার উপজেলা গণফোরামের আহবায়ক কাজী মো, ফয়েজ মিয়া।

    মঙ্গলবার রাতে এক লিখিত বার্তায় তিনি জানান, গণফোরামের সভাপতি ড.কামাল হোসেন ও দলীয় দিকনির্দেশনায় আগামী দোয়ারাবাজার উপজেলা পরিষদের সম্ভাব্য ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী। তিনি দোয়ারাবাজার উপজেলার দোহালিয়া ইউনিয়নের প্রতাপপুর কাজী পরিবারের সন্তান।

    শুভেচ্ছা বার্তায় কাজী মো, ফয়েজ মিয়া বলেন, আসছে আগামী ২৯জুন বৃহস্পতিবার পবিত্র ঈদ-উল আযহা, তাই বিশ্ব মুসলিম তথা বাংলাদেশ ইসলামধর্মাবলম্বী ভাইবোনদের ঘরে ঘরে আনন্দের বার্তা বয়ে নিয়ে আসুক। পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা জানাচ্ছি।

    ঈদ উপলক্ষে শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি আরও বলেন, ‘ত্যাগের মহিমায় উদ্ভাসিত হউক প্রতিটি মুমিনের জীবন। ত্যাগের মহিমায় উদ্বুদ্ধ হয়ে দেশ ও জনগণের কল্যাণে আত্মনিয়োগ করার জন্য সবার প্রতি আহ্বান রইল ।পবিত্র ঈদ-উল আযহা উপলক্ষে দোয়ারাবাজার উপজেলার

    সর্বস্তরের সকল জনগণ কে, প্রাণঢালা শুভেচ্ছা ও আন্তরিক অভিনন্দন জ্ঞাপন করছি। ঈদ মোবারক সবাইকে।

  • ঈদকে ঘিরে কঠোর পুলিশ-নিরাপত্তার চাদরে ময়মনসিংহ।

    ঈদকে ঘিরে কঠোর পুলিশ-নিরাপত্তার চাদরে ময়মনসিংহ।

    ঈদকে ঘিরে কঠোর নিরাপত্তার চাদরে ময়মনসিংহ। রেঞ্জ পুলিশের আগাম সতর্কবার্তা, ঈদুল আজহার নামাজে জমায়েতসহ নামা সমীকরণকে সামনে রেখে বিভাগীয় জেলার প্রধান নগরী ময়মনসিংহে শহরে কঠোর নিরাপত্তা বলয় তৈরি করা হয়েছে। ব্যাস্ততম নগরীর নিরাপত্তায় মোতায়েন করা হয়েছে অতিরিক্ত পুলিশ, বাড়ানো হয়েছে চেকপোস্ট ও টহল। ঈদকে ঘিরে নাগরিকদের নিরাপত্তায় জেলা পুলিশের নির্দেশনা মোতাবেক জিরো টলারেন্স নীতিতে কাজ করছে ওসি শাহ কামাল আকন্দ নেতৃত্বাধীন কোতোয়ালী মডেল থানার পুলিশ।

    বৃহস্পতিবার সারাদেশে ঈদুল আজহা উদযাপিত হবে। ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে ময়মনসিংহের নিরাপত্তায় ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছে পুলিশ ও র্যাবসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। গুরুত্বপূর্ণ সরকারি স্থাপনাসহ সব জায়গায় বাড়ানো হয়েছে গোয়েন্দা নজরদারি।

    ময়মনসিংহ নগরীর গুরুত্বপূর্ণ স্থানে চেকপোস্ট বসিয়ে সন্দেহভাজন ব্যক্তি ও গাড়ি তল্লাশি করছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। ঢাকা বাইপাস,ব্রীজ মোড়, টাঙ্গাইল বাসষ্ট্যান্ড,টাউন হল,গাঙ্গিনার পাড়,আকুয়া বাইপাস,নতুন বাজারসহ ও বারিধারার সব গুরুত্বপুর্ণ সড়কে রয়েছে বাড়তি গোয়েন্দা নজরদারি।

    পুলিশ বলছে, কোরবানির ঈদ ও আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সম্ভাব্য দাঙ্গা হামলার কোন আশঙ্কা নেই। তারপরও ইতোমধ্যে পুলিশের সব ইউনিটকে সতর্ক থাকার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এ কারণেই ময়মনসিংহ নগরীতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।

    জেলা পুলিশ বলছে, প্রতিবছরের মতো এবারও ময়মনসিংহে ঈদের জামাতকে ঘিরে নেয়া হয়েছে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা। ঈদের ছুটিতে আবাসিক ও বাণিজ্যিক এলাকায় অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধের লক্ষ্যে ময়মনসিংহের প্রতিটি এলাকায় মোবাইল পেট্রল, ফুট পেট্রল ও চেকপোস্ট বসিয়ে নিরাপত্তা বলয় তৈরি করেছে পুলিশ। এসব চেকপোস্ট নিয়ন্ত্রণে দিঘারকান্দা এলাকায় স্থাপন করা হয়েছে পুলিশ কন্ট্রোল রুম।

    নিরাপত্তার বিষয়ে কোতোয়ালি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি শাহ কামাল আকন্দ বলেন, ঈদে বাড়ি যাওয়ার ব্যাপারে নাগরিকদের যেন কোন ধরণের সমস্যা না হয় সে ব্যাপারে প্রয়োজনীয় সবধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। আমরা সাধ্যমত চেষ্টা করছি যেন ঘরমুখো মানুষের নিরাপত্তার কোন ত্রুটি না হয়। শহর থেকে গ্রামের বাড়িতে ঈদ করতে যাচ্ছেন নাগরিকরা সুযোগে শহরের বাসাবাড়ি ফাঁকা পেয়ে চুরি-ডাকাতি যাতে বেড়ে না যায় তার জন্য নগর পুলিশের সবকটি ইউনিটকে প্রস্তুত থাকতে নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে। এক্ষেত্রেও পোশাকে টহল পুলিশের পাশাপাশি সাদা পোশাকে পুলিশ মোতায়েন রেখে নগরের প্রতিটি এলাকায় নজরদারি বাড়ানোর জন্য নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।

    জেলা পুলিশ সুপার মাসুম আহমেদ ভূঞা বলেন, ঈদুল আজহা উপলক্ষে ময়মনসিংহ নগরীর সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতের জন্য জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা রয়েছে। সকল বিষয় মাথায় রেখে পুলিশের সকল ইউনিটের সদস্য সবখানে কঠোর নজরদারি রাখছে।

    তিনি বলেন, ঈদ-কেন্দ্রিক বিভিন্ন পশুর হাট এবং বাস, রেল ও খেয়া ঘাটে থাকছে পুলিশের বিশেষ নজরদারি। সেখানে কেউ যাতে অজ্ঞানপার্টি-মলমপার্টি বা ছিনতাইয়ের শিকার না হয়, সে জন্য পোশাকের পাশাপাশি সাদা পোশাকেও গোয়েন্দা নজরদারি থাকছে।

    এ বিষয়ে বিশেষ বিশেষ এলাকায় পুলিশের নিয়মিত টহল বাড়ানো হয়েছে। ছুটির সময় পুলিশের উপস্থিতি দৃশ্যমান থাকবে।তিনি বলেন, ‘বড় ধরনের নাশকতার সক্ষমতা জঙ্গিদের নেই। তারপরও আমরা সতর্ক আছি। নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।’

  • ধুমনিঘাটে নেশাজাতীয় দ্রব্য নিয়ে তীর্থস্থানে” ভ্রমণ নিষেধ

    ধুমনিঘাটে নেশাজাতীয় দ্রব্য নিয়ে তীর্থস্থানে” ভ্রমণ নিষেধ

    (রিপন ওঝা,মহালছড়ি)

    মহালছড়ি উপজেলার ১নং সদর ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডে অবস্থিত ধুমনিঘাট এলাকা। যা সমুদ্র পৃষ্ট থেকে ১২০০ফুট উচু এলাকা ধুমনিঘাট,তার পাদদেশে তীর্থস্থান। এখানে ধুমনিঘাট শ্রী শ্রী রাধাকৃষ্ণ মন্দির ও তীর্থ স্থানে শ্রী শ্রী ধুমনেশ্বর মহাদেবের শিবলিঙ্গ স্থাপিত রয়েছে।
    তাই ধুমনিঘাট শ্রী শ্রী রাধাকৃষ্ণ মন্দির ও তীর্থক্ষেত্র শ্রী শ্রী ধুমনেশ্বর মহাদেবের শিবলিঙ্গ পরিচালনা পর্ষদ ও এলাকাবাসী কর্তৃক উক্ত স্থানে নেশাজাতীয় দ্রব্যসহ আমিষ জাতীয় খাদ্য সামগ্রী রান্না(গরু, মুরগি, হাঁস,ছাগল,শূকর প্রভৃতির মাংস) ও রান্নাকৃত খাদ্য তীর্থ স্থানে এনে না খাওয়ার ও উশৃংখলতা এড়িয়ে চলার যথাযথ সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়েছে ও ভ্রমনে আসা সকলের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

    ১৯৯৮ সালে ধুমনিঘাট শ্রী শ্রী রাধাকৃষ্ণ মন্দির নির্মিত হয়েছে। মন্দির নির্মিত হলেও পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন ও খাগড়াছড়ি জেলা পরিষদ বারংবার যোগাযোগ করা হলেও আজ পর্যন্ত সরকারি ভবন ও নিরাপত্তা প্রাচীর নির্মাণ করা কোন প্রকার সহযোগিতা পায় নি,শুধুই পেয়েছে মুখনিঃসৃত আশ্বাস। এমন আশ্বাসে কতদিন কত বছর অবহেলিত থাকবে। এই ধুমনিঘাট এলাকার পাশ দিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা ও সড়ক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের একান্ত প্রচেষ্টায় সড়ক নির্মিত হলেও এখনো বিদ্যুৎ সেবা পৌছেনি, কমিউনিটি ক্লিনিকের সেবা পৌছে নি। তবে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মহালছড়ি জোন কর্তৃক পানির ব্যবস্থা করেছেন এবং মাঝে মাঝে কমিউনিটি ক্লিনিকের সেবা দিয়ে থাকে। তাই উক্ত এলাকার ত্রিপুরা জনগোষ্ঠীর সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ধুমনিঘাট শ্রী শ্রী রাধাকৃষ্ণ মন্দির(মহালছড়ি সনাতনী সমাজ ও বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোট, মহালছড়ি শাখা কর্তৃক বর্তমানে টিন শেড নির্মাণে সহায়তা করেন) নির্মাণের পূর্বে শিলাময় শিবলিঙ্গ তীর্থস্থানের চতুর্দিকে প্রাচীর নির্মাণ করে পবিত্রতা রক্ষা করা সময়ের গৌণ দাবি বলে উপস্থাপন করেছেন।

    এ বিষয়ে উক্ত এলাকার কার্বারী কর্মচান ত্রিপুরা বলেন, তীর্থস্থান ধুমনিঘাট সনাতনীদের জন্যে পবিত্র স্থান৷ এই মন্দির ও তীর্থস্থানের জায়গা আমার জন্মদাতা পিতা দান করে গেছেন। তাই পবিত্র স্থানের পবিত্রতা রক্ষার্থে স্থানীয় সকল জনগোষ্ঠীকে অনুরোধ করছি যে, তীর্থ স্থানে শ্রী শ্রী ধুমনেশ্বর মহাদেবের শিবলিঙ্গের তীর্থ স্থান ধুমনিঘাট এলাকার ১/২ কিলোমিটার জায়গার চারপাশে গৃহিত পদক্ষেপ বা উপরোক্ত সিদ্ধান্ত বহাল থাকবে ও সচেনতার সহিত কার্য সম্পাদনে সহায়তা বাড়িয়ে দেয়ার অনুরোধ করেন। তিনি আরো বলেন এই মন্দির ও তীর্থ স্থানে শ্রী শ্রী ধুমনেশ্বর মহাদেবের শিবলিঙ্গের চতুর্দিকে প্রাচীর নির্মাণের দাবিতে সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

    ধুমনিঘাট শ্রী শ্রী রাধাকৃষ্ণ মন্দির ও তীর্থক্ষেত্র পরিচালনা পর্ষদের পক্ষে সাধারণ সম্পাদক শ্রী তপনজয় ত্রিপুরা বলেন উক্ত কার্যক্রমে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী ও এলাকার সচেতন নাগরিকদের গৃহিত পদক্ষেপ বাস্তবায়নে সকলের সহায়তা কামনা ও মন্দিরসহ তীর্থ স্থানে শ্রী শ্রী ধুমনেশ্বর মহাদেবের শিবলিঙ্গের চতুর্দিকে প্রাচীর নির্মাণের দাবিতে স্থানীয় সাংসদ কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরার দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

    ধুমনিঘাট তীর্থের প্রাকৃতিক পরিবেশ ও নৈসর্গিক সৌন্দর্য খুবই সুন্দর ও মনোমুগ্ধকর স্থান। ধুমনিঘাট এলাকার মূল আকর্ষণীয় স্থানই হচ্ছে শিবলিঙ্গ কে ঘিরে তীর্থক্ষেত্র প্রতিবছর চৈত্র মাসের মহাবারুনী স্নান তিথি লগ্নে ০৩ দিন ব্যাপী তীর্থ মেলা বসে। তীর্থক্ষেত্র সম্পূর্ণ শিলাময়। এই শিলাময় তীর্থ স্থানে শিবলিঙ্গের নিকট পাথরের মাঝে বয়ে যাওয়া ঝর্ণাধারা। পার্বত্য এলাকার ভ্রমন পিপাসু প্রায় মানুষ স্নান করতে বা সনাতনীগণ তীর্থস্থানেই এই ঝর্ণাধারার সৌন্দর্য উপভোগ করতে আসেন। অতীব দুঃখের বিষয় যে মাঝে ভ্রমণ করতে আসা মধ্যে সকল জনগোষ্ঠীর কিছু প্রায় প্রজন্মের কিশোর হতে বিভিন্ন বয়সের মানুষ জন ধুমনিঘাট তীর্থে মদ, গাজা নেশাজাতীয় ট্যাবলেটসহ জুয়া খেলা নিষিদ্ধ দ্রব্য নিষেধ করা হয়েছে।

  • সুজানগরের দুস্থ-অসহায় নারীদের মাঝে সেলাই মেশিন বিতরণ

    সুজানগরের দুস্থ-অসহায় নারীদের মাঝে সেলাই মেশিন বিতরণ

    এম এ আলিম রিপন,সুজানগর ঃ পাবনার সুজানগর উপজেলার দুস্থ-অসহায় নারীদের কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে বিনামূল্যে সেলাই মেশিন বিতরণ করা হয়েছে। বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি(এডিপি) আওতায় বিনামূল্যে এ সেলাই মেশিন বিতরণ করা হয়। উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে মঙ্গলবার সেলাই মেশিন বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি পাবনা-২ আসনের সংসদ সদস্য আহমেদ ফিরোজ কবির। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো.তরিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহীনুজ্জামান শাহীন, পৌর মেয়র রেজাউল করিম রেজা,উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান জিয়াউর রহমান কল্লোল ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মোছাঃ মর্জিনা খাতুন। এ সময় সুজানগর মহিলা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ শাহজাহান আলী, এন এ কলেজের সাবেক সহকারী অধ্যাপক আবুল হাশেম,আ.লীগ নেতা সাইদুর রহমান,রাজা হাসান, মাহমুদ্দুজ্জামান মানিক,পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি ফেরদৌস আলম ফিরোজ, উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের সভাপতি সরদার রাজু আহমেদ, উপজেলা আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবকলীগের আহ্বায়ক আমিরুল ইসলাম সহ স্থানীয় বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি।

  • সুজানগরে শারীরিক প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের মাঝে হুইল চেয়ার বিতরণ

    সুজানগরে শারীরিক প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের মাঝে হুইল চেয়ার বিতরণ

    এম এ আলিম রিপন,সুজানগর ঃ পাবনার সুজানগর উপজেলার শারীরিক প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের মাঝে হুইল চেয়ার বিতরণ করা হয়েছে। বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি(এডিপি) আওতায় বিনামূল্যে এ হুইল চেয়ার বিতরণ করা হয়। উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে মঙ্গলবার হুইল চেয়ার বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি পাবনা-২ আসনের সংসদ সদস্য আহমেদ ফিরোজ কবির। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো.তরিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহীনুজ্জামান শাহীন, পৌর মেয়র রেজাউল করিম রেজা,উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান জিয়াউর রহমান কল্লোল ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মোছাঃ মর্জিনা খাতুন। এ সময় সুজানগর মহিলা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ শাহজাহান আলী, এন এ কলেজের সাবেক সহকারী অধ্যাপক আবুল হাশেম,আ.লীগ নেতা সাইদুর রহমান,রাজা হাসান, মাহমুদ্দুজ্জামান মানিক,পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি ফেরদৌস আলম ফিরোজ, উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের সভাপতি সরদার রাজু আহমেদ, উপজেলা আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবকলীগের আহ্বায়ক আমিরুল ইসলাম সহ স্থানীয় বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি।

  • আসন্ন কোরবানী ঈদে পাইকগাছায় মাংস কাটার কাঠের খাইট্টা বিক্রি বেড়েছে

    আসন্ন কোরবানী ঈদে পাইকগাছায় মাংস কাটার কাঠের খাইট্টা বিক্রি বেড়েছে

    ইমদাদুল হক,পাইকগাছা,খুলনা।।কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে পাইকগাছায় মাংস কাটার কাঠের খাইট্টা ব্যবসা জমে উঠেছে। মুসলমান সম্প্রদায়ের অন্যতম বড় উৎসব ঈদুল আজহা। ঈদুল আজহা মানেই পশু কোরবানি। আর, এই কোরবানির পশু জবাইয়ের পর মাংস প্রক্রিয়াকরণের কয়েকটি খুবই প্রয়োজনীয় উপকরণগুলোর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে মাংস কেটে টুকরো করার কাজে ব্যবহৃত কাঠের পাটাতন ‘খাইট্টা’। আর পশুর মাংস কাটার কাজে এই কাঠের খাইট্টা ব্যবহার করে থাকেন কসাইরা।তবে অনেকেই পশু জবাইয়ে মাংস প্রক্রিয়াকরণের এই কাঠের খাইট্টা কিনে থাকেন।
    সারা বছর কসাইখানায় খাইট্টার ব্যবহার হলেও, ঈদুল আজহার সময় এর চাহিদা বেড়ে যায়। এ সময় সারাদেশের আনাচে-কানাচে এই ‘খাইট্টা’র কদর লক্ষ্য করার মতো বেড়ে যায়।কোরবানির সময় গ্রাম থেকে শহরের বাড়ি পর্যন্ত এর বিস্তৃতি ঘটে। ঈদের দিন জবাই করা বিপুল পশু প্রক্রিয়া করতে প্রচুর পরিমাণ কাঠের গুড়ি ব্যবহৃত হয়ে থাকে। একটি গরু প্রক্রিয়া করতে প্রায় দুই থেকে তিনটি গুঁড়ির প্রয়োজন হয়ে থাকে। একটি ছাগলের জন্য
    একটি ‘খাইট্টা’ যথেষ্ট।সাধারণত এলাকার স’ মিলগুলোতে গাছের গুঁড়ি করাতে ফেলে ছোট ছোট গোলাকৃতির টুকরো তৈরি করে খাইট্টা বানানো হয়। এলাকাভেদে এর বিভিন্ন নাম আছে। কোথাও এটাকে বলে খাইট্টা, কোথাও আবার বলে খটিয়া, কাইটে, গুঁড়ি, শপার ইত্যাদি।
    পাইকগপছার আশেপাশের কয়েকটি স’ মিলে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় এই গুঁড়ি তৈরি হচ্ছে। স’ মিলের মালিকরা জানান, মাংস কাটার কাজে কাঠের এই গুঁড়ির কোন বিকল্প নেই। এটি তৈরিতে বিশেষ সর্তক থাকতে হয়। কাঠের ব্যবহারও নির্দিষ্ট হতে হয়।
    খাইট্টা সব কাঠ দিয়ে তৈরি করা যায় না। এটি তৈরি করতে হয় এমন কাঠ দিয়ে, যাতে চাপাতির কোপে কাঠের গুঁড়া না ওঠে। কোরবানির মাংস কাটার জন্য এসব খাইট্টার অধিকাংশই তেঁতুল গাছের কাঠ দিয়ে তৈরি।কাঠ ব্যবসয়ী আব্দুল হাকিম জানান, তেঁতুল গাছের কাঠ দিয়েই খাইট্টা বানাতে হয়। কারণ হিসেবে তিনি জানান, তেঁতুল কাঠে সহজে চাপাতির কোপ বসবে না। তাই, কাঠের গুঁড়াও উঠবে না। এতে মাংস নষ্ট হওয়ার কোনো সম্ভাবনা থাকে না।
    আর এক দিন পরই ঈদ। মানুষের চাহিদার কথা বিবেচনা করে ক্ষুদ্র ও মৌসুমি ব্যবসায়ীরা এসব খাইট্টার পসরা নিয়ে বসেছেন।পাইকগাছার গদাইপুর,নতুন বাজার আগড়ঘাটসহ বিভিন্ন বাজারে এই ব্যবসা জমে উঠেছে। বিভিন্ন মাপের বিভিন্ন দামের এসব খাইট্টা সাজিয়ে রাখা হয়েছে। ১৫০ থেকে শুরু করে ৩০০ টাকার মধ্যে তেতুঁল কাঠের খাইট্টা মিলছে।
    খাইট্টা কিনতে আসা তকিয়ার মোস্তাফিজুর বলেন, কোরবানির মাংস কাটতে খাইট্টা খুব জরুরী। আর তেঁতুল কাঠের খাইট্টায় মাংস প্রস্তুত করা ভালো হয়। কাঠের গুড়া খুব কম ওঠে। খাইট্টার চাহিদা বেশি থাকায় বিভিন্ন বাজার ও রাস্তার মোড়ে মোড়ে মৌসুমী ব্যবসায়ীরা বিভিন্ন আকারের খাইট্টা বিক্রি করছেন। পছন্দ অনুযায়ী ক্রেতারা দর দাম করে তাদের প্রয়োজনীয় খাইট্টা কিনছেন।

    ইমদাদুল হক,
    পাইকগাছা,খুলনা।