Author: desk

  • খাপাজেপ’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন   নীলোৎপল খীসা

    খাপাজেপ’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন নীলোৎপল খীসা

    রিপন ওঝা,খাগড়াছড়ি

    খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন শিক্ষা বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত সদস্য নীলোৎপল খীসা।

    জেলা পরিষদ সূত্রে জানা যায়, খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মংসুইপ্রু চৌধুরী চিকিৎসা জনিত কারণে
    ২৮জুন হতে ১২জুলাই, ২০২৩ খ্রি: পর্যন্ত সিঙ্গাপুর অবস্থান করবে।

    পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের জিও ২৯. ০০. ০০০০ .২১৪.২৪.২২৮.২০১৯-৬৬, ১৩জুন, ২০২৩খ্রিস্টাব্দ মোতাবেক বর্তমান জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান চিকিৎসা জনিত সফরকালীন সময়ে বা চেয়ারম্যান কর্মস্থলে ফিরে না আসা পর্যন্ত পরিষদ সদস্য নিলোৎপল খীসা ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

    নীলোৎপল খীসা ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান দায়িত্ব পালন কালে আর্থিক বিষয় ব্যতিত চেয়ারম্যানের দৈনন্দিন কাজকর্ম পরিচালনা করবেন।

    তিনি একাধারে নীরেট ভালো দক্ষ একজন সৎ মানুষ। খাগড়াছড়ি জেলা আওয়ামী লীগের শিক্ষা ও মানব বিষয়ক সম্পাদক পদে রয়েছেন। তিনি সাবেক মহালছড়ি উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ছিলেন। তিনি মহালছড়ি উপজেলা আওয়ামী লীগের হয়ে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচনী মাঠে ছিলেন। তিনি ইতিপূর্বে পানছড়ি কলেজের অধ্যাপক হিসেবে চাকরি জীবন সম্পন্ন করেন।

    তাঁর জন্মস্থান মহালছড়ি উপজেলার মাইসছড়ি ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের জয়সেনপাড়ায়।

    নীলোৎপল খীসা ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ায় মহালছড়ি উপজেলা বাসী খুবই খুশি হয়েছেন।

  • পিতা বিহীন ঈদ

    পিতা বিহীন ঈদ

    মোঃ আমজাদ হোসেন রতন

    পিতা ছাড়া প্রথম ঈদ কাটাইবার তরে, মন যে আমার কেমন কেমন করে। দুঃখ কষ্ট চাপা দিয়ে অভিনয় করে, ভালো থাকার ভাব যে ধরি, তবুও বারবার মনে পড়ে। তাও তো ভালো মা রয়েছে ঘরে। মন যে আমার কেমন কেমন করে। ঈদ খুশিতে এই কামনা সবারই তরে, যাদের বলে এতিম তোরা মাতা পিতা হারা, ওই অভাগার পিতা-মাতা স্বর্গে যেন খাড়া। আমার মত এতিম যারা বটগাছ টি ছাড়া, দোয়া রইল সবার প্রতি আমার চাইতে বয়সে ছোট যারা। বয়সের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে আজকের করলাম ইতি, ৫৫ তে পা রেখে পিতা বিহীন ঈদ। পিতার জন্য দোয়া চাইলাম, করবেন কি বঞ্চিত।

  • সুতিয়াখালী জহির উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ে ৯৪ব্যাচের শিক্ষার্থীদের ঈদ পুণর্মিলনী অনুষ্ঠিত

    সুতিয়াখালী জহির উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ে ৯৪ব্যাচের শিক্ষার্থীদের ঈদ পুণর্মিলনী অনুষ্ঠিত

    ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
    ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের ২৩নং ওয়ার্ডের সুতিয়াখালী এলাকার ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জহির উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি ১৯৯৪ সালের ব্যাচের সাবেক শিক্ষার্থীদের ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    শুক্রবার (৩০জুন) দিনব্যাপী এ ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত হয়। ঈদের পরের দিন সকালে সাবেক শিক্ষার্থীদের পদচারণে মুখরিত হয়ে ওঠে স্কুল মাঠ। ঐতিহ্যবাহী বিদ্যালয়ের ওই ব্যাচের পুনর্মিলনী উৎসবে সাবেক শিক্ষার্থীরা মেতে উঠেছিলেন আনন্দে, যেন খুঁজে পেয়েছিলেন নিজেদের শৈশব।

    ৯৪ ব্যাচের সাবেক শিক্ষার্থী ও পুণর্মিলনী উযাপন কমিটির সভাপতি গোলাম মাহবুব জুয়েল ও সাধারণ সম্পাদক কেমিস্ট মোর্শেদুর রহমান (মোর্শেদ) এর সার্বিক ব্যবস্থাপনায় আয়োজিত পুণর্মিলনীতে
    সবাইকে আবার একসঙ্গে পেয়ে যেন কর্মজীবনের সব ক্লান্তি দূর হয়ে গিয়েছিল সাবেক শিক্ষার্থীদের। পুরোনো ক্যাম্পাসকে নতুন করে ক্যামেরাবন্দী করে রাখতে ছিল অনেক কসরত। প্রাণের বিদ্যালয়ে মধুর মিলনে সতীর্থরা একে অপরের সঙ্গে কুশল বিনিময় ও কোলাকুলির মাধ্যমে বন্ধুত্বের নতুন বন্ধন তৈরি করেন। সব ভেদাভেদ ভুলে সবাই একই মিশেলে মিলিত হন।

    বিদ্যালয়ের ৯৪ ব্যাচের পুনর্মিলনী উয্যাপন কমিটির সভাপতি ও ২৩ং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহবায়ক গোলাম মাহবুব জুয়েল বলেন, ২৯ বছর পর সুতিয়াখালী জহির উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি ৯৪ ব্যাচ, বন্ধুত্বের টানে শৈশবের মধুর স্মৃতিচারণায় ঈদের দ্বিতীয় দিন ব্যতিক্রমধর্মী মিলনমেলার আয়োজন করা হয়। ব্যাচের সদস্যদের অনেকেই দেশ ও দেশের বাইরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পেশায় নিয়োজিত।

    সাবেক শিক্ষার্থীরা বলেন, আমরা শৈশব-কৈশোরের খোঁজে এখানে ছুটে এসেছি, স্বপ্নের দরবারে, স্মৃতির আঙিনায়। জাঁকজমকপূর্ণ এ আয়োজনে তারা বলেন, পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে সাবেক শিক্ষার্থীদের মধ্যে মেলাবন্ধন রচিত হয়। সুখ-দুঃখের স্মৃতি রোমন্থন করার সুযোগ ঘটে। এর মাধ্যমে পরস্পরের মধ্যে ভ্রাতৃত্ব ও সৌহার্দ্যের বন্ধন আরও সুদৃঢ় হয়।এ সময় ৯৪ ব্যাচের শিক্ষার্থীরা একে অপরের সাথে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

    অনুষ্ঠানের সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন পুনর্মিলনী উদযাপন কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক তারিকুল ইসলাম (তারেক), স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডাঃ সাখাওয়াত হোসেন লিমন,শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদিকা আতিকুন নাহার (হাজেরা) সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক সারোয়ার জাহান সাগর,প্রচার সম্পাদক আকবর হোসেন (আকবর),কোষাধ্যক্ষ আবু সাঈদ খান খালেদ,সদস্য আব্দুল বারেক,সাইফুল ইসলাম (শিমুল),আসাদুল হক (আশরাফ),আলমগীর কবির,নাসির উদ্দিন (সুলতান),আব্দুর রব (লাল মাহমুদ) ও নজরুল ইসলাম সহ ব্যাচের অন্যান্য শিক্ষার্থীরা। পরে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।

  • পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালীতে গাজা গাছ সহ আটক ১

    পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালীতে গাজা গাছ সহ আটক ১

    রফিকুল ইসলাম ঃ
    পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালীতে গাঁজার গাছসহ মোঃ সবুজ প্যাদা (২৫) নামে একজনকে আটক করেছে পুলিশ। শুক্রবার বিকালে রাঙ্গাবালী উপজেলার চরমোন্তাজ ইউনিয়নের চরলক্ষী গ্রাম এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। এঘটনায় থানায় একটি মাদক আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

    চরমোন্তাজ তদন্ত কেন্দ্রর পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চরমোন্তাজ তদন্ত কেন্দ্রর অফিসার ইনচার্জ সজল কান্তি দাসে’র নেতৃত্বে একটি পুলিশ টিম শুক্রবার বিকাল চারটায় চরলক্ষী গ্রামে অভিযান চালিয়ে ইকবল প্যাদা এর ছেলে সবুজকে আটক করা হয়। এসময় আটককৃতর দোচলা বসতঘরের পুর্ব পাশ থেকে একটি কাচা গাঁজার গাছ উদ্ধার করে পুলিশ।

    চরমোন্তাজ তদন্ত কেন্দ্রর অফিসার ইনচার্জ সজল কান্তি দাস বলেন, গাঁজার গাছসহ আটককৃত সবুজের বিরুদ্ধে অবৈধ মাদকদ্রব্য গাজা গাছ বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে রোপন ও পরিচর্যা করার অপরাধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। শনিবার আসামীকে গলাচিপা বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হবে। এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

  • মুন্সীগঞ্জ‌ে গজারিয়ায ফুলদী নদীতে গোসল করতে নে‌মে পানিতে ডুবে একজ‌নের মৃত‌্যু

    মুন্সীগঞ্জ‌ে গজারিয়ায ফুলদী নদীতে গোসল করতে নে‌মে পানিতে ডুবে একজ‌নের মৃত‌্যু

    মুন্সীগঞ্জ প্রতি‌নি‌ধিঃ

    গজারিয়া উপজেলা পরিষদের অদূরে রসুলপুর খেয়াঘাট এলাকায় ফুলদী নদীতে গোসল করতে নেমে মোহাম্মদ কামাল নামে এক ব্যক্তি পানিতে ডুবে মারা গেছেন।

    নিহত কামাল উপজেলার ইমামপুর ইউনিয়নের রসুলপুর গ্রামের বাসিন্দা বলে জানা গেছে। পেশায় তিনি একজন সবজি বিক্রেতা। তবে স্থানীয়রা জানিয়েছে মানসিক ও শারীরিকভাবে দীর্ঘদিন ধরে তিনি অসুস্থ ছিলেন।

    ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী কয়েকজনের সাথে কথা বলে জানা যায়, আজ (শুক্রবার) দুপুর সাড়ে এগারোটার টার দিকে গোসল করতে পানিতে নেমে ডুবে যান তিনি। এ সময় আশেপাশে থাকা লোকজন ট্রলার নিয়ে খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে তার লাশ উদ্ধার করে। এ ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে গোটা এলাকায়।

  • ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গীতে ১৬৮তম সাঁওতাল বিদ্রোহ দিবস উপলক্ষে র‍্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

    ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গীতে ১৬৮তম সাঁওতাল বিদ্রোহ দিবস উপলক্ষে র‍্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

    গীতি গমন চন্দ্র রায় গীতি।।
    স্টাফ রিপোর্টার।।
    ঠাকুরগাঁও জেলার বালিয়াডাঙ্গীতে শুক্রবার ৩০শে জুন আদিবাসী কল্যাণ পরিষদের আয়োজনে বিকেল ৪ টায় ১৬৮ তম সাঁওতাল বিদ্রোহ দিবস উপলক্ষে র‌্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    উক্ত র‌্যালী বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা পরিষদ চত্বোর হতে বের হয়ে বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে একই স্থানে পৌঁছে সমাপ্ত হয়।পরে বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা পরিষদের সভা কক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    উক্ত সভায় বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা আদিবাসী কল্যাণ পরিষদের সভাপতি গোবিন্দ মার্ডির সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন- বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা নিবাহী অফিসার বিপুল কুমার,বিশেষ অতিথি হিসেব বক্তব্য রাখেন-জেলা আদিবাসী কল্যাণ পরিষদের উপদেষ্টা এটিএম সামশুজ্জোহা,সংগঠনের সাধারন সম্পাদক মানিক মরমূ,নির্বাহী সদস্য দানিয়েল সরেন, প্রমুখ।

    জানাযায়,৩০ জুন শুক্রবার ঐতিহাসিক সাঁওতাল বিদ্রোহ দিবস।ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদবিরোধী সংগ্রামের ইতিহাসে ১৮৫৫ সালের সাঁওতাল বিদ্রোহের এক গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায়।প্রথম সশস্ত্র গণসংগ্রামের এক সাঁওতাল বিদ্রোহীদের সে দিনের দেশপ্রেমিক সংগ্রাম,আদর্শ ও আত্মত্যাগ পরবর্তীকালে ভারতবর্ষের জাতীয় স্বাধীনতা আন্দোলনকে অনুপ্রাণিত করেছিল।সেইসাথে সাহস ও উদ্দীপনা জুগিয়েছিল মুক্তিকামী মানুষের কাছে আজও তা অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে আছে।
    সাঁওতাল বিদ্রোহের নায়ক দুই ভাই—সিধু মুরমু ও কানু মুরমু স্মরণে ও শ্রদ্ধায় সাঁওতালদের অনেকেই দিনটিকে বলে থাকেন সিধু-কানু দিবস।ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদ ও তাদের এদেশীয় দালাল সামন্ত জমিদার,সুদখোর,তাদের লাঠিয়াল বাহিনী, দারোগা-পুলিশের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে সাঁওতাল নেতা সিধু,কানু,চাঁদ ও ভৈরব এই ৪ ভাইয়ের নেতৃত্বে সাঁওতাল সম্প্রদায়ের লোক রুখে দাঁড়ায়। সঙ্গে ছিলেন তাঁদের দুই বোন ফুলোমনি মুরমু ও ঝালোমনি মুরমুও।ভারতের ভাগলপুর,মুর্শিদাবাদ ও বীরভূম জেলার প্রায় ১,৫০০ বর্গমাইল এলাকা দামিন-ই-কোহ্ বা “পাহাড়ের ওড়না”এলাকা হিসেবে চিহ্নিত।ভাগলপুরের ভগনা ডিহি গ্রামের সিধু,কানু,চাঁদ ও ভৈরব ৪ ভাইয়ের নেতৃত্বে দামিন-ই-কোহ্ অঞ্চলে সংঘটিত হয় সাঁওতাল বিদ্রোহ।১৮৫৫ সালের ৩০ জুন ভগনা ডিহি গ্রামে ৪০০ গ্রামের প্রতিনিধিত্বে জমায়েত হয় ১০ হাজার সাঁওতাল কৃষকেরা এই জমায়েতে সিধু-কানু ভাষণ দেন এবং এ সভায় সিদ্ধান্ত হয় যে অত্যাচারী শোষকদের হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য সবাইকে একত্রিত হয়ে লড়তে হবে।এখন থেকে কেউ জমির কোনো খাজনা দেবেন না এবং প্রত্যেকেরই স্বাধীনতা থাকবে যত খুশি জমি চাষ করবে এখন থেকে সাঁওতালদের সব ঋণ বাতিল হবে।তাঁরা মুলুক দখল করে নিজেদের সরকার কায়েম করার সিদ্ধান্ত নেন।
    ১০ হাজার সাঁওতাল কৃষক সেদিন শোষণহীন সমাজ প্রতিষ্ঠার শপথ গ্রহণ করেছিলেন।ভগনা ডিহি গ্রামের ওই সভার শপথ ছিল বিদ্রোহের শপথ।বিদ্রোহের মূল দাবি ছিল “জমি চাই,মুক্তি চাই”।জমিদার,মহাজন ও ব্রিটিশ সরকারের শোষণ ও জুলুম থেকে মুক্ত হয়ে শান্তির সঙ্গে উৎপাদনের কাজ ও জীবন ধারণ করার সংকল্প নিয়ে সাঁওতাল কৃষকেরা বিদ্রোহের পথে পা বাড়ান। তাঁদের এ বিদ্রোহের সঙ্গে যোগ দেন এলাকার শোষিত, অধিকার বঞ্চিত বাঙালি ও বিহারি হিন্দু-মুসলমান গরিব কৃষক এবং কারিগররা।সাঁওতাল বিদ্রোহ হয়ে উঠেছিল সব সম্প্রদায়ের গরিব জনসাধারণের জন্য মুক্তিযুদ্ধ। প্রতিবছরের এই দিনে সিধু-কানুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পাঞ্জলি,শোভাযাত্রা,আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন জেলা উপজেলায় ও বিস্তীর্ণ বরেন্দ্র অঞ্চলের সাঁওতালসহ বিভিন্ন ক্ষুদ্র জাতিসত্তার মানুষ ও দেশের বিভিন্ন প্রগতীশীল সংগঠন সাঁওতাল বিদ্রোহের নায়ক সিধু-কানুসহ সব আত্মদানকারীকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করে। এদিনটিতে উদযাপন করে থাকে সাঁওতাল বিদ্রোহ দিবস।এবারও বিদ্রোহের ১৬৮তম বার্ষিকীতে জাতীয় আদিবাসী পরিষদ,আদিবাসী সাংস্কৃতিক পরিষদ, আদিবাসী নারী পরিষদ, উত্তরবঙ্গ আদিবাসী ফোরাম,আদিবাসী মুক্তি মোর্চা, নাচোল আদিবাসী একাডেমি,আদিবাসী ছাত্র পরিষদ, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ), বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা আদিবাসী কল্যাণ পরিষদের উদ্যোগে ১৬৮ তম সাঁওতাল বিদ্রোহ দিবস পালন করেন।
    এ ছাড়া সাঁওতাল গানের দল সেঙ্গেল ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বিদ্রোহ দিবসের ওপর আলোচনা ও গানের অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন। এতে অংশ নেয় স্থানীয় সাঁওতাল সাংস্কৃতিক নেতারা।সাধারণ নিরক্ষর ক্ষুদ্র জাতিসত্ত্বার মানুষেরা সাঁওতাল বিদ্রোহের প্রকৃত ইতিহাস না জানলেও বংশপরম্পরায় তাঁদের কাছে গানে গানে বেঁচে আছেন সাঁওতাল বিদ্রোহের নায়কেরা। সাঁওতাল বিদ্রোহ দিবসে তাঁদের আজও গাইতে শোনা যায়,”সিদো-কানহু খুড়খুড়ি ভিতরে চাঁদ-ভায়রো ঘোড়া উপরে দেখ সে রে!চাঁদরে! ভায়রো রে!খোড়া ভাইয়োরে মুলিনে মুলিনে”।
    পালকিতে সিধু-কানু এবং ঘোড়ায় চড়ে চাঁদ-ভৈরব বিদ্রোহীদের পাশে থেকে তাঁদের উৎসাহ দিতেন।নেতাদের কাছে পেয়ে বিদ্রোহীদের মনে যে আনন্দ ও আশার আলো দেখা যেত, এই গানের মধ্যে তারই প্রতিচ্ছবি ফুটে উঠেছে।

  • গোপালগঞ্জ যাত্রীবাহী বাস খাদে পড়ে আহত-৩০

    গোপালগঞ্জ যাত্রীবাহী বাস খাদে পড়ে আহত-৩০

    স্টাফ রিপোর্টার, গোপালগঞ্জ : গোপালগঞ্জে যাত্রীবাহী লোকাল বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশের খাদে পড়ে অন্তত: ৩০ যাত্রী আহত হয়েছে।

    আজ শুক্রবার (২৯ জুন) সকালে গোপালগঞ্জ-টেকেরহাট সড়কের সদর উপজেলার উলপুর টোল অফিসের পাশে এ দূর্ঘটনা ঘটে।

    গোপালগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র ষ্টেশন অফিসার আরিফুল হক দূর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

    মারাত্মক আহত ১০জনকে গোপালগঞ্জ ২৫০-শয্যাবিশিস্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

    গোপালগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র ষ্টেশন অফিসার আরিফুল হক জানান, ডিলাক্স নামের একটি লোকাল যাত্রীবাহী বাস গোপালগঞ্জের কুয়াডাঙ্গা বাস স্ট্যান্ড ছেড়ে মাদারীপুরের টেকেরহাটের দিক যাচ্ছিল। এসময় বাসটি সদর উপজেলার উলপুর টোল অফিসের পাশে পৌঁছালে চালক নিয়ন্ত্রন হারিয়ে সড়কের পাশের খাদে ফেলে দেয়। এতে ওই বাসে থাকা অন্তত: ৩০ যাত্রী আহত হন।

    পরে স্থানীরা জাতীয় পরিসেবা ৯৯৯ ফোন দিলে গোপালগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের ২টি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে আহতদের উদ্ধর করে গোপালগঞ্জ ২৫০-শয্যাবিশিস্ট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে আসে। মারাত্মক আহত ১০জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

    আহত যাত্রীরা জানান, গোপালগঞ্জের কুয়াডাঙ্গা বাস স্ট্যান্ড থেকে বাসটি ছাড়ার পর থেকেই চালক এলোমেলোভাবে চালাচ্ছিলো। পরে উলপুর টোল অফিসের পাশে পৌঁছালে চালক বাসটি খাদে ফেলে দেয়। #

  • মোংলা যুবলীগের আয়োজনে শেখ তন্ময় এর জন্মদিন পালন

    মোংলা যুবলীগের আয়োজনে শেখ তন্ময় এর জন্মদিন পালন

    মোংলা প্রতিনিধিঃ
    তারুণ্যের দীপ্ত নক্ষত্র বাংলার কোটি মানুষের হৃদয়ের সপ্ন চারী, বর্ণীল যুবরাজ বাগেরহাট-০২ আসনের মামনীয় সংসদ সদস্য জননেতা শেখ শাহরান নাসের তন্ময়’র শুভ জন্মদিন উৎসব পালিত হয়েছে মোংলায়। যুব সমাজের যুবরাজখ্যাত শেখ তন্ময়ের জন্মদিন উৎসবে বৃহস্পতিবার (২৯ জুন) সন্ধ্যায় শহরের পৌরমার্কেট চত্বরে কেক কাটা ও দোয়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন
    মোংলা পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও পৌর মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ আঃ রহমান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ ইব্রাহিম হোসেন, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান ও উপজেলা যুলীগের সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন, বাগেরহাট জেলা পরিষদ সদস্য আঃ জলিল শিকদার, সুন্দরবন ইউনিয়নের চেয়ারম্যান একরাম ইজারাদার, মিঠাখালী ইউপি চেয়ারম্যান উৎপল কুমার মন্ডল, ৫ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. শরিফুল ইসলাম,
    মোংলা পৌর যুব মহিলা লীগের সভানেত্রী সুমী লীলা, মোংলা পৌর যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক লিটন হোসেন নিরব, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি শিকদার ইয়াছিন আরাফাত, উপজেলা যুবলীগ নেতা ছাদ্দাম হোসেন, পৌর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ শাহারুখ বাপ্পি, উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মুশফিকুর রহমান সাগর, পৌর ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক রুবেল হোসেনসহ স্থানীয় আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ সহ সহযোগী সংগঠনে বিভিন্ন স্তরের বিপুল সংখ্যক নেতা-কর্মী ও সমর্থক।
    জন্মদিনের কেক কাটা শেষে শেখ তন্ময়ের সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করে দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।

  • তানোরে ১২ ঘন্টার ব্যবধানে সড়কে ঝরলো দুই প্রাণ

    তানোরে ১২ ঘন্টার ব্যবধানে সড়কে ঝরলো দুই প্রাণ

    আলিফ হোসেন,
    তানোর(রাজশাহী)প্রতিনিধিঃ
    রাজশাহীর তানোরে ইদের আগের রাতে ও ইদের দিন সকালে মাত্র ১২ ঘন্টার ব্যবধানে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় দুইজন নিহত ও ৫ জন আহত হয়েছে।
    জানা গেছে, ২৯ জুন বৃহস্প্রতিবার তানোর-মুন্ডুমালা সড়কে দুটি মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে হাবিবুর রহমান (৪৫) নামে এক ব্যক্তি নিহত হন। তিনি উপজেলার পাঁচন্দর ইউনিয়নের প্রাণপুর পাঠাকাটা গ্রামের মৃত হাজি মনির উদ্দীনের পুত্র। এঘটনায় আহত হন আরো তিনজন। তারা হলো তানোর পৌর সদরের কুঠিপাড়া মহল্লার লিয়াকত আলীর পুত্র সাব্বির (১৬) ও কন্যা লিজা (১৮) এবং একই গ্রামের জাহাঙ্গীর আলমের পুত্র তফিকুল আলম (১৫)। এবিষয়ে তানোর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কামরুজ্জামান মিয়া বলেন, এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এর আগে গত ২৮ জুন বুধবার দিবাগত রাতে উপজেলার তানোর-মুন্ডুমালা সড়কের যোগিশো মোড়ে মোটরসাইকেলের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাছের সঙ্গে ধাক্কা লেগে বাবুল হোসেন (৪৮) নামে এক মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হন। তিনি উপজেলার গুবিরপাড়া গ্রামের মৃত আরশেদ আলীর পুত্র। এঘটনায় অপর মোটরসাইকেল আরোহী তানোর সদরের তানোরপাড়া মহল্লার মৃত ইসরাইল হোসেনের পুত্র রাফিকুল (৪৬) ও পথচারী যোগিশো গ্রামের লোকমানের পুত্র রাজিব (৩০) গুরুতর আহত হয়ে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এদিকে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান,পাকা সড়কে মাটি পড়েছিল। একটু বৃষ্টিতে মাটি ভিজে কাঁদা সৃষ্টি হওয়ায় কাঁদায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দুটি দুর্ঘটনাই ঘটেছে। তারা বলেন, এর দায় এড়াতে পারে না অবৈধ ভেঁকু দালালেরা। যারা মাটি বানিজ্যে করে রাস্তা ঝুঁকিপূর্ণ করেছেন।#

  • কৃষি জমি ধ্বংস করে অবৈধ ইটভাটা নির্মাণের অভিযোগ প্রশাসন নিরব

    কৃষি জমি ধ্বংস করে অবৈধ ইটভাটা নির্মাণের অভিযোগ প্রশাসন নিরব

    আলিফ হোসেন,
    তানোর(রাজশাহী)প্রতিনিধিঃ
    রাজশাহীর তানোরের সীমান্তবর্তী মান্দা উপজেলার ভারশোঁ ইউনিয়নের (ইউপি) বাঁকাপুর বিলে নীতিমালা লঙ্ঘন ও তিনফসলী জমি ধ্বংস করে অবৈধ ইটভাটা নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। দিনরাত সমানে অবৈধ ইটভাটার নির্মাণ কাজ করা হলেও অজ্ঞাত কারণে প্রশাসন নির্বিকার। এ ঘটনায় কৃষকদের মাঝে চরম উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে।স্থানীয়রা বলছে, বিএনপির সাবেক এমপির কাছে থেকে ক্ষমতাসীন দলের একশ্রেণীর প্রভাবশালী নেতা আর্থিক সুবিধা নিয়ে অবৈধ ইটভাটা করতে সহায়তা করছে। অথচ এভাবে নির্বিচারে তিন ফসলি জমি ধ্বংস করায় সাধারণ মানুষের মাঝে আওয়ামী লীগের চরম ইমেজ সঙ্কট সৃষ্টি হচ্ছে বলে মনে করছেন সচেতন মহল।কৃষকেরা বলছে, এলাকায় শিল্প কারখানা হোক সেটা তারাও চাই, তবে (ভাতের থালায় লাথি মেরে নয়) তিন ফসলি জমি ধ্বংস করে নয়। এক ফসলি বা অনাবাদি জমিতে করা হোক।
    সংশ্লিষ্ট সুত্র জানায়, বাংলাদেশ পরিবেশ অধিদপ্তরের জারি করা পরিপত্র (২০ অক্টোবর ২০০৩) অনুযায়ী ইট ভাটায় ১২০ ফুট উঁচু চিমনি স্থাপন বাধ্যতামুলক। এছাড়াও ইট পোড়ানো নিয়ন্ত্রণ আইন (৪ ধারার ৫ উপ-ধারা) অনুযায়ী আবাসিক
    এলাকা, উপজেলা সদর ও ফল বাগানের আশপাশের ৩ কিলোমিটার এলাকার মধ্যে ইটভাটা স্থাপন সম্পূর্ণ অবৈধ। এছাড়াও ভূমি আইন-২০২৩ ফসলি ও উঁচু জমির মাটি কাটা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। স্থানীয়রা অবৈধ এই ভাটার নির্মাণ কাজ বন্ধে সংশ্লিষ্ট বিভাগের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। কৃষক রুস্তম আলী, জসিম, সজল ও আকতার বলেন, অবৈধ ইটভাটা নির্মাণ বন্ধ না হলে, ইদের পর কৃষি জমি রক্ষায় তারা মানববন্ধনসহ নানা কর্মসূচি গ্রহণ করবেন।
    সচেতন মহলের ভাষ্য, দেশের প্রধানমন্ত্রী ও উচ্চ আদালতের নির্দেশনা রয়েছে এক ছটাক কৃষি জমি নষ্ট করা যাবে না। সেখানে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা উপেক্ষা করে বিএনপির দায়িত্বশীল নেতা কি ক্ষমতার জোরে কৃষি জমি ধ্বংস করছে। তাহলে এরা কি প্রধানমন্ত্রীর থেকেও শক্তিশালী এমন প্রশ্ন সংশ্লিষ্ট এলাকাবাসি। এদিকে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কৃষি জমি ধ্বংসের প্রভাব পড়বে বলে মনে করছেন তৃণমুলের নেতাকর্মীরা। অন্যদিকে খাদ্য ঘাটতি ও গবাদিপশুর চারনভুমি সঙ্কটে সাধারণ মানুষের জীবন ধারণে বিরুপ প্রভাব পড়বে, এর দায় নিবে কে ? তারা দ্রুত অবৈধ ইটভাটা বন্ধ, ফসলি জমি রক্ষা ও জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেছেন।
    সরেজমিন দেখা গেছে, ফসলি জমির ধান নষ্ট করে ইটভাটার নির্মাণ কাজ করা হচ্ছে। এসময় কথা হয় নির্মাণকাজ দেখভালের দায়িত্বে থাকা আব্দুল কাইয়ুমের সঙ্গে। তিনি বলেন, বিএনপির সাবেক সাংসদ হারুনুর রশিদ হারুন এটা নির্মাণ করছেন তিনি বলেন, ভাটা করার কথা তবে অটো রাইসমিল করারও পরিকল্পনা আছে। এবিষয়ে ভারশোঁ ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান সুমন বলেন, এলাকার কৃষকেরা তাকে বিষয়টি অবগত করেছেন, তবে এটা তো তার বন্ধ করা সম্ভব নয়, এটা উপজেলা প্রশাসনের বিষয়। এবিষয়ে মান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) লাইলা আঞ্জুমান বানুর মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি কল গ্রহণ না করায় তার বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।#