Author: desk

  • নেতাকর্মীদের সাথে দুপুরে খাবার খেলেন প্রধানমন্ত্রী

    নেতাকর্মীদের সাথে দুপুরে খাবার খেলেন প্রধানমন্ত্রী

    স্টাফ রিপোর্টার, গোপালগঞ্জ : খাবারের মেনুতে রয়েছে পোলাও, সাদা ভাত, খাসির মাংস, ডাল, সবজি ও সেমাই। দুপুরের খাবারে একে একে পোলাও বাদে সবই খেলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    তাও আবার তিনি নিজে একা নন। নিজ নির্বাচনী এলাকার স্থানীয় নেতাকর্মী ও কেন্দ্রীয় নেতাদের সাথে নিয়ে একসঙ্গে দুপুরের খাবার খান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    দুই দিনের সফরে আজ শনিবার (০১ জুলাই) নিজ নির্বাচনী এলাকা গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া ও টুঙ্গিপাড়ায় এসেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সফরের প্রথম দিন কোটালীপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগ কায্যালয় উদ্বোধন করে বৃক্ষ রোপন করেন। পরে স্থানীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় সঙ্গে ছিলেন।

    কোটালীপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে উপজেলা ভবনের সামনে মধ্যাহ্নভোজের আয়োজন করা হয়। সেখানে কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে দুপুরের খাবার খেতে বসেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তার সামনে নিয়ে আসা হয় পোলাও, সাদা ভাত, খাসির মাংস, ডাল, সবজি ও সেমাই। পোলাও বাদে একে একে সব খাবার খান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এসময় ৫হাজার নেতাকর্মীও দুপুরের খাবার খান।

    মধ্যাহ্নভোজের আগে নেতাকর্মীদের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময়কালে প্রধানমন্ত্রী শেক হাসিনা বলেছেন, ‘সরকার দেশের ব্যাপক উন্নয়ন করেছে, তবু কিছু মানুষ সরকারের উন্নয়ন দেখে না।’ তাদেরকে চোখ থাকতে অন্ধ আখ্যায়িত করে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ‘তাদের প্রতি করুণা ছাড়া আর কিছু করার নেই।’
    শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমি দেশের মানুষের ভাগ্যের উন্নয়ন করবই। যারা চায়নি দেশের উন্নয়ন হোক এটা তাদের প্রতি আমার চ্যালেঞ্জ। নিজের ভাগ্যের উন্নয়নের জন্য নয়, জনগণের ভাগ্যের উন্নয়নের জন্য তিনি ক্ষমতায় এসেছেন। আর সেটা তিনি বাস্তবায়ন করে দেখাবেন।’

    এর আগে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে নিজ নির্বাচনী এলাকা কোটালীপাড়ায় পৌঁছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পরে মধ্যাহ্নভোজের বিরতি শেষেকোটালীপাড়া থেকে টুঙ্গিপাড়ার উদ্দেশে রওনা হন প্রধানমন্ত্রী। টুঙ্গিপাড়ায় পৌঁছে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা জানিয়ে দোয়া ও মোনাজান করে। পরে তিনি নিজ বাস ভবনে রাত্রী যাপন করেন।

    নেত্রী শাবানা খান জানান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাবার সাথে দুপুরে খাবার খেয়েছে এটা আমাদের কাছে চরম পাওয়া। মায়ের মত তিনি সকলকে নিয়ে খাবার খেয়েছে। এতে আমরা গর্বিত। আমার চাই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বার বার এসে আমাদের সাথে খাবার খাবেন।

    কোটালীপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক আয়নাল হোসেন শেখ বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মধ্যাহ্নভোজের জন্য পোলাও, সাদা ভাত, খাসির মাংস, ডাল, সবজি ও সেমাই করা হয়েছে। তিনি পোলাও ছাড়া বাকী সকল খাবার খেয়েছেন।

    তিনি আরো বলেন, এর আগে কোন রাষ্ট্র নায়ক এভাবে নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে খেয়েছেন কি না আমাদের জানা নেই। কোটালীপাড়ার মানুষ অত্যান্ত ধন্য হয়েছে। তিনি আমাদের ঈদের শুভেচ্ছা দিয়েছেন। আমরা নেত্রী জন্য দোয়া করি। তিনি দীর্ঘায়ু হন ও আগামী নির্বাচনে জয় লাভ করে আবারো প্রধানমন্ত্রী হন। #

  • ঝালকাঠিতে নদী ভাঙ্গন রোধে স্থায়ী বেড়িবাঁধ নির্মাণের দাবীতে মানববন্ধন

    ঝালকাঠিতে নদী ভাঙ্গন রোধে স্থায়ী বেড়িবাঁধ নির্মাণের দাবীতে মানববন্ধন

    রিপোর্ট : ইমাম বিমান

    ঝালকাঠি জেলার কাঠালিয়া উপজেলাধীন বিষখালি নদী ভাংঙ্গন রোধে স্থায়ী বেড়িবাঁধ নির্মানের দাবিতে নদী তীরবর্তী ভাঙ্গন কবলিত স্থানীয় বাসিন্দারা মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে।

    ১ জুলাই শনিবার দুপুর সাড়ে বারটার সময় উপজেলার আমুয়া ইউনিয়ন পরিষদের ৩ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মোস্তফা হাওলাদারের নেতৃত্বে সোনাউটা দাখিল মাদ্রাসার সামনে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। ইউনিয়নের ৩ ও ৬ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দাদের উদ্যোগে লেবুনিয়া খাল হতে মরহুম বারেক খান চেয়ারম্যানের বাড়ি পর্যন্ত বিষখালী নদীর তীরে স্থায়ী বেড়িবাঁধ নির্মাণের দাবিতে এ মানববন্ধন করেন।

    এ সময় বক্তারা বলেন, বর্ণিত এলাকায় বেড়ীবাঁধ না থাকায় অনেক বসতবাড়ি, মসজিদ, মন্দির, রাস্তাঘাট ও ফসলী জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। প্রতি বছর বর্ষায় জোয়ারের পানি এলাকার নিম্নাঞ্চলে প্লাবিত হয়ে পুকুরের মাছ ও ক্ষেতের ফসলাদির ব্যাপক ক্ষতিসাধন করে। এ বিষয়ে আশু পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য তারা পানি উন্নয়ন বোর্ডসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেন।

  • রাঙ্গাবালীতে ফ্রী কম্পিউটার প্রশিক্ষণ

    রাঙ্গাবালীতে ফ্রী কম্পিউটার প্রশিক্ষণ

    রফিকুল ইসলাম ঃ
    স্লাম জুয়েলার্স এসিষ্টান্স ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে আইসিটি ডিভিশনের সহযোগিতায় রাঙ্গাবালী উপজেলার চরমোন্তাজ ইউনিয়নে শিক্ষিত বেকার যুবক ও নারীদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ, স্বাবলম্বী ও আত্মকর্মী হিসেবে গড়ে তুলতে বিনামূল্যে কম্পিউটার প্রশিক্ষণে প্রধান অতিথি হিসেবে শুভ উদ্বোধন করেছেন, চরমোন্তাজ তদন্ত কেন্দ্রের অফিসার ইনচার্জ সজল কান্তি দাস।

    শনিবার (১ জুন, ২০২৩ খ্রিঃ ) সকাল ১১ টায় চরমোন্তাজ এ সত্তার মধ্যমিক বিদ্যালয়ের হল হলরুমে প্রাঙ্গণে কম্পিউটার প্রশিক্ষণ শুভ উদ্বোধন করা হয়।

    এতে সভাপতিত্ব করেন, এ্যাড.জসিম উদ্দিন খান, জজ কোর্ট পটুয়াখালী।

    উক্ত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্বাগতিক বক্তব্য ও অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন প্রকল্প পরিচালক কে.এম. রুবেল মাহমুদ।

    অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এশিয়ান টিভি ও যায়যায়দিন প্রত্রিকার প্রতিনিধি, আইয়ুব খান।

    এতে বক্তব্য রাখেন, বেশ কয়েকজন প্রশিক্ষণার্থী।

    চরমোন্তাজ ৪ নং স্লুইস বাজারে ট্রেনিং সেন্টার স্থাপনের মাধ্যমে বিনামূল্যে কম্পিউটার প্রশিক্ষণ করে সার্টিফিকেট পাবে স্লাম জুয়েলার্স এসিষ্টান্স ফাউন্ডেশনের এমন উদ্যোগে খুশি প্রশিক্ষণার্থীরা ।

    এসময় প্রশিক্ষক মোঃ কবির হোসেন বলেন, স্লাম জুয়েলার্স এসিষ্টান্স ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে শিক্ষিত বেকার যুবক-তরুণীদের কম্পিউটার প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। এতে করে তারা প্রশিক্ষণের মাধ্যমে স্বাবলম্বী হতে পারবেন।

    প্রধান অতিথি সজল কান্তি দাস বলেন, জ্ঞান অর্জনের জন্য কম্পিউটার প্রশিক্ষণ নেয়া আবশ্যক। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ একটি উন্নত দেশে রূপান্তর করতে গ্রামের প্রত্যন্ত অঞ্চলের শিক্ষিত যুবক-তরুণীদের মধ্যে নতুন চেতনা আনতেই এমন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তিনি প্রশিক্ষণার্থীদের মনোযোগ সহকারে প্রশিক্ষণ গ্রহণের আহ্বান জানান।

  • গোপালগঞ্জে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু

    গোপালগঞ্জে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু

    স্টাফ রিপোর্টার, গোপালগঞ্জ : গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলায় পানিতে ডুবে আবু তালহা ফকির নামে তিন বছরের এক শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।

    আজ শনিবার (০১ জুলাই) সকালে উপজেলার পিঞ্জুরি ইউনিয়নের সোনাখালী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

    টুঙ্গিপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক তরিকুল ইসলাম মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

    এলাকাবাসী ও হাসপাতাল সূত্রে জানাগেছে, সোনাখালী গ্রামের রবিউল ফকিরের ছেলে শিশু আবু তালহা ফকির বাড়ির উঠানে খেলা করছিল। এসময় পরিবারের সকলের অগোচরে পুকুরের পানিতে পড়ে যায়। পরে পরিবারের লোকজন আবু তালহাকে দেখতে না পেয়ে আশপাশে খোঁজাখুঁজি শুরু করে।

    এক পর্যায়ে আবু তালহাকে পুকুরের পানিতে ভাসতে দেখে পরিবারের লোকজন উদ্ধার করে টুঙ্গিপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে।

    টুঙ্গিপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক তরিকুল ইসলাম বলেন, শিশুটিকে হাসপাতালে নিয়ে আসার আগেই তার মৃত্যু হয়েছে। #

  • “নিজের ভাগ্য গড়তে আসিনি”- কোটালীপাড়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

    “নিজের ভাগ্য গড়তে আসিনি”- কোটালীপাড়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

    স্টাফ রিপোর্টার, গোপালগঞ্জ : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, নিজের ভাগ্য গড়তে আসিনি। নিশ্চিয় বাংলাদেশের মানুষের ভাগ্য গড়তে এসেছি। তারপরও যে অপবাদ দিয়েছে, তার প্রতিবাদ করে নিজেদের টাকায় পদ্মা সেতু করতে পেরেছি। এটাই হলো সবচেয়ে বড় কথা। সেই শক্তিটা কিন্তু আপনারা যুগিয়েছেন।

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আরো বলেছেন, যারা চাইনি আওয়ামী লীগ কোন দিন ক্ষমতায় আসুক, এদেশের মানুষ আবার পেট ভরে ভাত খাক, মানুষের মাথা গোঁজার ঠাঁই হোক। রোগে চিকিৎসা পাক, শিক্ষা পাক, তাদের প্রতি আমাদের চ্যালেঞ্জ। এই দেশ আমার বাবা স্বাধীন করেছেন। আমার বাবা যে লক্ষ্য নিয়ে দেশ স্বাধীন করেছেন, সেটা আমি করবো। শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, মানুষের আর্থসামাজিক উন্নয়ন করা, অবকাঠামোগত উন্নয়ন করা এটাইতো আমাদের লক্ষ্য। সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ ছিলো পদ্মা সেতু। মিথ্যা অপবাদ দিতে চেয়েছিলো। নিজের ভাগ্য তো গড়তে আসিনি। নিশ্চিয় বাংলাদেশের মানুষের ভাগ্য গড়তে এসেছি। তারপরও যে অপবাদ দিয়েছে, তার প্রতিবাদ করে নিজেদের টাকায় পদ্মা সেতু করতে পেরেছি। এটাই হলো সবচেয়ে বড় কথা। সেই শক্তিটা কিন্তু আপনারা যুগিয়েছেন।

    গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ভবেন্দ্র নাথ বিশ্বাসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত নেতাকর্মীদের সাথে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় ও আলোচনাসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এসব কথা বলেন।

    শেখ হাসিনা আরো বলেন, বাংলাদেশের ভাবমূর্তি আজকে সারা বিশ্বে উজ্জ্বল করতে পেরেছি। যারা বাংলাদেশের কোন ভালই দেখে না চোখে। যারা দেখে না চোখে, চোখ থাকতে যারা অন্ধ তাদের বিরুদ্ধে কিছু বলার নাই। তারা দেখে না, কিন্তু ভোগ করে। আমরা ডিজিটাল বাংলাদেশ করেছি, আজকে সবার হাতে মোবাইল ফোন, অনলাইন। সবাই সারা দিন কথা বলে। এতোগুলো টেলিভিশন দিয়ে দিয়েছি। সারাদিন কথাবার্তা বলে তারপর যদি বলে কিছুই বলতে পারি না, এ কথা বলার অধিকার নেই। সবই বলেই তারপরেও বলে কথা বলার অধিকার নাই। এদের ব্যাপারে করুণা করা ছাড়া আর কিছুই নাই। আমরা তাদের করুণাই করি।

    তিনি বলেন, বাংলাদেশের ভাবমূর্তি আজকে সারা বিশ্বে উজ্জ্বল করতে পেরেছি। যারা বাংলাদেশের কোন ভালই দেখে না চোখে। যারা দেখে না চোখে, চোখ থাকতে যারা অন্ধ তাদের বিরুদ্ধে কিছু বলার নাই। তারা দেখে না,কিন্তু ভোগ করে। আমরা ডিজিটাল বাংলাদেশ করেছি, আজকে সবার হাতে মোবাইল ফোন, অনলাইন। সবাই সারা দিন কথা বলে।এতোগুলো টেলিভিশন দিয়ে দিয়েছি। সারাদিন কথাবার্তা বলে তারপর যদি বলে কিছুই বলতে পারি না, কথা বলার অধিকার নাই। সব বলেই বলে কথা বলার অধিকার নাই। এদের ব্যাপারে করুণা করা ছাড়া আর কিছুই নাই। আমরা তাদের করুণাই করি।

    ফসল ফলানো নিয়ে শেখ হাসনা বলেন, আমাদের ফসল আমাদেরই ফলাতে হবে। আমাদের খাদ্য চাহিদা আমরা পূরণ করবো। আর যা উদ্বৃত্ত থাকে তা বরং অন্যদের দিতে পারবো। সেটাই আমরা করবো। খাদ্য সংরক্ষণের আমরা ব্যবস্থা করছি। আমরা প্রত্যেক এলাকায় এলাকায় খাদ্য সংরক্ষণের ব্যবস্থা নিবো। যা যা সহযোগিতা করার আমরা করবো।

    দারিদ্র মুক্ত বাংলাদেশ নিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, আমার বাবা দেশটা স্বাধীন করে গেছেন। তাঁর স্বপ্ন পূরণ করে ক্ষুধা দারিদ্রমুক্ত বাংলাদেশ গড়া আমার লক্ষ্য। আজকে হতদরিদ্র মাত্র ৫ ভাগ, সেটাও যেন না থাকে, তার জন্য আমরা ব্যবস্থা নিচ্ছি। একজনও হতদরিদ্র বলে কেউ থাকবে না। প্রত্যেকেরই একটি ঘর, জমি আর জীবন জীবিকার ব্যবস্থা ইনশাল্লাহ আমরা করতে পারবো।

    স্বাস্থ্য সেবা ও শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, কমিউনিটি ক্লিণিক থেকে ওষুধ দিচ্ছি। শিক্ষার ব্যবস্থা করেছি। স্কুলগুলোকে আমরা নতুন ভাবে তৈরী করে দিচ্ছি। পড়াশোনার সুযোগ করে দিচ্ছি, বৃত্তি দিচ্ছি। প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে আমরা বৃত্তি দিবো। বয়স্কভাতা, বিধবাভাতা, প্রতিবন্ধি ভাতা, দুঃস্থ মুক্তিযোদ্ধা ভাতা, বিভিন্ন সামাজিক কায্যক্রমের মাধ্যমে আমরা মানুষকে সহযোগিতা করে যাচ্ছি।

    কোটালীপাড়াবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, আজকে আপনারাই আমার সব দায়িত্ব নিয়েছেন।আমার নির্বাচন আমার সব কিছুই আপনারা দেখেন। আমার টুঙ্গিপাড়া কোটালীপাড়ার মানুষ গুলোই তো আমার সবচেয়ে বড় শক্তি। যারা আমাদের হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রীষ্টান সম্প্রদায় যার যার ধর্মীয়ভাবে আপনারা সৃষ্টির কর্তার কাছে কামনা করবেন এই বাংলাদেশ লাখো শহীদের রক্তের বিনিময়ে বাংলাদেশ। এই বাংলাদেশের সারা বিশ্বে মাথা উঁচু করে আমরা চলবো। বাংলাদেশের মানুষ ময্যাদা নিয়ে চলবে। সেটাই আমরা চাই।

    এসময় আওয়ামী লীগ সভাপতিকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়ে পদ্মা সেতু নির্মাণের পর গত এক বছরে তারা যে সুবিধা পেয়েছেন তা প্রধানমন্ত্রীকে জানিয়ে স্বপ্নের এই সেতু নির্মাণে সাহসী ভূমিকার জন্য অভিনন্দন জানান। এসময় কোটালীপাড়ার নেতাবৃন্দ বলেন, এলাকার জনগণ আওয়ামী লীগ সরকারের উন্নয়নের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখতে নৌকায় ভোট দিতে মুখিয়ে আছে। নির্বাচন বিরোধী সব অপতৎপরত নস্যাৎ করতেও তারা প্রস্তুত বলেও জানান কোটালিপাড়াবাসী।

    এর আগে নেতাকর্মীদের সাথে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় ও আলোচনাসভায় অংশ নিতে দুই দিনের সফরে শনিবার বেলা সাড়ে ১১ টায় সড়ক পথে ঢাকা থেকে পদ্মা সেতু হয়ে গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া এসে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। কোটালীপাড়ায় পৌঁছানোর পর নেতা-কর্মীরা প্রধানমন্ত্রীকে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান ও বিভিন্ন শ্লোগান দেন। প্রধানমন্ত্রী এ সময় হাত নেড়ে নেতা-কর্মীদের শুভেচ্ছা জানান।

    কোটালীপাড়া পৌঁছে উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে স্থানীয় সিনিয়র নেতাকর্মীদের সাথে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। পরে সেখানে আয়োজতি মত বিনিময় সভায় অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী। পরে সভার শুরুতে দলীয় প্রধানের নির্দেশে কোটালিপাড়ার ১২টি ইউনিয়নের আওয়ামী লীগ নেতা, সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা বক্তব্য রাখেন। পরে উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে নতুন ভবনের ফলক উম্নোচন করেন। এছাড়া প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দলীয় কার্যালয় ভবনের সামনে একটি আম, একটি নিম ও একটি বকুল গাছের চারা রোপণ করেন।

    পরে প্রধানমন্ত্রী কোটালীপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীদের সাথে মত বিনিময় সভায় অংশ নেন। সভা শেষে সেখানে নেতা-কর্মীদের সাথে মধ্যাহ্নভোজে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    এসময় আওয়ামী লীগের তথ্য বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়, উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য কাজী আকরাম উদ্দিন আহম্মদ, প্রেসিডিয়াম মেম্বার শাজাহান খান, এমপি, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক আফম বাহাউদ্দিন নাছিম, এমপি, সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম কামাল, শেখ হেলাল উদ্দিন, এমপি, শেখ সালাহউদ্দিন জুয়েল, এমপি, প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনি এলাকার উন্নয়ন প্রতিনিধি শহীদ উল্লা খন্দকার, কোটালীপাড়া উপজেলা চেয়ারম্যান বিমল কৃষ্ণ বিশ্বাস, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক আয়নাল হোসেন শেখ, আওয়ামী লীগ নেতা এস এম হুমায়ূন কবীর, মুজিবুর রহমান হাওলাদার, কোটালীপাড়া পৌরসভার মেয়র ,মতিয়ার রহমান হাজরা, কামাল হোসেন শেখ, জেলা পরিষদ সদস্য কামরুল ইসলাম বাদল প্রমূখ।

    কোটালীপাড়ার কর্মসূচী শেষ করে দুপুরে টুঙ্গিপাড়ার উদ্দেশ্যে রওনা দেন প্রধানমন্ত্রী। পরে টুঙ্গিপাড়া পৌঁছে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধি সৌধ বেদিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পরে দোয়া মোনাজাতে অংশ নেন। এরপর তিনি নিজ বাসভবনে অবস্থান নেন ও রাত্রী যাপন করেন।

    রোববার (০২ জুলাই) টুঙ্গিপাড়ায় জেলা ও উপজেলা আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের সাথে বিনিময় করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পরে ঢাকা উদ্দেশ্যে রওনা দিকেন প্রধানমন্ত্রী।

    ঘরের মেয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আগমনকে কেন্দ্র করে নেতাকর্মীদের মধ্যে বইছে আনন্দের বন্যা। এক নজর দেখার জন্য অধীর অপেক্ষায় ছিলেন তারা। প্রধানমন্ত্রীর এ সফর নেতাকর্মীদের মাঝে ঈদের আনন্দকে আরো বাড়িয়ে দিয়েছে দ্বিগুন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আগমনকে কেন্দ্র করে করা হয়েছে শোভাবর্ধন। সড়কের মোড়ে মোড়ে টাঙ্গানো হয়েছে নানা ধরনের ব্যানার, ফেষ্টুন ও বিলবোর্ড। শুভেচ্ছা জানিয়ে নির্মাণ করা হয়েছে তোরন। নেয়া হয় কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা। #

  • ধনবাড়িতে ইসলামিক রিলিফ এর কোরবানি কর্মসূচী পালিত

    ধনবাড়িতে ইসলামিক রিলিফ এর কোরবানি কর্মসূচী পালিত

    আঃ হামিদ মধুপুর টাঙ্গাইল প্রতিনিধিঃ
    টাঙ্গাইলের ধনবাড়ীতে ইসলামিক রিলিফ বাংলাদেশ এর অর্থায়নে এবং মানব উন্নয়ন ও গবেষণা সংস্থা কর্মায়ন আয়োজিত কোরবানি কর্মসূচী ২০২৩ পালিত হয়েছে। ধনবাড়ীর থোড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক এমপি।

    কর্মায়ন এর নির্বাহী পরিচালক আরশেদ আলী রাসুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন ধনবাড়ী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জনাব মোঃ হারুনার রশীদ হীরা। অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, ধনবাড়ী পৌরসভার সাবেক মেয়র এবং ধনবাড়ী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জনাব খন্দকার মঞ্জুরুল ইসলাম তপন, ধনবাড়ী উপজেলার সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান এবং আসিয়া হাসান আলী মহিলা কলেজের সাবেক ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ জনাব মোঃ সাইফুল ইসলাম বেলাল, আসিয়া হাসান আলী মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ জনাব মোঃ ইকবাল হোসেন তালুকদার। ধনবাড়ী উপজেলার মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান জনাব খন্দকার জেব উন নাহার লিনা বকল। অনুষ্ঠানে ১৪০০ অসহায় হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে ৪০ টি গরু কোরবানি করে ২ কেজি করে গরুর মাংস বিতরণ করা হয়। ইসলামিক রিলিফ এর প্রতিনিধি ফজলুর রহমান এসময় উপস্থিত ছিলেন।
    অনুষ্ঠান শেষে কৃষিমন্ত্রী সাধারণ মানুষের সাথে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। এসময় কৃষিমন্ত্রী বলেন, আওয়ামীলীগ সরকার প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে‌ সবসময় কাজ করে যাচ্ছে।

  • সেনবাগে বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হক স্মরনে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

    সেনবাগে বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হক স্মরনে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

    রফিকুল ইসলাম সুমন (নোয়াখালী)

    ঢাকাস্থ সেনবাগ কল্যান সমিতির সাবেক সভাপতি, মইজদীপুর আইডিয়াল একাডেমি পরিচালনা পরিষদের সম্মানিত চেয়ারম্যান, বিশিষ্ট সমাজসেবক ও শিক্ষানুরাগী বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হক স্মরনে এক আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।মইজদীপুর আইডিয়াল একাডেমির আয়োজনে
    ৩০ শে জুন, শুক্রবার বিকেলে উপজেলার দিলদার মার্কেট রংধনু কমিউনিটি সেন্টার হলরুমে অনুষ্ঠিত, মাওলানা আবদুল হাই এর কোরআন তেলাওয়াতের মধ্য দিয়ে উক্ত আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের সুচনা হয়।এসময় আইডিয়াল একাডেমির পরিচালক মাস্টার মোঃ সাইফুল ইসলাম এর সঞ্চালনায় উক্ত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন,আইডিয়াল একাডেমির ভাইস-চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ মোশাররফ হোসেন। দক্ষ সংগঠক, সমাজসেবক ও শিক্ষানুরাগী বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম আবদুল হকের কর্মময় জীবনের স্মৃতিচারণ করে উক্ত স্মরণসভায় বক্তব্য রাখেন, সড়ক ও সেতু মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব মোঃ আবু নাছের টিপু, বীর মুক্তিযোদ্ধা সোলায়মান বাহার, বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুল হক ভূঁইয়া, সেনবাগ উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি ও ৩নং ডমুরুয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ শওকত হোসেন কানন, কমরেড মহি উদ্দিন, কামু মিয়া দারুল উলুম মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা সোহরাব হোসেন সুমন, মোকছেদুল আলম ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মোঃ সালাহ উদ্দিন, উপ-সহকারী কৃষি প্রকৌশলী মোঃ কামাল হোসেন, ফিরোজ খাঁন,নূর আলম সিদ্দিক, ফয়েজুর রহমান, আবদুল হান্নান চৌধুরী, ডাঃ তৌহিদুল আমিন, এনামুল হক সাবু,আরমানে আরছালান আরমান সহ অনেকেই। স্মরণ সভায় উপস্থিত ছিলেন, ৬নং কাবিলপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও মরহুম আবদুল হক সাহেবের সহোদর মোঃ ছেরাজুল হক, আইডিয়াল একাডেমির পরিচালক খুরশীদ আলম, মুন্নু টেক্সটাইল মিল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবু সাকের মোঃ জাকারিয়াসহ প্রায় ৫ শতাধিক এলাকাবাসী।
    মরহুম আবদুল হক সাহেবের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে মাওলানা হোসাইন আহমেদ এর পরিচালনায় বিশেষ দোয়া – মুনাজাতের মধ্যে দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি হয়।

  • পটিয়ায় বিএনপির ঈদ পূর্ণমিলনী ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

    পটিয়ায় বিএনপির ঈদ পূর্ণমিলনী ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

    নিজস্ব প্রতিনিধি:
    পটিয়ায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)র ঈদ পূর্ণমিলনী ও মতবিনিময় সভা গতকাল বিকালে ছনহরায় ইদ্রিস মিয়ার বাসভবনে
    পটিয়া উপজেলা ছাএদলের সাবেক সভাপতি এস এম সুমনের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহবয়ক কমিটির সিনিয়র সদস্য ও সাবেক সফল উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোঃ ইদ্রিস মিয়া। এ সময় বক্তব্য রাখেন পটিয়া উপজেলা শ্রমিক দলের সভাপতি আবু জাফর চৌধুরী, আবুল কাশেম চেয়ারম্যান, মীর মোহাম্মদ মদন,মোহাম্মদ রফিক,আব্দুল করিম মেম্বার, সেলিম মাষ্টার, মামুন সিকদার,নজরুল,আবু তাহের,ব্যাংকার মফিজুর রহমান, নুর মোহাম্মদ, ফরিদুল ইসলাম, জাহেদুল হক মেম্বার, নুরুল ইসলাম, মঈন উদ্দীন,নুর নবী, এম এ রুবেল,রাসেল,শাহাজাহান সহ পটিয়া উপজেলা বিএনপির নেতা কর্মীরা এসময় উপস্থিত ছিলেন। এসময় প্রধান অতিথির বক্তব্যে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহবয়ক কমিটির সিনিয়র সদস্য আলহাজ্ব মোঃ ইদ্রিস মিয়া বলেন, জাতির সামনে একটাই পথ আন্দোলনের মধ্য দিয়ে এই সরকারকে বাধ্য করতে হবে একটা নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন দিয়ে জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষাকে যেন আমরা প্রতিফলন ঘটাতে পারি। বিএনপি নেতাা চেয়ারম্যান ইদ্রিস মিয়া আরো
    বলেন, ‘এরশাদ সরকারের হাত থেকে দেশ রক্ষা করেছিলেন খালেদা জিয়া। এবারও দেশ রক্ষায় খালেদা জিয়ার বিকল্প নাই। খালেদা জিয়া মুক্ত না হলে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার হবে না। এ জন্য সবাই কে আন্দোলনের জন্য প্রস্তুত থাকবে হবে।’

  • নড়াইলে পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে এসপি সাদিরা খাতুনের শুভেচ্ছা বিনিময়

    নড়াইলে পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে এসপি সাদিরা খাতুনের শুভেচ্ছা বিনিময়

    উজ্জ্বল রায় নড়াইল থেকে:

    নড়াইলে পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে এসপি সাদিরা খাতুনের শুভেচ্ছা বিনিময়।
    ঈদ সকলের জীবনে বয়ে আনুক অনাবিল সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি ।(২৯ জুন) পবিত্র ঈদুল আযহা। সকালে নড়াইল পুলিশ লাইনসে্ পবিত্র ঈদুল আযহার নামাজ শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে নড়াইল জেলার সকল অফিসার ও ফোর্সদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন মোসাঃ সাদিরা খাতুন, পুলিশ সুপার, নড়াইল। উজ্জ্বল রায় নড়াইল থেকে জানান, তিনি দুপুরে অফিসার ও ফোর্সদের সাথে পুলিশ লাইনসে্ অনুষ্ঠিত প্রীতিভোজে অংশগ্রহণ করেন। এ সময় মোঃ রিয়াজুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ), মোঃ দোলন মিয়া, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল), প্রণব কুমার সরকার, সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (কালিয়া সার্কেল), সকল থানার অফিসার ইনচার্জগণসহ বিভিন্ন পদমর্যাদার পুলিশ সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
    তিনি নড়াইল সদর, কালিয়া, নড়াগাতি ও লোহাগড়া থানাসহ সকল পুলিশ ক্যাম্প, ফাঁড়ি ও তদন্ত কেন্দ্রের অফিসার ও ফোর্সদের সাথে ঈদের শুভেচ্ছা ও কুশল বিনিময় করেন।
    পুলিশের অনবদ্য পরিশ্রমের ফলে ঘরমুখো মানুষগুলো নিরাপদে যানজটমুক্তভাবে বাড়িতে পৌঁছে শান্তিপূর্ণভাবে ঈদ উদযাপন করতে পেরেছে। প্রতিকূল আবহাওয়া উপেক্ষা করে অক্লান্ত ও ধারাবাহিক পরিশ্রমের মাধ্যমে বাংলাদেশ পুলিশ দেশের সকল নাগরিকের ঈদ উদযাপন নির্বিঘ্ন করায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও আইজিপি মহোদয় বাংলাদেশ পুলিশের সকল সদস্য ও তাদের পরিবারবর্গকে ঈদ শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। এই শুভেচ্ছা বার্তা পুলিশ সুপার মহোদয় নড়াইল জেলার সকল ইউনিটের পুলিশ সদস্য ও তাদের পরিবারের সকল সদস্যকে পৌঁছে দিয়েছেন।

  • নড়াইলে ভাঙা সেতু পরিণত হয়েছে মরণফাঁদে

    নড়াইলে ভাঙা সেতু পরিণত হয়েছে মরণফাঁদে

    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে:
    নড়াইলে এক বছর ধরে ভাঙা সেতু অসংখ্য
    যানবাহন চলাচল ও জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পারাপার। নড়াইলের লোহাগড়ার শালনগর ইউনিয়নের বাতাসী ফুলবাড়িয়া গ্রামের সেতুটি পরিণত হয়েছে মরণফাঁদে। প্রতিদিন এই সেতুর ওপর দিয়ে শতশত মানুষসহ অসংখ্য যানবাহন চলাচল করে। স্থানীয়দের অভিযোগ, সেতুটি দীর্ঘ এক বছর ধরে ভেঙে পড়ে আছে। এতে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে তারা এই সেতু পার হচ্ছে।
    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে জানান, সরেজমিন ঘুরে জানা গেছে, এক বছর আগে একটি ট্রলি চলতে গিয়ে ভেঙে পড়ে সেতুটি। এরপর স্থানীয় লোকেরা কয়েকটি কাঠের তক্তা দিয়ে পারাপার করছেন। এছাড়া সেতুটিতে ঝুঁকি রয়েছে জেনেও মোটরসাইকেল, বাইসাইকেল নিয়ে বাধ্য হয়েই চলছে পারাপার।
    স্থানীয় কৃষক রুপাই শিকদার বলেন, আমি কৃষি কাজ করি, ফসল নিয়ে বাড়ি যেতে অনেক কষ্ট হচ্ছে। গাড়ি চলাচল করতে পারে না। আমরা খুব সমস্যায় আছি। কর্তৃপক্ষের কাছে আমাদের দাবি যাতে দ্রুত সেতুটি করে দেওয়া হয়।
    মাদরাসা শিক্ষক খান হুসাইন আহমেদ বলেন, আমার এখান দিয়ে প্রতিদিন যাতায়াত করতে হয়। আমিসহ এই এলাকার মানুষ অনেক ভোগান্তিতে রয়েছে। আমি এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে দাবি করছি সেতুটি যাতে দ্রুত করে দেওয়া হয়।
    মো. সিরাজুল ইসলাম নামে আরও একজন বলেন, আমাদের এই সেতুটির জন্য প্রায় এক বছর ভুগতেছি। চলাচলের জন্য খুব কষ্ট হচ্ছে। হেঁটে যেতেও খুব কষ্ট হয়৷ মাঠের ফসল বাড়িতে নেওয়াতে সমস্যা হবে।
    ইউনিয়ন পরিষদকে জানানো হলেও কোনো গুরুত্ব দেয়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি।
    শালনগর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান লাবু মিয়া বলেন, প্রায় এক বছর আগে সেতুটি ভেঙে যায়। কাঠের তক্তা দিয়ে খুবই ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় পারাপার করা হচ্ছে। লোহাগড়া এলজিইডি অফিস থেকে সরেজমিনে এসে দেখে গেছেন। আশা করছি দ্রুত কাজ শুরু হবে।
    এ বিষয়ে এলজিইডি লোহাগড়া উপজেলা প্রকৌশলী আবু সাঈদ মো.জসীম বলেন আমাদের এই অর্থবছর শেষ হওয়ায় সেতুটির জন্য ফান্ড পাওয়া যায়নি। প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে, আশা করছি ২০২৩-২৪ অর্থবছরে তা বাস্তবায়ন হবে।