Author: desk

  • মানুষের ভাগ্য পরিবর্তেন লক্ষ্যে আমরা কাজ করি-প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

    মানুষের ভাগ্য পরিবর্তেন লক্ষ্যে আমরা কাজ করি-প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

    স্টাফ রিপোর্টার, গোপালগঞ্জ : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, গত সাড়ে ১৪ বছরে দেশ বদলে গেছে। সব জায়গায় উন্নতি হয়েছে। মানুষের ভাগ্য পরিবর্তেন লক্ষ্যে আমরা কাজ করি। আমার লক্ষ্য দেশবাসীর ভাগ্য পরিবর্তন করা। গত সাড়ে ১৪ বছরে বাংলাদেশে গ্রাম আর গ্রাম নেই; সব জায়গায় উন্নয়নের ছোঁয়া লেগেছে যা বিশ্বে স্বীকৃত। বাংলাদেশ এখন রোল মডেল। আজ বাংলাদেশকে একটা জায়গায় নিয়ে এসেছি।

    আজ রোববার (০২ জুলাই) গোলাপগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় উপজেলা আওয়ামী লীগ কায্যালয়ে স্থানীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি একথা বলেন।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, তার সরকার ‘মাই হাউস, মাই ফার্ম’, কমিউনিটি ক্লিনিক, ডিজিটাল বাংলাদেশ, ‘মাই ভিলেজ, মাই টাউন’ বাস্তবায়ন এবং শতভাগ বিদ্যুৎ দিয়ে দেশের ব্যাপক উন্নয়ন করেছে।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, তার পিতা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে দেশের স্বাধীনতা অর্জিত হয়েছে। বঙ্গবন্ধু দেশবাসীর মুখে হাসি ফোটাতে চেয়েছিলেন যার জন্য তিনি দ্বিতীয় বিপ্লবের কর্মসূচি ঘোষণা করেছিলেন। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতাকে তার পরিবারের বেশিরভাগ সদস্যসহ হত্যা এবং একই বছরের ৩ নভেম্বর ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের ভেতরে জাতীয় চার নেতাকে হত্যার ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, দেশের অগ্রগতি থামিয়ে দেয়ার জন্যই এই হত্যাকান্ড চালানো হয়। বঙ্গবন্ধুকে এমন সময়ে হত্যা করা হয়েছিল যখন দেশ অর্থনৈতিক মুক্তির দিকে এগিয়ে যাচ্ছিল।

    টুঙ্গিপাড়া-কোটালীপাড়া আসনের সংসদ সদস্য শেখ হাসিনা তার নির্বাচনী এলাকার জনগণকে কৃতিত্ব দিয়ে বলেন, তারা তার দায়িত্ব কাঁধে নিয়েছেন। বাংলাদেশের সার্বিক উন্নয়ন নিশ্চিত করতে তাকে আরও সময় দিতে হয়েছে। সাধারণত, অন্যান্য নির্বাচনী এলাকার সংসদ সদস্যরা শুধুমাত্র তাদের নিজ নিজ নির্বাচনী এলাকার দেখাশোনা করেন। আমাকে ৩০০টি নির্বাচনী এলাকায় উন্নয়নের জন্য কাজ করতে হয়। কোটালীপাড়া ও টুঙ্গিপাড়ার বাসিন্দারা তার নির্বাচনী এলাকার দায়িত্ব নেয়ায় আমি তা করতে পেরেছি।’

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশবাসীর ভাগ্য পরিবর্তনে ছয় বছরের নির্বাসন থেকে দেশে ফেরার পর তিনি দেশের বিভিন্ন স্থানে ঘুরেন।

    তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের এমন কোনো অঞ্চল নেই যেখানে আমি যাইনি। আমি নৌকা, সাম্পান, লঞ্চ ও রিকশা-ভ্যানে চড়ে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে গিয়েছি। আমি এমনভাবে দেশ ভ্রমণ করেছি এবং সারা দেশে ঘুরে বেড়ানোর অভিজ্ঞতা ব্যবহার করে বাংলাদেশকে এমন একটি মর্যাদাপূর্ণ অবস্থানে নিয়ে এসেছি।’

    মতবিনিময়কালে প্রধানমন্ত্রী টুঙ্গিপাড়ার উন্নয়ন নিয়ে স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মী ও জনপ্রতিনিধিদের অভিজ্ঞতা শুনতে চান।

    এসময় শেখ হাসিনা বার্ধক্যজনিত কারণে অবসরে যাওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করলে স্থানীয় নেতাকর্মীরা তাকে দেশ ও জনগণের কল্যাণে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে থাকার অনুরোধ জানান। তারা শেখ হাসিনাকে পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখার আকাক্সক্ষা ব্যক্ত করেন। শেখ হাসিনাই দেশের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হবেন এ লক্ষ্যে কাজ করার এবং আগামী সাধারণ নির্বাচনে আওয়ামী লীগকে সাহায্য করার দৃঢ়অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।

    মতবিনিময় সভায় অন্যান্যদের মধ্যে সংসদ সদস্য শেখ হেলাল উদ্দিন ও শেখ সালাউদ্দিন জুয়েল, টুঙ্গিপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল খায়ের উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক মোঃ বাবুল শেখ।

    এর আগে প্রধানমন্ত্রী দুই দিনের কোটালীপাড়া ও টুঙ্গিপাড়া সফরের অংশ হিসেবে তার সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে গাড়িতে করে তিন ঘন্টায় পদ্মা সেতু পার হয়ে গতকাল (১ জুলাই) সকাল ১১টা ২৭ মিনিটের দিকে কোটালীপাড়ায় পৌঁছান। প্রধানমন্ত্রীর আইসিটি বিষয়ক উপদেষ্টা ও একমাত্র ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় তার সঙ্গে রয়েছেন।

    টুঙ্গিপাড়ায় প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে স্থানীয় জনগণের মধ্যে বাড়তি বিপুল উদ্দীপনা ও উৎসবের আমেজ যোগ করেছে। প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে পুরো গোপালগঞ্জকে রঙিন পোস্টার, ব্যানার ও প্ল্যাকার্ডে সাজানো হয়েছে।

    প্রধানমন্ত্রী গতকাল কোটালীপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয় প্রাঙ্গনে নিম, বকুল এবং আমের চারা রোপণ করেন। এছাড়াও নবনির্মিত কোটালীপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয় উদ্বোধন করেন তিনি। আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা পরে কোটালীপাড়া উপজেলার স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মী, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও কোটালীপাড়া উপজেলার জনসাধারণের সঙ্গে পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

    অনুষ্ঠান শেষে প্রধানমন্ত্রী শনিবার বিকেলে টুঙ্গিপাড়ায় গিয়ে ফুল দিয়ে বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন এবং ফাতেহা পাঠ করেন। তিনি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে মোনাজাতে যোগ দেন। শনিবার রাত টুঙ্গিপাড়ায় কাটান প্রধানমন্ত্রী। আজ (২ জুলাই) বিকেলে তার টুঙ্গিপাড়া থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হওয়ার কথা রয়েছে।

    তার সফরকে কেন্দ্র করে গোটা গোপালগঞ্জ উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। বর্ণিল পোস্টার, ব্যানার ও প্ল্যাকার্ডে সেজেছে পুরো এলাকা এবং জেলাজুড়ে বিরাজ করছে আনন্দঘন পরিবেশ। #

  • আধা কিলোমিটার পথ পায়ে হেঁটে নিজ বাড়ি থেকে আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে গেলেন প্রধানমন্ত্রী

    আধা কিলোমিটার পথ পায়ে হেঁটে নিজ বাড়ি থেকে আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে গেলেন প্রধানমন্ত্রী

    স্টাফ রিপোর্টার, গোপালগঞ্জ : নিজ বাড়ি থেকে গাড়ীতে নয় আধা কিলোমিটার পথ পায়ে হেঁটে টুঙ্গিপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে যান প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা।

    দুই দিনের গোপালগঞ্জ সফরের দ্বিতীয় দিন রোববার (০২ জুলাই) সকালে প্রধানমন্ত্রী পায়ে হেঁটে যারার জন্য আঁশপাশের বিষয়ে খোঁজ খবর নেন।

    আধা কিলোমিটার পথ পায়ে হেঁটে টুঙ্গিপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগ কায্যালয়ে পৌঁছে স্থানীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় করেন তিনি। এ সময় উষ্ণ অভ্যর্থনা, হর্ষধ্বনি আর স্লোগানে-মিছিলে বঙ্গবন্ধুকন্যাকে বরণ করে নেয় স্থানীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ। এরপর প্রধামন্ত্রী মত বিনিময়সভায় যোগ দেন।

    সূচনা বক্তব্যে টুঙ্গিপাড়া-কোটালীপাড়া আসনের সংসদ সদস্য শেখ হাসিনা তার নির্বাচনী এলাকার জনগণকে কৃতিত্ব দিয়ে বলেন, “তারা তার দায়িত্ব কাঁধে নিয়েছেন। বাংলাদেশের সার্বিক উন্নয়ন নিশ্চিত করতে তাকে আরও সময় দিতে হবে। সাধারণত, অন্যান্য নির্বাচনী এলাকার সংসদ সদস্যরা শুধুমাত্র তাদের নিজ নিজ নির্বাচনী এলাকার দেখাশোনা করেন। আমাকে ৩০০টি নির্বাচনী এলাকায় উন্নয়নের জন্য কাজ করতে হয়। কোটালীপাড়া ও টুঙ্গিপাড়ার বাসিন্দারা তার নির্বাচনী এলাকার দায়িত্ব নেয়ায় আমি তা করতে পেরেছি।”#

  • গোপালগঞ্জে বাস ও ইজিবাইকের সংঘর্ষে গৃহবধূ নিহত, সন্তান আহত

    গোপালগঞ্জে বাস ও ইজিবাইকের সংঘর্ষে গৃহবধূ নিহত, সন্তান আহত

    স্টাফ রিপোর্টার, গোপালগঞ্জ : গোপালগঞ্জে বাস ও ইজিবাইকের সংঘর্ষে লিপি বেগম (৩০) এক নারী নিহত হয়েছেন। এতে তার কন্য সন্তান আহত হয়েছে।

    আজ রবিবার (০২ জুলাই) দুপুরে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার মেরি গোপীনাথপুরে এ দূর্ঘটনা ঘটে।

    কাশিয়ানীর ভাটিয়াপাড়া হাইওয়ে পুলিশের পরিদর্শক শরিফুল ইসলাম দূর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

    নিহত লিপি বেগম (৩০) কাশিয়ানী উপজেলার ফুকরা গ্রামের লাবলু মোল্লার স্ত্রী।

    পরিদর্শক শরিফুল ইসলাম জানান, একটি ইজিবাইকে করে কন্যা সন্তানকে নিয়ে লিপি বেগম ফুকরা যাচ্ছিলেন। এসময় গোপীনাথপুরে ঢাকাগামী ইমা পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস পিছন কে ইজিবাইকটিকে ধাক্কা দেয়। একে যাত্রী লিপি বেগম ঘটনাস্থলে নিহত হন। এতে তার তিন কন্যা সন্তান আহত হয়।

    পরে খবর পেয়ে কাশিয়ানীর ভাটিয়াপাড়া হাইওয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে হতাহতদের উদ্ধার করে গোপালগঞ্জ ২৫০-শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে প্রেরণ করে। আহত কন্যা সন্তানকে হাসপাতালে ভর্তি ও আবেদনের প্রেক্ষিতে ময়না তদন্ত ছাড়াই মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলেও জানান ওই পুলিশ কর্মকর্তা। #

  • গোপালগঞ্জে আগুনে পুড়ে গেছে ১২টি দোকান, ৩০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি

    গোপালগঞ্জে আগুনে পুড়ে গেছে ১২টি দোকান, ৩০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি

    স্টাফ রিপোর্টার, গোপালগঞ্জ : গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে পুড়ে গেছে ১২টি দোকান। এতে অন্তত ৩০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

    আজ রবিবার (০২ জুলাই) ভোর ৪টার দিকে উপজেলার রাজপাট ইউনিয়নের হাইশুর বাজারে এ অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে।

    রাপজাট ইউনিয়ন পরিষদের ৮ নং ইউনিয়নের সদস্য রাম বিশ্বাস ও কাশিয়ানী ফায়ার সার্ভিসের ফায়ার ফাইটার মোজাম্মেল হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    ইউপি সদস্য রাম বিশ্বাস জানান, বৈদ্যুতিক সট সার্কিটের মাধ্যমে ওই বাজারের একটি দোকান থেকে প্রথমে আগুনের সূত্রপাত হয়। এতে একে একে ওই বাজারে ১২টি দোকানে আগুন ধরে যায়। পরে খবর পয়ে কাশিয়ানী ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে এলাকাবাসীর সহায়তায় ১ ঘন্টা চেষ্ঠার পর আগুন নেভাতে সক্ষম হয়। ততক্ষতে মুদি, কাপড়, ইলেক্ট্রনিক্সের দোকানসহ ১২টি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে যায়। এ অগ্নিকান্ডে অন্তত ৩০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

    ক্ষতিগ্রস্থ মুদি ব্যবসায়ী শ্রীপতি বৈরাগী বলেন, বাজারের একটি দোকান থেকে প্রথমে আগুন লাগে। আগুনের খবর শুনে বাজারে আসতে আসতে আমার সব শেষ হয়ে গেছে। আমি এখন পথের ফকির। এ আগুনে প্রায় ৩০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।

    ক্ষতিগ্রস্থ ব্যবসায়ী অতিশ বিশ্বাস বলেন, রাতে দোকান বন্ধ করে বাসায় দিয়েছি। ভোরে শুনি বাজারে আগুন লেগেছে। গিয়ে দেখি আমার সব শেষ।

    কাশিয়ানী ফায়ার সার্ভিসের ফায়ার ফাইটার মোজাম্মেল হোসেন বলেন, খবর পেয়ে কাশিয়ানী ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রনে আনে। আমাদের পক্ষ থেকে ক্ষয়ক্ষতির পরিমান নিরুপন করা হচ্ছে। #

  • ডিস্ট্রিক্ট গভর্নর লায়ন মোঃ লুৎফর রহমান এমজেএফ এর দায়িত্ব গ্রহণ

    ডিস্ট্রিক্ট গভর্নর লায়ন মোঃ লুৎফর রহমান এমজেএফ এর দায়িত্ব গ্রহণ

    এম রাসেল সরকার:
    গতকাল ১লা নভেম্বর শনিবার লায়ন ডিস্ট্রিক্ট ৩১৫বি১এর নব নির্বাচিত ডিস্ট্রিক্ট গভর্নর লায়ন মোঃ লুৎফর রহমান এমজেএফ দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

    আইপিডিজি লায়ন শরীফ আলী খান লায়ন ভবনের ৯ তম তালায় ডিস্ট্রিক্ট অফিসে এই দায়িত্ব হস্তান্তর করেন।বাংলাদেশের লায়নইজমের গর্ব, ডিস্ট্রিক্ট ৩১৫বি১এর অভিভাবক পিআইডি শেখ কবির হোসেন পিএমজেএফ ডিস্ট্রিক্ট গভর্নর লায়ন মোঃ লুৎফর রহমান এমজেএফ কে গভর্নরের চেয়ারে বসিয়ে পিন পড়িয়ে দেন।

    ডিস্ট্রিক্ট গভর্নর অনারারি কমিটির এডভাইজার ও GATএরিয়া লিডার নাজমুল হক পিএমজেএফ, কাউন্সিল চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল ওহাব শিকদার এমজেএফ, আইপিসিসি এসকে কামরুল, ভাইস এরিয়া লিডার ইঞ্জিনিয়ার ওয়াহিদুর রহমান আজাদ, বিএলএফ চেয়ারম্যান রেজাউল হক এমজেএফ, ডিজি অনারারি কমিটির চেয়ারম্যান পিডিজি লায়ন বেনজির আহমেদ পিএমজেএফ, এডভাইজার পিসিসি মোহাম্মদ ফারুক এমজেএফ, ডিস্ট্রিক্ট ভিশন চেয়ারপার্সন পিসিসি নূরুল ইসলাম মোল্লাহ এমজেএফ, ডিস্ট্রিক্ট ইনভাইররমেনট চেয়ারপার্সন পিডিজি মুজিবুল হক চুন্নু, ডিস্ট্রিক্ট ইনফরমেশন টেকনোলজি চেয়ারপার্সন পিডিজি শফিকুল আযম ভূইয়া, ডিস্ট্রিক্ট লায়ন্স কোয়েস্ট চেয়ারপার্সন পিডিজি নিশাত পারভীন হক, ডিস্ট্রিক্ট হাংগার চেয়ারপার্সন পিডিজি এডভোকেট কাজী একলাসুর রহমান, ডিস্ট্রিক্ট জিএমটি ফ্যামিলি এন্ড ওমেনস স্পেসালিস্ট পিডিজি শাহেনা রহমান, ১ম ভাইস কাউন্সিল চেয়ারম্যান ইন্জিনিয়ার মোসতফা কামাল, ১ম ভাইস গভর্নর, ডিস্ট্রিক্ট গভর্নর লায়ন ফারহানা বকস, ডিস্ট্রিক্ট গভর্নর ডিস্ট্রিক্ট ৩১৫বি৩ ফারহানা নাজ সুধা,২ য় ভাইস গভর্নর আল মুনির, ৩১৫এ২ মোহাম্মদ হানিফ, ডিস্ট্রিক্ট ইয়ুথ ক্যাম্প এন্ড এক্সচেঞ্জ চেয়ারপারসন শেখ মোসফেক কবির অভি, ২য় ভাইস জেলা গভর্ণর ড সারোয়ার জাহান জামিল, ফার্স্ট লেডি অফ ডিস্ট্রিক্ট শিরিন আক্তার রুবী, কেবিনেট সেক্রেটারী আশিকুজ্জামান চৌধুরী ইমন, কেবিনেট ট্রেজারার মোঃ আসাদুজ্জামান লিটুসহ শতাধিক সিনিয়র লায়ন নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

    আগামী একটি বছর সকলে মিলে মানবতার কাজে এগিয়ে যাবে এবং ডিস্ট্রিক্ট গভর্নর এর কল ” Greater fellowship, better service.” সফলতা লাভ করবে। ডিস্ট্রিক্ট পরিচালনার কাজ সুন্দর ভাবে সম্পাদনের জন্য ডিস্ট্রিক্টের ৬২টি ক্লাব বছরের শুরুতেই ডিস্ট্রিক্ট ডিউজ এর চেক ডিস্ট্রিক্ট গভর্নর এর হাতে তুলে দেন ও সব সময়ই পাশে থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

    জেলা গভর্নর ঈদের ছুটির দিনে বৈরী আবহাওয়ার পরও সকলের উপস্থিতি ও আন্তরিক সমর্থন ও সহযোগিতার জন্য সকল সন্মানিত লায়ন নেতৃবৃন্দের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন ও আগামী বছর টি সকলকে সাথে নিয়ে একসাথে চলার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।

  • পাইকগাছার যুবক অনুপকে হত্যা; ২৪ ঘন্টার মধ্যে হত্যা রহস্য উন্মোচন; আটক-১

    পাইকগাছার যুবক অনুপকে হত্যা; ২৪ ঘন্টার মধ্যে হত্যা রহস্য উন্মোচন; আটক-১

    ইমদাদুল হক,পাইকগাছা,খুলনা।।
    পাইকগাছার দেলুটিতে আলোচিত মসলা ব্যবসায়ী যুবক হত্যার রহস্য উন্মোচন সহ হত্যাকারীকে গ্রেফতার করেছেন থানা পুলিশ। শুধু কথা নয় কাজেই শতভাগ সফলতার পরিচয় দিয়েছেন থানার অফিসার ইনচার্জ রফিকুল ইসলাম।
    উল্লেখ্য, সোমবার ভোরে উপজেলার দেলুটির ইউপি’র ফুলবাড়ী থেকে অনুকূল মন্ডলের ছেলে স্থানীয় যুবক অনুপ মন্ডল (২৮) এর গলাকাটা মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। লাশ উদ্ধারের পর ওসি রফিকুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেছিলেন খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে এ হত্যার রহস্য উন্মোচন করা হবে। ২৪ ঘন্টার মধ্যেই শুধু হত্যা রহস্য উন্মোচন নয়, মূল হত্যাকারীকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছেন থানা পুলিশের এ কর্মকর্তা। হত্যা প্রসঙ্গে ওসি রফিকুল ইসলাম বলেন, অনৈতিক কর্মকান্ডের সূত্র ধরেই অনুপকে হত্যা করা হয়। হত্যাকারী একই এলাকার নির্মল মন্ডলের ছেলে আনন্দ মন্ডল (৪০)। আনন্দ ও অনুপ সম্পর্কে জ্যাঠাতো ভাই। আনন্দের স্ত্রী জয়া’র সাথে অনৈতিক সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে অনুপ। এতে আনন্দ ও তার স্ত্রীর সাথে সম্পর্কের অবনতি ঘটে। এক পর্যায়ে প্রায় ৩ মাস পূর্বে আনন্দের স্ত্রী জয়া আত্মহত্যা করে। এতে স্ত্রীর শোকে প্রতিশোধ পরায়ন হয়ে ওঠে আনন্দ। তার স্ত্রীর সাথে যাদের অবৈধ সম্পর্ক ছিল তাদেরকে হত্যার পরিকল্পনা করে।
    পরিকল্পনা অনুযায়ী রোববার রাত সাড়ে ৮টা থেকে ৯টার মধ্যে অনুপকে বসতবাড়ীর পাশে বিলে ডেকে নিয়ে প্রথমে গেঞ্জি দিয়ে শ্বাস রোধ করে মৃত্যু নিশ্চিত করে। পরে ফল কাটা ছুরি দিয়ে গলা কেটে দেয়। হত্যা কাজে ব্যবহৃত ছুরিটি আনন্দ নদীতে ফেলে দেয়। মঙ্গলবার বিকাল ৫টার দিকে নিজ এলাকা থেকে আনন্দকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হত্যার কথা স্বীকার করে আনন্দ এমন তথ্য দিয়েছে বলে থানার ওসি রফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন।
    এদিকে এ ঘটনায় নিহত অনুপের পিতা অনুকূল মন্ডল বাদী হয়ে থানায় হত্যা মামলা করেছে। যার নং- ৩৩, তাং-২৭/০৬/২৩ ইং।

    প্রেরকঃ
    ইমদাদুল হক,
    পাইকগাছা,খুলনা।

  • পাইকগাছায় তুচ্ছ ঘটনায় মারপিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গৃহবধুর মৃত্যু,থানায় মামলা ; আটক-১

    পাইকগাছায় তুচ্ছ ঘটনায় মারপিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গৃহবধুর মৃত্যু,থানায় মামলা ; আটক-১

    পাইকগাছা(খুলনা) প্রতিনিধি।।
    পাইকগাছায় জমির সীমানায় কলাগাছ কাটাকে কেন্দ্র করে মারপিটে স্বামী পরিত্যক্ত আলেয়া বেগম (৩৫) নামে এক গৃহবধূ আহত হয়। আহত আলেয়া বুধবার রাত ৮ টার দিকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মৃত্যু বরণ করে । এ ঘটনায় মৃতের চাচা বাদী হয়ে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেছে।পুলিশ মামলার এজাহার নামীয় আসামি ময়না বেগম (৩৬) কে গ্রেফতার করেছে। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা উপ-পুলিশ পরিদর্শক অমিত জানান, উপজেলার মামুদ কাটি গ্রামের তোতা গাজীর ছেলে মফিজুল গাজী (৪৫) ও একই এলাকার মৃত্যু মোজাম সরদারের মেয়ে স্বামী পরিত্যক্ত আলেয়া বেগমের সাথে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে। ২৮ জুুন বুধবার সকালে জমির সীমানায় একটি কলাগাছ কে বা কারা কেটে ফেলে। প্রতিপক্ষ মফিজুলরা আলেয়াকে সন্দেহ করে তার সাথে বাক- বিতন্ডার এক পর্যায়ে মফিজুল গাজী, তার স্ত্রী জেসমিন বেগম (৩৬) ও তোতা গাজীর স্ত্রী আবিরণ বেগম(৬২) আলেয়াকে বেদম মারপিট করে গুরুত্বর আহত করে। আহতকে প্রথমে পাইকগাছা হাসপাতালে ও পরে তার অবস্থা অবনতি হওয়ায় কর্তব্যরত চিকিৎসক খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করে। সেখানে বুধবার রাতে তার মৃত্যু হয়। পাইকগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ রফিকুল ইসলাম বলেন, মৃতের সুরত হাল ও ময়না তদন্তের পর বৃহস্পতিবার রাতে থানায় হত্যা মামলা হয়েছে। ওই রাতেই মামলার ২ নং আসামি ময়না বেগমকে গ্রেফতার করা হয়। শুক্রবার সকালে আটক নারীকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। আন্য আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

  • নওগাঁ ওয়েল ফেয়ার এ্যাসোসিয়েশনের ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত

    নওগাঁ ওয়েল ফেয়ার এ্যাসোসিয়েশনের ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত

    রওশন আরা শিলা,নওগাঁ প্রতিনিধি : নওগাঁ ওয়েল ফেয়ার এ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    গত শুক্রবার সন্ধ্যায় বদলগাছি উপজেলার বালুভরা রাজেন্দ্র – ব্রজকিশোরী উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ মিলনায়তনে এ উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা, গুণী জন সন্মাননা এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

    নওগাঁ ওয়েল ফেয়ার এ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি অবসরপ্রাপ্ত সিনিয়র সচিব সৌরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন।

    আলোচনা পর্বে নওগাঁ জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এ্যাডভোকেট এ কে এম ফজলে রাব্বী, সংগঠনের সহ-সভাপতি মোঃ হাশেম আলী, নওগাঁ সরকারী কলেজের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ প্রফেসর মোঃ শরিফুল ইসলাম খান, অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ প্রফেসর মোঃ হামিদুল হক, নওগাঁ জেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি মোঃ কায়েস উদ্দিন, খুলনা’র অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ হান্নানুল ইসলাম, তেঁতুলিয়া বিএমসি কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ সিদ্দিকুর রহমান, আয়োজক কমিটির আহবায়ক সুলতানুল আলম মিলন ও সদস্য সচিব সেন্টু আনছারীসহ অন্যান্য সদস্যবৃন্দ এবং শিক্ষার্থীরা। অনুষ্ঠানের সঞ্চালনায় ছিলেন ডাক্তার ফারহানা ফারুক তন্দ্রা এবং ইউএস বাংলা বিমানের ম্যনেজার আবুল কালাম আজাদ।

    এ অনুষ্ঠানে জেলার ৯ জন গুণী ব্যাক্তিকে সন্মাননা প্রদান করা হয়। সন্মাননাপ্রাপ্ত ব্যাক্তিরা হলেন জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এ্যাড. একেএম ফজলে রাব্বী, নওগাঁ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিশ্ব বিদ্যালয়ের প্রথম উপাচার্য আবুল কালাম আজাদ, রাজশাহী বিশ্ব বিদ্যলয়ের রসায়ন বিভাগের শিক্ষক মোঃ তরিকুল হাসান, মুক্তিযোদ্ধা মোঃ হাশেম আলী, অধ্যক্ষ প্রফেসর মোঃ শরিফুল ইসলাম খান, অধ্যক্ষ প্রফেসর মোঃ হামিদুল হক, বীর মুক্তিযোদ্ধা এস এম জহুরুল ইসলাম ইদুল, নওগাঁ জেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি মোঃ কায়েস উদ্দিন এবং একুশে পরিষদের সভাপতি এ্যাড. ডি এম আব্দুল বারী।

    পরে একটি মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে এ্যাসোসিয়েশনের সদস্যরা ছাড়াও আমন্ত্রিত অতিথি শিল্পী কলা কুশলীরা সংগীত, নৃত্য এবং কবিতা আবৃত্তি করেন।#

  • ঈদ শেষে ঢাকায় ফিরতে ট্রেন যাত্রীদের চরম দূর্ভোগ

    ঈদ শেষে ঢাকায় ফিরতে ট্রেন যাত্রীদের চরম দূর্ভোগ

    রওশন আরা শিলা, নওগাঁ প্রতিনিধিঃ-
    প্রিয়জনের সঙ্গে ঈদুল আযহা ঈদ উদযাপন শেষে রাজধানী ঢাকায় ফিরতে শুরু করেছেন কর্মজীবি মানুষরা। ঈদের আগে ঘরে ফেরার মতো এবার ছুটি শেষে ঢাকায় ফিরতেও পদে পদে ভোগান্তিতে পড়তে হয়েছে ট্রেন যাত্রীদের।অনলাইনে টিকেট কাটতেও নানা সমস্যায় পড়তে হচ্ছে আর টিকিটের জন্য যাত্রীদের হাহাকার অবস্থা ।অখাৎ বাড়ি ফিরতে যেমন ট্রেনের টিকিটের জন্য ঘন্টার পর ঘন্টা র্দীঘ লাইনে দাঁড়িয়ে টিকিট নেওয়ার ভোগান্তি পোহাতে হয় ঠিক একই ভাবে বাড়ি থেকে কমস্থলে ফিরতেও অনলাইনে টিকেট সংগ্রহ করতে বাহিরের অনলাইনের ব্যবসায়ীদের নিকট দোঁড়ঝাপ পড়তে হয়েছে ট্রেন যাত্রীদের।নওগাঁ জেলার একমাত্র আন্তঃ নগর ট্রেন স্টপেজ আহসাননগঞ্জ স্টেশান ঘুরে দেখা গেছে,ঈদের ছুটি শেষ দিন থেকে ঢাকাগামী ট্রেন যাত্রীদের উপচেপড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।আহসানগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশনে যাত্র্রীরা ঢাকামূখী ট্রেনের ভিড় ছিল দেখার মতো।উত্তর বঙ্গের বিভিন্ন স্টেশন থেকে সাতটি ট্রেন যাত্রী নিয়ে সান্তাহার হয়ে আহসানগঞ্জ স্টেশনের উপড় দিয়ে ঢাকা যাচ্ছে অথচ আহসানগঞ্জ স্টেশনে নীলসাগর ও দ্রুতযান আন্তঃনগর ট্রেন দুটি ছাড়া অন্যকোন আন্তঃনগর ট্রেনের বিরতি না থাকায়
    অত্র এলাকাবাসী রেল সেবা থেকেবঞ্চিতহচ্ছে।আর বিট্রিশ শাসনের সময় থেকে শুরু করে বর্তমান সময়ের অনেক বড়বড় মানুষের পা পড়েছিল স্টেশনটিতে।1972 সালে আহসানগঞ্জ স্টেশন স্থাপিত হয়।বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান,মহাত্নাগান্ধী,বিশ্ব কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরসহ অনেক মনীষীদের পদধুলি পড়েছিল স্টেশনটিতে কাজে লাগাতে পারলে এই অঞ্চলের অর্থনিতি বৃদ্ধিসহ নিরাপদ যাত্রাপাবে বলে মনে করেন স্থানীয়রা।এদিকে ছুটিরপর কোন ট্রেনই নির্দ্ধারিত সময়ে স্টেশনে পৌঁছায়নি। তবে প্রতিটি ট্রেনে ছিল উপচে পড়া ভিড়।ভিড় ঠেলে নারী পুরুষ,শিশু-বৃদ্ধ সবাই ব্যস্ত ট্রেনে উঠতে।ঈদের ছুটি কাটিয়ে রাজধানী ঢাকায় কর্মস্থলে ফিরতে শুরু করেছে।তবে ট্রেনের যাত্রী সংখ্যা আসনের চেয়ে দ্বিগুন ছিল।ঈদের সরকারি ছুটির পর থেকে বিভিন্ন সরকারি ও বে-সরকারি অফিস খুলছে।
    বাগমারা থেকে কর্মস্থল ফেরার পথে আহসানগঞ্জ স্টেশনে ট্রেনযাত্রী আফজাল হোসেন বলেন,ঈদের সময় ঢাকা থেকে ট্রেনে আসতে যে ধরনের দূর্ভোগ পোহাতে হয়েছিল ঠিক গ্রাম থেকে ঢাকা ফিরতেও তার ব্যতিক্রম হয়নি।দ্রুতযান এক্সপ্রেস টেনে আহসানগঞ্জ জয়পুরহাট থেকে আহসানগঞ্জ আসি। তবে নির্দ্ধারিত সময়েরর চেয়ে একঘন্টা দেরি করে স্টেশনে পৌছেছে ট্রেনটি।তারপরও যাত্রীদের অধিক চাপ। মাধ নগরকামাল হোসেন বলেন, একদিকে গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি প্লাট ফরমে বসার কোন ব্যাস্থঅ নাই অপরদিকে ছাউনিদিয়ে পানি পড়ে একটু দাঁড়ানোর উপায় নাই।এ ছাড়া আহসানগঞ্জ স্টেশানটিকে একটি হাট বললে কোন ভূল হবে না। কারন দোকান আর ফল মুলের দোকানে প্লাট ফরমে পা রাখার যায়গা নাই।অপরিস্কার দূর্গন্ধে নিঃশ্বাস বন্ধ হয়ে আসছে। রানীনগরের দূতযানের নারী যাত্রী সুফিয়া বেগম বলেন, নারী যাত্র্রী হিসেবে পরিবার-পরিহন নিয়ে একটু নির্বিগ্নে যাত্রা করারজন্য ট্রেন বেছে নিয়েছিলাম। কিন্তু ট্রেন পথে বিভিন্ন দূর্ভোগের পর অবশেষে আবার ঢাকায় যাত্রা করছি।প্রতিটি স্টেশনের বিরতির ফলে নির্ধারিত সময়ে চেয়ে কয়েকঘন্টা বিলম্বে স্টেশনে আসছে ট্রেন। এ বিষয়ে আহসানগঞ্জ রেলস্টেশনের সহকারী মাষ্টার মোঃ ফরিদ আলম বলেন, যে সবযাত্রীরা গ্রামে ঈদ করতে গিয়েছিল তারা আবার ঢাকায় ফিরছেন। তাই যাত্রীর চাপ বেশি থাকায় এবং ট্রেনে ওঠার সুযোগ নিশ্চিত করতে প্রতিটি স্টেশনে একটু বেশি সময় ট্রেন দাঁড়াচ্ছে।এতে কিছুটা দেরি করে ট্রেন আসছে।এবংট্রেন ছেড়ে যাচ্ছে।তিনি বলেন আহসানগঞ্জ স্টেশন এর নানাবিধ অসুবিধা এবং যাত্রী ছাউনিরি নষ্টের বিষয়ে উর্দ্ধতন মহলে জানানো হয়েছে। আশা করছি অল্প সময়ের মধ্যে সমাধান হবে।#

  • ঝিনাইদহে আজ এক কেজি কাঁচামরিচে  এক কেজি খাসির মাংস পাওয়া যাচ্ছে

    ঝিনাইদহে আজ এক কেজি কাঁচামরিচে এক কেজি খাসির মাংস পাওয়া যাচ্ছে

    ঝিনাইদহ জেলা প্রতিনিধিঃ
    ঝিনাইদহের সদর শৈলকুপাসহ প্রায় প্রতিটি হাটেই ১ কেজি কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে এক হাজার টাকা দরে। ব্যবসায়ী ও ক্রেতারা জানান, জীবনে এই প্রথম কাঁচামরিচের এত দাম দেখলেন। শনিবার হাটের খুচরা ব্যবসায়ীরা বলেন, পা্ইকারী বাজার শুরু হলে চাষিরা প্রতি কেজি বিক্রি করছিল ৭০০ টাকা। এরপর পাইকারি বাজারে দাম বাড়তে থাকে। দেশের অন্যতম কাঁচা মরিচ উৎপাদনকারী এলাকার বাজার গুলোতে খোজ নিয়ে জানাগেছে, সকালে দাম ছিল প্রতি কেজি ৮০০ টাকা। আর খুচরা বাজারে ব্যবসায়ীরা ইচ্ছামতো দাম চাচ্ছেন। শৈলকুপা বাজারের খুচরা বিক্রেতা আ: আজিজ জানান আমি নিজেই প্রতি কেজি এক হাজার টাকা দাম নিচ্ছি। তিনি আরও জানান , পাইকারি বাজারে দাম বেড়ে গেছে বলে এজন্য খুচরা বাজারেও দাম বেড়ে গেছে। কাঁচামাল ব্যবসায়ী বিশারত আলী জানান, তিনি প্রতিদিন ১ থেকে ২ মণ কাঁচামরিচ বিক্রি করেন। আজ শনিবার তিনি ১০ কেজিও মরিচ কিনতে পারেননি যা, পেয়েছেন তা এক হাজার টাকা কেজি দরে বিক্রি করছেন। সদর উপজেলার গোবিন্দপুর গ্রামের চাষি বাবুল হোসেন জানান, এবার ১০ কাঠা জমিতে মরিচ চাষ করেছেন। মরিচ কম ধরছে। ফুল পচে যাচ্ছে। শনিবার ২ কেজি মরিচ হাটে এনেছেন। ৮০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করেছেন বলে জানান তিনি। কাঁচামরিচ কিনতে আসা বিল্লাল বলেন, প্রতিদিন যে টাকা আয় করি তার মধ্যে বাজারে কাঁচা মরিচ কিনতে গেলে অন্য বাজার করা কষ্ট হয়ে যাচ্ছে। অপর জন বলেন,এক কেজি কাঁচামরিচে এখন এক কেজি খাসির মাংস পাওয়া যাচ্ছে। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্যমতে, চলতি মৌসুমে জেলার ৬ উপজেলায় ১ হাজার ৭’শত ২৪ হেক্টর জমিতে মরিচের আবাদ হয়েছে। ঝিনাইদহ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আজগর আলী জানান, বর্ষা মৌসুম শুরু হওয়ার ফলে আধিকাংশ জমির মরিচের গাছ নষ্ট হওয়া চাহিদার তুলনায় উৎপাদন কম থাকায় দাম একটু বেশি।

    ঝিানইদহ
    আতিকুর রহমান