উজ্জ্বল রায়, নড়াইল থেকে:
নড়াইল সদর থানা পুলিশের অভিযানে সাজাপ্রাপ্ত আসামিসহ গ্রেফতার চারজন।
মাদক মামলায় একবছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামিসহ গ্রেফতারি পরোয়ানাভুক্ত চার জনকে গ্রেফতার করেছে নড়াইল সদর থানা পুলিশ। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল থেকে জানান, গত ২৪ ঘন্টায় বিভিন্ন এলাকা থেকে গ্রেফতারি পরোয়ানামূলে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
নড়াইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ ওবাইদুর রহমান এর তত্ত্বাবধানে বিছালী পুলিশ ক্যাম্পের এসআই (নিঃ) মোঃ আসমত আলী সঙ্গীয় ফোর্সসহ সাজাপ্রাপ্ত আসামি আলাউদ্দিন ফরাজীকে তার নিজ বাড়ি থেকে গ্রেফতার করে। সে নড়াইল সদর উপজেলার আগদিয়া গ্রামের হাফিজুর ফরাজীর ছেলে। গ্রেফতারকৃত অন্যান্য আসামিরা হলেন- নড়াইল সদর উপজেলার মির্জাপুর গ্রামের সরোয়ার শেখের দুই ছেলে সালাম শেখ ও ওবাইদুল শেখ এবং একই উপজেলার দুর্গাপুর গ্রামের মৃত নূর জালালের ছেলে ওমর শেখ। আসামিদের বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। নড়াইল জেলার পুলিশ সুপার নির্দেশনায় অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় জেলা পুলিশ সর্বদা তৎপর রয়েছে।
Author: desk
-

নড়াইল সদর থানা পুলিশের অভিযানে সাজাপ্রাপ্ত আসামিসহ গ্রেফতার ৪
-

নড়াইলের লোহাগড়ায় বিএনপির সভাপতিকে কুপিয়ে আহত করেছে সন্ত্রাসীরা
উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি
নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার লক্ষীপাশা ইউনিয়নের বিএনপির সভাপতি মোঃ পারভেজ
কাজি (৪৫) কে গ্রাম্য আধিপত্য বিস্তার কে কেন্দ্র করে সন্ত্রাসীরা ধারালো
অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে মারাত্মক জখম করেছে। আহত অবস্থায় প্রথমে লোহাগড়া
হাসপাতালে পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে প্রেরণ
করেন। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি জানান, সোমবার (৩জুলাই) এলাকা বাসী সুত্রে জানা গেছে, উপজেলার লক্ষীপাশা
ইউনিয়নের বয়রা গ্রামে দীর্ঘদিন ধরে গ্রাম্য আধিপত্য বিস্তার নিয়ে সংর্ঘষ
চলছিল ।
এ ঘটনার জের ধরে সোমবার সকালে পারভেজ কাজি সারোল বৌবাজার থেকে ভ্যান যোগে
বাড়ি ফেরার পথে বয়রা গ্রামের নুর মিয়া কাজির বাড়ির সামনে পৌঁছালে একই
গ্রামের অলিদ কাজি,ওহিদ কাজিসহ ৭/৮ জন ভ্যানের গতি রোধ করে ধারালো অস্ত্র
দিয়ে পারভেজ কাজি এলোপাতাড়ি ভাবে কুপিয়ে রাস্তায় ফেলে পালিয়ে যায় । এসময়
পারভেজের ডাক চিৎকারে পাশ্ববর্তী লোকজন তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য
লোহাগড়া হাসপাতালে নিয়ে আসে। লোহাগড়া হাসপাতালের কর্তব্যরত ডাক্তার
অবস্থা অবনতি দেখে তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা
পঙ্গু হাসপাতালে প্রেরণ করেন।
এঘটনায় লোহাগড়া থানার অফিসার ইনচার্জ নাসির উদ্দিন বলেন, এলাকায় পুলিশ
পাঠানো হয়েছে। পরিস্থিতি এখন শান্ত রয়েছে। আহতের পরিবার মামলা দিলে তদন্ত
করে আইন গত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। -

ঝিনাইদহে চার বছরের শিশু কন্যা মায়ের সঙ্গে কারাগারে
আতিকুর রহমান, ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
ঝিনাইদহে চার বছরের এক শিশুকে মায়ের সঙ্গে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। শিশুটির কান্না থামাতে না পেরে বিজ্ঞ বিচারক মায়ের সঙ্গে শিশুটিকে কারাগারে থাকার আদেশ দেন। ঘটনাটি ঘটেছে সোমবার বিকালে ঝিনাইদহ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে। পুলিশ ও এলাকাবাসি সুত্রে জানা গেছে, ২০২২ সালের ৭ সেপ্টম্বর ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার ছোট ভাটপাড়া গ্রামে জেসমিন (২৮) নামে এক গৃহবধু পাশবিক নির্যাতনের শিকার হয় বলে অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় স্থানীয় চেয়ারম্যান ওহিদুজ্জামান ওদু ওই বছরের ৮ সেপ্টম্বর গ্রাম্য বিচার বসিয়ে কথিত ধর্ষক নায়েব আলীকে দুই লাখ টাকা জরিমানা করেন। টাকা না দিলে ধর্ষকের স্ত্রী, ভাবী, বোন ও মেয়েকে লোক দিয়ে পাল্টা ধর্ষণের হুমকি দেন চেয়ারম্যান। সে সময় এমন একটি ভিডিও ফেসবুকে ভাইরাল হয় এবং এ নিয়ে প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ায় খবর প্রকাশিত হলে জেলাব্যাপী টক অব দি টাউনে পরিণত হয়। এদিকে কথিত ধর্ষক নায়েব আলী হতদরিদ্র হওয়ায় শালিস বিচারের দুই লাখ টাকা দিতে না পেরে পালিয়ে বেড়াতে থাকে। এ ভাবে এক সপ্তাহ পার হয়ে গেলে চেয়ারম্যানের পীড়াপীড়িতে ওই বছরের ১৫ সেপ্টম্বর কালীগঞ্জ থানায় একটি ধর্ষন মামলা করেন গৃহবধু জেসমিন। মামলা রেকর্ডের পর পুলিশ জেসমিনকে ডাক্তারী পরীক্ষার জন্য ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে পাঠায়। বিরম্বে করা ডাক্তারী পরীক্ষায় ধর্ষনের আলামত না পাওয়ায় নায়েব আলীর বিরুদ্ধে দায়ের করা ধর্ষন মামলার চুড়ান্ত প্রতিবেদন দেয় পুলিশ। পুলিশের প্রতিবেদন পেয়ে চলতি বচরের ৩ এপ্রিল আদালতে ধর্ষন মামলাটি খারিজ হয়ে যায়। মামলা থেকে অব্যাহতি পেয়ে নায়েব আলী গত ১৭ এপ্রিল ঝিনাইদহ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মিথ্যা ধর্ষন মামলার বাদী জেসমিন আক্তার ও তাঁর স্বামী মিন্টু মিয়ার বিরুদ্ধে পাল্টা মামলা করেন। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে করা মামলাটিতে ওই দিনই গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত। পরোয়ানা পেয়ে পুলিশ ১১ জুন জেসমিনের স্বামী মিন্টুকে গ্রেফতার করে। গত সোমবার (২৬ জুন) শিশুটির মা জেসমিন আক্তারও আদালতে আত্মসমর্পন করে জামিনের আবেদন করেন। আদালত জামিন নামঞ্জুর করে তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। মাকে কারাগারে নিয়ে যাওয়ার সময় চার বছরের শিশু সন্তান কাঁদতে থাকেন। এ সময় তার ফুফু কবিতা খাতুন জোর করে শিশুটিকে বাড়ি নিয়ে যেতে চাইলে চিৎকার চেচামেচি করতে থাকে। এক পর্যায়ে ফুফু কবিতা খাতুন শিশুটিকে কোলে নিয়ে আইনজীবীর কক্ষে নিয়ে যান। আদালতের আদেশে মায়ের কোলেই তুলে দেয়া হয় শিশুটিকে। বর্তমানে শিশুটি মায়ের সঙ্গেই কারাগারে আছে। জেসমিন আক্তারের আইনজীবী খন্দকার লিয়াকত জানান, আসামি দম্পত্তির দুটি শিশু সন্তান রয়েছে। বড় ছেলে বয়স ছয় বছর। আর ছোট মেয়েটির বয়স ৪ বছর। ছেলেটি তার নানার বাড়িতে আছে। মেয়ে তার মায়ের সঙ্গে এসেছিল। মাকে কারাগারে নেওয়ার সময় মেয়েটি কান্নাকাটি করছিল। তার ফুফু শান্ত করার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন। এ ছাড়া বাড়িতে এই ছোট্ট শিশুটিকে দেখভাল করার মতো কেউ নেই। এ ছাড়া শিশুটির বাবাও কারাগারে রয়েছেন। তাই আদালতে মায়ের সঙ্গে শিশুটিকে কারাগারে রাখার আবেদন করা হলে আদালত আবেদন মঞ্জুর করে মায়ের সঙ্গে শিশুটিকে কারাগারে রাখার অনুমতি দিয়েছেন। শিশুটির ফুফু কবিতা খাতুন জানান, ভাবির করা মামলাটি খারিজের পর তার ভাই ও ভাবির নামে যে পাল্টা মামলা হয়েছে সেটা তাঁদের জানা ছিল না। বাদীপক্ষের আইনজীবী ইশারত হোসেন বলেন, আসামি জেসমিন আক্তার ও তাঁর স্বামী মিন্টু মিয়া নায়েব আলীর বিরুদ্ধে মিথ্যা ধর্ষন মামলা করে তাঁকে চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্থ করেছেন। যে কারণে মিথ্যা মামলার বিচার চেয়ে এই মামলা করেছেন। ঝিনাইদহ আদালতের পিপি ইসমাইল হোসেন জানান, কারাগারে মায়ের সঙ্গেই থাকবে শিশুটি। আইনে এভাবে রাখার নিয়ম আছে।ঝিনাইদহ
আতিকুর রহমান। -

রাঙ্গাবালীতে অভিযান পরিচালনা করে ৬ জুয়ারীকে সাজা
রফিকুল ইসলাম ,
পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালীতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও রাঙ্গাবালী থানার অফিসার ইনচার্জ এর যৌথ নেতৃত্বে জুয়া খেলার আসর থেকে ৬ জনকে আটক করে তিন দিন করে কারাদণ্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। রবিবার গভীর রাতে উপজেলার খালগোড়া বাজারে জুযারিদের আটক করা হলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ শালেক মুহিদ এই শাস্তির আদেশ দেন। দন্ডপ্রাপ্তরা হলেন, উপজেলার খালগোড়া গ্রামের আমির হোসেনের ছেলে সাইদুর রহমান, শহিদুল ইসলামের ছেলে বাইতুল ইসলাম, আব্দুল আলী মীরের ছেলে বাবুল মীর, মতি মিয়ার ছেলে রেজাউল, মৃত আব্দুল মন্নান মীরের ছেলে মাসুদ মীর ও জলিল খা’র ছেলে বেল্লাল খা।
নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খালগোড়া বাজারের লঞ্চঘাট এলাকার মদিনা ফিস মৎস্য আড়ৎ-এ অভিযান পরিচালনা করে জুয়ারীদের আটক করা হয়। এ সময় জুয়া খেলার সরঞ্জামসহ ৪ হাজার ৬০০ টাকা জব্দ করা হয়। এমন অভিযান চলমান থাকবে। -

ধামইরহাটে ঈদের দিনে বেড়াতে গিয়ে আর বাড়ী ফিরেনি জিহাদ হোসেন
আবুল বয়ান, ধামইরহাট (নওগাঁ) প্রতিনিধি:
নওগাঁর ধামইরহাটে ঈদের দিন বিকেলে বাড়ী থেকে বেড়িয়ে যান ১৫ বছর বয়সী কিশোর মো. জিহাদ হোসেন। সেই থেকে আজ অবধি পরিবারের লোকজন হন্নে হয়ে খুজছে সেই কিশোরকে। হারানো ওই কিশোর উপজেলার অমরপুর গ্রামের আয়েজ উদ্দিনের ছেলে। মা-বাবার বিবাহ বিচ্ছেদ হওয়ায় মায়ের কাছেই থাকতেন ওই কিশোর, ছোট ছেলেকে হারিয়ে প্রায় দিশেহারা মা মোসা. জাহানারা বেগম। এ বিষয়ে ধামইরহাট থানায় একটি জি.ডি দায়ের করেছেন মা জাহানারা বেগম।
জিহাদ হোসেনের বড় ভাই মো.রাজু হোসেন জানান, ঈদের দিন নামাজ পরে বাড়ী থেকে বের হয়। বিকেলে আমারই এক পরিচিত ভাই তাকে নিমতলী বাজারে ঘুরতে দেখেছিল। সে নিমতলী বাজারে একটি কসমেটিকের দোকানে কাজ করতো। ঈদের আগের দিন ওই কসমেটিকস দোকানে সে রাত ২ টা পর্যন্ত কাজ করেছিল, দোকান মালিকের কাছে কাজের জন্য বোনাস-বখসিস চেয়েছিল ছোট ভাই জিহাদ হোসেন, তা না দেওয়ায় জিহাদ হোসেন দোকানদারকে গালি-গালাজ করে সে বাড়ী এসেছিল, ঈদের নামাজের পর বাড়ী থেকে বেড় হয়ে আর ফিরেনি। তার পরনে ফুলহাতা টিশার্ট, প্যান্ট ও চোখে সানগ্লাস ছিল।
ধামইরহাাট থানার ওসি মোজাম্মেল হক কাজী জানান, ঈদের দিনে ছেলেটি উপজেলার বিভিন্ন জায়গায় ঘোরাঘুরি করছিল ও তাকে অনেকেই দেখেছিল, কিন্তু তাকে সন্ধ্যার পর আর কেউ দেখতে পায়নি, তার মোবাইল ফোনটিও বন্ধ রয়েছে, আমরা থানা পুলিশ তার খোজ খবর রাখার চেষ্টা করছি এবং তাকে অনুসন্ধান অব্যাহত রয়েছে।আবুল বয়ান
ধামইরহাট, নওগাঁ। -

রাজশাহীতে পুকুর থেকে অপহৃত শিশুর লাশ উদ্ধার, এর সাথে জড়িত পলাশ গ্রেফতার
নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী : রাজশাহীতে একটি পুকুর থেকে অপহৃত শিশু আনিকার লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার ভোরে নগরীর ছোটবনগ্রাম খোরশেদের মোড়ের একটি পুকুর থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। শিশুটির নাম আনিকা (৮)। সে নগরীর নওদাপাড়া এলাকার আজিম উদ্দিনের মেয়ে।
রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের শাহমখদুম থানার উপ-পুলিশ কমিশনার নূর আলম বলেন, ঈদ সেলামি দেয়ার কথা বলে নির্জন জায়গায় নিয়ে গিয়ে শিশুটিকে ধর্ষণের পর হত্যা করে লাশ পুকুরে ফেলে দেয়া হয়েছিল।
তিনি আরো বলেন, গত শনিবার সন্ধ্যায় নওদাপাড়ায় থেকে অনিকাকে অপহরণ করা হয়। এ ঘটনায় সেই রাতেই শিশুটির বাবা থানায় একটি জিডি করেন। এর পর পুলিশ শিশুটিকে উদ্ধারে তদন্তে নামে। তদন্তের পর নগরীর বড় বনগ্রাম এলাকার শাহিনের ছেলে পলাশের সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া যায়। তবে পলাশকে পাওয়া যাচ্ছিলনা। এর পর অনিকাকে উদ্ধার ও পলাশকে ধরতে পুলিশের দুইটি টিম কাজ শুরু করে। নূর আলম বলেন, ভোর ৪ টার দিকে নাটোরের একটি যাত্রী ছাওনি থেকে পলাশকে আটক করে পুলিশ। এর পর পলাশ পুলিশকে জানায় শিশু আনিকাকে হত্যা করে লাশ পুকুরে ফেলে দেয়া হয়েছে। পরে পলাশকে নিয়ে শিশুটির লাশ উদ্ধারে অভিযানে নামে পুলিশ। সকালে নগরীর ছোটবনগ্রাম খোরশেদের মোড়ের একটি পুকুর থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।
তিনি বলেন, লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। আইনী পদক্ষেপ শেষে লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
তিনি বলেন, ঈদ সেলামি দেওয়ার কথা বলে শিশুটিকে নির্জন জায়গায় নিয়ে যায় পলাশ। পরে তাকে ধর্ষণ করে গলাটিপে হত্যা করে। সুযোগ বুঝে লাশ পুকুরে ফেলে পালিয়ে যায় সে। আর কাপড় একটি ঝোপে রেখে দেয়। এছাড়াও অনিকার কানের স্বর্ণের দুল খুলে নিয়ে যায় পলাশ।
মোঃ হায়দার আলী
রাজশাহী। -

গোপালগঞ্জে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু
স্টাফ রিপোর্টার, গোপালগঞ্জ : গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় পুকুরের পানিতে ডুবে দেড় বছর বয়সী আহনাফ নামের এক শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।
আজ সোমবার ০৩ জুলাই) দুপুরে উপজেলার বান্ধাবাড়ী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত শিশু কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালি উপজেলার আমির হামজা ও ফাতেমা হাওলাদারের ছেলে।
নিহত শিশুর মা ফাতেমা হাওলাদার জানান, তার ছেলে আহনাফ বাড়ীর উঠানে খেলতে ছিল। এসময় পরিবারের সকলের অজান্তে বাড়ীর পাশে পুকুরে পড়ে যায়। পরে শিশুটি কে না পেয়ে পরিবারের লোকজন বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করে। এক পর্যায়ে পুকুরে ভাসমান অবস্থায় দেখতে পেয়ে উদ্ধার করে কোটালীপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক শিশুটিকে মৃত্যু ঘোষনা করেন।
তিনি আরো জানান, স্বামী আমির হামজার সাথে বিবাহ বিচ্ছেদ হওয়ায় সে তার সন্তানকে নিয়ে কোটালীপাড়া উপজেলার বান্ধাবাড়ী গ্রামের বাবার বাড়ীতে থাকতেন। #
-

বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে সওজ নব-নিযুক্ত প্রধান প্রকৌশলীর শ্রদ্ধা
স্টাফ রিপোর্টার, গোপালগঞ্জ : গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন সড়ক ও জনপথ বিভাগের নব-নিযুক্ত প্রধান প্রকৌশলী সৈয়দ মঈনুল হাসান।
আজ সোমবার (০৩ জুলাই) দুপুরে বঙ্গবন্ধুর সমাধি সৌধ বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পন করে গভীর গভীর শ্রদ্ধা জানান তিনি। পরে বঙ্গবন্ধু ও তাঁর পরিবারের শহীদ সদস্যদের রুহের মাগফেরাত কামনা করে ফাতেহা পাঠ ও বিশেষ মোনাজাতে অংশ নেন। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে বঙ্গবন্ধু ভবনে রক্ষিত মন্তব্য বহিতে মন্তব্য লিখে স্বাক্ষর করেন ও সমাধি সৌধ কমপ্লেক্স ঘুরে দেখেন।
এসময় অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী রেজাউল করিম, ড. আব্দুল্লাহ আল মামুন, গোপালগঞ্জ সড়ক জোনের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মো: সাদেকুল ইসলাম, গোপালগঞ্জ সড়ক সার্কেলের তত্বাবধায়ক প্রকৌশলী তাপসী দাশ, প্রধান প্রকৌশলীর স্টাফ অফিসার নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ হালিমুর রহমান, গোপালগঞ্জ সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ জাহিদ হোসেন, উপস্থিত ছিলেন। #
-

ধামইরহাটে বজ্রপাতে কৃষি শ্রমিকের মৃত্যু
আবুল বয়ান, ধামইরহাট, নওগাঁ প্রতিনিধি:
নওগাঁর ধামইরহাটে জমি চাষের সময় বজ্রপাতে এক পাওয়ার টিলার চালকের মৃত্যু হয়েছে। এ সময় জমির মালিক জাহিদুল ইসলাম আহত হয়েছেন।
সোমবার (৩ জুলাই) দুপূর সাড়ে বারোটার দিকে উপজেলার মইশড় গ্রামের মাঠে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে।
নিহত মমিনুর রহমান (২২) মশইড় গ্রামের আজিজুর রহমানের ছেলে। জমির মালিক জাহিদুল ইসলামেরও একই গ্রামের বাসিন্দা।
স্থানীয় ও পুুলিশ সূত্রে জানা গেছে, জাহিদুল ইসলামের জমিতে আউশ ধান লাগানো জন্যে পাওয়ার টিলার দিয়ে জমি চাষ করছিলেন মমিনুর। জমির আইলের উপরে ছাড়া নিয়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন জাহিদুল আর পাওয়ার টিলার চালাচ্ছিলেন মমিনুর। দুপূরে হঠাৎ বৃষ্টির সাথে বজ্রপাত শুরু হয়। সাড়ে বারো টার দিকে একটি বজ্রপাতে ঘটলে মমিনুর ঘটনাস্থলে মারা যান। আর জাহিদুল আহত হন। মাঠে থাকা অন্য কৃষকসহ স্থানীয়রা ঘটনাটি দেখেতে পেয়ে জাহিদুলকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে দেন। তবে আহত জাহিদুল ইসলাম এখন ভালো আছেন।
ধামইরহাট থানার ওসি মোজাম্মেল হক কাজী ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, হতাহতদের পবিবারের থেকে কোন অভিযোগ না থাকার পারও আইনি প্রক্রিয়া শেষ করার পর পরিবারের কাছে
মরদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে।আবুল বয়ান
ধামইরহাট, নওগাঁ। -

গোপালগঞ্জে নিখোঁজের চার দিন পর শিশুর মরদেহ উদ্ধার
স্টাফ রিপোর্টার, গোপালগঞ্জ : গোপালগঞ্জে নিখোঁজের চার দিন পর মাসুমা নামের দুই মাস বয়সী এক কন্যা শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
আজ সোমবার (০৩ জুলাই) বিকালে গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার চরপাথালিয়া গ্রামের একটি খাল থেকে ওই শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
গোপালগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো: খায়রুল আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
নিহত শিশু মাসুমা গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার চর পাথালিয়া গ্রামের আরিফ হাওলাদারের মেয়ে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো: খায়রুল আলম জানান, গত ৩০ জুন রাতে বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয় শিশু মাসুমা। এরপর তাকে বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও কোন সন্ধান পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় নিহত শিশুর মা ববিতা খানম বাদী হয়ে গোপালগঞ্জ সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন।
আজ সোমবার (০৩ জুলাই) বিকালে বাড়ির পাশের খালে কচুরিপানার মধ্যে ওই শিশুর মরদেহ দেখতে পায় এলাকাবাসী। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ওই শিশুর মরদেহ উদ্ধার করে। পরে মরদেহের ময়না তদন্তের জন্য গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করে।
তবে কে বা কার কি কারনে ওই শিশুকে হত্যা করেছে তার কারণ জানাতে পারিনি পুলিশ। এ ঘটনায় পরিবারসহ এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। #