পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি।। পাইকগাছায় আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দাদের মাঝে ঋণের টাকা বিতরণ করা হয়েছে। দারিদ্র বিমোচন ও আর্থ কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষে উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয় থেকে চাঁদখালী ইউনিয়নের দেবদুয়ার আশ্রয়ণ প্রকল্পের ১১ জন উপকারভোগীদের মাঝে ছাগল পালন, মাছ চাষ ও ক্ষুদ্র ব্যবসা পরিচালনার জন্য মূলধন হিসেবে ১ লাখ ৪০ হাজার টাকা ঋণ প্রদান করা হয়। মঙ্গলবার সকালে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে উপকারভোগীদের মাঝে ঋণের টাকা বিতরণ করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মমতাজ বেগম। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা সরদার আলী আহসান, উপকারভোগী আনোয়ার গাজী, শেখ কল্লোল হোসেন, রুমা বেগম, ছকিনা বেগম, আছরোফ সানা, শেখ ইউনুছ আলী, মিজানুর গাজী, ফরিদা বেগম, শেখ হিল্লাল হোসেন, আদিম গাজী ও আবুল কাশেম সরদার।
Author: desk
-

স্লিপ থাকলেও চাল মেলেনি ; পাইকগাছায় ঈদুল আযহায় ভিজিএ’র চাল বি তরা অভিযোগ করল ইউএনও’র কাছে
পাইকগাছা(খুলনা) প্রতিনিধি।।
খুলনার পাইকগাছায় ঈদুল আযহায় গরীবদের স্লিপ দিয়ে ভিজিএফ’র চাল বি ত করার ঘটনায় মানববন্ধনের পর এবার লিখিত অভিযোগ হয়েছে। ৪ জুলাই মঙ্গলবার বেলা ১১ টার দিকে গদাইপুর ইউপি’র সরকারী চাল থেকে বি তরা প্রতিকার চেয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে এ অভিযোগ করেন। লিখিত অভিযোগে জানাগেছে, বিদায়ী ঈদ-উল আযহা উপলক্ষে প্রতিবারের ন্যায় এবারো ১টি পৌরসভা ও ১০ ইউনিয়নে ভিজিএফ’র চাল বরাদ্দ হয়। সে অনুযায়ী গদাইপুর ইউনিয়নে গরীব মানুষের জন্য ১০ কেজি করে ভিজিএফ’র চাল বিতরণের জন্য ১৮৩১ টি কার্ড বরাদ্দ হয়। গত ২৭ জুন ইউনিয়ন পরিষদে ভারপ্রাপ্ত ইউপি চেয়ারম্যান খোরশেদুজ্জামান ও ও পরিষদ সচিব মুহাঃ বেলাল হুসাইনের নেতৃত্বে চাল বিতরন করা হয়। জানাগেছে, চাল বিতরনের পুর্বে ইউপি চেয়ারম্যান ও পরিষদ সচিবের স্বাক্ষরে প্রত্যেক কার্ডধারী ব্যক্তিদের স্লিপ দেয়া হয়। কিন্তু ভুক্তভোগীদের অভিযোগ আমাদের স্লিপ দেয়া হলেও প্রায় ২শ স্লিপধারী গরীব মানুষ চাল বি ত হয়ে বাড়ী ফিরে আসে। প্রত্যক্ষদর্শীদের অভিযোগ ১০ কেজি করে চাল দেওয়ার কথা থাকলেও ওজনে কম দিয়ে ৭/৮ কেজি চাল দেওয়া হয়। এ ঘটনার প্রতিবাদে ভুক্তভোগীরা মানববন্ধন করলে সর্বত্র বিরুপ প্রভাব পড়ে। সর্বশেষ চাল বি ত চেঁচুয়া গ্রামের নূরআলী দপ্তরী,বাবুল গাজী,জামিরুল গাজী,শাহদাৎ গাজীসহ শতাধিক ভুক্তভোগী মানুষ ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও সচিবসহ অনিয়মে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মমতাজ বেগমের কাছে অভিযোগ করেছেন।এ বিষয়ে গদাইপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের আহবায়ক নির্মল অধিকারী জানান,চাউল বি তরা আমার কাছে এসে স্লিপ থাকলেও চাল দেওয়া হয়নি। এর মধ্যে গদাইপুর ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান শেখ খোরশেদুজ্জামান ও সচিব বেলাল এসে আমাকে বিষয়টি মিমাংসা করার জন্য অনুরোধ করেন। তিনি চাউল বি ত ব্যক্তিদের নিয়ে আলোচনা করে প্রতিজনকে ৫ কেজি করে চাউল দেওয়ার প্রস্তাব করলে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও সচিব এ শর্তে রাজী হয়নি। এ অভিযোগ সমর্কে মোবাইলে জানতে চাইলে গদাইপুর ইউপি সচিব মুহাঃ বেল্লাল হুসাইন বলেন,গত ২৭ জুলাই ১ দিনে ট্যাগ অফিসারের উপস্থিতিতে চাল বিতরণ করা হয়। স্লিপধারীরা হাজির না হলে উর্ধতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে আশ্রায়ন প্রকল্পের বাসিন্দাদের মাঝে এ চাল দেওয়া হয়। কিন্তু পরেরদিন অর্থাৎ ২৮ জুলাই স্লিপধারীরা পরিষদে এসে চাল দাবি করলে তা দেওয়া সম্ভব হয়নি। তবে ভারপ্রাপ্ত ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ খোরশেদুজ্জামান বলেন,চাল বিতরণে কোন অনিয়ম হয়নি। কিন্ত স্লিপের চাল গেল কোথায় এ সম্বন্ধে জানতে চাইলে তিনি বলেন,কিছু লোক ষড়যন্ত্র করে আমাদের ফাঁসানোর চেষ্টা করছে। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মমতাজ বেগম জানান, তদন্ত করে অভিযোগের বিষয়টি প্রমানিত হলে দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।প্রেরকঃ
ইমদাদুল হক,
পাইকগাছা,খুলনা। -

কালের বির্বতনে ঐতিহ্য হারাতে বসেছে আত্রাইয়ের মৃৎশিল্প
রওশন আরা শিলা. নওগাঁ প্রতিনিধি
কালের বিবতনে ঐতিহ্য হারাতে বসেছে নওগাঁর আত্রাইয়ের মৃতশিল্প। প্রয়োজনীয় অর্থ ও উপকরণের অভাবে আত্রাই উপজেলার মৃতশিল্প ঐতিহ্য হারাতে বসেছে,মৃৎ শিল্পীরা নিজ পেশা ছেড়ে এক প্রকার বাধ্য হচ্ছে অন্য পেশায় আত্ন নিয়োগ করতে। কালের বিবতন,প্রতিকুলতা আর প্রযুক্তির এ যুগে মেলামাইন শিল্পের বিকাশে মৃৎলিল্প বিলুপ্ত প্রায়। নওগাঁর আত্রাই উপজেলার আটটি ইউনিয়নে মৃৎশিল্পীদের হাতের তৈরি মাটিড় হাঁড়িপাতিল ও ভৈজসপত্রের প্রশংসা ছিল পুরো রাজশাহী বিভাগ জুড়ে।
স্থানীয় কুমারদের হাতে তৈরি মাটির হাড়িপাতিল,কলস, প্রদিপ,খেলনার তৈজসপত্র আর ঘর ছাওনির টালি ছিল মানুষের নজর কাড়া।শহর অঞ্চলে মাটির তৈরিভৈজসপত্র ব্যবহার না থাকলেও এক সময় গ্রামঞ্চলে এগুলোর ব্যবহার ও চাহিদ ছিল প্রচুর,গ্রাামে বসবাসকারি বিভিন্ন পরিবারের মেয়েদের পয়সা সংগ্রহের জন্য মাটির তৈরি ব্যাংকের কথা সবার জানা।বিদ্যুৎ চলে গেলে গ্রামের বাড়িতে মাটির প্রদীপের চাহিদাও ছিল।যা বতমানে বিরল। তবে বিভিন্ন রোগ বালাই সারতে এখনও গ্রামের মানুষেরা ব্যবহার করে আসছে পিঠা তৈরীর বাসন, মাটির কলস,হাড়ি ও দই ভরানোর জন্য ছোট ছোট পাতিলসহ ইত্যাদিআর একারনেই নওগাঁর আত্রাই উপজেলার মির্জাপুর,পাঁচুপুর, সাহেবগঞ্জ, বিশা,হাটকালুপাড়া,কালিকাপুর পল্লীতে এখনও চাকা ঘুরছে। কিন্তু আগের মত জাঁকজমক আর নেই। দুদিনে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি,কষ্ট,হতাশায় যেন সবকিছু স্থবির হয়ে পড়েছে পল্লীগুলোতে। এক সময়ের নন্দিত মৃতশিল্প বিলুপ্তির পেছনে নানাবিধ সমস্যা বিরাজ করছে।কুমারদের শ্রমের মজুরি খুবই কম। প্রয়োজননীয় মাটি ও জ্বালানীয় অভাব,সমস্যা বাজারজাত করনেও। সবপরি আধুনিক মেলামাইন শিল্পের বিকাশের জন্য মৃতশিল্প হারিয়ে যেতে বসেছে। মঙ্গবার (4 জুলাই) সকালে মৃৎ শিল্পের সাথে জড়িত উপজেলার মির্জাপুর পালপাড়ায় গিয়ে কথা হয় শ্রী গজেন্দ্র নাথ পাল,শ্রী অমল চন্দ্র পাল,শ্রীমতি সম্পারানী পাল,শ্রীমতি ইতিরানী পাল, ম্রীমতি সুসমা রানী পালের সাথে তারা জানান, মাটির তৈরি জিনিসপত্ত্রের চাাহিদা কমে গেছে অনেকাংশে, প্রয়োজনীয় মাটির অবাবে,দ্রব্যমূল্য সহ বিভিন্ন কারনে তারা তাদের পুরাতনঐতিহ্য ধরে রাখতে পারছে,তাদের এ পাড়ায় এক সময় তিন’শ পরিবার ছিল এর মধ্যে সব পরিবার ভারতে চলে গেছে। বতমানে চল্লিশটি পরিবার রয়েছে। তারাই একমাত্র মৃৎশিণ্পের চাহিদা আবারো ফিরে আসবে বলে মনে করছেন। এবিষয়ে আত্রাই উপজেলা সমাজসেবা অফিসার মোঃ সোহেল রানা বলেন, এই উপজেলার মৃতশিল্পকে টিকিয়ে রাখার জন্য উপজেলা সমাজসেবা অফিস থেকে একটি প্রাথমিক জরিপ করা হয়েছে। তাদের পুজিঁ ব্যপারে অধিদপ্তরকে জানানো হয়েছে। আশা করছি এবছরে মৃৎ শিল্পকে টিকিয়ে রাখকতে বিনা সুদে তাদের লোন দেয়া হবে।# -

৬ মাসে ঝিনাইদহে সড়ক দুর্ঘটনায় ৭১ জন নিহত বহু মানুষ পঙ্গু
আতিকুর রহমান, ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
ঝিনাইদহের সড়ক মহাসড়ক মানুষের জন্য ক্রমেই অনিরাপদ হয়ে উঠছে। সড়কগুলোতে কোন ভাবেই থামানো যাচ্ছে না অবৈধ যান চলাচল। প্রতিনিয়ত মানুষ মৃত্যু ঝুকি নিয়ে সড়কে চলাচল করছেন। নিরাপদে সুস্থ শরীরে বাড়ি পৌছাবে কিনা এমন কোন গ্যারান্টি নেই। যানবাহনে চড়ে এক অনিশ্চিত যাত্রার বলি হচ্ছে মানুষ। গত ৬ মাসে ঝিনাইদহের ৬ উপজেলায় সড়ক দুর্ঘটনায় মারা গেছেন ৭১ জন। এরমধ্যে বেশির ভাগই মারা গেছেন অবৈধ যানবাহনের কারণে। উচ্চ আদালতের নির্দেশ থাকার পরও ঝিনাইদহের বিভিন্ন সড়ক মহাসড়কে অবৈধ যানবাহন চলাচল বন্ধ করতে পারেনি হাইওয়ে পুলিশ। বরং কথিত আছে অবৈধ যানবাহন মালিকরা মাসোহারা দিয়ে রাস্তায় এই যানবাহন চালাচ্ছেন। সড়ক মহাসড়ে দেদারছে অবৈধ যানবাহন চলাচল সেই সাক্ষ্য বহন করে। পুলিশ ও পত্রিকায় প্রকাশিত রিপোর্ট অনুযায়ী সড়ক দুর্ঘটনায় ঝিনাইদহ সদর উপজেলায় গত ৬ মাসে ১৭ জন, কালীগঞ্জ উপজেলায় ১৫ জন, কোটচাঁদপুরে ১৪ জন, মহেশপুরে ১১ জন, শৈলকুপায় ১২ জন ও কোটচাঁদপুরে ২ জন নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে ঝিনাইদহ সদর উপজেলায় সবচে বেশি ১৭ জন মানুষের মৃত্যু হয়েছে। অন্যদিকে একই পরিবারের ৪ সদস্যসহ ৭ জনের মৃত্যু ঘটেছে কোটচাঁদপুরের কাশিপুর নামক স্থানে। ঘটনার দিন কোটচাঁদপুর উপজেলার এলাঙ্গী গ্রামের রুবেলের স্ত্রী রিমা খাতুন ডাক্তার দেখাতে কোটচাঁদপুর যান। তার সঙ্গে ছিল সন্তান রাফান ও শাশুড়িসহ দুই শিশু। পথের মধ্যে ফল ব্যবসায়ী আল-আমিন ইঞ্জিন চালিত ওই ভ্যানের যাত্রী হন। তারা কালীগঞ্জ-কোটচাঁদপুর সড়কের কাশিপুর নামক স্থানে পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি পিকআপ ভ্যানের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই দুই শিশুসহ তিনজন এবং পরে যশোর হাসপাতালে দুজন ও ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আরো দুইজনের মৃত্যু হয়। এই দুর্ঘটনায় একই পরিবারের চারজনের মৃত্যুর ঘটনায় এলাকাবাসিকে গভীর ভাবে নাড়া দেয়। এছাড়া সড়ক দুর্ঘটনায় একাধিক মৃত্যুর মধ্যে রয়েছে সদর উপজেলার কয়ারগাছি স্থানে আব্দুর রাকিব ও শাকিল, কালীগঞ্জের মোবারকগঞ্জ চিনিকলের সামনে স্বামী ছাবদার হোসেন ও স্ত্রী পারভিনা খাতুন, সদর উপজেলার নলডাঙ্গা গ্রামে ইমন ও আজিম, সদর উপজেলার আটলিয়া গ্রামে রিংকী খাতুন ও সাজেদুল ইসলাম, কালীগঞ্জের পিরোজপুর বটতলায় আবুল কালাম, শরীফা খাতুন ও অরো দাস এবং একই উপজেলার বেজপাড়া নামক স্থানে উজ্জল শেখ ও আমানুর রহমান নিহত হন। বায়েস নামে এক ব্যবসায়ী অভিযোগ করেন, তিনি কুষ্টিয়ার পোড়াদহ থেকে কাপড় কিনে ফেরার পথে হাইওয়ে পুলিশকে ২৫০০ টাকার ঘুষ দিনে। টাকা না দিলে থ্রিহুইলার আটকে রাখা হয়। থ্রিহুইলার, আলমসাধু, ভটভটি, নছিমন ও করিমন গাড়ির বেশির ভাগ চালক অভিযোগ করেন, তারা মাসিক দিয়ে সড়কে চলাচল করেন। এই টাকা মালিক পক্ষ দিয়ে থাকেন। সুজন নামে এক ইজিবাইক চালক অভিযোগ করেন, রাস্তায় রাস্তায় তারা পুলিশ, হাইওয়ে পুলিশ ও শ্রমিক সংগঠনের টাকা দিয়ে থাকেন। টাকা না দিলে গাড়ি আটকে দেওয়া হয়। সংগঠন সড়ক দুর্ঘটনায় অকাতরে প্রাণ হারানোর বিষয়ে ঝিনাইদহ হাইওয়ে পুলিশের ওসি মিজানুর রহমান বলেন, সড়ক মহাসড়কে অবৈধ যান চলাচলের বিষয়ে শুধু ঝিনাইদহে বন্ধ হলে হবে না। সারা দেশেই বন্ধ করতে হবে। এ জন্য সড়ক ও সেতু মন্ত্রনালয় কাজ করছে। তারপরও আমরা সড়কগুলো অবৈধ যান মুক্ত করতে কাজ করছি। তিনি বলেন, হাইওয়ে পুলিশের তথ্যমতে সড়কে গত ৬ মাসে ১৫/১৬ জন মানুষ সড়ক দুঘর্ঘটনায় মারা গেছেন। সারা জেলায় গ্রামীন সড়কের দুর্ঘটনার হিসাব আমাদের কাছে নেই। ওসি মিজানুর রহমান বলেন, সড়ক মহাসড়ক নিরাপদ রাখতে শুধু পুলিশের একার পক্ষে সম্ভব নয়। এই সেক্টরে যারা কাজ করেন তাদের সবাই একতাবদ্ধ ভাবে কাজ করতে হবে। ঝিনাইদহ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটির সহকারী পরিচালক আতিয়ার রহমান জানান, সড়ক দুর্ঘটনা রোধে বিআরটিএ সচেতনতামুলক কর্মসুচি চালিয়ে যাচ্ছে। তার দপ্তর প্রতি মাসেই চালকদের দক্ষতা উন্নয়নে প্রশিক্ষন দিচ্ছেন।ঝিনাইদহ
আতিকুর রহমান। -

নড়াইলে পরকীয়া প্রেমের প্রলোভন দেখিয়ে মুক্তিপণ দাবি পুলিশের অভিযানে ভিকটিম উদ্ধার আসামি গ্রেফতার
উজ্জ্বল রায়, নড়াইল থেকে
নড়াইলে পরকীয়া প্রেমের প্রলোভন দেখিয়ে মুক্তিপণ দাবির অভিযোগে এক দম্পতিকে গ্রেফতার করেছে নড়াইল সদর থানা পুলিশ। সোমবার (৩ জুলাই ) বিকালে নড়াইল সদর উপজেলার মুচিরপুল এলাকায় অভিযান চালিয়ে ঐ দম্পতিকে আটক করে পুলিশ।
উজ্জ্বল রায়, নড়াইল থেকে জানান, গ্রেফতারকৃতরা হলেন- নড়াইল সদর থানাধীন রঘুনাথপুর গ্রামের মোঃ মিজানুর শেখের ছেলে মোঃ সিফাত শেখ (২১) ও সিফাতের স্ত্রী মোছাঃ রিক্তা খানম। এ সময় একটি লোহার তৈরি চাপাতি, একটি দেশীয় তৈরি লোহার চাইনিজ কুড়াল সদৃশ অস্ত্র ও দুইটি আয়তাকার লোহার রড উদ্ধার করা হয়।(২ জুলাই) সন্ধ্যায় নড়াইল সদর উপজেলার মির্জাপুর দক্ষিণপাড়া গ্রামের মৃত শেখ রহম আলীর ছেলে শেখ মাসুদ হাসান(৪৫) কে সিফাত-রিক্তা দম্পতি পরস্পর যোগসাজসে পরকীয়া প্রেমের প্রলোভন দেখিয়ে বাসায় ডেকে আনে। তারপর তারা ঐ ব্যক্তিকে রাতভর আটক রেখে মারধর করে ও দেশীয় অস্ত্র দেখিয়ে তাকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে এবং পাঁচ লক্ষ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। নড়াইল জেলা পুলিশের কর্ণধার পুলিশ সুপার মোসাঃ সাদিরা খাতুন মহোদয়ের নির্দেশনায় সদর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ ওবাইদুর রহমান সঙ্গীয় ফোর্সসহ অভিযান চালিয়ে নড়াইল সদর থানাধীন মুচিরপোল এলাকা হতে ভিকটিমকে উদ্ধারসহ আসামীদ্বয়কে আটক করেন। ভিকটিমের দেয়া তথ্য মতে ও আসামীদ্বয়ের স্বীকারোক্তি মোতাবেক তাদের ভাড়া বাসা হতে ভিকটিমকে নির্যাতনে ব্যবহৃত দেশীয় অস্ত্র উদ্ধারপূর্বক জব্দ করেন।
-

তানোরে আওয়ামী লীগের প্রস্তুতি সভা
আলিফ হোসেন,তানোরঃ
রাজশাহীর তানোরের কলমা ইউনিয়ন (ইউপি) আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন সফল করার লক্ষে ইউপি আওয়ামী লীগের প্রস্ততি সভা আয়োজন করা হয়েছে। জানা গেছে, ৪ জুলাই মঙ্গলবার ইউপি আওয়ামী লীগের উদ্যোগে দরগাডাঙা স্কুল এ্যান্ড কলেজ মাঠে সম্মেলন প্রস্ততি সভা আয়োজন করা হয়।
এদিন প্রস্ততি সভায় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মাইনুল ইসলাম স্বপন, সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ প্রদিপ সরকার, উপজেলা ভাইস-চেয়ারম্যান আবু বাক্কার ও সোনীয়া সরদার, কামারগাঁ ইউপি আওয়ামী লীগের সভাপতি ও চেয়ারম্যান ফজলে রাব্বি ফরহাদ মিঞা, উপজেলা কৃষক লীগের সভাপতি ও প্রধান শিক্ষক রাম কমল সাহা, উপজেলা যুবলীগের সম্পাদক জুবায়ের ইসলাম, প্রধান জিল্লুর রহমান, প্রভাষক মুন্সেফ আলী, আবুল বাসার সুজন, জেলা বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগের সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার মাহাবুর রহমান মাহাম, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহবায়ক শামসুল ইসলাম, সদস্য সচিব রামিল হাসান সুইট, উপজেলা বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগের সভাপতি তাসাদ্দেক চৌধুরী লিটন,সম্পাদক সাদেকুল ইসলাম সাদেক, কলমা ইউপি স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি তানভির রেজা ও সম্পাদক আপেলপ্রমুখ। প্রস্ত্ততি সভায় প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাংসদ প্রতিনিধি ও উপজেলা চেয়ারম্যান লুৎফর হায়দার রশিদ ময়না।
আগামি ১১ জুলাই মঙ্গলবার দরগাডাঙা স্কুল এ্যান্ড কলেজ মাঠে কলমা ইউপি আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন
অনুষ্ঠিত হবে।
এদিকে সম্মেলন প্রস্ত্ততি সভায় নেতা ও কর্মী-সমর্থকদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে তা ছোটোখাটো জনসভায় রুপ নেয়। দীর্ঘদিন পর আওয়ামী লীগের কোনো দলীয় কর্মসূচিতে নেতা ও কর্মী-সমর্থকদের এমন স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ দেখা গেছে। প্রধান বক্তা উপস্থিত নেতা ও কর্মী-সমর্থকদের উদ্দেশ্যে বলেন,
রাজনৈতিক লক্ষ্যে পৌচ্ছাতে এবং বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে ঐক্যবদ্ধ আওয়ামী লীগের কোন বিকল্প নেই। তিনি বলেন, বিশ্ব পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে নিজেদের অস্থিত্ব রক্ষায় যেমন ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশের প্রয়োজন: তেমনি বাংলাদেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের প্রতীক গণতন্ত্রের ধারক-বাহক আওয়ামী লীগকেও ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। অন্যথায় আওয়ামী লীগের পক্ষে তার রাজনৈতিক লক্ষ্যে পৌচ্ছা ও বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়ন করা কঠিন হবে।
তিনি বলেন, কেবল মুখে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের কথা বললেই দায়িত্ব শেষ হয়ে যায় না। আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক দর্শন কি, অর্থনৈতিক কর্মসূচী তথা উৎপাদন, উন্নয়ন, বিনিয়োগ-কর্মসংস্থান এবং আধিপত্যবাদ-সম্প্রসারণবাদ কি ও তার ক্ষতির দিকগুলো সম্পর্কে স্পষ্ট বক্তব্য থাকতে হবে। তিনি আরো বলেন, আমরা যে স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের নেই প্রশ্নে আপোষহীণ সে বিষয়টি সকল নেতাকর্মীদের হৃদয়ে প্রতিষ্ঠা করতে হবে। তা ছড়িয়ে দিতে হবে তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মাঝে। বাঙ্গালী জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কাছ থেকে আমরা কি পেয়েছি। তিনি বলেন, আমরা কেন আওয়ামী লীগ করি, অন্যদলের সঙ্গে আওয়ামী লীগের পার্থক্য কি, মানুষ কেন আওয়ামী লীগকে ভালোবাসে ও সমর্থন করে-এসব বিষয়ে তৃণমুল পর্যায় থেকে শুরু করে সকল নেতাকর্মীদের মাঝে সুস্পষ্ট ধারণা তথা দিকনির্দেশনা থাকতে হবে। তাহলে তারা দলের প্রতি আরও নিবেদিতপ্রাণ হয়ে কাজ করতে পারবেন। তিনি প্রতিটি নেতা ও কর্মী-সমর্থকদের প্রতি আহবান জানিয়ে বলেন, সকলকে নিজ নিজ জায়গা থেকে আওয়ামী লীগের উন্নয়ন ও অর্জনের চিত্র তুলে ধরে প্রচারণা করতে হবে। তিনি বলেন, দূর্দীনে যারা দলের সাংগঠনিক কর্মকান্ড গতিশীল করতে ভূমিকা রেখেছেন তাদের এবং প্রবীণ-ত্যাগী ও নিবেদিতপ্রাণ নেতাকর্মীদের আবারো সক্রিয়-মূল্যায়ন করতে হবে এবং আগামিতে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে নৌকার পক্ষে কাজ করতে হবে তাহলে নৌকার বিজয় কেউ ঠেকাতে পারবে না ইনশাল্লাহ্। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ দেশের প্রাচীনতম, সর্ববৃহত ও জনপ্রিয় গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল, এখানে নেতাকর্মীর কোনো অভাব নাই, নেতৃত্ব নিয়ে প্রতিযোগীতা রয়েছে সেটা ঠিক তবে কখানোই তা যেনো দলীয়কোন্দলে রুপ না পায় সেটা লক্ষ্য রাখতে হবে। তিনি বলেন, সকল নেতা ও কর্মী-সমর্থকদের মনে রাখতে হবে আমরা জাতীর জনক বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বুকে ধারণ করে গণতন্ত্রের মানসকন্যা জননেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দল করি, কাজেই কোনো নেতার ওপর অভিমান কর, কারো কথায় কস্ট পেয়ে বা বিপদগামী কারো প্রলোভনে পড়ে নৌকার বিকল্প ভাবতে পারি না, আমরা আগেও নৌকায় ছিলাম, এখানো আছি এবং আগামিতেও থাকবো সকলে ঐক্যবদ্ধ হয়ে নৌকার বিজয়ে কাজ করবো ইনশাল্লাহ্। এদিকে স্থানীয় রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক মহলের ভাষ্য, আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক কর্মসূচি সফল করতে ময়নার কোনো বিকল্প নাই। তার উপস্থিতিতে নেতা ও কর্মী-সমর্থকদের এমন স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ তারই প্রমান করে। কাজেই যারা ময়নাকে মাইনাস করে রাজনীতি করার স্বপ্ন দেখেন তাদের এখান থেকে শিক্ষা গ্রহণ করা উচিৎ।# -

নড়াইলে ভাগ্নের রডের আঘাতে মামার মৃত্যু জড়িতদের অটকে পুলিশের অভিযান
উজ্জ্বল রায়, নড়াইল থেকে:
নড়াইলের লোহাগড়ায় ভাগ্নের রডের আঘাতে মামা সিরাজুল ইসলাম মোল্লা (৫০) নামে একজনের মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। সোমবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার রায়গ্রাম মধ্যপাড়া এ ঘটনা ঘটে। সিরাজুল ইসলাম ওই গ্রামের মৃত মোকাদ্দেশ মোল্লার ছেলে।
উজ্জ্বল রায়, নড়াইল থেকে জানান, পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, নিহত সিরাজুল ইসলামের কলেজ পড়ুয়া ছেলে মহব্বত মোল্লা সোমবার সন্ধ্যায় মোবাইলে টাকা রিচার্জের জন্য নদীর ওপারে ফেদি বাজারে যায়। ফেরার পথে তার দুঃসম্পর্কের ফুফাতো ভাই ও প্রতিবেশী গফফার মোল্লার ছেলে শান্ত মোল্লার সঙ্গে বাকবিতণ্ডা হয় মহব্বতের। পরে তিনি বাড়ি ফিরে তার বাবাকে এ বিষয়ে জানালে, সিরাজুল শান্তকে ডেকে ঘটনার বিষয়ে জানতে চাইলে উভয়পক্ষ বাকবিতণ্ডায় লিপ্ত হন। এসময় শান্ত ক্ষিপ্ত হয়ে তার ৮-১০ জন সহযোগীকে নিয়ে রড ও লাঠিসোটা দিয়ে হামলা করে সিরাজুল ইসলাম মোল্লার ওপর। শান্তর রডের আঘাতে সিরাজুল মাটিতে লুটিয়ে পড়েন বলে তার ছেলে মহব্বত অভিযোগ করেন।
স্থানীয় ও পরিবারের লোকজন গুরুতর আহত সিরাজুলকে উদ্ধার করে লোহাগড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে এলে জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
তবে এ ঘটনায় অভিযুক্তদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
নড়াইলের লোহাগড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাসির উদ্দীন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নড়াইল সদর হাসপাতালের মর্গে প্রেরন করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের অটকে পুলিশের অভিযান চলছে। পাশাপাশি এলাকার সার্বিক শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে বলেও জানান তিনি। -

র্যাব-১২’র বিশেষ অভিযানে সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জে ১,৭৪০ পিচ ইয়াবাসহ নারী মাদক ব্যবসায়ী আটক
প্রেস বিজ্ঞপ্তি
র্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) প্রতিষ্ঠাকালীন সময় থেকেই দেশের সার্বিক আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে সব ধরণের অপরাধীকে আইনের আওতায় নিয়ে আসার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। জঙ্গী, সন্ত্রাসী, সংঘবদ্ধ অপরাধী, ছিনতাইকারী, জুয়ারি, মাদক ব্যবসায়ী, খুন, এবং অপহরণসহ বিভিন্ন চাঞ্চল্যকর মামলার আসামী গ্রেফতারে র্যাব নিয়মিত অভিযান চালিয়ে আসছে।
১। এরই ধারাবাহিকতায় মোঃ মারুফ হোসেন পিপিএম, অধিনায়ক র্যাব-১২, সিরাজগঞ্জ এর দিক নির্দেশনায় ০৩ জুলাই ২০২৩ খ্রিঃ সন্ধ্যা ১৮.৪০ ঘটিকায় র্যাব-১২’র স্পেশাল কোম্পানীর একটি চৌকষ আভিযানিক দল সিরাজগঞ্জ জেলার রায়গঞ্জ থানাধীন গ্রাম পাঙ্গাসী কবরস্থানের উত্তর দিকে জনৈক ময়েজ আলী শেখের বাড়ীর উত্তর পার্শ্বের ফাঁকা জায়গায় পাকা রাস্তার উপর একটি মাদক বিরোধী অভিযান চালিয়ে ১,৭৪০ পিচ ইয়াবাসহ নারী মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে। এছাড়াও তার সাথে থাকা মাদক ক্রয়-বিক্রয়ের কাজে ব্যবহৃত ০১ টি মোবাইল এবং নগদ ৪৪০০ টাকা জব্দ করা হয়।
২। গ্রেফতারকৃত আসামীঃ মোসাঃ রিনা বেগম (৪৫) স্বামী- মোঃ ইনসাফ আলী, সাং-পুরান শৈলাবাড়ী, থানা- সদর, জেলা-সিরাজগঞ্জ ।
৩। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে,নারী আসামী দীর্ঘদিন যাবৎ লোক চক্ষুর আড়ালে তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে যোগাযোগের মাধ্যমে সিরাজগঞ্জ জেলার বিভিন্ন থানায় মাদক দ্রব্য ইয়াবা ক্রয়-বিক্রয় করে আসছিলো।
৪। গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করতঃ উদ্ধারকৃত আলামতসহ সিরাজগঞ্জ জেলার রায়গঞ্জ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
এ ধরণের মাদক উদ্ধার অভিযান সচল রেখে মাদকমুক্ত সোনার বাংলা গঠনে র্যাব-১২ বদ্ধপরিকর।
র্যাব-১২ কে তথ্য দিন – মাদক , অস্ত্রধারী ও জঙ্গিমুক্ত বাংলাদেশ গঠনে অংশ নিন।
স্বাক্ষরিত…….
মোঃ আবুল হাসেম সবুজ
লেফটেন্যান্ট কমান্ডার বিএন
কোম্পানী কমান্ডার
র্যাব-১২,সিপিএসসি, সিরাজগঞ্জ
ফোন-০২-৫৮৮৮৩১৮৫৯(অফিস)
-

কপোতাক্ষের ভাঙ্গনে পাইকগাছার বোয়ালিয়া মালোপাড়া বাসিন্দারা আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে
ইমদাদুল হক,পাইকগাছা,খুলনা।।
কপোতাক্ষ নদের ভয়াবহ ভাঙ্গনে পাইকগাছার হিতামপুর মালোপাড়ার ঘরবাড়ী, গাছপালা ও জমি নদগর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। কপোতাক্ষ নদের তীব্র স্রোতের টানে ভয়াবহ ভাঙ্গনের কবলে পড়ে মালোপাড়া এলাকার মানুষ চরম আতঙ্কের মধ্যে দিন পার করছে। ভাঙ্গন এলাকার কিছু কিছু ঘরে নিচের অর্ধেক মাটি নদে ধ্বসে পড়েছে। ঘরগুলি নদের উপর ঝুলছে। যে কোন সময় নদ গর্ভে ভেঙ্গে পড়তে পারে। এসব পরিবারের বসবাসরত মানুষগুলো নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছে। অতিসত্বর ভাঙ্গন রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে রাস্তাসহ বাকী পরিবারের ঘরবাড়ী এবং ফসলী জমি নদেগর্ভে বিলীন হয়ে যাবে।
মালোপাড়া গিয়ে দেখা যায়, একটি মন্দির ও প্রায় ২৫টি পরিবার ভাঙ্গন আতঙ্কে রয়েছে। বিগত কয়েক বছর ভাঙ্গনের তীব্রতা না থাকলেও গত বছর থেকে ভাঙ্গনের তীব্রতা বেড়েছে। ভাঙ্গন কবলিত মালোপাড়ার রঞ্জিত বিশ্বাস, নিমাই বিশ্বাস, প্রভাষ বিশ্বাস, রবিন বিশ্বাস, সুভাষ বিশ্বাস, সাধন বিশ্বাস, বাসুদেব বিশ্বাস, লালু বিশ্বাস, নলিনা বিশ্বাস, ভাদু বিশ্বাস, বিরেন্দ্র বিশ্বাস, সুরঞ্জন বিশ্বাস, সুশান্ত বিশ্বাস বিশ্বাসদের পরিবার গুলি চরম আতঙ্কে রয়েছে। জোয়ারের পানি বাড়ীর ভিতরে প্রবেশ করছে। আর ভাটার টানে নদের তীর ভেঙ্গে ভাঙ্গনের তীব্রতা বাড়ছে। এ ব্যাপারে বোয়ালিয়া মালোপাড়ার দূর্গা মন্দির কমিটির সভাপতি লালু বিশ্বাস জানান, বিগত কয়েক বছর নদের টুকিটাকি ভাঙ্গন ছিল। তবে গত বছর থেকে ভাঙ্গনের তীব্রতা বেড়েছে। অতি সত্বর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা না নিলে আমাদের মন্দির, বাড়ী ঘর নদী গর্ভে বিলিন হয়ে যাবে।
পাইকগাছায় ভদ্রা তীরবর্তী দেলুটির কালিনগর ও দারুনমল্লিক এবং কপোতাক্ষ তীরবর্তী রাড়ুলী মালোপাড়া, স্টিমার ঘাট, আগড়ঘাটা, সোনাতনকাটি, কপিলমুনি, কাশিমনগরসহ বিস্তীর্ণ এলাকায় ভাঙন চলমান রয়েছে। ভাঙন ও ফাটল শুরু হওয়ায় বসতবাড়ি ও বিভিন্ন স্থাপনার পাশাপাশি সর্বস্ব হারানোর শঙ্কা নিয়ে দিন কাটছে তীরবাসীর। এতে যেকোনো সময় বেড়িবাঁধ নদীতে বিলীন হয়ে যেতে পারে। বেড়িবাঁধ ভাঙলে বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হবে।
মালোপাড়ার ভাঙ্গন এলাকায় গত বছর কিছু অংশে বালির বস্তা দেওয়া হয়েছে। ভাঙ্গনে বালির বস্তাগুলি নদে ধসে পড়েছে। এ বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ড পাইকগাছার সাব-এসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার রাজু হাওলাদার বলেন, হিতামপুর মালোপাড়ার কপোতাক্ষ নদের ভাঙ্গন এলাকার ডিজাইন ও পরিকল্পনা প্রস্তুত করে নতুন অর্থ বছরে চাহিদাপত্র পাঠানোর প্রস্তুতি চলছ্। বরাদ্দ হলে খুব তাড়াতাড়ি কাজ শুরু করা হবে।ইমদাদুল হক,
পাইকগাছা,খুলনা। -

ভয়াবহ আগুনে নিঃস্ব আত্রাইয়ের এক কৃষক
রওশন আরা পারভীন শিলা,নওগাঁ প্রতিনিধিঃ-
নওগাঁর আত্রাই উপজেলার কোলা কাসুন্দা গ্রামে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে নিঃস্ব হয়েছেন এক কৃষক।আগুনের লেলিহান শিখায় ভূস্মিভূত হয়ে গেছে তার বাড়ির সব ধান,ভূট্টা, গম,বাদাম সহ আসবাবপত্র। আগুন নেভাতে অতিরিক্ত পানি ঢালার কারনে মাটির দেওয়াল এক অংশ ধ্বসে গেছে তার বাড়িটি।
স্থানিয়রা জানিয়েছেন, সোমবার (3 জুলাই) রাত্রি আনুমানিক একটার সময় তার বাড়ির পার্শ্বে অন্ন শরীক আয়ূব আলীগং এর গোয়াল ঘর থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। পরে তা ছড়িয়ে পরে কৃষক সিদ্দিক আকন্দের বাড়িতে।প্রামবাসী প্রথমে পানি দিয়ে নিভানোর চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়ে আত্রাই ফায়ার সার্ভিস স্টেশনে খবর দিলে আত্রাই ফায়ার সার্ভিস টিম ঘটনার স্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রনে আনতে সক্ষম হয়। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক সিদ্দিক জানান, আমার বাড়ির পার্শ্বে আযূব আলীর ও আমজাদ এর একটি গোয়াল ঘর দীঘদিন যাবৎ আছে। এই গোয়াল ঘর নিয়ে আয়ূব আলী ও তার আপন ছোট ভাই আমজাদ এর মধ্যে দীঘ দিন বিবাদ চলে আসছে। গোয়াল ঘর দখল নিতে গত দুই দিন থেকে কয়েক দফা হামলা চলে দুই ভাইয়ের মধ্যে।এরই জের ধরে কে বা কাহারা গভীর রাতের আধাঁরে গোয়াল ঘরে আগুন দিলে সেই আগুনের লেলিহান শিখায় আমাব বাড়িতে আগুন লেগে আমার ঘরে তালার উপরে রাখা ধান,ভূট্টা,বাদাম, গম সহ আসবাবপত্র, নগদ দুই লক্ষ টাকা পুড়ে ছাই হয়ে আত্রাই ফায়ার সাভিসের লিডার ময়নুল হোসেন বলেন, খবর পেয়ে আমরা স্টেশন থেকে দ্রুত রওনা হয়ে ঘটনার স্থলে গিয়ে আগুন নিভাতে সক্ষম হই। তবে আমার ধারনা ইলেকট্রিক স্টট সাকিট থেকে আগুনের সূত্র পাত হতে পারে। এ বিষয়ে আত্রাই থানার তদন্ত ওসি লুৎফর রহমান বলেল ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার 999 লাইনে ফোন দিলে 999 আত্রাই থানাকে জানানো হলে ঘটনার স্থলে অফিসার সহ র্ফোস পাঠানো হয়।এখন পর্যন্ত ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার লিখিত ভাবে অভিযোগ পাওয়া যায় নাই।অভিযোগ পেলে তদন্ত অনুযায়ী আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।#
