Author: desk

  • কুমিল্লা সি‌টি ক‌র্পো‌রেশ‌নে‌র বা‌জেট ঘোষনা

    কুমিল্লা সি‌টি ক‌র্পো‌রেশ‌নে‌র বা‌জেট ঘোষনা

    নতুন করে কোন ধরনের করারোপ না করেই ২০২৩-২০২৪ অর্থ বছরে কুমিল্লা সি‌টিক‌র্পো‌রেশ‌নে‌র (২০২৩ ২৪ )অর্থবছ‌রের ৭৪৮‌কো‌টি ৩৭লক্ষ ৬৫হাজার৫০টাকা ৬৯পয়সার বা‌জেট ঘোষনা করা হয়েছে।
    বুধবার (৫ জুলাই ) দুপুরে সিটিকর্পোরেশনের সম্মেলন কক্ষে হলে বাজেট ঘোষনা করেন সিটি মেয়র আরফানুল হক রিফাত।
    মেয়র আরফানুল হক রিফাত বলেন- এ বাজেট বর্তমান পরিষদের প্রথম বাজেট ।

    এবারের বাজেটে নতুন কোন কর আরোপ না করে করের আওতা বৃদ্ধি করা হয়েছে। বর্তমান পরিষদ ও সকল কর্মকর্তা-জর্মচারী তাদের যথাসাধ্য প্রচেষ্টা ও সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে নাগরিক জীবনের কাঙ্খিত উন্নয়ন অর্জন সক্ষম হবে বলে তিনি বিশ্বাস করেন।

    এসময় উপ‌স্থিত ছি‌লেন সি‌টিক‌র্পোরেশ‌নের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড,স‌ফিকুল ইসলাম,জেলা পি‌পি ও মহানগর আওয়ামীলী‌গের সহ-সভাপ‌তি এড জ‌হিরুল ইসলাম সে‌লিম, প‌্যা‌নেল মেয়র মনজুর কা‌দের ম‌নি ,প্রধান হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তা মোঃ মাসুদুর রহমানসহ সি‌টিক‌র্পে‌রেশ‌নের কাউ‌ন্সিলরবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।

    বাজেট ঘোষণাকালে মেয়র জানান, বাজেটে মোট আয় ধরা হয়েছে ৭৩৮ কোটি ৫৪ লাখ ৭২ হাজার ৫শ’ ৭২ টাকা। ব্যয় ধরা হয়েছে ৭৩৪ কোটি ৬০ লাখ ১৯ হাজার৩৪২ টাকা। বাজেটে রাজস্ব আয় ধরা হয়েছে ৮১ কোটি ৪২ লাখ ১৩ হাজার ২৩০ টাকা।বা‌জে‌টে উন্নয়ন খাতে স‌র্বোচ্চ ব‌্যায় ধরা হ‌য়ে‌ছে প্রায় ৫শ কো‌টি টাকা।

    এবারের বাজেটে রাস্তাঘাট,ড্রেইন,ফুটপাতসহ অবকাঠামো উন্নয়ন খাতে এক হাজার পাচঁশত আটত্রিশ কোটি দশ লক্ষ চুয়াল্লিশ হাজার টাকার উন্নয়ন কাজ চলমান রয়েছে। এছাড়াও আলেখাচর বাসটার্মিনাল নির্মাণ,পানি নিস্কাসন ও জলবদ্ধতা নিরসন, নগরভবন নির্মাণ,২৭টি ওয়ার্ডে ৫হাজারটি উচ্চ ক্শমতা সম্পন্ন সড়কবাতি সংযুক্ত,পান সরবরাহ ব্যবস্থার উন্নয়ন ও সৌন্দর্য বর্ধনে পার্ক বিনোদন ব্যবস্থা নতুনমাত্রায় টেকসই ও উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে নির্মাণ কাজের গুনগত মান রক্ষায় সকল প্রচেষ্টা গ্রহণ করা হয়েছে।।

    এ সময় মেয়র আরো জানান, নগরের যানজট ও জলাবদ্ধতা নিরসন করা হবে। ইতিমধ্যে যানজট নিরসনে শহরে অটোরিক্সা চলাচল করতে পারবেনা। দুসিট বিশিষ্ট মিশুক রিক্সা,স্রিনজি ও পায়ে চালিত রিক্সা চলাচল করবে। নগরের প্রধাস সড়কের দুপাশে ফুটপাত নির্মাণসহ রাস্তা প৫্রশস্তকরণ কাজ চলছে। সিটিকর্পোরেশন থেকে কমিউনিটি পুলিশ নিযোগ করা দেয়া হয়েছে। যানজট নিরসনসহ নগরের উন্নয়ন কাজ বাস্তবায়নে নগরবাসির সহযোগিতা কামনা করেন

  • আগৈলঝাড়ায় পর্ণোগ্রাফি মামলায় বখাটে কাজী ফিরোজ গ্রেফতার

    আগৈলঝাড়ায় পর্ণোগ্রাফি মামলায় বখাটে কাজী ফিরোজ গ্রেফতার

    বি এম মনির হোসেনঃ-

    বরিশালের আগৈলঝাড়ায় গৃহবধূর দায়ের করা পর্ণোগ্রাফি মামলায় প্রধান অভিযুক্ত বখাটে চাচাতো ভাইকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতারকৃতকে বুধবার সকালে বরিশাল আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
    থানার পুলিশ পরিদর্শক তদন্ত মোঃ মাজহারুল ইসলাম এজাহারের বরাত দিয়ে জানান, গৌরনদী উপজেলার বার্থী গ্রামে বিয়ে দেয়া মেয়ে (১৯) কদিন আগে আগৈলঝাড়া উপজেলার রাজিহার ইউনিয়নের ভালুকশী গ্রামে বাবার বাড়িতে বেড়াতে আসে। গত সোমবার দুপুরে ওই গৃহবধু বাড়ির পুকুরে গোসল করতে যায়। এ সময় একই বাড়ির কাজী আজাদের ছেলে গৃহবধুর চাচাতো ভাই কাজী ফিরোজ (২২) গোপনে ওই গৃহবধুর গোসল করা ও কাপড়চোপর পাল্টানোর নগ্ন ভিডিও দৃশ্য তার নিজের ফোনে ধারণ করে। এর আগে বিভিন্ন সময়ে বখাটে ফিরোজ তার চাচাতো বোনকে বিভিন্ন কু-প্রস্তাব দিয়ে উত্যক্ত করে আসছিলো।সোমবার রাতেই বখাটে ফিরোজ গোসলের ভিডিও ওই গৃহবধুর ম্যাসেঞ্জারে পাঠিয়ে তাকে রাতে ফিরোজের সাথে দেখা করতে বলে। গৃহবধু ফিরোজের কথায় রাজি না হলে ফিরোজ ওই নারীর ম্যাসেঞ্জারে ফোন দিয়ে তার কাছে ২লাখ টাকা দাবি করে। দাবিকৃত টাকা না দিলে তার অশ্লীল ভিডিও ইন্টারনেটের ছড়িয়ে দেয়ার হুমকি দেয়।বিষয়টি ওই গৃহবধু তার স্বামী ও বাবার পরিবারের লোকজনের কাছে খুলে বলে। পরিবারের লোকজন ঘটনায় অভিযুক্ত ফিরোজের পরিবারের কাছে জানালে ফিরোজের বাবা কাজী সাহাদাৎ হোসেন (৬০) ও ফিরোজের বড় ভাই কাজী তুষার (২৬) অভিযোগ আমলে না নিয়ে বরং তারা ফিরোজের ধারণ করা ভিডিওটি গোপন করার চেষ্টা করে।স্থানীয়ভাবে বিচার না পেয়ে ভুক্তভোগী গৃহবধু ফিরোজকে প্রধান অভিযুক্ত করে তাকে সহায়তার জন্য বাবা ও ভাইকে আসামী করে মঙ্গলবার রাতে ২০১২সালের পর্ণোগ্রাফি আইনের ৮(১)/৮(২)৮(৩)/৮(৭) ধারায় মামলা দায়ের করে, নং-৪ (৪.৭.২৩)।ওই মামলায় পুলিশ অভিযান চালিয়ে মঙ্গলবার রাতেই প্রধান আসামী কাজী ফিরোজকে (২২) গ্রেফতার করে ৫ জুলাই বুধবার সকালে বরিশাল আদালতে প্রেরন করেছে।

  • পূবাইল মাজুখানে রহস্যজনক উপায়ে ড্রাম চুরি-চোরাইকৃত ড্রাম উদ্ধার

    পূবাইল মাজুখানে রহস্যজনক উপায়ে ড্রাম চুরি-চোরাইকৃত ড্রাম উদ্ধার

    রবিউল আলম,
    পূবাইল (গাজীপুর) প্রতিনিধিঃ

    গাজীপুর মহানগরীর পূবাইল মেট্রোপলিটন থানার মাজুখান পশ্চিম পাড়া মনিরের প্লাস্টিকের ড্রামের গোডাউনে পূর্ব শত্রুতার জেরে একটি চুরির ঘটনা ঘটেছে। অনেকেই বলছেন এই চুরির ঘটনা একটি সাজানো নাটক। পাশের বাড়ির মতিউর রহমান মতি বলেন নিছক এটি একটি সামান্য চুরির ঘটনা।এর পিছনে কোন রহস্য থাকতে পারে।

    স্হানীয় সূত্রে জানা যায় বুধবার ভোর রাত সাড়ে ৩ দিকে পূবাইল মেট্রোপলিটন থানার ৪০ নং ওয়ার্ডের মাজুখান পশ্চিম পাড়া মনিরের মালিকানাধীন সোলেমান এন্টারপ্রাইজ নামক গোডাউনে এ চুরির ঘটনা ঘটে।

    সোলেমান এন্টারপ্রাইজের নৈশ প্রহরী জয়নাল খান ও তার স্ত্রী নাজমা বলেন ড্রাম চুরির সময় আমি ও আমার স্বামী চোরদের চিনে ফেলায় আমাদের মারতে উদ্যত হয়।এতে আমার দেবর মাজুখান এলাকার মৃত শাহজাহান খানের ছেলে আরিফ খান, কাশেমের ছেলে বাবু ও মিলন নামক চোরেরা এ চুরির ঘটনা ঘটায়। তিনজনকে চিনতে পেরেছেন বলে জানিয়েছেন জয়নাল খান ও তার স্ত্রী নাজমা। অবশেষে ঐ দম্পতি চোর ডাকাত বলে চিৎকার করলে এলাকাবাসী চলে আসলে দক্ষিণ দিকে রেললাইন পাশে ৩০টি প্লাস্টিকের ড্রাম ফেলে পালিয়ে যায় চোরেরা।পরে নৈশ প্রহরী জয়নাল চুরি হওয়া ঐ ৩০টি ড্রাম যথাস্হানে এনে রেখে দেন।

    স্থানীয় নবনির্বাচিত কাউন্সিলর নজরুল ইসলাম খান বিকি জানান, গোডাউনের মালিক হজব্রত পালন শেষে মক্কা থেকে ফোনে আমাকে জানালে, সকালে ঘটনাস্থলে যাই এবং আমি মনেকরি ওরা চোর ডাকাত যেই হোক তাকে আইনের আওতায় আনা উচিত।

    পূবাইল থানার ওসি মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি ঘটেছে ভোর রাতে আমাদেরকে জানানো হয়েছে আজ সকাল সাড়ে ১০টায়,ঘটনাস্থলে গিয়ে জানতে পারি পূর্ব শত্রুতার জেরে এই ড্রাম চুরির চেষ্টা চালিয়েছে।কেউ লিখিত অভিযোগ করলে আমরা ব্যবস্থা নিব।

  • কালুরঘাট নতুন সেতু নির্মানের দৃশ্যমান কর্মকান্ড একমাসের মধ্যে শুরুর দাবিতে,নাগরিক ফোরাম

    কালুরঘাট নতুন সেতু নির্মানের দৃশ্যমান কর্মকান্ড একমাসের মধ্যে শুরুর দাবিতে,নাগরিক ফোরাম

    মোঃ শহিদুল ইসলাম
    বিশেষ প্রতিনিধিঃ

    সুস্পষ্টভাবে বলা দরকার, কালুরঘাটে নতুন সেতু চট্টগ্রামবাসী কোন দয়া বা ভিক্ষা হিসেবে চান না। আমাদের চট্টগ্রাম থেকে দেশের রাজস্বের সিংহভাগ আসে সুতরাং এটা আমাদের ন্যায্য পাওনা | কর্ণফুলীর কালুরঘাটে নতুন সেতু নির্মাণ দ্রুত শুরু করার দাবীতে সাংবাদিক সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ কালে চট্টগ্রাম নাগরিক ফোরামের চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার মনোয়ার।
    এ সময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের ভাইস চেয়ারম্যান ,শিল্পী শাহরিয়ার খালেদ, মহাসচিব মো. কামাল উদ্দিন, কালুরঘাট সেতু বাস্তবায়ন পরিষদের আহবায়ক আব্দুল মোমেন, চট্টগ্রাম সুহৃদের সভাপতি মির্জা ইমতিয়াজ শাওন, ফোরামের সাংগঠনিক সম্পাদক মনছুর আলম, প্রাবন্ধিক গবেষক কামরুল ইসলাম, সাবেক ছাত্রনেতা মহিবুল্লাহ খান, গোলাম রসুল মান্নান, বোয়ালখালীর বিশিষ্ট সমাজ সংগঠক আকতার হোসেন ও তসলিম খাঁ।
    কর্ণফুলীর কালুরঘাটে নতুন সেতু নির্মাণ নিয়ে আপামর চট্টগ্রামবাসী তথা দেশবাসী খুব হতাশ| বিশেষ করে বোয়ালখালী, চান্দগাঁও, মোহরা, পাঁচলাইশ, আনোয়ারা, কর্ণফুলী থানা এলাকা, পটিয়া, রাঙ্গুনিয়া সহ চট্টগ্রামের সর্বস্তরের জনগণ এই ইস্যুটি নিয়ে সংশ্লিষ্ট মহলের রহস্যজনক গড়িমসি ও দীর্ঘসূত্রিতার কারণে একধরণের মানসিক আঘাত পেয়েছেন। এখানকার প্রতিটি নাগরিক আশা করেছিলেন নতুন সেতুটির কাজ এর মধ্যে একদিন না একদিন শুরু হবে | অনেক আশা আর স্বপ্ন ছিল এটি নিয়ে, কিন্তু এখন তাদের প্রশ্ন এই নতুন সেতু কি আদৌ তারা তাদের জীবদ্দশায় দেখে যেতে পারবেন কিনা |

    তিনি বলেন পুরাতন সেতু মেরামত করাটা কোন অবস্থাতেই নতুন সেতুর বিকল্প হতে পারে না। মনে হচ্ছে, সুস্পষ্ট ঘোষণা ছাড়া নতুন সেতু নির্মাণটা আরও বিলম্বিত হতে পারে, অতীতের নাটকের পুনরাবৃত্তি হবে।
    কর্তৃপক্ষ এখন বলছেন, আপাতত: প্রায় ৮০ কোটি টাকা খরচ করে পুরাতন সেতুটিকে নাকি সংস্কার করা হবে যাতে করে চট্টগ্রাম কক্সবাজার রেল সার্ভিস ব্যাহত না হয় | এই বিষয়টি নিয়ে আগে কেন ভাবা হলোনা ? এসব না করলে চট্টগ্রাম কক্সবাজার রেল সার্ভিস চলবে না | সেই মেগাপ্রকল্পের মধ্যেই কালুরঘাট নতুন সেতু করার উদ্যোগ নেয়া হলে অনেক অর্থ ও সময় বেঁচে যেত | এটা প্রমান করে চরম গাফিলতি ও অবহেলা | এখন বলা হয়েছে ২০২৮ সালে সমাপ্ত করতে নতুন সেতুটির জন্য খরচ হবে প্রায় ১৪ হাজার কোটি টাকা | বলা হয়েছে ২০২৪ সালে শুরু হলে নাকি ২০২৮ সালে সমাপ্ত হবে নতুন সেতু | পদ্দা সেতু প্রকল্পের সাথে তুলনা করলে এর খরচ ও সময়সীমা নিয়ে আমাদের কিছু প্রশ্ন আছে |বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক কামরুল আহসান সাংবাদিকদের বলেন, ‘খরচ এত বেশি হওয়ার কথা না। আমি তথ্য জেনে তারপর মন্তব্য করতে পারব।’ এখানে সমন্বয়হীনতার ইঙ্গিত পাওয়া যায় |
    কালুরঘাট নতুন সেতু নিয়ে রেল সচিবের দেয়া সাম্প্রতিক বক্তব্য বিভ্রান্তিকর, দেশবাসীকে দেয়া আগের ঘোষণাগুলির সাথে অসামঞ্জস্যপূর্ণ এবং প্রতিশ্রুতির বলখেলাপ। আমরা কি যে যা বলেন তাই কি মেনে নেবো ? ২০২০ সালে রেল মন্ত্রী এসে জরাজীর্ণ বর্তমান সেতুর উপর দাঁড়িয়ে বলেছিলেন ২০২১ সালে নতুন সেতুর কাজ শুরু হবে, ২৩-২৪ সালে শেষ হবে । এখন উনারই সচিব বলেছেন ২০২৮ সালে সেতু হবে ! এই কথা কিসের ভিত্তিতে আসলো? সাতগুণ বড় পদ্মা সেতু কতদিন লেগেছিলো? দোহাজারী -কক্সবাজার নতুন রেল যোগাযাগ শহরের সাথে সংযাগ করতে এতদিন পরে হঠাৎ কেন মনে পড়লো পুরাতনটাকে সংস্কার করার ?

    তিন বছর আগে শুরু করলে এতদিনে নতুন সেতু হয়েই যেতো সম্ভবত দুই তিন হাজার কোটি টাকার মধ্যে। আর ২০২৮ সালে করবে ( যদি আদৌ হয়) ১৪-১৬ হাজার কোটি টাকা খরচ করে। এইটা চূড়ান্ত হচ্ছে, ঐটা হয়নি, সামনের বছর শুরু হবে, এসব বাণী অনেক শুনলাম | ২০১৪ সালে গৃহিত এই নতুন সেতুর নির্মাণ উদ্যেগের পর থেকে একাধিকবার সম্ভাব্যতা যাচাই করা হয়েছে। সেতুর নকশা বদল করা হয়েছে কয়েক দফা। এসব করতে করতে এভাবে কেটে গেছে ৯ বছর। সর্বোপরি ২০২৪ সালে এই কাজ শুরু হওয়ার কোনো গেরান্টি নেই |কাজেই এখন পুরো বিষয়টাই অনিশ্চিত |
    এবিষয়গুলো পর্যবেক্ষণ করে আমরা বলতে চাই আগামী একমাসের মধ্যে কালুরঘাট নতুন সেতু নিয়ে সকল ধোয়াশা কাটিয়ে সেতু নির্মমান বিষয়ে দৃশ্যমান কর্মকান্ড শুরু হোক, অন্যথায় চট্টগ্রামবাসী কঠোর কর্মমসূচির মাধ্যমে দাবী আদায় করবেন ।

  • রাঙ্গাবালীতে যুবদলের দ্বী বার্ষিক সম্মেলন

    রাঙ্গাবালীতে যুবদলের দ্বী বার্ষিক সম্মেলন

    রফিকুল ইসলাম ঃ
    রাঙ্গাবালী বড়বাইশদিয়া ইউনিয়নে ৫ জুলাই বুধবার দুপুরে যুবদলের দ্বি বার্ষিক সম্মেলন করা হয়েছে। প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন পটুয়াখালী জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক (ভারপ্রাপ্ত) মো: শিপলু খান। প্রধান বক্তা মো: ওবায়দুল হক বুলবুল সহ সভাপতি জেলা যুবদল।

    উদ্বোধক মো: অরুণ মীর রাঙ্গাবালী উপজেলা আহবায়ক যুবদল।
    বিশেষ বক্তা মু নিয়াজ আকন রাঙ্গাবালী উপজেলা যুবদল সদস্য সচিব।

    বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন মো: আতিকুজ্জামান আতিক পটুয়াখালী জেলা যুবদল মো: মাঈনুল হক রুবেল পটুয়াখালী জেলা যুবদল এ‍্যাড মো: আবদুল্লাহ আল নোমান পটুয়াখালী জেলা যুবদল।
    রাঙ্গাবালী উপজেলার যুবদলের মো: জাহাঙ্গীর আকন মো: কাওসার আহমেদ স্বপন মো: ইমরান হোসেন ফরিদ মৃধা মো: নাসির উদ্দিন মৃধা মো: আসাদ মৃধা মো: রাসেল মাহমুদ মো:রুবেল খান প্রমূখ।
    বড়বাইশদিয়া ইউনিয়ের যুবদলের সভাপতি মো: রেজাউল করিম বাচ্চু হাওলাদার সাধারণ সম্পাদক মো; মনিরুজ্জামান হাওলাদার
    সাংগঠনিক সম্পাদক মো: ইলিয়াস হাওলাদার।

    সভায় বক্তারা বলেন, সামনে কঠিন সময় আসছে। এই সময়ে আমাদেরকে স্বৈরাচারী সরকারের পতন ঘটাতেহবে কাজেই আমাদেরকে এমন একটি কমিটি দিতে হবে যেই কমিটির মাধ্যমে যুবদল আরো জোরদর হবে।এই সরকার ডিজিটাল বাংলাদেশ স্মার্ট বাংলাদেশের নামে আমাদের সাথে প্রতারণা করছে।
    ডিজিটাল বাংলাদেশের নমুনা কি এক ঘন্টা বিদ‍্যুৎ না থাকা দেশের দ্রব‍্য মূল‍্যের সিমাহীন উদ্বগতি।আজকে আমরা মিছিল মিটিং করতে পারি না। দেশে কোন গণতন্ত্র নেই। দেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করতে হলে এই সরকার কে হঠাতে হবে এর বিক্লপ আমাদের নেই। নিজেদের মধ্যে কলহ ভুলে যান।তাই আমাদের দলকে ভালো বেসে সকল বিভেদ ভুলে এগিয়ে যেতে হবে।

    দিতীয় অধিবেশনে কাউন্সিলের মাধ্যমে বড়বাইশদিয়া ইউনিয়নের যূবদলের কমিটি প্রকাশ করা হয়েছে এতে মো: মিরাজ হাওলাদার সভাপতি ও মো: সাইমুন তালুকদার সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে। উপজেলা যুবদলের আহবায়ক মো: অরুন মীর ও সদস্য সচিব মু নিয়াজ আকন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ‍্য নিশ্চিত হওয়া গেছে ।

  • নীলফামারী জেলায় নবাগত পুলিশ সুপার গোলাম সবুর এর যোগদান ও দায়িত্বভার গ্রহণ সম্পূর্ণ

    নীলফামারী জেলায় নবাগত পুলিশ সুপার গোলাম সবুর এর যোগদান ও দায়িত্বভার গ্রহণ সম্পূর্ণ

    মোঃ হামিদার রহমান নীলফামারীঃ ৪ জুলাই রোজ মঙ্গলবার ২০২৩, নীলফামারী জেলার নবাগত পুলিশ সুপার গোলাম সবুর পিপিএম-সেবা নীলফামারী জেলায় যোগদানের উদ্দেশ্যে সৈয়দপুর বিমানবন্দরে উপস্থিত হলে তাকে জেলা পুলিশ নীলফামারীর পক্ষ হতে অভ্যর্থনা ও ফুলেল শুভেচ্ছা জানান আমিরুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) নীলফামারী ও পুলিশ সুপার (সাময়িক দায়িত্বে) নীলফামারী এবং নবাগত সভানেত্রী, পুলিশ নারী কল্যাণ সমিতি (পুনাক) নীলফামারী কানিজ ফাতেমা মিলা অভ্যর্থনা ও ফুলেল শুভেচ্ছা জানান ফাতেমা যুথি, সহ-সভানেত্রী পুনাক, নীলফামারী।
    নীলফামারী জেলায় যোগদান করার লক্ষ্যে নবাগত পুলিশ সুপার রংপুর রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ে, রংপুর রেঞ্জের ডিআইজি মোহাঃ আবদুল আলীম মাহমুদ বিপিএম এর সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ এবং ফুলেল শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।
    অতঃপর নবাগত পুলিশ সুপার নীলফামারী পুলিশ সুপার কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে আমিরুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) ও পুলিশ সুপার (সাময়িক দায়িত্বে) নীলফামারীর নিকট হতে নবাগত পুলিশ সুপার গোলাম সবুর পিপিএম-সেবা নীলফামারী জেলার দায়িত্বভার গ্রহণ করেন।
    এ সময় উপস্থিত ছিলেন মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস্), নীলফামারী; মোহাম্মদ সারোআর আলম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, সৈয়দপুর সার্কেল, নীলফামারী; মোস্তফা মঞ্জুর, পিপিএম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, নীলফামারী সার্কেল, নীলফামারী; জয়ন্ত কুমার পাল, সহকারী পুলিশ সুপার (শিক্ষানবিশ), নীলফামারী; আব্দুর রাজ্জাক, ডিআইও-১, (সাময়িক দায়িত্বে), ডিএসবি, নীলফামারী; জিন্নাত আলী, কোর্ট পুলিশ পরিদর্শক, সদর কোর্ট, নীলফামারী; খান মোঃ শাহরিয়ার, অফিসার ইনচার্জ , নীলফামারী সদর থানা, নীলফামারী; রওশন কবীর, অফিসার ইনচার্জ, জেলা গোয়েন্দা শাখা, নীলফামারী; সেলিম আহম্মেদ, ইনচার্জ, সদর ট্রাফিক, নীলফামারীসহ জেলার বিভিন্ন পদমর্যাদার পুলিশ সদস্য বৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

  • শিশু শিক্ষার্থী ফাতিমা আক্তা  ছন্দপতনে শিক্ষা জীবনে ধস বিবিচিনির শিশু শিক্ষার্থী ফাতিমার

    শিশু শিক্ষার্থী ফাতিমা আক্তা ছন্দপতনে শিক্ষা জীবনে ধস বিবিচিনির শিশু শিক্ষার্থী ফাতিমার

    খাইরুল ইসলাম মুন্না বেতাগী (বরগুনা) প্রতিনিধি
    ছন্দপতনে ধস নেমেছে শিশু শিক্ষার্থী ফাতিমা আক্তারের শিক্ষা জীবন। সেদিনকার তার প্রতি অমানবিক আচরণ সে কিছুতেই ভুলতে পারছে না। ৬ মাস পরেও এখনো চোখেমুখেও ভীতি আর আতঙ্কের ছাপ। ফ্যাল ফ্যাল করে তাঁকিয়ে থাকে। এমনকি লোক ও লজ্জায় ঢাকায় ভর্তি হতে হয়েছে। আদরের সন্তানের জীবনের এ ছন্দপতনে তাঁর অভিভাবকরাও ক্ষুব্দ ও হতাশ। ঘটনার পর পরই প্রাথমিক ও গন শিক্ষা অধিদপ্তরের ডিজির নিকট অভিযোগ দেওয়া হয়। তবে আজও কোন প্রতিকার মেলেনি বরং প্রতিপক্ষের হুমকি ও চাপের মুখে পরিবার নিরাপতাহীনতায় ভুগছেন।

    অভিযোগ বরগুনার বেতাগী উপজেলার পূর্ব দেশান্তরকাঠী নব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হিসাবে গত ৩০ ডিসেম্বর প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় বেতাগী সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে অংশ গ্রহণ করে (তাঁর রোল নং: ম-৪২)। গ্রাম্য পলিটিক্সের প্রভাবে পরীক্ষা চলার ৪৫ মিনিটের মাথায় ফাতিমা আক্তারকে কেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়া হয়। শিশু শিক্ষার্থী বাবা পেশায় আব্দুস সালাম মিন্টু একজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী। মা ইসরাত জাহান বেগম গৃহিণী। মিন্টু-ইসরাত দম্পতির ৩ মেয়ে। মেঝ মেয়ে সায়মা আর ছোট মেয়ে আফসানা।

    এ নিয়ে কথা হয় শিশু শিক্ষার্থী ফাতিমা আক্তারের মা ইসরাত জাহান বেগমের সঙ্গে। তিনি অভিযোগ করেন, গত ৩০ ডিসেম্বর কেন্দ্রে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় কর্তব্যরত পরিদর্শক তার মেয়ের কাছে আচমকা গিয়ে লেখা উত্তর পত্র টেনে নিয়ে তার মুখেপড়া মাস্ক সরিয়ে ফেলে। দমক দিয়ে প্রবেশপত্র ও তাঁর ছবি তোলে। পরীক্ষা কক্ষ থেকে টেনে নিচে নামিয়ে কেন্দ্র গেটে তার হাতে ধরিয়ে দেয়। ভয় দেখিয়ে একই সাথে পরীক্ষাকেন্দ্র থেকে দ্রুত যেতে বাধ্য করেন। মেয়ের বাবাকে ভয় দেখান বেশি বারাবারি করলে মেয়েকে নিয়ে জেলে যেতে হবে। নিরুপায় হয়ে চুপ চাপ থেকেছি, কারণ আমাদের টাকা পয়সা নেই, আমরা গরিব। ছোট অবুঝ মেয়ে ভুল করলে পরীক্ষার পর, খাতা বাতিল করতে পারতেন, এভাবে বৃত্তি পরীক্ষা চলাকালীন অবস্থায় মেয়েটিকে বের করে দেওয়া আইনসম্মত হয়েছে কি?

    তখন ঐ প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক আব্দুস সোবাহান ও অন্যান্য দায়িত্বরত শিক্ষক ছিলেন তারা বলেন, কেউ কিছু জিজ্ঞাসা করলে বলবেন অসুস্থ তাই নিয়ে যাচ্ছি। এতে তাঁর কোমলমতি শিশু সেই থেকে মানসিকভাবে ভেঙে পরে ভাঙা মনে নিয়ে দিন পার করছে। শারীরিক সমস্যায় ভুগছে। ভালভাবে খাওয়া-দাওয়া করেনা। চোখেমুখে এখনো ভীতি ও আতঙ্ক বিরাজ করে। তার অবস্থা এমন হয়েছে, কখনো কখনো রাতে ঘুমের ঘোরে হঠাৎ চিৎকার করে উঠে। একই সময় কথা হয় শিক্ষার্থী ফাতিমা আক্তারের সঙ্গে।

    ফাতিমা বলেন,‘ওই দিনের কথা আমি আর মনে করতে চাইনা।’ ফাতিমার বাবা আব্দুস সালাম মিন্টু বলেন, ফাতিমাকে নিয়ে অনেক স্বপ্ন ছিলো। তা আজ সব ধুলিসাৎত হয়ে গেলো। এ কষ্টের কথা কাউকে প্রকাশ করতে পারছিনা। আমার মেয়ের প্রবেশপত্র সঠিক ছিলো। ঐ প্রতিষ্ঠানের প্রশংসাপত্রও আমার হাতে রয়েছে। তার পরেও একটি শিশু কেন এ অমানবিকতা ও নিষ্ঠুরতার শিকার হলো? পরিবারের আর্থিক দৈনতার মাঝেও তাঁকে সান্তনা দেওয়ার জন্য ঢাকায় ভর্তি করাতে বাধ্য হয়েছি। যে মেয়ে আগে যেখানে সকালে ঘুম থেকে উঠেই স্কুলে যাওয়ার জন্য উদগ্রীব থাকতো। সেই মেয়ের মনে এখন কোন আগ্রহ নেই। নেই পড়ার আনন্দই। শুধু বিষাদের ছাঁয়া। এসব বলে আর লাভ কি? আদরের সন্তানের এ অসহায়ত্ব এখন মুখ বুঝে সহ্য করতে হয়। মনে হয় পরিবার ছেড়ে কোথাও পালিয়ে যাই?

    নাম প্রকাশে অনেচ্ছুক স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি জানিয়েছেন, শিশুটি গ্রাম্য পলিটিক্সের শিকার। জমি-জমা নিয়ে তার পরিবারের সাথে বিরোধের জেরে একে-বেঁকে গেল তার শিক্ষা জীবন। কারন এর পেছনে প্রতিপক্ষের হাত রয়েছে। তাদের প্রশ্ন সভ্য সমাজে এটা কিভাবে হতে পারে?’

    অবশ্য কেন্দ্র সুপার ও চর ছোপখালী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো: গোলাম সরোয়ার বলেন, শিশু শিক্ষার্থী ফাতিমা অসুস্থতার কারনে পরীক্ষা না দিয়ে কেন্দ্র থেকে চলে যান। তবে রহস্যজনক হলেও সত্য পরীক্ষা কর্তৃপক্ষ কেন্দ্র থেকে শিশু শিক্ষার্থী ফাতিমা আক্তারের চলে যাওয়ার পেছনে অসুস্থতার অজুহাত তুললেও কেন্দ্রের কর্তব্যরত চিকিৎসক জানিয়েছেন, শিশু শিক্ষার্থী ফাতিমা আক্তারের অসুস্থতার বিষয় তারা কিছুই জানেন না। ফতিমার পরিবারের অভিযোগ সবকিছু জেনেও কর্তৃপক্ষ না জানার ভান করছেন।

    নাম প্রকাশে অনেচ্ছুক বেতাগী উপজেলার এক অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষা কর্মকর্তা বলেন, শিক্ষার্থী ফাতিমা আক্তারের বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ থাকলেও প্রবেশ পত্র ইস্যু থেকে শুরু করে তাকে কেন পরীক্ষায় অংশ গ্রহণের সূযোগ দেওয়া হলো? যখন সূযোগই দেওয়া হলো। তখন অবৈধ বলে ওইভাবে কেন্দ্র থেকে তাকে বের করে দেওয়ার কোন যৌক্তকতা নেই। অবৈধ হলে আইনের আশ্রয় নেওয়া যেত। তানা হলে মানুষের মাঝে কোন প্রশ্নের সৃষ্টি হতোনা। এমনিতেই করোণায় ঝড়ে পড়া শিক্ষার্থীরা এখনো বিদ্যালয়মুখি হয়নি। সেখানে সংখ্যায় একটি হলেও শিশুটিকে অনিশ্চয়তার পথে ঠেলে দেওয়ার যৌক্তিকতা কতটুকু ? তবে রহস্যজণক বিষয় হচ্ছে ফাতিমা আক্তার যে প্রতিষ্ঠানের পরীক্ষার্থী। সেই প্রতিষ্ঠান তালগাছিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুস সোবাহান কারা তার শিক্ষার্থীকে কেন্দ্র থেকে বের করে দিয়েছে ঘটনার দীর্ঘদিন হলেও তা জানার চেষ্টা করেননি। তিনি জানান, কারা, কিভাবে ফাতিমাকে কেন্দ্র থেকে বের করে দেয় তার কিছুই আমি জানিনা। তবে এমন কাউকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছেনা এবং কেউ এর দায় নিতে চায়না।

    ঐ সময়ে কেন্দ্র সচিবের দায়িত্বে ছিলেন বেতাগী সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো: গোলাম কবির। তিনি বলেন, বিষয়টি তারও জানা ছিলোনা। যদি উদ্দেশ্য প্রনোদিতভাবে তাকে বের করা হয়ে থাকে সেটা অত্যন্ত দু:খ জনক।

    এ বিষয় বেতাগী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো: মিজানুর রহমান খানও দাবি করেন, এটি ঠিক হয়নি। তবে ঘটনার সময় তিনি সেখানে ছিলাম না। এ নিয়ে ইতোমধ্যে সংশ্লিস্ট প্রধান শিক্ষককে শোকজ করা হলেও পরবর্তী আর কোন ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। আশার কথা অভিযোগের প্রেক্ষিতে প্রাথমিক ও গন শিক্ষা অধ

  • ডাসারে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত-১৫

    ডাসারে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত-১৫

    রতন দে,মাদারীপুর প্রতিনিধিঃ
    মাদারীপুরের ডাসার উপজেলায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় হাতবোমা বিস্ফোরণ ও টেঁটাবিদ্ধ হয়ে অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন।
    মঙ্গলবার (৪ জুলাই) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত ডাসার উপজেলার বালিগ্রাম ইউনিয়নের খাতিয়াল গ্রামে দফায় দফায় এ সংঘর্ষ হয়। পরে আহতদের উদ্ধার করে মাদারীপুর জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তবে তাৎক্ষণিকভাবে আহতদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি।
    জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ডাসারের বালিগ্রাম ইউনিয়নের খাতিয়াল এলাকার সিরাজ মল্লিক ও এমদাদ খানের বিরোধ চলে আসছে। এরই জেরে আজ সকালে উভয়পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এ সময় বেশ কয়েকটি হাতবোমাও বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটনা। সংঘর্ষে অন্তত ১৫ জন আহত হন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ডাসার থানা পুলিশ ও জেলা থেকে অতিরিক্ত পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
    এ বিষয়ে সিরাজ মল্লিক বলেন, আমার লোকজন তাদের বাড়ির ওপর দিয়ে হেঁটে রাস্তায় উঠছিল। এ সময় এমদাদ খানের লোকজন আমাদের লোকজনের ওপর হামলা চালায়। আমরা এর বিচার চাই।
    তবে এমদাদ খান বলেন, আমাদের লোকজন এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত নয়। তারা নিজেরাই মারামারি করে আমাদের ওপর দোষ চাপাচ্ছে। আমরা প্রশাসনের কাছে এর সঠিক বিচার চাই।
    ডাসার থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাসানুজ্জামান জানান, সংঘর্ষের ঘটনায় চারজনকে আটক করা হয়েছে। এছাড়া বেশ কয়েকটি দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।

  • বুড়িচংয়ে সাংবাদিকের উপর হামলা ও প্রাণনাশের হুমকির প্রতিবাদে  মানববন্ধন

    বুড়িচংয়ে সাংবাদিকের উপর হামলা ও প্রাণনাশের হুমকির প্রতিবাদে মানববন্ধন

    , কুমিল্লা প্রতিনিধি।।
    মোঃতরিকুল ইসলাম তরুন,

    সংবাদ প্রকাশের জেরে কুমিল্লার বুড়িচংয়ে সাংবাদিকের ঘরের প্রবেশ করে প্রাণনাশের হুমকি ও চাঁদা দাবির প্রতিবাদে (৪ জুলাই ২০২৩), মঙ্গলবার দুপুরে কুমিল্লা-বুড়িচং-মীরপুর সড়কের বসুন্ধরা চত্বরে বুড়িচং প্রেস ক্লাব, জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা বুড়িচং উপজেলা ও বাংলাদেশ সাংবাদিক সমিতি বুড়িচং শাখার যৌথ উদ্যোগে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।
    বুড়িচং প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক জহিরুল ইসলাম বাবুর সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন, দৈনিক মানবকণ্ঠের জেলা প্রতিনিধি ও জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা কুমিল্লা জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক তরিকুল ইসলাম তরুন,
    বুড়িচং প্রেস ক্লাবের সভাপতি কাজী খোরশেদ আলম,
    জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা বুড়িচং উপজেলা শাখার সভাপতি ও বুড়িচং প্রেস ক্লাবের সিনিয়র সহ-সভাপতি গাজী জাহাঙ্গীর আলম জাবির,
    সাংবাদিক সংস্থার উপজেলা সহ-সভাপতি সৌরভ মাহমুদ হারুন, বাংলাদেশ সাংবাদিক সমিতি বুড়িচং উপজেলা শাখার সভাপতি ও বুড়িচং প্রেস ক্লাবের নির্বাহী সদস্য মোঃ মোসলেহ উদ্দিন, বাংলাদেশ সাংবাদিক সমিতি উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক ও বুড়িচং প্রেস ক্লাবের অর্থ সম্পাদক মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান, বুড়িচং প্রেসক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ জাকির হোসেন।
    উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ সাংবাদিক সমিতি বুড়িচং উপজেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক ও প্রেসক্লাবের তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক মোঃ আবদুল্লাহ, বুড়িচং প্রেসক্লাবের দপ্তর সম্পাদক মোঃ সাফি, মোঃ তাজুল ইসলাম, তালাশ বাংলা প্রতিনিধি নূরুন্নবী , জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা উপজেলা কমিটির সদস্য মোবারক হোসেন, তোফায়েল আহমেদ, মোঃ শওকত উদ্দিন সহ আরো অনেকে।

    এসময় বক্তারা, সাংবাদিক আক্কাস আল মাহমুদ হৃদয়কে বাড়িতে গিয়ে ঘরে প্রবেশ করে চাঁদা দাবি ও প্রাণনাশের হুমকির
    তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ এবং সন্ত্রাসী চাঁদাবাজ সালাউদ্দিন ও কাউছারকে দ্রুত গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান ।

    অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ঈদুল আজহা উপলক্ষে বুড়িচং উপজেলার বিভিন্ন গরু বাজারে অতিরিক্ত হাসিল রাখার অভিযোগ ক্রেতাদের। এমন সংবাদের জেরে গত ( ২৮ জুন), বুধবার সাংবাদিক আক্কাস আল মাহমুদ হৃদয়ের বাকশীমূল নিজ বাড়িতে ঘরে প্রবেশ করে বিপুল অংকের চাঁদা দাবী করে। তখন তাদের চাঁদা দিতে অপারগতা জানালে সাংবাদিক হৃদয়ের গায়ে হাত তুলে এবং মা-বাবা, স্ত্রী, সন্তানদের সামনে মেরে ফেলার হুমকি প্রদান করে।
    ভুক্তভোগী সাংবাদিক বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন (বুড়িচং- ব্রাহ্মণপাড়া আঞ্চলিক) শাখার সাধারণ সম্পাদক ,দৈনিক বিজয় পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি, দৈনিক মানবকণ্ঠ ও দ্যা ডেইলি ট্রাইবুন্যাল, দৈনিক ময়নামতি,বিডি২৪লাইভ, বুড়িচং উপজেলা প্রতিনিধি, তালাশ বাংলার সম্পাদক।
    এছাড়াও তিনি জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা বুড়িচং উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক ও বুড়িচং প্রেস ক্লাবের সহসাংগঠনিক সম্পাদক।

  • হবিগঞ্জে চা শ্রমিকদের কর্মবিরতি

    হবিগঞ্জে চা শ্রমিকদের কর্মবিরতি

    হবিগঞ্জ প্রতিনিধি।।
    হবিগঞ্জে চা শ্রমিকদের কর্মবিরতি এরিয়া অর্থ-বোনাস, উৎসব ভাতা, পিএফের বকেয়া টাকা, চিকিৎসা, স্থায়ী বাসস্থান নিশ্চিতকরণসহ ৭ দফা দাবিতে হবিগঞ্জের নবীগঞ্জে কর্মবিরতি ও মানববন্ধন করেছেন ইমাম ও বাওয়ানী বাগানের চা শ্রমিকরা। মঙ্গলবার (৪ জুলাই) দুপুরে ওই উপজেলার রোকনপুর বাজারের কাছে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে মানববন্ধন করেন শ্রমিকরা।

    বালিশিরা ভ্যালির চা শ্রমিক ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক সুভাষিশ দাস বলেন, উপজেলার পানিউমদা ইউনিয়নের ইমাম ও বাওয়ানী চা বাগানের ৩৬০ জন শ্রমিকের ২০১৯-২০ ও ২০২১-২২ অর্থ বছরের এরিয়া অর্থ বাবদ বকেয়া ৮১ লাখ ৫৯ হাজার টাকা, এরিয়া বোনাসের ১৪ লাখ ৪৭ হাজার টাকা, চা বাগান শ্রমিক ভবিষ্যত তহবিলের (পিএফ) ৫৫ লাখ ৮৯ হাজার টাকা মালিক পক্ষ পরিশোধ করছে না। এছাড়া চা শ্রমিকদের রোদ-বৃষ্টিতে বাসস্থানে অবস্থান করতে দুর্ভোগ পোহাতে হয়। ডাক্তার না থাকায় চিকিৎসা সেবা থেকেও বঞ্চিত হচ্ছেন তারা।