Author: desk

  • বাংলাদেশ পুলিশ ফুটবল চ্যাম্পিয়নশীপের  উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সিএমপি কমিশনার

    বাংলাদেশ পুলিশ ফুটবল চ্যাম্পিয়নশীপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সিএমপি কমিশনার

    মোঃ শহিদুল ইসলাম
    বিশেষ প্রতিনিধিঃ

    আজ ০৫,ই জুলাই ২০২৩ চট্টগ্রাম নগরীর দামপাড়া পুলিশ লাইনস মাঠে বাংলাদেশ পুলিশ ফুটবল চ্যাম্পিয়নশীপ ২০২২-২০২৩ এর আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

    উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিএমপি কমিশনার কৃষ্ণ পদ রায়, বিপিএম (বার), পিপিএম (বার)।

    খেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সিএমপি ফুটবল দল চট্টগ্রাম রেঞ্জ দলের মোকাবেলা করেন।

    এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন সিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (প্রশাসন ও অর্থ) এম এ মাসুদ; অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম এন্ড অপারেশন) আ স ম মাহতাব উদ্দিন, পিপিএম-সেবা; প্রবীর কুমার রায়, পিপিএম (বার), অ্যাডিশনাল ডি আই জি (অর্থ ও প্রশাসন), চট্টগ্রাম রেঞ্জ; সিএমপি’র উপ-পুলিশ কমিশনার (সদর) মোঃ আব্দুল ওয়ারীশ মহোদয়সহ সিএমপি ও চট্টগ্রাম রেঞ্জের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং আমন্ত্রিত সম্মানিত অতিথিবৃন্দসহ অনেকেই উপস্থিত ছিলেন।

  • নড়াইলে আগত প্রশিক্ষণার্থীদের সাথে এসপি সাদিরা খাতুন’র ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম সম্পন্ন

    নড়াইলে আগত প্রশিক্ষণার্থীদের সাথে এসপি সাদিরা খাতুন’র ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম সম্পন্ন

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল থেকে:
    নড়াইলে আগত প্রশিক্ষণার্থীদের সাথে এসপি সাদিরা খাতুন’র ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম সম্পন্ন। ৭৫তম বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ কোর্স উপলক্ষে নড়াইলে আগত প্রশিক্ষণার্থীদের সাথে পুলিশ সুপার মোসাঃ সাদিরা খাতুনের ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম সম্পন্ন হয়েছে। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল থেকে জানান, বুধবার (৫ জুলাই) পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। এ উপলক্ষে আগত ১০ জন প্রশিক্ষণার্থী কর্মকর্তাকে ফুল দিয়ে বরণ করা হয়। জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ ও প্রশিক্ষণার্থীদের মাঝে পরিচয়পর্ব শেষে নড়াইল জেলা ও জেলা পুলিশের বিভিন্ন কার্যক্রম সম্পর্কে প্রশিক্ষণার্থীদের বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন তারেক আল মেহেদী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্), নড়াইল। পুলিশ সুপার এ সময় প্রশিক্ষণার্থীদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন। পুলিশ সুপার মোসা: সাদিরা খাতুন প্রশিক্ষণার্থীদের উদ্দেেশ্য বলেন, দেশের সর্ব্বোচ্চ বিদ্যাপিঠ থেকে লেখাপড়া সম্পন্ন করে বিসিএস পরীক্ষার মাধ্যমে ক্যাডার হয়েছেন, এখন নিজের অর্জিত জ্ঞান এবং প্রশিক্ষণের মাধ্যমে বাস্তব জ্ঞানকে দেশের কল্যাণে এবং জনগণের সেবায় কাজে লাগাতে হবে। ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত করতে এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে আপনাদের মতো মেধাবী, উদ্যোমী, আইটি বিষয়ে দক্ষ অফিসারদের অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে।” সকলে সম্মিলিতভাবে সরকারের উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রাকে আরো ত্বরান্বিত করার এবং জনমুখী প্রশাসন গড়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। পুলিশ সুপার মোসা: সাদিরা খাতুন প্রশিক্ষণার্থীদের বঙ্গবন্ধুর “অসমাপ্ত আত্মজীবনী বই উপহার দেন।
    এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন মোঃ রিয়াজুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ), তারেক আল মেহেদী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্), মোঃ দোলন মিয়া, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল), দেবব্রত সরকার, শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার, নড়াইলসহ জেলা পুলিশের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ। নড়াইলে আগত প্রশিক্ষনার্থীবৃন্দরা হলেন, শপথ বৈরাগী, সহকারী কমিশনার, মোঃ আলমগীর হোসেন, সহকারী কমিশনার, মোঃ রাশেদুল ইসলাম রানা, সহকারী পুলিশ সুপার, নাঈমা জাহান সুমাইয়া, সহকারী কমিশনার, সুমাইয়া জাহান ঝুরকা, সহকারী কমিশনার, মোঃ রাশেদুল ইসলাম, সহকারী কমিশনার, মোঃ নাবিল হোসেন, সহকারী কমিশনার, রবিন হালদার, সহকারী পুলিশ সুপার, জনাব এস, এম, নাজমুস ছালেহীন, সহকারী কমিশনার, জনাব মোঃ তামশিদ ইরাম খান, সহকারী কমিশনার, সাদমান সাকিব, সহকারী সচিব।

  • পাইকগাছায় ডাকাতি প্রস্তুতি কালে দেশী অস্ত্রসহ ৪ ডাকাত গ্রেফতার

    পাইকগাছায় ডাকাতি প্রস্তুতি কালে দেশী অস্ত্রসহ ৪ ডাকাত গ্রেফতার

    পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি।।পাইকগাছায় ডাকাতি প্রস্তুতি কালে দেশী অস্ত্রসহ ৪ ডাকাতকে আটক করেছে পুলিশ। এঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। বুধবার সকালে আটক ডাকাতদের আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা উপ-পুলিশ পরিদর্শক সুজিত ঘোষ জানান, মঙ্গলবার রাত ১১ টার দিকে স্বস্ত্রডাকাত দল উপজেলার লস্কর ইউনিয়নের খড়িয়া গোয়াল বাড়ি চক এলাকায় প্রধান সড়কের ছোপের পাশে ডাকাতির প্রস্কুতি নিচ্ছিলো। এ সময় গোপন সংবাদে এলাকাবাসি ও পুলিশের সহযোগীতায় সেখানে অভিযান চালানো হয়। এ সময় উপজেলার কপিলমুনি ইউনিয়নের বিরাশী গ্রামের ফজলু গাজীর ছেলে রফিক গাজী(২৮), লস্কর ইউনিয়নের মিনাজ চকের লেওকত সরদারের ছেলে আসাবর সরদার (১৮), নজু গাজীর ছেলে মহরাম গাজী(২০), আশরাফ সরদারের ছেলে ফজলু সরদার(১৭) কে আটক করা হয়।তাদের নিকট থেকে দেশী তৈরী কুড়াল, হাতুড়ি, ও দা উদ্ধার করা হয়। পাইকগাছা থানার পরিদর্শক ( ওসি তদন্ত) তুষার কান্তি দাশ জানান, তারা ওই এলাকায় ডাকাতি করার জন্য প্রস্তুতি গ্রহন করছিলো। অভিযান চালিয়ে তাদেরকে আটক করা হয়। দুপুর ১২ টার দিকে তাদেরকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।

    প্রেরকঃ
    ইমদাদুল হক,
    পাইকগাছা,খুলনা।

  • পাইকগাছার পারশেমারী রাস্তা কেটে খাল করে রাখায় জনদুর্ভোগ বাড়ছে

    পাইকগাছার পারশেমারী রাস্তা কেটে খাল করে রাখায় জনদুর্ভোগ বাড়ছে

    ইমদাদুল হক,পাইকগাছা,খুলনা।।
    খালের মত দেখতে হলেও এটি একটি গ্রামীন রাস্তার দৈন্যদশা। পাইকগাছায় পারিশামারী সড়কের এমন হাল হয়েছে।। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের খামখেয়ালিপনা আর চরম উদাসীনতায় দুর্ভোগে পড়েছে সোলাদানার পারিশামারী সড়কের আশপাশ গ্রামের মানুষ। কদিনের ভারী বৃষ্টিতে জনদুর্ভোগের সীমা নেই। দু’মাস পূর্বে মাটি খুঁড়ে রাখা একমাত্র চলাচল রাস্তা এখন কাঁদা-জলে পিচ্ছিল হয়ে চলাচল অযোগ্য হয়ে পড়েছে। রাস্তার মাটি কেটে কাজ না করে মাসের পর মাস খাল করে রাখায় জনদুর্ভোগে বাড়ছে। পানির চাপে দু’পাশের রিং বাঁধ খালে ধ্বসে পড়ছে। মালামাল বহন করা অসম্ভব হয়ে পড়েছে।
    জানাগেছে, ২০২১-২০২২ অর্থ বছরে খুলনা বিভাগীয় পল্লী অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় এ কাজ। পারশেমারীর বৈরাগীর বাড়ী এলাকা থেকে আমুরকাটা পর্যন্ত ৩ কিলোমিটার ডবল ইটের সোলিং এর রাস্তার জন্য ১ কোটি ৫২ লাখ ৪৬ হাজার টাকার বরাদ্দ হয়। যার ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান সাতক্ষীরার মের্সাস কানিজ ট্রেডিং।
    কয়েকমাস আগে কার্যাদেশ পেয়ে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজ শুরু করে। রাস্তা পাকা করণে মাটি কেটে খাল করে ফেলে রাখা হয়েছে মাসের পর মাস। এজন্য চরম দুর্ভোগে পড়েছে সর্বসাধারণ। বিশেষ করে বৃষ্টিতে রাস্তার মাঝে হাটু পানি।আর দুধারে মাটি উঁচু করে আইল করে রাখলেও তা ধ্বসে পড়ছে। ফলে শিশু,বয়োবৃদ্ধ ও হাটে-বাজারের লোক,স্কুলগামী শিক্ষার্থীরা যাতায়তে পড়েছে কঠিন সমাস্যায়। মটর সাইকেল, বা ইজ্ঞিন চালিত বাহন নিয়ে অজানা ব্যক্তিরা এ রাস্তায় এসে পড়ছে কঠিন বিপাকে। স্থানীয় ইউপি সদস্য আজিজুর রহমান লাভলু বলেন,রাস্তার যে অবস্থা তা দ্রুত শেষ না হলে বর্ষাকালে ভাগান্তির শেষ থাকবেনাে এ বিষয়ে ঠিকাদার ইকবাল হোসেন বলেন, আবুল হাসনাতকে কাজ দিয়েছিলাম তিনি না করায় কাজের এ অবস্থা। তবে দ্রুত কাজ শুরু করা হবে। উপজেলা প্রকৌশলী হাফিজুর রহমান বলেন, এক সপ্তাহের মধ্যে কাজ না করলে প্রয়োজনে বাতিল করে দেয়া হবে।

  • ঝিনাইদহে ২৪ রাজাকার মুক্তিযোদ্ধা তালিকায় ভাতা পাচ্ছে মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রীর ‘ব্যবস্থা নেয়া হবে’ আশ্বাসেই কেটে গেছে ৯ বছর

    ঝিনাইদহে ২৪ রাজাকার মুক্তিযোদ্ধা তালিকায় ভাতা পাচ্ছে মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রীর ‘ব্যবস্থা নেয়া হবে’ আশ্বাসেই কেটে গেছে ৯ বছর

    আতিকুর রহমান, ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    ঝিনাইদহের বিভিন্ন উপজেলায় ২৪ রাজাকার মুক্তিযোদ্ধা তালিকায় নাম লিখিয়ে নিয়মিত ভাতা পাচ্ছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। ঝিনাইদহ জেলা ইউনিটের সাবেক ডেপুটি কমান্ডার ডাঃ মেহের আলী খোদ মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হকের দপ্তরে উপস্থিত হয়ে লিখিত ভাবে এই অভিযোগ করেন। মন্ত্রীর দপ্তরে অভিযোগ করার ৯ বছর পার হলেও বীর মুক্তিযোদ্ধা মেহের আলীর অভিযোগের কোন সুরাহা হয়নি। রাজাকারা সরকারী ভাতা উত্তোলন করে আয়েশি জীবন যাপন করছেন। বীর মুক্তিযোদ্ধা ডাঃ মেহের আলী লিখিত অভিযোগের খবর নিশ্চত করে বুধবার বিকালে মুঠোফোনে জানান, ২০১৪ সালের ২২ নেভম্বর তিনি ঝিনাইদহের ৬ উপজেলার ২৪ রাজাকারকে মুক্তিযোদ্ধা বানিয়ে ভাতা প্রদানের অভিযোগ করেন তিনি। মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রী ওই বছরের ২৬ নভেম্বর বিষয়টি তদন্ত করে প্রতিবেদন পাঠানোর নির্দেশ দেন সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী অফিসারদের। কিন্তু ৯ বছরেও এই অভিযোগের সুরাহা করতে পারেনি মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রনালয়। অভিযোগটি গুরুতর হওয়ায় বীর মুক্তিযোদ্ধা ডাঃ মেহের আলী তিন মাস আগে মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রনালয়ে গিয়ে অভিযোগটি আবারো জমা দেন। জবাবে মন্ত্রী ‘ব্যবস্থা নেয়া হবে’ বলে তাকে আশ^াস দেন বলে মেহের আলী জানান। লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, একটি অশুভ মহল রাজাকারদের মুক্তিযোদ্ধার তালিকায় নাম লিখিয়ে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের কপালে কলংকের তিলক লেপন করেছে। যারা এই তালিকায় যুক্ত তাদের বিরুদ্ধে তিনি ব্যবস্থা গ্রহনের দাবী জানান। তালিকায় রাজাকার ও অমুক্তিযোদ্ধা হিসেবে যাদের নাম উল্লেখ আছে তারা হলেন, ঝিনাইদহ সদর উপজেলার পাঁচটিকারী দেবতলা গ্রামের আবু তালেব, একই গ্রামের আব্দুল গণি, কালুহাটী গ্রামের আবুল কাসেম, কাঞ্চননগরের মোশাররফ হোসেন, কালীকাপুরের আব্দুর রাজ্জাক, শৈলকুপার বৃত্তিদেবী রাজনগর গ্রামের ফিরোজার রহমান, একই গ্রামের ফজলে ইলাহী মানিক, হারুনদিয়া গ্রামের আব্দুস সাত্তার, শিতালী গ্রামের নুরুন্নবী খান, গোয়ালপাড়ার মকবুল হোসেন, সদরের পানামী গ্রামের গুলজার উদ্দীন, কালুহাটী গ্রামের তৈয়ব আলী, রাজধারপুর গ্রামের সাবদার আলী, একই গ্রামের আব্দুল ওহাব, খোর্দ্দ ঝিনাইদহের চৌধুরী আলী, মাগুরাপাড়ার জহুরুল হক, পানামী গ্রামের মতিয়ার রহমান, ব্যাপারীপাড়া ঢাকালে পট্ট্রির আবু বকর সিদ্দিক, আর্য্যনারায়নপুর গ্রামের আনসার উদ্দীন, কালীগঞ্জ শহরের মুজিরুচ্ছোবাহান, বাকুলিয়া গ্রামের সিরাজুল ইসলাম, হরিণাকুন্ডু শ্রীপুর গ্রামের হাফিজুর রহমান, মহেশপুর উপজেলার যাদবপুর গ্রামের দেলোয়ার হোসেন ও কোটচাঁদপুর উপজেলার লক্ষিপুর গ্রামের ফজলুল হক। বীর মুক্তিযোদ্ধা মেহের আলী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, যারা দেশ স্বাধীনে বিরোধীতা করেছে আজ তারাই মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের সরকারের আমলে মুক্তিযোদ্ধা ভাতা পাচ্ছেন। তিনি বলেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের ঘুষ দিয়ে বিভিন্ন যাচাই বাছাইয়ের সময় রাজাকারদের মুক্তেযোদ্ধাদের তালিতায় নাম ওঠানো হয়েছে।

    ঝিনাইদহ
    আতিকুর রহমান।

  • ঝিনাইদহে ট্রেনে কাটা পড়ে বৃদ্ধের মৃত্যু

    ঝিনাইদহে ট্রেনে কাটা পড়ে বৃদ্ধের মৃত্যু

    আতিকুর রহমান, ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার বারবাজার এলাকায় ট্রেনে কাটা পড়ে আব্দুল খালেক (৯০) নামে এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে। আজ বুধবার সকাল সাড়ে ৯ টার দিকে বারবাজার মাছ বাজার এলাকায় এ ঘটনাটি ঘটে। নিহত আব্দুল খালেক উপজেলার বাদেডিহি এলাকার বাসিন্দা।প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, সকালে বাড়ি থেকে মাছ বাজার এলাকায় এসেছিলেন বৃদ্ধ আব্দুল খালেক। ট্রেন লাইন পাওয়ার সময় ট্রেনে কাঁটা পড়ে দ্বিখন্ডিত হয়ে যায়। পরিবারের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে যায়।বারবাজার রেল স্টেশনের স্টেশন মাস্টার আরিফুর রহমান জানান, সকাল সাড়ে ৯ টার দিকে বারবাজার মাছ বাজার এলাকায় ট্রেন লাইন পার হওয়ার সময় খুলনা থেকে ছেড়ে আসা চিলাহাটিগামী রুপসা এক্সপ্রেসে কাটা পড়ে এক বৃদ্ধ নিহত হয়।

  • গোদাগাড়ী উপজেলাকে  মাদকমুক্ত করার জন্য খেলাধুলার বিকল্প নেই- রতন দাস

    গোদাগাড়ী উপজেলাকে মাদকমুক্ত করার জন্য খেলাধুলার বিকল্প নেই- রতন দাস

    নিজস্ব প্রতিবেদকঃ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন, জননেত্রী শেখ হাসিনার দেশ ও জনগনের জীবনমান উন্নয়নের সঠিক তথ্য প্রচার ও মাদকমুক্ত গোদাগাড়ী উপজেলা গড়ার লক্ষ্যে রাজশাহী ১ আসনের সংসদ সাবেক শিল্প প্রতিমন্ত্রী আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধুরীর দিক নির্দেশনায় রাজশাহী সহকারী পরিচালক (অবঃ) কাস্টমস গোয়েন্দা, রাজশাহীর সুনন্দন দাস (রতন) যুবসমাজকে সাথে নিয়ে গনজাগারণ সৃষ্টি করেছেন।

    রতন দাস বলেন, প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার মাদকের ব্যপারে জিরো টলারেন্স ঘোষনা করেছেন। আর এ নীতিকে অনুসারণ করে উপজেলার গোদাগাড়ী ও কাঁকনহাট পৌরসভাসহ উপজেলার ৯ টি ইউনিয়নের প্রত্যন্ত অঞ্চলের সচেতন মহল, যুবসমাজ, বয়স্ক, শিক্ষার্থী, শিক্ষক, ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন পেশার মানুষকে সাথে নিয়ে ফুটবল, বিগ-মিনি নাইট ক্রিকেট টুর্নামেন্টের আয়োজন করা হচ্ছে, হাজার হাজার মানুষ আনন্দ উপভোগ করছেন। মসজিদ, ইসলামী মাহফিলে অনুদান, ক্লাব, স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠান, মন্দিরে বিশেষ অনুদান প্রদান, খাদ্য সামগ্রী বিতরন, শীত বস্ত্র বিতরন, আদিবাসীদের নিয়ে তাদের ধর্মীয় অনুষ্ঠান, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করছেন।

    গোদাগাড়ী উপজেলাসহ দেশের যুব সমাজকে লেখা পড়ার পাশাপাশি খেলাধুলায় সম্পৃক্ত করার জন্য যুব সমাজকে, শিক্ষার্থী ও অভিভাবককে সচেতন করার জন্য খেলাধুলায় আগ্রহী করে তুলতে হবে। একটি দেশ, জাতি গঠনের বাহক হচ্ছে যুব সমাজ, এদেরকে বাদ দিয়ে বা মাদকের সাথে জড়িয়ে কোন ভাবে স্মাট বাংলাদেশ গড়া সম্ভাব নয়। মাদক সম্রাট, দেশ, জাতি, সমাজের কীট এদের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।

    আওয়ামীলীগ নেতা মোঃ জহির উদ্দিন জানান, গোদাগাড়ী উপজেলায় দিন দিন মাদকসেবী, মাদকব্যবসায়ীর সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছিল, এর প্রধান কারন মাদকের সহজলভ্যতার কারনেই যুবসমাজ মাদকের প্রতি আকৃষ্ট হচ্ছিল। এমপি ওমর ফারুক চৌধুরী নির্দেশে গোদাগাড়ীকে মাদকমুক্ত করার জন্য এ কার্যক্রম হাতে নেয়া হয়েছে। কিছুটা মাদকের প্রবনতা কমে এসেছে। সুনন্দন দাস রতন দাদার নাম এখন গোটা উপজেলা সদর, উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষের মুখে মুখে, রতন দাদার সুন্দর বক্তব্য, মানুষের সাথে ভদ্র ব্যবহার, অভিজ্ঞতা, গরীব, দুস্থ, অসহায়, অসুস্থ্য মানুষের আস্থার প্রতীক রতন দাদা। তার জনপ্রিয়তা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। আগামী দিনে তিনি গোদাগাড়ী উপজেলার চেয়ারম্যান পদে মনোনায়ন প্রত্যাশী, তিনি আওয়ামী দলের মনোনায়ন চাইবেন। যদি রাজশাহী ১ আসনের এমপি ওমর ফারুক চৌধুরী সুদৃষ্টি ও দলীয় বিবেচনায় দলীয় মনোনায়ন পান তবে বিশাল ভোটের ব্যবধানে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হবেন ইনসাল্লাহ। কেন না তৃণমূলের নেতা কর্মী সমর্থকগন রতন দাদাকে চচ্ছেন। এককই মন্তব্য করেন চম্পকনগর উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক মোঃ মাসুদ রানা।

    আল ইসলা ইসলামী একাডেমীর সাবেক প্রধান শিক্ষক, উপজেলা কিন্ডারগার্টেন এ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোঃ কোরবান আলী বলেন, চর আষাদিয়াদহ, মাটিকাটা, কাঁকনহাট, রিশিকুল, গোগ্রামসহ বিভিন্ন এলাকায় সুনন্দন দাস (রতন) দাদার অনুষ্ঠানে থেকে আমি বক্তব্য দেয়ার সুযোগ পেয়েছি। রতনের প্রতি নারী, পুরুষ, আদিবাসী, শিক্ষার্থী, সুধিজন, দলমত নির্বিশেষে সচেতন মানুষের ভালবাসা দেখে আমি অভিভুত হয়েছি। এত স্বল্প সময়ে একজন সরকারি কর্মকর্তা চাকুরী থেকে অবসর নিয়ে জনসাধারণের কাছাকাছি আসা জনগনের সাথে মিশে যাওয়া সত্যি ভাগ্যের ব্যপার। তার মত উচ্চ শিক্ষিত, ভদ্র, প্রশাসনিক অভিজ্ঞ লোক যদি উপজেলার চেয়ারম্যান হবার সুযোগ পান
    উপজেলাবাসির দীর্ঘদিনের আশা আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটবে, সুখ দুঃখের কথা সুন্দরভাবে উপস্থাপন করতে পারবেন ইনসাল্লাহ। সবাইকে মাদক মুক্ত সমাজ গড়তে সচেতন মানুষকে এগিয়ে আসার জন্য আহ্বান জানান তিনি। একই মন্তব্য করেন, হিন্দু বোদ্ধ ঐক্য পরিষদের নেতা কিসনো কুমার সরকার, আদিবাসী নেতা মানিক এক্কা, আআওয়ামীলীগ নেতা হারুন অর রশিদ।

    গত ২/৭/২৩ ইং তারিক গোদাগাড়ী উপজেলার পাকড়ী ইউনিয়নের মালকামলা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ঈদ পূনর্মিলনী উপলক্ষে বিগ-মিনি নাইট ক্রিকেট টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হয়। চমৎকার আয়োজনের মাধ্যমে খেলা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে খেলা উপভোগ করেন সুনন্দন দাস (রতন), বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, আওয়ামীলীগ নেতা, সমাজ সেবক মোঃ জহির উদ্দিন।

    গত ৩০ জুন রাজশাহী গোদাগাড়ী উপজেলার ৬ নং মাটিকাটা ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ডের এস এস সি-২০২২ কর্তৃক আয়োজিত ঈদ পূনর্মিলন ফুটবল টুর্নামেন্ট প্রেমতলী ডিগ্রী কলেজ মাঠে অনুষ্ঠিত হয়। খুব সুন্দর মনমূগ্ধ খেলা অনু্ষ্ঠিত হয়েছে। এলাকার মানুষ উৎসাহিত সারাদিন খেলা উপভোগ করেছেন। রতন দাসের জন্মস্থান হওয়ায় সকলের সাথে একত্রিত হয়ে ঈদের আনন্দ অনেক অনেক সুন্দর ভাবে উদযাপন করেছেন।

    একই দিন রাজশাহী গোদাগাড়ী পৌরসভার হেলিপ্যাড মাঠে উদ্বোধন হলো শেখ রাসেল স্মৃতি নাইট ফুটবল টুর্নামেন্ট/২৩। আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে অংশ গ্রহণ গোদাগাড়ী পৌরসভার আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, সমাজসেবক মোঃ রবিউল আলম, ও সুনন্দন দাস (রতন)।
    ঈদুল আজহা উপলক্ষে ঈদ পূনর্মিলনী হিসাবে ফরাদপুর মাঠে টি- টেন সুপার ক্রিকেট টুর্নামেন্ট ২০২৩ উদ্বোধন করেন রতন দাস। ২৭/৬/২৩ রাজশাহী গোদাগাড়ী উপজেলার দেওপাড়া ইউনিয়নের কয়েকটি স্থানে মতবিনিময় ও গণসংযোগ করেন রতন দাস। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ৭৪ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ গোদাগাড়ী উপজেলায় সফল ও স্বার্থক ভাবে পালন করা হয়। প্রধান অতিথি ছিলেন গোদাগাড়ী ও তানোরের জনপ্রিয় জননেতা, আওয়ামী লীগের বলিষ্ঠ ও বিচক্ষণ রাজনীতিবিদ, শান্তির প্রতীক, প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়ন বাস্তবায়নের অগ্ৰদূত মাননীয় এমপি আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধুরী।
    কাঁকনহাট পৌরসভার সাবেক মেয়র আব্দুল মজিদ মাস্টার, প্রিন্সিপাল আব্দুর আওয়াল রাজু ভাইস প্রিন্সিপাল শিবলী, দিগরি রাজা পরিষদের সাধারন সম্পাদক সহাদেব পান্না, মাটিকাটা ৮ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি তরিকুল ইসলাম কালু, মাটিকাটা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হারুন অর রশিদ, রিশিকুল ইউনিয়ন ৬ নং ওয়ার্ড সভাপতি মাসুদ রানা, মোহনপুর ইউনিয়নের সেচ্ছাসেবকলীগ নেতা মাহাবুবুর রহমান, নয়ন মেম্বার ছাত্রলীগ নেতা নায়েমসহ নেতা কর্মীদের নিয়ে সুনন্দন দাস (রতন) প্রতিদিন কোন না কোন স্থানে প্রধান মন্ত্রীর উন্নয়ন কার্যক্রম জনগনের সামনে তুলে ধরা, দলীয় কার্যক্রম, সামাজিক, খেলাধুলা, বিয়ে, ধর্মীয়, সাংস্কৃতিকসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে মানুষের হৃদয়ে স্থান করে নিচ্ছেন মানুষ তার জন্য প্রাণ খুলে দোয়া করছেন তিনি যেন আগামীতে বড় পরিসরে কার্যক্রম চালাতে পারেন, কাছ থেকে মানুষের সেবা করতে পারেন।
    নিজস্ব প্রতিবেদক
    রাজশাহী।

  • নড়াইলে ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে হিন্দু সম্প্রদায়ের দোকান ঘরে জোর পূর্বক তালা  জমিসহ দখলের চেষ্টা

    নড়াইলে ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে হিন্দু সম্প্রদায়ের দোকান ঘরে জোর পূর্বক তালা জমিসহ দখলের চেষ্টা

    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে: নড়াইলের লোহাগড়া বাজারের সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের একটি পাকা দোকানঘর জমিসহ জোর পূর্বক দখল করে তালাবদ্ধ করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে জানান, অভিযোগে জানা গেছে, লোহাগড়া পৌর শহরের প্রাণকেন্দ্র অবস্থিত লোহাগড়া বাজার, বাজারের একটি দোকানঘর যাহা দলিল মূলে সত্বাধীকারী লোহাগড়া গ্রামের দক্ষিনপাড়ার প্রদীপ কুমার চৌধুরীর স্ত্রী চন্দ্রমুখী চৌধুরী। বিবাদমান দোকানের পাশের দোকানের সত্বাধীকারী উপজেলার যোগীয়া গ্রামের কেএম ওলিয়ার রহমানের ছেলে কেএম ওয়াহিদুজ্জামান। ওয়াহিদুজ্জামান ও তার সাঙ্গপাঙ্গরা চন্দ্রমুখীর পরিবারকে উচ্ছেদ করে দোকানঘরসহ বসতবাড়ি স্বল্পমুল্যে ক্রয়ের জন্য দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন ভাবে অন্যায় অত্যাচার করে আসছে। ক্রয়ে ব্যর্থ হয়ে জোর দখলের পরিকল্পনা করেন। পরিকল্পনা প্রকাশ পাওয়ায় চন্দ্রমুখী চৌধুরী আদালতে ১৪৪ ধারা পওয়ার আবেদন করেন। আবেদনের প্রেক্ষিতে গত ২৭ জুন নড়াইলের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালত নালিশী জমিতে ১৪৪ ধারা জারী করেন। আদালতের উক্ত নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ওয়াহিদুজ্জামান ও তার সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে গত ৩ জুলাই বেলা সাড়ে ১১টার দিকে জোর পূর্বক উক্ত দোকান ঘরের তালা ভেঙ্গে তাদের নতুন তালা লাগিয়ে দেয়। এ ঘটনায় চন্দ্রমুখী চৌধুরী প্রতিকার চেয়ে গত ৪ জুলাই নড়াইলের জেলা প্রশাসক, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান, পুলিশ সুপার, লোহাগড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও লোহাগড়া থানার অফিসার ইনচার্জ বরাবর আবেদন করেছেন। চন্দ্রমুখী চৌধুরী আক্ষেপ কওে এই প্রতিবেদককে বলেন, আমাদের ওপর এতো অন্যায় অত্যাচার কেন? অত্যাচারে দেশ ছেড়ে আমাদের চলে যাওয়া ছাড়া কোন পথ নাই। তিনি প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
    এ বিষয়ে ওয়াহিদুজ্জামান তার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ ও জোর পূর্বক দখলের বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, তাহার ক্রয়কৃত সম্পত্তির মধ্যে উক্ত দোকানঘর রয়েছে। তিনি অন্যের জমি বা,দোকানঘর দখল করেন নাই।
    লোহাগড়া উপজেলা হিন্দু,বৌদ্ধ,খৃষ্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি মৃত্যুঞ্জয় কুমার দাস বলেন, আমরা ইতিমধ্যে বিষয়টি অবগত হয়েছি। জেলা কমিটির সাথে আলোচনা করে জবর দখলকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
    লোহাগড়া থানার অফিসার ইনচার্জ মো: নাসির উদ্দিন চন্দ্রমুখীর দাখিলকৃত অভিযোগ প্রাপ্তির বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • রাজশাহীর ৬ আসনে এবার শক্ত অবস্থানে এমপি বিরোধীরা

    রাজশাহীর ৬ আসনে এবার শক্ত অবস্থানে এমপি বিরোধীরা

    নিজস্ব প্রতিবেদক : রাজশাহীতে রয়েছে ছয়টি সংসদীয় আসন। এর মধ্যে পাঁচটিতে আওয়ামী লীগ ও একটিতে নৌকা প্রতীক নিয়ে বিজয়ী হয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয় ওয়ার্কার্স পার্টির। তবে সব আসনেই এবার বর্তমান সংসদ সদস্যদের বিপক্ষে প্রকাশ্য অবস্থান নিয়েছেন আওয়ামী লীগের স্থানীয় একাধিক প্রভাবশালী নেতা। শক্ত অবস্থান নিয়ে নানা কর্মসূচিও পালন করছেন তারা।

    দলীয় মনোনয়ন চাওয়াসহ বিএনপি নির্বাচনে না আসলে বিদ্রোহী প্রার্থী হয়ে এমপি হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন তাদের অনেকেই। ইতোমধ্যে অনেকেই বিদ্রোহী প্রার্থী হবেন বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন।

    এমপি বিরোধী এই প্রভাবশালী নেতাদের বলায়ের নেতৃত্বে রয়েছেন রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান আসাদ। তার নেতৃত্বে এমপি বিরোধী নেতাদের পক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নিচ্ছেন দলটির কেন্দ্রীয় নেতারাও। ফলে রাজশাহী জেলাজুড়ে আওয়ামী লীগ নেতারা এখন বিভক্ত। একই সঙ্গে কর্মী-সমর্থকরাও নানা উপ-দলে বিভক্ত হয়ে পড়েছেন।

    রাজশাহী-১ আসনে টানা তিনবারের সংসদ সদস্য ওমর ফারুক চৌধুরী। অধ্যক্ষ, সাংবাদিক পেটানো ও জনপ্রতিনিধি, নেতাদের কোরআনে হাত রেখে শপথ করানোসহ বিভিন্ন কর্মকান্ডে বিতর্কিত এমপি ফারুক চৌধুরী জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি। এ আসনে তার বিরুদ্ধে মাঠে কাজ করছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলমের স্ত্রী আয়েশা আকতার ডালিয়া, জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক নেতা আকতারুজ্জামান, তানোর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ও মুন্ডুমালা পৌরসভার তিনবারের সাবেক মেয়র গোলাম রাব্বানী।

    এ আসনে আকতারুজ্জামান, গোলাম রাব্বানী ছাড়াও মন্ডুমালা পৌরসভার বর্তমান মেয়র সাইদুর রহমান, তানোর পৌরসভার মেয়র ইমরুল হক, কাঁকনহাট পৌরসভার মেয়র ও আওয়ামী লীগের জাতীয় পরিষদের সদস্য আতাউর রহমান, গোদাগাড়ী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি বদিউজ্জামান, জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহসভাপতি বদরুজ্জামান রবু মিয়া জোটবদ্ধভাবে এমপির বিরুদ্ধে রাজনীতির মাঠে নেমেছেন। তারা প্রায় ৯ বছর ধরেই ফারুক চৌধুরীর বিরুদ্ধে মাঠে আছেন। তারা বলছেন নিয়োগ বানিজ্য, অধ্যক্ষ পিটানো, টেন্ডারবাজী, মাদক ব্যবসায়ীদের আশ্রয় প্রশ্রয় দিয়ে কোটি কোটি লুপপাটের অভিযোগ তুলেছেন। এছাড়াও এ আসনে ফারুক চৌধুরীর বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থান নিয়ে মাঠে রয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলমের স্ত্রী আয়েশা আকতার ডালিয়া। একাই রাজনীতির মাঠ দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন তিনি।

    রাজশাহী-২ আসনটিতে এমপি রয়েছে আওয়ামী লীগের শরিক দল ওয়ার্কার্স পার্টির। টানা তিনবারের এমপি বাংলাদেশ ওয়ার্কার্স পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক ফজলে হোসেন বাদশার সঙ্গে শীতল যুদ্ধ আছে আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও রাজশাহী সিটি করপোরেশনের তিনবারের মেয়র এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটনের। তিনি প্রকাশ্যে ফজলে হোসেন বাদশার বিরুদ্ধে কোনো বক্তব্য না রাখলেও, বাদশা ছাড় দেননি। বিভিন্ন সমাবেশে তিনি লিটনকে উদ্দেশ্য করে বক্তব্য রেখেছেন।

    এ ছাড়া এই আসনটিতে এমপি বিরুদ্ধে মাঠের রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ডাবলু সরকার। বিভিন্ন সভা-সমাবেশে তিনি এমপি ফজলে হোসেন বাদশার বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে বক্তব্যও রেখেছেন। তবে সিটি নির্বাচনে খায়রুজ্জামান লিটনের বিপক্ষে দলীয় মনোনয়নপত্র সংগ্রহসহ নানা বিতর্কিত কর্মকান্ডে রাজনীতিতে কোনঠাসা হয়ে পড়েছেন তিনি। সিটি নির্বাচনে নৌকার পক্ষে প্রচার প্রচারণাতেও দেখা যায়নি তাকে।

    রাজশাহী-৩ আসনে দুবারের এমপি আয়েন উদ্দিন। জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্রলীগ নেতা এমপি আয়েনের বিরুদ্ধে অভিযোগের শেষ নেই এলাকার মানুষের। অভিযোগ আছে- জমি দখল, নিয়োগ বাণিজ্য থেকে শুরু করে এমন কোনো কাজ নেই, যা তিনি করেন না। এ নিয়ে স্থানীয় আওয়ামী লীগের একটি অংশ প্রধানমন্ত্রীর কাছে লিখিত অভিযোগও করেছেন। তার বিরুদ্ধে কয়েকবার সংবাদ সম্মেলন করেছেন স্থানীয় আওয়ামী লীগ, মহিলা লীগ ও কৃষক লীগের নেতারা।

    এ আসনটিতে মনোনয়ন চান জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান আসাদ। এমপি আয়েন বিরোধীদের নেতৃত্বে আছেন তিনি। তবে সাংসদ আয়েন উদ্দিনের অভিযোগ, পবা-মোহনপুরে আওয়ামী লীগে যে বিভক্তি আছে, তা আসাদুজ্জামান আসাদের তৈরি।

    রাজশাহী-৪ আসনে তিনবারের সাংসদ প্রকৌশলী এনামুল হক। তিনি উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি। এবার তার বিরুদ্ধে প্রকাশ্য মাঠে নেমেছেন দলটির চারজন নেতা। এরা হলেন, জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি জাকিরুল ইসলাম সান্টু ও অ্যাডভোকেট ইব্রাহিম হোসেন, তাহেরপুর পৌরসভার মেয়র ও পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ এবং স্বেচ্ছাসেবক লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সহসভাপতি পিএম শফিকুল ইসলাম শফি। প্রকাশ্যে সমাবেশ করে এমপির বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে আগামী নির্বাচনে তাকে প্রতিহতের ঘোষণা দিয়েছেন এই চার নেতা।

    রাজশাহী-৫ আসনে ২০১৮ সালে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়ে প্রথম এমপি নির্বাচিত হন ডা. মনসুর রহমান। এই আসনটির দুইবারের সাবেক এমপি রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবদুল ওয়াদুদ দারা। আগে থেকে এই দুই নেতার সমর্থকরা বিভক্ত। আগামী নির্বাচন সামনে রেখে সেই বিভক্তি আরও বেড়েছে। পুঠিয়া ও দুর্গাপুর উপজেলায় সব কর্মসূচি পালন করা হয় আলাদাভাবে।

    রাজশাহী-৬ আসনে ২০০১ সালে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী ছিলেন রায়হানুল হক। তাকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছিলেন বাঘা পৌরসভার মেয়র আক্কাস আলী। হেরে যান রায়হান। ২০০৮ সালের নির্বাচনে দল মনোনয়ন দেয় বর্তমান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলমকে; তিনি বিজয়ী হন।

    ২০১৪ সালের নির্বাচনে বিএনপি আসেনি। সে নির্বাচনে রায়হানুল হক বিদ্রোহী হোন। আক্কাস পক্ষ নেন শাহরিয়ার আলমের। ২০১৮ সালের নির্বাচনেও রায়হান-আক্কাস আর বিদ্রোহী হননি। এ ছাড়া বাঘা উপজেলা চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক লায়েব উদ্দিন লাভলুকে নিয়েও অস্বস্তি ছিল আক্কাসের। এবার সব ভুলে শাহরিয়ার আলমের বিরুদ্ধে ওই আসনে একাট্টা রায়হান-আক্কাস-লাভলু। তাদের সঙ্গে যুক্তি হয়েছেন জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বাঘার পাকুড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের মেরাজুল ইসলাম মেরাজ। বিভিন্ন সভা-সমাবেশে তারা প্রকাশ্যে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলমের বিরুদ্ধে বক্তব্য রাখেন।

    জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবদুল ওয়াদুদ দারা বলেন, আমি যাতে আগামীতে মনোনয়ন না পান, সেজন্য একজন কেন্দ্রীয় নেতার প্রশ্রয়ে জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান আসাদ প্রায়ই আমার বিরুদ্ধে বক্তব্য রাখছেন। তিনিই মূলত আওয়ামী লীগ বিভক্ত করতে কাজ করছেন। রাজশাহীজুড়ে আওয়ামী লীগের মধ্যে যে বিভক্তি তৈরি হয়েছে, এর পেছনে ওই নেতার সক্রিয় ইন্ধন আছে। বিষয়টি দলের হাই কমান্ডকে জানানো হয়েছে বলেও জানান দারা।

    একই ধরণের অভিযোগ রাজশাহী-৩ আসনের এমপি ও জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আয়েন উদ্দিনের। তার অভিযোগ, আমার নির্বাচনী এলাকা পবা-মোহনপুরসহ জেলা আওয়ামী লীগে যে বিভক্তি আছে, তা আসাদুজ্জামান আসাদের তৈরি। তিনিই নেতাদের এমপি বিরোধী হিসেবে সক্রিয় করে তুলছেন। বিষয়টি দলের হাই কমান্ড অবগত আছে বলেও জানান তিনি।

    এ সব অভিযোগের বিষয়ে জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান আসাদ বলেন, কিছু এমপি তাদের বিতর্কিত কর্মকান্ডে জনবিছিন্ন হয়ে পড়েছেন। এমনকি দলের নেতাকর্মীদের সঙ্গেও তাদের যোগাযোগ নেই। হাতে-গনা কিছু স্বজন ও সুবিধাভোগিদের নিয়ে তারা রাজনীতি করছেন। এ কারণে এমপি ছাড়াই অনেকে কর্মসূচী পালন করে থাকে। এমপিদের না জানিয়ে যারা কর্মসূচী পালন করছেন তাদেরকেই এমপি বিরোধী বলা হচ্ছে। মূলত: যাদের এমপি বিরোধী বলা হচ্ছে তারাই আওয়ামী লীগের ত্যাগী নেতা। তাদের হাতেই আওয়ামী লীগ নিরাপদ। তাদের সঙ্গেই আছে আওয়ামী লীগের ত্যাগী কর্মী-সমর্থকরা।

    হায়দার আলী,
    নিজস্ব প্রতিবেদক,
    রাজশাহী।

  • টাঙ্গাইলের ধনবাড়ীতে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২,আহত ৪

    টাঙ্গাইলের ধনবাড়ীতে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২,আহত ৪

    মধুপুর টাঙ্গাইল প্রতিনিধিঃ
    টাঙ্গাইলের ধনবাড়ীতে বাস ও সিএনজি চালিত অটোরিক্সা সংঘর্ষে সিএনজি চালকসহ ২ জন নিহত হয়েছেন। এই ঘটনায় আহত হয়েছে ৪ জন।
    বুধবার (৫ জুলাই) সকালে টাঙ্গাইল-জামালপুর মহা সড়কের ধনবাড়ী উপজেলার ছাত্তারকান্দি এলাকায় এই দুর্ঘটনাটি ঘটে।
    নিহতরা হলেন চালক জামালপুর জেলার সরিষাবাড়ী উপজেলার দোয়াইল গ্রামের মজিবর মিয়ার ছেলে ওয়াজেদ মিয়া (৪২) ও যাত্রী একই উপজেলার পরগ্রাম এলাকার মৃত গিয়াস উদ্দিনের ছেলে হালিম (৩২)।
    পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, সিএনজি চালিত অটোরিক্সাটি ৫ জন যাত্রী নিয়ে মধুপুরের দিকে যাচ্ছিল।
    যাত্রাপথে অটোরিক্সাটি টাঙ্গাইল-জামালপুর মহা সড়কের ছাত্তারকান্দি এলাকায় পৌঁছালে ঢাকাগামী জামালপুর ট্রাভেলস নামে যাত্রীবাহী বাসটির সাথে সংঘর্ষ হয়।
    এই সময় বাস ও অটোরিক্সাটি খাদে পড়ে যায়। এই ঘটনায় সিএনজি চালকসহ ৬ জন আহত হয়।
    আহতদের উদ্ধার করে ধনবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হলে ২ জন নিহত হয়।
    উন্নত চিকিৎসার জন্য আহতদের মধ্যে ৩ জনকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।
    ধনবাড়ী থানার ওসি (তদন্ত) ইদ্রিস আলী বলেন, নিহতদের মরদেহ আইনি প্রক্রিয়া শেষে স্বজনদের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।