Author: desk

  • সুনামগঞ্জে সিএনজি আটকিয়ে আহত রোগীর উপর  হামলার ঘটনায় থানায় অভিযোগ

    সুনামগঞ্জে সিএনজি আটকিয়ে আহত রোগীর উপর হামলার ঘটনায় থানায় অভিযোগ

    সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি:

    হাসপাতাল থেকে সুনামগঞ্জ – টু সিলেট আঞ্চলিক মহাসড়কের চেকনীকাড়া ব্রীজের পাশে চিকিৎসা শেষে থানা অভিযোগ দায়ের করার জন্য যাওয়ার পথে সিএনজি আটকিয়ে এক আহত ব্যাক্তির উপর সন্ত্রাসী হামলা চালানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে। আহত ব্যাক্তির নাম মোঃ হাবিবুর রহমান (৩৬),আহত ব্যক্তিকে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনাটি ঘটে ৩ জুলাই দুপুরে। এঘটনায় সুনামগঞ্জ সদর থানায় আহত ব্যাক্তির সহধর্মিণী লুৎফা বেগম লুছি বাদী হয়ে ৮ জনের নাম উল্লেখ্য করে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
    অভিযোগ সূত্রে জানা যায় হামলাকারীরা হল শাম্তিগঞ্জ থানাধীন শিমুলবাক ইউনিয়নের রঘুনাথপুর গ্রামের বাসিন্দা জিয়া উদ্দিন (৩৫), আব্দুল খালেক (৪৫), মুক্তার আলী(৬২), মহিবুর রহমান রহমান(২৮), কামাল (৩৩), ছনি(২৩), সেকুল (২২), আজাদ মিয়া(৩৬)।
    জানা যায় ঘটনার তিন দিন পূর্বে আহত হাবিবুর রহমানের গ্রামের বাড়িতে গত ৩০ জুন শুক্রবার রাতে এক দল ডাকাত মিলে হাবিবুর রহমানের গ্রামের বাড়িতে বৃষ্টি চলমান রাতে হামলা করে গুরুতর রক্তাক্ত জখম করে নগদ টাকা ও সোনার অলংকার লুটপাট করে নিয়ে যায়। এবং হাবিবুর রহমানকে প্রাণে হত্যার উদ্দেশ্যে দাঁড়ালো অস্ত্র দিয়ে গুরুতর রক্তাক্ত জখম করে ডাকাত দলের সদস্যরা। পরে শান্তিগঞ্জ থানা পুলিশ ৩০জুন রাতে বৃষ্টির মধ্যে হাবিবুর রহমানকে উদ্ধার করে সুনামগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়। তিন দিন হাসপাতালে চিকিৎসার পর গত ৩ জুলাই আহত হাবিবুর রহমান ৩০জুন রাতের ডাকাতির ঘটনায় শান্তিগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করার জন্য সিএনজি করে যাওয়ার পথে চেকনীকাড়া ব্রীজ সংলগ্ন তার সিএনজি আটকিয়ে আবারও হাবিবুর রহমানের উপর হামলা চালানো হয়। এসময় পথচারিরা মিলে হামলাকারীদের গণ পিঠুনি দিয়ে হাবিবুর রহমানকে উদ্ধার করে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে পুণরায় চিকিৎসার জন্য পাঠান বলে জানান আহত পরিবারের সদস্যরা। বর্তমানে হাবিবুর রহমাম আহত অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ ঘটনায় সুনামগঞ্জ সদর থানায় লুৎফা বেগম বাদী হয়ে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন এবং ৩০জুন রাতের ঘটনায় শান্তিগঞ্জ থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে জানান আহত পরিবারের সদস্যরা।
    এব্যাপারে সুনামগঞ্জ সদর থানার অফিসার ইনচার্জ ইখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী জানান অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত সাপেক্ষে আইগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।##

  • চট্টগ্রামের উন্নয়নে অদম্য ব্যারিস্টার মনোয়ার-ড.অনুপম সেন

    চট্টগ্রামের উন্নয়নে অদম্য ব্যারিস্টার মনোয়ার-ড.অনুপম সেন

    বিশেষ প্রতিনিধিঃ

    অদম্য এক মনোয়ার হোসেন গ্রন্থের ২য় সংস্করণের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে ড. অনুপম সেন’সহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন। ড.অনুপম বলেন-চট্টগ্রামের উন্নয়নের ব্যারিস্টার মনোয়ার এর মতো অন্যান্যদের এগিয়ে আসতে হবে।

    চট্টগ্রামের উন্নয়ন সংগ্ৰামে ব্যারিস্টার মনোয়ার এর মতো অন্যান্যদের এগিয়ে আসতে হবে।”অদম্য এক মনোয়ার হোসেন” গ্রন্থের দ্বিতীয় সংস্করণ এর মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে প্রধানঅতিথির বক্তব্যে বিশিষ্ট সমাবিজ্ঞানী, শিক্ষাবিদ, প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড: অনুপম সেন এ মন্তব্য করেন।
    উল্লেখ্য যে, ১৯৮৩ থেকে ১৯৯০ স্বৈরাচার বিরোধী ছাত্র-গণ-আন্দোলন, চট্টগ্রাম উন্নয়নআন্দোলনের ত্যাগী সংগঠক ও পুরোধা, আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠক ও প্রখ্যাতআইনজীবী ব্যারিস্টার মনোয়ার হোসেনের জীবন ও কর্ম নিয়ে খড়িমাটি থেকে প্রকাশিতশাহরিয়ার খালেদ সম্পাদিত ‘অদম্য এক মনোয়ার হোসেন’ শীর্ষক সম্মাননা গ্রন্থের “দ্বিতীয়সংস্করণ” এর প্রকাশনা অনুষ্ঠান ছিল এটি । গ্রন্থটির প্রথম সংস্করণ হয়েছিল গত বছরেরএপ্রিলে এবং অতি অল্প সময়েই এর সকল কপি ফুরিয়ে যায় । প্রথমটির তুলনায় এবারেরটিবেশ বর্ধিত সাইজের হয়েছে এবং এতে ৪১৮ পৃষ্ঠা রয়েছে যাতে নতুন কিছু সংযোজন রয়েছে।
    চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে ইঞ্জিনিয়ার আবদুল খালেক মিলনায়তনে গতকাল বিকেলে চট্টগ্রাম নাগরিকফোরামের
    উদ্যোগে আয়োজিত এই প্রকাশনা অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের কমার্সফ্যাকাল্টির সাবেক ডীন প্রফেসর রনজিত দে । এতে আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন যাঁর সম্মানেগ্রন্হটি প্রকাশিত হয়েছে সেই ব্যক্তিত্ব ব্যারিস্টার মনোয়ার হোসেন, অদম্য এক মনোয়ার গ্রন্থেরসম্পাদক বিশিষ্ট কন্ঠশিল্পী শাহরিয়ার খালেদ,চট্টগ্রাম নাগরিক ফোরামের মহাসচিব মোঃকামাল উদ্দিন,চট্টগ্রাম নাগরিক ফোরাম এর মির্জা ইমতিয়াজ শাওন প্রচার ও প্রকাশনা দপ্তর,লন্ডন বারা অফ বাকিং এন্ড ডেগেনহামের কাউন্সিলর ও গ্রেটার চট্টগ্রামএসোসিয়েশন ইউকের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ ফিরোজ গণি,নারী নেত্রী লাইলাইব্রাহিম বানু, ফোরামের সাংগঠনিক সম্পাদক মনসুর আলম, সর্বজনাব, মাসুদ খান, কাজীশহীদুল্লাহ, আখতার হোসেন, গোলাম রসুল মান্নান, মোহাম্মদ নূর, শিফায়েত উল্লাহ, ছাত্রনেতা, সালাহউদ্দিন রকী প্রমুখ।
    প্রফেসর ড. অনুপম সেন বলেন ‘চট্টগ্রাম’ কলকাতা বোম্মে ঢাকা থেকে বহু প্রাচীন নগর এ নগরএকসময় খুব সম্বৃদ্ধ জনপথ ছিল কিন্তু এতো প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী নগরী নানা কারণে পিছিয়েপড়ছে এটা কাম্য নয়। চট্টগ্রাম এর পরিকল্পিত উন্নয়ন নিশ্চিত করতে হবে। এজন্য ব্যরিস্টারমনোয়ার এর সংগ্ৰাম দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে তার মতো অন্যদের এগিয়ে আসতে হবে।
    ব্যারিস্টার মনোয়ার বলেন,তিনি সারা জীবন সৎ,আদর্শবান থেকে সব সময় চেষ্টা করেছেনপেশাগত কর্তব্য পালন করতে আর নি:স্বার্থে জনসেবার কাজে নিজেকে নিয়োজিত রাখতে।
    বক্তারা বলেন,৮০ দশকের শেষের দিকে ও ৯০দশকের প্রথমার্ধে বৃহত্তর চট্টগ্রামের উন্নয়নেরজন্য ব্যারিস্টার মনোয়ার সকল মত এ পথের মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করে বলিষ্ঠ আন্দালন গড়তুলেছিলেন বলেই চট্টগ্রামের এতটুকু উন্নয়ন সাধিত হয়েছে। স্বদেশে আর প্রবাসে তিনি মানবসেবার এক অনন্য উদাহরণ সৃষ্টি করেছেন যেটি আগামী দিনে আমাদের প্রজন্মকে উৎসাহিতকরবে। এই গ্রন্থ থেকে তাদের শিক্ষনীয় অনেক কিছু আছে।

  • চট্রগ্রামের ইপিজেড থানা অফিসার ও ফোর্সের সাথে পুলিশ কমিশনারের মতবিনিময় সভা সম্পন্ন

    চট্রগ্রামের ইপিজেড থানা অফিসার ও ফোর্সের সাথে পুলিশ কমিশনারের মতবিনিময় সভা সম্পন্ন

    মোঃ শহিদুল ইসলাম
    বিশেষ প্রতিনিধিঃ

    চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার কৃষ্ণ পদ রায়, বিপিএম-পিপিএম (বার) গতকাল ০৫ জুলাই, সন্ধ্যায় আইন শৃঙ্খলার সার্বিক পরিস্থিতির বিষয়ে নগরীর ইপিজেড থানার অফিসার ও ফোর্সের সাথে বিশেষ ব্রিফিং করেন।
    এসময় তিনি নগরীর জনসাধারণের জানমালের নিরাপত্তায় করণীয় বিষয়ে উপস্থিত পুলিশ সদস্যদের বিভিন্ন ধরনের দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। পাশাপাশি সিএমপি কমিশনার মাঠ পর্যায়ে কর্মরত পুলিশ সদস্যদের শৃঙ্খলা, নিষ্ঠা ও পেশাদার আচরণের মাধ্যমে যথাযথভাবে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেন।
    এসময় সেখানে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) ফয়সল মাহমুদ, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (প্রশাসন ও অর্থ) এম এ মাসুদ,উপ – পুলিশ কমিশনার বন্দর জোন শাকিলা সুলতানা পুলিশের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং ইপিজেড থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আব্দুল করিম, ওসি তদন্ত মোঃ নুরুজ্জামান ও ফোর্সগণ উপস্থিত ছিলেন।

  • পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় ভারতীয় সীমান্তে গরু চোরাকারবারি গুলিবিদ্ধ, গোপন চিকিৎসায় মৃত্যু

    পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় ভারতীয় সীমান্তে গরু চোরাকারবারি গুলিবিদ্ধ, গোপন চিকিৎসায় মৃত্যু

    মুহম্মদ তরিকুল ইসলাম, তেঁতুলিয়া (পঞ্চগড়) প্রতিনিধিঃ পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকার একজন গরু চোরাকারবারি গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা গেছেন। সোমবার (৩ জুলাই) দিবাগত রাতে উপজেলার দেবনগর ইউনিয়নের সুকানি সীমান্ত এলাকায় গুলিবিদ্ধ অবস্থায় উদ্ধারের পর পরিবারের গোপন চিকিৎসাকালীন মঙ্গলবার (৪ জুলাই) রাতে তাঁর মৃত্যু হয়। ওই গরু চোরাকারবারির নাম সুজন রানা (২৫)। তিনি দেবনগর ইউনিয়নের ভারতীয় সীমান্তঘেঁষা ডাঙ্গাপাড়া(আমজুয়ানি) গ্রামের মৃত আনারুলের ছেলে। তাঁর স্ত্রী ও দুটি ছেলে আছে।

    সুজনকে কারা মেরেছে, এ বিষয়ে নিশ্চিত করে কিছু জানাতে পারেনি বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। তবে সীমান্তবর্তী ওই এলাকার বাসিন্দারা এই হত্যাকাণ্ডের জন্য ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) কে অভিযুক্ত করছেন।

    জানা যায়, মঙ্গলবার দিবাগত রাত একটার দিকে সুজনের লাশ বাড়িতে নিয়ে আসেন স্বজনেরা। পরে খবর পেয়ে তেঁতুলিয়া থানা-পুলিশ বাড়ি থেকে লাশটি উদ্ধার করে প্রাথমিক সুরতহাল করে থানায় নিয়ে যায়। এরপর বুধবার (৫ জুলাই) সকালে লাশটির ময়নাতদন্তের জন্য পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায় পুলিশ। ময়না তদন্তের পর বুধবার বিকালে পারিবারিক কবরস্থানে লাশটি দাফন করা হয়।

    দেবনগর ইউনিয়ন পরিষদের ২ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য (মেম্বার) আইবুল ইসলামকে একদিন আগে গুলিবিদ্ধের ঘটনা প্রকাশ না করার বিষয়ে জিজ্ঞাসায় তিনি কোন কিছুই বলেননি। তিনি বলেন, আমি লাশ নিয়ে ব্যস্ত আছি, যেহেতু সে আমার ওয়ার্ডের লোক।’

    প্রথমে নিহত ব্যক্তির পরিবার গুলিবিদ্ধের বিষয়টি অস্বীকার করলে পরে জানান, সুজন আগে থেকেই ভারতীয় গরুর ব্যবসা করতেন। সোমবার রাতে সুজনসহ পাঁচ-ছয়জনের একটি দল সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতে গরু আনতে যায়। সুজন রাতেই শিবচন্ডি শুকানি এলাকায় গুলিবিদ্ধ হওয়ার ব্যাপারে আমরা জানতে পারলে তাকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে যায়।

    স্থানীয়দেয় সঙ্গে কথা বললে তাদের ধারণা সূত্রে জানা যায়, নিহত সুজন চুরি করে ফেরার পথে ভারতের মদনবাড়ি বিএসএফ ক্যাম্পের সদস্যদের হাতে ধরা পড়েন। তাঁকে মারধরের একপর্যায়ে বিএসএফ সুজনকে গুলি করে বাংলাদেশ সীমান্তের কাছে এনে ফেলে চলে যায়। সেখানে সুজনকে সাহায্য করতে কেউ এগিয়ে আসেন। এরপর সুজনের পরিবারকে খবর দেন। সেখান থেকে সুজনকে উদ্ধার করে কোন এক হাসপাতালে চিকিৎসা নেয়া হলে তাঁর মৃত্যু হয়। মৃত্যুর খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে রাতে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।

    বিজিবি মাগুরমারী বিওপির কোম্পানি কমান্ডার সুবেদার দারাজ উদ্দিন বলেছেন, ‘সুজন নামে এক ব্যক্তি মারা গেছেন, এটা নিশ্চিত। তবে তাঁকে কে মেরেছে বা কোথায় এই ঘটনা ঘটেছে, এটা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তাঁর পরিবারের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সোমবার রাতে তিনি গুলি খেয়েছেন আর মারা গেছেন মঙ্গলবার রাতে। তবে কোন হাসপাতালে তাঁর চিকিৎসা করা হয়েছে কোন তথ্য পাওয়া যায়নি। তদন্তের পর সঠিক ঘটনা বলা যাবে।’

    দেবনগড় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ছলেমান আলী বলেন, ‘আমি এ বিষয়ে কিছুই জানিনা। ওই ওয়ার্ডের মেম্বার মঙ্গলবার রাতে আমাকে মুঠোফোনে বলেন ভাই চৌরাস্তা বাজারে একটি একসিডেন্ট হয়েছে। তাকে রংপুরে নেওয়ার পথে সে মারা গেছে। আপনাকে একটু আসতে হবে। এরপর আমি সরেজমিনে সুজনের বাড়িতে গিয়ে দেখি তার পেট গুলিবিদ্ধ এবং সেই ক্ষত স্থান বেন্ডিস করানো। তবে কোন হাসপাতালে চিকিৎসা করা হয়েছে তার কোনো ব্যবস্থাপত্র (প্রেসক্রিপশন) পাওয়া যায়নি’ তিনি আরও বলেন, ‘আমি নতুন চেয়ারম্যান হওয়ার জানতে পারি ওই এলাকায় ভারতীয় কয়েকজন গরু ব্যবসায়ী রয়েছেন।’

    তেঁতুলিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু সাঈদ চৌধুরী বলেন, ‘খবর পেয়ে আমরা ওই ব্যক্তির বাড়ি থেকে লাশ উদ্ধার করে প্রাথমিক সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছি। সুরতহালে লাশের শরীরে মারধরের আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে। এ ছাড়া তাঁর তলপেটসহ আশপাশে একাধিক গুলির চিহ্ন আছে। তবে কার গুলিতে বা কীভাবে তিনি মারা গেছেন, তা ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলেই বলা যাবে।’ নিহত ব্যক্তির পরিবারের পক্ষ থেকে এখনো কেউ কোনো অভিযোগ করেননি বলে জানান তিনি।

    মুহম্মদ তরিকুল ইসলাম।

  • আদীতমারীতে অভিযানে ওয়ারেন্টভুক্ত ছয়জন গ্রেফতার

    আদীতমারীতে অভিযানে ওয়ারেন্টভুক্ত ছয়জন গ্রেফতার

    মো.হাসমত উল্লাহ,লালমনিরহাট।।।

    লালমনিরহাটের আদিতমারী থানার বিশেষ অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন ওয়ারেন্টভুক্ত আসামীদের কে গ্রেফতার করেন আদিতমারী থানার পুলিশ।

    লালমনিরহাট জেলার পুলিশ সুপার জনাব মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, এর দিকনির্দেশনায় আদিতমারী থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি মোজাম্মেল হক, এর নেতৃত্বে পুলিশ পরিদর্শক(তদন্ত) মোঃ রফিকুল ইসলাম, এসআই/মোঃ মতিউর রহমান, এসআই/মোঃ সালেহুর রহমান, এসআই/ মোঃ আজিজার রহমান, এএসআই/মোঃ আমিনুল ইসলাম, এএসআই/মোঃ মমিনুল ইসলাম এএসআই/তপন কুমার, এএসআই/মোঃ রেজোয়ানুল হক, এএসআই/মোঃ আমিনুল ইসলাম, এএসআই/মোঃ সাহাদুল ইসলাম, এএসআই/ মোঃ আইয়ুব আলী, ও সঙ্গীয় ফোর্সসহ আদিতমারী থানার বিশেষ অভিযান চালিয়ে গত ০৫/০৭/২০২৩ ইং রাত্রীকালীন বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে সিআর ৪০৪/২৩, ধারা-বিদ্যুৎ আইন-৩২(২)/৩২(ক)/৩৯/৪০/৪১ সংক্রান্তে আসামী মনির হোসেন, পিতা- রবিউল ইসলাম, আব্দুর সাত্তার, পিতা- মৃত শাহা আলী, শাহাবুদ্দিন মিয়া, পিতা- মৃত হোসেন আলী, ইয়াকুব আলী, পিতা- মৃত আফাজ উদ্দীন, মিঠুন, পিতা- মৃত মজিবর রহমান, রবিউল ইসলাম, পিতা- জবর আলী, সর্ব সাং- বালাপুকুর, ১নং ওয়ার্ড, সাপ্টিবাড়ী, আদিতমারী, লালমনিরহাট।গ্রেফতার পূর্বক উভয় আসামীদের কে অদ্য বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

    লালমনিরহাটের আদিতমারী থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি মোজাম্মেল হক, জানান গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিশেষ অভিযান চালিয়ে এদের কে গ্রেফতার করেন আদিতমারী থানার পুলিশ।

    হাসমত উল্লাহ।

  • গোপালগঞ্জে সড়ক দূর্ঘটনায় হতাহতদের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা দেয়ার ঘোষনা জেলা প্রশাসনের

    গোপালগঞ্জে সড়ক দূর্ঘটনায় হতাহতদের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা দেয়ার ঘোষনা জেলা প্রশাসনের

    স্টাফ রিপোর্টার, গোপালগঞ্জ : গোপালগঞ্জে এস্কেবেটর বহনকারী ট্রাক ও অ্যাম্বুলেন্সের মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনায় নিহতের পরিবারকে ২৫ হাজার ও আহতদের পরিবারকে দশ হাজার টাকা আর্থিক সহয়তা করার ঘোষণা দিয়েছে গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসন।

    আজ বৃহস্পতিবার (০৬ জুলাই) দুপুরে গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে হতাহতদের খোঁজ খবর নিতে গিয়ে আর্থিক সহয়তা করার আশ্বাস দেন তারা।

    গোপালগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) শেখ জোবায়ের আহমেদ জানান, , আজ সকাল সাতটার দিকে ঢাকা খুলনা মহাসড়কের সদর উপজেলার আরামবাগ এলাকায় এস্কেবেট বহনকারী ট্রাক ও অ্যাম্বুলেন্সের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত চারজন নিহত হয়েছেন। আর আহত তিনজন।

    এ ঘটনায় জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিহতদের পরিবার কে ২৫ হাজার ও আহতদের ১০ হাজার টাকা আর্থিক সহয়তা দেওয়া হবে। এছাড়াও জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাদের সকল আইনানুগ সহয়তা দেওয়া হবে। #

  • বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে খুলনা সিটি কর্পোরেশনের নব নির্বাচিত মেয়রের শ্রদ্ধা

    বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে খুলনা সিটি কর্পোরেশনের নব নির্বাচিত মেয়রের শ্রদ্ধা

    স্টাফ রিপোর্টার, গোপালগঞ্জ : গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন খুলনা সিটি কর্পোরেশনের নবনির্বাচিত মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক।

    আজ বৃহস্পতিবার (০৬ জুলাই) দুপুরে বঙ্গবন্ধুর সমাধি সৌধ বেদিতে পুস্পমাল্য অপর্ণ করে গভীর শ্রদ্ধা জানান মেয়র। পরে বঙ্গবন্ধু ও তাঁর পরিবারের শহীদ সদস্যদের রুহের মাগফেরাত কামনা করে ফাতেহা পাঠ ও বিশেষ মোনাজাতে অংশ নেন। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে বঙ্গবন্ধু ভবনে রক্ষিত মন্তব্য বহিতে মন্তব্য লিখে স্বাক্ষর করেন ও সমাধি সৌধ কমপ্লেক্সে ঘুরে দেখেন।

    এসময় খুলনা ২ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) শেখ সালাউদ্দিন জুয়েল, খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এমডি বাবলু রানা, টুঙ্গিপাড়া উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক বাবুল শেখ, পৌর মেয়র শেখ তোজাম্মেল হক টুটুল, খুলনা সিটি কর্পোরেশনের নবনির্বাচিত ৩১টি ওয়ার্ড ও ১০ টি সংরক্ষিত আসনের কাউন্সিলরবৃন্দ সহ খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। #

  • উল্টো লেনে গিয়ে ট্রাকের সাথে মুখোমুখি সংঘর্ষে জড়ায় অ্যাম্বুলেন্সটি

    উল্টো লেনে গিয়ে ট্রাকের সাথে মুখোমুখি সংঘর্ষে জড়ায় অ্যাম্বুলেন্সটি

    স্টাফ রিপোর্টার, গোপালগঞ্জ : গোপালগঞ্জের ট্রাক ও অ্যাম্বুলেন্সের মুখোমুখি সংঘর্ষে চারজন নিহতের ঘটনায় অ্যাম্বুম্বুলেন্সকেই দায়ী করেছে হাইওয়ে পুলিশ। পুলিশের আলামত বলছে এক্সকাভেটর বহনকারী ট্রাকটি সঠিক লেনে থাকলেও ভুল লেনে এসে মুখোমুখি সংঘর্ষে জড়ায় অ্যাম্বুলেন্সটি। এদিকে আহত ট্রাক ড্রাইভারের ভাষ্যেও উঠে এসেছে এমন তথ্য।

    জানাগেছে, বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে সাতটার দিকে ঢাকা খুলনা মহাসড়কের সদর উপজেলার সদর উপজেলার আরামবাগ এলাকায় এক্সকাভেটর বহনকারী ট্রাক ও অ্যাম্বুলেন্সের মুখোমুখি সংঘর্ষে চারজন নিহত হয়। এ ঘটনায় আহত হয় তিনজন।

    নিহতরা হলেন, বরিশাল জেলার সদর রোডের ডা: আব্দুল খালেকের ছেলে সাবেক নৌ সদস্য ডা: শামছুল আলম (৬০), রাজবাড়ী জেলা কালুখালী থানার গোয়ালপাড়া গ্রামের ওলজার খানের ছেলে ও অ্যাম্বুলেন্স চালক মোমিন খান (৪০), পটুয়াখীলী জেলার দুমকী থানার জামলা গ্রামের মো: শাহ আলমের ছেলে মো: জুয়েল হাসান (৩০), রাজবাড়ীর ফয়সাল( ৩৫)। আহতরা হলেন, মো. কামাল হোসেন (৪০) মোহাম্মাদ আলী শেখ (৬০) ও বায়েজিদ সিকদার(২৮)। তারা সকলেই ঢাকার কেরানিগঞ্জের মডার্ন সাইকেট্রিক হাসপাতালের স্টাফ।

    প্রত্যক্ষদর্শী সেলিম সিকদার বলেন, সকালে চায়ের দোকানে বসে ছিলাম। এসময় দেখি খুলনা থেকে ঢাকার দিকে যাচ্ছে একটি অ্যাম্বুলেন্স। এসময় উল্টো দিক থেকে আসা এক্সকাভেটর বহনকারী ট্রাকটি রাস্তার পাশে এক চাকা নামিয়ে গতি কমিয়ে ফেলে। তারপরও অ্যাম্বুলেন্সটি নিজের লেন ছেড়ে উল্টো লেনে গেলে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।

    আহত ট্রাক ড্রাইভার মোহাম্মদ আলী বলেন, ঢাকা থেকে মাটি কাটা এক্সকাভেটর বোঝাই করে ট্রাক নিয়ে খুলনার উদ্দেশ্যে যাচ্ছিলাম। পথিমধ্যে দুর্ঘটনায় কবলিত এলাকায় পৌঁছালে দেখি সামনের অ্যাম্বুলেন্সটি তার লেন ছেড়ে উল্টো লেনে চলে আসছে। এসময় এমন পরিস্থিতি দেখে আমি আমার ট্রাক রাস্তার পাশে এক চাকা নামিয়ে দেই। তারপরও অ্যাম্বুলেন্সটি এসে আমার ট্রাকের সামনে স্বজরে ধাক্কা দেয়। পরে আমার আর কিছু মনে নেই।

    কাশিয়ানীর ভাটিয়াপাড়া হাইওয়ে থানার পরিদর্শক খান শরিফুল ইসলাম বলেন, ট্রাক ও অ্যাম্বুলেন্সের মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনায় প্রাথমিকভাবে জানা গেছে দোষটি অ্যাম্বুলেন্সটির। অ্যাম্বুলেন্সটি নিজের লেন ছেড়ে উল্টো লেনে এসে ট্রাকের সাথে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যু মামলা হচ্ছে। #

  • গোপালগঞ্জে আওয়ামী লীগ নেতার বাড়ীতে ডাকাতি ঘটনার মূল পরিকল্পনাকারী ডাকাত দলের সদস্য গ্রেফতার

    গোপালগঞ্জে আওয়ামী লীগ নেতার বাড়ীতে ডাকাতি ঘটনার মূল পরিকল্পনাকারী ডাকাত দলের সদস্য গ্রেফতার

    স্টাফ রিপোর্টার, গোপালগঞ্জ : গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় আওয়ামী লীগ নেতা ও সাবেক পৌর মেয়র মো: ইলিয়াস হোসেনের বাড়ীতে ডাকাতি ঘটনার মূল পরিকল্পনাকারী আন্ত:জেলা ডাকাত দলের সদস্য মো: আবু জোহানুর ওরফে লিপুকে (৫৫) গ্রেফতার করেছে সিআইডি। এসময় ডাকাতির নগদ ৪৫ হাজার ২০ টাকা উদ্ধার করা হয়।

    আজ বৃহস্পতিবার (০৬ জুলাই) দুপুরে গোপালগঞ্জ সিআইডির কায্যালয়ে সিআইডির উপ-পরিদর্শক (এসআই) ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মো: সবুজুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

    এর আগে বুধবার (০৫ জুলাই) সন্ধ্যায় গোপালগঞ্জ জেলা শহরের পাবলিক হল মোড় থেকে ওই ডাকাতকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত ডাকাত মো: আবু জোহানুর ওরফে লিপু খুলনা জেলার খালিশপুর থানার ১৬৪ রোডের বাসিন্দা মো: মোতালেব হোসেনের ছেলে।

    সিআইডির উপ-পরিদর্শক (এসআই) ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মো: সবুজুল ইসলাম জানান, গত বছরের ২৯ অক্টোবর গভীর রাতে টুঙ্গিপাড়া পৌরসভার সাবেক মেয়র ও আওয়ামলীগ নেতা মো: ইলিয়াস হোসেনের বাড়ির ২য় তলার বারান্দার কংক্রিটের গ্রীল ভেঙ্গে ভিতরে প্রবেশ করে। পরিবারের সদস্যদের আগ্নেয় অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে নগদ সাড়ে ২৭ লাখ টাকা ও সাড়ে ২২ ভরি স্বর্ণালংকার লুট করে পলিয়ে যাবার সময় চিৎকার করলে স্থানীয়রা ধাওয়া করে তিন ডাকাতকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃত আসামীদের মধ্যে একজন বিজ্ঞ আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে ডাকাতির মূল পরিকল্পনাকারী মো: আবু জোহানুর ওরফে লিপু বলে স্বীকার করে। এ ঘটনায় আওয়ামী লীগ নেতা ও সাবেক পৌর মেয়র মো: ইলিয়াস হোসেন বাদী হয়ে টুঙ্গিপাড়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

    পরে সিআইডি গোপালগঞ্জ টিম তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে জানতে পারে গোপালগঞ্জ শহরের পাবলিক হল মোড়ে অবস্থান নেবে ডাকাতির মূল পরিকল্পনাকারী মো: আবু জোহানুর ওরফে লিপু। পরে ওই স্থানে অবস্থান নিয়ে ডাকাত দলের সদস্য আবু জোহানুর ওরফে লিপুকে গ্রেফতার করে। এসময় তার কাছ থেকে ডাকাতির ৪৫ হাজার টাকা উদ্ধার করে সিআইডি। #

  • গোপালগঞ্জে প্রাইভেটকার ও মোটর সাইকেলের সংঘর্ষে নিহত-১

    গোপালগঞ্জে প্রাইভেটকার ও মোটর সাইকেলের সংঘর্ষে নিহত-১

    স্টাফ রিপোর্টার, গোপালগঞ্জ : গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে প্রাইভেটকার ও মোটর সাইকেলের সংঘর্ষে আলামীন শরিফ (২৮) নামে এক মোটরসাইকেল চালক নিহত হয়েছেন।

    আজ বৃহস্পতিবার (০৬ জুলাই) বেলা ১২টার দিকে কাশিয়ানী উপজেলার রাতইল হর্টিকালচারের সমানে এসব দূর্ঘটনা ঘটে।

    কাশিয়ানীর ভাটিয়াপাড়া হাইওয়ে পুলিশের পরিদর্শক মো: শরীফুল ইসলাম দূর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

    নিহত আলামীন শরিফ কাশিয়ানী উপজেলার ফুকরা ইউনিয়নের পাংখারচর গ্রামের মো. ছলেমান শরীফের ছেলে।

    পরিদর্শক মো: শরীফুল ইসলাম জানান, উপজেলার রাতইল হর্টিকালচার সেন্টারের একটি প্রাইভেটকারের চাকা পাংচার হয়ে গেলে চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে। এসময় একটি মোটরসাইকেলকে ধাক্কা মারলে মোটর সাইকেল চালক আলামীন শরিফ মারাত্মক আহত হন।

    পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে কাশিয়ানী উপজেলা ১০০-শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার মৃত ঘেঅসনা করেন। #