Author: desk

  • গোপালগঞ্জে দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত-৩০, ৩০টি বাড়ি-ঘর ভাংচুর, ৪০ রাউন্ড গুলি নিক্ষেপ, আটক-৬

    গোপালগঞ্জে দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত-৩০, ৩০টি বাড়ি-ঘর ভাংচুর, ৪০ রাউন্ড গুলি নিক্ষেপ, আটক-৬

    স্টাফ রিপোর্টার, গোপালগঞ্জ : গোপালগঞ্জে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে জেলা বাস শ্রমিক ইউনিয়নের বর্তমান ও সাবেক সভাপতির সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে ৩০ জন আহত হয়েছে। সংঘর্ষ চলাকালে অন্তত ৩০টি বাড়ি-ঘর ভাংচুর করা হয়। সংঘর্ষ থামাতে শর্ট গানের ৪০ রাউন্ড গুলি নিক্ষেপ ও ৬ জনকে আটক করেছে পুলিশ।

    আজ বুধবার (১২ জুলাই) সন্ধ্যায় গোপালগঞ্জ শহরতলীর হরিদপুর পূর্বপাড়ায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

    গোপালগঞ্জ সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো: জাবেদ মাসুদ মংঘর্ষের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

    ওসি মো: জাবেদ মাসুদ জানান, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে জেলা বাস শ্রমিক ইউনিয়নের বর্তমান সভাপতি বুলবুল ইসলাম ও সাবেক সভাপতি জাসু শেখের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল।

    বুধবার সকালে ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এরই জের ধরে সন্ধ্যায় দু’পক্ষের সমর্থকেরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষ জড়িয়ে পড়ে। ঘন্টাব্যাপী ধরে চলা এ সংঘর্ষে একে অপরের উপর বৃস্টির মত ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করলে কমপক্ষে ৩০জন আহত হন। এসময় উভয় পক্ষের অন্তত ৩০টি বাড়ী ঘরে ভাংচুর চালিয়ে লুটপাট করা হয়।

    পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাঠি চার্জ এবং টিয়ার গ্যাস ও ৪০ রাউন্ড শর্ট গানের গুলি নিক্ষেপ করে। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে পুলিশ। এসময় ঘটনাস্থল থেকে ৬ জনকে আটক করা হয়। মারাত্মক আহত ১০জনকে গোপালগঞ্জ ২৫০-শয্যাবিশিস্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। #

  • মুন্সীগঞ্জ‌ে সন্ত্রাসী হামলা শিকার মা ছেলের শঙ্কা কাটেনি এখনো

    মুন্সীগঞ্জ‌ে সন্ত্রাসী হামলা শিকার মা ছেলের শঙ্কা কাটেনি এখনো

    লিটন মাহমুদ,
    মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধিঃ

    মুন্সিগঞ্জের সন্ত্রাসী হামলায় গুরুতর আহত মা ছেলের শঙ্কা কটেনি এখনও। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রতিনিয়ত মৃত্যু সাথে লড়াই করে যাচ্ছেন মা ডলি বেগম ও ছেলে সাকিব । গত রবিবার (৯, জুলাই) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে সদর উপজেলার পঞ্চসার ইউনিয়নের ভট্টাচার্যের বাঘ এলাকায় এই সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটে। সেই ঘটনায় গুরুতর আহত অবস্থায় ডলি বেগম (৪২) ও তার ছেলে শাকিব (১৮) কে প্রথমে মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে আসলে গত মঙ্গলবার (১১ জুলাই) পর্যন্ত ভর্তি থাকে। পরে মঙ্গলবার রাতে তাদের অবস্থায় আশঙ্কা জনক হওয়ায় তাৎক্ষণিক মা-ছেলে দুজনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। সেই ঘটনার ৪ দিন অতিবাহিত হলেও শঙ্কা কাটেনি মা-ছেলের। এ ঘটনার বিচারের দাবিতে বুধবার (১২ জুলাই) ঘটনার সাথে জড়িত ৫ জনের নাম উল্লেখ্য করে ও অজ্ঞাত ১০/১২ জনকে আসামী করে মুন্সিগঞ্জ ১ নং আমলী আদালতে মামলা দায়ের করেছে গুরুতর আহত ডলি বেগম। যার মামলা নং ৫৪৯/২০২৩।

    জানাগেছে ঘটনার আগের দিন শনিবার ঘাস কাটাকে কেন্দ্র করে একই এলাকার নোয়াবালীর ছেলে মাসুদ ঢালীর সাথে কথা কাটাকাটি হয় একই এলাকার আতাউর রহমানের ছেলে শাকিবের। পরে ঘটনার দিন রবিবার সন্ধ্যার সাড়ে ৬ টার দিকে নোয়াব আলীর অপর ছেলে রাজা মিয়া শাকিবকে ডেকে রাজা মিয়ার ভাই মাসুদ ঢালী,সহযোগী মোঃ আলীর ছেলে সাজ্জাদ,জাহাঙ্গির হোসেন এর ছেলে সিফাত,মোঃ আক্তার মিয়ার ছেলে অপুসহ অজ্ঞাত ১০/১৩ জন মিলে শাকিবকে এলোপাথাড়ি ভাবে মারধর করে। এসময় ছেলে শাকিবকে বাচাতে তার মা ডলি বেগম এগিয়ে আসলে তাকেও এলোপাথাড়ি ভাবে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে হামলাকারিরা। পরে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে তাদের উদ্ধার করে মুন্সিগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে প্রেরণ করে। সেখানে ৩ দির ভর্তি থাকার পরেও তাদের অবস্থা উন্নতি না হওয়ায় মঙ্গলবার রাতে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের অবস্থা আশঙ্কাজনক দেখে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করে। বর্তমানে মা ছেলে দুজনই আশঙ্কাজনক অবস্খায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মৃতুর সাথে পাঞ্জা লড়ছেন।

    মারধরে গুরুতর আহত ডলি বেগম বলেন,তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ভট্টাচার্যের বাগ এলাকার নবাব আলীর ছেলে রাজা মিয়া ও মাসুদ সহ তাদের সহযোগী ১০-১২ জন মিলে আমার ছেলেকে ডেকে নিয়ে এলোপাথাড়ি ভাবে মারধর করে । এ সময়ে ছেলেকে বাঁচাতে আমি এগিয়ে গেলে আমাকেও সন্ত্রাসীরা পিঠিয়ে মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন জায়গা জখম করে। মারধরের বিচার চেয়ে মুন্সিগঞ্জ থানায় গেলে থানা কর্তৃপক্ষ মামলা নিতে অস্বীকৃতি জানান পরে কোন উপায় না পেয়ে বুধবার ১২ জুলাই মুন্সিগঞ্জ আদালতে আসামিদের বিচারের দাবি জানিয়ে মামলা দায়ের করি। এই ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তির দাবি জানান তিনি।
    এঘটনায় অভিযুক্তদের মুঠফোনে একাধিবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও তারা ফোন রিসিভ করেন নি।

  • কোর্ট বিল্ডিং চত্বরে হেলথ প্রমোশন ফাউন্ডেশন দাবীতে ইপসা’র কর্মসূচি ও স্মারকলিপি প্রদান

    কোর্ট বিল্ডিং চত্বরে হেলথ প্রমোশন ফাউন্ডেশন দাবীতে ইপসা’র কর্মসূচি ও স্মারকলিপি প্রদান

    বিশেষ প্রতিনিধিঃ-

    হেলথ প্রমোশন ফাউন্ডেশনের দাবীতে চট্টগ্রাম কোর্ট বিল্ডিং চত্বরে ইপসা ‘র উদ্যোগে অবস্থান কর্মসূচি ও স্মারক লিপি প্রদান

    আজ ১২জুলাই-২৩ স্থায়িত্বশীল উন্নয়নের জন্য সংগঠন ইপসার উদ্যোগে স্বাস্থ্য উন্নয়নে হেলথ প্রমোশন ফাউন্ডেশন এর দাবীতে জেলা প্রশাসক, চট্টগ্রাম আবুল বাশার মো. ফখ্রুজ্জামান এর মাধ্যমে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করা হয়। ইপসার পক্ষে স্মারকলিপি উপস্থাপন করেন ইপসার পোগ্রাম ম্যানেজার ফারহানা ইদ্রিস। এইসময় আরো উপস্থিত ছিলেন ইপসার কর্মকর্তা সৈয়দ মোহন উদ্দিন, মুহাম্মদ আতাউল হাকিম ও ওসমান গণি প্রমুখ।
    স্মারক লিপি প্রদানের পাশাপাশি চট্টগ্রাম কোর্ট বিল্ডিং চত্বরে প্রস্তাবিত দাবীর স্বপক্ষে অবস্থান কর্মসূচি ও জনসাধারণের মাঝে লিপলেট বিতরণ করা হয়।

    স্মারকলিপি প্রদান ও অবস্থান কর্মসূচি কালীন ইপসার পক্ষে থেকে বলা হয় স্মার্ট বাংলাদেশ গঠন বর্তমান সরকারের একটি প্রতিশ্রুতি ও শ্লোগান। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রত্যাশা অনুসারে “স্মার্ট বাংলাদেশ” হবে সাশ্রয়ী, টেকসই, জ্ঞানভিত্তিক, বুদ্ধিদীপ্ত ও উদ্ভাবনী। এটির বাস্তবিক রূপ দেয়ার জন্য অন্যান্য বিষয়ের পাশাপাশি দেশের সকল নাগরিকের জন্য সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করা জরুরী। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুত ” বাংলাদেশ ভিশন-২০৪১” অনুযায়ী বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক অবস্থানকে আরও দৃঢ় করে গড়ে তোলার জাতীয় কৌশলগত পরিকল্পনা বাস্তবায়নে হেলথ প্রমোশন ফাউন্ডেশন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
    রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা শক্তিশালীকরণ এবং স্বাস্থ্যখাতের ব্যয় কমিয়ে আনতে সংগঠনটির পক্ষে নিন্মোক্ত সুপারিশগুলো প্রদান করা হয়।

    ১। হেলথ প্রমোশন ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠা এবং তহবিল প্রদান করা ( প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় অথবা অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীনে হতে পারে।
    ২। অস্বাস্থ্যকর পণ্য ( কোমলপানীয়, তামাক, ফাস্টফুড, জাংকফুড, একবার ব্যবহার্য প্লাস্টিক পণ্য) এর উপর নির্ধারিত কর আরোপ করে হেলথ প্রমোশন ফাউন্ডেশনের আর্থিক যোগান স্থায়িত্বশীল ও নিশ্চিত করা।
    ৩। সরকারের বিদ্যমান কমিউনিটি ক্লিনিক, বিশ্ববিদ্যালয় এবং কমিউনিটিগুলোতে হেলথ প্রমোশনের বিষয়টি যুক্ত করা
    ৯। হেলথ প্রমোশন ফাউন্ডেশন বিষয়ক পরিকল্পনা গ্রহণের ক্ষেত্রে সকল মন্ত্রণালয়কে সম্পৃক্ত করা।
    ১০। হেলথ প্রমোশন ফাউন্ডেশন বিষয়ক পরিকল্পনা গ্রহণের ক্ষেত্রে সিভিল সোসাইটি, পরিবেশকর্মী, বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি, জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের যুক্ত করা এবং মতামত সমূহ যথাযথ গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করা।

  • বানারীপাড়ায় ডেঙ্গুর প্রকোপ

    বানারীপাড়ায় ডেঙ্গুর প্রকোপ

    এস মিজানুল ইসলাম,বিশেষ সংবাদদাতা: বানারীপাড়ায় ডেঙ্গুর প্রকোপ বেড়েছে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডেঙ্গুর রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। বুধবার ১২জুলাই গত ২৪ ঘন্টার মধ্যে বানারীপাড়ায় শিশু সহ ১১ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী ভর্তি রয়েছে। এর মধ্যে শিশু ২, মহিলা ২ এবং ৭ জন পুরুষ মোট ১১ জন। তাদেরকে পর্যাপ্ত চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

    এ তথ্য উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার আবুল খায়ের জানান। তিনি বলেন উপজেলার সন্ধ্যনদীর পশ্চিম পাড়ের প্রত্যন্ত অঞ্চলের রোগীর সংখ্যা বেশি হাসপাতালে চিকিৎসার কোন সংকট নেই। ইতিমধ্যে স্বাস্থ্য সহকারীদের স্ব স্ব কর্ম এলাকায় ডেঙ্গু ও স্বাস্থ্য বিষয়ক সচেতনতার জন্য নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

  • কেশবপুরে বিদ্যুৎ স্পৃষ্ট হয়ে নির্মান শ্রমিকের মৃত্যু

    কেশবপুরে বিদ্যুৎ স্পৃষ্ট হয়ে নির্মান শ্রমিকের মৃত্যু

    কেশবপুর প্রতিনিধিঃ কেশবপুরের কুশোলদিয়া- মির্জাপুর গ্রামে বুড়িভদ্রা নদীর উপর ব্রীজ নির্মান কালে এক শ্রমিক বিদ্যুৎ স্পৃষ্ট হয়ে মারা গেছে। ৬ জুলাই কাজের সময় শার্শা উপজেলার নিশিন্ত হায়দার আলির ছেলে রিজাউল ইসলাম (৩৫)বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে গুরুতর আহত হলে তাকে কেশবপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করেন। এঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে।যার মামলা নং -২৫।তাং-০৬-০৭-২৩।

  • কেশবপুরে মালিকের বিরুদ্ধে ভাড়াটিয়ার দোকান ভাংচুর, লুটপাট ও দখল প্রচেষ্টার অভিযোগ

    কেশবপুরে মালিকের বিরুদ্ধে ভাড়াটিয়ার দোকান ভাংচুর, লুটপাট ও দখল প্রচেষ্টার অভিযোগ

    কেশবপুর প্রতিনিধিঃ কেশবপুর উপজেলার মঙ্গলকোট বাজারে মালিকের বিরুদ্ধে ভাড়াটিয়ার দোকান ভাংচুর, লুটপাট ও দখল চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এনিয়ে উভয়পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে।
    জানা গেছে, উপজেলার মঙ্গলকোট গ্রামের মৃত ছাদের আলী সরদারের ছেলে আব্দুস সালাম সরদার ৮৪ নং বসুন্তিয়া মৌজার আর এস ৩৪৫ দাগের সাড়ে ৭ শতক জমির মালিক মিজানুর রহমানের নিকট থেকে গত ৪ জুন হতে পরবর্তী ৫ বছরের জন্য চুক্তিপত্রের মাধ্যমে ভাড়া নিয়ে সমিলের ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন। এরই মধ্যে ৬জুলাই সকালে মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে তার ভাই আমিনুর রহমান, মোস্তাফিজুর রহমানসহ একটি রাজনৈতিক দলের যুব সংগঠনের শতাধিক নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে সন্ত্রাসী স্টাইলে আব্দুস সালাম সরদারের সমিলের ঘর ভাংচুর করে। দখলকারীরা সমিলের মালামাল ভাংচুর, নৌকা তৈরির সেড, কাঠের গোডাউন ভাংচুর করে এবং ক্যাশ ঘরের তালা ভেঙ্গে ২ লক্ষ ৫৫ হাজার টাকা লুটপাটসহ ৫ লক্ষধিক টাকার ক্ষতি করেছে। খবর পেয়ে কেশবপুর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছালে দখলকারীরা পালিয়ে যায়। এসময় বাজারের ব্যবসায়ীদের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।ভাড়াটিয়া আব্দুস সালাম বলেন, মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে একটি রাজনৈতিক দলের যুব সংগঠনের শতাধিক নেতাকর্মীদের ভাড়া করে এনে আমার মিল ভাংচুর ও লুটপাট সহ দখলের চেষ্টা করা হয়েছে। ফলে নগত ২ লক্ষ ৫৫ হাজার টাকা সহ ৫ লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে তিনি জানান ।এবিষয়ে জমির মালিক মিজানুর রহমান বলেন, আমি ও আমার স্ত্রী রেহেনা পারভীন ওই জমি আব্দুস সালামকে ৫ বছরের জন্য লিজ দিয়েছিলাম। ও্ই জমিতে ঘর নির্মান করার জন্য জায়গা ছেড়ে দিতে বলা হলেও তারা জায়গা ছাড়েনি। মঙ্গলকোট ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি বজলুর রহমান বলেন, ওই জমি ইউনিয়ন পরিষদে সালিশের মাধ্যমে চেয়ারম্যান উভয়পক্ষের উপস্থিতিতে অব্দুস সালামকে ২০২৭ সাল পর্যন্ত লিজ দেয়া হয়েছিল। ভাংচুর, লুটপাট ও দখলের চেষ্টার বিষয়টি তিনি কেশবপুরের এমপিকে জানাবেন বলে জানান। কেশবপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আবুল হোসেন বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন করা হয়েছে। উভয়পক্ষের কাগজপত্র দেখে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

    মোঃ জাকির হোসেন
    কেশবপুর,যশোর

  • কেশবপুরে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ

    কেশবপুরে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ

    মোঃ জাকির হোসেন,কেশবপুরঃ সুইডেনের রাজধানী স্টকহোমের কেন্দ্রীয় মসজিদেও সামনে “মহাগ্রন্থ আল-কুরআন” পোড়ানোর প্রতিবাদে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলাম কেশবপুর শাখার উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।৭জুলাই জুম্মবাদ বিক্ষোভ মিছিলটি কেশবপুর শহরের বকুলতলা হাবিবগঞ্জ জামে মসজিদের সামনে থেকে শুরু হয়ে শহর প্রদক্ষিণ করে পৌরসভা মোড়ে এসে শেষে পৌর জামায়াতে ইসলামীর আমির অধ্যাপক তবিবুর রহমানের সভাপতিত্বে এক বিক্ষোভ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলাম কেশবপুর শাখার আমির অধ্যাপক মোক্তার আলী, সাধারণ সম্পাদক মাস্টার রফিকুল ইসলাম, জামায়াতে ইসলাম উপজেলা কর্মপরিষদ সদস্য অ্যাডভোকেট ওয়াজিউর রহমান ও কর্মপরিষদ সদস্যকৃষিবিদ তাজাম্মুল ইসলাম দীপু, মাওলানা রেজাউল ইসলাম, সদস্য মাওলানা আব্দুল মোমিনসহ বিভিন্ন পর্যায়ের শত শত নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।
    সুইডেনের রাজধানী স্টকহোমের কেন্দ্রীয় মসজিদের সামনে আল কুরআন পোড়ানোর ঘটনায় সারাবিশ্বের মুসলিমদের হৃদয়ে রক্তক্ষরণ হয়েছে জানিয়ে এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।

  • সুইডেনে কুরআন পোড়ানোর প্রতিবাদে পঞ্চগড়ে বিক্ষোভ

    সুইডেনে কুরআন পোড়ানোর প্রতিবাদে পঞ্চগড়ে বিক্ষোভ

    মোঃ বাবুল হোসেন পঞ্চগড় :
    সুইডেনে ঈদের দিন পবিত্র কুরআন পোড়ানোর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে পঞ্চগড়ে বিক্ষোভ মিছিল এবং সমাবেশ করেছে ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা।
    শুক্রবার জুমআর নামাজের পর বিভিন্ন মসজিদ থেকে আগত মুসল্লিরা একত্রিত হয়ে এই মিছিলে অংশ নেন।
    ‘সম্মিলিত খতমে নবুওয়ত সংরক্ষণ পরিষদের’ ব্যানারে মিছিলটি পঞ্চগড় শহরের শের-ই বাংলা চত্বর থেকে শুরু করে সোনালী ব্যাংকের সামনে গিয়ে সমাবেশে অংশ নেয়।
    সমাবেশে বক্তারা বলেন, মুসলমানদের প্রাণের চেয়ে প্রিয় পবিত্র কুরআন পোড়ানোর মাধ্যমে বিশ্বের সকল মুসলমানের কলিজাকে দগ্ধ করা হয়েছে। সারা বিশ্বের মুসলিমরা যখন পবিত্র ঈদুল আজহা পালন করছে, তখন এই ঘৃণ্য কাজ করেছে সুইডেন সরকার ও উগ্রবাদীরা।
    বক্তারা পবিত্র কোরআন পোড়ানোর প্রতিবাদে সরকারকে রাষ্ট্রীয়ভাবে সুইডেনের প্রতি নিন্দা জানানোর অনুরোধ করেন। একইসঙ্গে সুইডেন সরকারকে দেশটির উগ্রবাদীদের দ্রুত সময়ের মধ্যে বিচারের আওতায় এনে ফাঁসির দাবি জানান।
    সমাবেশে বক্তব্য রাখেন- সম্মিলিত খতমে নবুওয়ত সংরক্ষণ পরিষদের সভাপতি মুফতী আ. ন. ম আব্দুল করিম, পরিষদের সদস্য মাওলানা দেলোয়ার হোসেন, হাফেজ মীর মোর্শেদ তুহিন ও কামাতকাজলদিঘী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান তোফায়েল প্রধান।
    সমাবেশ শেষে মুসল্লিরা আবারও বিক্ষোভ মিছিল শুরু করেন। মিছিলটি বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে একই স্থানে এসে দোয়া ও মুনাজাতের মাধ্যমে কর্মসূচি শেষ করেন।

  • নড়াইলে পুলিশের বিভিন্ন স্থানে যৌথ অভিযান চালিয়ে চোরাই মালামালসহ গ্রেফতার ৪

    নড়াইলে পুলিশের বিভিন্ন স্থানে যৌথ অভিযান চালিয়ে চোরাই মালামালসহ গ্রেফতার ৪

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল থেকে:
    নড়াইলে চোরাই মালামাল উদ্ধারসহ চুরির সাথে সম্পৃক্ত চার জনকে আটক করেছে নড়াইল জেলা পুলিশ। বৃহস্পতিবার (৬ জুলাই) নড়াইল ও মাগুরা জেলার বিভিন্ন স্থানে যৌথ অভিযান চালিয়ে আসামিদের গ্রেফতার করে সদর থানা ও জেলা গোয়েন্দা পুলিশের যৌথ টিম। এ সময় ২টি ল্যাপটপ, ১টি স্মার্ট টিভি, ১টি রিমোট, ১টি ল্যাপটপ ব্যাগ, ২টি ল্যাপটপ চার্জার, ১টি স্কুল ব্যাগ, ১টি কাঁথা এবং অপরাধকল্পে ব্যবহৃত ২টি লোহার শাবল ও ১টি লোহার রড জব্দ করা হয়। গ্রেফতারকৃত আসামীরা হলেন- মাগুরা জেলার শ্রীপুর থানার নবগ্রামের জনৈক বাদশা খাঁর ছেলে সৈকত খাঁ (২৬) ও চর জোকা গ্রামের মোঃ মালেক শেখের ছেলে মোঃ জুয়েল মাহমুদ শেখ (২৬), শালিখা থানার পুলুম গ্রামের ফেরদৌস মোল্যার ছেলে ইয়ামিন মোল্যা (২৮) ও সোহরাব মজুমদারের ছেলে কবির মজুমদার (৪০)। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল থেকে জানান, (২৮ জুন) তারিখে নড়াইল সদর থানাধীন দূর্গাপুর গ্রামের শেখ মোস্তফা কামাল সপরিবার শ্বশুর বাড়িতে বেড়াতে গেলে তার বাড়িতে চুরির সুযোগ নেয় দুর্বৃত্তরা। ১ জুলাই প্রতিবেশী রোকেয়া বেগম তার ঘরের মেইন দরজার পাল্লা খোলা দেখে। তিনি কাউকে না পেয়ে বাড়ির মালিককে ফোন করে। সংবাদ পেয়ে বাড়িতে এসে ঘরের দরজা খোলা দেখে তিনি বিষয়টি তাৎক্ষণিক সদর থানা পুলিশকে অবগত করেন। নড়াইল জেলার পুলিশ সুপার মোসাঃ সাদিরা খাতুন নির্দেশনায় চোর সনাক্ত ও চোরাই মালামাল উদ্ধারের লক্ষ্যে মাঠে নামে জেলা পুলিশের একাধিক টিম। (৬ জুলাই) যৌথ অভিযান চালিয়ে আসামি সৈকত খাঁকে নড়াইল সদর থানাধীন মহিষখোলা তার ভাড়া বাসা থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তার স্বীকারোক্তি মতে নড়াইল ও মাগুরা জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে অন্যান্য আসামিদের গ্রেফতার ও চোরাই মালামাল জব্দ করে পুলিশ।
    প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সৈকত স্বীকার করে যে, গত ১ জুলাই রাতে বাড়ির ছাদে উঠে লোহার শাবল ও রড দিয়ে চিলে কোঠার ইটের গাথুনি খুলে ঘরে প্রবেশ করে মালামাল চুরি করে এবং চোরাই মালামাল গ্রেফতারকৃত অন্যান্য আসামিদের নিকট বিক্রয় করে। এ ঘটনায় নড়াইল সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। আসামিদের বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। অন্যান্য চোরাই মালামাল উদ্ধারের জন্য অভিযান অব্যাহত আছে।

  • নড়াইলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপারকে রেঞ্জ ডিআইজি কর্তৃক সম্মাননা স্মারক প্রদান

    নড়াইলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপারকে রেঞ্জ ডিআইজি কর্তৃক সম্মাননা স্মারক প্রদান

    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে
    নড়াইলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপারকে রেঞ্জ ডিআইজি কর্তৃক সম্মাননা স্মারক প্রদান।
    পুলিশ সদস্যদের কর্মস্পৃহা ও কর্মচাঞ্চল্য বাড়ানোর লক্ষে বৃহস্পতিবার (৬ জুলাই) খুলনা রেঞ্জ ডিআইজি অফিসের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত ‘অপরাধ পর্যালোচনা সভা’ শেষে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে সম্মাননা প্রদান করা হয়।
    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে জানান, খুলনা রেঞ্জের দশ জেলায় কর্মরত পুলিশ সদস্যদের গত জুন/২০২৩ মাসের কৃতিত্বপূর্ণ কর্মকাণ্ডের জন্য বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে নির্বাচিত শ্রেষ্ঠ কর্মকর্তাদের সম্মাননা স্মারক প্রদান করেন মঈনুল হক বিপিএম (বার), পিপিএম, ডিআইজি, খুলনা রেঞ্জ, বাংলাদেশ পুলিশ।
    ক্লুলেস হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটনসহ সাহসিকতা ও কৃতিত্বপূর্ণ কর্মকাণ্ডের জন্য ডিআইজি, খুলনা রেঞ্জ, বাংলাদেশ পুলিশ
    নড়াইল জেলার পুলিশ সুপার মোসাঃ সাদিরা খাতুন উপস্থিতিতে শ্রেষ্ঠ সার্কেল অফিসার মোঃ দোলন মিয়া, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল)-কে এ সম্মাননা স্মারক প্রদান করেন। এ সময় খুলনা রেঞ্জের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।