Author: desk

  • হরিণাকুন্ডুতে জিম্মি করে ডাকাতি, টাকা-স্বর্ণালঙ্কার লুট

    হরিণাকুন্ডুতে জিম্মি করে ডাকাতি, টাকা-স্বর্ণালঙ্কার লুট

    আতিকুর রহমান, ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    ঝিনাইদহের হরিণাকুন্ডু উপজেলার ভায়না ইউনিয়নের তৈলটুপী গ্রামে রাতে এক বাড়িতে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। এসময় পরিবারের সদস্যদের অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে হাত-পা বেঁধে নগদ টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার লুট করে নেয়।সোমবার (১৭জুলাই ) মধ্যরাতে ওই উপজেলার তৈলটুপী গ্রামের নিজাম উদ্দিনের ছেলে দেলোয়ার মন্ডলের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। জানা যায়, সোমবার গভীররাতে ৮-১০ জনের একটি ডাকাত দল বাড়ির গেট ভেঙে ভেতরে ঢুকে পরিবারের লোকজনকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে হাত-পা বেঁধে নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট করে নিয়ে যায়।পরে তাদের আর্তচিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে তাদের উদ্ধার করে। ভুক্তভোগী দেলোয়ার মন্ডল জানান, গভীর রাতে ৮-১০ জনের একদল ডাকাত বাড়িতে ঢুকে পরিবারের লোকজনকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে সাড়ে ছয় ভরি গহনা রুলি, নেকলেস ও প্রায় প্রায় ১লক্ষ নগদ টাকা লুটে নেয়। হরিণাকুন্ডু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু আজিফ জানান, এ ঘটনায় থানায় একটি ডাকাতির মামলার প্রস্তুতি চলছে । ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেফতার অভিযানে কাজ করছে পুলিশ। অচিরেই তাদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হবে

    ঝিনাইদহ
    আতিকুর রহমান।

  • নড়াইল আধুনিক সদর হাসপাতালের চারপাশই মশা উৎপাদনের কারখানা

    নড়াইল আধুনিক সদর হাসপাতালের চারপাশই মশা উৎপাদনের কারখানা

    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে

    নড়াইল আধুনিক সদর হাসপাতালের চারপাশই মশা উৎপাদনের কারখানা। নড়াইলে বাড়ছে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। আক্রান্তের সংখ্যা বাড়লেও আধুনিক সদর হাসপাতালে নেই আলাদা ডেঙ্গু কর্ণার। ফলে অন্যসব রোগীরা ডেঙ্গু আক্রান্তদের সাথেই থাকতে হচ্ছে। উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে জানান, দেখা গেছে, নড়াইল সদর হাসপাতালের চারপাশ জলাবদ্ধতা এবং ময়লা আবর্জনায় ভরা। দেখে যেন মনে হয় মশা উৎপাদনের উর্বর ভূমি। বিশেষ করে ডেঙ্গু রোগীরা যেখানে ভর্তি আছেন, তার পেছনের ড্রেনে জলাবদ্ধতা যেমন রয়েছে; তেমনি ঘন ঝোপ-জঙ্গলে ভরপুর চারপাশ। হাসপাতালেই মশা উৎপাদনের এ করুণদশা দেখার কেউ নেই, এমনটি বলছেন রোগীসহ স্বজনরা। এক্ষেত্রে নিজেদের জনবল সংকটসহ পৌর কর্তৃপক্ষের উদাসীনতাকে দুষছেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
    হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানান, নড়াইল সদর হাসপাতালে ১শ শয্যার বিপরীতে প্রতিদিন ৩০০ থেকে ৩৫০জন রোগী ভর্তি থাকছেন। তার ওপর ডেঙ্গু রোগীর চাপ তো রয়েছেই। এক্ষেত্রে জায়গার অভাবে আলাদা ডেঙ্গু কর্ণার না থাকায় বেশি সমস্যা দেখা দিয়েছে।
    সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাক্তার আব্দুল গফফার বলেন, হাসপাতালটি এমনিতেই নিচু জমির ওপর অবস্থিত। তারপর ড্রেনেজ ব্যবস্থাও ভালো নয়। পানি বের হওয়ায় ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা রয়েছে। এ ব্যাপারে নড়াইল পৌর কর্তৃপক্ষকে একাধিকবার বলার পরও পানি নিষ্কাশনের কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি। তাই ড্রেনে পানি জমে মশার বংশবিস্তারের মতো পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। এছাড়া হাসপাতালে চিকিৎসক, পরিচ্ছন্নতাকর্মীসহ বিভিন্ন পদে জনবল সংকট রয়েছে। উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বারবার বলার পরও সংকট দূর হচ্ছে না।
    তিনি আরও বলেন, এখানে ৩৯ চিকিৎসকের পরিবর্তে কর্মরত আছেন ১৬ জন। আর সরকারিভাবে নিয়োগকৃত পরিচ্ছন্নতাকর্মী নেই একজনও। আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে ২৮ জন কাজ করছেন এখানে।
    সিভিল সার্জন ডাক্তার সাজেদা বেগম পলিন বলেন, ‘নড়াইলের স্থানীয় লোকজন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হচ্ছেন। এক্ষেত্রে ঢাকা কিংবা বাইরে থেকে লোকজন আসার ফলে এ জেলায় ডেঙ্গু বেড়েছে এমন নয়। ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য জেলা প্রশাসন ও পৌর কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে গণসচেতনতার পাশাপাশি পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতার ওপর জোর দেয়া হয়েছে। তবে নড়াইলে ডেঙ্গুতে কোনো রোগীর মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি।
    নড়াইলে জুলাইয়ের প্রথম দিন থেকে রোববার (১৬ জুলাই) পর্যন্ত ১৬ দিনেই শনাক্ত হয়েছে ৫২জন। এদিকে রোববার একদিনেই ভর্তি হয়েছেন ৯জন। জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত গত ছয় মাসে ৩৩ জন ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়েছেন।

  • পঞ্চগড  জমিজমা  নিয়ে মারপিট নিহত ১ আটক ৫

    পঞ্চগড জমিজমা নিয়ে মারপিট নিহত ১ আটক ৫

    পঞ্চগড় সদর উপজেলা হাড়িভাষা ইউনিয়নের প্রধান পাড়া গ্রামের শফিকুল ইসলামের ছেলে শামীম চিকিৎসারত অবস্থায় রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সেই নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন আহত ১০ জন চিকিৎসারত অবস্থায় আছেন এদিকে একই গ্রামের মৃত রহিম উদ্দিনের ছেলে সাবেক হরিভাসা ইউনিয়নের আবুল হোসেন সহ ২৫ জনের বিরুদ্ধে। নিহত শামীমের পিতা শফিউল ইসলাম বাদী হয়ে পঞ্চগড় সদর থানায় মামলা দায়ের করে।

    সাবেক চেয়ারম্যান আবুল হোসেন সহ এ পর্যন্ত মোট পাঁচজন আটক হয়েছে বাকিদের আটকের চেষ্টা চলছে বলে জানান পঞ্চগড় সদর থানা অফিসার ইনচার্জ আব্দুল লতিফ বিপিএম সেরা।
    পঞ্চগড় হতে মোহাম্মদ বাবুল হোসেন

  • বানারীপাড়ায় অপরাজিতা নেটওয়ার্কের উপজেলা কমিটি গঠন ও  সভা অনুষ্ঠিত

    বানারীপাড়ায় অপরাজিতা নেটওয়ার্কের উপজেলা কমিটি গঠন ও সভা অনুষ্ঠিত

    বানারীপাড়া(বরিশাল)বিশেষ প্রতিনিধি: সোমবার ১৭ জুলাই উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যানের অফিস কক্ষে বেসরকারি সংস্থা রুপান্তরে উদ্যোগে অপরাজিতা নেটওয়ার্কের উপজেলা কমিটি গঠন ও
    সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন সভাপতি সন্ধ্যা রানী সরকার। বক্তৃতা করেন নাজমিন জাহান পলি, মাহেনুর বেগম, তাসমিয়া সিদ্দিকী, কনিকা চন্দ, খুরশিদ জাহান, তাসলিমা বেগম প্রমূখ।
    সভা শেষে উপজেলা অপরাজিতা নেটওয়ার্কের ১৫ সদস্যের কমিটি ঘোষনা করেন প্রধান অতিথি উপজেলা এনজিও সমন্বয় পরিশদের সাধারণ সম্পাদক এস মিজানুল ইসলাম। উপস্থিত ছিলেন রুপান্তরের জেলা কর্মসূচি সমন্বয়কারী নুর ই আজম হায়দারী এবং জেলা মাঠকর্মসৃচির সমন্বয়কারী মুনজিলা।#

    এস মিজানুল ইসলাম
    বানারীপাড়া, বরিশাল।

  • সিরাজগঞ্জ জেলার তাড়াশ পৌরসভা নির্বাচন সুষ্ঠু ও ভোটের পরিবেশ সুন্দর রাখতে বিশেষ ভূমিকায় নিয়োজিত রয়েছে র‌্যাব-১২

    সিরাজগঞ্জ জেলার তাড়াশ পৌরসভা নির্বাচন সুষ্ঠু ও ভোটের পরিবেশ সুন্দর রাখতে বিশেষ ভূমিকায় নিয়োজিত রয়েছে র‌্যাব-১২

    “বাংলাদেশ আমার অহংকার” এই ¯েøাগান নিয়ে র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই দেশের সার্বিক আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে সব ধরণের অপরাধীকে আইনের আওতায় নিয়ে আসার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। জঙ্গী, সন্ত্রাসী, সংঘবদ্ধ অপরাধী, ছিনতাইকারী, জুয়ারি, মাদক ব্যবসায়ী, খুন, এবং অপহরণসহ বিভিন্ন চাঞ্চল্যকর মামলার আসামী গ্রেফতারে র‌্যাব নিয়মিত অভিযান চালিয়ে আসছে এবং এধরনের অপরাধের সাথে সংশ্লিষ্ট অপরাধীদের গ্রেফতার পূর্বক আইনের আওতায় এনে র‌্যাব জনগণের সুনাম অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন সময়ে অনুষ্ঠিত জাতীয় ও স্থানীয় সরকার নির্বাচনে নিয়মিত আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি ষ্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে দায়িত্ব পালন করে র‌্যাব।

    এরই ধারাবাহিকতায় অদ্য ১৭ জুলাই ২০২৩ খ্রি. তারিখে সকাল ৮.০০ থেকে বিকেল ৪.০০ ঘটিকা পর্যন্ত সিরাজগঞ্জ জেলার তাড়াশ পৌরসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত নির্বাচনকে কেন্দ্র করে যাতে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে সেই লক্ষ্যে মোঃ মারুফ হোসেন পিপিএম, অধিনায়ক র‌্যাব-১২, সিরাজগঞ্জ এর দিক নির্দেশনায় নির্বাচনকালীন ও নির্বাচন পরবর্তী সময়ে নিরাপত্তা কার্যক্রম পরিচালনা করছে র‌্যাব-১২। নির্বাচনকালীন ও নির্বাচন পরবর্তী আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার কৌশল হিসেবে ইতোমধ্যে তাড়াশ পৌরসভা এলাকার বিভিন্ন ভোট কেন্দ্রে র‌্যাবের উপস্থিতি ও টহল ডিউটিসহ গোয়েন্দা নজরদারী জোরদার করেছি যার ফলে আজকের এই পৌরসভা নির্বাচন সুষ্ঠু ও ফলপ্রসু হয়েছে।

    গত ১৫ জুলাই ২০২৩ থেকে শুরু করে নির্বাচনের পরের দিন অর্থাৎ ১৮ জুলাই ২০২৩ তাড়াশ পৌরসভা নির্বাচনে অন্যান্য আইন-শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি র‌্যাবের মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স, সাদা পোশাকে গোয়েন্দা সদস্যগণ নির্বাচনে আইন-শৃংখলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়োজিত রয়েছে। এছাড়াও সার্বিক পরিস্থিতি তদারকির জন্য নির্বাচনী সেল এবং কন্ট্রোল রুম স্থাপন করা হয়েছে।

    অদ্য ১৭ জুলাই তাড়াশ পৌরসভা নির্বাচন সুষ্ঠু ও নির্বাচন পরবর্তী আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার জন্য র‌্যাব-১২ সিরাজগঞ্জ জেলার সকল প্রশাসনিক ও নির্বাচনিক দপ্তরের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে চলছে।

    স্বাক্ষরিত ……………

    মোহাম্মদ ইলিয়াস খান

    স্কোয়াড্রন লীডার

    ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক

    র‌্যাব-১২, সিরাজগঞ্জ

    মোবা-০১৭৭৭-৭১১২০১

  • পুঠিয়ায় দুঃস্থমাতা কার্ডের জন্য দ্বারে দ্বারে ঘুরছে এক নারী

    পুঠিয়ায় দুঃস্থমাতা কার্ডের জন্য দ্বারে দ্বারে ঘুরছে এক নারী

    পুঠিয়া (রাজশাহী, প্রতিনিধি ঃ পুঠিয়ায় দুঃস্থমাতা কার্ডের জন্য শেফালী রানী নামের এক নারী দ্বারে দ্বারে ঘুরছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

    ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার ভালুকগাছী ইউনিয়নের নওপাড়া গ্রামে। ভুুক্তভোগী নারী নওপাড়া গ্রামের ৭ নং ওয়ার্ডের নিতাই কেরকাটার স্ত্রী। জানাগেছে, দুই মেয়ে ও এক ছেলে নিয়ে মোট ৫ সদস্য নিয়ে তার সংসার।

    স্বামী ভ্যান চালক। আবাদযোগ্য কোন জমিজমা তাদের নেই। অভাব অনটনে সংসারে একটু সচ্ছলতার আশায় দুঃস্থমাতার কার্ডের জন্য তার আবেদন। এছাড়াও বিগত চেয়রম্যানের সময় সে দুঃস্থমাতা কার্ডের জন্য আবেদন করেছিলেন।

    সেসময় তাকে কার্ডে দেওয়া হয়নি বলে শেফালী রানী অভি যোগ করেন। পুনরায় চলতি বছরের মে মাসে শেফালী রানী দুস্থমাতার কার্ডে জন্য আবেদন করেন ভালুকগাছী ইউনিয়ন পরিষদে।

    এর পর বেশ কয়েক মাস পেরিয়ে গেলেও তার কোন সুখর তিনি পাননি। পরে নিরুপায় হয়ে স্থানীয় মেম্বার চেয়ারম্যনসহ ্স্থানীয় নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিবর্গের কাছে ধরনা ধরেন কিন্তু কিছুতেই তার কোন কাজ হচ্ছে না।

    নিরুপায় হয়ে কার্ডের আশা ছেড়ে দিয়েছেন বলে শেফালী রানী অভিযোগ করে বলেন, আমরা গরিব মানুষ তাই আমা দের কোন কাজ হয়না। আমি টাকা পয়সা দিতে না পারায় দুঃস্থামাতার কার্ড আমাকে দেওয়া হচ্ছে না।

    এ বিষয়ে ভালুকগাছী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জিল্লুর রহমান বলেন, বিগত চেয়ারম্যান দুঃস্থমাতা সব কার্ড বিলি করেছন।

    তাই আমি বর্তমানে কাউকে এ কার্ড দিতে পারছিনা। আগামীতে আমার বরাদ্দ আসলে আমি অবশ্যই তাকে দুঃস্থমাতার কার্ড দিব বলে  জনপ্রতিনিধি জানান।#মাজেদুর  রহমান ( মাজদার)  

    পুঠিয়া-রাজশাহী । 

  • বানারীপাড়ায়  জোড়া কালোমুখো হনুমানের ঘোরাফেরা

    বানারীপাড়ায় জোড়া কালোমুখো হনুমানের ঘোরাফেরা

    আব্দুল আউয়াল বানারীপাড়া(বরিশাল)প্রতিনিধি:

    বরিশালের বানারীপাড়ায় দীর্ঘদিন ধরে বিপন্ন প্রজাতির দুই জোড়া কালোমুখো হনুমান লোকালয়ে ঘুরছে-ফিরছে। এদের মধ্যে এক জোড়া বানারীপাড়ার সন্ধ্যা নদীর পূর্ব পাড়ের পৌর শহরসহ উপজেলার সলিয়াবাকপুর,সদর ও চাখার ইউনিয়ন ও এর আশপাশ এলাকায় এবং অপর জোড়া সন্ধ্যা নদীর পশ্চিম পাড়ের বাইশারী,ইলুহার,উদয়কাঠি, সৈয়দকাঠি ও বিশারকান্দি ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় বিচরণ করতে দেখা গেছে। বনের হনুমান লোকালয়ে আসায় উৎসুক মানুষ ভিড় জমাচ্ছেন হনুমান দেখতে। আবেগতাড়িত হয়ে কেউ কেউ খাবারও দিচ্ছেন। সবশেষ ১৬ জুলাই রোববার দুপুরে বানারীপাড়া পৌর শহরে থানা চত্বরে এক জোড়া কালোমুখো হনুমানের দেখা মেলে। দিনভর কালোমুখ হনুমান জোড়াকে বানারীপাড়া থানার বাগানে ঢেঁড়স ও পেয়ারাসহ বিভিন্ন ফল ও সবজি খেতে এবং পৌর শহরের বন্দর বাজারে ছুটোছুটি করতে দেখা গেছে।এ ব্যাপারে বানারীপাড়া বন্দর বাজারের ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি ও উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সুব্রত লাল কুন্ডু বলেন, বানারীপাড়াসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় কৃষিসহ নানা ধরণের পণ্য আমদানি-রপ্তানি হয়। খাবার খেতে গিয়ে ফল কিংবা সবজির ট্র্রাকে উঠে হনুমানগুলো সাতক্ষিরা,যশোর ও খুলনাসহ দেশের কোনো এক বন এলাকা থেকে এখানে আসতে পারে। বানারীপাড়া উপজেলা বন কর্মকর্তা তাহেরুল ইসলাম দলছুট হয়ে লোকালয়ে আসা হনুমানের কোনো ক্ষতি বা বিরক্ত না করতে সবার প্রতি অনুরোধ জানিয়ে বলেন,হনুমানগুলো লোকালয় থেকে উদ্ধার করে বনাঞ্চলে ছেড়ে দেওয়ার জন্য উদ্যোগ নেওয়া হবে।এ বিষয়ে বানারীপাড়া উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা উজিরপুরের প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা ডা. গোলাম মাওলা বলেন, মুখপোড়া (কালোমুখো) হনুমানগুলো যেহেতু কারও ক্ষতি করছেনা সেহেতু এগুলো যাতে এই এলাকায় অবাধে বিচরণ করতে পারে সেজন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে। এ ব্যাপারে বানারীপাড়া থানার ওসি এসএম মাসুদ আলম চৌধুরী বলেন, থানার ভিতরে তার গড়ে তোলা ফল,ফুল ও সবজি বাগানে এক জোড়া বিপন্ন প্রজাতির কালোমুখো হনুমান এসে পরম আয়েসে ফল ও সবজি খাচ্ছে এটা দেখে তিনি দারুন খুশি। হনুমান জোড়া যাতে নির্বিঘ্নে বিচরণ করতে পারে তিনি সে ব্যাপারে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলবেন বলে জানান।
    এ প্রসঙ্গে বানারীপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফাতিমা আজরিন তন্বী বলেন, বাংলাদেশে বিপন্ন তালিকায় স্থান পাওয়া প্রাণিদের একটি কালোমুখো হনুমান। এরা দলবদ্ধ হয়ে বসবাস করা বৃক্ষচারী শান্তি প্রিয় প্রাণি। বিপন্ন প্রজাতির এ কালোমুখো হনুমান রক্ষায় সবাইকে দায়িত্বশীল হওয়ার আহবান জানিয়ে তিনি এ ব্যাপারে উপজেলা প্রাণী সম্পদ ও বন কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলবেন বলে জানান।

    আব্দুল আউয়াল
    বানারীপাড়া(বরিশাল)প্রতিনিধি:

  • রাজশাহীতে নববধূকে দেখার আগেই সৌদিতে মৃত্যু যুবকের

    রাজশাহীতে নববধূকে দেখার আগেই সৌদিতে মৃত্যু যুবকের

    নিজস্ব প্রতিবেদকঃ রাজশাহীর বাগমারার রুবেল হোসেন ৬ বছর আগে যান সৌদিতে। ৯ মাস ৬ দিন আগে মোবাইল ফোনে বিয়ে করেন পাশের গ্রাম বারিহাটির মরিয়ম বিবি রিপাকে। সংসার করার আগে সৌদিতে পুড়ে নিহত হন তিনি।

    স্বামী হারানো বিষয়টি মানতে পারছেন না নববধূ রিপা। তাই আহাজারি করতে করতে তিনি বলেন, ‘স্বামীকে দেখলাম না। সংসারও হলো না। তার আগেই চলে গেলেন তিনি। আমি কিভাবে বাঁচব?’

    শুক্রবার সৌদি আরবে আগুনে পুড়ে নিহত ৯ জনের ৪ জনই রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার বাসিন্দা। এদের মধ্যে ৩ জন উপজেলার ঝিকড়া ইউনিয়নের বারইপাড়া গ্রামের। অপরজন গনিপুর ইউনিয়নের কাতিলা বড়মাধাইমুড়ি গ্রামের বাসিন্দা।

    নিহতরা হলেন, জমিরের ছেলে মোহাম্মদ সাজেদুল ইসলাম (৪৫), জফির উদ্দীনের ছেলে রুবেল হোসেন (২৬), শাহাদত হোসেনের ছেলে আরিফ (২৭), আনিসুর রহমান সরদারের ছেলে ফিরুজ আলী সরদার (৩৮)।

    নিহতদের পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত শুক্রবার স্থানীয় সময় বিকেল ৪টায় রাজধানী রিয়াদ থেকে ৩৫০ কিলোমিটার পূর্বে আল আহসা শহরের হুফুফ ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিটি এলাকায় এক সোফা তৈরির কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এতে রাজশাহীর ৪ জন নিহত হয়েছেন।

    ছেলে হারানোর বিষয়টি মানতে পারছেন নিহত রুবেল হোসেনের বাবা জফির উদ্দিন। তিনি বলেন, ‘৬ বছর আগে ঋণ করে ছেলেকে বিদেশে পাঠানো হয়। কয়েক মাস আগে মোবাইল ফোনে পাশের বারিহাটি গ্রামের রিপা বিবির সঙ্গে তার বিয়ে হয়। স্ত্রীর সঙ্গে তার দেখাও হয়নি। কীভাবে মানব এই মৃত্যু?’

    তিনি আরও বলেন, ‘শুক্রবার ছেলের মৃত্যুর খবর পেয়েছি। তবে নিশ্চিত হতে পারিনি। শনিবার সকালে সৌদি থেকে ফোন করে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।’

    আট মাস আগে সৌদিতে যান আরিফ। তার পরিবার জানায়, ঋণ করে আরিফ সৌদিতে গিয়েছিলেন। আশা ছিল, এবার পরিবারে অভাব দূর হবে। কিন্তু ঋণ পরিশোধ হওয়ার আগেই তিনি চলে গেল না ফেরার দেশে।

    নিহত সাজেদুল ইসলাম আট বছর ধরে আছেন সৌদি আরবে। তার মাধ্যমে রুবেল ও আরিফ সৌদিতে যান। সাজেদুল এক কন্যা শিশুর বাবা।

    ঝিকরা ইউপি চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘নিহতদের পরিবার খুবই দরিদ্র। পরিবারের অভাব ঘুচাতে তারা বিদেশে গিয়েছিলেন। তবে পরিবারের সচ্ছলতা দূর করার আগেই দুর্ঘটনায় নিহত হলেন। প্রশাসন সব ধরনের সহযোগিতা করার আশ্বাস দিয়েছে। আমরা পরিবারগুলোর পাশে আছি।’

    বাগমারা উপজেলার গনিপাড়া ইউনিয়নের বড় মাধাইমুড়ি গ্রামের ফিরোজ আলী সরদার (৩৯) ছয় বছর আগে সৌদি যান।

    তার বাবা আনিসুর রহমান জানান, ছেলে কিছু টাকা জমিয়েছিল। আর কিছু টাকা এনজিও থেকে ঋণ নিয়ে সৌদি আরবে পাঠানো হয়।

    দুর্ঘটনার খবরে উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা নিহতদের বাড়িতে যান। পরিবারগুলোকে সব ধরণের সহযোগিতার আশ্বাস দেওয়া হয়।

    বাগমারা উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) সুমন চৌধুরী জানান, নিহতদের পরিবারগুলোকে আর্থিক সহযোগিতা করা হবে।

    জেলা প্রশাসক শামীম আহমেদ বলেন, সৌদিতে যোগাযোগ করা হচ্ছে মরদেহ দেশে আনার বিষয়ে। প্রক্রিয়া অনুযায়ী কাজ চলছে। পুড়ে গেলেও তাদের মরদেহ শনাক্ত করা যাচ্ছে।

    নিজস্ব প্রতিবেদক,
    রাজশাহী।

  • গোপালগঞ্জে ৭ দিনব্যাপী বৃক্ষ রোপন অভিযান ও বৃক্ষ মেলা শুরু

    গোপালগঞ্জে ৭ দিনব্যাপী বৃক্ষ রোপন অভিযান ও বৃক্ষ মেলা শুরু

    স্টাফ রিপোর্টার, গোপালগঞ্জ : গোপালগঞ্জে ৭ দিনব্যাপী বৃক্ষ রোপন অভিযান ও বৃক্ষ মেলা উপলক্ষে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    জেলা প্রশাসন ও বন বিভাগ যৌথভাবে এ মেলার আয়োজন করে।

    “গাছ লাগিয়ে যন্ত করি, সুস্থ প্রজন্মের দেশ গড়ি” এ প্রতিপাদ্য নিয়ে আজ সোমবার সকাল সাড়ে ১০টায় জেলা প্রশাসকের কায্যালয়ের সামনে থেকে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়। শোভযাত্রাটি জেলা শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে মেলা প্রাঙ্গণ স্থানীয় পৌর পার্কে গিয়ে শেষ হয়। এ শোভাযাত্রায় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো: জোবায়ের আহম্মেদসহ সরকারী কর্মকর্তা ও বিভিন্ন স্কুলের শিক্ষার্থীরা অংশ নেন।

    পৌর পার্কে অনুষ্ঠিত ৭ দিনব্যাপী এ মেলায় ২৫ স্টল বসেছে। দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আসা নার্সারী মালিকরা বিভিন্ন ধরনের বনজ, ফলদ, ঔষধি ও ফুলের গাছ নিয়ে স্টলগুলোতে বসেছেন। প্রথম দিনেই বৃক্ষ প্রেমিদের সারা মিলেছে। অনেকেই মেলায় এসে পছন্দের গাছ কিনে নিয়ে বাড়ীতে যাচ্ছেন। এ মেলা আগামী ২৩ জুলাই (রবিবার) সন্ধ্যায় শেষ হবে। #

  • বাবুগঞ্জে স্ত্রী ও পুত্র সন্তানদের অবহেলায় মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন সাইদুর

    বাবুগঞ্জে স্ত্রী ও পুত্র সন্তানদের অবহেলায় মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন সাইদুর

    কে এম সোয়েব জুয়েল,
    বাবুগঞ্জে স্ত্রী ও দুই পুত্রের অবহেলা অনিহায় মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন মো: সাইদুর রহমান পান্না মিয়া।

    এমনটি দেখা গেছে বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার বীরশ্রেষ্ঠ জাহাঙ্গীর নগর ইউনিয়নের আগরপুর গ্রামের ঐতিহ্যবাহী মিঞা পরিবারের মৃত মো : খলিলুর রহমান মিয়ার পুত্র সাইদুর রহমান পান্না মিয়া ৭০ এর বেলায়।

    অসহায় মো: সাইদুর রহমান পান্না মিঞা আক্ষেপের সাথে বলেন, তিনি দীর্ঘ ৪০ বছরের অধিক সময় চিটাগাং এর শ -ওয়ালেস শিপিং করপোরেশনে একাউন্টস অফিসার হিসাবে সুনামের সাথে চাকুরি করে ২০১০ ইং সালে চাকুরি থেকে অবসর নেন তিনি।

    চাকুরিরত অবস্হায় স্ত্রী ও ছেলে সন্তান নিয়ে চিটাগাংগের একই বাসায় সুখ দুখ নিয়েই জীবনের দীর্ঘ সময় পারি দেন তিনি। এবং ছেলে সন্তানদেরকে কোলে পিঠে করে আদর সোহাগ দিয়ে পিতার দায়িত্ব ও কর্তব্যের ভিতর দিয়ে নিজে ভোগ বিলাশের দিকে না তাকিয়ে ও নিজে না খেয়ে না পরে , সামান্য চাকুরিব ভিতর দিয়ে আদরের দুই সন্তানকে উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত করে শেষ জীবনে সব হারিয়ে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন তিনি।

    অসহায় দুই পুত্র সন্তানের পিতা আক্ষেপ করে বলেন, তার আদরের বড় ছেলে আবু সাঈদ রুশদীকে এমবিএ পাশ করানোর পরে বেসকারি প্রতিষ্টান ওয়ালটনের শো-রুমে অফিসার পদে শরিয়াতপুরে যোগদান করিয়ে পিতৃত্বের পরিচয় সন্তান রুশদীর কাছ থেকে হারিয়ে ফেলেন। এবং তার আদরের ছোট ছেলে বীন সাঈদ বাকতিকে বহুল কস্টসাধ্যের ভিতর দিয়ে নিজের শেষ জীবনের কথা না ভেবে জীবনের শেষ উপার্জিত অর্থ দিয়ে সন্তান বাকতির সুখের কথা চিন্তে করে উচ্চ শিক্ষার জন্য বুয়েট আর্কিটেক্ট ইঞ্জিনিয়ারিং পাশ করিয়ে যুক্তরাজ্যে পাঠিয়ে দেই।
    এবং সেখানে ক্যালফনিয়ায় ইউনিভার্সিটিতে চাকুরিতে যোগদান করে আমার খোজখবর নেয়া বন্ধ করে দেয় আমার ছোট সন্তান বীন সাঈদ বাকতি ৩০। এমনকি বৈবাহিক জীবনে তারা আবদ্ধ হলেও আমাকে জানানো কর্তব্য ও দায়িত্ববোধ টুকুও মনে করেননি আমার জন্ম দাতা আদরের পুত্র বাকতি। এমনটি প্রলাপ করেন দুই পুত্র সন্তানের অসহায় পিতা পান্না মিয়া।

    তিনি বলেন, আমার সারাজীবনে কষ্টার্জিত অর্থ ছেলে সন্তানের উচ্ছ শিক্ষার্থে ব্যায় করে নিস্ব হয়ে অবশেষে অর্থের কাছে হেরে গিয়ে আমার সহধর্মিণী স্ত্রী রাসিদা নার্গিস আমাকে ফেলে আত্মগোপনে সন্তানের সাথে চলে যায় অজানা ঠিকানায়। ভাগ্যের নির্মম পরিহাসের কথা বলতে গিয়ে বুক ভাসিয়ে কেঁদে ফেলে মাটিতে লুটে পরেন তিনি (পান্না)।

    স্ত্রী ছেলে সন্তানর খোঁজখবর মিলাতে না পেরে কোন উপায়ান্তর না পেয়ে অবশেষে বাবুগঞ্জের আগরপুরে তার সহোদর ছোট ভাই সাইফুল রহমান হিরার কাছে উঠেন তিনি।

    স্ত্রী ও পুত্রের খোঁজ হীন অসহায় পিতার বাঁচার আকুতি ও আত্বনাতে আকাশ বাতাশ ভাড়ী ও প্রকৃতি নি:স্তদ্ব হয়ে গেলেও শুনছেননা এ অসহায় পিতার আত্মনাতের আহাজারির কথা কেউ। তাই খোঁজ হীন স্ত্রী ও সন্তানের অসুস্হ পিতা কোন উপায়ন্তর না পেয়ে দৈন্যতায় ভুগছেন তিনি। স্ত্রী সন্তান ফিরে পেতে মরিয়া উঠেছেন অসহায় পিতা সাইয়েদুর রহমান পান্না মিয়া।