Author: desk

  • কুড়িগ্রাম পুলিশের অভিযানে বিভিন্ন অপরাধে ৩৭জন গ্রেফতার

    কুড়িগ্রাম পুলিশের অভিযানে বিভিন্ন অপরাধে ৩৭জন গ্রেফতার

    এম এস সাগর,
    কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:
    কুড়িগ্রাম জেলা পুলিশের অভিযানে গত ২৪ঘন্টায় বিভিন্ন অপরাধে ৩৭জন কে গ্রেফতার করেছে চৌকশ পুলিশ।
    কুড়িগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার আল আসাদ মো. মাহফুজুল ইসলামের নির্দেশে কুড়িগ্রাম জেলা পুলিশের মিডিয়া মুখপাত্র অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রুহুল আমীন নেতৃত্বে সকল পুলিশ প্রশাসন মাদক ও জঙ্গিবাদবিরোধী অভিযান অব্যাহত রেখেছেন। সফল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ‘স্মার্ট বাংলাদেশ ২০৪১’ রূপকল্প বাস্তবায়নের প্রত্যয়ে ‘স্মার্ট পুলিশ’ অভিপ্রায়ে দুর্বার গতিতে কুড়িগ্রামের জনসাধারণের টেকসই নিরাপত্তা ও শান্তি সুনিশ্চিত করতে দিবারাত্র নিরবিচ্ছিন্নভাবে কঠোর পরিশ্রম করে যাচ্ছে।

    কুড়িগ্রামে গত ২৪ঘন্টায় বিভিন্ন অপরাধে গ্রেপ্তারকৃত জিআর ওয়ারেন্ট মূলে ১৪জনের মধ্য কুড়িগ্রাম-১, রাজারহাট-৩, নাগেশ্বরী-৪, ফুলবাড়ী-৪, ভূরুঙ্গামারী-১, কচাকাটা-১জন এবং সিআর ওয়ারেন্ট মূলে ১২জনের মধ্য উলিপুর-৩, নাগেশ্বরী-২, ফুলবাড়ী-১, চিলমারী-১, রৌমারী-৫জনসহ নিয়মিত মামলায় গ্রেফতার-৪জনের মধ্য কুড়িগ্রাম-২, নাগেশ্বরী-২জন। পূর্বের মামলায় ২জন হচ্ছে ভূরুঙ্গামারী থানায় ৩৪ধারায়-১, কুড়িগ্রাম সদরে-১জন। সাজা সিআর ওয়ারেন্ট মূলে ৩জন হচ্ছে উলিপুর-১, নাগেশ্বরী-১, কচাকাটা-১জন। সাজা জিআর ওয়ারেন্ট মূলে নাগেশ্বরী থানায় ১জনসহ মোট ৩৭জন আসামী গ্রেফতার করে।

    কুড়িগ্রাম জেলা পুলিশের মিডিয়া মুখপাত্র অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জনাব মোঃ রুহুল আমীন বলেন, নিরাপদ কুড়িগ্রামের জন্য আমাদের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে। ফৌজদারি অপরাধ যেমন চুরি, ছিনতাই, মাদক, নারী নির্যাতন সহ শান্তিনবিনষ্ট কারী, উগ্রবাদ, সাইবার অপরাধের সাথে যেই জড়িত থাকুক না কেন, তাকে আইনের আওতায় আনতে বদ্ধ পরিকর টিম কুড়িগ্রাম জেলা পুলিশ।

    কুড়িগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার আল আসাদ মোঃ মাহফুজুল ইসলাম বলেন, মাদক, নারী নির্যাতন, বাল্যবিবাহ, চাঁদাবাজি ও জঙ্গিবাদবিরোধী সমাজ গড়তে পুলিশের পাশাপাশি সর্ব-সাধারণকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে। মাদকের সঙ্গে কোনো আপোস নেই। জেলায় মাদক বিক্রেতা ও সেবনকারীদের গ্রেফতার করতে জেলা পুলিশের অভিযান চলমান রয়েছে। যেকোন তথ্য জানাতে সরাসরি পুলিশ সুপার অথবা ৯৯৯ এ ফোন করার আহবান জানান তিনি।

  • র‌্যাব-১২’র বিশেষ অভিযানে সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায় প্রায় ৫০ লক্ষ টাকার হেরোইনসহ ২ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার; মাইক্রো জব্দ

    র‌্যাব-১২’র বিশেষ অভিযানে সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায় প্রায় ৫০ লক্ষ টাকার হেরোইনসহ ২ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার; মাইক্রো জব্দ

    প্রেস বিজ্ঞপ্তি

    র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) প্রতিষ্ঠাকালীন সময় থেকেই দেশের সার্বিক আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে সব ধরণের অপরাধীকে আইনের আওতায় নিয়ে আসার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। জঙ্গী, সন্ত্রাসী, সংঘবদ্ধ অপরাধী, ছিনতাইকারী, জুয়ারি, মাদক ব্যবসায়ী, খুন, এবং অপহরণসহ বিভিন্ন চাঞ্চল্যকর মামলার আসামী গ্রেফতারে র‌্যাব নিয়মিত অভিযান চালিয়ে আসছে।

    ১। এরই ধারাবাহিকতায় মোঃ মারুফ হোসেন পিপিএম, অধিনায়ক র‌্যাব-১২, সিরাজগঞ্জ এর দিক নির্দেশনায় ২০ জুলাই ২০২৩ খ্রিঃ দুপুর ০২.৩০ ঘটিকায় র‌্যাব-১২’র স্পেশাল কোম্পানীর একটি চৌকষ আভিযানিক দল সিরাজগঞ্জ জেলার সলঙ্গা থানাধীন রামারচরস্থ রাজশাহী টু ঢাকাগামী মহাসড়কের উত্তর পাশে নিউ রুপালী হোটেল এন্ড রেস্টুরেন্ট এর সামনে পাকা রাস্তার উপর একটি মাদক বিরোধী অভিযান চালিয়ে ৪৭৩ গ্রাম হেরোইনসহ ২ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছেন। এছাড়াও তাদের সাথে থাকা মাদক বহনের কাজে ব্যবহৃত ০১টি নোহা-মাইক্রো ও মাদক ক্রয়-বিক্রয়ের কাজে ব্যবহৃত ০৩ টি মোবাইল এবং নগদ ২,৭০০ টাকা জব্দ করা হয়।

    ২। গ্রেফতারকৃত আসামীঃ ১। মোঃ হেলাল উদ্দিন (২৩) পিতা-মোঃ হারুন ফকির, সাং-আগানগর ইমাম বাড়ী রোড, থানা-কেরানীগঞ্জ, জেলা-ঢাকা ও ২। মোঃ অলি উল্লাহ (২৫), পিতা- মোঃ বাবুল হোসেন, সাং-তাড়াইল, থানা-নান্দইল, জেলা-কিশোরগঞ্জ ।

    ৩। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, আসামীদ্বয় দীর্ঘদিন যাবৎ লোক চক্ষুর আড়ালে তাদের ব্যবহৃত নোহা-মাইক্রোর মাধ্যমে সিরাজগঞ্জ জেলারসহ বিভিন্ন জেলায় অবৈধ নেশাজাতীয় মাদক দ্রব্য হেরোইন ক্রয়-বিক্রয় করে আসছিলো।

    ৪। গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করতঃ উদ্ধারকৃত আলামতসহ সিরাজগঞ্জ জেলার সলঙ্গা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে ।

    এ ধরণের মাদক উদ্ধার অভিযান সচল রেখে মাদকমুক্ত সোনার বাংলা গঠনে র‌্যাব-১২ বদ্ধপরিকর।

    র‌্যাব-১২ কে তথ্য দিন – মাদক , অস্ত্রধারী ও জঙ্গিমুক্ত বাংলাদেশ গঠনে অংশ নিন।

    স্বাক্ষরিত…….

    মোঃ আবুল হাসেম সবুজ

    লেঃ কমান্ডার বিএন

    কোম্পানী কমান্ডার

    র‌্যাব-১২,সিপিএসসি, সিরাজগঞ্জ।

    ফোন-০১৭৭৭৭১১২৫৫

  • ভুরুঙ্গামারীতে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও তার পুত্রের বিরোধ অবসান

    ভুরুঙ্গামারীতে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও তার পুত্রের বিরোধ অবসান

    এম এস সাগর,
    কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:

    ভুরুঙ্গামারীর বানুরকুটি গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ ফয়জদার আলী ও তার ছেলে আব্দুস সাত্তারের মধ্য দীর্ঘদিন থেকে মনো-মালিন্য চলে আসছিল। বৃহস্পতিবার ছেলে বাবাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করাসহ প্রাণনাশের হুমকি প্রদান করে। এতে বাবা বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ ফয়জদার আলী বাধ্য হয়ে ভুরুঙ্গামারী থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করে। বৃহস্পতিবার বিকেলে ভুরুঙ্গামারী থানার অফিসার ইনচার্জ সরেজমিন তদন্ত করেন।
    জানা গেছে, কুড়িগ্রামের ভুরুঙ্গামারী উপজেলার সোনাহাট ইউনিয়নের বানুরকুটি গ্রামের মৃত পনির উদ্দিনের সুযোগ্য পুত্র বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ ফয়জদার আলী ১৯৭১সালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর সর্বাত্মক আহ্বানের তিনি মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশ গ্রহণের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেন। বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ ফয়জদার আলী মুক্তিযুদ্ধের পরে তার জন্মভূমিতে পরিবার নিয়ে জীবন অতিবাহিত করে আসছেন। দুই পুত্রের মধ্য এক পুত্র মারা যায়। আরেক পুত্র আব্দুস সাত্তার তার পিতা বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ ফয়জদার আলীর উপরে বিভিন্ন বিষয়ে অবিশ্বাসের জন্ম নেয় এবং দীর্ঘদিন থেকে মনো-মালিন্য চলে আসছে। এর এক পর্যায়ে গত (২০জুলাই) ছেলে বাবাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করাসহ প্রাণনাশের হুমকি প্রদান করে। এতে বাবা বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ ফয়জদার আলী বাধ্য হয়ে ছেলের বিরুদ্ধে ভুরুঙ্গামারী থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগ পাওয়া মাত্র বৃহস্পতিবার বিকেলে ভুরুঙ্গামারী থানার অফিসার ইনচার্জ রুহুল আমিন সরেজমিন তদন্ত করে আইনী পদক্ষেপ গ্রহনের সিদ্ধান্ত নেয়। অপরদিকে আব্দুস সাত্তার তার নিজের ভুল বুঝতে পেরে ভুরুঙ্গামারী উপ‌জেলা মু‌ক্তি‌যোদ্ধা কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা ম‌হিউ‌দ্দিনের নেতৃত্বে উপজেলা মু‌ক্তি‌যোদ্ধা কমান্ডারের কয়েকজন বীর মুক্তিযোদ্ধা (২১জুলাই) বাবা ও ছেলের দ্বন্দ্বের বিষয়টি আলোচনা সাপেক্ষে আপোষ করেন। (২১জুলাই) দুপুর ১২টায় উপ‌জেলা মু‌ক্তি‌যোদ্ধা কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মহিউ‌দ্দিনের নেতৃত্বে উপ‌জেলা মু‌ক্তি‌যোদ্ধা কমান্ডারের কয়েকজন বীর মুক্তিযোদ্ধার উপস্থিতিতে ভুরুঙ্গামারী থানায় বাবা তার ছেলের বিরুদ্ধে করা অভিযান প্রত্যাহার করে নেয়।

    বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ ফয়জদার আলী বলেন, আমার একটি মাত্র পুত্র আব্দুস সাত্তার। পিতা হয়ে এবারের মতো তাকে ক্ষমা করলাম। দোয়া করবেন আমার পুত্র যেন সুস্থ ও সুন্দরভাবে জীবন যাপন করতে পারে।

    ভুরুঙ্গামারী উপ‌জেলা মু‌ক্তি‌যোদ্ধা কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা ম‌হিউ‌দ্দিন বলেন, বাবা ও ছেলের দ্বন্দ্বের বিষয়টি আলোচনা সাপেক্ষে আপোষ করা হয়। বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ ফয়জদার আলী ভুরুঙ্গামারী থানা থেকে তার ছেলের বিরুদ্ধে করা অভিযোগ প্রত্যাহার করে নেয়।

    ভুরুঙ্গামারী থানার অফিসার ইনচার্জ রুহুল আমিন বলেন, ভুরুঙ্গামারী উপ‌জেলা মু‌ক্তি‌যোদ্ধা কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা ম‌হিউ‌দ্দিনসহ বেস কয়েকজন বীর মুক্তিযোদ্ধার উপস্থিতিতে ছেলের বিরুদ্ধে করা অভিযোগ বাবা তুলে নেয়।

  • বিভিন্ন মেয়াদে সাজাভোগ শেষে ভারতে পাচার হওয়া ৪০ বাংলাদেশি নারী ও শিশু দেশে ফিরেছে

    বিভিন্ন মেয়াদে সাজাভোগ শেষে ভারতে পাচার হওয়া ৪০ বাংলাদেশি নারী ও শিশু দেশে ফিরেছে

    আজিজুল ইসলামঃ
    বৃহস্পতিবার বিকেলে বেনাপোল চেকপোস্ট দিয়ে বিশেষ ট্রাভেল পারমিটের মাধ্যমে তারা দেশে ফিরেছেন বলে জানান বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন পুলিশের ওসি আহসান হাবীব।

    ভারতের পেট্রাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশ বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন পুলিশের কাছে তাদের হস্তান্তর করেন।

    ফেরত আসাদের মধ্যে ২০ নারী ও ২০ শিশু রয়েছে। সাজাভোগের পর পশ্চিমবঙ্গের ১২টি শেল্টার হোমের হেফাজতে ছিল তারা।

    ফেরত আসা জুলেখা খাতুনের বরাতে ওসি আহসান হাবীব বলেন,ভাল কাজের প্রলোভনে পড়ে দালালদের মাধ্যমে বিভিন্ন সীমান্ত পথে এরা ভারতে যায়।সেখানে বাসাবাড়িতে কাজ করার সময় ভারতীয় পুলিশের হাতে অবৈধ অনুপ্রবেশের অভিযোগে তারা আটক হয়।পুলিশ তাদের আদালতে সোপর্দ করলে, আদালত তাদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেয়।পরে কলকাতার বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন তাদেরকে তাদের শেল্টার হোমে আশ্রয় দেয়।

    কলকাতায় নিযুক্ত বাংলাদেশি হাইকমিশনার শেখ মারেফাত তারিকুল ইসলাম (দ্বিতীয় সচিব রাজনৈতিক) বলেন, বাংলাদেশ ও ভারত সরকারের যৌথ প্রচেষ্টায় আজ এ সমস্ত নারী ও শিশুদের দেশে ফেরত পাঠানো হচ্ছে। ফেরত আসাদের মধ্যে ২০ নারী ও ২০ শিশু রয়েছে।

    ওসি আহসান হাবীব বলেন, ভারত সরকারের বিশেষ ট্রাভেল পারমিটে ফেরত আসা বাংলাদেশি নারী-শিশুদের ইমিগ্রেশনের আনুষ্ঠানিকতা শেষে বেনাপোল পোর্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। সেখান থেকে এনজিও সংস্থা জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ার, রাইটস যশোর ও মহিলা আইনজীবি সমিতি তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করবে।

    যশোর জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ারের সিনিয়র প্রোগ্রাম অফিসার মুহিত হোসেন বলেন, ফেরত আসাদের যশোর জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ার ১৭, রাইটস যশোর ১৬ এবং মহিলা আইনজীবি সমিতি ৭ জনকে গ্রহন করে নিজস্ব শেল্টারহোমে রাখবে। এরপর পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে তাদের স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

  • এই সরকারের টপটেন মেগা প্রজেক্টের বিস্তারিত শিক্ষার্থীদের মাঝে তুল ধরছেন জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা

    এই সরকারের টপটেন মেগা প্রজেক্টের বিস্তারিত শিক্ষার্থীদের মাঝে তুল ধরছেন জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা

    মোঃ শহিদুল ইসলাম
    বিশেষ প্রতিনিধিঃ

    নিজস্ব সংবাদদাতা : বর্তমান সরকার বহু মেগা প্রজেক্টের কাজ অনেক আগেই শুরু করেছেন। পেপারসফট পাবলিকেশন্স এর প্রকাশক ও জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার যুগ্ম মহাসচিব এ বি এম সোবহান হাওলাদার চিন্তা করলেন এগুলো কোমলমতি শিক্ষার্থীদের মাঝে ছড়িয়ে দিতে হবে। যেই কথা সেই কাজ। জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার চেয়ারম্যান লায়ন নূর ইসলাম সাহেবের সঙ্গে মতবিনিময় করেন,পদক্ষেপটি সুন্দর মন্তব্য করায় সঙ্গে সঙ্গে তৈরি করলেন সরকারের টপটেন মেগা প্রজেক্ট যথাক্রমে পদ্মা ব্রিজ, রুপপুর পারমাণবিক পাওয়ার প্লান্ট, পায়রা সী পোর্ট, সোনাদিয়া গভীর সমুদ্র বন্দর, মাতারবাড়ি আল্ট্রা সুপাার পাওয়ার প্লান্ট, এলএনজি টার্মিনাল, রামপাল পাওয়ার স্টেশন, ঢাকা মেট্রো রেল, পদ্মা ব্রিজ রেল লিংক, দোহাজারি-কক্সবাজার রেল লাইন’র , উপর এক্সারসাইজ খাতার কভার। সামনে প্রজেক্টের ছবি এবং পিছনে বিস্তারিত বর্ণনা। এরমধ্যে পদ্মা সেতু, রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র, মেট্রো রেল, ইতিমধ্যেই উদ্বোধন হয়েছে এবং কিছু আছে ট্রায়াল রানে। বাকিগুলোর অধিকাংশই এবছরই উদ্বোধন হবে। এই তথ্যবহুল কভারের খাতাগুলো শিক্ষার্থীদের মাঝে ব্যাপক সাড়া ফেলে। শিক্ষার্থীরা প্রজেক্টের নাম উল্লেখ করে লাইব্রেরি থেকে ক্রয় করে। বাংলাদেশের প্রায় প্রত্যেক জেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলে এই কভারের খাতাগুলো পৌঁছাতে সক্ষম হয়েছে পেপারসফট পাবলিকেশন। যারফলে গ্রামাঞ্চলের কোমলমতি শিক্ষার্থীরাও টপটেন মেগা প্রজেক্ট সম্পর্কে কিছুটা হলেও জানে। ১৭ কোটি লোককে জানাতে হলে প্রয়োজন সবার সহযোগিতা। এভাবে মিডিয়া , দলীয় নেতা-কর্মীরা যদি প্রত্যেকে জানানোর চেষ্টা করতেন তাহলে বর্তমান সরকারের উন্নয়নের চিত্র প্রত্যেকের তাছে পৌঁছে যেতো। কতটুকু পেরেছি তা হিসেবের বিষয়। তবে নেতা – কর্মীরা আত্মতুষ্টিতে ভুগে প্রচার বিমুখ হলে চলবে না। মনে রাখতে হবে প্রচারেই প্রসার।

  • ভুরুঙ্গামারীতে জমিজমার জেরে বাড়িঘর ভাংচুরের অভিযোগ

    ভুরুঙ্গামারীতে জমিজমার জেরে বাড়িঘর ভাংচুরের অভিযোগ

    এম এস সাগর,
    কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:

    কুড়িগ্রামের দক্ষিণ বাঁশজানী গ্রামের জিল্লুর রহমান গৼ ও পার্শ্ববর্তী আব্দুল লতিফ গংরা দীর্ঘদিন ধরে জমিজমা নিয়ে একাধিক মামলা ও বিরোধ চলে আসছে এবং এ বিষয়ে দুই পক্ষের হাইকোর্টে মামলা চলমান থাকার অভিযোগ করে দুই পক্ষের ভুক্তভোগীরা।

    সরেজমিন ও মামলা সূত্রে জানা গেছে, কুড়িগ্রামের ভুরুঙ্গামারী উপজেলার পাথরভুবি ইউনিয়নের দক্ষিণ বাঁশজানী গ্রামের আনছার আলী পুত্র জিল্লুর রহমানের পরিবার এবং পাশ্ববর্তী জমির উদ্দিনের পুত্র আব্দুল লতিফ, এনামুল হক, শহিদুল ইসলাম, বাবব আলীর পরিবারের সাথে বাঁশজানী মৌজার ৮একর ৪৫শতক জমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছে এবং উক্ত জমি আব্দুল লতিফের পরিবার দীর্ঘ ২০বছর থেকে বসতবাড়ী করে জীবন অতিবাহিত করে আসছেন। সম্প্রতি আব্দুল লতিফ জানান, জিল্লুর রহমান গংরা আমাদের বৈধ জমির লোভে বশির্ভূত হয়ে জিল্লুর শতাধিক দলবল নিয়ে ১৯নভেম্বর ২০১৯সালে সন্ধ্যায় আমাদের পরিবারের বসতবাড়ীতে অতর্কিত হামলা চালিয়ে ৫টি বাড়ীঘর ভাংচুর ও সব লুটপাটসহ এলোপাতারী মারধর করে অবৈধভাবে জমি দখল করে নেয়। এ ঘটনায় গত এক বছরে আমার পরিবারে আঘাতপ্রাপ্ত তিনজন ব্যক্তি মারা যায় এবং এই ঘটনায় আমার ভাই বাদি হয়ে জিল্লুর রহমান গংদের নামে ভুরুঙ্গামারী থানায় মামলা করেন ও সে মামলা আদালতে বিচারধীন রয়েছে।

    অপরদিকে জিল্লুর রহমানের (২১জুলাই) ভুরুঙ্গামারী থানার মামলা সূত্রে জানা গেছে, আব্দুল লতিফ উক্ত জমির ওপরে হাইকোর্ট থেকে মামলার রায় নিয়ে (১৩জুলাই) সকাল সাড়ে ৮টা জিল্লুর রহমানের পরিবারের ৪টি টিনের ঘর ভাংচুর করে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠে। এদিকে জিল্লুর রহমান জমিজমা বিরোধের বিষয় নিয়ে পাথরডুবি ইউপি চেয়ারম্যানের মাধ্যমে বিবাদি আব্দুল লতিফদের সাথে আপোষে ব্যর্থ হন। অবশেষে জিল্লুর রহমান বাদি হয়ে (১৯জুলাই) জমির উদ্দিনের পুত্র আব্দুল লতিফ, এনামুল হক, শহিদুল ইসলাম, বাবব আলী নবাসহ ২৬জনের বিরুদ্ধে ভুরুঙ্গামারী থানায় একটি মামলা করেন। অভিযোগ উঠছে জিল্লুর রহমান বাদি হয়ে ভুরুঙ্গামারী থানায় মামলা করার পরে একটি সিন্ডিকেটের পরামর্শে বলছে মামলা এখনও রেকর্ড হয়নি এমনি ভুরুঙ্গামারী থানার অফিসার ইনচার্জ এবং প্রশাসনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অপ্রচার চালিনোসহ পুলিশ প্রশাসনের মান-সন্মান ক্ষুদ্র করে দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন।

    অত্র এলাকার বীর মুক্তিযোদ্ধা ও আওয়ামীলীগ নেতা শামছুল হক, রবিউল ইসলাম ও মফিজুল হক বলেন, প্রকৃতপক্ষে এই জমি মালিক আব্দুল লতিফের পরিবার দীর্ঘদিন থেকে বাড়ীঘর তুলে ভোগ দখল করে আসছেন। জিল্লুর রহমান উক্ত জমি নিজের দাবি করে ১৯নভেম্বর ২০১৯সালে সন্ধ্যায় তার লোকজন নিয়ে আব্দুল লতিফের বসতবাড়ীতে এলোপাতারী মারধর করে ৫টি ঘর ভাংচুর ও সবকিছু লুটপাট করে নিয়ে য়ায়। জমিজমার জেরে দুই পক্ষের একের পর এক দুর্ঘটনা চলছে।

    মামলার বাদি জিল্লুর রহমান ও তার পরিবার জানান, আব্দুল লতিফ উক্ত জমির ওপরে হাইকোর্ট থেকে মামলার রায় নিয়ে এসে আমার পরিবারের ৪টি টিনের ঘর ভাংচুর করে। আমি পাথরডুবি ইউপি চেয়ারম্যানের মাধ্যমে বিষয়টি আপোষের চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়েছি। বাধ্য হয়ে আমি বাদি হয়ে গত (২০জুলাই) রাত ১১টায় বিবাদি আব্দুল লতিফসহ ২৬জনের নামে ভুরুঙ্গামারী থানায় মামলা করি। এদিকে রাত ১টার সময় জিল্লুর রহমান এ প্রতিবেদক কে মোবাইল ফোনে বলেন, আমার মামলা ভুরুঙ্গামারী থানার ওসি এখনও রেকর্ড করনি। ভুরুঙ্গামারী থানার অফিসার ইনচার্জ আমার কোন কথা শুনেন না। আমি ওসি কে দেখে নিবো ও বদলি করাবো।

    মামলার বিবাদী আব্দুল লতিফ বলেন, প্রকৃতপক্ষে উক্ত জমি আমাদের ও দীর্ঘ ২০বছর থেকে বাড়ীঘর তুলে ভোগ দখল করে আসছি। জিল্লুর রহমান তার দলবল নিয়ে উক্ত জমি নিজের দাবি করে ১৯নভেম্বর ২০১৯সালে সন্ধ্যায় আমাদের বসতবাড়ীতে প্রবেশ করে আমাদের এলোপাতারী মারধর করে ৫টি ঘর ভাংচুর ও সবকিছু লুটপাট করে নিয়ে য়ায়। এ ঘটনায় গত এক বছরে আমার পরিবারে আঘাতপ্রাপ্ত তিনজন ব্যক্তি মারা যায় এবং এই ঘটনায় আমার ভাই বাদি হয়ে জিল্লুর রহমান গংদের নামে ভুরুঙ্গামারী থানায় মামলা করেন ও সে মামলা আদালতে বিচারধীন রয়েছে। জিল্লুর রহমানের পরিবারের বাড়ীঘর ভাংচুর করার বিষয়ে লতিফ বলেন জমিজমার জেরে এ ঘটনাগুলো হচ্ছে।

    ভুরুঙ্গামারী থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ রহুল আমিন বলেন, জিল্লুর রহমান তার বাড়ি ভাংচুরের দিন বলার সাথে সাথেই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। মামলার জন্য তাকে একাধিকবার এজাহার করার কথা বলা পরে অবশেষে (২০জুলাই) জিল্লুর রহমান বাদি হয়ে লতিফদের বিরুদ্ধে ভুরুঙ্গামারী থানায় একটি মামলা করেন। সুষ্ঠু তদন্ত চলমান এবং আসামীদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

    সহকারী পুলিশ সুপার ( ভুরুঙ্গামারী ও কচাকাটা সার্কেল) মোর্শেদুল হাসান (বিপিএম) বলেন, জিল্লুর রহমান আমার নিকটেও এসেছে। আমরা অপরাধীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় নিয়ে আসবো। আসামী গ্রেফতারে জোর চেষ্টা চালানো হচ্ছে।

  • মোহাম্মদ নগর অনির্বাণ ক্লাবের উদ্যোগে বৃক্ষ রোপণ  কর্মসূচীর র‍্যালী  উদ্বোধন

    মোহাম্মদ নগর অনির্বাণ ক্লাবের উদ্যোগে বৃক্ষ রোপণ কর্মসূচীর র‍্যালী উদ্বোধন

    মহিউদ্দীন চৌধুরী, ষ্টাফ রিপোর্টার:
    পটিয়া, মোহাম্মদ নগর অনির্বাণ ক্লাবের উদ্যোগে আয়োজিত সপ্তাহ ব্যাপী কালারপোল সড়ক, মোহাম্মদ নগর চাপড়া, মোহাম্মদ নগর উত্তর দেয়াং, ওয়ার্ড এর বিভিন্ন সড়কের বৃক্ষ রোপণ কর্মসূচী উপলক্ষে র‍্যালী ও আলোচনা সভা সংগঠনের সভাপতি মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন এর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মালেক এর সঞ্চালনায় ২১ জুলাই সকাল দশ টায় র‍্যালী কামদর আলী ফকির হাট হয়ে কালার পোল বাদাম তল চত্বরে শেষ হয়ে এক আলোচনা অনুষ্ঠিত হয় উক্ত সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মোহাম্মদ নগর অনির্বাণ ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক এম এ রহিম, এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মোহাম্মদ নগর অনির্বাণ ক্লাবের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ কাইছার,আতিকুর রহমান রাসেল, সাংগঠনিক সম্পাদক রকিবুল হাসান, অর্থ সম্পাদক শহিদুল আলম,সমাজ কল্যান সম্পাদক মোহাম্মদ ফারুক, অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সংগঠন এর সম্পাদক মন্ডলীর সাবেক ও বর্তমান সদস্য বৃন্দ যথাক্রমে জাহাঙ্গীর আলম বেলাল, মোহাম্মদ হোসাইন,মোহাম্মদ সোহেল, মোহাম্মদ সরোয়ার, মোহাম্মদ মামুন,মোহাম্মদ শাহাদাত, মেহেদী হাসান রাব্বি, মোহাম্মদ সাকিব, ইরফান উদ্দিন, সরোয়ার হোসেন পিয়েল,মোহাম্মদ শাওন,শাহেদ আকরাম,ইফতাউল ইমন,আকবর হাসান রিপন,আবদুল আজিজ,রিদুয়াল ইসলাম রাপি,আবদুল আজাদ, মোহাম্মদ তামিম, আরাফাত উদ্দিন, তানভীর হায়দার রাব্বি, মোহাম্মদ রাকিব প্রমূখ। সভায় বক্তাগন বলেন বাংলাদেশের জলবায়ুর পরিবর্তন কারণে আজ বর্ষা মৌসুমে ও সারাদেশে বৃষ্টি হচ্ছে না, বিশ্বের উন্নত রাষ্ট্রের জন্যই আজ আমাদের বাংলাদেশ ও সহ বিভিন্ন রাষ্ট্র জলবায়ুর ক্ষতিগ্রস্হ এই জলবায়ু পরিবর্তন ও মাত্রা অতিরিক্ত অসহনীয় পর্যায়ের গরম হতে রক্ষা পেতে হলে সারা দেশে সবুজ বেষ্টনী গড়ে তুলতে সামাজিক সংগঠন গুলো কে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে

  • গ্রীষ্মকালীন ছুটি বাতিল নিয়ে অভিভাবক ও  শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিভ্রান্তি

    গ্রীষ্মকালীন ছুটি বাতিল নিয়ে অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিভ্রান্তি

    হায়দার আলী,
    নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহীঃ মাধ্যমিক স্কুলের গ্রীষ্মকালীন ছুটি বাতিল নিয়ে দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যেও বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছে। রাজশাহীতে এর ব্যতিক্রম হয় নি।

    গত বুধবার থেকে আগামী ২ আগস্ট পর্যন্ত ছুটি থাকার কথা ছিল। সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রধানগণ নোটিশের মাধ্য ছুটি ঘোষনা করেছেন, ওই দিন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অনেক শিক্ষার্থী প্রতিষ্ঠানে উপস্থিত হন নি। পূর্বে থেকে ছুটিটির কথা জানা থাকায় বেশীরভাগ অভিভাবকগন অবকাশ, গ্রামের বাড়ী, দাদা, দাদি, নানা নানিসহ নিকট আত্নীয়ের বাড়ী বেড়াতে চলে গেছেন এছাড়া পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী চিকিসার জন্য ঢাকা, সিরাজগজ্ঞ, ভারতসহ বিভিন্ন দেশে গমন করেছেন। অনেক শিক্ষক শিক্ষিকা চিকিৎসার জন্য ভারতের ভিসা করেছেন হঠাৎ ছুটি বাতিলে বেকায়দায় পড়েছেন তারা। গতকাল বৃহস্পতিবার ছিল হিজরি নববর্ষের নির্ধারিত ছুটি। কিন্তু গত বুধবার হঠাৎ করেই শিক্ষামন্ত্রী শিক্ষকদের সাথে আলোচনায়ী এই ছুটি বাতিল করার ঘোষণা দেন।

    ফলে অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানই তাদের শিক্ষাবর্ষের নির্ধারিত ছুটির রুটিন অনুযায়ী শিক্ষার্থীদের ছুটির নোটিশও দিয়ে দেন। কিন্তু পরবর্তীতে এই ছুটি বাতিল নিয়ে শিক্ষক শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরাও বিভ্রান্তিতে পড়েছেন।

    রাজশাহীর বিভিন্ন স্কুলের শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, গ্রীষ্মের এই তীব্র গরমে অনেক শিক্ষার্থীই ক্লাসরুমে অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। আবার শিক্ষকদের মধ্যেও অনেকে পূর্বনির্ধারিত ছুটিতে তাদের অবকাশ পালনের জন্যও নিজস্ব পরিকল্পনা করে রেখেছেন। কিন্তু আগে থেকে না জানিয়ে গত বুধবার হঠাৎ করেই ছুটি বাতিল করায় তারাও এখন বিপাকে পড়েছেন।

    অন্যদিকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণের দাবি নিয়ে রাজশাহীর সদর, গোদাগাড়ী, তানোর, বাঘা, চারঘাট, বাঘমারা, দূর্গাপুর, পুঠিয়াসহ প্রত্যন্ত অঞ্চলের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ক্লাসরুমে তালা ঝুলিয়ে রেখেছেন। কোন কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিক্ষক কর্মচারীগণ অফিসের সামনে চিয়ারে বসে অলস সময় পার করেছেন, শিক্ষপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষককর্মচারিগণ প্রতিষ্ঠানে তালাঝুলিয়ে রেখে গ্রুপকরে জাতীয়করণের দাবীতে ধারাবাহিকভাবে ঢাকার জাতীয় প্রেসক্লাবে যাচ্ছেন। রাজধানী ঢাকায় শিক্ষকদের অবস্থান কর্মসূচির আন্দোলন গত ১০ দিন ধরে চলমান রয়েছে। গত বুধবার শিক্ষামন্ত্রীর সাথে আলোচনা করেও শিক্ষকরা তাদের দাবি আদায়ের কোনো সুসংবাদ পাননি। ফলে রাজপথে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন আন্দোলনরত শিক্ষকরা। তারা শিক্ষামন্ত্রীর বক্তব্যকে গ্রহন করেন নি।

    অনেক শিক্ষক নেতা মনে করছেন, শিক্ষকদের আন্দোলন স্থগিত করতে শিক্ষকদের ক্লাসরুমে ফেরত পাঠানোর কৌশল হিসেবেই গ্রীষ্মকালীন এই নির্ধারিত ছুটি বাতিল করা হয়েছে। অনেক শিক্ষক নেতাদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, শিক্ষকদের যৌক্তিক দাবির প্রতি সবাই যখন একাত্মতা ঘোষণা করে গ্রীষ্মের এই ছুটিতে আন্দোলনে শরিক হওয়ার জন্য ঢাকায় আসছেন, ঠিক তখনি ছুটি বাতিল করে শিক্ষকদের আন্দোলনকে বন্ধ করার অপচেষ্টা করা হচ্ছে। এতে কোন লাভ হবে না। প্রধানমন্ত্রীর ঘোষনা ছাড়া শিক্ষকগণ প্রেসক্লাব চত্তর ছাড়বেন বলে সাফ সাফ জানিয়ে দিয়েছেন।

    এদিকে গতকাল বৃহস্পতিবার মাউশি থেকে জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, হিজরি নববর্ষে বৃহস্পতিবার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় আগামী ২৩ জুলাই রোববার থেকে শ্রেণিকক্ষে পাঠদান কার্যক্রম যথারীতি চালু থাকবে। বাতিল করা গ্রীষ্মকালীন ছুটি আগামী শীতকালীন ছুটির সাথে সমন্বয় করা হবে।। এ অবস্থায় ক্লাস করা হলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে উল্লেখযোগ্য পরিমান শিক্ষার্থী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অনুউপস্থিত থাকবেন কেন না তারা আগেই নিজ নিজ গন্তব্যস্থলে চলে গেছেন। শিক্ষকগণ তো ঢাকাতে আন্দোলন করছেন ক্লাস হবে কি করে তালা তো ঝুলছে।

    এতদসঙ্গে আরো জানানো হয়েছে, আগামী ৩০ নভেম্বরের মধ্যে নতুন শিক্ষাক্রমে ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণির পাঠদান ও মূল্যায়নসহ অন্যান্য শ্রেণির পাঠদান ও পরীক্ষা কার্যক্রম সমাপ্ত করতে হবে।

    নিজস্ব প্রতিবেদক,
    রাজশাহী।

  • বলদিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রাক্তণ ছাত্র-ছাত্রীদের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

    বলদিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রাক্তণ ছাত্র-ছাত্রীদের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

    স্বরূপকাঠি উপজেলা প্রতিনিধি //

    ‘গাছে গাছে সবুজ দেশ আমার সোনার বাংলাদেশ” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে
    বলদিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রাক্তণ ছাত্র-ছাত্রীদের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি-২০২৩ শুরু করেছে। ২১শে জুলাই শুক্রবার সকাল দশটার সময় পিরোজপুরে নেছারাবাদ উপজেলার বলদিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে এই বৃক্ষ রোপন করে।

    বৃক্ষরোপণটির অর্থায়নে পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইনফরমেশন টেকনোলজি বিভাগ এর বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর চিন্ময় বেপারী।

    বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন, মো: আল আমিন হোসেন ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক, বলদিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়।

    অনুষ্ঠানটির বাস্তবায়নে ছিলেন মোঃ এনামুল হক রতন অবঃ সহকারী প্রধান শিক্ষক, বলদিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় ।এ সময় তারা সকলের উদ্দেশ্য বলেন,বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনে জনজীবন যেভাবে বিপর্যস্ত হচ্ছে তা রুখতে বৃক্ষ রোপণের কোন বিকল্প নেই। উচ্চ তাপমাত্রার কারণে যেভাবে কার্বন ডাই অক্সাইড বাড়ছে ঠিক সমপরিমাণ অক্সিজেন কমছে। পরিবেশের এই ভারসাম্য রক্ষা করতে সবাইকে গাছ লাগাতে হবে। এখন যারা গাছ লাগাচ্ছে তারা তো বটেই পরবর্তী প্রজন্মও এর সুফল ভোগ করবে।

    এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন, অত্র বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র মোঃ সাইফুল ইসলাম, ৬নং ওয়াডের মেম্বর বাবুল বাহাদুর, রিয়াদুল ইসলাম সহকারি শিক্ষক দেলোয়ার হোসেন, শিক্ষক কামাল হোসেন,আলাউদ্দিন মিয়া, শাহীন মিয়া সহ আরও অনেকে।এসময় তারা আমলকি,হরিতকী, আমড়া,আমা, জাম,বকুল,নিম পলাশ সহ নানা প্রজাতির শতাধিক গাছের চারা রোপন করে।

  • মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় রাজাকারমুক্ত সংসদ চাই লিখেছেন সুখেন্দু শেখর

    মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় রাজাকারমুক্ত সংসদ চাই লিখেছেন সুখেন্দু শেখর

    অধ্যক্ষ সুখেন্দু শেখর বৈদ্য যিনি বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সিনিয়র সদস্য,জাতীয় কার্যনির্বাহী সংসদের তিনি আজ তার একান্ত নিজস্ব সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক পেজে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যাক্ত করে রাজাকার মুক্ত ও তাদের বংশধর মুক্ত বাংলাদেশের দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী দাবী করে একটি স্ট্যাটাস দেন। যা হুবহু নিম্নে উপস্থাপন করা হলো-

    “মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় রাজাকারমুক্ত সংসদ চাই”

    রাজাকার কিংবা রাজাকারের সন্তানেরাও যেন সংসদে যেতে না পারে সেজন্য সকলকে সতর্ক থাকতে হবে । বিগতদিনে এমপি হয়েও তাদের চরিত্রের বৈশিষ্ট পরিবর্তন ঘটাতে ব্যর্থ হয়েছে। স্বার্থ হাসিল করাই ছিল ওদের একমাত্র উদ্দেশ্য ।

    এক কথায় বলা যায় যে “জীবের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য নিয়ন্ত্রনকারী ক্ষুদ্রতম এককই জিন । জিন তথ্য অনুযায়ী রাজাকারের সন্তানও তার বাবা- মায়ের বৈশিষ্ট বহন করে । ঠিক তেমনি একজন মুক্তিযাদ্ধার সন্তান তার বাবা-মায়ের বৈশিষ্ট নিয়ে অসাম্প্রদায়ি, মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় দেশ ও সমাজ পরিচালনা করবে এটাই স্বাভাবিক । ৭১ এ রাজাকের মূল লক্ষ্যবস্তু ছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সহ দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ধংস করে জাতির কন্ঠরোধ করা।শিক্ষার মানোন্নয়নে সাংসদদের নৈতিকতা উন্নত করা বাঞ্ছনীয়।শিক্ষা প্রতিষ্ঠান যেন টাকা ইনকামের মূল লক্ষবস্তু না হয় ।

    ‘বিএনপি যতই বাগাড়ম্বর করুক না কেন, তারা নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে। সমাজের একটি অংশ তাদের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে। যুক্ত রয়েছে সুশীল সমাজের একটি অংশ। তারা যে নির্বাচনে ভোট পাবে না, তা নয়। মূলত তারা হিরো আলম মার্কা নেগেটিভ ভোটের একটি অংশ পাবে।’

    মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তিকে নির্বাচিত করে আগামী সংসদকে রাজাকার মুক্ত করতে হবে ‘মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশ ও নির্বাচন ২০২৪’ ভাবনা থেকে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আগামী সংসদ হতে হবে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের।

    লিখেছেন-
    অধ্যক্ষ সুখেন্দু শেখর বৈদ্য
    সিনিয়র সদস্য
    বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ
    জাতীয় কার্যনির্বাহী সংসদ।