Author: desk

  • টুঙ্গিপাড়ায় নিজের ক্রয়কৃত জমি ফিরে পাওয়ার দাবিতে এক মসজিদের ইমামের সংবাদ সম্মেলন

    টুঙ্গিপাড়ায় নিজের ক্রয়কৃত জমি ফিরে পাওয়ার দাবিতে এক মসজিদের ইমামের সংবাদ সম্মেলন

    কে এম সাইফুর রহমান।।

    গোপালগঞ্জ প্রতিনিধিঃ

    গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় নিজের ক্রয়কৃত জমি দখলমুক্ত ও ফেরতের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন এক মসজিদের ইমাম।

    সোমবার (১৩ অক্টোবর ২০২৫) বেল ১১টায় টুঙ্গিপাড়া উপজেলা প্রেসক্লাবে এ সংবাদ সম্মেলন করেন উপজেলার দাউদকান্দি পশ্চিমপাড়ার বাসিন্দা ও শ্রীরামকান্দি উত্তরপাড়ার শেখ জহির উদ্দিন জামে মসজিদের ইমাম মোঃ আজিজুল হক মোল্লা।

    সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে মোঃ আজিজুল হক মোল্লা জানান, তিনি দাউদকান্দি পশ্চিমপাড়া এলাকার নজরুল হক মোল্লার ছেলে। ২০০৫ সালে
    গওহরডাঙ্গা মৌজার ১৪৫ নং খতিয়ান ও ৬১৫ নং দাগে ছুরাত আলী শেখ, হাফেজ আলী, আরব আলী ও তাদের মা খাতুন বিবির কাছ থেকে তিনি পৌনে পাঁচ শতাংশ জমি বায়না চুক্তির মাধ্যমে ক্রয় করেন। চুক্তির পর বিক্রেতারা জমিটি তার দখলে দেন।

    এরপর তিনি উক্ত জমিতে ঘর নির্মাণ করে বসবাস শুরু করেন এবং বিভিন্ন ফলজ ও বনজ গাছপালা রোপণ করেন। কিছুদিন পর যখন তিনি জমির রেজিস্ট্রি সম্পন্ন করতে চান, তখন বিক্রেতারা নানা অজুহাতে দলিল দিতে টালবাহানা শুরু করেন।

    তিনি আরও বলেন, তারা আমার কাছ থেকে জমি বিক্রি করার পরও বিভিন্ন সময় আমাকে হয়রানি করতে শুরু করে এবং ওই জমি ছেড়ে দেওয়ার জন্য একাধিক মামলা দায়ের করে। পরবর্তীতে তাদের হয়রানিতে আমি বাধ্য হয়ে কিছুদিনের জন্য জায়গাটি ছেড়ে চলে আসি।

    পরে সরকার ঘোষণা দেয় যাদের বায়না চুক্তি আছে, তারা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে রেজিস্ট্রি সম্পন্ন করতে পারবেন, নতুবা তা বাতিল বলে গণ্য হবে।
    এই ঘোষণার পর আজিজুল হক আদালতে আবেদন করেন। আদালত তার মামলা গ্রহণ করেন।

    কিন্তু এরই মধ্যে বিক্রেতাদের চাচাতো ভাই ইয়াদ আলী একই জমি নিয়ে তার বিপক্ষে মামলা দায়ের করেন। ২০০৭ সালে মামলাটি খারিজ হয়ে যায়। পরে আজিজুল হক আপিল করলে ২০১০ সালে আদালত তার পক্ষে রায় দেন।

    কিন্তু সেখানে থেমে না থেকে, ইয়াদ আলী আবার হাইকোর্টে আপিল করেন, যা ২০১৫ সালে খারিজ হয়ে যায়।
    আজিজুল হকের দাবি, আদালতের একাধিক রায়ে তার মালিকানা প্রমাণিত হলেও ওই পক্ষ গোপনে বাটওয়ারা মামলা করে জমিটি নিজেদের নামে নামজারি করে নেয়।

    এরপর গওহরডাঙ্গা গ্রামের ইমরান শেখ ও ইয়াদ আলী মিলে স্থানীয় কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তির সহযোগিতায় ক্যাডার বাহিনী গঠন করে তার জমি জবরদখল করে নেয়। তারা জোরপূর্বক ওই জমিতে বাউন্ডারি নির্মাণ করে তাকে প্রবেশে বাঁধা দেয় বলে অভিযোগ করেন আজিজুল হক।

    সংবাদ সম্মেলনে তিনি কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন,
    আমি একজন গরিব মানুষ, মসজিদের ইমাম হিসেবে আল্লাহর ঘরে নামাজ পড়াই। আমার কোনো জনবল বা রাজনৈতিক পরিচয় নেই। আদালতের রায় আমার পক্ষে হলেও আমি আমার জমিতে যেতে পারছি না। যারা ক্ষমতার জোরে আমার জমি দখল করেছে, তারা এখন উল্টো আমাকে ভয়ভীতি দেখাচ্ছে।

    তিনি আরও জানান, বর্তমানে তিনি মামলার রায়ের কপি ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েছেন। কিন্তু এখনো কার্যকর কোনো পদক্ষেপ না পাওয়ায় তিনি চরম হতাশায় ভুগছেন।

    আজিজুল হক মোল্লা বর্তমান সরকারের প্রতি অনুরোধ জানিয়ে বলেন,
    যাতে আমি আমার বৈধভাবে ক্রয়কৃত জমি ফেরত পাই। আমি কোনো বেআইনি দাবি করছি না। কোর্টের রায় আমার পক্ষে আছে, তারপরও আমি দখল পাচ্ছি না। আমি চাই সরকার আমাকে এ বিষয়ে সহযোগিতা করুক।

    সংবাদ সম্মেলনের শেষে তিনি প্রশাসনের প্রতি অনুরোধ জানান, তার জমি যাতে দ্রুত উদ্ধার করে দখল ফেরত দেওয়া হয় এবং এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

  • নলডাঙ্গা উপজেলায় টাইফ-য়েড ভ্যাকসিন এর শুভ উদ্বোধন করেন প্রধান শিক্ষক রহিদুল ইসলাম

    নলডাঙ্গা উপজেলায় টাইফ-য়েড ভ্যাকসিন এর শুভ উদ্বোধন করেন প্রধান শিক্ষক রহিদুল ইসলাম

    এ,কে,এম, খোরশেদ আলম
    নাটোর জেলা প্রতিনিধি:

    নলডাঙ্গা উপজেলার ঠাকুর লক্ষীকোল উচ্চ বিদ্যালয়ে টাইফয়েড ভ্যাকসিন এর আনুষ্ঠানিক ভাবে শুভ উদ্বোধন করেন অত্র বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রহিদুল ইসলাম স্যার। অদ্য সোমবার সকাল ১০ ঘটিকায় নাটোরের নলডাঙ্গা উপজেলার ৪নং পিপরুল ইউনিয়ন, ১নং ওয়ার্ড ঠাকুর লক্ষীকোল গ্রামের ঠাকুর লক্ষীকোল উচ্চ বিদ্যালয়ে আনুষ্ঠানিক ভাবে টাইফয়েড ভ্যাকসিন এর শুভ উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনে উপস্থিত ছিলেন
    মিনি আক্তার (AHI) সহকারী স্বাস্থ্য পরিদর্শক,
    জান্নাতুন ফেরদৌস (FWA) পরিবার কল্যাণ সহকারী, মিরাজ সরকার (সেচ্ছাসেবী) ও শিক্ষকমন্ডলীসহ বিদ্যালয়ের ছাত্র ছাত্রী।

    ছাত্র ছাত্রীর সচেতনতা বৃদ্ধি এবং স্বাস্থ্য বিভাগের সকল প্রোগ্রাম সঠিক লক্ষ্যে পৌঁছাতে বক্তব্যে প্রধান শিক্ষক রহিদুল ইসলাম স্যার বলেন, টাইফয়েড জ্বর সালমোনেলা টাইফি নামক এক ধরনের ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণের কারণে হয়, যা দূষিত খাবার ও পানীয় গ্রহণের মাধ্যমে ছড়ায়।অস্বাস্থ্যকর ব্যক্তিগত স্বাস্থ্যবিধি, অনিরাপদ জল এবং অপরিচ্ছন্ন কাঠামোর কারণে এই রোগের প্রাদুর্ভাব ঘটে।

  • গোপালগঞ্জে স্বামীকে জা-মিনে মুক্ত করতে অসু-স্থ শিশু বাচ্চাকে কোলে নিয়ে দাড়ে দাড়ে ঘুর-ছে স্ত্রী সোনালী বেগম

    গোপালগঞ্জে স্বামীকে জা-মিনে মুক্ত করতে অসু-স্থ শিশু বাচ্চাকে কোলে নিয়ে দাড়ে দাড়ে ঘুর-ছে স্ত্রী সোনালী বেগম

    কে এম সাইফুর রহমান, গোপালগঞ্জ প্রতিনিধিঃ 

    গোপালগঞ্জে গত ১৬ জুলাই এনসিপি’র সমাবেশকে কেন্দ্র করে দায়েরকৃত মামলায় (গোপালগঞ্জ জি.আর-২৭৮/২৫) অজ্ঞাত আসামী হিসেবে  কারাবন্দী (হাজতী আসামী) অসহায় ও হতদরিদ্র ভ্যানচালক আবু সাঈদ মোল্লা (২৩) কে জামিনে মুক্ত করতে অসুস্থ শিশু পুত্র (৯ মাস বয়সী) হুসাইনকে কোলে নিয়ে দাড়ে দাড়ে ঘুরছেন স্ত্রী সোনালী বেগম। 

    স্ত্রী সোনালী বেগম আক্ষেপ করে গণমাধ্যমকে বলেন, অসহায় দিনমজুর ভ্যানচালক আবু সাঈদ প্রকৃতপক্ষেই একজন ভ্যান চালক। গত ৫ আগস্ট গ্যারেজে ভ্যান ঠিক করার সময় পুলিশ তাকে আটক করে জেলে পাঠায়। সে কোন রাজনীতির সাথে জড়িত নয়। সারাদিন ভ্যান চালিয়ে যা আয়-রোজগার হয় তা দিয়ে বয়স্ক অন্ধ মায়ের চিকিৎসা সহ আমি ও আমার তিন শিশু সন্তানের ভরণ পোষণ চালাতো। সে জেলে থাকায় আমাদের সংসার যে কিভাবে চলছে তা আল্লাহ পাক ছাড়া আর কেউ জানেন না। আমার স্বামী আবু সাঈদ জেলে যাওয়ার পরে অর্থাভাবে আমার যমজ দুধের শিশু হাসান গত ৪ অক্টোবর বিনা চিকিৎসায় মারা যায়। পুজোর বন্ধ থাকায় এক সাংবাদিকের মাধ্যমে ডিসি স্যার ও এসপি স্যারের সহযোগিতায় সে দুই ঘন্টার জন্য প্যারোলে মুক্তি পেয়ে হাছানের দাফন কাফন ও জানাজায় অংশ নিয়ে 
    পুনরায় কারাগারে ফিরে যায়। বর্তমানে আমার যমজ অপর শিশু বাচ্চা হুসাইন, সেও খুব অসুস্থ। এদিকে পুলিশের দায়ের করা মামলায় আমার স্বামী অজ্ঞাত আসামী হিসেবে জেল হাজতে রয়েছে। আমার কাছে তেমন কোন টাকা-পয়সা নেই যে আমি হাইকোর্টে গিয়ে স্বামীকে জামিনে মুক্ত করে আনবো। গোপালগঞ্জে ম্যাজিস্ট্রেট কোর্ট, জর্জ কোর্ট সব জায়গা ঘুরেছি  গোপালগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ স্যারের আদালতে (ক্রিঃ মিস কেস নং- ১৩৭৫/২০২৫) ধার দেনা ও অনেক কষ্ট করে জমিনের জন্য আবেদন করেছিলাম। স্যারেরা আমার স্বামীকে জামিনে মুক্তি দিলো না। আমার স্বামীতো এজাহারভুক্ত আসামীও নন। সাক্ষ্য প্রমাণে সে যদি দোষী প্রমাণিত হয় তাহলে সরকার তাকে যে শাস্তি দেওয়ার দিবে। তাতে আমার কোন আপত্তি নেই। কিন্তু এখন যদি তাকে দ্রুত জামিনের ব্যবস্থা না করে সরকার তাহলে আমার নিষ্পাপ দুধের বাচ্চা হুসাইন এবং আমার অন্ধ শাশুড়িকে বাঁচানো কষ্টসাধ্য হয়ে দাঁড়াবে। তাই আমি মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা, মাননীয় আইন উপদেষ্টা ও মাননীয় স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা, মাননীয় প্রধান বিচারপতি স্যার সহ রাষ্ট্রের নিকট আমার স্বামীকে দ্রুত জামিনে মুক্ত করতে অনুরোধ জানাচ্ছি। 

    এ বিষয়ে ভ্যান চালক (হাজতী আসামী) আবু সাঈদ মোল্লার আপন বড় ভাই রবিউল মোল্লা 
    তার নয় (০৯) মাস বয়সী ভাতিজা হাসান মোল্লার মৃত্যুর সংবাদে প্যারোলে দুই ঘন্টার জন্য মুক্তি দেওয়ায় গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার মহোদয়ে প্রতি অশেষ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। সেই সাথে তিনি 
    সরকারের নিকট দ্রুত তার ভাইকে জামিনে মুক্ত করে দিতে অনুরোধ জানান। 

    উল্লেখ্য, গোপালগঞ্জে গত ১৬ জুলাই এনসিপি’র সমাবেশকে কেন্দ্র করে গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার গোপীনাথপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের পরিদর্শক (নিঃ) আহমেদ আলী বিশ্বাস (বিপি- ৮৬১৩১৫৬০৩৩) কর্তৃক দায়েরকৃত মামলায় এজাহারভুক্ত ৭৬ জন সহ অজ্ঞাত ৪৫০/৫০০ জনের বিরুদ্ধে (গোপালগঞ্জ সদর থানা মামলা নং-১৫/২৭৮, তারিখঃ ১৭/০৭/২০২৫ ইং – ধারা – ২০০৯ সালের সন্ত্রাসবিরোধী নিয়ন্ত্রণ আইন -এর ৬/৭/১০/১১/১২/১৩ তৎসহ পেনাল কোড ১৮৬/৩৩২/৩৩৩/ ৩৫৩/৪২৭/৪৩৬/৫০৬ ধারা মামলা রুজু হয়। উক্ত মামলায় পুলিশ আবু সাঈদকে আটক করে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করেন।

  • সেনবাগে আরাফাত রহমান কোকো ক্রীড়া পরিষদের যুগ্ম আহবায়ক মনোনীত হলেন নি-র্যাতিত নেতা আবদুল খালেক

    সেনবাগে আরাফাত রহমান কোকো ক্রীড়া পরিষদের যুগ্ম আহবায়ক মনোনীত হলেন নি-র্যাতিত নেতা আবদুল খালেক

    রফিকুল ইসলাম সুমন (নোয়াখালী)

    আরাফাত রহমান কোকো ক্রীড়া পরিষদ,নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলা শাখার যুগ্ম আহবায়ক মনোনীত হলেন কারা নির্যাতিত বিএনপি নেতা আবদুল খালেক। তিনি সেনবাগ উপজেলার ৪নং কাদরা ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ড (নিজ সেনবাগ) বিএনপির বর্তমান সভাপতি। আগামীর পথচলায় কারা নির্যাতিত বিএনপি নেতা আবদুল খালেক সকলের নিকট দোয়া ও দায়িত্ব পালনে সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেছেন।

  • ভালুকায় গ-রীব অ-সহায়রা পেলো  বিএনপি নেতা মোর্শেদ আলমের মানবিক উপহার শাড়ী লুঙ্গী

    ভালুকায় গ-রীব অ-সহায়রা পেলো বিএনপি নেতা মোর্শেদ আলমের মানবিক উপহার শাড়ী লুঙ্গী

    আরিফ রববানী ময়মনসিংহ

    ভালুকার মানবিক নেতা মোর্শেদ আলমের মানবিক উদ্যোগে অস্বচ্ছল মানুষের মাঝে শাড়ি ও লুঙ্গি বিতরণ
    বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশনা অনুসারে দলীয় তৃণমূল পর্যায়ে মানবিক কর্মকাণ্ডের ধারাবাহিকতায় অসচ্ছল পরিবারের মাঝে শাড়ী লুঙ্গী বিতরণ করেছেন ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক ও উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক আলহাজ্ব মোহাম্মদ মোর্শেদ আলম।

    শনিবার (১১ অক্টোবর) সকালে ও বিকেলে ভালুকা পৌরসভার বিভিন্ন স্থানে আয়োজন করা হয় এক অনাড়ম্বর কিন্তু হৃদয়স্পর্শী মানবিক সহায়তা কার্যক্রমের।

    সকালে পৌরসভার ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডে, কাঠালী বাঘড়া পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে এবং বিকেলে ১ থেকে ৭ নম্বর ওয়ার্ডের অসচ্ছল নারী-পুরুষের মাঝে ভালুকা সরকারি কলেজ মাঠে শাড়ি ও লুঙ্গি বিতরণ করা হয়।

    এ মানবিক সহায়তা কার্যক্রম ও আলোচনা সভা যৌথভাবে আয়োজন করে ভালুকা উপজেলা ও পৌর বিএনপি।

    অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা বিএনপির অন্যতম সদস্য, পৌর বিএনপির আহ্বায়ক জনতার মেয়র হিসেবে পরিচিত আলহাজ্ব হাতেম খান। সকালের অনুষ্ঠানে সঞ্চালনা করেন আমিনুল ইসলাম, আর বিকেলে সঞ্চালকের দায়িত্ব পালন করেন কায়সার আহমেদ কাজল।

    অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক সালাহ উদ্দিন আহমম্মেদ, মজিবুর রহমান মজু, রুহুল আমিন, উপজেলা বিএনপির সদস্য সিরাজুল ইসলাম ঢালী, পৌর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক জহির রায়হান, আবু তাহের ফকির, শ্রী স্বপন বনিক, পৌর বিএনপির সদস্য আমিনুল ইসলাম পাপ্পু, পৌর বিএনপির সদস্য ও সাবেক কাউন্সিলর আমান উল্লাহ তাজুন উপজেলা শ্রমিকদলের সভাপতি সৌমিক হাসান সোহাগ, সাধারণ সম্পাদক শাহ মোহাম্মদ সুজন, পৌর শ্রমিকদলের সভাপতি মাহাবুল আলম মোল্লা, সাধারন সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন, পৌর বিএনপি নেতা ও কাউন্সিলর প্রার্থী ফজলুল হক প্রমুখ। এছাড়াও উপজেলা বিএনপি, পৌর বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গগণ উপস্থিত ছিলেন।

    মানবিক সহায়তা নিতে আসা এক বয়স্কা নারী বলেন, “রাজনীতি যাই হোক, আজ যেভাবে আমাদের পাশে দাঁড়ানো হয়েছে, তাতে মনে হলো আমরা ভুলে যাইনি। আল্লাহ উনাদের উত্তম প্রতিদান দিক।”

    স্থানীয় বাসিন্দাদের অনেকে জানান, বর্তমান অর্থনৈতিক সংকটের সময় এমন উদ্যোগ তাদের জীবনে আশার আলো ছড়িয়েছে।

    আলহাজ্ব মোহাম্মদ মোর্শেদ আলম বলেন, “বিগত সাড়ে ১৭ বছর আমরা আপনাদের কাছে আসতে পারি নাই। এখন দেশ স্বৈরাচার মুক্ত হয়েছে। নিয়মিত আপনাদের সাথে দেখা হবে। পর্যায়ক্রমে তারেক রহমানের পক্ষ থেকে উপহার নিয়ে আসবো।

    তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল একটি মানবিক রাজনৈতিক সংগঠন। তারেক রহমান একজন মানবতার ফেরিওয়ালা। তার নীতিই হচ্ছে মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত ও বিপদগ্রস্ত হলে তাদের পাশে দাঁড়ানো, বিপদগামী ও অস্বচ্ছল মানুষের সাহায্য করা তার শিক্ষা।মানুষের দুর্দিনে আর্থিক সহায়তা,খাবার-দাবার, ত্রাণ ও পুনর্বাসন এবং চিকিৎসাসেবায় এগিয়ে আসা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান নীতি আদর্শ। তারেক রহমান তার পিতা জিয়াউর রহমানেট আদর্শকে বুকে লালন করেন। আমি তার কর্মী হিসাবে তারেক রহমানের নির্দেশনা মোতাবেক গরীব ও অসহায়দের বিভিন্নভাবে সহযোগী করি। আগামীতেও আমার পক্ষ থেকে এধরণের সহযোগীতা অব্যাহত থাকবে।

    তিনি বলেন,দুর্গত মানুষদের পাশে সমাজের সকল বিত্তশালীদের এগিয়ে আসা উচিত। দুর্গত মানুষের পাশে বিত্তশালীরা এগিয়ে আসলে সমাজের অসহায় মানুষগুলোর কষ্ট হবে না।

    অনুষ্ঠান শেষে স্থানীয় জনগণ বিএনপি নেতৃবৃন্দের এই মানবিক ও সমাজমুখী উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং ভবিষ্যতেও তাঁদের পাশে থাকার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

    এই কর্মসূচি কেবল একটি দান-সহায়তা নয় এটি ছিল রাজনৈতিক নেতৃত্বের মানবিক রূপের প্রকাশ, যেখানে ভালুকাবাসী দেখল এক ভিন্নধর্মী রাজনীতির প্রতিচ্ছবি যেখানে রাজনীতি মানে কেবল ক্ষমতার প্রতিযোগিতা নয়, বরং মানুষের হৃদয়ে স্থান করে নেওয়া।

  • কোথায় হা-রিয়ে গেল সেই নোয়াখালী বনাম কুমিল্লা জেলার মানুষের আন্তরিক বন্ধন?

    কোথায় হা-রিয়ে গেল সেই নোয়াখালী বনাম কুমিল্লা জেলার মানুষের আন্তরিক বন্ধন?

    তরিকুল ইসলাম তরুন।।

    অগ্রহায়ণের হিমেল হাওয়ায় আজও মনে পড়ে যায় এক সময়ের দৃশ্য—নোয়াখালীর একদল টাউক্কা এসে জমে উঠত বৃহত্তর কুমিল্লার নবীনগর থানার ভিটি বিশাড়া আদমআলী মুন্সি বাড়িতে।
    তারা আসলে পুরো গ্রাম যেন প্রাণ ফিরে পেত।

    ওরা ছিল পরিশ্রমী, নীরব, নিঃস্বার্থ কর্মী। নিজেদের রান্না নিজেরা করত, ভোর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত আমাদের আউশধান, আমনধান, তিলবাজালধান, কালা আমন, পরসুম, বিলবাজাল কিংবা খামা ধান কেটে জমিতে শুকিয়ে, ঘরে এনে জাবার, ঢুলী, মটকায় ভরে দিত—তারপর নিয়ে যেত সামান্য মজুরি।

    আজ যখন দেখি, সেই নোয়াখালীর মানুষ কেউ কেউ কুমিল্লার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে—মনটা কেমন হাহাকার করে ওঠে।
    কেন এমন হলো?
    যে মানুষগুলো একসময় কুমিল্লা, ব্রাহ্মণবাড়ীয়া, সিলেটের নিচু জমিতে প্রাণ ঢেলে কাজ করত, তারা আজ কেন বিভক্তির কথা বলছে?

    তখন কিন্তু দেশে অভাব ছিল, ভাতের কণা ছিল না অনেক ঘরে। যার ১০ কানি জমি ছিল, তারও ঘরে ভাত ছিল না। ধান পেকে শুয়ে থাকত জমিতে, কিন্তু কাটার লোক ছিল না। কৃষকরা অপেক্ষা করত—“নোয়াখালীর টাউক্কা” আসবে কবে!
    তারা না এলে ধান ঘরে উঠত না।

    তাহলে আজ কেন আমরা ভুলে যাচ্ছি সেই ঐতিহাসিক সম্পর্ক?
    নোয়াখালীকে আমরা শ্রদ্ধা করতাম, ভালোবাসতাম—আজও করি।
    তাই প্রত্যাশা করি, নোয়াখালী যেন সহসাই কুমিল্লার পাশে দাঁড়ায়, বিভেদের নয়—একতার সুর তোলে।

    ব্রাহ্মণবাড়ীয়া থেকে কুমিল্লার দূরত্ব যতই হোক, হৃদয়ের দূরত্ব যেন কখনও না বাড়ে। কারণ, আমাদের প্রাণের নাম—কুমিল্লা। সাংবাদিক ও লেখক মোঃ তরিকুল ইসলাম তরুন,কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধি দঃ দৈনিক বাংলা, স্টাফ রিপোর্টার দৈনিক কুমিল্লার কাগজ, সভাপতি জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা কুমিল্লা জেলা, সদস্য কুমিল্লা প্রেসক্লাব।

  • পাইকগাছায় টাই-ফয়েড কনজুগেট ভ্যাকসিন ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন

    পাইকগাছায় টাই-ফয়েড কনজুগেট ভ্যাকসিন ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন

    ইমদাদুল হক পাইকগাছা (খুলনা)।।
    খুলনার পাইকগাছায় টাইফয়েড কনজুগেট ভ্যাকসিন ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ১২ অক্টোবর রবিবার সকালে ৬১নং শহীদ গফুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এ ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ ইফতেখারুল ইসলাম শামীম। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোঃ মাহবুবর রহমান। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন, থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ রিয়াদ মাহমুদ, উপজেলা বিএনপির সম্মেলন প্রস্তুত কমিটির আহ্বায়ক ডাঃ আব্দুল মজিদ, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জুনিয়র কনসালটেন্ট (গাইনি) ডাঃ সুজন কুমার সরকার, জুনিয়র কনসালটেন্ট (এ্যানেস্থেসিয়া) ডাঃ জহিরুল ইসলাম, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার বিদ্যুৎ রঞ্জন সাহা, মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ শাহাজাহান আলী শেখ, উপজেলা সমাজসেবা অফিসার অনাথ কুমার বিশ্বাস, মেডিকেল অফিসার (রোগ নিয়ন্ত্রণ) ডাঃ শাকিলা আফরোজ, উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা অফিসার মোঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন, উপজেলা আইসিটি অফিসার মোঃ আব্দুস সামাদ,বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সেলিনা পারভীন, নার্সিং সুপারভাইজার হামিদা খাতুন প্রমুখ।অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, টাইফয়েড একটি প্রতিরোধযোগ্য রোগ, এবং শিশুদের সুরক্ষায় এই ভ্যাকসিন কর্মসূচি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মাসব্যাপী এ ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে উপজেলার প্রত্যন্ত এলাকার শিশুরাও টিকাদানের আওতায় আসবে বলে আশা প্রকাশ করেন।

    উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তাবৃন্দ, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

    ইমদাদুল হক,
    পাইকগাছা খুলনা।

  • সুজানগর পৌরসভায় টাই-ফয়েড টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধন

    সুজানগর পৌরসভায় টাই-ফয়েড টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধন

    এম এ আলিম রিপন,সুজানগরঃ পাবনার সুজানগর পৌরসভায় টাইফয়েড কনজুগেট ভ্যাকসিন (টিসিভি) টিকাদান ক্যাম্পেইন উদ্বোধন করা হয়েছে।
    সুজানগর পৌর এলাকায় সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচির (ইপিআই) আওতায় ১২ অক্টোবর থেকে শুরু হয়ে এ টিকাদান কর্মসূচি আগামী চার সপ্তাহ অব্যাহত থাকবে।
    রবিবার সুজানগর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধন করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মেহেদী হাসান। এ সময় উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার সোলায়মান হোসেন, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডাঃ তাইফুর আজিজ খান, উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার আবুল কালাম আজাদ, সুজানগর সরকারি পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) আব্দুর রাজ্জাক, পৌর সচিব(ভারপ্রাপ্ত)হেদায়েতুল হক,পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর ওয়ালিউল্লাহ বিশ্বাস, পৌরসভার স্যানেটারী ইনস্পেক্টর আমিরুল ইসলাম, কঞ্জারভেন্সী ইনস্পেক্টর হাসান উদ্দিনসহ বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অতিথিবৃন্দ তাদের বক্তব্যে বলেন, টাইফয়েড টিকাদান ক্যাম্পেইন সফল করার বিকল্প নেই। আমাদের মনে রাখতে হবে যে, আজকের সুস্থ শিশু মানেই আগামীর সুস্থ প্রজন্ম ও ভবিষ্যতের দক্ষ নাগরিক। শিশুদের লেখাপড়া-খেলাধুলায় সফল হওয়ার জন্য সুস্থতার বিকল্প নেই। যে সকল শিশু ইতোমধ্যে টিকা পেতে রেজিস্ট্রেশন করেছে তাদের সঠিকভাবে টিকা দিতে হবে। একইসাথে, রেজিস্ট্রেশন না করা শিশুদেরকেও রেজিস্ট্রেশন করিয়ে টিকার আওতায় আনতে হবে। এক্ষেত্রে অভিভাবকদের সচেতনতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। টাইফয়েড টিকার উল্লেখযোগ্য কোন পাশ্বপ্রতিক্রিয়া নেই এবং টিকাটি হালাল সনদপ্রাপ্ত।
    সুজানগর পৌরসভার স্যানেটারী ইনস্পেক্টর আমিরুল ইসলাম জানান, সুজানগর পৌর এলাকায় এক লাখ ১০ হাজার একশত ৯৯ জন শিশুকে টাইফয়েড টিকা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে। টিকা ক্যাম্পেইনের আওতায় পৌর এলাকায় ৩০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ১৮ কমিউনিটি কেন্দ্রে টাইফয়েড টিকা দেয়া হবে। টাইফয়েড টিকাদান ক্যাম্পেইন (টিসিভি) এর আওতায় প্রথম দুই সপ্তাহ (১২-৩০ অক্টোবর) পর্যন্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ও টিকাদান কেন্দ্রে এবং পরবর্তী দুই সপ্তাহ (১-১৩ নভেম্বর) কমিউনিটি পর্যায়ে নিয়মিত এবং স্থায়ী ও অস্থায়ী কেন্দ্রে টাইফয়েড টিকা প্রদান করা হবে। ক্যাম্পেইনে নয় মাস থেকে ১৫ বছরের কম বয়সী সকল শিশুকে একডোজ টিকা প্রদান করা হবে । পৌর এলাকার আওতায় টিকা ক্যাম্পেইনে ১৮ জন টিকাদানকারী, ২৭জন স্বেচ্ছাসেবী ও ৯ জন সুপারভাইজার দায়িত্ব পালন করবেন বলেও জানান তিনি।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি।।

  • সদ্য অবস-রে যাওয়া প্রধান শিক্ষক নিখিল চন্দ্র রায়ের বিরু-দ্ধে নানা অ-ভিযোগ

    সদ্য অবস-রে যাওয়া প্রধান শিক্ষক নিখিল চন্দ্র রায়ের বিরু-দ্ধে নানা অ-ভিযোগ

    আনোয়ার হোসেন,
    নেছারাবাদ উপজেলা প্রতিনিধি //

    ১২১নং গণপতিকাঠী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সদ্য অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক নিখিল চন্দ্র রায়ের বিরুদ্ধে দায়িত্বপালন কালীন বিদ্যালয়ের উন্নয়ন (স্লিপ ও রুটিন মেরামত) বাবদ বিভিন্ন বরাদ্দের টাকা আত্মসাৎ এর অভিযোগ এনে অত্র বিদ্যালয়ের অভিভাব ও ধন্যবাদ নো ব্যক্তিবর্গের ৭১ জনের স্বাক্ষর সম্বলিত একটি লিখিত অভিযোগ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সহ বিভিন্ন দপ্তরে জমা দিয়েছেন।

    লিখিত বক্তব্যে তিনি উল্লেখ করেন, বিদ্যালয়ের উন্নয়ন খাতে ব্যয় না করে শিক্ষা অফিসে পরিকল্পনা ও বিভিন্ন ভাউচার জমা দিয়েছেন। যেখানে আমাদের স্বাক্ষর জাল করা হয়েছে। আমি বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসাবে দায়িত্ব নেয়ার পর বিষয়টি দৃষ্টি গোচর হলে স্বাক্ষর জালিয়াতির বিষয় সম্পর্কে তার কাছে জানতে চাই। এছাড়া বিদ্যালয়ের দাপ্তরিক কাগজপত্র, রেজিস্ট্রার ও মালামালের হিসাব বুঝিয়া দেয়ার কথা বলায় তিনি ক্ষুদ্ধ হয়ে বিদ্যালয় চলাকালীন সময়ে তার ছেলে সাগর রায় সহ অফিস কক্ষে এসে আমার উপর অতর্কিত হামলা চালায় এবং অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে।

    আমি বিষয়টি বিদ্যালয়ের জমিদাতা, অভিভাবক ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদেরকে জানালে তারা বিগত দিনের বরাদ্দের হিসাব জানতে চায় এবং তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের নিকট আবেদন করার জন্য পরামর্শ প্রদান দেন।

    গণ্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মহোদয়ের কাছে বিষয়টি উপস্থাপন করি এবং এলাকাবাসি ও উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মহোদয়ের পরামর্শক্রমে থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী করি। সাধারণ ডায়েরীর বিষয়টি জানার পর উপরোক্ত শিক্ষক নিখিল চন্দ্র রায় ও তার ছেলে সাগর রায় বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি ও হুমকী প্রদান সহ আমাদেরকে দেখিয়ে দিবে বলে বিভিন্ন লোককে বলে বেড়াচ্ছে। উল্লেখ্য, এলাকার নির্বাচিত ইউপি সদস্য, অভিভাবক ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ স্থানীয়ভাবে বিষয়টি মিমাংসার জন্য বার বার উদ্যোগ নিলেও উক্ত শিক্ষক তাতে কোনো কর্নপাত করেননি।

    এ বিষয়ে সদ্য অবসরে যাওয়া প্রধান শিক্ষক নিখিল চন্দ্র রায় বলেন, ওরা জানে একটি বিদ্যালয়ে কতটাকা বরাদ্দ আশে কতটাকা হাতে পাওয়া যায়। তাছাড়া আমি যে বরাদ্দ পেয়েছি তার বিদ্যালয়ের কাজে ব্যায় করেছি। আমার এখন অবসরে যাওয়ার সময় ওরা একটা ঝামেলা সৃষ্টি করে মিথ্যে অভিযোগ দিয়েছে।

    এ বিষয়ে নেছারাবাদ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার জানান, আমরা একটা লিখিত অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত করে বিষয়টা দেখবো।

    নেছারাবাদ উপজেলা প্রতিনিধি ।।

  • বানারীপাড়ার অ-গ্নিকাণ্ডে সুমনের বাড়ি পু-ড়ে ছাই

    বানারীপাড়ার অ-গ্নিকাণ্ডে সুমনের বাড়ি পু-ড়ে ছাই

    সাব্বির হোসেন।।
    বানারীপাড়ার সৈয়দকাঠীতে বিদ্যুৎ সট সার্কিটে অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে বলে খবর পাওয়া গেছে।
    ৩নং সৈয়দকাঠী ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের বড় করপাড়া এলাকার বাসিন্দা মোঃ সুমনের বাড়িতে বিদ্যুৎ সট সার্কিটের ফলে অগ্নিকাণ্ড ঘটে, যার ফলে তিনি সম্পূর্ণ নিঃস্ব ও সর্বশান্ত হয়ে গেছেন।

    এ বিষয়ে মোঃ সুমন জানান, তিনি তার পরিবারসহ বাড়িতে ছিলেন না।রবিবার ১২ই অক্টোবর রাত ৮:৩০ এর দিকে হঠাৎ করে ফোনে তাকে জানানো হয় যে তার বাড়িতে আগুন লেগেছে। তড়িঘড়ি করে বাড়িতে ফিরলে দেখতে পান তার স্বপ্ন ও শ্রম যে ঘর নির্মান করেছিলেন, সবকিছুই আগুনে পুড়ে নিমিষেই ছাই হয়েছে।

    সুমনের প্রতিবেশীরা জানান, আগুন লেগে যাওয়ার পর তারা দ্রুত ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেন, কিন্তু ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা আসতে দেরি করেন। ফলে আগুন পুরোপুরি ছড়িয়ে পড়ার আগেই তাদের দ্বারা কোনো ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হয়নি। তারা আরও জানান, যত দ্রুত সম্ভব তারা আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন, কিন্তু আগুনের তীব্রতা অত্যধিক ছিল।
    এছাড়া প্রতিবেশীরা উল্লেখ করেন, সুমন সম্প্রতি নতুন একটি ঘর নির্মাণ করেছিলেন। সাধারণ জনগণ ক্ষোভ প্রকাশ করছেন যে যদি ফায়ার সার্ভিস দ্রুত আসতো, তাহলে এই পরিমাণ ক্ষতি এড়ানো সম্ভব হতো।একই সাথে বিষয়টি কেন্দ্র করে সৈয়দকাঠীতে শোকের ছায়া বিরাজ করছে।

    মোঃ সাব্বির হোসেন ।।