Author: desk

  • ময়মনসিংহের ১১আসনে ১৯ প্রার্থীর মনোনয়ন প্র-ত্যাহার, লড়/বেন ৬৭ জন

    ময়মনসিংহের ১১আসনে ১৯ প্রার্থীর মনোনয়ন প্র-ত্যাহার, লড়/বেন ৬৭ জন

    আরিফ রববানী ময়মনসিংহ।।
    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহের ১১ টি আসনে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের মনোনীত ও স্বতন্ত্র মিলিয়ে ৬৭ জন প্রার্থী ভোটের মাঠে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।

    মঙ্গলবার মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিনে জেলার ১১ টি নির্বাচনী আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ৫জন,বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের ৪ জন,খেলা মজলিস এর ৪ জন ও স্বতন্ত্র ৬প্রার্থীসহ উনিশজন প্রার্থী নিজেদের মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নিয়েছেন।

    ময়মনসিংহ জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. সাইফুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ময়মনসিংহের ১১টি আসনে মোট ৬৭ জন বৈধ প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। ২১জানুয়ারী-২০২৬ বুধবার বৈধ প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে।

    মনোনয়ন প্রত্যাহার করা প্রার্থীরা হলেন ময়মনসিংহ-১ (হালুয়াঘাট) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী মাহফুজুর রহমান,স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ আব্দুল হামিদ, ময়মনসিংহ-২(ফুলপুর) আসনে খেলাফত মজলিস মনোনীত প্রার্থী মতিউর রহমান, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী আনোয়ার হাসান, ময়মনসিংহ-৩ (গৌরীপুর) আসনে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী ফজলুর রহমান, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী মোঃ বদরুজ্জামান, ময়মনসিংহ-৪ (সদর) আসনে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মোস্তাক আহমেদ, ময়মনসিংহ- ৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস এর প্রার্থী রেজাউল করিম, ময়মনসিংহ-৬ (ফুলবাড়িয়া) আসনে খেলাফত মজলিসের প্রার্থী রফিকুল ইসলাম, স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুল করিম,ময়মনসিংহ-৭ (ত্রিশাল) আসনে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী আব্দুল কদ্দুস, খেলাফত মজলিসের প্রার্থী নজরুল ইসলাম,ময়মনসিংহ-৮ (ঈশ্বরগঞ্জ) আসনে খেলাফত মজলিসের প্রার্থী আহাম্মদ হোসেন ভূইয়া, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী মুঞ্জুরুল হক হাসান, ময়মনসিংহ-৯ (নান্দাইল) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী মোঃ মামুন বিন আব্দুল মান্নান, ময়মনসিংহ-১০ (গফরগাঁও) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী আল ফাতাহ মোঃ আঃ হান্নান,আলমগীর মাহমুদ, মুশফিকুর রহমান, ময়মনসিংহ-১১(ভালুকা) আসনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী মোহাম্মদ ছাইফ উল্লাহ পাঠান।

    এর আগে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ময়মনসিংহ জেলার ১১টি সংসদীয় আসনে মোট ১১৭ জন সম্ভাব্য প্রার্থী মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করে। নির্বাচন কমিশন ঘোষিত তফসিলের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন গত ২৯ ডিসেম্বরের মধ্যে ৯৪ জন প্রার্থী তাদের মনোনয়নপত্র জমা দেন। পরে রিটার্ণিং কর্মকর্তা কর্তৃক যাচাই বাছাইয়ে ৬৫ জনের মনোনয়ন পত্র বৈধতা পায় এবং মনোনয়ন পত্রে বিভিন্ন সমস্যা থাকায় রিটার্নিং কর্মকর্তা ২৯ জনের মনোনয়ন পত্র বাতিল করলে পরবর্তীতে নির্বাচন কমিশনের আপিল বিভাগে ২১ জন প্রার্থী তাদের প্রার্থীতা ফিরে পায়। ২০জানুয়ারী ১৯ জন প্রার্থী তাদের প্রার্থীতা প্রত্যাহার করে নেওয়ায় ২১ জানুয়ারি প্রতীক নিয়ে ভোটের মাঠে লড়াই করবেন ৬৭ জন প্রার্থী।

  • বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত ও মিয়া সাত্তারের সৌজন্য সাক্ষাৎ

    বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত ও মিয়া সাত্তারের সৌজন্য সাক্ষাৎ

    সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি :
    বাংলাদেশ ও রাশিয়ার মধ্যে দ্বি-পাক্ষিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার লক্ষ্যে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত আলেকজান্ডার গ্রিগোরিয়েভিচ খোজিন।
    এ সময় তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন, রাশিয়ান ফ্রেন্ডশিপ সোসাইটি উইথ বাংলাদেশ’র সভাপতি ও ন্যাশনাল গ্রুপ রাশিয়ার চেয়ারম্যান,বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত সিরাজগঞ্জের সলঙ্গার কৃতি সন্তান মিয়া সাত্তার।
    গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে গুলশানে বিএনপির চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
    এ সময় বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হুমায়ুন কবির,আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক রাশেদুল হক,প্রেস সচিব সালেহ শিবলী ও উপদেষ্টা মাহদী আমিন উপস্থিত ছিলেন।
    সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশ ও রাশিয়ার পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। দুই দেশের মধ্যে রাজনৈতিক বোঝাপড়া জোরদার,জনগণ থেকে জনগণের যোগাযোগ বৃদ্ধি এবং পারস্পরিক সহযোগিতার ক্ষেত্র আরও সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। সাক্ষাৎকালে উভয় পক্ষ দ্বি-পক্ষীয় সম্পর্ক,রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও চলমান ইস্যু নিয়ে আলোচনা করেছেন বলে জানা গেছে।
    আলোচনায় রাশিয়ান ফ্রেন্ডশিপ সোসাইটি উইথ বাংলাদেশ’র ভূমিকার কথাও উঠে আসে।সংস্থাটি পাবলিক ডিপ্লোমেসি জোরদার করার পাশাপাশি দুই দেশের জনগণের মধ্যে আস্থা,বন্ধন ও পারস্পরিক বোঝাপড়া গভীর করতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
    সংশ্লিষ্টরা মনে করেন,এ ধরনের সৌজন্য সাক্ষাৎ ও গঠনমূলক সংলাপ বাংলাদেশ ও রাশিয়ার মধ্যকার পারস্পরিক আস্থা বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে এবং দ্বি-পাক্ষিক সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

  • সলঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদে নির্বাচনী  উঠান বৈঠক  

    সলঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদে নির্বাচনী উঠান বৈঠক  

    জি,এম স্বপ্না,সিরাজগঞ্জ :
    সংসদ নির্বাচন-২০২৬ এ আচরণ বিধি ও গণভোট সম্পর্কিত তথ্য জনসাধারণকে অবহিত করন এবং ভোটদানে উৎসাহিত করার লক্ষ্যে সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায় উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।আজ বুধবার (২১ জানুয়ারি) দুপুরে সলঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের আয়োজনে মাঠ প্রাঙ্গনে এ উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।অনুষ্ঠানের শুরুতেই নির্বাচনী তথ্য সম্পর্কিত লিফলেট বিতরণ করা হয়।উল্লাপাড়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ও ৮নং সলঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক কৃষিবিদ সুবর্ণা ইয়াসমিন সুমি উঠান বৈঠকে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে নির্বাচনী আচরণবিধি ও গণভোট সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জনসাধারণকে অবহিত এবং ভোট দানে উৎসাহিত করার লক্ষ্যে বিস্তারিত বর্ণনা করেন।এ সময় ইউনিয়ন পরিষদ গ্রাম আদালতের বিচারক রফিকুল ইসলাম মন্টু,সাংবাদিক কে.এম আল আমিন,ইউপি সদস্য শরিফুল ইসলাম,আব্দুল খালেক, মনিরুজ্জামান মনি,ওবায়দুল হকসহ অন্যান্য ইউপি সদস্য ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

  • তারেক রহমান কা-র্ড দেখিয়ে ভোট চাইছেন : সারজিস আলম

    তারেক রহমান কা-র্ড দেখিয়ে ভোট চাইছেন : সারজিস আলম

    মোঃ বাবুল হোসেন জেলা প্রতিনিধি, পঞ্চগড়:
    জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১০ দলীয় নির্বাচনি জোটের শরিক দল থেকে পঞ্চগড়-১ আসনের মনোনীত প্রার্থী ও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম অভিযোগ করেছেন, বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান কার্ড দেখিয়ে মানুষকে প্রলুব্ধ করে ভোট চাইছেন, যা নির্বাচন আচরণবিধির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।

    বুধবার (২১ জানুয়ারি) দুপুরে পঞ্চগড় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে প্রতীক বরাদ্দ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

    সারজিস আলম বলেন, বিএনপি খালেদা জিয়ার শোকবার্তার নামে যে লিফলেট ঘরে ঘরে বিতরণ করেছে, তা মূলত সিমপ্যাথি নেওয়া ও ভোট চাওয়ার আরেকটি কৌশল। আমরা এটি নিয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো অভিযোগ করিনি। তবে গতকাল কড়াইল বস্তির একটি অনুষ্ঠানে তারেক রহমান একটি কার্ড দেখিয়ে নানা প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন, যা নির্বাচন আচরণবিধির সরাসরি লঙ্ঘন। কোনো দলীয় প্রধান এভাবে মানুষকে প্রলুব্ধ করে ভোট চাইতে পারেন না।

    তিনি আরও বলেন, যে কার্ডের কোনো বাস্তব অস্তিত্ব নেই, সরকার গঠন হবে কিনা তারও নিশ্চয়তা নেই-সেই কার্ড দেখিয়ে ভোট চাওয়া অনৈতিক। এসব ঘটনার পরও আমরা এখনো অফিসিয়ালি অভিযোগ দেইনি।

    বিএনপির বিরুদ্ধে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, বিএনপির স্থানীয়, ওয়ার্ড, ইউনিয়ন ও উপজেলা পর্যায়ের নেতাকর্মীরা ভোটার ও সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ভয়ভীতি দেখাচ্ছে। আমরা স্পষ্ট করে বলতে চাই-ভয়ের রাজনীতি এই বাংলাদেশে আর চলবে না। দমন-পীড়নের রাজনীতির পরিণতি সবাই এক বছর চার মাস আগেই দেখেছে।

    তিনি বলেন, আমরা ভোট চাইতে পারি, কিন্তু ‘ভোট না দিলে দেখে নেওয়া হবে’-এ ধরনের ভাষা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। আমরা মৌখিকভাবে অভিযোগ জানিয়েছি, প্রয়োজনে লিখিত অভিযোগও দেওয়া হবে।

    ছোটখাটো রাজনৈতিক দলের আচরণবিধি লঙ্ঘন নিয়ে খুব একটা অভিযোগ না করার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, আমরা সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ নির্বাচনের পক্ষে। ভোটার, আমাদের কর্মী-সমর্থক বা ১০ দলীয় জোটের কাউকে ভয় দেখানো হলে প্রশাসনকে ব্যবস্থা নিতে হবে, নতুবা আমরা প্রতিরোধ গড়ে তুলবো।

    তিনি আরও বলেন, এই বাংলাদেশ আগের বাংলাদেশ নয়। একটি দল দমন-পীড়ন করবে আর অন্যরা নীরব দর্শক হয়ে থাকবে এ সময় শেষ। আমরা এখন পর্যন্ত কাউকে হুমকি দেইনি, ভবিষ্যতেও দেব না। এটা আমাদের রাজনৈতিক চরিত্রে নেই।

    বিএনপির কার্ড প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এই কার্ড দিয়ে যদি চাল, ডাল, তেল দেওয়ার কথা বলা হয়, তাহলে প্রশ্ন আসে তারা কি জনগণকে অক্ষম করতে চায়? আমরা চাই একটি স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ নির্বাচন। সে লক্ষ্যে আমাদের সর্বাত্মক সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।

  • সাভারে তিন থানায় পৃথক স্থান থেকে সাত মাসে ৩০টি অ-জ্ঞাত লা-শ উ-দ্ধার করেছে পুলিশ

    সাভারে তিন থানায় পৃথক স্থান থেকে সাত মাসে ৩০টি অ-জ্ঞাত লা-শ উ-দ্ধার করেছে পুলিশ

    হেলাল শেখঃ ঢাকা জেলার সাভার উপজেলার তিনটি থানার পৃথক স্থান থেকে গত সাত মাসে অজ্ঞাত পরিচয়ে প্রায় ৩০টি মরদেহ উদ্ধার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পৃথক থানা পুলিশ। এসব ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ ও আতঙ্ক বিরাজ করছে।

    সাভার মডেল থানার আওতাধীন পৌর কমিউনিটি সেন্টারের পাশ থেকে সম্প্রতি দুইটি পোড়া মরদেহ উদ্ধারসহ গত সাত মাসে মোট ৬টি অজ্ঞাত লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে কয়েকটি হত্যাকাণ্ডের আলামত মিললেও অধিকাংশ ঘটনায় এখনো নিহতদের পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।

    অন্যদিকে সাভার হাইওয়ে থানা পুলিশ গত সাত মাসে প্রায় এক ডজন অজ্ঞাত পরিচয়ের লাশ উদ্ধার করেছে। হাইওয়ে পুলিশের দাবি, এসব মৃত্যুর অধিকাংশই সড়ক দুর্ঘটনাজনিত।
    এছাড়াও আশুলিয়া থানার আওতাধীন ইয়ারপুর এলাকায় সিরাজুল ইসলামের বোনের মালিকানাধীন জমি থেকে এক অজ্ঞাত যুবতীর লাশ উদ্ধারসহ আশুলিয়া এলাকায় গত সাত মাসে প্রায় ৯টি অজ্ঞাত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

    পুলিশ সূত্র জানায়, উদ্ধারকৃত মরদেহগুলোর মধ্যে এক-দু’জনের পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হলেও অধিকাংশ ঘটনায় নিহতদের পরিচয় অজানা রয়ে গেছে। কিছু ঘটনায় হত্যাকারী গ্রেফতার হলেও বেশিরভাগ ঘটনায় অপরাধীরা এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়েছে।
    পুলিশ, র‍্যাব ও ডিবি সূত্রে জানা যায়, সাভার উপজেলা ঢাকা জেলার অন্তর্ভুক্ত হলেও এটি একটি বৃহৎ শিল্পাঞ্চল।

    ঢাকা-১৯ সংসদীয় আসনে ভোটার সংখ্যা প্রায় সাড়ে সাত লাখ এবং এখানে প্রায় এক কোটির কাছাকাছি মানুষের বসবাস। দেশের ৬৪ জেলা থেকে কাজ ও জীবিকার সন্ধানে প্রতিনিয়ত মানুষ সাভার ও আশুলিয়ায় আসায় বহিরাগত লোকজনের সংখ্যা তুলনামূলকভাবে বেশি।

    তারা আরও জানায়, এই এলাকায় অজ্ঞাত পরিচয়ে লাশ উদ্ধার নতুন বিষয় নয়। তবে সাম্প্রতিক কিছু নৃশংস ও রহস্যজনক।

  • আশুলিয়ায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া অনুষ্ঠিত

    আশুলিয়ায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া অনুষ্ঠিত

    হেলাল শেখঃ ঢাকার আশুলিয়ার জামগড়া হাজী লিয়াকত মীর সড়ক সংলগ্ন মীরবাড়ি মাঠে বিএনপির সাবেক তিনবারের প্রধানমন্ত্রী ও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মরহুমার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনায় মিলাদ মাহফিল ও দোয়া অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    বুধবার (২১ জানুয়ারি ২০২৬) বিকেলে ঢাকার আশুলিয়ার জামগড়া চৌরাস্তা সংলগ্ন মীরবাড়ি মাঠে এ মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ছিলেন সাভার উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ও ইয়ারপুর ইউনিয়ন পরিষদের দুইবারের সফল চেয়ারম্যান দেওয়ান মোঃ মঈনউদ্দিন বিপ্লব। বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন আশুলিয়া থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আঃ গফুর মিয়া। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আলহাজ্ব ফয়েজ হোসেন মোল্লা।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন সাভার উপজেলা, আশুলিয়া থানা ও ইয়ারপুর ইউনিয়ন বিএনপির শীর্ষ পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ। আরও উপস্থিত ছিলেন ইয়ারপুর ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি ইসমাইল হোসেন মোল্লা, বিএনপি নেতা আহসানউল্লাহ ভুঁইয়া, নুরুল ইসলাম ভুঁইয়া, আরো উপস্থিত ছিলেন দুলাল মীর, নাজমুল ইসলাম মোল্লা, হাজী খন্দকার তোফাজ্জল হোসেন, মাসুদ ভুঁইয়া, হাজী আজাহুরুল ইসলাম মোল্লা, সোহেল মীর, আকাশ মীর, আতিকুর রহমান উজ্জ্বলসহ থানা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড বিএনপি এবং যুবদল, ছাত্রদলসহ বিএনপির বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।

    দোয়া মাহফিলে কয়েকশত মুসল্লি অংশগ্রহণ করেন।
    অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন হাজী লিয়াকত আলী মীর সড়কের ব্যবসায়ীবৃন্দ। দোয়া মাহফিল শেষে সন্ধ্যার পর উপস্থিত মুসল্লিদের মাঝে তবারক বিতরণ করা হয়।

  • গোপালগঞ্জের ৩টি আসনে প্রার্থী চূ-ড়ান্ত: প্রতীক পেলেন ২৭ জন

    গোপালগঞ্জের ৩টি আসনে প্রার্থী চূ-ড়ান্ত: প্রতীক পেলেন ২৭ জন

    নিজস্ব প্রতিনিধি,

    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন-২০২৬ ও গণভোট উপলক্ষে গোপালগঞ্জের তিনটি সংসদীয় আসনে ২১৫ গোপালগঞ্জ-১, ২১৬ গোপালগঞ্জ -২ ও ২১৭ গোপালগঞ্জ-৩ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ সম্পন্ন হয়েছে।

    বুধবার (২১ জানুয়ারি) গোপালগঞ্জ জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক আরিফ-উজ-জামান – তাঁর কার্যালয়ে তিন দফায় আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থীদের হাতে এই প্রতীক তুলে দেন। প্রতীক বরাদ্দের মধ্যদিয়ে জেলা জুড়ে শুরু হলো ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রচার-প্রচারণা। জেলায় ৩টি আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ১০,৯২,৬১৮ জন। তন্মধ্যে পুরুষ ভোটার ৫,৫৫,২২৮ জন, নারী ভোটার ৫,৩৭,৩২৫ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন ৫ জন। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি তিনটি আসনের মোট ৩৯৭টি কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
    গোপালগঞ্জ – ০১ (মুকসুদপুর উপজেলা – কাশিয়ানী উপজেলার ৭টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত) এ আসনে মোট ৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এরমধ্যে বিএনপি মনোনীত এমপি প্রার্থী মোঃ সেলিমুজ্জামান মোল্যা (ধানের শীষ), বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত এমপি প্রার্থী মুহাম্মদ আবদুল হামীদ মোল্লা (দাঁড়িপাল্লা), ইসলামী আন্দোলনের মিজানুর রহমান (হাতপাখা), জাতীয় পার্টির সুলতান জামান খান (লাঙ্গল)। এবং সিপিবি’র নীরদ বরন মজুমদার (কাস্তে)। এছাড়াও স্বতন্ত্র প্রার্থী আশ্রাফুল আলম (ফুটবল), এম. আনিসুল ইসলাম (ঘোড়া) এবং কাইউম আলী খান কলস।

    গোপালগঞ্জ – ০২ (গোপালগঞ্জ সদর উপজেলা – কাশিয়ানী উপজেলার ৭টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত) এ আসনে প্রার্থীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি, মোট ১১ জন। এর মধ্যে দলীয় প্রার্থী বিএনপির কে এম বাবর (ধানের শীষ), খেলাফত মজলিসের শুয়াইব ইবরাহীম (রিক্সা), ইসলামী আন্দোলনের তসলিম শিকদার (হাতপাখা), জাতীয় পার্টির রিয়াজ সারোয়ার মোল্যা (লাঙ্গল), জাকের পার্টির মাহমুদ হাসান (গোলাপ ফুল),
    গণঅধিকার পরিষদের দ্বীন মোহাম্মদ (ট্রাক) এবং গণফোরামের শাহ মফিজ (উদীয়মান সূর্য)। এছাড়াও স্বতন্ত্র প্রার্থী কামরুজ্জামান ভূইয়া (টেলিফোন), এম. এইচ খান মনজু (হরিণ), মো: সিরাজুল ইসলাম সিরাজ (টেবিল ঘড়ি) ও।উৎপল বিশ্বাস (ফুটবল)।

    গোপালগঞ্জ – ০৩ (কোটালীপাড়া উপজেলা-টুঙ্গিপাড়া উপজেলা)
    এ আসনে মোট ৮ জন প্রার্থী লড়ছেন। দলীয় প্রার্থী- বিএনপির এস. এম. জিলানী (ধানের শীষ), ইসলামী আন্দোলনের মারুফ শেখ (হাতপাখা), খেলাফত মজলিসের আঃ আজিজ (রিক্সা) এনপিপি’র শেখ সালাউদ্দিন (আম), গণফোরামের দুলাল চন্দ্র বিশ্বাস (উদীয়মান সূর্য) এবং গণঅধিকার পরিষদের আবুল বসার (ট্রাক)। স্বতন্ত্র প্রার্থী মোঃ হাবিবুর রহমান (ফুটবল) এবং গোবিন্দ চন্দ্র প্রামাণিক (ঘোড়া)।

    প্রতীক বরাদ্দ শেষে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মোঃ আরিফ-উজ-জামান প্রার্থীদের উদ্দেশ্যে নির্বাচনী আচরণবিধি মেনে চলার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, “একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন উপহার দিতে প্রশাসন বদ্ধপরিকর। প্রচারণার ক্ষেত্রে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা বরদাশত করা হবে না।”

    এ সময় স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক (উপসচিব) মোঃ আশ্রাফুল ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) এস এম তারেক সুলতান, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) ফারিহা তানজিন, জেলা নির্বাচন অফিসার মোঃ অলিউল ইসলাম, সহকারী রিটার্নিং অফিসার ও গোপালগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কৌশিক আহমেদ সহ নির্বাচন সংশ্লিষ্ট অন্যান্য কর্মকর্তাগণ, প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ও তাদের মনোনীত প্রতিনিধি সহ জেলায় বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় কর্মরত গণমাধ্যমকর্মীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

    প্রতীক পাওয়ার পর পরই প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা তাঁদের সমর্থকদের নিয়ে নির্বাচনী এলাকায় সীমিত পরিসরে প্রচারণা শুরু করেছেন।

    এদিকে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে জেলায় সেনাবাহিনী সহ অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের তৎপরতা ছিলো চোখে পড়ার মতো।

    এর আগে জেলা রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক মোঃ আরিফ-উজ-জামান, জেলা পুলিশ সুপার মোঃ হাবীবুল্লাহ, জেলার অস্থায়ী সেনা ক্যাম্প কমান্ডার (১৯ ই বেঙ্গল) লে. কর্নেল জেড এম মাবরুকূল ইসলাম, পিএসসি, জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোঃ অলিউল ইসলাম, মেজর জুভিন ওয়াহিদ সহ নির্বাচন সংশ্লিষ্ট অন্যান্য কর্মকর্তাগণ জেলার বিভিন্ন ভোট কেন্দ্র সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন।

  • জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গণভোটে হ্যাঁ বলতে হবে  ঝিনাইদহে মহিলা ও শিশু বিষয়ক উপদেষ্টা

    জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গণভোটে হ্যাঁ বলতে হবে ঝিনাইদহে মহিলা ও শিশু বিষয়ক উপদেষ্টা

    ঝিনাইদহ প্রতিনিধি।।
    ঝিনাইদহে আজ সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ বলেছেন,আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গণভোটে হ্যাঁ বলতে হবে । কারণ গণভোট কোন নিরপেক্ষতা বজায় রাখার সুয়োগ নেই। গণভোটে হ্যাঁ দিয়ে নিজের অবস্থানকে স্পষ্ট করতে হবে।তিনি বলেন, না ভোট দেওয়া মানে হাদির বিরুদ্ধে যাওয়া। না ভোট দেওয়া মানেই চব্বিশের বিরুদ্ধে যাওয়া। না ভোট দেওয়া মানে স্বৈরাচারের পক্ষে দাঁড়ানো।উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদা মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) দুপুরে ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে গণভোট ও জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট প্রদানে উদ্বুদ্ধকরণ বিষয়ে এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথা বলেন।ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসক আব্দুল্লাহ আল মাসউদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে পুলিশ সুপার মাহফুজ আফজাল, কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার রেজওয়ানা নাহিদ, ঝিনাইদহ প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি আসিফ কাজল, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাইদুর রহমান, শারমিন সুলতানা, শিপ্রা বিশ্বাস ও চন্দন বসু মুক্ত প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদা বলেন, সংস্কার চাইলে গণভোট দিতে হবে। গণভোট দিয়ে সংস্কারের দরজা খুলে দিতে হবে। হয় নতুন দেশ চাই, নতুবা চাই না। আমরা ২৪ এর আগে ফিরে যেতে চাই না। তাই পরিবর্তেনের জন্য গণভোট দিতে হবে।তিনি বলেন, ২৪ আমাদেরকে দ্বৈব্যশক্তি দিয়েছে। সেই শক্তি কাজে লাগাতে হবে। রাজনীতিতে আগে যে ভাষা চলতো, সেই ভাষা আর চলবে না। আগের ধ্যান ধারণা থেকে ফিরে আসতে হবে। আমরা নিয়ম শৃংখলায় ফিরে আসতে চাই। আইনে ফিরেত চাই। মানুষ যাতে পদে পদে আইন মানে, সে জন্যই গণভোট।উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদা বলেন, গণভোট রাষ্ট্রের নয়, গণভোট মানুষের। আপনারা রাষ্ট্রের উপর ভরসা করে থাকবেন না। পুরানো আইন পরিবর্তনে আমরা মানুষের সম্মতি চাই। তাই গণভোটের আয়োজন। এতে না বলার কোন সুযোগ নেই। বন্ধ দুয়ার খুলতে ও গণতান্ত্রিক কাঠামোয় ফিরে যেতে হ্যাঁ ভোট দিতে হবে। পরে তিনি সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে বলেন, না ভোটে ফিরলে ১৪’শ মানুষকে খুন ও ৩০ হাজার মানুষের জীবন দুর্বিসহ করে তোলার বিপক্ষে দাড়াতে হবে। না ভোটে ফিরলে হাদির বিরুদ্ধে যেতে হবে। তাই না গণভোটের জায়গায় কোন নিরপেক্ষ জায়গা নেই। আমরা অভ্যুত্থানের পক্ষে, আমরা নতুন বাংলাদেশের পক্ষে।

    আতিকুর রহমান
    ঝিনাইদহ।।

  • ঝিনাইদহ-৪ আসনে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী ফিরোজকে ব-হিস্কার

    ঝিনাইদহ-৪ আসনে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী ফিরোজকে ব-হিস্কার

    ঝিনাইদহ প্রতিনিধি।।
    ঝিনাইদহ-৪ আসনে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী (স্বতন্ত্র) সাইফুল ইসলাম ফিরোজকে দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে সংগঠনবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। মঙ্গলবার বিকালে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী সাক্ষরিত এক চিঠিতে এ কথা জানো হয়।ঝিনাইদহ জেলা বিএনপির কাছে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ এবং সংগঠনবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার কারণে সাইফুল ইসলাম ফিরোজের বিএনপির প্রাথমিক সদস্য পদসহ সকল পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। একই সঙ্গে তাকে জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দল কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদসহ স্বেচ্ছাসেবক দলের সকল পর্যায়ের পদ থেকেও বহিষ্কার করা হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বিএনপির নেতাকর্মীদের বহিষ্কৃতদের সঙ্গে কোনো ধরনের সাংগঠনিক সম্পর্ক না রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়।এ বিষয়ে ঝিনাইদহ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাহিদুজ্জামান মনা জানান, “সাইফুল ইসলাম ফিরোজকে বহিস্কার করা হয়েছে। এ সংক্রান্ত কেন্দ্রের চিঠি তিনি হাতে পেয়েছেন। তিনি বলেন, ঝিনাইদহ-৪ আসনের ধানের শীষ প্রতিকের প্রার্থী বিএনপি মনোনীত রাশেদ খান। তাকে ভোট দেওয়ার জন্য কালীগঞ্জ এলাকার বিএনপি নেতাকর্মীদের আহবান করা হয়েছে”। বহিস্কারের বিষয় নিয়ে সাইফুল ইসলাম ফিরোজ জানান, তিনি চিঠি হাতে পাননি, তবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে চিঠি পেয়েছেন। তিনি বলেন, আমি মাঠের নেতা। গ্রামের সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষ আমাকে চান। সে কারণে আমি মাঠে আছি। তিনি বলেন, বহিস্কার নিয়ে আমি চিন্তিত নয়।

    আতিকুর রহমান
    ঝিনাইদহ।।

  • নড়াইলে গাঁ-জার গাছসহ দুইজন গ্রে-প্তার ভ্রাম্যমাণ আদালতে জেল জ-রিমানা

    নড়াইলে গাঁ-জার গাছসহ দুইজন গ্রে-প্তার ভ্রাম্যমাণ আদালতে জেল জ-রিমানা

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি:

    নড়াইলের কালিয়া উপজেলায় নিষিদ্ধ গাঁজার গাছ চাষ ও সংরক্ষণের দায়ে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে এক বছর চার মাসের কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। অপর জনকে ২ দিনের বিনাশ্রমে কারাদণ্ড ও ২ শত টাকা জরিমানা। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি জানান, সোমবার (১৯ জানুয়ারি) দুপুরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের(ডিএনসি)- পরিদর্শক আব্দুল মান্নান সহকারী উপ-পরিদর্শক আলতাফ হোসেন অশোক বাইন সহ একটি চৌকস দল কালিয়া পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডে অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে মৃত সন্তোষ বর্মনের ছেলে বাসু দেব বর্মনের বাড়ির আঙিনা থেকে গাঁজার গাছ উদ্ধার করা হয়। এ সময় ঘটনাস্থল থেকেই তাকে আটক করা হয়।
    পরবর্তীতে কালিয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শ্রাবণী বিশ্বাসের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। আদালত মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১৮-এর ৯ ধারা লঙ্ঘনের দায়ে ৩৬(১)১৮ আওতায় বাসু দেব বর্মনকে ১ বছর ৪ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন। পাশাপাশি তাকে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে আর ও ১ মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়। ওই সময় মুহিদুল ইসলাম পিতা মৃত্যু ফজর শেখ সাং ছোট কালিয়া সংবাদ সংগ্রহের অন্তরালে কিছু গাঁজার জট নিজের ব্যাগের ভিতর রেখে আত্মসাৎ করার চেষ্টা কালে হাতে নাতে ধরা পড়ে যায়, ভ্রাম্যমাণ আদালত কথিত সাংবাদিক মাহিদুল কে ২ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ২০০ শত টাকা জরিমানা করে।
    অভিযান ও আদালত পরিচালনার সময় স্থানীয় সাংবাদিক ও উৎসুক জনতার সমাগম ঘটে।
    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক স্থানীয় ব্যক্তি জানান, গ্রেফতারকৃত বাসু দেব বর্মন দীর্ঘদিন ধরে মাদক সেবন ও ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন এবং নিজ বাড়ির আঙিনায় গাঁজার চাষ করতেন। তিনি আরও বলেন, “এই ধরনের অপরাধীরা সমাজ ও দেশের জন্য ভয়ংকর। তাদের কারণে যুব সমাজ ধ্বংসের পথে যাচ্ছে। এদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা জরুরি।”
    স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, মাদকের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি।