কেএম শহীদুল সুনামগঞ্জ :
সুনামগঞ্জ ইজারা বিহীন ধোপাজান চলতি নদীতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনকারীদের নতু কৌশল। পুলিশের চোখ ফাঁকি দিতে নতুন কৌশল হিসেবে বেছে নিয়েছে নতুন উদ্যোগ। জানা যায় সদর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ রতন সেখ পিপিএম যোগদানের পর থেকে বালু খেকো ও চুরা কারবারি দের বড় বাঁধা হয়ে দাড়িয়েছেন। ওসি যোগদানের পর থেকে বালু খেকোঁদের বিরুদ্ধে সদর থানা পুলিশের নিয়মিত অভিযানে, দিশেহারা হয়ে পরেছে বালু খেকো এবং ভারতীয় চোরাকারবারি ও মাদক সিন্ডিকেট বাহিনী। শুধু তাই নয় ওসি রতন সেখ পিপিএম এর এমন নিষ্ঠা এবং সততার কার্যক্রমে সদর উপজেলা সাধারণ মানুষের মনে একজন নিষ্ঠাবান ন্যায় পরায়ণ ওসি হিসেবে সাধারণ মানুষের মনে জায়গা করে নিয়েছেন । ঠিক তেমনি চোরাকারবারি সিন্ডিকেদের মনেও আতঙ্ক এবং একটি বড় বাধা হয়েছেন তিনি। আর এজন্যই ওসি’র চোখ ফাঁকি দিতে গিয়ে বালু খেকোঁ চক্র পড়েছেন আরও বিপদে। তারই প্রতি পলন হিসেবে ২২ ফেব্রুয়ারি বেলা ১১টায় ইজারা বিহীন ধোপাজান নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন কারে ১টি ষ্টিল বডি নৌকা নিয়ে ধোপাজান নদী দিয়ে বেড় হওয়ার চেষ্টা করে। বিষয়টি ওসি রতন সেখ খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক ভাবে এসআই টিপুকে ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়।এসময় পুলিশের উপস্থিতি দেখে নৌকার মাঝি পালিয়ে গেলেও এসআই টিপুসহ সঙ্গীও পুলিশ সদস্যরা বালু বোঝাই স্টিল বডি নৌকাটি আটক করেন।
এব্যাপারে সদর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ রতন সেখ (পিপিএম)’র কাছে জানতে চাইলে তিনি ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান বালু খেকো চক্ররা পুলিশের চোখ ফাঁকি দিতে নতুন কৌশল অবলম্বন করে,আমরা বিষয়টি জানতে পেরে অর্ধেক বালু ভর্তি একটি বড় ষ্টিলবডি নৌকা আটক করি। নৌকার মালিকসহ জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা পক্রিয়াধীন রয়েছে। নদী রক্ষায় আমাদের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর যৌথ অভিযান অব্যাহত থাকবে।
ইজারা বিহীন ধোপাজান নদীতে বালু খে-কোঁদের নতুন কৌশল অবলম্বন, ওসি’র চোখ ফাঁ-কি দিতে গিয়ে বালুসহ ষ্টিলবডি নৌকা আ-টক

Leave a Reply