নড়াইলে মাছের সরবরাহ বেশি থাকলেও দাম ঊর্ধ্বমুখী

উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি:
নড়াইলে মাছের বাজারে চড়া দামের প্রভাব পড়েছে। পাইকারি বাজারে ইলিশসহ সামুদ্রিক ও দেশীয় মাছের সরবরাহ পর্যাপ্ত থাকলেও গত সপ্তাহের তুলনায় কেজিতে ২০ থেকে ২০০ টাকা পর্যন্ত দাম বেড়েছে।
নড়াইলে বেড়েছে মাছের দাম। নড়াইলে বেড়েছে মাছের দাম। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি জানান, নড়াইল জেলার সবচেয়ে বড় পাইকারি মাছ বাজার লোহাগড়া। ভোরের আলো ফোটার আগেই ক্রেতা-বিক্রেতার ভিড়ে জমে ওঠে বাজার। হাঁকডাকে বিক্রি হয় মাছ। তবে রোজার প্রথম দিনে মাছের সরবরাহ বেশি থাকলেও অন্যান্য দিনের তুলনায় ক্রেতার ভিড় কিছুটা কম দেখা গেছে।
ইলিশ ও সামুদ্রিক মাছের সরবরাহ চাহিদার তুলনায় বেশি হলেও দাম ঊর্ধ্বমুখী। কয়েকটি আড়তে ছোট ও মাঝারি আকারের ইলিশ মিললেও দাম বেশ চড়া। গত দুই সপ্তাহের তুলনায় পাঙাশ, তেলাপিয়া, শিং, কই, রুই, কাতলা ও চিংড়িসহ দেশীয় মাছের সরবরাহ বেড়েছে। তবু রমজানের প্রথম দিনে সব ধরনের মাছের দাম বেশি।
বৃহস্পতিবার (১৯) ফেব্রুয়ারি) পাইকারি দর (প্রতি কেজি)
ইলিশ (৯০০ গ্রাম) ১,৫০০-১,৭০০ টাকা
ইলিশ (আধা কেজি): ১,৩০০–১,৪০০ টাকা
পাঙাশ (২ কেজি): ১৭০–২০০ টাকা
রুই (২ কেজি): ৩২০–৪০০ টাকা কই: ৬৫০–৭০০ টাকা
আড়তে আসা বিক্রেতারা জানান, গত সপ্তাহে মাছের ভালো দাম পাওয়া গেছে। রমজানের প্রথম দিনে মাছ বেশি এলেও ক্রেতা তুলনামূলক কম। তবে বাজারে দাম স্বাভাবিকই আছে।
অন্যদিকে ক্রেতারা বলছেন, গত সপ্তাহেই পাইকারি বাজারে মাছের দাম বেশি ছিল। যে দামে কিনেন, সে অনুযায়ী বিক্রি করেন। তবে রমজানের প্রথম দিনে মাছ বেশি এলেও দাম কিছুটা বেড়েছে। বেশি দামে কিনতে হচ্ছে, আর খুচরা বাজারে ক্রেতা পাওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে।
মধুমতী মৎস্য মার্কেটের সাধারণ সম্পাদক উত্তম কুমার বিশ্বাস বলেন, বাজার স্বাভাবিক রয়েছে। গত সপ্তাহের তুলনায় দাম কিছুটা কম। চলতি রমজানজুড়ে মাছের দাম সাধারণ ক্রেতাদের নাগালের মধ্যেই থাকবে।
নড়াইলের লোহাগড়ার মধুমতী পাইকারি মাছ বাজারটি জেলার সবচেয়ে বড় মৎস্য আড়ত। প্রতিদিন ভোর ৬টা থেকে ৯টা পর্যন্ত তিন ঘণ্টায় এখানে গড়ে ১০ লাখ টাকার বেশি মাছ কেনাবেচা হয়।

উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি।

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *