কেএম শহীদুল সুনামগঞ্জ :
তাহিরপুর যাদুকাটা নদীতে চাদাঁবাজ বুরহান বাহিনীর বিরুদ্ধে এলাকাবাসী ও বালু শ্রমিকদের ক্ষোভ বিরাজ করছে, যে কোন মুহুর্তে ঘটতে পারে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ। যতই দিন যাচ্ছে যাদুকাটা নদীতে চিহ্নিত চাঁদাবাজ বোরহান বাহিনীর বিরুদ্ধে এলাকাবাসীর ক্ষোভ ততই বেড়েই চলেছে। বুধবার সকালে অবৈধ ভাবে অদ্বৈত্য মন্দিরের পাড়ে বালু উত্তোলনের সময় বালু শ্রমিকদের কাছে চাঁদাবাজি করতে গিয়ে জনগণের তুপের মুখে পরে চিহ্নিত চাঁদাবাজ বোরহান বাহিনীর ক্যাডার বাদাঘাট ইউনিয়নের কামরাবন গ্রামের বাসিন্দা চিহ্নত গুন্ডা সাইফুল (কসাই সাইফুল)। তিনি বুধবার সকালে অদ্বৈত্য মন্দিরের সামনে যাদুকাটা নদীর তীরে বালু শ্রমিকদের কাছ থেকে চাঁদাবাজি করতে গেলে এলাকার সাধারণ মানুষেরা তাকে আটক করে। এসময় কসাই সাইফুল সাধারণ মানুষের কাছে ক্ষমা চাইলে, আর কোনদিন বুরহান বাহিনীতে চাদাঁবাজির কাজ করবেনা অন্য কাজ বেছে নিবে বলে প্রতুশ্রুতি দিলে সাধারণ জনগণ তাকে প্রথম বারের মতো ক্ষমা করে ছেড়েদেন। এ ঘটনায় এলাকার মধ্যে সাধারণ মানুষ ও বোরহান বাহিনীর মধ্যে থমথমে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি বিরাজ করছে, যে কোন মুহুর্তে ঘটতে পারে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ। ইজারা বহির্ভূত এলাকা ডালার পাড়ের অদ্বৈত্য মন্দিরে সামনে বালু খেকোঁ চিহ্নিত চাঁদাবাজ বোরহান বাহিনীর বিরুদ্ধে চাদাঁবাজদের সামাল দিতে ও নদীর পাড়কাটা বন্ধ করতে দুই দিন আগেও আরেক চাদাঁবাজকে গণধোলাই দিয়েছিল সাধারণ মানুষেরা। দুইদিন যেতে না যেতেই আবারও বোরহান বাহিনীর চাঁদাবাজরা বালু শ্রমিকদের কাছ থেকে চাঁদা তুলার কর্মকান্ড অব্যাহত রাখায় লিপ্ত হন। ১৮ই ফেব্রুয়ারী সকালে এঘটনার খবর পেয়ে সাধারণ মানুষেরা ঐ চাদাঁবাজকে আটক করে ছেড়েদেন। এঘটনার খবর পেয়ে তাহিরপুর বাদঘাট ফাড়িঁ পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিদর্শন করেন বলে জানা যায়। এব্যপারে তাহিরপুর বাদাঘাট ফাঁড়ি পুলিশের ইনচার্জ হাফিজুল ইসালামের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান।ঘটনার খবর পেয়ে আমরা সারাদিন যাদু কাটা নদীতে অভিযান পরিচালনা করি। চাদাঁবাজ বাহিনী এবং ইজারা বহির্ভূত এলাকায় কোন অবৈধভাবে বালু উত্তোলনকারীকে পাইনি। চাঁদাবাজি এবং অবৈধ বালু উত্তোলনের সাথে যারাই জড়িত হবে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য আমরা প্রস্তুত আছি।##
চাঁদাবা-জ বোরহান বাহিনীর বিরুদ্ধে যাদুকাটা নদীতে এলাকাবাসী ও বালু শ্রমিকদের ক্ষো-ভ হতে পারে সং-ঘর্ষ

Leave a Reply