কেএম শহীদুল সুনামগঞ্জ :
গত ৮ জানুয়ারী২০২৬ইং তারিখে সুনামগঞ্জ পৌর শহরের ট্রাফিক পয়েন্ট থেকে উঠে যাত্রী বেশে অটো রিকশায় উঠে পশ্চিম হাজীপাড়া এলাকা একটি নির্জন জায়গায় গিয়ে অটোরিকশা চালকের গলায় ধারালো ছুরি চালিয়ে তাকে গুরুতর রক্তাক্ত জখম করে মৃত ভেবে রাস্তায় ফেলে রেখে গরিবের স্বপ্ন অটোরিক্সাটি ছিনতাই করে নিয়ে যায়। পর বর্তীতে আহত অবস্থায় সদর থানা পুলিশ ছেলেটিকে উদ্ধার করে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করার ব্যবস্থা করেন। পাশাপাশি রিকশা চালক ছেলের মায়ের দ্বারা অজ্ঞাত নামা আসামী দিয়ে একটি মামলা নেন। যার সদর থানা মামলানং ১৯,তারিখ ৮/১/২০২৬ইং, মামলা গ্রহনের পর সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ রতন সেখ (পিপিএম) ঘটনার রহস্য উদঘাটন এবং অপরাধীদের চিন্হিত করতে ইলেকট্রনিক ডিভাইস ব্যবহার শুরু করেন। দীর্ঘ ১মাস ওসি রতন সেখের নিরব অনুসন্ধাঁনে আসামিদের অবস্থান নির্ণয়ের পর ১৪ই ফেব্রুয়ারী রোজ শনিবার দুপুরে ঘটনার মুল অপরাধী ছিনতাইকারীর সন্ধান পেয়ে দুইজনকে গ্রেফতার করেন ওসি রতন সেখ (পিপিএম) নিজেই অভিযানে যান। আসামিদের জিজ্ঞেসাবাদ করে অটো রিকশাটির খন্ড খন্ড মালমাল একটি গ্যারেজ থেকে গ্যারেজের মালিকসহ থানায় হেফাজতে নিয়ে আসেন।
ওসি রতন শেখ (পিপিএম) ইন্সপেক্টর ইনভেস্টিগেশন আরিফ, ইন্সপেক্টর অপারেশন মোস্তফা, এসআই হানিফ সহ পুলিশের একটি চৌকস দল অভিযানের নেতৃত্ব দেন। এছাড়াও ছিনতাইকৃত মালামাল ক্রয় বিক্রয় সাথে জড়িত থাকার অপরাধে আরও ২ জনকে আটক করেন। জানা যায় সুনামগঞ্জ শহরের আলোচিত ঘটনা গলা কেটে অটোরিকশা ছিনতাইয়ের অপরাধে যারা যে অপরাধ আটক হয়েছেন তারা হলেন সরাসরি অংশগ্রহণ কারী ছিনতাইকারী ১।মোঃ শাকিল(২৩) পিতা মোহাম্মদ বিল্লাল চৌধুরী, গ্রাম পূর্ব তেঘরিয়া (সরকারি পুকুরপাড়) তাকে ভাড়াটিয়া জামালের বাসা থেকে আটক করা হয় এবং ২নং আসামী সাব্বির ইসলাম শ্রাবণ (২২), পিতা মোঃ জুয়েল মোহাম্মদ জুয়েল,
গ্রাম – পূর্ব তেঘরিয়া, থানা ও জেলা সুনামগঞ্জকে তার নিজ বসত ঘর থেকে আটক করা হয়। পরে
আসামীদের দেখানো মতে সুনামগঞ্জ পশ্চিম হাজিপাড়া থেকে অটো রিক্সাচালককে যে ছুরি দিয়ে আঘাত করা হয়েছিল সেই ছুরি একটি ডাসবিনের ড্রেন থেকে উদ্ধার করেন পুলিশ।
ছিনতাইকৃত রিকশার মালামাল ৪টি ব্যাটারিসহ ৩নং আসামী মোঃ চান মিয়া(৩৮),পিতাঃ মোছন মিয়া,সাং- ওয়েছখালী, থানা ও জেলা সুনামগঞ্জ, তার গ্যারেজ থেকে তাকে আটক করা হয় এবং আটকের সময় তার কাছ থেকে আরও একটি চুরাইকৃত অটো রিকশাও উদ্ধার করা হয়।
এছাড়াও ৪নং আসামী মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম (৩৫),পিতা সুরুজ আলী, সাং- নোয়াবাদ,
থানা করিমগঞ্জ, জেলা কিশোরগঞ্জ।
বর্তমানে মল্লিকপুর নজরুলের ভাড়াটিয়া বাসা সুনামগঞ্জ পৌর শহরের মল্লিকপুরে অবস্থিত তার দোকান থেকে আটক করা হয়।
এবং ৫নং আসামি শাহাবুদ্দিন পিতা: মোছন মিয়া,সাং- ওয়েজখালী, জানা যায় সৎ ভাই চান মিয়ার ক্রয় করা ছিনতাইকৃত মালা মালের অংশ বিশেষ ক্রয় করার কারনে তাকেও আটক করা হয়।
এব্যপারে সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ রতন সেখ (পিপিএম) ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান গত ৮ জানুয়ারি সুনামগঞ্জ পৌর শহরের আলোচিত রিকশা চালকের গলা কেটে অটো রিকশা ছিনতাইয়ের ঘটনায় ইলেক্ট্রনিক ডিভাইস ব্যবহার করে মুলহুতা ছিনতাইকারী দুইজনসহ খন্ড খন্ড মালামালসহ আরও তিনজনসহ এবং একটি চুরাইকৃত রিকশাসহ মোট ৫ জনকে আটক করা হয়েছে, আসামীদের বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। ##
সুনামগঞ্জ পৌর শহরে রিকশা চালকের গলা কে-টে অটো রিকশা ছি-নতাই ১মাস পর রিকশাসহ ৫ জনকে আ-টক করছে পুলিশ

Leave a Reply