নিজস্ব প্রতিনিধিঃ
নবম পে-স্কেল দ্রুত বাস্তবায়নের দাবিতে সারা দেশের ন্যায় গোপালগঞ্জেও শান্তিপূর্ণভাবে কর্মবিরতি পালন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি অব্যাহত রেখেছেন সরকারি চাকুরিজীবীরা।
আজ রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে বাংলাদেশ কর্মচারী সমন্বয় পরিষদ, গোপালগঞ্জ জেলা শাখার উদ্যোগে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
নবম পে-স্কেল দ্রুত বাস্তবায়নের দাবিতে সকালে জেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মচারীরা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে সমবেত হন। এরপর কর্মবিরতি শুরু করে তারা একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। মিছিলটি জেলা শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে পুনরায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে গিয়ে শেষ হয়।
মিছিল শেষে সেখানে অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন গোপালগঞ্জ ৯ম পে-স্কেল বাস্তবায়ন দাবি আদায় কমিটির সভাপতি গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের নাজির শেখ হাফিজুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক গোপালগঞ্জ চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের নাজির মোঃ মনিরুল ইসলাম, রুমান সিকদার এবং উপ-সহকারী প্রশাসনিক কর্মকর্তা দীনবন্ধু হালদার।
বক্তারা বলেন, জ্বালানি উপদেষ্টার সাম্প্রতিক এক বক্তব্যে ‘বর্তমান সরকার পে-স্কেল বাস্তবায়ন করবে না এবং আন্দোলন স্তিমিত রাখতে কমিশন গঠন করা হয়েছিলো’—এ ধরনের মন্তব্য প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও হতাশা সৃষ্টি করেছে। তারা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কাছে দ্রুত নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নের দাবি জানান।
বক্তারা আরও হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, অবিলম্বে দাবি বাস্তবায়ন না হলে আগামীতে আরো কঠোর আন্দোলন কর্মসূচি দেওয়া হবে।
এদিকে নবম পে-স্কেল দ্রুত বাস্তবায়নের দাবিতে সারা দেশের ন্যায় গোপালগঞ্জ চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতেও শান্তিপূর্ণভাবে কর্মবিরতি পালন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি অব্যাহত রেখেছেন সরকারি চাকুরিজীবীরা।
রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে গোপালগঞ্জ চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ভবনের সামনে অবস্থান নিয়ে তারা এ কর্ম বিরতি ও বিক্ষোভ সমাবেশ পালন করেন।
এ সময় গোপালগঞ্জ চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের নাজির মোঃ মনিরুল ইসলাম, বেঞ্চ সহকারী সুমন আহমেদ, মোঃ জামিল আহমেদ, হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা সরফুজ্জামান সুজন, বেঞ্চ সহকারী মোঃ আমিনুল ইসলাম, মোঃ হাসান মোল্লা সহ অন্যান্য কর্মকর্তা- কর্মচারীবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।

Leave a Reply