হেলাল শেখঃ ঢাকা জেলার সাভার উপজেলার তিনটি থানার পৃথক স্থান থেকে গত সাত মাসে অজ্ঞাত পরিচয়ে প্রায় ৩০টি মরদেহ উদ্ধার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পৃথক থানা পুলিশ। এসব ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ ও আতঙ্ক বিরাজ করছে।
সাভার মডেল থানার আওতাধীন পৌর কমিউনিটি সেন্টারের পাশ থেকে সম্প্রতি দুইটি পোড়া মরদেহ উদ্ধারসহ গত সাত মাসে মোট ৬টি অজ্ঞাত লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে কয়েকটি হত্যাকাণ্ডের আলামত মিললেও অধিকাংশ ঘটনায় এখনো নিহতদের পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।
অন্যদিকে সাভার হাইওয়ে থানা পুলিশ গত সাত মাসে প্রায় এক ডজন অজ্ঞাত পরিচয়ের লাশ উদ্ধার করেছে। হাইওয়ে পুলিশের দাবি, এসব মৃত্যুর অধিকাংশই সড়ক দুর্ঘটনাজনিত।
এছাড়াও আশুলিয়া থানার আওতাধীন ইয়ারপুর এলাকায় সিরাজুল ইসলামের বোনের মালিকানাধীন জমি থেকে এক অজ্ঞাত যুবতীর লাশ উদ্ধারসহ আশুলিয়া এলাকায় গত সাত মাসে প্রায় ৯টি অজ্ঞাত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্র জানায়, উদ্ধারকৃত মরদেহগুলোর মধ্যে এক-দু’জনের পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হলেও অধিকাংশ ঘটনায় নিহতদের পরিচয় অজানা রয়ে গেছে। কিছু ঘটনায় হত্যাকারী গ্রেফতার হলেও বেশিরভাগ ঘটনায় অপরাধীরা এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়েছে।
পুলিশ, র্যাব ও ডিবি সূত্রে জানা যায়, সাভার উপজেলা ঢাকা জেলার অন্তর্ভুক্ত হলেও এটি একটি বৃহৎ শিল্পাঞ্চল।
ঢাকা-১৯ সংসদীয় আসনে ভোটার সংখ্যা প্রায় সাড়ে সাত লাখ এবং এখানে প্রায় এক কোটির কাছাকাছি মানুষের বসবাস। দেশের ৬৪ জেলা থেকে কাজ ও জীবিকার সন্ধানে প্রতিনিয়ত মানুষ সাভার ও আশুলিয়ায় আসায় বহিরাগত লোকজনের সংখ্যা তুলনামূলকভাবে বেশি।
তারা আরও জানায়, এই এলাকায় অজ্ঞাত পরিচয়ে লাশ উদ্ধার নতুন বিষয় নয়। তবে সাম্প্রতিক কিছু নৃশংস ও রহস্যজনক।

Leave a Reply