হেলাল শেখ: ঢাকা-১৯ সংসদীয় আসনে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১দলীয় জোটের প্রার্থী পরিবর্তনকে কেন্দ্র করে সাভার ও আশুলিয়া জুড়ে নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা শুরু হয়েছে।
সাভার ও আশুলিয়া থানা নিয়ে গঠিত ঢাকা-১৯ আসনে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট সম্মিলিতভাবে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ঘোষণা দেয়। তবে আসন বণ্টনসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে জোটের অভ্যন্তরে মতপার্থক্য দেখা দিলে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ কয়েকটি দল জোট থেকে বেরিয়ে যাওয়ার খবর প্রকাশ পায়।
জোটের পক্ষ থেকে চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা ঘোষণার আগে একাধিকবার তারিখ পরিবর্তন করা হয়। জোটের শীর্ষ নেতৃবৃন্দের মধ্যে ঐকমত্যে পৌঁছাতে বিলম্ব হওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়। সর্বশেষ গতকাল রাতে ১১ দলীয় জোট বিভিন্ন আসনের প্রার্থীদের নামের তালিকা প্রকাশ করে।
এর আগে ঢাকা-১৯ আসনে জোটের প্রার্থী হিসেবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী মাওলানা আফজাল হোসাইনের নাম ঘোষণা করা হয়েছিলো। তবে হঠাৎ করেই গতকাল রাতে এই আসনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী হিসেবে এনসিপির প্রার্থী দিলশানা পারুলের নাম ঘোষণা করা হলে স্থানীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।
সাভার ও আশুলিয়া এলাকায় জামায়াত ও শিবিরের সাধারণ কর্মীদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করতে দেখা গেছে। তারা অভিযোগ করে বলেন, মাওলানা আফজাল হোসাইন এই অঞ্চলে একজন জনপ্রিয় ও পরিচিত মুখ। তিনি দীর্ঘদিন ধরে নির্বাচনী এলাকায় মাঠপর্যায়ে কাজ করে আসছিলেন এবং আসন্ন নির্বাচনে তার বিজয়ের সম্ভাবনাও উজ্জ্বল ছিলো। এমন পরিস্থিতিতে হঠাৎ করে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী পরিবর্তন করে অন্য দলের প্রার্থী দেওয়াকে তারা অযৌক্তিক ও হতাশাজনক বলে মনে করছেন।
এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত প্রকাশ্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর শীর্ষ নেতৃবৃন্দ কোনো মন্তব্য করেননি। তবে জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী মাওলানা আফজাল হোসাইনের বক্তব্য জানতে একাধিকবার তার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। এমনকি জামায়াতে ইসলামীর আশুলিয়া থানা কমিটির সেক্রেটারি আবুল হোসেন মীরের মোবাইল নাম্বারে যোগাযোগ করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

Leave a Reply