মহেশপুরে বিধবাকে স্প্রিড মধ্যে চে-তনানাশক খাওয়ে ধর্ষ-ণ লু-ট ও মা-মলা দায়ের

শহিদুল ইসলাম
মহেশপুর (ঝিনাইদহ) সংবাদদাতাঃ-

গত ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫ ইং রাতে ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার স্বরুপপুর ইউনিয়নের কেশবপুর গ্রামের উত্তর পাড়ার বাসিন্দা মৃত আলী কদরের স্ত্রী নাসিমা খাতুন (৪৪) নামের এক বিধবা মহিলা ৩ সন্তানের জননীকে পুর্ব পরিকল্পনা করে কৌশলগত ভাবে কোমল পানি ( স্পিড বোতলের ) মধ্যে চেতনানাশক ঔষুধ মিশিয়ে খাওয়ায়ে অজ্ঞান করে ঐ রাতে তাকে ধর্ষণ করা সহ বাড়িতে থাকা ৩ ভরি স্বর্ণালংকার ও নগত ২ লক্ষ ৯০ হাজার টাকা চুরি করে নিয়ে পালিয়ে গেছে পার্শবর্তী জীবননগর উপজেলার নারায়নপুর গ্রামের তিতাস নামের এক যুবক। এঘটনায় বিধবা নাসিমা খাতুন বাদী হয়ে গত ২৭ ডিসেম্বর ২০২৫ ইং তারিখে ঐ যুবকের নাম উল্লেখ করে মান সন্মানের ভয়ে ধর্ষনের বিষয়টি গোপন রেখে মহেশপুর থানা ও ঝিনাইদহ কোঁটআদালতে চুরির ঘটনা দিয়ে লিখিত ভাবে মামলা দায়ের করেছে। অভিযোগের ভিত্তিতে মহেশপুর থানা পুলিশ স্বরজমিন গিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। এবং ঘটনা সম্পর্কে বিস্তারিত জানেন। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

এবিষয়ে স্বরজমিনে গিয়ে জানা যায় গত ৩ বছর আগে ৩টি কন্যা সন্তানকে রেখে নাসিমার স্বামী আলী কদর মারা যায়, কন্যা সন্তান গুলো সবাই বিবাহীত এবং তারা স্বামীর বাড়িতে সংসার জীবন যাপন করছে , নাসিমা খাতুন তার ৯ বছরের একটি নাতি ছেলেকে নিয়ে বাড়িতে একাই বসবাস করে। এবিষয়ে নাসিমা খাতুন জানান আসামী তিতাসের নানা বাড়ি আমার বসতবাড়ি পাড়ায় ও পাশাপাশি হওয়ায় তিতাস প্রায় আমার বাড়িতে আসা যাওয়া করতো এবং আমাকে নানি বলে ডাকতো। ঐ দিন সন্ধা রাতে তিতাস নানি নানি বলে আমার বাড়িতে আসে এবং ঘরের মধ্যে খাটের উপর বসে গল্প গুজব করতে থাকে, পুর্ব-পরিকল্পিতভাবে কোমল পানি স্পিড বোতলের মধ্যে চেতনানাশক ঔষধ মিশিয়ে কৌশলে পানিটি আমার ও আমার নাতি ছেলেকে পান করালে ক্ষনেকের মধ্যে আমরা জ্ঞান হারিয়ে ঘুমিয়ে পড়ি।

অজ্ঞান অবস্থায় ঐ যুবক সালোয়ার কামিজ ব্লেড দিয়ে কেটে আমাকে ধর্ষণ করা সহ বাড়িতে থাকা স্বর্ণালংকার ও নগত টাকা চুরি করে নিয়ে পালিয়ে যায়। যার আনুমানিক মুল্য ৬ / ৭ লক্ষ টাকা হবে। প্রতিবেশিরা জানান সকাল ৯টা বেজে গেলেও বাড়িতে কোন সাড়া শব্দ না থাকায় মনে মনে সন্দেহ হলে তাহারা নাসিমার নাম ধরে ডাকতে থাকে, তাতে কোন সাড়া শব্দ ও উত্তর না আসায় প্রতিবেশিরা প্রাচীর টপকে বাড়িতে প্রবেশ করে বিধবা নাসিমার এমন দৃশ্য দেখতে পায়। এসময় নাসিমা ও তার নাতি ছেলেকে দ্রত উদ্ধার করে প্রথমে মহেশপুর ও পরে যশোর সদর হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করে। সেখানে চিকিৎসা নিয়ে ২দিন পর বাড়িতে ফিরে এসে মহেশপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করে। লম্পট তিতাসের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করায় সে মেরে ফেলা সহ একের পর এক বিভিন্ন ধরণের হুমকী ধামকী চালিযে যাচ্ছে। লম্পট চোর তিতাস চুয়াডাঙ্গা জেলার জীবননগর উপজেলার নারায়নপুর গ্রামের উসমানের ছেলে।
এব্যাপারে থানা পুলিশ জানান অভিযোগ পেয়ে উর্ধতন কর্মকর্তার নির্দেশনা মোতাবেক ঘটনাস্থলে গিয়েছি এবং মহিলার নিকট থেকে সব কিছুই শুনেছি, তবে আসামি তিতাস ভিন্ন থানায় বসবাস করায় মামলাটি আইনি প্রক্রিয়ায় চলমান রযেছে।

শহিদুল ইসলাম
মহেশপুর ঝিনাইদহ।।

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *