ক্ষেতলালে জা-ল সনদে দলিল লেখক নিয়োগ, অ-পসারণ ও তদ-ন্তের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

মোঃ দেলোয়ার হোসেন বাবু, জয়পুরহাট।

জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল উপজেলায় জাল সনদ ব্যবহার করে দলিল লেখক পদে নিয়োগপ্রাপ্ত সৈয়দ আলী মুর্তজা ওরফে রবিন চৌধুরীর অপসারণ এবং তার বিরুদ্ধে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়ে এক সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৩ অক্টোবর) দুপুর ২টার সময় ক্ষেতলাল প্রেসক্লাব মিলনায়তনে আয়োজিত এ সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ভুক্তভোগী মিজান চৌধুরী।
লিখিত বক্তব্যে তিনি অভিযোগ করেন, রবিন চৌধুরী জাল সনদ ও প্রভাব খাটিয়ে দলিল লেখক পদে নিয়োগ লাভ করেছেন। তিনি দুর্নীতি, অনিয়ম ও ঘুষের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কিছু অসাধু কর্মকর্তার সহায়তায় এই নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেন। বিষয়টি জানার পর মিজান চৌধুরী জেলা রেজিস্ট্রার বরাবর লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন এবং বিষয়টির যথাযথ তদন্তের দাবি জানান।
তবে অভিযোগের পরেও তদন্ত প্রক্রিয়ায় বিলম্ব ও গড়িমসির অভিযোগ তোলেন তিনি। মিজান চৌধুরী দাবি করেন, “তদন্তের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা নির্ধারিত তারিখে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হননি। তারা উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তদন্ত বিলম্বিত করছেন এবং রবিন চৌধুরীর প্রভাব ও প্ররোচণায় তদন্তকে ভিন্ন খাতে নেওয়ার চেষ্টা চলছে।”
তিনি আরও জানান, রবিন চৌধুরীর বিরুদ্ধে অতীতেও বিভিন্ন দুর্নীতির অভিযোগ ছিল। এর মধ্যে সি.এস.পি. তহবিল থেকে অর্থ আত্মসাতসহ একাধিক প্রশাসনিক তদন্তে তার বিরুদ্ধে অসংখ্য অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেছে। তবুও অজ্ঞাত কারণে এখন পর্যন্ত তার বিরুদ্ধে কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত অন্যান্য ভুক্তভোগী ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরাও প্রশাসনের প্রতি দৃঢ় আহ্বান জানান যাতে এই অভিযোগের বিষয়ে সুষ্ঠু, স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ তদন্ত পরিচালিত হয় এবং অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।
মিজান চৌধুরী বলেন, “আমরা চাই প্রশাসন নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করুক। যারা জাল সনদ ব্যবহার করে জনগণের সাথে প্রতারণা করেছে, তাদের যেন কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া না হয়।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন ক্ষেতলাল প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদকসহ স্থানীয় সাংবাদিক ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *