August 30, 2025, 12:41 am

বিজ্ঞপ্তি :
বিশেষ সতর্কীকরন - "নতুন বাজার পত্রিকায়" প্রকাশিত সকল সংবাদের দ্বায়ভার সম্পুর্ন প্রতিনিধি ও লেখকের। আমরা আমাদের প্রতিনিধি ও লেখকের চিন্তা মতামতের প্রতি সম্পুর্ন শ্রদ্ধাশীল। অনেক সময় প্রকাশিত সংবাদের সাথে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল নাও থাকতে পারে। তাই যেকোনো প্রকাশিত সংবাদের জন্য অত্র পত্রিকা দায়ী নহে। নতুন বাজার পত্রিকা- বাংলাদেশের সমস্ত জেলা, উপজেলা, ক্যাম্পাস ও প্রবাসে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে! বিস্তারিত: ০১৭১২৯০৪৫২৬/০১৯১১১৬১৩৯৩
শিরোনাম :
কাকরাইলে দুটি রাজনৈতিক দলের সং-ঘর্ষে সেনার সংবা-দ বিজ্ঞপ্তি বিএনপির প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষ্যে ঝিনাইদহে ফ্রী মেডিকেল ক্যা-ম্প সঞ্জীবন প্রকল্প’ বাস্তবায়নে বাংলাদেশ ব্যাংকের সহ-যোগিতার আ-শ্বাস বাবুগঞ্জে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে বিএনপির ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন অ-নুষ্ঠিত তানোরে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে প্র-স্তুতি সভা মসজিদ নির্মাণে বা-ধাঁ দেয়ার অভি-যোগে মা-নববন্ধন আশুলিয়ায় সাংবাদিক মাজেদুল এর উপর সন্ত্রা-সী হাম-লা ও হ-ত্যার চে-ষ্টায় থানায় অ-ভিযোগ কোটালীপাড়া পৌর কিচেন মার্কেট সম্প্রসারণ কা-জের শুভ উদ্বোধন করলেন ডিসি মুহম্মদ কামরুজ্জামান সংবাদ প্র-কাশ করায় সাংবাদিকদের হু-মকি দেয়ার অ-ভিযোগ শিক্ষকের বি-রুদ্ধে সেনবাগ উপজেলা ছাত্রদলের ভারপ্রাপ্ত আহবায়ক ম-নোনীত হলেন ফখরুল ইসলাম রুবেল
মসজিদ নির্মাণে বা-ধাঁ দেয়ার অভি-যোগে মা-নববন্ধন

মসজিদ নির্মাণে বা-ধাঁ দেয়ার অভি-যোগে মা-নববন্ধন

বাবুল হোসেন,
পঞ্চগড় প্রতিনিধি:
ছেলে ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক। তারই প্রভাব খাটিয়ে মসজিদের কেনা ৮ শতক জমি অন্যকে দখল করে দিয়ে মসজিদ নির্মাণে বাধাঁ দেয়ার অভিযোগ বাবা ইয়াসিন আলীর বিরুদ্ধে। শুধু তাই নয় জমি দখলে নিতে আদালতে মামলা দায়ের করে মসজিদ নির্মাণে নিষেধাজ্ঞা দিতেও সংশ্লিষ্টদের ইন্ধন দিয়েছেন বলে মানববন্ধনে অভিযোগ করা হয়। শুক্রবার জুমআর নামাজের পরে পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলার ঝলইশালশিরি ইউনিয়নের মোঘরালি পাড়া জামে মসজিদের সামনে কামারহাট-ডাবরভাঙ্গা সড়কের উপর দাড়িয়ে ঘন্টাব্যাপী এই মানববন্ধনের আয়োজন করে মসজিদের মুসল্লীরা।
মানববন্ধনে মোঘরালি পাড়া জামে মসজিদের পরিচালনা কমিটির সভাপতি ওসমান গনি, সাধারণ সম্পাদক ময়নুল ইসলাম, মসজিদের সাবেক সভাপতি খামির উদ্দীন, মসজিদের দাতা সদস্য জামাল হোসেন, মুসল্লী বেলাল হোসেন, ময়দুল ইসলাম প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
মানববন্ধনে মসজিদ কমিটির সভাপতি ওসমান গণি অভিযোগ করে বলেন, আমরা দীর্ঘ ৩৫ বছর ধরে এই মসজিদে নামাজ আদায় করে আসছি। জায়গা সংকুলান না হওয়ায় মসজিদ সম্প্রসারণের প্রস্তুতি নেই। এজন্য গত দুই বছর আগে মসজিদ সংলগ্ন নতুন করে ১০ শতক জমি কিনে নেয়া হয় হামিদুর রহমানের স্ত্রীর কাছে সাড়ে ৫ লাখ টাকায়। পরে জমিতে থাকা বাশঁঁঝাড় কেটে, খানাখন্দ বন্ধ করে মাটিও ভরাট করা হয়। সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করা হয়। মসজিদের কাজ শুরু করতে গেলে স্থানীয় সফিকুল ইসলাম সলু ও তার ভাই হকিকুল ইসলাম কেনা জমির ৮ শতক নিজেদের দাবি করে। পরে এনিয়ে বিভিন্নভাবে সালিসে বসা হয়। সমাধানও হয়। জমি রেজিস্ট্রি করাও হয়েছে মসজিদের নামে। মসজিদের নির্মাণ করা শুরু করার লক্ষ্যে দুই টন রডও কেনা হয়েছে। কিন্তু ৫ তারিখের পর থেকে ঝলই শালশিরি ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদকের বাবা ইয়াসিন আলী ছেলের প্রভাব খাটিয়ে হকিকুল ও সফিকুলকে আবারো জমি নিজেদের দাবি করতে সরাসরি মদদ ও ইন্ধন দেন। পরে আদালতে মামলা করিয়ে মসজিদ নির্মাণে বাধাঁ ও নিষেধাজ্ঞা প্রদান করান।
মসজিদ কমিটির সাধারণ সম্পাদক বলেন, আমরা সমাজবাসী চাঁদা দিয়ে জমি কিনলাম। এখন সবাই মিলে মসজিদটি স্থায়ী পাঁকাকরণের কাজ শুরু করতে চাচ্ছি। কিন্তু হকিকুল ও সফিকুল ইয়াসিনের পরামর্শে আমাদের কাজে বাধাঁ প্রদান করছে। আমরা এ্যাসিল্যান্ডের কাছে গেছি সেখানে আমরা রায় পেয়েছি। কিন্তু তারা মানেনা। কোর্টে মামলা করলো। তাদের কোন কাগজ নেই অথচ জমির মালিকানা দাবি করছে। আমরা ইয়াসিন সহ এসব চক্রান্তকারীদের বিচার চাই। সেই সাথে তাড়াতাড়ি যেন মসজিদ নির্মাণ করতে পারি সেজন্য সবার সহযোগিতা চাই।
মসজিদের দাতা সদস্য জামাল হোসেন বলেন, আমরা জমির মুল মালিক। নিজেদের প্রয়োজনে জমিটি আমারই ছোট ভাইয়ের কাছে বিক্রি করি। পরে সে তার স্ত্রীর নামে রেজিস্ট্রি করে দেয়। কিন্তু মসজিদ নতুন করে নির্মাণ করতে চাইলে ছোট ভাইয়ের স্ত্রীর কাছে জমিটি কিনে নেয় মসজিদ কমিটি। অথচ হকিকুল ও সফিকুল জমির মালিকই না। কিন্তু ইয়াসিন তাদের নাচাচ্ছে। তারা এখন জমির মালিক দাবি করে মসজিদ নির্মাণে বাঁধা দিচ্ছে।
তবে সব অভিযোগ অস্বীকার করে ইয়াসিন আলী বলেন, ছেলের চাইতে আল্লাহর রহমতে আমার যথেষ্ট প্রভাব আছে। আমি কারো নাম ভাঙ্গাই না, প্রভাব খাটাই না। যারা অভিযোগ করতেছে তাদের মধ্যে কয়েকজন আছে আওয়ামী লীগের দালাল। আমাদের ইউপি চেয়ারম্যানের চামচা। আমাদের বিএনপিরও একজন আছে চেয়ারম্যানের চামচা। তারা আমার নামে এসব ছড়াচ্ছে। মসজিদের নানা সমস্যার কারণে আরো তিনটি মসজিদ হইছে আশপাশে। আর জাল দলিল করে জমি রেজিস্ট্রি করেছে কয়েকজন। কাগজপত্র প্রমাণ দিবে জমি কার। আমি কাউকে জমি দখলে ইন্ধন দেই নি।
জমির মালিকানা দাবি করা সফিকুল ইসলাম সলু বলেন, আমাদের জমির কাগজপত্র জাল করে হামিদুর রহমান সহ তাদের লোকজন বিক্রি করেছে। মুলত জমির মালিক আমরা। কিন্তু আমাদের জমি না দেয়ায় কোর্টে মামলা করে দিয়েছি। আপনারা কাগজপত্র দেখবেন তারপরে কথা হবে। মসজিদের জমি নিয়ে তো ছলচাতুরী করা যায় না। আমাকে কেউ জমি দখল করতে পরামর্শ দেয়নি।

Please Share This Post in Your Social Media






© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Design & Developed BY AMS IT BD