August 31, 2025, 9:39 am

বিজ্ঞপ্তি :
বিশেষ সতর্কীকরন - "নতুন বাজার পত্রিকায়" প্রকাশিত সকল সংবাদের দ্বায়ভার সম্পুর্ন প্রতিনিধি ও লেখকের। আমরা আমাদের প্রতিনিধি ও লেখকের চিন্তা মতামতের প্রতি সম্পুর্ন শ্রদ্ধাশীল। অনেক সময় প্রকাশিত সংবাদের সাথে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল নাও থাকতে পারে। তাই যেকোনো প্রকাশিত সংবাদের জন্য অত্র পত্রিকা দায়ী নহে। নতুন বাজার পত্রিকা- বাংলাদেশের সমস্ত জেলা, উপজেলা, ক্যাম্পাস ও প্রবাসে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে! বিস্তারিত: ০১৭১২৯০৪৫২৬/০১৯১১১৬১৩৯৩
শিরোনাম :
বন্দরটিলায় ‘ডাই-নামিক নাছির প্লাজা’—একই ছাদের নিচে কাঁচাবাজার ও আধুনিক শপিং মল কুমিল্লাতে মা-দকের জের ধরে যুকককে কু-পিয়ে হ-ত্যা দোয়ারাবাজারে জো-রপূর্বক বাড়ির প্রবেশ পথ ব-ন্ধ করার অ-ভিযোগ উঠেছে সুজানগরে ট্রাক, ট্যাংকলরী ও কভার্ড ভ্যান শ্রমিক ইউনিয়নের উদ্যোগে দো-য়া মাহফিল সুজানগরে ঘরে ঢুকে বন্ধুর স্ত্রীকে ধ-র্ষণ চেষ্টা,থানায় মা-মলা অ-তিরিক্ত সার দেওয়া মানে জমির জন্য ক্ষ-তি: কৃষি সচিব তানোরে গো-খাদ্যর সং-কট বি-পাকে গৃহস্থ-খামারি খুলনার উপকূলীয় অঞ্চলে বিক্রি হচ্ছে গোলফল ; অর্থনৈতিক সম্ভা-বনার নতুন দ্বার খুলছে ভারত সীমান্তবর্তী পদ্মা পাড়ের কয়েকটি গ্রাম নদী ভা-ঙ্গনে মানচিত্র থেকে হা-রাতে বসেছে তানোরে জামায়াতের শুধী স-মাবেশ
রাজশাহীর গোদাগাড়ীর ইউএনও ও বিএনপি নেতার বা-কবিতন্ডা ভা-ইরাল

রাজশাহীর গোদাগাড়ীর ইউএনও ও বিএনপি নেতার বা-কবিতন্ডা ভা-ইরাল

নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহীঃ রাজশাহী জেলার
গোদাগাড়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফয়সাল আহমেদকে ও বিএনপি নেতার বাকবিতন্ডা হয়েছে। খবরসুত্রে জানা যায়,গোদাগাড়ীতে বিএনপি নেতাদের ছবি সংবলিত ব্যানার ও পোস্টার সরানোকে কেন্দ্র করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফয়সাল আহমেদ ও বিএনপি নেতা ইঞ্জিনিয়ার কে এম জুয়েলের মধ্যে ফোনালাপের একটি অডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। অডিওতে শোনা যায়, ইউএনওকে প্রশ্নবিদ্ধ এবং কড়া ভাষায় ধমক দিচ্ছেন ওই বিএনপি নেতা।

ঘটনার সূত্রপাত গোদাগাড়ী উপজেলার ডাইংপাড়া গোল চত্বরে লাগানো ব্যানার ও ফেস্টুন অপসারণকে কেন্দ্র করে। এগুলোর মধ্যে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ছবি ছিল।

এগুলো সরিয়ে ফেলার অভিযোগে ক্ষোভ প্রকাশ করেন বিএনপির রাজশাহী-১ আসনের মনোনয়নপ্রত্যাশী নেতা ইঞ্জিনিয়ার কে এম জুয়েল, যিনি রাজশাহী মহানগর বিএনপির সাবেক বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক।@

অডিওতে শোনা যায়, কে এম জুয়েল ইউএনওকে ফোন দিয়ে জানতে চান, কেন পোস্টার সরানো হয়েছে। প্রথমে ইউএনও বিষয়টি এড়িয়ে যান। পরে জানান, ‘জনগণের অভিযোগ ছিল।’ তখন বিএনপি নেতা বলেন, ‘জনগণ অনেক অভিযোগ করে, সব করেন? তাহলে পুরো উপজেলার পোস্টার সরান।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমি যেটা বলছি সেটা লিগ্যাল রাইট নিয়া বলতেছি। আপনি কালই ওই জায়গায় পোস্টার আবার লাগাবেন। আমি ঢাকায় আছি, কাল এসে যেন দেখে যেতে পারি।’

তখন ইউএনও শুধু ‘ঠিক আছে, ঠিক আছে’ বলতে থাকেন।
পাল্টা জবাবে কে এম জুয়েল বলেন, ‘ঠিক আছে মানে কি? অবশ্যই করবেন, নইলে আমরা যেটা করার সেটা করব। আপনি আমার নেতার ছবি সরিয়েছেন। আপনার বিরুদ্ধে যেটা করার, সেটা আমরা করব।’

এছাড়াও অডিওতে ইউএনওকে উদ্দেশ্য করে ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক প্রশ্ন ছুঁড়ে দিয়ে তিনি বলেন, ‘আপনি নরসিংদীর মানুষ না? কোন দল থেকে এসেছেন? কার এজেন্ডা বাস্তবায়ন করছেন?’

এ বিষয়ে ইউএনও ফয়সাল আহমেদ গণমাধ্যমকে বলেন, ‘গোদাগাড়ী পৌরসভার প্রশাসক এবং উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে দায়িত্ব পালনের অংশ হিসেবে ৬ এপ্রিল পৌর এলাকার ডাইংপাড়া মোড়ের চারপাশে ফুটপাত ও রাস্তা দখল করে রাখা সব ধরনের পোস্টার, ব্যানার, ভ্যানগাড়ি ও দোকানপাট সরানোর নির্দেশ দিয়ে নোটিশ জারি করা হয়। স্থানীয়দের অভিযোগ ছিল এসব কারণে যান চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হচ্ছিল। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ব্যবস্থা না নেওয়ায় ৭ এপ্রিল প্রশাসনের পক্ষ থেকে সেগুলো অপসারণ করা হয়।’তিনি আরও বলেন, ‘এটি কোনো রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে নয়, বরং জনস্বার্থে নেওয়া প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত ছিল।’

কে এম জুয়েল বলেন, ‘যদি প্রশাসন নিরপেক্ষভাবে পুরো এলাকায় পোস্টার সরাতো তাহলে কোনো অভিযোগ থাকত না। কিন্তু শুধু একটি নির্দিষ্ট এলাকা থেকে বিএনপির নেতাদের ছবি সম্বলিত পোস্টার সরানো উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। এ বিষয়ে আমি রাজশাহীর জেলা প্রশাসককেও অবহিত করেছি।’

তিনি প্রশাসনের কাছে নিরপেক্ষতা ও রাজনৈতিক সমতা বজায় রাখার আহ্বান জানান। বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনার ঝড় বইছে ব্যাপক লাইক, কমান্ড, শিয়ার হয়েছে।।

মোঃ হায়দার আলী
নিজস্ব প্রতিবেদক,
রাজশাহী।

Please Share This Post in Your Social Media






© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Design & Developed BY AMS IT BD