August 31, 2025, 12:03 pm
এম এ আলিম রিপনঃ পাবনার সুজানগরে কনকনে বাতাস ও শীতের তীব্রতায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন। বৈরী আবহাওয়ায় গত কয়েকদিন ধরে শীতের তীব্রতা বাড়ায় জনজীবন অচল হয়ে পড়েছে। দৈনন্দিন আয় রোজগার কমে যাওয়ায় খেটে খাওয়া মানুষগুলো মানবেতর জীবন যাপন করছেন। দিন পেরিয়ে রাত এলেই গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টির ফোঁটার মতো কুয়াশা ঝরছে। তীব্র হিমেল বাতাসে দরিদ্র ও নিম্ন আয়ের মানুষজনের অবস্থা বিপন্ন হয়ে পড়েছে। অনেক দিনমজুর কাজের সন্ধানে সকালে ঘর থেকে বের হতে পারছেন না । প্রচন্ড শীতে আর কুয়াশার মধ্যেই কাজের সন্ধানে ছুটছেন কর্মজীবী মানুষেরা। শীত উপেক্ষা করে যারা বের হচ্ছেন তারা স্বাভাবিক পরিবেশ না থাকায় কর্মবিমূখ অবস্থায় বাড়ি ফিরছেন। রাস্তায় লোকজন চলাচল কম থাকায় রিকশা,ভ্যান চালকরা যাত্রী না পাওয়ায় আয় কমে গেছে তাদের। অসহায়,দুস্থ ও ছিন্নমূল মানুষ আগুন জ¦ালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছেন। কনকনে শীতে মানুষের পাশাপাশি গবাদিপশুরাও ঠান্ডায় কষ্ট পাচ্ছে। সুজানগর পৌর শহরের কাচারিপাড়া এলাকার ভ্যান চালক আব্দুল কানাই বলেন, তীব্র শীত আর কনকনে ঠান্ডার মধ্যে ভ্যান চালাতে অনেক কষ্ট হয়। তবুও পেটের দায়ে বের হতে হয় বাড়ি থেকে। কৃষক মোফাজ্জল হোসেন বলেন, তারা ভোর থেকেই মাঠে কাজ করেন। কিন্তু তীব্র শীত আর কনকনে ঠান্ডা বাতাসের কারণে মাঠে কাজ করতে পারছেন না। বৈরী আবহাওয়ায় কৃষি কাজে প্রচন্ড সমস্য হচ্ছে। ব্যাটারি চালিত ইজিবাইক চালক ওয়াজেদ বলেন, ঘন কুয়াশা আর ঠান্ডা বাতাসে মানুষ ঘর থেকে বাইরে বের হচ্ছেন না , এ জন্য আয় কমে গেছে তাদের। সুজানগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুখময় সরকার বলেন, এই শীতে গরিব মানুষগুলো খুব অসহায়।তাদের অনেকের শীতবস্ত্র কেনার সামর্থ্য নেই। তাই সবার উচিত এই কনকনে শীতে দরিদ্র অসহায় মানুষদের পাশে দাঁড়ানো। আমরা প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া শীতবস্ত্র(কম্বল) প্রকৃত অসহায় দরিদ্রদের মাঝে বিতরণ করে যাচ্ছি। সরকারি নির্দেশনায় শীতার্তদের মাঝে এ শীতবস্ত্র বিতরণ অব্যাহত থাকবে।
এম এ আলিম রিপন
সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি ।