August 29, 2025, 5:58 am

বিজ্ঞপ্তি :
বিশেষ সতর্কীকরন - "নতুন বাজার পত্রিকায়" প্রকাশিত সকল সংবাদের দ্বায়ভার সম্পুর্ন প্রতিনিধি ও লেখকের। আমরা আমাদের প্রতিনিধি ও লেখকের চিন্তা মতামতের প্রতি সম্পুর্ন শ্রদ্ধাশীল। অনেক সময় প্রকাশিত সংবাদের সাথে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল নাও থাকতে পারে। তাই যেকোনো প্রকাশিত সংবাদের জন্য অত্র পত্রিকা দায়ী নহে। নতুন বাজার পত্রিকা- বাংলাদেশের সমস্ত জেলা, উপজেলা, ক্যাম্পাস ও প্রবাসে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে! বিস্তারিত: ০১৭১২৯০৪৫২৬/০১৯১১১৬১৩৯৩
শিরোনাম :
সুজানগরে বিএনপির ৩১ দফা বাস্তবায়নে সেলিম রেজা হাবিবের নে-তৃত্বে বি-শাল গ-ণমিছিল তাঁতিবন্দ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিদা-য় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত দোয়ারাবাজার সীমান্তে ৬ রা-উন্ড গু-লিসহ বি-দেশি রি-ভলবার উ-দ্ধার গোদাগাড়ীতে মহিশালবাড়ী মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে অভি-ভাবকদের মত-বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত শারীরিকভাবে অ-ক্ষম ব্যক্তিকে ভ্যানগাড়ি ও বিক্রয়ের জন্য মালা-মাল দিলেন ইউএনও ফয়সাল নড়াইল জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক পলাশ গ্রে-ফতার নড়াইলে ইয়া-বা ট্যাবলেটসহ দুইজন গ্রে-ফতার আনসার কোম্পানিতে নতুন প্রাণের সঞ্চার : প্রশি-ক্ষণ ও সং-স্কারে দেশসেবার অ-ঙ্গীকার ঐতিহাসিক পাকুড়িয়া গণহ-ত্যা দিবস উদযাপন প্রকৌশল শিক্ষার্থীদের ওপর হা-মলার ঘটনায় গোবিপ্রবি উপাচার্যের নি-ন্দা
পাটের বাম্পার ফলন হলেও দাম নিয়ে হতাশা পাট চাষিরা

পাটের বাম্পার ফলন হলেও দাম নিয়ে হতাশা পাট চাষিরা

রওশন আরা শিলা, নওগাঁ প্রতিনিধিঃ- নওগাঁর আত্রাইয়ে চলতি মৌসুমে পাটের ভালো ফলন হলেও দাম নিয়ে হতাশা পাট চাষিরা। পাট জাগ ও দাম নিয়ে চিন্তার ভাঁজ দেখা দিয়েছে পাট চাষি কৃষকের কপালে। এ ছাড়া শ্রমিক ও পানির অভাবে জাগ দিতে না পারায় অনেক কৃষকের পাট এখনও ক্ষেতেই রয়ে গেছে। কয়েকজন কৃষকের সাথে কথা বলে জানা গেছে, এক মন পাট ঘরে তুলতে প্রায় দুই হাজার পাঁচ শত টাকা খরচ হয়েছে। বর্তমান বাজারে দুই হাজার চার শত টাকা দরে পাট বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন।
উপজেলার কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, এ অঞ্চলের কৃষকের প্রধান ফসল পাট। গত দুই বছরে কাঙ্খিত দাম পেয়ে এবার অধিক জমিতে পাট চাষ করেছেন কৃষকেরা। চলতি মৌসুমে আত্রাই উপজেলায় প্রায় ছয় হাজার পাঁচ শত হেক্টর জমিতে পাট চাষ করা হয়েছে। প্রতি বিঘায় ফলন হয়েছে বারো থেকে চৌদ্দ মন পর্যন্ত ফলন। নদী তীরবতী ও বিল অঞ্চলের আশ পাশের কৃষকরা পাট কেটে জাগ দিতে পারলেও উপজেলার বেশি ভাগ কৃষক এখনও পাট কেটে ক্ষেতেই রেখে দিয়েছেন। সাধারনত পাটের মৌসুম শেষ হলে কৃষকরা জমিতে ধান আবাদ করে থাকেন। কিন্তু জাগ দেওয়ার সমস্যা, শ্রমিক সংকট ও বাজারে প্রত্যাশিত দাম না থাকায় অনেকে পাট বিক্রি করতে পারছেন না। ফলে বীজতলা প্রস্তুত থাকলেও চাষিদের অনেকে এখনও ধান রোপন করতে পারেননি। এতে কৃষকদের মধ্যে হতাশার সৃষ্টি হয়েছে।
পাঁচুপুর ইউনিয়নের নবাবেরতাম্বু গ্রামের কৃষক জাহাঙ্গির হোসেন বলেন, গত দুই বছরে পাটের দাম ভালো থাকায় এ বছর এনজিও থেকে লোন নিয়ে তিনি পাঁচ বিঘা জমিতে পাট চাষ করেছেন। বীজ রোপন থেতে শুরু করে এ পর্যন্ত প্রতিমন পাট ঘরে তুলতে প্রায় চব্বিশ-পঁচিশ শত টাকা খরচ হয়েছে। সে পাট এখন বাজারে বিক্রি হচ্ছে মন প্রতি দুই হাজার চারশত টাকা। লোকসান দিয়েই পাট বিক্রি করতে হচ্ছে কৃষকদের। একই ইউনিয়নের জয়সারা গ্রামের জালাল উদ্দিন জানান, দাম কম থাকায় এ বছর ক্ষেত থেকে পাট কাটতে ইচ্ছে করছে না তাঁর। তিনি জানান একজন শ্রমিককে রোজ সাত শত থেকে আট শত টাকা দিয়ে পাট কাটতে হচ্ছে। ক্ষেতের আশপাশে পানি না থাকায় দূরে নিয়ে জাগ দিতে হচ্ছে। এতে পরিবহন ব্যয় বাবদ আঁটি প্রতি পাঁচ- ছয় টাকা খরচ হচ্ছে। অনেকে পুকুর ভাড়া করে পাট জাগ দিচ্ছেন। সব মিলিয়ে এ বছর পাট চাষে কৃষকদের কোন লাভ হবে না। একই ইউনিয়নের মধ্য বোয়ালিয়া গ্রামের মকলেছুর রহমান চাঁদ বলেন, কয়েক বছরের তুলনায় এ বছরই পাটের দাম অনেক কম। পানি না থাকায় পাট জাগ দেওয়া অনেক কষ্টের ব্যাপার। এসব কষ্ট কথা বলে শেষ নাই।
উপজেলা কৃষি অফিসার তাপস কুমার রায় ফোন আলাপে তিনি জানান, গত দুই বছর পাটের দাম ভালো হওয়ায় এ বছর পাটের দাম ভালো হওয়ায়। এ বছর সে আমায় কৃষকেরা পাট চাষ করেছেন। উৎপাদনের লক্ষ্য মাত্রা ছাড়িয়েছে।পানির অভাবে কৃষকের পাট জাগ দিতে সমস্যা হচ্ছে।তবে কয়েক দিন ভারী বৃষ্টি হলে এ সমস্যা থাকবে না।পাটের দাম কিছু দিনের মধ্যে বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে#

রওশন আরা পারীন শিলা
নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি।

Please Share This Post in Your Social Media






© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Design & Developed BY AMS IT BD