August 31, 2025, 9:00 am
মোহাম্মদ বাবুল হোসেন পঞ্চগড়:
পঞ্চগড় জেলা সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে মোকদ্দমা নং ২৯৫ বোদা সরকারি পাইলট মডেল স্কুল এন্ড কলেজ সহকারি শিক্ষক কম্পিউটার মো: নুর- ই আলম সিদ্দিকী বাদী হয়ে চারজনকে বিবাদী করে একটি মামলা দায়ের করেন।
মামলা সূত্রে জানা যায় বোদা উপজেলার অন্তর্গত বোদা সরকারি পাইলট স্কুল এন্ড কলেজ গত ২০১১ সালে ১১ই ফেব্রুয়ারি প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হইলে প্রধান শিক্ষক পদে মো: জামিউল ইসলাম আবেদন করিয়া প্রধান শিক্ষক হিসাবে নিয়োগ পান এবং বর্তমান ও কর্মতরত আছেন। নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতকত্তোর সহ বিএড/এমএড ডিগ্রী চাওয়া হয়েছিল। প্রধান শিক্ষক নিজেকে স্নাতকত্তোর ডিগ্রিধারী দাবি করিয়া বিলুপ্ত অধুনা ও দারুল এহসান বিশ্ববিদ্যালয় হইতে ইংরেজি সাহিত্যে ২০১০ সালে স্নাতকত্তোর ডিগ্রি অর্জনের একখানা সার্টিফিকেট দাগিন করেন। সাম্প্রতি বোদা পাইলট স্কুল কলেজ জাতীয়করণ হওয়ায় শিক্ষক কর্মচারীদের আত্তীকরণের নিমিতে যে তালিকা প্রেরণ করা হয় সেখানে প্রধান শিক্ষক ১৯৮২ সালে এসএসসি ১৯৮৪ সালে এইচএসসি এবং ১৯৮৬ সালের রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় হতে বি কম পাস করেন মর্মে উল্লেখ করেন। অনুসন্ধানে জানা যায় একজন বি কম পাস করা ব্যক্তি সরাসরি ইংরেজি সাহিত্যে এম এ ডিগ্রী অর্জনের কোনো সুযোগ নেই কারণ স্নাতক পর্যায়ে যে বিষয় থাকে না সেই বিষয়ে স্নাতক ত্তোর ডিগ্রী অর্জন করা যায় না তবে যে বিষয়ে স্নাতক পর্যায়ে নাই সেই বিষয়ে স্নাতকত্তোর করিতে হইলে একটি সার্টিফিকেট কোর্স করতে হবে এবং উত্তীর্ণ হওয়ার পরে উক্ত বিষয়ে স্নাতকত্তোর পর্যায়ে প্রিলিমিনারী ও ফাইনাল পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হয় কিন্তু নিয়োগকৃত প্রধান শিক্ষক দারুল এহসান বিশ্ববিদ্যালয় হইতে স্নাতকত্তোর ডিগ্রি এবং কোন সনদ প্রাপ্ত হন নাই। ১৬ এপ্রিল ২০২২ তারিখে দারুল হাসান বিশ্ববিদ্যালয় অনুমোদিত একখানা সার্টিফিকেট প্রেরণ করিয়া উক্ত সার্টিফিকেটের সত্যতা সম্পর্কে জানতে চাইলে প্রধান শিক্ষকের মুঠোফোনে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন আদালতে আমি জবাব দিয়েছি। জামিউল হক যেহেতু বি কম থেকে ইংরেজি পাস করেছেন তারা যখন পাশ করেন তখন পঠিত বিষয়ে ইংরেজি ছিল না ইংরেজি বিষয়ের জন্য মাস্টার্স করার জন্য প্রথমে তাকে সার্টিফিকেট কোর্স করতে হবে তারপরে প্রিলিমিনারি শেষ করে তারপরে তাকে মাস্টাস করতে হবে। এ বিষয়ে পঞ্চগড় মকবুলার রহমান সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ দেলোয়ার হোসেন প্রধানের মুঠোফোনে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন যেহেতু বি কম থেকে পরে ইংরেজি করেছে তখন ইংরেজি ছিল না সেজন্য সার্টিফিকেট কোস করতে হবে ।
প্রধান শিক্ষকের কাছে
ওই প্রতিষ্ঠানের আরো একটি সরকারি নিয়োগের সময় প্রথম পর্যায়ে আলাউল ইসলাম সহকারী শিক্ষক দারুল এহসানের সার্টিফিকেট দিলে নিয়োগ হয়নি সে ক্ষেত্রে আপনি কিভাবে পেলেন প্রধান শিক্ষক উনার চাকরি হয়েছে কিন্তু আলাওল চাকরি অনুসন্ধানে জানা যায় শান্তা মরিয়ম টেকনোলজির সার্টিফিকেট দিয়ে নিয়োগ হয়।
এ বিষয়ে বাদী নূর ই আলম সিদ্দিকীর আইনজীবী এ কে এম আনায়ারুল ইসলাম খায়ের মুঠো ফোনে কথা হলে তিনি জানান মামলার তদন্ত চলছে বিজ্ঞ আদালতে বাদী ন্যায় বিচার পাবে।