সুনামগঞ্জ বাজারে  নিত্য পণ্যের দাম বৃদ্ধি পাওয়া হতাশায় ভুগছেন ক্রেতারা নিরব ভূমিকায় ভোক্তা অধিকার ও জেলা প্রশাসন

‎কেএম শহীদুল সুনামগঞ্জ :
‎পবিত্র রমজান মাসে হঠাৎ করেই  সুনামগঞ্জে নিত্য পণ্যের দাম বৃদ্ধি পাওয়া হতাশায় ভুগছেন ক্রেতারা।প্রতিটি বাজারে দ্বিগুন দামে বিক্রি হচ্ছে  নিত্য পণ্য। নিরব ভূমিকায় রয়েছেন ভূক্তা অধিকার ও জেলা প্রশাসন। রমজানের প্রথম দিনেই বাজারে অলিতে-গলিতে ঘুরেফিরে এবং ক্রেতাদের সাথে আলাপ করে জানা যায়। একসাথে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বেড়েছে? যার ফলে নিম্ন আয়ের গরীব দিন মজুর মানুষেরা তাদের চাহিদা অনুযায়ী পণ্য কেনাকাটা করতে হিমসিম খাচ্ছেন। সবজি বাজারে লেবু বিক্রি হচ্ছে দুইশ টাকা থেকে ৩শ টাকায় এক হালি, ৪০ টাকার পেয়াজ একদিনে বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৬০টাকা কেজি, ৫০টাকার বেগুন ১০০টাকা কেজি, ৪০টাকার শষা ১০০টাকা, কাঁচা মরিচ ২৫০টাকা কেজি, রসুন বিক্রি হচ্ছে দেড় গুন বেশি দামে। এছাড়াও তেলের আমদানি হচ্ছেনা সোয়া বিন তৈল? তেলের সংকট বাজারে দেখা দিয়েছে? রমজান মাস আসলেই হঠাৎ করে নিত্য পণ্যের দাম বৃদ্ধি পাওয়াটাকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন না ক্রেতারা।  ক্রেতারা তাদের চাহিদা অনুযায়ী পণ্য কিনতে না পেরে এবং হঠাৎ করেইবএকদিনে সব পণ্যের দাম বাড়ানোটাকে সিন্ডিকেট ব্যবসার অংশ বুঝতে করাও সন্দেহ নেই। যার কারনে ক্ষুভ প্রকাশ করেছেন ক্রেতারা।  অন্য দিকে ভূক্তা অধিকারের পক্ষ থেকেও কোন উদ্যোগ নেওয়া হয়নি? এমনকি জেলা প্রশাসকের পক্ষ থেকেও নেই কোন প্রতিক্রিয়া? বাজারে নিত্যপণ্য কিনতে আসা একাধিক ক্রেতাদের সাথে আলাপ করে এবং ব্যবসায়ীদের কাছে জানতে চাইলে অনেকে  তারা ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
‎বাজারে কেনাকাটা করতে আসা কয়েক জন ক্রেতাদের সাথে আলাপ করে জানতে চাইলে তারা বলেন আমরা নিম্ন আয়ের মানুষ এই রমজান মাসে ১ টাকার মাল পাঁচ টাকায় বিক্রি হচ্ছে? এভাবে চলতে থাকলে আমরা গরীব দিনমজুর মানুষেরা  বাচঁবো কি করে।  প্রশাসন এগুলো দেখেনা? অন্য দিকে কয়েকজন ব্যবসায়ী দোকানদারের সাথে আলাপ করে জানা যায় রমজানের প্রথম দিনেই কয়েকটি তেলের ডিলার বাজারে তেল দেওয়া বন্ধ করে দিয়েছে?  শুধু মাত্র স্টারশিপের সোয়াবিন  তৈল পাওয়া যাচ্ছে? অন্য তৈল কোম্পানি তাদের তৈল মজুদ করছে দাম বাড়ানোর জন্য? এছাড়াও মাছ মাংসেরও দাম বৃদ্ধি পেয়েছে? অনেকেই ধারনা করছেন নতুন সরকার নির্বাচিত হওয়ায় সরকারের ভাবমূর্তি নষ্ট করার জন্য এবং সাধারণ মানুষের মাঝে নতুন সরকারের প্রতি জনগণের ক্ষুভ তৈরী করার জন্য ব্যবসায়ীদের একটি সিন্ডিকেট এমন করছেন? এবং তাদের সাথে ভূক্তা অধিকার ও জেলা প্রশাসনের কিছু অসৎ কর্মকর্তার যোগসাজস রয়েছে বলেও জানান অনেকে। আর এজন্যই  ভূক্তা অধিকার ও জেলা প্রশাসন নিরব ভূমিকা পালন করছেন বলে অনেক ভূক্তভোগী ক্রেতাদের মনে ধারণা সৃষ্টি হয়েছে? ক্রেতারা নিত্য পণ্যের মুল্য সাভাবিক রাখার জন্য সরকারের কাছে অনুরোধ জানান এবং বাজার সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের আশাবাদ ব্যক্ত করেন তারা।###

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *