কে এম সোয়েব জুয়েল।।
গৌরনদী সরিকলের মিয়ারচর দাখিল মাদ্রাসার জায়গায় মাদ্রাসার গাছ বিক্রয়ের অর্থায়ানে স্হাপিত নির্মানাধীন নুরানি মাদ্রাসাটি স্হানীয় কতিপয় কুচক্র মহল সরিয়ে নিয়ে অন্যত্র স্হাপন করার চেষ্টা ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬;ইং গন মাধ্যমে প্রকাশিত হওয়ার ঘটনা উপজেলা প্রশাসন কর্তৃপক্ষের নজরে আসলে গতকাল ১৮ ফেব্রুয়ারি গৌরনদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ ইব্রাহিম মাদ্রাসাটিতে গৌরনদী থানা পুলিশ প্রেরন করেন।
এবং নুরানি মাদ্রাসা ঘরটি না ভাঙ্গার নির্দেশে নুটিশ টানিয়ে দেন উপজেলা প্রশাসন। মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক মোঃ মারফত উল্লাহ সহ এর সাথে জড়িত সংশ্লিষ্টদের অবগত করেন ও ঘরটি যাতে কেউ ভেঙে না নিতে পারে এমন হুশিয়ারি দেন গৌরনদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ ইব্রাহিমের পাঠানো গৌরনদী থানা পুলিশ।
এ বিষয় মাদ্রাসার প্রতিষ্টাতার পুত্র মোঃ মিজান বলেন , স্হানীয় কতিপয় স্বার্থান্বেশী মহল তাদের স্বার্থ হাঁচিলে দাখিল মাদ্রাসার সুপারের যোগসাজশে অনিয়ম তান্ত্রিক ভাবে সরকারি জায়গায় প্রাইভেট নুরানি মাদ্রাসা নির্মান করে দীর্ঘদিন ধরে দাখিল মাদ্রাসার শিক্ষক দিয়ে পরিচালনা করে আসছিলেন। এবং শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে মোটা অংক হাতিয়ে নিতেন তারা।
।
এ বিষয় প্রতিষ্ঠতার পুত্র মোঃ মিজানের হস্তক্ষেপে গনমাধ্যম কর্মিদের অবগত করার পরে বিভিন্ন খবরের কাগজে অনিয়মের কথা ছাপা হলে ঘটনাটির সত্যতা প্রমানিত হলে শিক্ষা অফিসের সাথে জড়িত সরকারি দপ্তর থেকে ওই স্হান থেকে নুরানি মাদ্রাসা সরিয়ে নেয়ার নির্দেশনা আসলেও প্রশাসনকে বৃদ্ধা আঙুল দেখিয়ে বহাল তবিয়তে এখনো চালিয়ে যাচ্ছেন নুরানি মাদ্রাসার ক্লাস। তিনি (মিজান) আরো বলেন, সরকারে প্রজ্ঞাপনকে অমান্য করে মাদ্রাসার ক্যাসমমেন্ট এড়িয়ার মধ্যেই প্রাইভেট মাদ্রাসা খুলছেন তারা।
তাই এর সু- ব্যাবস্হা পেতে প্রশাসনের জোড়ালো হস্তক্ষেপ কামনা করছেন মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠতা একেএম মৃত আবদুল খালেকের পুত্র মোঃ মিজানুর রহমান মিজান।

Leave a Reply