হেলাল শেখঃ বাংলাদেশে আওয়ামী লীগের দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রায় প্রতিটি এলাকার ভোটকেন্দ্র ছিলো ফাঁকা। সে সময় বিদেশি নির্বাচন পর্যবেক্ষকদের ভূমিকাও প্রশ্নবিদ্ধ ছিলো বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা। সেই অভিজ্ঞতার পর এবার ২০২৬ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে দেশবাসীর আগ্রহ ও প্রত্যাশা তুঙ্গে। নিরপেক্ষ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণের অপেক্ষায় রয়েছে প্রায় ১৮ কোটি জনগণ।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ইং) রাতে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সাংবাদিক সংস্থার চেয়ারম্যান এস. এম. নজরুল ইসলাম জানান, বাংলাদেশ “আওয়ামী লীগের দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিরপেক্ষ ছিলো না। তাদের শাসনামলে নারী নির্যাতন, ধর্ষণ, সাধারণ মানুষের ওপর নৃশংস হামলা ও নির্যাতনের ঘটনা বেড়েছে। জুলাই-আগস্টে গণহত্যার মতো ঘটনাও ঘটেছে, যা সরাসরি মানবাধিকার লঙ্ঘন। মানবাধিকার লঙ্ঘন একটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ।”
তিনি আরও বলেন, “আমরা আশাবাদী, ২০২৬ সালে অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় সংসদ নির্বাচন হবে নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য। জনগণ তাদের ভোটাধিকার শান্তিপূর্ণভাবে প্রয়োগ করতে পারবে।” নির্বাচনকে ঘিরে সারাদেশে বিপুল সংখ্যক যৌথ আইন শৃঙ্খলা বাহিনী জনগণের জানমালের নিরাপত্তায় কাজ করছেন।

Leave a Reply