‎সুনামগঞ্জের মহনপুর ইউনিয়নে ধ/র্ষণের শিকার ৭ বছরের শিশু – ধ/র্ষক আটক

‎কে এম শহীদুল সুনামগঞ্জ :
‎সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার মহনপুর ইউনিয়নের তাজ নগর গ্রামে ২য় শ্রেনীর এক স্কুল ছাত্রী ৭ বছরের শিশু ধর্ষণের শিকার হয়েছে। পাষন্ড ঘাতককে আটক করে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে। ঘটনাটি ঘটে ২৯ জানুয়ারী ২০২৬ ইং তারিখ রোজ বৃহস্পতিবার বিকেলে। বর্তমানে মুমূর্ষ অবস্থায় সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন  রয়েছে ৭ বছরের ঐ শিশু মেয়ে ফৌজিয়া । সে মোহনপুর ইউনিয়নের জয়নগর বাজার আইডিয়াল কিন্ডার গার্টেন স্কুলে নার্সারী-২তে পড়ে। প্রত্যক্ষদোষী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায় বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টার দিকে ইউনিয়নের তাজনগর গ্রামে ৭ বছরের শিশু মেয়ে ফৌজিয়া তার ৫ বছর বয়সী ছোট ভাই বাইজিতকে নিয়ে পাশের বাড়ির উঠানে খেলতে যায়।  এসময় পাশের বাড়ির পাষন্ড জিয়াউর রহমান (৪০),মেয়েটির মুখ চেপে ধরে ঘরের ভিতরে নিয়ে যায় এবং ঘরের দরজা বন্ধ করে দেয়। এসময় ভাই বাইজিত দৌড়ে এসে নিজ বাড়িতে তার মায়ের কাছে বলে ফৌজিয়াকে পাশের বাড়ির জিয়াউর রহমান মুখে চেপে ধরে ঘরের ভিতরে নিয়ে গেছে। বাইজিতের কথা শুনে আশপাশের লোকদের নিয়ে মেয়েটির স্বজনেরা পাষন্ড জিয়াউর রহমানের ঘরের দরজায় ডাকতে থাকেন।  পরে দরজা ভেঙে ভিতরে প্রবেশ করে এলাকাবাসী ৭ বছরের শিশু মেয়েটিকে মুখ বাঁধা অবস্থায় পড়নের জামা কাপর ছাড়া অসচেতন অবস্থায় উদ্ধার করেন এবং ধর্ষণকারী জিয়াউর রহমানকে হাতে নাতে আটক করে সদর থানা পুলিশকে খবর দেন এলাকাবাসী। ঘটনার খবর পেয়ে সদর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ধর্ষণকারী জিয়াউর রহমানকে আটক করে। নির্যাতনের শিকার শিশু মেয়েটিকে সদর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ রতন সেখ (পিপিএম)’ এর  তত্বাবধানে সুনামগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য মুমূর্ষ অবস্থায় ভর্তি করা হয়। বর্তমানে মেয়েটি পুলিশের তত্বাবধানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছে। এ ঘটনায় মেয়ের চাচা মোঃ আলী আহমদ বাদী হয়ে সদর থানায় একটি ধর্ষণ মামলা করেছেন যার মামলা নং-৫০,তারিখ ২৯/১/২০২৬ইং, ধারা – নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন_( ২০০০ সনের-৯ এর (১) ধারা। এব্যাপারে সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ রতন সেখ (পিপিএম) ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান।  নির্যাতনের শিকার শিশুটি অনেক আহত হয়েছে পুলিশের তত্বাবধানে শিশুটিকে প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে,  ঘাতক ধর্ষণকারী আসামীকে আটক করে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে, আশা করি অপরাধী আদালতের মাধ্যমে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি পাবে। এই নেক্কার জনক ঘটনার জন্য আমরা হতভঙ্গ হয়েছি, কি করে একটি শিশুর সাথে এমন নির্মম নির্যাতন কাজ করা হয়েছে। শিশুটি বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছে। পুলিশের কার্যক্রম অব্যাহত আছে।###

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *