হেলাল শেখঃ ঢাকার আশুলিয়ার বিভিন্ন এলাকায় তিতাস গ্যাসের ব্যাপক অবৈধ সংযোগের কারণে সরকার প্রতিবছর কোটি কোটি টাকা রাজস্ব হারাচ্ছে। এসব অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে গিয়ে একেকটি অভিযানে সরকারের দুই লক্ষাধিক টাকা ব্যয় হচ্ছে। এমনকি কোনো কোনো স্থানে ৮থেকে ১০ বার পর্যন্ত অভিযান পরিচালনার ঘটনাও ঘটেছে।
শনিবার (৩১ জানুয়ারি ২০২৬ ইং) সকালে ঢাকার আশুলিয়ার জামগড়া মীরবাড়ি, মোল্লা বাড়ি, ভুঁইয়া পাড়া, ভাদাইল, নরসিংহপুর নিশ্চিতপুর ও পুরাতন আশুলিয়াসহ বিভিন্ন এলাকায় সরেজমিনে অনুসন্ধানে গিয়ে এসব তথ্য জানা গেছে।
অনুসন্ধানে দেখা যায়, প্রায় বেশিরভাগ ভবনে গ্যাসের বৈধ সংযোগের সঙ্গে অতিরিক্ত অবৈধ চুলা সংযুক্ত রয়েছে। ভাদাইল এলাকার একটি ভবনে একটি বৈধ চুলার সঙ্গে ৬১টি অবৈধ চুলা সংযুক্ত থাকার তথ্য পাওয়া গেছে, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক।
এ বিষয়ে আশুলিয়া জোনাল বিপণন অফিসের ম্যানেজার প্রকৌশলী আবু ছালেহ মুহাম্মদ খাদেমুদ্দীন বলেন,“আমাদের প্রতিমাসে নিয়মিত ৪ থেকে ৫টি অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। অবৈধ গ্যাস সংযোগ ব্যবহারকারী যেই হোক না কেন, তাদের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হচ্ছে এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের মাধ্যমে জেল ও জরিমানার ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।”
তিনি আরও জানান, অভিযানে নিম্নমানের পাইপ, রাইজার ও অবৈধ চুলা জব্দ করা হচ্ছে। তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষের মতে, অবৈধ সংযোগের ফলে একদিকে যেমন গ্যাসের অপচয় হচ্ছে, অন্যদিকে দুর্ঘটনার ঝুঁকিও মারাত্মকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এসব ঝুঁকি কমাতে অবৈধ গ্যাস সংযোগের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন কর্তৃপক্ষ।
অবৈধ সংযোগ ব্যবহারকারীদের দাবি-তাদের সংযোগ বৈধ করে দিলে তারা অবৈধ সংযোগ ব্যবহার করবেন না বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

Leave a Reply