মহেশপুরে এক শিক্ষাকার বিরু/দ্ধে নানাবিধ অভি/যোগ, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আ/কর্ষণ

মহেশপুর (ঝিনাইদহ) সংবাদদাতাঃ-
ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার এস’বিকে ইউপির শাহাবাজপুর গ্রামে অবস্থিত সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কর্মরত দিল পিযারী পারভীন (কুইন) নামের এক সহকারী শিক্ষিকার বিরুদ্ধে নানাবিধ অভিযোগ তুলে গত ১২ই জানুয়ারি ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসক বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে শিক্ষিকার দ্বিতীয় স্বামী আশরাফ হোসেন। আরশাফ হোসেন উপজেলার এস’বিকে ইউপির মিয়া সুন্দরপুর গ্রামের মোঃ দারজুল মল্লিকের ছেলে।
লিখিত অভিযোগ সুত্রে জানা গেছে দিল পিয়ারী পারভীন ( কুইন) নামের ঐ শিক্ষিকা নিজ গর্ভের দুটি কন্যা সন্তাকে ফেলে রেখে গত ১০ বছর পুর্বে তার প্রথম স্বামীকে ডিভোর্স দিয়ে উপজেলার এস’বিকে ইউপির মিয়া সুন্দরপুর গ্রামের আশরাফ হোসের নামের এক ব্যক্তির সাথে বিবাহ করে ঘর সংসার করে আসছিলো। বর্তমানে স্বামীর সংসার করবে না এমন পরিস্থিতিত্বে বাড়ি থেকে বেরিয়ে এসে তার স্বামী শশুর ও শাশুড়ির নামে একের পর এক হয়রানি মুলক মিথ্যা মামলা দিয়ে তাদেরকে ঘায়েল করে যাচ্ছে। শিক্ষকা দিল পিয়ারী পারভীন কুইন একই উপজেলার হাট-খালিশপুর গ্রামের মৃত ইছাহক আলী মাষ্টারের মেয়ে।
স্বামী আশরাফ হোসেন জানান ২০১৬ ইং সালে আমরা দুজনের সম্মতিত্বে ইসলামী শরিহা মেতাবেক বিবাহ করে ৮/১০ বছর যাবত ভালো ভাবে সংসার জীবন যাপন করে আসছিলাম। সংসার জীবন যাপন চলা কালিন সময়ে আমার স্ত্রীর চারিত্রীক দোষ ক্রটি ও সাংসারিক জীবন যাপন সহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে নিজেদের মধ্যে একের পর এক অশান্তি ও মনোমালিন্য সৃষ্টি হওয়ায় আমার স্ত্রী শিক্ষকা দিল পিয়ারী পারভীন কুইন আমার বাড়ি থেকে দফায় দফায় চলে যায়। সংসারে ফিরিয়ে আনার জন্য বহু চেষ্টাও করি, কিন্তু সে আমার বাড়িতে ফিরে না এসে আমার ও আমার বাবা মায়ের নাম উল্লেখ করে একের পর এক হয়রানি মুলক মিথ্যা মামলা দায়ের করা সহ বিভিন্ন প্রকার হয়রানি করে আসছে। যাহা সম্পুর্ন মিথ্যা ও বানোয়াট এবয় উদ্দেশ্য প্রনোদিত। তার এই মিথ্যা মামলায় জেল হাজত খেটে বর্তমানে অর্থহীন হয়ে অসহায় ভাবে জীবন যাপন করছি। আমার স্ত্রীর এহেনও চারিত্রীক ও অমানুষিক কার্যকলাপে অত্র এলাকার প্রায় মানুষ অবগত আছে। এছাড়া সে সরকারী আইন কানুন ও নিয়মনীতি অমান্য করে নিয়মিত স্কুলে অনুপস্থিতি থাকে।যাহা তদন্ত করলে যথাযথ প্রমান পাওয়া যাবে। আমি একজন সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষ আর সে সরকারি চাকুরীতে কর্মরত, তার এহেনও আচারণ থেকে পরিত্রাণ পেতে গত ১২ই জানুয়ারি ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসক বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছি। এব্যাপরে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করতে মাননীয় শিক্ষা অফিসার ও মান্যবর জেলা প্রশাসক সহ বিভাগীয় ব্যবস্থাপকের সু-দৃষ্টি একান্ত ভাবে কামনা করছি। বিষয়টি নিয়ে ঐ শিক্ষিকার নিকট মোবাইল ফোনে বার বার যোগাযোগ করেও তাকে পাওয়া যায়নি যার কারণে তাহার বক্তব্য দেওয়া সম্ভব হয়নি। এবিষয়ে এস’বিকে ইউপি চেয়ারম্যান আরিফান হাসান নুথান চৌধুরী জানান ওদেরকে নিয়ে অনেকবার দেন দরবার ও সালিশ করা হয়েছে। তার বিষয়ে আমার আর কিছুই বলার নেই।

শহিদুল ইসলামম
মহেশপুর ঝিনাইদহ।।

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *