এম এ সালাম,
সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি :
গত ২২ জানুয়ারী সন্ধ্যায় সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায় বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে এক অনাকাঙ্ক্ষিত সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।সলঙ্গা থানা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মারুফ হাসান খোকনের বাসায়,সলঙ্গা থানা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুল আলীম সরকারের উপস্থিতিতে এ ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়,ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধুবিল ইউনিয়ন বিএনপি’র নির্বাচন পরিচালনা কমিটির তালিকা জমা দিতে বাসায় গিয়ে বিএনপি নেতা শরিফুল ইসলাম হাবু ও আমজাদ হোসেন মহরের মধ্যে কথাকাটাকাটি শুরু হয়।ধুবিল ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক শরিফুল ইসলাম হাবু উত্তেজিত হয়ে ধুবিল ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি আমজাদ হোসেন মহরকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন এবং একপর্যায়ে তার ওপর শারীরিকভাবে হামলা চালান।
এ সময়ে হাবুর সহযোগী ঝাউল গ্রামের আব্দুল হাই (ইউপি সদস্য),চুনিয়া খাড়া গ্রামের মোতালেব,লতিফসহ আরও কয়েকজন ব্যক্তি মারামারি ও সংঘর্ষে অংশ নেয় বলেও অভিযোগ রয়েছে।
অতর্কিত মারধর ঠেকাতে গিয়ে সলঙ্গা থানা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুল আলীম সরকার ও বিএনপি নেতা মারুফ হাসান খোকনও লাঞ্ছিত হন।একই সময়ে ঘটনা কাভার করতে গেলে ছাত্রদল নেতা,সাংবাদিক সুলতান মাহমুদকেও হাবুর সহযোগী আব্দুল হাই গংয়েরা মারধর করেন বলেও অভিযোগ উঠেছে।
পরবর্তীতে এ ঘটনায় সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান বাচ্চুর কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়।
অভিযোগের প্রেক্ষিতে জেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক তানভীর মাহমুদ পলাশ অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দলীয় প্যাডে তারিখ-২৫/০২/২০২৬ এ কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদান করেন এবং কেন তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না মর্মে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে লিখিত ভাবে জানতে চাওয়া হয়।
উল্লেখ্য,কয়েকদিন আগেও ধানের শীষের প্রার্থী ভিপি আয়নুল হকের এক সহকারীকে তার সামনেই মারধর করেন শরিফুল ইসলাম হাবু এমন অভিযোগও রয়েছে।
এ ধরনের কর্মকাণ্ডে ধুবিল ইউনিয়নের তৃণমূল নেতাকর্মীরা চরমভাবে ক্ষুব্ধ ও অতিষ্ঠ।তারা আশঙ্কা প্রকাশ করে জানান,অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দ্রুত সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ না করা হলে যে কোন সময় আরও অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটতে পারে।
বর্তমানে ধুবিল ইউনিয়নে বিএনপির মধ্যে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।
সলঙ্গায় বিএনপি নেতাদের মধ্যে সং-ঘর্ষ, থমথমে ধুবিল ইউনিয়ন

Leave a Reply