এম এ আলিম রিপন, সুজানগর ঃ পাবনার সুজানগরে জবাই নিষিদ্ধ দুগ্ধদানকারী গরুর মাংস বিক্রির দায়ে এক মাংস বিক্রেতাকে ৫ হাজার টাকা এবং অনুমোদিত চিকিৎসা পত্র দেওয়ায় এক ভুয়া পশু চিকিৎসককে পঁাচ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। বুধবার এ দণ্ড দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মীর রাশেদুজ্জামান রাশেদ ।জবাই নিষিদ্ধ দুগ্ধদানকারী গরু জবাই করে মাংস বিক্রেতা আব্দুল আলিম এবং অনুমোদিত চিকিৎসা পত্র প্রদানকারী ভুয়া পশু চিকিৎসক আব্দুল মাবুদকে এ অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।দণ্ডপ্রাপ্ত ভুয়া পশু চিকিৎসক আব্দুল মাবুদ সুজানগর উপজেলার ভঁায়না ইউনিয়নের চরপাড়া গ্রামের আকবর মোল্লার ছেলে এবং দন্ডপ্রাপ্ত অপরজন কসাই আব্দুল আলিম সুজানগর পৌরসভার চর সুজানগর গ্রামের নুরু সরদারের সন্তান।
স্থানীয়রা বলছে, বুধবার সকালে ওই গরুটি জবাই করে মাংস বিক্রির জন্য সুজানগর পৌর বাজারের নিয়ে আসেন কসাই আব্দুল আলিম । এ সময় এ গরুর মাংস বিক্রির খবর ছড়িয়ে পড়ে। এরপর স্থানীয় লোকজনের কাছে বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হলে তারা দ্রুত ইউএনও, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা এবং পৌরসভার কর্তৃপক্ষকে খবর দেন। পরে প্রশাসন অভিযান চালিয়ে ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে বিষয়টি সত্যতা পাওয়ায় কসাই আব্দুল আলিমকে ৫ হাজার ও ভুয়া পশু চিকিৎসক আব্দুল মাবুদকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মীর রাশেদুজ্জামান রাশেদ ।
ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা কালে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাক্তার আলমগীর হোসেন, ভেটেরিনারি সার্জন নুরুনবী ও পৌরসভার স্যানিটারি ইন্সপেক্টর আমিরুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মীর রাশেদুজ্জামান রাশেদ বলেন, সরকারি নিয়ম না মেনে দুগ্ধদান কারী গরু জবাই করে সেই মাংস বিক্রির অভিযোগ পেয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়েছে। সুজানগর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাক্তার আলমগীর হোসেন জানান, বাচ্চা প্রসব করার পর দুগ্ধ দানকারী সেই গরু সাত মাসের পূর্বে জবাই করা সরকারি আইন অনুযায়ী অপরাধ।
এম এ আলিম রিপন
সুজানগর প্রতিনিধি।।

Leave a Reply