নেছারাবাদ সংবাদদাতা, পিরোজপুর।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আপিল শুনানিতে ঝরে পড়েছেন পিরোজপুর-২ (কাউখালী, ভান্ডারিয়া ও নেছারাবাদ) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মাহমুদ হোসেন। এক শতাংশ ভোটারের সমর্থনসূচক তালিকায় গরমিল এবং ঋণ খেলাপি থাকার অভিযোগে তার মনোনয়ন বাতিল বহাল রাখা হয়েছে। ফলে আসন্ন নির্বাচনে তার প্রতিদ্বন্দ্বিতার পথ বন্ধ হয়ে গেল। মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) দুপুরে রাজধানীতে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন এর আপিল শুনানিতে পিরোজপুর-২ আসন থেকে করা মাহমুদ হোসেনের আপিল চূড়ান্তভাবে নামঞ্জুর ঘোষণা করা হয়।
দলীয়সূত্রে জানাগেছে, এ আসনে ভান্ডারিয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর সুমনকে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করা হয়। এর পর মাহমুদ হোসেন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। যাচাই-বাছাই শেষে ঋণ খেলাপি থাকার কারণে রিটার্নিং কর্মকর্তা তার মনোনয়ন বাতিল ঘোষণা করেন। মনোনয়ন ফিরে পেতে মাহমুদ হোসেন আপিল করলেও আপিল শুনানিতে এক শতাংশ ভোটারের সমর্থনসূচক তালিকায় গরমিল পাওয়ায় তার আবেদন নামঞ্জুর করা হয়।
জানা গেছে, মাহমুদ হোসেন এর আগে পিরোজপুর-২ আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন। তবে দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে তিনি নির্দিষ্ট কিছু লোক দিয়ে জ্বালাও-পোড়াওসহ বিশৃঙ্খল আচরণে জড়িত ছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
এদিকে নির্বাচন কমিশনের এ সিদ্ধান্তের ফলে পিরোজপুর-২ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মাহমুদ হোসেনের নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ চূড়ান্তভাবে শেষ হলো। এখন এ আসনে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বিএনপি ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী-এর মধ্যে। এমনটাই মনে করছেন স্থানীয় ভোটাররা।
আনোয়ার হোসেন।।

Leave a Reply