তিস্তার চর এলাকায় পেঁয়াজ চাষে আগ্রহ বেড়েছে

মোঃ হামিদার রহমান নীলফামারীঃ দেশের সর্ব বৃহৎ সেচ প্রকল্প তিস্তায়
বন্যা নেমে যাওয়ার পর তিস্তার পানি একটি নির্দিষ্ট গতিসীমার মধ্যে প্রভাবিত হয়।,এতে করে পানির গতিসীমার স্রোত ব্যবতিত দুই পার্শেই চর পরে যায়।
তিস্তার চর এলাকায় ভুট্টা, গম, আলু মিষ্টি কুমড়া চাষের পাশাপাশি পেঁয়াজ চাষে আগ্রহ বেড়েছে কৃষকের।
চর যেন, চর নয়, তিস্তার চর এলাকা এখন সোনালী শস্যে ভরা ক্ষেত।
বর্ষা মৌসুমে তিস্তার বন্যায় ভেসে যায় ঘর বাড়ি, প্লাবিত হয় হাজার হাজার গ্রাম,, ভেসে যায় গবাদি পশু, হাঁস, মুরগি । অনেকেই হয় ভিটামাটি হারা।
বর্ষার পর কার্তিক আর অগ্রহায়ণ মাসে তিস্তার চর এলাকায় ভুট্টা, গম,আলু পেঁয়াজ, রসুন , আদা সহ শীত কালীন বিভিন্ন রবি শস্য চাষের ধুম পরে যায়।
কৃষকের মুখে হাসি। আনন্দ আর কান্না ঘীরে তিস্তার চরবাসী। বর্ষায় কান্না, কার্তিক আর অগ্রহায়ণ মাসে শীত কালীন রবি শস্য ভরা ক্ষেতে কৃষকের মুখে হাসি।
তথ্য মতে নীলফামারী জেলার ডিমলা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মীর হাসান আল বান্না জানান, চলমান মৌসুমে পেঁয়াজ চাষের লক্ষ্যমাত্রা ৭৬ হেক্টর জমি। উপজেলার তিস্তার চর এলাকা সহ কয়েকটি ইউনিয়নে সরকারী ভাবে মোট ৭৬ হেক্টর জমিতে পেঁয়াজ চাষ করার জন্য কৃষকের মাঝে সার ও বীজ বিতরণ করা হয়েছে। ।

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *