রফিকুল ইসলাম, রাঙ্গাবালী
পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলায় স্কুলছাত্রী আয়েশা মনি (১১) হত্যার ঘটনায় দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ধর্ষনের পরে শ্বাসরোধ করে হত্যা করার কথা গ্রেপ্তারদের একজন
স্বীকার করেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার ব্যক্তির নাম রুবেল প্যাদা (৩২)। তিনি নিহত আয়েশা মনির প্রতিবেশী চাচা। রুবেল প্যাদা সদর ইউনিয়নের মাঝ নেতা গ্রামের বাসিন্দা। তাঁর পিতার নাম কুট্টি প্যাদা। গতকাল রোববার (৪ জানুয়ারি) রাতে নিজ এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে রুবেল প্যাদা হত্যার কথা স্বীকার করেছেন। একই সঙ্গে তিনি ঘটনায় জড়িত আরও একজনের নাম বলেন। পরে ওই ব্যক্তিকেও পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
আজ সোমবার (৫ জানুয়ারি) সকাল ১১টার দিকে রুবেল প্যাদাকে রাঙ্গাবালী সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট চৌকি আদালতে পাঠানো হয়।
রাঙ্গাবালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. সেরাজুল ইসলাম বলেন, নিখোঁজের ঘটনায় আয়েশার বাবা শনিবার থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। জিডির ভিত্তিতে তদন্ত চালিয়ে রোববার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এরপর তথ্যপ্রযুক্তি ও বিভিন্ন সূত্রের তথ্য বিশ্লেষণ করে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি আদালতে আরেক সহযোগীর নাম উল্লেখ করেছেন। তাকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
ওসি আরও বলেন, আয়েশা মনিকে ধর্ষণের পরে হত্যা করা হয়েছে বলে স্বীকার করেছে রুবেল প্যাদা।
এর আগে রোববার দুপুরে নিখোঁজের প্রায় ৪৩ ঘণ্টা পর রাঙ্গাবালী উপজেলার মাঝ নেতা গ্রামে আয়েশা মনির নিজ বাড়ির রান্নাঘর থেকে বস্তাবন্দী অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

Leave a Reply