আনোয়ার হোসেন,
নেছারাবাদ (পিরোজপুর) প্রতিনিধি //
নান্দুহার দারুচ্ছুন্নাৎ ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসায় সহকারি সুপার জাহাঙ্গীর হোসেনের নিয়োগের সময় ৫ লাখ টাকা অগ্রিম ঘুষ নেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে সুপার বাবুল আক্তারের বিরুদ্ধে। পুনরায় সুপার আরো টাকার জন্য বিভিন্ন ভাবে চাপ সৃষ্টি করে টাকা না দিলে মাদ্রাসায় শিক্ষকতা করতে দিবেনা এই মর্মে হুমকী প্রদান করে। বর্তমানে আরো ২ লাখ টাকা ঘুষ দাবি করে। যার ভিতরে ঋণগ্রস্ত হয়ে একলক্ষ টাকা পরিশোধ করে। পরবর্তীতে ব্যাংকের স্বাক্ষরিত অলিখিত একটি চেকের পাতা জোর পূর্বক জমা নেয়। এর পরেও তাকে বিভিন্ন ভাবে অপদস্ত করে এবং মাদ্রাসায় ক্লাস নিতে বাধা প্রদান করে। গত কয়েকদিন যাবত হাজিরা খাতা লুকিয়ে রাখে যাহাতে হাজিরা খাতায় হাজিরা দিতে না পারে। এমন অভিযোগ এনে মাদরাসার সহকারী সুপার মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন ইউএনও সহ বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ করেন।এ বিষয় নির্বাহী কর্মকর্তা মনিরুজ্জামান বলেন,
অভিযোগ আমি এখনো হাতে পাইনি পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।
এ বিষয়ে মাদ্রাসার সভাপতি বলেন,অনেক কষ্ট করে মাদ্রাসাটি দাড় করিয়েছি। মাদ্রাসার বিষয়ে কোন অনিয়ম আমি মেনে নিবো না।যদি সুপারের সাথে টাকা পয়সা লেনদেন করেও থাকে সেটা আমি সভাপতি থাকাকালীন নয় সেটা সুপারের বিষয়।
এ বিষয়ে মাদ্রাসার সুপারের মোবাইলে কল দিলে বলে আমি পরীক্ষার হলে বিজি আছি পরে কথা বলি। পুনরায় বিকাল সাড়ে তিনটার দিকে কল দিলে বলে আমি ব্যাস্ত আছি অফিস থেকে স্যারেরা এসেছেন পরে কথা বলি এবং এই নিউজ লেখা পর্যম্ত তাকে কল দিলে কল রিসিভ করেনি।
নেছারাবাদ উপজেলা প্রতিনিধি ।

Leave a Reply